somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পালামৌ – সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (ভ্রমণ সাহিত্যে চোখ বুলাই – ০৫)

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


“ভ্রমণ সাহিত্যে চোখ বুলাই” - সকল পর্ব

ভ্রমণপ্রিয় মানুষ যারা পাহাড় আর সাগরের প্রেমে মজেছেন তারা সকলেই বলে থাকেন যে পাহাড় বা সাগর তাদের নীরবে আহবান করে তার বুকে বারে বারে। বিশেষ করে এই দুই জায়গার একঘেয়ে রুপ, স্থিরতা সত্ত্বেও এক অজানা মায়ার টান অনুভব করেন অনেক নাবিক, অনেক পর্বতারোহী। এই মায়ার খেলা যুগ থেকে যুগান্তরে চলে এসেছে। পালামৌ গল্পে লেখক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এমনই মায়ার বাঁধনে বাঁধা পড়ার অভিজ্ঞতার গল্প শুনিয়েছেন। যদিও এই ভ্রমণ কাহিনী যতটা না ভ্রমণ কাহিনী, তার চেয়ে মানবিক উপাখ্যানের গল্প হিসেবেই ধরা দিবে পাঠকের হৃদয়ে। কিন্তু বাংলা ভ্রমণ সাহিত্যে “পালামৌ” এর নাম স্বগর্বে উচ্চারিত হয়ে এসেছে এর প্রকাশের পর থেকে। আর তাই এর পুরো কৃতিত্ব দিতে হবে লেখক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।

সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটি’র কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হুগলীর তৎকালীন ডেপুটি কালেক্টর যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ও হ্যাঁ, উনার আরেকটা পরিচয় হল উনি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উনার মধ্যমানুজ অর্থাৎ আপন ভ্রাতা। মেদেনীপুর জেলা স্কুল এবং হুগলী কলেজে শিক্ষা জীবন শেষে তিনি “বর্ধমান কমিশনার অফিস” এ কেরানী হিসেবে কর্মজীবন আরম্ভ করেন। পরবর্তীতে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। বঙ্গাব্দ ১২৮৪ থেকে ১২৮৯ সাল পর্যন্ত উনি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রবর্তিত “বঙ্গদর্শন” পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ১৮৯৯ সালে এই অসীম প্রতিভাধর কিন্তু অনালোচিত লেখক মৃত্যুবরণ করেন।

“পালামৌ” সর্বপ্রথম ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় প্রমথনাথ বসু ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। মোট ছয় কিস্তিতে প্রকাশিত এই লেখা পরবর্তীতে পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়। তৎকালীন লেফটেন্যাণ্ট গভর্নর তাকে বিহারের ‘পালামৌ’ এলাকায় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দান করেন। আর এই পদে দু’বছর কাটিয়ে তিনি ফিরে আসেন নিজ আবাসে; অতঃপর অনেক বছর পর সেই দুই বছরের স্মৃতিচারণমূলক লেখা নিয়েই আমাদের আজকের “পালামৌ”। তো শুরুতে যে কথাটি বলেছিলাম পাহাড় আর সাগরের জাদুর হাতছানির কথা। সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ও পড়েছিলেন পাহাড়ের প্রেমে। তার জবানীতে শুনুন, “নিত্য অপরাহ্ণে আমি লাতেহার পাহাড়ের ক্রোড়ে গিয়ে বসিতাম, তাবুতে শত কার্য থাকিলেও আমি তাহা ফেলিয়া যাইতাম। চারটা বাজিলে আমি অস্থির হইতাম; কেন তাহা কখনো ভাবিতাম না; পাহাড়ে কিছুই নূতন নাই, কাহারো সহিত সাক্ষাৎ হইবে না, গল্প হইবে না, তথাপি কেন আমাকে সেখানে যাইতে হইত জানি না। এখন দেখি এ বেগ আমার একার নহে। যে সময় উঠানে ছায়া পড়ে, নিত্য সে সময় কূলবঁধুর মন মাতিয়ে ওঠে, জল আনিতে যাবে; জল আছে বলিলে তাহারা জল ফেলিয়া জল আনিতে যাবে; জলে যে যাইতে পাইল না, সে অভাগিনী। সে গৃহে বসিয়া দেখে উঠানে ছায়া পড়িতেছে, আকাশে ছায়া পড়িতেছে, পৃথিবীর রং ফিরিতেছে, বাহির হইয়া সে তাহা দেখিতে পারিল না, তাহার কত দুঃখ। বোধহয় আমিও পৃথিবীর রং ফেরা দেখিতে যাইতাম। কিন্তু আর একটু আছে, সেই নির্জন কোনে মনকে একা পাইতাম, বালকের ন্যায় মনের সহিত ক্রীড়া করিতাম...”


এভাবেই লেখকের প্রকৃতিপ্রেমের প্রকাশ পুরো পালামৌ উপাখ্যান জুড়ে। মূলত বিহারের সেই পাহাড়ি অঞ্চলের কোল উপজাতি এবং তাদের জীবনাচার; তার সান্নিধ্যে লেখকের যাপিত জীবনের দিনলিপির একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ উপজীব্য করে গড়ে উঠেছে এই “পালামৌ” ভ্রমণ সাহিত্যটি। এটা যতটা না ভ্রমণ সাহিত্য হিসেবে মনে হয়েছে, তার চেয়ে একটা উপজাতির জীবন উপাখ্যান হিসেবে ধরা দেয় পাঠকের কাছে। তবে লেখকের প্রকৃতির রুপসুধা পাণের নিজস্ব ধারা লেখক তার জবানীতে পাঠকের কাছে তুলে ধরেছেন ঠিক এইভাবে,

“আমি কখনো কবির চোখে রূপ দেখি না, চিরকাল বালকের মতো রূপ দেখিয়া থাকি। আমি যাহা দেখি তাহাকে বুঝাতে পারি না। রূপ যে কি জিনিস, রূপের আকার কি, শরীরের কোন কোন স্থানে তাহার বাসা, এই সকল বার্তা আমাদের বঙ্গ কবিরা বিশেষ জানেন, এই জন্য তাহাঁরা অঙ্গ বাছিয়া বাছিয়া বর্ণনা করিতে পারেন, দুর্ভাগ্যবশত আমি তাহা পারি না। তাহার কারণ, আমি কখনো অঙ্গ বাছিয়া রূপ তল্লাশ করি নাই। আমি যে প্রকারে রূপ দেখি নির্লজ্জ হইয়া তাহা বলিতে পারি...” হুমম... বস মানুষ!
আসলে এই ছোট্ট ভ্রমণ কাহিনী ধারাবাহিকভাবে ছয় পর্বে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েই প্রবল আলোড়ন তুলেছিল। তিনি তার লেখনী দিয়ে ভালই একটা নাড়া দিয়েছিলেন বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে। তাই আমি নিজে আর না লিখে বরং সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এবং তার “পালামৌ” সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজস্ব মতামত শুনুন,

পালামৌ ও সঞ্জীবচন্দ্র নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


কোনো কোনো ক্ষমতাশালী লেখকের প্রতিভায় কী একটি গ্রহদোষে অসম্পূর্ণতার অভিশাপ থাকিয়ে যায়’ তাহাঁরা অনেক লিখিলেও মনে হয় তাঁহাদের সব লেখা শেষ হয় নাই। তাঁহাদের প্রতিভাকে আমরা সসংলগ্ন আকারবদ্ধভাবে পাই না; বুঝিতে পাড়ি তাহার মধ্যে বৃহত্তর মহত্ত্বের অনেক উপাদান ছিল, কেবল সেই সংযোজনা ছিল না যাহার প্রভাবে সে আপনাকে সর্বসাধারণের নিকট সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়ে প্রকাশ ও প্রমাণ করিতে পারে।

সঞ্জীবচন্দ্রের প্রতিভা পূর্বোক্ত শ্রেণীর। তাঁহার রচনা হইতে অনুভব করা যায় তাঁহার প্রতিভার অভাব ছিল না, কিন্তু সেই প্রতিভাকে তিনি প্রতিষ্ঠিত কোরিয়া যাইতে পারেন নাই। তাঁহার হাতের কাজ দেখিলে মনে হয়, তিনি যতটা কাজে দেখাইয়াছেন তাঁহার সাধ্য তদপেক্ষা অনেক অধিক ছিল। তাঁহার মধ্যে যে পরিমাণে ক্ষমতা ছিল সে পরিমাণে উদ্যম ছিল না।

তাঁহার প্রতিভার ঐশ্বর্য ছিল কিন্তু গৃহিণীপনা ছিল না। ভালো গৃহিণীপনায় স্বল্পকেও যথেষ্ট করিয়া তুলিতে পারে; যতটুকু আছে তাহার যথাযোগ্য বিধান করিতে পারিলে তাহার দ্বারা প্রচুর ফল পাওয়া গিয়া থাকে। কিন্তু অনেক থাকিলেও উপযুক্ত গৃহিণীপনার অভাবে সে ঐশ্বর্য ব্যর্থ হইয়া যায়; সে-স্থলে অনেক জিনিস ফেলাছড়া যায় অথচ অল্প জিনিসই কাজে আসে। তাঁহার অপেক্ষা অল্প ক্ষমতা লইয়া অনেকে যে পরিমাণে সাহিত্যের অভাব মোচন করিয়াছেন তিনি প্রচুর ক্ষমতা সত্ত্বেও তাহা পারেন নাই; তাহার কারণ সঞ্জীবের প্রতিভা ধনী, কিন্তু গৃহিণী নহে। ............................................................................................................................................................

‘পালামৌ’ সঞ্জীবের রচিত একটি রমণীয় ভ্রমণবৃত্তান্ত। ইহাতে সৌন্দর্য যথেষ্ট আছে, কিন্তু পড়িতে পড়িতে প্রতিপদে মনে হয় লেখক যথোচিত যত্নসহকারে লেখেন নাই। ইহার রচনার মধ্যে অনেকটা পরিমাণে আলস্য ও অবহেলা জড়িত আছে, এবং তাহা রচয়িতারও অগোচর ছিল না। বঙ্কিমবাবুর রচনায় যেখানেই দুর্বলতার লক্ষণ আছে সেইখানেই তিনি পাঠকগণকে চোখ রাঙাইয়া দাবাইয়া রাখিবার চেষ্টা করিয়াছেন-সঞ্জীববাবু অনুরূপ স্থলে অপরাধ স্বীকার করিয়াছেন, কিন্তু সেটা কেবল পাঠকদের মুখ বন্ধ করিবার জন্য- তাহার মধ্যে অনুতাপ নাই এবং ভবিষ্যতে যে সতর্ক হইবেন কথার ভাবেও তাহাও মনে হয় না। তিনি যেন পাঠকদিগকে বলিয়া রাখিয়াছেন, ‘দেখো বাপু, আমি আপন ইচ্ছায় যাহা দতেছি তাহাই গ্রহণ করো, বেশি মাত্রায় কিছু প্রত্যাশা করিয়ো না।’

‘পালামৌ’ – ভ্রমণবৃত্তান্ত তিনি যে ছাঁদে লিখিয়াছেন, তাহাতে প্রসঙ্গক্রমে আশপাশের নানা কথা আসিতে পারে – কিন্তু তবু তাহার মধ্যেও নির্বাচন এবং পরিমাণ সামঞ্জস্যের আবশ্যকতা আছে। যে সকল কথা আসিবে তাহারা আপনি আসিয়া পড়িবে, অথচ কথার স্রোতকে বাধা দিবে না। ঝর্ণা যখন চলে তখন যে পাথরগুলোকে স্রোতের মুখে ঠেলিয়া লইতে পারে তাহাকেই বহন করিয়া লয়, যাহাকে অবাধে লঙ্ঘন করিতে পারে তাহাকে নিমগ্ন করিয়া চলে, আর যে পাথরটা বহন বা লঙ্ঘন – যোগ্য নহে’ তাহাকে অনায়াসে পাশ কাটাইয়া যায়। সঞ্জীববাবুর এই ভ্রমণকাহিনীর মধ্যে এমন অনেক বক্তৃতা আসিয়া পড়িয়াছে যাহা পাশ কাটাইবার যোগ্য, যাহাতে রসের ব্যাঘাত করিয়াছে এবং লেখকও অবশেষে বলিয়াছেন, ‘এখন এ- সকল কচকচি যাক।’ কিন্তু এই- সকল কচকচিগুলিকে সযত্নে বর্জন করিবার উপযোগী সতর্ক উদ্যম তাঁহার স্বভাবতই ছিল না। যে কথা যেখানে আসিয়া পড়িয়াছে অনাবশ্যক হইলেও সে কথা সেইখানেই রহিয়া গিয়াছে। যেজন্য সঞ্জীবের প্রতিভা সাধারণের নিকট প্রতিপত্তি লাভ করিতে পারে নাই আমরা উপরে তাঁহার কারণ ও উদাহরণ দেখাইতেছিলাম, আবার যেজন্য সঞ্জীবের প্রতিভা ভাবুকের নিকট সমাদরের যোগ্য তাহার কারণও যথেষ্ট আছে।

‘পালামৌ’ – ভ্রমণবৃত্তান্তের মধ্যে সৌন্দর্যের প্রতি সঞ্জীবচন্দ্রের যে একটি অকৃত্রিম সজাগ অনুরাগ প্রকাশ পাইয়াছে এমন সচরাচর বাংলা লেখকদের মধ্যে দেখা যায় না। সাধারণত আমাদের জাতির মধ্যে একটি বিজ্ঞবার্ধক্যের লক্ষণ আছে-আমাদের চক্ষে সমস্ত জগৎ যেন জরাজীর্ণ হইয়া গিয়াছে। সৌন্দর্যের মায়া- আবরণ যেন বিস্রস্ত হইয়াছে, এবং বিশ্বসংসারের অনাদি প্রাচীনতা পৃথিবীর মধ্যে কেবল আমাদের নিকটই ধরা পড়িয়াছে। সেইজন্য অশনবসন ছন্দভাষা আচারব্যাবহার বাসস্থান সর্বত্রই সৌন্দর্যের প্রতি আমাদের এমন সুগভীর অবহেলা। কিন্তু সঞ্জীবের অন্তরে সেই জরার রাজত্ব ছিল না। তিনি যেন একটি নূতনসৃষ্ট জগতের মধ্যে একজোড়া নূতন চক্ষু লইয়া ভ্রমণ করিতেছেন।

‘পালামৌ’তে সঞ্জীবচন্দ্র যে বিশেষ কোনো কৌতূহলজনক নতূন কিছু দেখিয়াছেন, অথবা পুঙ্খনাপুঙ্খরূপে কিছু বর্ণনা করিয়াছেন তাহা নহে, কিন্তু সর্বত্রই ভালোবাসিবার ও ভালো লাগিবার একটা ক্ষমতা দেখাইয়াছেন ..............................................................................................................................................................
.


===========================================
এভাবে প্রায় দশ-বারো পাতার রিভিউ লিখছিলেন খোদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর “পালামৌ” নিয়ে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় এই ভ্রমণ সাহিত্য তৎকালীন সাহিত্য অঙ্গনে বেশ ভালোই ঝড় তুলেছিল।

তো এই ছিল এবারের “ভ্রমণ সাহিত্যে চোখ বুলাই” সিরিজের পঞ্চম কিস্তি। আগামী পর্বে থাকছে ভবঘুরে শাস্ত্রের রচয়িতা রাহুল সাংকৃত্যায়ন এর আলচিত একটি ভ্রমণ সাহিত্য নিয়ে রিভিউ। ততক্ষণ সাথেই থাকুন, পাশে থাকুন। ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১:০৬
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চীন কথনঃ শিক্ষক - শিক্ষার্থী সমাচার

লিখেছেন Shihab A. Mamun, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:০৮

রাত ৮.২০, ক্লাস চলবে আরো ঘন্টা দুইয়েক। পিএইচডি করা মানুষ একটু পাগালাটে গোছের হয় এটা এখানে না আসলে বুঝতাম না। সবারই কিছুনা কিছু পাগলামী আছে। ছবির ব্যক্তির নাম ড.... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামু বিশ্ববিদ্যালয়

লিখেছেন আর্কিওপটেরিক্স, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০২



রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র Somewherein এলাকায় সদ্য প্রতিষ্ঠিত সামু ব্লগিং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শিক্ষক নিয়োগ চলিতেছে । ইতোমধ্যে নিম্নোক্ত বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ সম্পূর্ণ হইয়াছেঃ

০.শিক্ষকদের শিক্ষকঃ

ব্লগার বিজন রয়

১.কম্পিউটার সাইন্সঃ

ব্লগার ইফতেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাস্তিক্যবাদি পাদ

লিখেছেন কূকরা, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫০

১। পাঁদগাজী
২। উদাসি উল্লুক
৩। ............. ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাপ্তি

লিখেছেন সৈয়দ তাজুল ইসলাম, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:০৯


প্রাপ্তি'র প্রথম পর্ব... (view this link)
(তিন)
স্বপ্নার অস্বাভাবিক আচরণ দেখে দুশ্চিন্তা বেড়েই চলল আব্দুন নূর সাহেবের। উদগ্রীব হয়ে পরছিলেন মেয়ের অস্বাভাবিকতা উদঘাটনে। চাইছিলেন এখনই স্বপ্নার এই পুরনো ডাইরিটা খোলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজধানীর বুকে একটা মেস জীবনের গল্প!

লিখেছেন অগ্নি সারথি, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২৯


মাত্র ৫ সদস্য বিশিষ্ট ঢাকা শহরে চক্রাকারে আবর্তিত হওয়া, ভাঁড়া করা ফ্ল্যাটে ছিল আমাদের মেস জীবন। নিয়মহীনতাই ছিল এখানে নিয়ম। মোবাইল ফোনটা ছাড়া আর কোন ধরনের সম্পদের উপর সুস্পষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

×