আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ধূপছায়া - ওয়ারফেইজ - লিরিক ও গীটার কর্ড - এন্তার এত্তেলা
- আপনি যে সফটওয়ারের ক্র্যাক বা কিজেন খুজছেন.. - নাজিরুল হক
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- উবুন্টু কনফিগারেশন - হাসিব
- কয়েকটি ১৮+ কৈতক... কমন পড়ার সম্ভাবনা বেশি...
তাই আগেই চিন্তা করুন বাকিটুকু পড়বেন কি-না?
- পান্থ বিহোস
- প্রিমিয়াম একাউন্ট ছারাই ফ্রী Rapidshar,Megaupload থেকে ফ্রী Download করুন - স্স্পরসের বাহিরে
- বিনা মুল্যে দেখুন ৩৯ টিভি চ্যানেল - নাজিরুল হক
- মাগনা MOVIE ডাউনলোড সাইট (ALL DIRECT AND NON-RAPIDSHARE LINK) - বাউনডুলে
- বিজ্ঞানের থিওরী এবং টাইম মেশিনের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য (নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর) - আকাশ_পাগলা
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গনহত্যার ভিডিও দেখুন - অমি রহমান পিয়াল
- আমার দশটি পুরানো (৩৬+) কৌতুক - আখসানুল
- যন্ত্র গণকের যন্তর মন্তর - ১ - রাগিব
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- চট্টগ্রামের ব্লগার লিস্ট - আপনি বাদ পড়েছেন নাকি ? - চন্দন
- মোবাইল ইন্টারনেট!!!!! - রসের হাঁড়ি
- ওয়াজ মাহফিল (আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী) - জামাল২০০৭
- জ্যাজ, কালো মানুষের আনন্দ বেদনার সংগীত - লাল দরজা
- বাংলা যখন হিন্দি হলো ... হায় রবীন্দ্রনাথ!! - রাগিব
- সাইদী : নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে - নরাধম
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- লিনাক্স: প্রশ্ন উত্তর - আশাবাদী!!
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে জাফর ইকবাল স্যারের একটি অসাধারন লেখা - ইরতেজা
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- কতগুলো ফ্রী মুভি ডাউনলোডের সাইট! সাথে মুভী ডাউনলোডের ইউনিভার্সাল সাইট! - ঢিল মারে কে মোর টিনের চালে
- আমার বাংলা ই-বুক সংগ্রহের এক বছর - সংগ্রহে দুই শতাধিক বই - তালিকা এখানে - মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)
- ছবি ব্লগঃ মাইরই জামাতীগো নিয়তি। - দ্বিতীয়নাম
- পাকিস্তানের জামাতে ইসলামীর খায়েস ও তার বাস্তবায়নে বাংলাদেশে জামাতের সম্ভাব্য ভূমিকা - তীরন্দাজ
- সকল শহীদ স্বরণে করজোড়ে ক্ষমা চাই (পুন প্রকাশ; আমি নতুন ছিলাম বলে লেখাটি প্রথম পাতায় আসেনি, তাই এখন প্রথম পাতায় দিলাম) - পুতুল
- মুহম্মদ জাফর ইকবালকে কেন আমি এত সম্মান করি - জ্বিনের বাদশা
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
সহজিয়া উবুন্টু ৮.০৪ শিক্ষা!!!
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৫৪
![]()
সেমিস্টার শেষ। সামার এ কোনো ক্লাস এখনো শুরু হয়নি। হাতে অফুরন্ত সময়। নতুন কিছু নিয়ে গুতোগুতি করার জন্য এর চেয়ে ভালো সময় আর হয়না। উবুন্টু ৮.০৪ রিলিজ হয়েছে বেশ কয়েক সপ্তাহ হলো। প্রায় একই সময়ে বের হয়েছে ফিডোরা কোর ৯। কোনটা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা যায় ভাবছিলাম। শেষ পর্যন্ত উবুন্টুই বেছে নিলাম। প্রধান কারন - মিডিয়া সাপোর্ট। ফিডোরার কাস্টমাইজেশন নিয়ে আমার একটু সমস্যা আছে, যদিও ফিডোরা উবুন্টু থেকে অনেক স্টেবল এবং এ্যাডভান্সড (কার্নেল এবং শেল), কিন্তু আমার কাছে এই মুহুর্তে অতো ঝামেলায় না গিয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি একটা সিস্টেম নিয়ে কাজ করতে ইচ্ছে করছিলো। আর ফিডোরা বোধহয় আমাদের দেশের জন্য প্রযোজ্য নয়, প্রধান কারন - স্লো ইন্টারনেট।
কথা আর না বাড়িয়ে দেখা যাক এক্সপেরিমেন্টের রেজাল্ট কি আসলো। আমি উবুন্টু ইনস্টল করেছি সনি ভাইও ল্যাপটপে। ইউএসবি হার্ড ড্রাইভে আলাদা পার্টিশন করে সেখানে ইনস্টল করেছি। ব্যাপারটা শুনতে একটু কঠিন লাগলেও আসলে একদম সোজা। যারা আগে উবুন্টু বা যে কোনো লিনাক্স সিস্টেম ইউজ করেছেন তাঁদের কাছে একদম জলবতরলং হওয়ার কথা। এখানে সবচেয়ে জরুরি হলো বায়োস কনফিগারেশন। যাদের একটু নতুন কনফিগারেশনের কম্পিউটার আছে তারা বায়োসে ঢুকে বুট সিকোয়েন্স বদলে "ইউএসবি হার্ড ড্রাইভ" কে এক নাম্বারে নিয়ে আসুন। দুই নাম্বারে থাকবে আপনার সিডি/অপটিকাল ড্রাইভ।।তিন নাম্বারে থাকবে হার্ড ড্রাইভ (SCSI)। ইউএসবি ড্রাইভে ইনস্টল করুন আর ইন্টারনাল ড্রাইভেই করুন, বুট সিকোয়েন্সটা শুধু খেয়াল রাখতে হবে। ইউএসবিতে করলে আরেকটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে - এমবিআর (মাস্টার বুট রেকর্ড)। যদি ডুয়্যাল বুট (যা আমি করেছি) থাকে, তাহলে উইন্ডোজ এমবিআর রিরাইট হয়ে গিয়ে GRUB ইনস্টল হয়ে যাবে। সমস্যাটা হলো, যখনই কম্পিউটার চালু করবেন, ইউএসবি ড্রাইভটা লাগিয়ে রাখতে হবে। তবে এই সমস্যারও সমাধান আছে। পরে বর্ণনা করছি।
প্রথম ধাপ: beg, borrow or steal
http://www.ubuntu.com/getubuntu/download এ গিয়ে উবুন্টু ডাউনলোড করে ফেলতে হবে। আমি জানিনা দেশে কিরকম স্পিড পাওয়া যায় এখন। আগে যখন ব্রাউজ করেছি ১০/১২'র বেশি কখনোই পাইনি। ব্লগে অনেক হা-হুতাশ শুনি স্পিড নিয়ে। ডাউনলোড করতে গেলে সপ্তাখানেক লাগার কথা। তবে বাজারে সিডি পাওয়া যেতে পারে বা বিডিওএসএন (বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক) এর সাথে যোগাযোগ করলে ওরা হয়তো একটা কপি দিতে পারে। ধরে নিলাম আপনি কোনোভাবে একটা কপি জোগাড় করেছেন। (টিপস: উবুন্টুর ওয়েবসাইটে গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করলে ওরা আপনার জন্য বিনামূল্যে একটা সিডি পাঠিয়ে দেবে। কিন্তু সময়টা একটু বেশী লাগতে পারে। উবুন্টুর ওয়েবসাইটে দেয়া হিসেব অনুসারে ১০ সপ্তাহও লাগতে পারে। ফ্রি সিডি রিকোয়েস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন: https://shipit.ubuntu.com/)
দ্বিতীয় ধাপ: ড্রাইভ সিলেকশন
এটা খুব জরুরি। যদি ইন্টারনাল ড্রাইভে করতে চান তাহলে আপনাকে কিছু জায়গা খালি করতে হবে। ন্যুনতম ২ গি.বা.। যদি এক্সপি ইউজ করেন তাহলে আপনার নরটন ডিস্ক ইউটিলিটি বা পার্টিশান ম্যাজিক জাতীয় কোনো সফটওয়্যার লাগবে। নইলে পার্টিশান করতে গিয়ে পুরো ড্রাইভ ফরম্যাট হয়ে যাবে। যারা ভিসতা (বিষ্ঠা!) ব্যাবহার করছেন তাদের অবশ্য এই ঝামেলা নেই। ডেস্কটপ থেকে মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে ম্যানেজ এ ক্লিক করুন। বামের প্যানেল থেকে Storage কে এক্সপ্যান্ড করে Disk Management এ ক্লিক করুন। আপনার সবগুলো ড্রাইভ দেখতে পাবেন (ইউএসবি সহ)। যে ড্রাইভে জায়গা খালি করে আলাদা পার্টিশান করতে চান সেটাতে রাইট ক্লিক করে Shrink Volume ক্লিক করুন। একটা ডায়ালগ বক্স আসবে। কতটুকু খালি করতে চান সেটা টাইপ করে দিন। এই অংকটা কিন্তু মেগাবাইটে। যত গিগা খালি করতে চান সেটাকে ১০২৪ দিয়ে গুণ দিন। ওকে চাপুন বা এন্টার চাপুন। কিছুক্ষনের মধ্যেই দেখবেন নতুন একটা ড্রাইভ তৈরী হয়েছে। আপনি উবুন্টু ইনস্টল করার জন্য প্রস্তুত। (ধারনা করছি যারা এক্সপি দিয়ে করছেন, তারা নরটন বা পার্টিশান ম্যাজিক দিয়ে অনুরুপ একটা ড্রাইভ তৈরী করতে পেরেছেন।)
তৃতীয় ধাপ: ইনস্টল
একদম সোজা। উবুন্টু (এবং বেশিরভাগ লিনাক্স ডিস্ট্রো) এখন লাইভ সিডি বা ডিভিডি মিডিয়া হিসেবে আসে। ব্যাপারটা হলো, আপনি কোনো ইনস্টলেশান ছাড়াই পুরো অপারেটিং সিস্টেমটি উপভোগ করতে পারবেন। সিডিটি ড্রাইভে রেখে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। একটা মেন্যু আসবে। প্রথম অপশনটি (Try Ubuntu without any changes to your computer) সিলেক্ট করলে আপনি পুরো অপারেটিং সিস্টেমটি ইনস্টল করা ছাড়াই ট্রাই করে দেখতে পারেন। যদিও কিছু জিনিস (ওয়াইফাই, মিডিয়া সাপোর্ট) খুব লিমিটেড থাকবে। আমরা ইনস্টল করার জন্য দ্বিতীয় অপশনটি (install ubuntu) সিলেক্ট করবো। পুরো প্রসেসটি খুবই সহজ এবং ইন্টারেকটিভ। আমি সব ধাপ এখানে বর্ননা করছিনা সময় বাচানোর জন্য। শুধু জরুরী ধাপগুলো বলে যাবো।
১. ভাষা: বাংলা যদি সিলেক্ট করেন পুরো ইনস্টলেশান এবং অপারেটিং সিস্টেম বাংলায় হবে। যদিও এই ধরনের বাংলা আমি কোথাও পড়িনি। এর থেকে ইংরেজিটাই সহজ মনে হয়। ট্রান্সলেশান যেই করেছে word-to-word ট্রান্সলেশান করে গেছে শুধু।লোকালাইজেশন এবং tone of voice বলে যে একটা ব্যাপার আছে সেটা মনে হয় অনুবাদকের জানা ছিলোনা।যাই হোক, আপনার পছন্দ অনুযায়ী বাংলা বা ইংলিশ সিলেক্ট করুন।
২. পার্টিশান: উবুন্টুর পার্টিশান প্রোগ্রামের নাম হলো GParted. চারটা অপশন দেখাবে আপনাকে। আপনার বেছে নিতে হবে শেষেরটি অর্থাৎ Manual। যদিও আমরা Manual নিয়েই কাজ করবো, তারপরও অন্যান্য অপশনগুলো সিলেক্ট করলে কি হয় সেটা একটু দেখবো:
প্রথম অপশনটি (Guided resize and freed space) সিলেক্ট করলে আপনি ড্র্যাগ করে উইন্ডোজ আর লিনাক্সের পার্টিশান সাইজ ঠিক করতে পারবেন। ডুয়্যাল বুট যারা করতে চান এবং যারা এখনো তেমন অভিজ্ঞ নন, তাদের জন্য খুব উপকারী। কিন্তু সমস্যা একটাই – ডাটা মুছে যাওয়ার ভয়।
দ্বিতীয় অপশনটি (Guided Use entire disk) সিলেক্ট করলে উইন্ডোজ পুরোপুরি মুছে গিয়ে তার জায়গায় উবুন্টু ইনস্টল হয়ে যাবে।
তৃতীয় অপশনটি (Guided- Use largest continuous free space) উইন্ডোজ পার্টিশানকে যতোটা সম্ভব ছোট বানিয়ে বাকি জায়গাটুকু উবুন্টুর নামে লিখে দিবে।
যদি উপরের কোনো অপশন আপনার জন্য প্রযোজ্য হয়, নিশ্চন্ত মনে সিলেক্ট করতে পারেন। কারন এই অপশনগুলো ম্যানুয়্যাল থেকে সহজ। Guided অর্থাৎ পুরো ব্যাপারটাই অটোমেটেড। কিন্তু আপাতত আমরা ম্যানুয়ালি ড্রাইভ কনফিগার করবো। সুতরাং Manual সিলেক্ট করে Next চাপুন। /sda বা /sdb হিসেবে আপনার ড্রাইভের পার্টিশানগুলো দেখতে পাবেন (ড্রাইভ লেটার পাবেননা কিন্তু!) যে পার্টিশানে ইনস্টল করবেন সেটাতে ক্লিক করে Edit Partition এ ক্লিক করুন। ধরলাম আপনার পার্টিশান সাইজ ২ গি.বা.। আপনি কিন্তু এর পুরোটাই ব্যাবহার করতে পারবেননা। কারন, লিনাক্স ফাইল সিস্টেমে swap drive নামে একটা ড্রাইভ থাকে যেটা দেখা যায়না। এর কাজ অনেকটা র্যা মের মতোন। আপনাকে এর জন্য কিছুটা যায়গা ছেড়ে দিতে হবে। ২৫০ মে.বা. যথেষ্ঠ।সুতরাং সাইজের জায়গায় ২৫০ লিখে তার নিচের drop down box থেকে swap drive সিলেক্ট করুন। এবার দেখবেন লিস্টে একটা ড্রাইভ বেশি দেখাচ্ছে। ফাইল সিস্টেম খেয়াল করে দেখুন, লেখা আছে swap । আবার আগের পার্টিশানটি সিলেক্ট করুন। এই পুরো জায়গাটুকু আমরা উবুন্টু ফাইলসিস্টেমকে দিতে পারবো।যদিও আরো নানা রকম ড্রাইভ তৈরী করা যায়, তবে সহজ করার জন্য আমরা বেসিক ফরম্যাট নিয়ে কাজ করবো। সাইজ যা আছে তাই রেখে দিন। ড্রপ ডাউন বক্স থেকে সিলেক্ট করুন / (forward slash) এবং File system সিলেক্ট করুন ext3 journal। Next চাপুন। ফরম্যাট করবে ড্রাইভগুলো।ইউজার একাউন্ট তৈরী করুন এবং পাসওয়ার্ড সিলেক্ট করুন। এরপর পুরো ইনস্টলেশান শেষ হতে ১৫-২০ মিনিট সময় নেবে। ব্যাস! হয়ে গেলো উবুন্টু ইনস্টলেশান
![]()
সাজগোজ
উবুন্টুই বোধহয় লিনাক্সের একমাত্র ভার্সন যার চেহারা (user interface) গত ৫টিরও বেশি রিলিজেও বদলায়নি। সত্যি কথা হলো ওই হলদেটে বাদামী রঙটা আমার একদমই পছন্দ না। এটা উইন্ডোজ হলে বেশী কিছু করার থাকতোনা। লিনাক্স বলে সব বদলে ফেলতে পারি। প্রথমেই বলে রাখি, যারা নতুন লিনাক্স ধরেছেন, তারা টার্মিনালের ব্যাপারটায় একটু হোঁচট খেতে পারেন। কিছু কোড লিনাক্সে জানতেই হয়। এই লেখায় আমি চেষ্টা করবো যতোটা সম্ভব কোডিং এড়িয়ে যেতে। আমি এটা নতুনদেরকে উবুন্টু ব্যাবহারে উৎসাহী করার জন্য লিখছি। পুরনোরা সবই জানেন এবং আশা করছি এ লেখায় আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দেবেন।
কাজে নেমে পড়া যাক। প্রথমেই দরকার সবকিছু আপডেট করে নেয়ার (এই পর্যায়ে বলে রাখি, আপনি যদি ডায়ালআপ ব্যাবহার করেন, আপনার জন্য আমার সহমর্মিতা রইলো!)। টার্মিনাল ওপেন করুন (application>accessories>terminal)। নিচের কোডগুলো টাইপ করুন (দুঃখিত! এইটুকু কষ্ট করতেই হবে। কথা দিচ্ছি যতোটা সম্ভব কোড এড়িয়ে যাবো।)
sudo aptitude update
আপনার সফটওয়্যার লিস্ট আপডেট হবে। আমার ডেস্কটপের একটা ছবি আমি দিয়ে দিয়েছি। আমি যা করেছি তা হলো, উবুন্টুর ডিফল্ট ডেস্কটপে উপরে নিচে দুটো প্যানেল থাকে। আমি নিচের প্যানেলটাতে রাইট ক্লিক করে ডিলিট করে দিয়েছি। কারন আমি এখানে একটা Dock ইনস্টল করবো।
ডক:
System>Preference>Synaptic Manger ওপেন করুন। সার্চ বাটনে ক্লিক করে টাইপ করুন AWN। সার্চ রেজাল্ট থেকে সিলেক্ট করুন AWN Avant Windown Navigator। এ্যাপ্লাই করুন। এরপর application>accessories থেকে সিলেক্ট করুন Avant Windown Navigator। রাইট বাটন ক্লিক করে প্রেফারেন্স সিলেক্ট করুন।বিভিন্ন অপশন যেমন কালার, থিম, সাইজ এখান থেকে সিলেক্ট করতে পারবেন।প্রোগ্রাম আইকন এ্যাড করতে application menu থেকে প্রোগ্রামটি ড্র্যাগ করে ডক এ ছেড়ে দিন। ব্যাস।
স্ক্রিনলেট:
Screenlet হলো ডেস্কটপে বিভিন্ন ধরনের widgets। আবার আগের মতন System>Preference>Synaptic Manger ওপেন করুন। সার্চে টাইপ করুন Screenlet। রেজাল্ট থেকে বেছে নিয়ে এ্যাপ্লাই করুন। ইনস্টল হবার পর পছন্দ মতো বেছে নিন কোন কোন screenlet আপনি ডেস্কটপে রাখবেন। cpu meter থেকে শুরু করে weatherbug পর্যন্ত সবই আছে। না থাকলেও সমস্যা নেই। ডাউনলোড করে নিতে পারবেন ইচ্ছে মতো।
![]()
মাল্টিমিডিয়া সাপোর্ট:
কিছু প্লেয়ার এবং প্লাগইনস দরকার হবে। আবার sysnaptics ওপেন করুন। নিচের প্রোগ্রামগুলো সার্চ করে ইনস্টল করুন (আশা করছি আপনি এতোক্ষনে এই ব্যাপারটি শিখে ফেলেছেন)।
Xmms (audio player similar to Winamp)
mplayer (dvd and video playback, replaces Totem player)
kino (dvd and video editing software)
gstreamer (plugins set for playing multimedia files)
acroread (acrobat reader)
adobe flash
java jre (icejre ও চলবে)
elisa (similar to windows media center)
আপাতত এতেই চলবে। আরো প্রোগ্রাম দরকার হলে আপনি applications>add/remove programs এ গিয়ে ব্রাউজ করে ইনস্টল করে নিতে পারেন।
![]()
যারা ওয়াইফাই ব্যাবহার করেন, তারা কিছু সমস্যা পেতে পারেন। ওয়াইফাই কার্ডের ড্রাইভারগুলো প্রোপাইটারি হওয়ায় এসব উবুন্টুতে দেয়া থাকেনা। কিছু এ্যাডভান্সড টার্মিনাল কম্যান্ড দিয়ে কাজ করানো যায়। যদি কারো এই সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন থাকে কার্ডের নাম, মডেল এবং পিসি কনফিগ সহ রিপ্লাই করুন। পারলে অবশ্যই সাহায্য করবো।
আশা করছি এটা কারো না কারো কাজে আসবে। কোথাও ভুল তথ্য থাকলে দয়া করে জানাবেন। আমি আপডেট করে দেয়ার চেষ্টা করবো যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব। একজন ইউজারও যদি এটায় উদ্ভুদ্ব হয়ে উবুন্টু ব্যাবহার করেন আমার চেষ্টা সার্থক হবে। ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ র্যাভেন । এই ব্যাপারটি আমার চোখ এড়িয়ে গিয়েছিলো। ওদের ওয়েবসাইটেই দেয়া আছে। দু:খিত।
লেখক বলেছেন: আপডেট করে দিলাম।
র্যাভেন বলেছেন:
linux mint এ সব কোডেক আর প্রপাইটারি সফটওয়্যারও ইন্সটল করা থাকে আর ওটা ubuntu respority based
লেখক বলেছেন: হুমমম.... কিন্তু ইনস্টল করার ঝামেলাটুকুতো রয়েই গেলো। আমি আসলে repository'র ধারেকাছে যেতে চাইনি। আপনি অনেক এ্যাডভান্সড ইউজার। আমি এই লেখাটা লিখেছি নতুনদের জন্য। ধন্যবাদ।
রাতমজুর বলেছেন:
খুব কাজে লাগবে, আমি একদম নতুন, পদে পদে আটকে যাচ্ছি। ধন্যবাদ।
নকিয়া ফোনকে এজ মডেম হিসেবে কানেক্ট করতে চেষ্টা করছি ব্লু টুথ দিয়ে, কয়েকজন ডাটা দিয়ে সাহায্য ও করেছেন, কিন্তু আমার মত হাতুড়ে দিয়ে কাজ হয়নি। যাই হোক, পরের পর্ব গুলো তাড়াতাড়ি পাবো আশা করি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাতমজুর। আশা করছি তাড়াতাড়িই পরের পর্বগুলো লিখতে পারবো।
বি পজেটিভ বলেছেন:
ভালো পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দূরন্ত বলেছেন:
শেয়ার করা জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শেয়ার না করলে ওপেনসোর্স জিনিসটাই থাকতোনা। ধন্যবাদ।
শিমুল বলেছেন:
ওরে রোকোইন্না এইহানেও?
লেখক বলেছেন: কোন শিমুল গো তুমি? মাহমুদ শাহ?
মামু বলেছেন:
ubuntu respority শব্দটা আমার কাচে নতুন,এইডা মূলত কি বুজায়?
একটু খুলসা কইরা কইবেন? এই ব্যপারে আমি এদম ই আবাল।
লেখক বলেছেন: Repository মুলত ইন্ডিপেন্ডেন্ট সার্ভার যেখানে উবুন্টু (এবং আরো অনেক লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন)এর বিভিন্ন সফটওয়্যার, ড্রাইভার, কোডেক ইত্যাদি সেভ করা থাকে। যখন কোনো সফটওয়্যার বা ড্রাইভার ইনস্টল করার কম্যান্ড দেয়া হয়, এসব Repository থেকে সেটা ডাউনলোড হয়ে থাকে। আপনি চাইলে আপনার ইচ্ছেমতো Repository এ্যাড/রিমুভ করতে পারবেন।
লেখক বলেছেন: আরো বিস্তারিত এখানে দেখুন: Click This Link
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
কাজের পোষ্ট। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শিমুল বলেছেন:
জে!
লেখক বলেছেন: আমিওতো একই কথা জিগাই! তুইও এইহানে আয়া পড়ছস?
আশিক হাসান বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম, শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
নেমেসিস বলেছেন:
৮.০৪ আর ৭.১০ এর মাঝে পার্থক্য কি কি @ র্যাভেন
রাশেদ বলেছেন:
হু। কিছুদিন আগে করলাম উবুন্টু। মাঝে মাঝে ঢু মারি। ভালোই লাগে।
লেখক বলেছেন: আমি এখন অফিস থেকে লিখছি তাই স্টেপগুলো ধারাবাহিকভাবে বর্ননা করতে পারছিনা। এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় হলো স্ক্রিনলেট এবং Avant window Navigator কে স্টার্টআপে যোগ করা। আপাতত এই লিংকটা দেখুন কাজ হয় নাকি। আমি বাসায় গিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছি।
Click This Link
র্যাভেন বলেছেন:
নেমেসিস বলেছেন: ৮.০৪ আর ৭.১০ এর মাঝে পার্থক্য কি কি @ র্যাভেন দুইটার মধ্যে তেমন পার্থক্য নাই , gnome আর kernel সহ সফটওয়্যার গুলার জাস্ট আপটেড করা হইসে ৮.০৪ এ
নেমেসিস বলেছেন:
পোস্টটা আমার অনেক কাজে দিচ্ছে । রোকন আর র্যাভেন দুইজনরে অনেক ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: কাজে লাগছে জেনে ভালো লাগলো। আপনার ডেস্কটপের স্ক্রিনশট শেয়ার করুন সম্ভব হলে।
রোকন বলেছেন:
@বহুরুপী মহাজন, আপনার সমস্যার নিদান দিয়ে আরেকটা পোস্ট দিলাম। দেখেন কাজে লাগে কিনা। এরপরও সমস্যা থাকলে অবশ্যই জানান।
লেখক বলেছেন: দিলাম তো!
লেখক বলেছেন: তুই বাইচা আছস??? তালেবানে ধইরা সাইজ কইরা দেয়নাই এখনো? জন্মদিন কেমন করলি?
আশাবাদী!! বলেছেন:
ভাই সবই ভালোতবে আরেকটু সাজিয়ে লিখতেন। একটু প্যারা বাড়ান। টানা লেখা পড়া একটু কষ্টকর এখানে।
কিছু ভুল
১) ext3 journal তুলনামূলকভাবে ধীর এবং ক্র্যাশ করে প্রচুর। এরজন্য অভিজ্ঞরা এখন JFS সিস্টেম ব্যবহার করতে বলেন।
২) কম্পিজের কথা এড়িয়ে গেছেন। এটা একটু হাইলাইট করেন ভাই। (আলাদা পোস্টে হলে ভালো হয়।)
৩) থিম পরিবর্তনটাও হাইলাইট করতে পারতেন।
যাই হোক বিষয়গুলো একটু দেখে ঠিক করে দিন।
আর গ্রুপে আসেন। ওখানে তো আরও পোস্ট লাগবে ভাই। কেউই কিছু দেয়না। আপনাদের লেখা থাকলে আরও ভালো লাগবে।
http://www.somewhereinblog.net/group/linux
লেখক বলেছেন: @ আশাবাদী, ভালো বলসেন। কম্পিজ নিয়ে একটা লেখা দেয়ার কথা মাথায় আসছিলো, কিন্তু পরে আর সময় হয়নাই। দু'এক দিনের মধ্যে কিছু লেখার চিন্তা আছে।
আমি আসলে যতোটা সম্ভব সহজ করার চেষ্টা করেছি। এই কারনেই ফাইল সিস্টেম নিয়ে বেশী ঘাঁটাঘাটি করিনি। উবুন্টুতে ডিফল্ট হিসেবে ext3 journal থাকে, তাই ওটাই ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছি। আমি এখনো কোনো সমস্যা পাইনি ext3 journal সিস্টেমে। Blender এ প্রচুর Rendering করছি। ভালোই তো চলছে।
ধন্যবাদ্ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আশাবাদী!! বলেছেন:
রোকন ভাই আপনার লেখার অংশবিশেষ আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে পোস্ট করেছি। আশা করি আপনার অনুমতি পেলাম।Click This Link
লেখক বলেছেন: সমস্যা নেই। শেয়ার করার জন্যই তো এতো লেখা। কাজে লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।
আশাবাদী!! বলেছেন:
আপনি একবার JFS সিস্টেম ব্যবহার করে দেখুন, তাহলে বুঝতে পারবেন ext3 কতখানি ধীর।সমস্যা হচ্ছে ext3 তে বেশি বড় পার্টিশন গ্রহন করে না। তাছাড়া আরও সমস্যা হয় যখন বারবার হার্ডডিস্ক পার্টিশন এক্সেস করা লাগবে।
যাই হোক। এটা অবশ্যই ব্যক্তিগত পছন্দের পর্যায়ে পরে যেতে পারে। ext3 আমার অনেকবার ক্র্যাশ করেছে। এমনকি অন্যদেরও ক্র্যাশ করতে দেখেছি।
লেখক বলেছেন: হুমমমম... দেখি ব্যাপারটা একটু ঘেঁটে দেখতে হবে। তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: থ্যান্ক্যু! ![]()
রাহী বলেছেন:
আমি উবুন্টু ৮.০৪ ইন্সটল করেছিলাম, কিন্তু সাউন্ডকার্ড ডিটেক্ট করে না। হার্ডওয়্যারই পায় না... কোনো সাজেশান?আরেকটা কথা, এমবিআর রিরাইট না করতে চাইলে কি করতে হবে? আনইন্সটল করার পর আমাকে আবার উইন্ডোজ ইন্সটল করতে হয়েছে . .
লেখক বলেছেন: এমবিআর রিরাইট হবেই! এড়ানোর কোনো পথ আমার জানা নেই। কোনো কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ বলতে পারবেন কি করে এমবিআর রি রাইট না করে ইনস্টল করা যায়। তবে একটা কমান্ড দিয়ে আবার উইন্ডোজের পার্টিশন একটিভ করে দেয়া যায়। আমাকে একটু সময় দিন। বিস্তারিত জানাচ্ছি। ক্লাস নিয়ে বহুত ঝামেলার মধ্যে আছি।
উইন্ডোজ যদি ডিটেক্ট করে উবুন্টুও ডিটেক্ট করার কথা। অন্তত ৮.০৪ তো অবশ্যই। এই ভার্সানে প্রচুর ড্রাইভার আপডেট আছে। আপনার সাউন্ডকার্ড এর মডেল জানান।
রাহী বলেছেন:
রোকন ভাই, সাউন্ডকার্ডের মডেল জানি না কারণ আমার পিসি টা ভাসির্টি থেকে বাতিল করা DELL এর কম্পু; পি৩-৫৫০; সব কিছূই বিল্ট ইন। অপেক্ষায় আছি...
লেখক বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই GRUB Installing .... Error 21 ধরনের কোনো মেসেজ পেয়েছেন উবুন্টু পার্টিশন ডিলিট করার পর। উইন্ডোজ রিকভার করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন:
১. কম্পিউটারে এক্সপি'র সিডি ঢুকান। রিস্টার্ট করুন।
২. বুট করার পর সিলেক্ট করুন "Repair Windows"- সম্ভবত R চাপতে হবে।
৩. রিকভারি কনসোল ওপেন হবে। এডমিন পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
৪. লগইন করতে পারলে c:\windows ডিফল্ট হিসেবে পাবেন।
৫. টাইপ করুন - FIXMBR। ধাপগুলো অনুসরন করুন।
৬. কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। উইন্ডোজ দেখতে পাওয়ার কথা।
লেখক বলেছেন: এডমিন পাসওয়ার্ড না জানলে এই পদ্ধতি কাজ করবেনা। তখন পুরো পার্টিশন ফরম্যাট করে ফেলতে হবে।
রাহী বলেছেন:
ধন্যবাদ রোকন ভাই। পরবতীতে উবুন্টু ইন্সটল করলে কাজে আসবে। আপাততঃ একটু ব্যস্ত; আর একটা এক্সটারনাল সাউন্ডকার্ডও জোগাড় করতে হবে। তারপর আরেকবার ট্রাই করবো।
রাহী বলেছেন:
rokon bhai, abaro apnar darostho holam. eibar AWN bishoyok. ami Ubuntu 8.04 install korechhi. ubuntu te ekhono bangla install korte pari nai; lab er PC te bangla nai, tai evabe likhte holo, sorry for that..
AWN install hoyechhe, kintu nichhe j Dock er kotha bolchhen, se ta ase na.
Application-accessory-AWN e clik korle kichui hoi na.
Preference er under eo AWN achhe, seta clik korle onno ekta window open hoi jkhane AWN configure kora jai; kintu nichher sei Dock ashe na.
session e giyeo add korechhi, start up eo achhe... chk korechhi.
kono upai?
লেখক বলেছেন: দেরিতে রিপ্লাই দেয়ার জন্য দুঃখিত। অনেকদিন ব্লগে আসা হয়না।
সবার আগে আপনি উবুন্টু'র নিচের পেনেলটি ডিলিট করে দিন। এরপর দেখুন পাওয়া যাচ্ছে কিনা।
সম্ভব হলে ডেস্কটপের একটা স্ক্রিনশট দিয়ে আমাকে মেইল করুন:
আপনার পিসির কনফিগারেশনটাও দিয়ে দেবেন। দেখি সাহায্য করতে পারি কিনা।
পাপী বলেছেন:
সরাসরি শোকেসে। প্লাস!!
পাপী বলেছেন:
উবুন্টুর জন্য EXT2 পার্টিশন সাইজ কতো হলে ভালো হয়? ইনস্টল করার পর খালি জায়গা পড়ে থাকলে মনে খচখচানি শুরু হবে। আপনিতো ইনস্টল করেছেন। আশা করি সাহায্য করবেন।
লেখক বলেছেন: ন্যুনতম ২ গিগা লাগবে। তবে সব এপ্লিকেশন ইনস্টল এবং আপডেটের জন্য ৫-১০ গিগা খালি রাখলে নিরাপদ থাকবেন। আমার পার্টিশন সাইজ ৫ গিগা।
টেকনো বলেছেন:
করা লিখছেন ভাই। খুব মজার সাথে পড়লাম। একেবারে অসাধারন।জোস!!!!!!!!!!!!!!!!!
সরাসরি শোকেসে এবং প্লাস!!
রোকন বলেছেন:
ধন্যবাদ টেকনো। নতুন উবুন্টু বের হয়েছে। সেটা নিয়ে লেখার ইচ্ছে আছে।
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন:
Valo.............
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন:
Valo.............
শুধু আপনার পোস্টটা পড়েই ভিসতা বাদ দিয়ে উবুন্টু ইন্সটল দিসি
কিন্তু ntfs drive গুলায় click করলে cannot mount volume দেখায়। Click This Link এই পোস্ট এর কমান্ড গুলা ডিসি কিনতু কোন কাজ হচ্ছেনা। প্লীজ সাহায্য করেন
আমার মেইল: shiblyএ্যাটshiblyডটtk
লেখক বলেছেন: আপনাকে আমি আলাদা করে ইমেইল করেছিলাম। কাজ হয়েছিলো নাকি জানান নি।
আমি তান্ত্রিক বলেছেন:
@শিবলী ntfs-3g and ntfs-config ইনস্টল করেন।
এখন অবশ্য ৯।০৪ ব্যবহার করতাছি
যত দিন যাচ্ছে ততই আরো বেশী বুঝতে পারছি উবুন্টুকে...
টোকাই খান বলেছেন:
রোকন ভাই আমার ফার্টিশন ntfs । আমি কিভাবে উবুন্টু সেটআপ করবো।
লেখক বলেছেন: এই পুরো টিউটোরিয়ালটা ফলো করেন।
শাহরিয়ার ডট কবীর বলেছেন:
ম্যাক্স বলেছেন:
রোকন ভাই, কেমন আছেন।বাসায় মাঝে মাঝে উবুন্টু ঘাটাঘাটি করি। সেদিন কৌতুহল বশত অফিসের পিসিতে উবুন্টু সেটাপ (ইন্সটল ইন উইন্ডোজ) দিয়েছিলাম। পরে আবার আনইন্সটল করে ফেলেছি। কিন্তু বুট হবার সময় উইন্ডজ এবং উবুন্টু দুটো অপশন ই দেখায় এবং ৩০সে. পর উইন্ডোজ চালু হয়। কিভাবে বুট মেনু থেকে উবুন্টু অপশন টা বাদ দেব। জানালে বিশেষ উপকৃত হব।
নাজমুল1 বলেছেন:
partition nisse na,khali koy kuno rute file system select kora hoy ni,partition kari menu theke select korte,ami ubuntu 9.10 install ditesi,amar pc te kuno OS nai ekhon,shuru theke abar start korte chai partion dewa,kivabe ki korbo?tanks
নাজমুল1 বলেছেন:
partition nisse na,khali koy kuno rute file system select kora hoy ni,partition kari menu theke select korte,ami ubuntu 9.10 install ditesi,amar pc te kuno OS nai ekhon,shuru theke abar start korte chai partion dewa,kivabe ki korbo?tanks
রংধনু বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, ভাই...
ফারহান আহমেদ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, ভাই...
অতনু বিশাস বলেছেন:
উবুনটু ১১,৪ এর ব্যাপারে তো কেউ কিছু বলছেন ই না?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















তথ্যটা ভুল
গত সপ্তাহেই ৮.০৪ এর ফ্রি সিডি পেলাম বাই পোস্ট