আমার প্রিয় পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসে আইন মন্ত্রীর ঘুম ভাঙ্গলো-বিচারের আগে কাহকে যুদ্ধাপরাধী বলা ঠিক নই।

১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৭

শেয়ারঃ
0 0 0

অন্ধ আওয়ামীলীগাররা এ পোস্টে নিষিদ্ধ

গত ২৬ ডিসেম্বর আমি একটি পোস্ট দিয়েছিলাম,সেই দিন আমাকে অনেক অজ্ঞ ব্লগার কোন প্রকার যুক্তি ছাড়াই ছাগু বলেছিলেন।
আবার অনেকে খারাপ ভাষায় কমেন্ট করেছিলেন।,এধরনের ব্লগার এখনো হুশ হয়েছি কিনা জানিনা,তবে দেরীতে হলেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে আমাদের আইনমন্ত্রীর ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ হুশ হয়েছে।,তিনি আনেক দেরিতে বলেছেন বিচারের আগে কাহকে যুদ্ধাপরাধী বলা যাবেনা।

পূর্বের পোস্টটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম

জামাত নেতাদের যু্দ্ধাপরাধী বলা সঠিক নই
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩
শেয়ার করুন:
আমরা কেন জামায়াত নেতাদের যুদ্ধাপরাধী বলি? তারা কি দেশের কোন আদালত দ্বারায় প্রমাণিত যুদ্ধাপরাধী? আমার জানা মতে এধরনের বিচার অতীতে বাংলাদেশে হয়নি।
তাহলে জামাত নেতাদের যুদ্ধাপরাধী বলার আইনী অধিকার নেই।
তবে জামাত নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আছে।
তা প্রমাণ করার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত
। আর যদি রাষ্ট্র তাদেরকে ঘোষনা যুদ্ধাপরাধী ঘোষনা করে থাকে,তা বাস্তবায়নের জন্য দেশের সকল মানুষ আন্দোলন করা দরকার।
আমরা আসল অবস্থান থেকে যু্দ্ধাপরাদের বিচার দাবি না করলে বাকী জীবনে বিচার পাবো কিনা সন্দেহ আছে। এজন্য যু্দ্ধাপরাদের বিচার চাওয়া উচিত। শুধু জামাত নেতাদের যু্দ্ধাপরাধী বলা সঠিক নই।
Click This Link

২৬ মার্চের মধ্যে প্রসিকিউশন ও আইও নিয়োগ : যুদ্ধাপরাধীদের নয় মানবতাবিরোধীদের বিচার হবে : আইনমন্ত্রী
খবর: আমার দেশ পত্রিকা
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব নয়, বিচার করা হবে যুদ্ধের সময় যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে শুধু তাদের। যুদ্ধাপরাধের বিচার সংক্রান্ত এক প্রস্তুতি সভা শেষে গতকাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। এখন থেকে তিনি যুদ্ধাপরাধী শব্দের পরিবর্তে মানবতাবিরোধী শব্দ ব্যবহার করতে সাংবাদিকসহ সবার প্রতি অনুরোধ জানান আইনমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আইনমন্ত্রী ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্র সচিব আবদুস সোবহানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বলা হয়েছিল। বছরখানেক থেকে এ নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতির কথাও বলা হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে আইনমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে প্রথম সংশয় প্রকাশ করেন। গতকাল তিনি এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন সাংবাদিকদের কাছে। গতকাল বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা বলেন, আদালত গঠন এবং আইনজীবী ও তদন্ত সংস্থা নিয়োগসহ বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। যুদ্ধাপরাধ আইনে বিচার করতে না পারার বিষয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এতে মূলত যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যরাই চিহ্নিত হয়েছে। স্বাক্ষরিত ওই দলিল অনুযায়ী বিজয়ী দেশ হচ্ছে ভারত। আর পরাজিত দেশ হচ্ছে পাকিস্তান। কাজেই বিচার হলে পাকিস্তান আর্মির সদস্যদেরই বিচার করতে হবে। পরবর্তীকালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমাও করে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আইন কমিশনের মাধ্যমে ৩৩ আইন বিশেষজ্ঞের অভিমত চাওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ৩২ জনই কোনো মতামত দেননি। মাত্র একজন বলেছেন, অল্প সময়ের মধ্যে তার পক্ষে মতামত দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এসব কারণেই সরকারের পক্ষে যুদ্ধাপরাধের বিচার করা সম্ভব হচ্ছে না। যুদ্ধের সময় যারা সরাসরি হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও জোর করে কাউকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করার মতো অপরাধ করেছে—তাদেরই শুধু বিচারের আওতায় আনা হবে। এগুলো হচ্ছে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে এগুলোর বিচার যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে করা সম্ভব।
এদিকে বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও বলেন, মানবতাবিরোধী ওইসব অপরাধের বিচারের জন্য প্রসিকিউশন ও তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ এবং ট্রাইব্যুনাল গঠনের সব প্রস্তুতি ২৬ মার্চের মধ্যে শেষ হবে। আইনজীবী প্যানেলের নেতৃত্বে থাকবেন অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং ছয় সদস্যের তদন্ত দলে পুলিশ মহাপরিদর্শকের পদমর্যাদার সাবেক কর্মকর্তা নেতৃত্ব দেবেন। সেখানে সিআইডি কর্মকর্তারাও সদস্য থাকবেন। এছাড়া তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। এর নেতৃত্ব দেবেন সুপ্রিমকোর্টের বর্তমান একজন বিচারপতি এবং অবসরপ্রাপ্ত দু’জন জেলা জজ। তদন্তে কত সময়ের প্রয়োজন হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনে তদন্তের কোনো সময়সীমা নেই। তদন্তে যতদিন প্রয়োজন দেয়া হবে। কাদের বিচারের আওতায় আনা হবে—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্তের মাধ্যমে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হবে শুধু তাদেরই বিচারের আওতায় আনা হবে। এর আগে কাউকে যুদ্ধাপরাধী বলে অভিহিত করা যাবে কিনা—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কোনো যুদ্ধাপরাধীর বিচার করছি না। আমরা যুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করছি। কাজেই সবাইকে যুদ্ধাপরাধের পরিবর্তে মানবতাবিরোধী অপরাধ কথাগুলো লিখতে হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণের আগে কাউকে অপরাধী বলা আইনসম্মত নয়।

Click This Link

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যুদ্ধাপরাধ ও যুদ্ধাপরাধী ;
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০৭
হযরত আরীফ বলেছেন: মাইনাস না দিয়ে দয়া করে যুক্তি দিয়ে মন্তব্য করুন
২. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০৯
পারভেজ আলম বলেছেন: যুক্তি তর্কের উপযুক্ত কিছু কি লেখা হইছে? মাইনাসই উত্তর।
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: পোস্টটা পডে কথা কইয়েন।

৩. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৬
মারুফ সৈকত বলেছেন: গরুর গোবরের পাশ দিয়ে গেছেন কখনও, অনেক দূর থেকেও গন্ধ ছড়ায়। আমি মনে করি যারা যুক্তি না দেখিয়ে এধরনের পোস্টে মাইনাস দেয় এবং ফাল্টু কমেন্ট করে তারা ওই গোবরের চেয়েও নিকৃষ্ট। তারা এক শ্রেণীর মানুষের উগড়ে দেয়া বমি, শুধুই গন্ধ ছড়ায় আর গলাবাজি করে যায়।

আসলে এই ব্লগে এসেছিলাম ভালো কিছু লেখা পড়ার লোভে যেগুলো আগে লেখা হতো, কিন্তু এখন অধিকাংশই জামাত-শিবির আর বিএনপি'র বিষোদগারে পরিপূর্ণ। যেন এখানে একধরনের রাজনীতি চলে, অবশ্য সেটা ততটাই নোংরা।

লেখক আপনাকে ধন্যবাদ।
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: আমরা না বুঝেই কথা বলি,যারা সরাসরি রাজনীতি করে তারা সবচেয়ে বেশী বোকার আচরণ করে থাকে। তবে আমি তাদেরকে বোকা বলতে রাজি নই। কারণ এরা মুলত স্বার্থের জন্য রাজনীতি করে থাকে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিরা এমন বেশী নিজের দলের প্রতি অন্ধ,যদি চোখের সামনে তার দল মহা ভুলও করে তা স্বীকার করবে না।
যেমন,আওয়ামীলীগের লোক মনের করে তারাই একমাত্র স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি। তারা ছাড়া বাংলাদেশের কোন দলের রাজনীতি করার অধিকার নেই।
বিএনপি মনে করে আওয়ামীলীগ দেশটারে ভারতের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে।
জামায়াত মনে করে, আওয়ামীলীগসহ সকল বামদল কাফের।তারা বেহেস্ত যাবেনা। আর তারা নিজেদের লোক ছাড়া অন্য কারোর সাথে সম্পর্ক-লেন দেন করতে চায়না।

৪. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৮
নাহিনরানা বলেছেন: আবার নিজামীরা বেচে গেল! :P
৫. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২২
কালীদাস বলেছেন: অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য। বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... পড়তে পড়তে চোখে পানি এসে গেল। শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। লেখাটিকে স্টিকি করা হোক.....
৬. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩১
সাকীব বলেছেন: আইনত প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে কিছু বলা যাবেনা তা কিন্তু ঠিকনা। কিন্তু সাধারনত জামাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু লোকদের যেভাবে ঢালাওভাবে দোষারোপ করা হয় তা অনুচিত। ধন্যবাদ আপনার সাহসী লেখার জন্য। সত্য বলতে দ্বিধা করবেননা।

আর শুধুমাত্র আপনি যা বলছেন তা পছন্দ হচ্ছেনা বলেই মাইনাস দিয়ে যাচ্ছে যারা তাদের সুস্থ এবং পরিষ্কার দৃষ্টিতে বিচার করার মানসিকতা নেই।
৭. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩৩
রাহিনআ বলেছেন: যুদ্ধের সময় জামায়াতের মহান নেতারা আর তাদের চামচারা যা করেছিলেন,তা মানবতাবিরোধীও......আসল কথাটি হচ্ছে ''যাহাই লাউ তাহাই কদু'' যেকোনো একটি বিচার হলেই আমরা খুশী...............কারন এই বিচার শুরু হলে সবাই ভালমত জানতে পারবে তারা তসবি হাতে নিয়ে কি কি করেছিল.....................we are waiting for that........
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: যুদ্ধের সময় জামায়াত বলেছিলো পাকিস্তানকে ভাঙ্গার ভারত ষড়যন্ত্র করেছে। যার পরিস্থিতি ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহায্য করেছে। আর পাকিস্তানী বাহিনী ভারতের কাছে আত্নসর্মপন করেছে।
এসব কথা এবং পাকিস্তানী বাহিনীকে পরোক্ষ-প্রত্যক্ষ সহযোগিতার কারণে জামাতের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অপরাধ এবং রাজাকারের অভিযোগ আনি। একই ভাবে আমাদের বর্তমান আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদকেও রেজাকার বলতে পারি!
তিনি বলেছেন,

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এতে মূলত যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যরাই চিহ্নিত হয়েছে। স্বাক্ষরিত ওই দলিল অনুযায়ী বিজয়ী দেশ হচ্ছে ভারত। আর পরাজিত দেশ হচ্ছে পাকিস্তান। কাজেই বিচার হলে পাকিস্তান আর্মির সদস্যদেরই বিচার করতে হবে। পরবর্তীকালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমাও করে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আইন কমিশনের মাধ্যমে ৩৩ আইন বিশেষজ্ঞের অভিমত চাওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ৩২ জনই কোনো মতামত দেননি।

৯. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:২৭
ওরাকল বলেছেন: সম্ভবত পাকিস্তানী ঐ ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে বাচাতেই সরকারের এই নাম বদল :(

৭১ এর মানবতা-বিরোধী কৃয়াকর্ম হয়েছে তার ৯০% করেছে পাকি আর্মি। তা হলে শান্তিকমিটি, রাজাকার, আল-বদরের সংঘঠক হিসেবে যদি গো-আজম, মুজাহিদ, নিজামির বিচায় হয় তবে কোন যক্তিতে পাকি জেনারেল, কর্নেল, ব্রিগেডিয়ারগুল বেচে যাবে ?

একই কৃয়ার দুইরূপ প্রতিক্রিয়া সম্ভব নয় তাই বিচার করতে হলে সবগুলর বিচার করতে হবে সেখানে জামাতি, আওয়ামিলীগ , বিএনপি, পাকি কোন ভেদাভেদ করা অগ্রহনযোগ্য।
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: বিচার নিয়ে তখনই সন্দেহ দেখা দেয়, যখন বলে যুদ্ধাপরাধী জামাতীদের বিচার করা হবে। আওয়ামী কখনো এটা বলে না যে আমাদের দলের ভিতরে থাকাসহ সবাই বিচার করা হবে।

১০. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৫
পারভেজ বলেছেন: রাজনৈতিক নেতাদের নৈতিকতা অনেক আগেই হারিয়ে গেছে ক্ষমতার লোভে।
যুদ্ধাপরাধ কাকে বলে এই তাত্ত্বিক কচকচানি আমি বুঝিনা।
আমি এদের অপরাধের বিচার চাই, যারা
১। ৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বরের আগ পর্যন্ত যারা পাক হানাদার বাহিনীকে সমর্থন করে গেছে এবং এখনো সেটাই ঠিক ছিল দাবী করে।
(সাধারন ক্ষমা তাদের জন্যই প্রজোয্য হওয়া উচিত, যারা ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিল এবং যারা নিম্নলিখিত অপরাধ করেনি)
২। পাকিস্থানের অখন্ডতা রক্ষার নামে রাজাকার, আলবদর, আস-শামস বাহিনীতে যোগ দিয়ে নারী নির্যাতন, বুদ্ধিজীবি হত্যা, মুক্তিযোদ্ধা হত্যা,
সাধারন নাগরিক হত্যা ও নির্যাতন এবং লুটপাটের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল।
৩। বাংলাদেশের অস্তিত্ত্ব অস্বীকার করে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল বা পাকিস্থানের আশ্রয় প্রার্থণা করেছিল।
৪। যারা মুক্তিযুদ্ধকে এখনো আওয়ামী লিগের ষড়যন্ত্র মনে করে।
এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, শেখ মুজিব এর নেতৃত্ব মানা বা না মানা; মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন কিনা; ৭৪ এ দূর্ভিক্ষের কারণ কী ছিল; এরশাদ স্বৈরাচারী ছিলেন কিনা ইত্যাদি বিষয়ের সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কোনরূপ সম্পর্ক আমি দেখিনা।
যারা জামাত শিবিরের রাজনীতি সমর্থন করে; তাদের কাছে প্রশ্ন, " গোলাম আযম, নিজামী, কামরুজ্জামান গং কি এই সব অপরাধের আওতায় আসে কিনা?"
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: আইন মন্ত্রী বলেছেন,

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এতে মূলত যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যরাই চিহ্নিত হয়েছে। স্বাক্ষরিত ওই দলিল অনুযায়ী বিজয়ী দেশ হচ্ছে ভারত। আর পরাজিত দেশ হচ্ছে পাকিস্তান। কাজেই বিচার হলে পাকিস্তান আর্মির সদস্যদেরই বিচার করতে হবে। পরবর্তীকালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমাও করে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আইন কমিশনের মাধ্যমে ৩৩ আইন বিশেষজ্ঞের অভিমত চাওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ৩২ জনই কোনো মতামত দেননি।
একই কথা ৭১সনের জামাত শিবিররাও বলেছিলো। যার কারণে আমরা তাদের রেজাকার বলি। আর যারা সেইদিন হানাদার বাহিনীকে সরাসরি সহযোগিতা করেছিলো,তাদেরকে যুদ্ধাপরাধী( আমার ভাষায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ) বলি। এখন আইন মন্ত্রীকেতো আমাদের রেজাকার বলা উচিত।

১১. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫৬
পারভেজ বলেছেন: তাহলে যুদ্ধাপরাধী নিয়ে বিতর্কের সুযোগে আমরা নারী ধর্ষক, খুনী, লুটেরা দের ক্ষমা করে দিব?
বাহ, বেশ বেশ!!
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: কেন করবেন ? আপনারাতো চোর করে ডাকাত, ডাকাতকে খুনী বানিয়ে বিচার করতে পারবেননা। চোরের বিচার বিচার চুরির আইনেই করতে হবে। আর করো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তাকে অপরাধী বললেতো আমরা নিজেই রাষ্ট্রের অস্তিত্তবকে অস্বিকার করার সমান।
আমি কেনই চাইবো না একটা গুরুতর অপরাধের বিচার হোক। অবশ্যই চাই,তবে বিচার ছাড়া কাহকে ক্রসফায়ারে দেয়া হোক,তা চাইনা।

১২. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১০
ডিডু বলেছেন: ওরা যুক্তির ধার ধারেন আর তাই তাদের এতো ভয়।
২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: আপনাদের মুখে যুক্তি থাকলেও আপনারা কথা বলেননা,যার কারণে তাদের দাপড়।

১৩. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৪
কানা-বাবা বলেছেন: হযরত আরিফ, তুমি অতিসত্বর পাকিল্যান্ড বা সৌদিতে হিযরত করে ফেলো।
২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ভালোই বলেছেন
শুধু যুদ্ধাপরাধী বিচার চাইলে বা জামাতীদের রাজনীতির বিরোধীতা করলে ক্রিয়াশীল হয়ে যাওয়া যায়না। প্রগতিশীল হলে নিজের মনকে প্রগতিশীল করেন কানা-বাবা।

আপনার বাবা যুদ্ধ করছে কিনা জানিনা,তবে আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা, চাচা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। আমার বাবা কখনো দেশের কাছ থেকে কিছুই নেইনি। এমনকি আমার শহীদ চাচার পরিবারও সরকার থেকে সামন্য ভাতা ছাড়া কিছুই পায়নি। বিনিময়ে শুধু চেয়ে তারা বৈষম্যহীন স্বাধীন রাস্ট্র। আমার অসুস্থ বাবা এখনো দেশের খারাপ শুনলে হাউ-মাউ করে কাদেঁ।

১৪. ২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৫
জাতি জানতে চায় বলেছেন: অন্ধ আলীগারদের বিশেষ বৈশিষ্ট এটাই, এনারা শুধু মুখেই বিচার চান!! বিচার না করার জন্য আলীগরে নাকি গালি দেওনেরও টাইম নাই, এমন কি বিচার শুরু করা নিয়া গড়িমসি করলেও!! আলীগ যখন কোন বিষয়ে মূল কাজ শুরুর অনেক আগে থেকেই মিডিয়াই লম্প-ঝম্প শুরু করে তখনই সন্দেহ হয়, আবার না কোন আকাম-কুকাম ঢাকার জন্য এই রব তোলা!! আইন মন্ত্রীর বিভিন্ন সময় বিচারের ধরন নিয়া বিভিন্ন রকম কথায় সন্দেহ হচ্ছে বিচার কাজ শুরুর প্রক্রিয়া নিয়া তারা এখনও সন্দিহান!! এরা যেমন রব তুলে তেমনি প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের এক্সিকিউজ বা ক্যামোফ্লেজ তৈরি করে কাজ বা সিদ্ধান্ত পেছাতে সিদ্ধ হস্ত!! এর আগে তারেক-তোফিক এলাহীর গ্যাস কম্প্রেসর নিয়া সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত ও নজিরবিহীনভাবে বিদেশে করা বিশাল চুক্তির বিষয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার এই রব তোলা শুরু হইছে!! সহসা বিচার শুরু করার কোন কারন দেখি না, করতে চাইলে আরো আগেই করতে পারত!
২০ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: আসলে আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলরে মধ্যে কোন প্রকার গণতন্ত্র নেই। দলের নেতৃত্তে তৃনমূল থেকে নেতৃত্তে আসতে হলে যোগ্যতার চেয়ে তোষামোদই বেশী উপকারী। যার ফলে নেতা কোন প্রপাকান্ডা করলে দলের কর্মীদের মধ্যে খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে মূলত আওয়ামীলীগের রাজনীতির ভিত গড়ে উঠেছে। অন্য দলগুলো রাজনীতির সময় যত তারা তত পরিমাণে প্রপাকান্ডা করতে পারে।

আসলে আমি বলতে চাচ্ছি, আমাদের দেশের মানুষ রাজনৈতিক মিথ্যা প্রপাকান্ডায় আটকে আছে। রাজনৈতিক নেতারা যা বলে তা হয়তো বেশি পরিমানে বিশ্বাস/ অবিশ্বাস করি।

যেমন,আওয়ামীলীগ ৩৮বছর পর হঠাৎ দাবি তুললো আমরা ক্ষমতায় গেলে যুদ্ধাপরাধীর বিচার করবো। অথচ এর আগে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায়ও ছিলো এবং যুদ্ধাপরাধীদের সাথে একই প্লাট ফর্মে থেকে রাজনীতি করেছে। আমরা নাগরিকরা কখনো চিন্তা করি দেখিনি যুদ্ধাপরাধীর বিচার আসলে কি? অপরাধ ও অপরাধী এক ? অথবা এতো বছর কেন এ দাবি?
সবচেয়ে বড় কথা হলো মুক্তি যুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আর বিপক্ষের শক্তি বলে বিভাজনের রাজনৈতিক এজেন্ডা সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

১৫. ২০ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৩
মু. নূরনবী বলেছেন: হযরত আরীফ..ধন্যবাদ..যুক্তিপূর্ণ , অনবদ্য লেখার জন্য।
....তয় বলা উচিত ছিল অন্ধ আ'লীগারদের প্রবেশ নিষেদ। কারণ তারা যেখানে যক্তি-তর্কে হেরে যায় সেখানে গালাগাল শুরু করে।....

প্রকৃষ্ট উদাহরণ কানা বাবা.....এরা আসলেই কানা। কোন কিছুকেই নিরপেক্ষতার দৃষ্টিতে দেখতে পারে না।.....ব্যক্তি আক্রমণ করে কথা কয়।
লেখার জন্য পিলাস+++++++++++
২০ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের অধিকাংশ লোকই কানা,তা না হলে আওয়ামী,বিএনপি,জমাত কিভাবে রাজনীতি করে। দেশের মানুষের সঠিক চোখ থাকলে তারাই দেশের স্বার্থে সবাই রাজনীতিতে আগাইয়া আসতো। কিন্তু তা নাকের জনগন মনে করে রাজনীতি করা খারাপ। আর তারা রাজনীতি করে না তারা অনেক ভালো।
আসলে দেশের সব মানুষ রাজনীতি আগাইয়া আইলে এসব কানা-বাবাদের খাওয়া থাকবেনা।

১৬. ২০ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৮
ব্যানেট বলেছেন: আওয়ামীলিগ,খুনি,চাঁদাবাজ,লম্পট,টেন্ডারবাজ,মাস্তান,বদমাইশ,ইতর,
এবং কি আওয়ামীলিগের নেত্রীরা ও চরিত্রহীন।

যে ব্যাক্তি উপরোক্ত টাইটেল গুলো প্রমান চাই বলেন যোগাযোগ কইরেন।
২০ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: কারা ভালো?

১৭. ২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৩
ত্রিভুজ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে গেলে সবার আগে ফাঁসবে তৎকালীন আওয়ামী সরকার, তারপর ভারত এবং সাথে তাদের তাবেদার আওয়ামীলীগ। সুতরাং এই বিচার হবে না, এটা বহু আগেই বলেছি।

যুদ্ধাপরাধী বিচার সংক্রান্ত একটি লেখা- Click This Link

কয়েকদিন আগের একটা ইন্টারেস্টিং ঘটনা জানলাম- Click This Link


 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭২৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
হযরত আরীফ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই