somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পুরাতন ভালোবাসার কাহিনী

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইন্টার পরীক্ষার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর ক্লাস শুরু হচ্ছিল না। ঘরে বসে বসে বোরড হচ্ছিলাম। আমার পুরাতন গৃহশিক্ষক এসে বললো টিউশনি করবো কিনা? সানন্দে রাজি হলাম। ইন্টার পরিক্ষার্থী। দেখতে শুনতে মোটামুটি (মিছা কথা)। কয়েকদিন যাবার পর বললাম, বয়সের ব্যবধান বেশি না, আমাকে স্যার ডাকার দরকার নাই, ভাইয়া ডাকলেই হবে (মনে কোন কুবুদ্ধি ছিল না)। ওকে নানা রকম অংক করতে দিয়ে আমি পাশে রাখা ক্যাসেট প্লেয়ারে লো ভলুউ্যমে গান শুনতাম, গল্পের বই আনতাম ধার করে আর আমার দাবা খেলার প্রতিভা দিয়ে কিছু টিচিং দিতাম।

খুব বেশি কয়দিন পড়াই নি, ৬-৭ মাস। আমার ক্লাস খোলার খবর এলো। চলে যাবে বলার পর ওর চেহার দেখি শুকনো হয়ে গেল (তখনও কিন্তু মনে কোন দোলা লাগেনি)।

বিদায়ের ২/৩ দিন আগে একটা ডায়রী পড়তে দিল...ইতং বিতং নানা কথা লেখা গল্প (সেখানে আমি ছিলাম না মনে হয়!)। এরপর দিন বললো, ভাইয়া আপনি চলে যাবেন, বিদায় উপলক্ষ্যে একটা মহৎ কাজ করবো, রক্ত দিব। আমি বললাম ঠিক আছে। দুজন শেষ দিন রক্ত দিলাম সন্ধানীতে। রাতে বাসায় দাওয়াত ছিল। ও দেখি কিছুই খেতে পারছে না। বিদায় নেবার অল্প আগে কারেন্ট চলে গেল। চার্জার নিয়ে এগিয়ে দিতে এলো সিড়ি দিয়ে। নিচে নেমে বললাম, "জীবনটা অনেক বড়। তোমার হাতটা একটু ধরবো" (ঈমানে কইলাম এইকরকম নাটকীয় ডায়ালগ জীবনে আর বলি নাই)।

সেই যে ধরলাম....আর নিস্তার নাই। এটা ১৯৯৮ সালের ঘটনা।

একটু আগে বাসা থেকে বের হবার আগে ঝগড়া করে এসেছি। এখন মন খারাপ লাগছে।।
৬টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×