ঘটনা এক
নির্বাচনে অংশ নিতে চাইছিল না বিএনপি। শেষ পর্যন্ত অংশ নিলো। এরপর প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন জনসভায় সবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া প্রচারণা চালিয়ে আসছেন-আগামী নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
ঘটনা দুই
কুমিল্লার চান্দিনায় গতকাল মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার একটি জনসভা ছিল। সেই জনসভা শেষ করে খালেদা জিয়া চলে যাওয়ার আড়াই ঘন্টা পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা চান্দিনায় তিন যুবককে তাড়া করে। পরে জনতাও তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। এ সময় একটি লোক বোমা সদৃশ্য একটি বস্তু ছুড়ে মারে যেটি বিস্ফোরিত হয়নি। পরে লোকটিকে ব্যাব গুলি করে। তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চান্দিনার নদীয়াবাদ নামে একটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে দুটি বোমা সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়। খুবব স্বাভাবিক একটি ঘটনা। সারা দেশে এভাবে অনেককেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
ঘটনা তিন
খালেদা জিয়া ততোক্ষনে কুমিল্লার টাউন হলে নির্বাচনী প্রচার অভিযান শেষ করে নোয়াখালীর পথে। তাদের কাছে বোমা উদ্ধারের খবর চলে গেছে। দুই দুইয়ে চার মেলাও প্রচার করে পাঁচ। বিএনপি প্রচার শুরু করলো খালেদা জিয়াকে হত্যা করতেই এই গ্রেনেড আনা হয়েছিল। যদিও গোয়েন্দা সংষ্থার লোকজন বলছে, দুটো ঘটনার মধ্যে তারা কোন সম্পর্ক খুঁজে পাননি।
ঘটনা চার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতে ছাত্রদলের মিছিল। সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক।
এবার য়েকটি প্রশ্ন: নির্বাচন বানচাল কারা করতে চাইছে?
খালেদা জিয়াকে হত্যা করার পরিকল্পনায় বোমা হামলা করলে সেই বোমা এতো দুর্বল কেন?
খালেদা জিয়া চলে যাওয়ার আড়াই ঘন্টা পর একটি বোমা উদ্ধারের পর তার সঙ্গে ঘটনার সম্পর্ক কি?
অনুসিদ্ধান্ত: আসলেই নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে। সারা দেশে কাদের পক্ষে মানুষ সেটা বুঝেই এই ষড়যন্ত্র। যতোই সময় যাবে ততোই বিএনপির জনপ্রিয়তা বাড়বে। কাজেই শুরু করো নোংরা রাজনীতি।
আশঙ্কা: দেশ কোন দিকে যাচ্ছে আবার?
প্রত্যাশা: এসব নোংরা রাজনীতি বন্ধ হোক। নির্বাচন হোক ভালোভাবে। যারা জনতার ভোটেই জিতবে তারাই ক্ষমতায় আসুক। হোক সে বিএনপি বা আওয়ামী লীগ। আমরা আর জরুরী অবস্থা চাই না। প্লিজ ম্যাডাম এবার ক্ষান্ত দিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

