বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আমাদের শরীরী ভাষা এবং 'মোনালিসা স্মাইল' রহস্য
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২০
(লেখা ইন্টারনেট থেকে গবেষণার ফসল)
আমাদের শরীরটা কেবল যে কাজ করে তা নয়। এই শরীরের যে একটা ভাষাও আছে! আর সেটাই হল গিয়ে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ। বিষয়টা কতটা ইম্পর্ট্যান্ট সেটা বোঝানোর জন্য ছোট্ট একটা ঘটনার কথা বলি, এক ক্রিকেটারের স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করা হল- তিনি কেন বিশেষ করে এই ব্যক্তিকে বিয়ে করলেন? উত্তরে স্ত্রীটি বললেন, 'আমি ক্রিকেট খেলা দেখি না, আমি ওকে ওর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে পছন্দ করেছিলাম।'
কথাটা আপাতত হাস্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হল আমরা মানুষেরা কম বেশি এই কাজটাই করে থাকি। আমরা মানুষকে অনেকটাই চিনি তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজের সাহায্যে।
মানুষের বডি ল্যাঙ্গুয়েজের প্রধানটা প্রকাশিত হয় তার চেহারায়। আর চেহারার সবচেয়ে বেশি অভিব্যক্তি ফুটে ওঠে চোখে।
মানুষ হাসে। নকল করে হাসে, ঢং করে হাসে, কষ্ট পেলে হাসে, টেনশনে থাকলে হাসে...... মানুষ একমাত্র প্রাণী যে কিনা হাসে!
হাসি নিয়ে একটু গবেষণা করা যাক। নকল হাসি আর আসল হাসি চেনার ক্ষেত্রে মানুষ আশ্চর্যজনকভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। দেখা গেছে গড়ে ২০টা হাসির মধ্যে আসল নকল বের করতে পারে মানুষ ৪/৫টা করে! এই ব্যর্থতার কারণ বোধহয় এই যে বেশিরভাগ মানুষ নিজের অনুভূতি নিয়েই বেশি বিব্রত থাকে।
**আমরা হাসি দেখি বলতে মুখটা দেখি। আমরা দেখি এমন- ঠোঁট দুইটা একটা বাটির মত দু'দিকে প্রসারিত হয়ে গেল,দুই গালের পেশিগুলো উপরে ঠেলে উঠল। (যেমন সামহয়্যারের হাসি-
)।
**কিন্তু হাসির প্রধান রহস্যটা মানুষের চোখে। সেটাই আমরা সচরাচর এড়িয়ে যাই। আমাদের গালের পেশীগুলো ঐচ্ছিক পেশী, তাই আমরা নকল হাসি হাসতে পারি। কিন্তু চোখের পেশি অনৈচ্ছিক (এটা থেকে আমরা একটু কষ্ট করে খেয়াল করলে নকল হাসিটা চিনে বের করতে পারি!)
**নকল হাসিটা ধরা পড়ে মূলত চোখে। যে অনুভূতি থেকেই আসুক, হাসিটা যদি আসল হয় চোখের বাইরের দিকের কোণায় কতগুলো ছোট ছোট ভাঁজ পড়ে। অনেকে জোর করে হেসেও এই ভাঁজটা ফেলতে পারে (যেমন রিচার্ড গিয়ারের হাসি) কিংবা বার্ধক্যজনিত কারণেও এরকম ভাঁজ চোখের কোণায় পড়তে পারে। এটার নাম লাফ লাইন।
**কিন্তু আসল হাসি চেনার অব্যর্থ লক্ষণ হল এই- আসল হাসিতে চোখের তারা চিকচিকিয়ে উঠবেই!!
**আর হাসিটা যদি হয় আগ্রহের সাথে, তাহলে লক্ষ্য করলে দেখা যায় চোখের তারা স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে গিয়েছে।আপনি কারো সাথে খুব উৎসাহের সাথে গল্প করছেন, সে আপনার কথা আসলেই শুনছে কিনা তা তার চোখের দিকে একটু গভীরভাবে তাকালেই বুঝতে পারবেন। চোখের তারাটা যদি প্রসারিত হয়ে থাকে তার অর্থ আপনার কথা সে খুব আগ্রহের সাথে শুনছে।
**আসল হাসিতে চোখের নিচের পাতা সংকুচিত হয়ে যায়- সম্পূর্ণ মানুষের ইচ্ছার বাইরের একটি বিষয়, এটা কখনো কনশাসলি করা যায় না।
**এমন অভিনয় শিল্পীও কম নেই যে খুব কষ্টে থেকেও একেবারে আসল একটা হাসি উপহার দিতে পারে। কিন্তু মনে রাখার বিষয় হল হাসি একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া। হাসার সময় মানুষ তার শরীরী ভঙ্গি দিয়ে অবচেতনভাবে বুঝিয়ে দেয় হাসিটা আসল কি না। হাসার সময়ও কারো হাত পায়ের ভঙ্গি আগের মতই রয়ে গেল কিংবা হাসছে বটে কিন্তু কাঁধ দু'টো আগের মতই ক্লান্ত ভঙ্গিতে ঝুঁকে আছে- দেখেই বোঝা যায়, বেচারার হাসার মত মনের অবস্থা নেই। মনে মনে কষ্টে আছে সে!
....................................................................................
এবার আসা যাক মোনালিসার হাসি প্রসঙ্গে। বহু লোক বহু সময় এই হাসির রহস্য উদ্ধার করেই ফেলেছে!!! মোনালিসার হাসি তো মোনালিসার হাসিই, তাই না? তার রহস্য উদ্ধার করা সোজা কথা নয়। বিশ্লেষণ করি আর যাই করি, আমি নিজেও বলি বিশ্বের সবচেয়ে বিস্ময়কর হাসি এটা।
আমাদের অর্জিত জ্ঞান দিয়ে একটু মোনালিসার হাসিটাকে খুঁটিয়ে দেখা যাক এবার তাহলে।
***পেইন্টিংটার ডান দিকটা লক্ষ্য করে দেখা যাক প্রথমে। ঠোঁটটাকে মোনালিসা ঠিকই উপরের দিকে টেনে উঠিয়েছে, হাসতে হলেই যেটা আমরা করি। দ্য ভিঞ্চি তার গালের পেশী দু'টিকে আলাদা করে দিয়েছেন ছোট্ট একটু ছায়া টেনে দিয়ে। এই পর্যন্ত ঠিক আছে, একটা ভদ্র মৃদু হাসি। কিন্তু চোখের দিকে তাকানো যাক।
*প্রথমে চোখে আনন্দের অভিব্যক্তি বলে যে জিনিসটা আছে সেটা খুঁজে দেখা যাক-জিনিসটা অনুপস্থিত!
*চোখের কোণে লাফ লাইন নেই (তবে ছায়া আছে, ওটা কপালের হাড়ের ছায়া)।
*চোখের নিচের পেশী শিথিল হয়ে রয়েছে। দৃষ্টিটা কিছুটা শীতল কিন্তু রিল্যাক্সড।
*আসলেই হাসলে মানুষের চোখে কিছুটা বাড়তি অশ্রু চলে আসে, তার ছিঁটে ফোঁটাও নেই।
**অর্থাৎ মুখটা হাসছে, চোখটা না! একটা ভদ্র হাসি যেটা আমরা কমবেশি সবাই বানাতে পারি।
.......................................................................
*** বামদিকটা লক্ষ্য করে দেখা যাক। ডানদিকে ঠিক বিপরীত বিষয় এখানে!
*গালের পেশী শিথিল,ঠোঁটে হাসি নেই।
*কিন্তু চোখে ঠিক উল্টো বিষয়। চোখটা তার হাসছে!! একটা মিষ্টি সুন্দর হাসির আভা বাম চোখে।
*চোখের কোণে লাফ লাইন।
*চোখের তারা(ইংরেজিতে পিউপিল) প্রসারিত- উৎসাহ এবং আগ্রহের চিহ্ণ।
*চোখের নিচের পেশী সংকুচিত, একটা সত্যিকারের হাসির লক্ষণ!!
..............................................
চেহারার পুরোটা বিচার করা যাক এবার।
ডান চোখে হাসি নেই, বাম চোখে আছে।
ঠোঁটের ডান দিকে হাসি আছে, বামদিকে নেই।
অর্থাৎ ক্রসওয়াইজ, ডান থেকে বামে,
হাসি নেই, হাসি আছে!!
হাসি আছে, হাসি নেই!!
.........................................
বোধহয় এ কারণেই মোনালিসার হাসিটা এতটা রহস্যময় দেখায়। কেউ কেউ বলে থাকেন, এটা লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির একটা অসাধারণ কৌশল। তিনি ইচ্ছা করেই বিষয়টা এমন করে তুলেছেন যাতে যুগ যুগ ধরে মানুষের ধাঁধাঁ লেগে যায়।
তবে সম্ভাব্য যুক্তি হিসেবে আমরা আরেকটা বিষয় ভেবে নিতে পারি, দিনের পর দিন ধরে একই শিল্পীর সামনে, একই পোজে, এসে সিটিং দিতে হলে নিত্যদিন হাসি আসার কথা না!!
হয়ত শনিবারে অপরিচিত দ্য ভিঞ্চির সামনে বসে ভদ্র হাসি দিয়েছিলেন মোনালিসা, তখন আঁকা হল তার ডান চোখটা। সোমবার হয়ত সত্যি হেসেছিলেন, আঁকা হল মুখের ডানদিকটা। বুধবার বোধহয় মুখের বা'দিকটা আর শুক্রবার বোধহয় শেষ আঁচড় পড়েছিল ক্যানভাসে, উৎসাহিত মোনালিসা মিষ্টি হেসে চেয়েছিলেন শিল্পীর দিকে- তখন আঁকা হল বাঁ'চোখ!
মোনালিসা নাকি ছ' মাসে আঁকার কথা ছিল শিল্পীর, কিন্তু হাসি বিষয়ক জটিলতায়ই বোধহয় শেষ হয়েছিল গিয়ে ছ' বছরে।
যেমন করেই আঁকা হোক, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি মোনালিসা শেষ করে মোনালিসার চেয়েও রহস্যময় হাসি হেসেছিলেন হয়ত...... যে হাসি শত বছরেও কোন শিল্পী হাসতে পারে না.................
এই আমি মীরা বলেছেন:
বেশি বড়। পরে পড়বো। লেখক বলেছেন: ওকে।
কোলাহল বলেছেন:
আপনার হাসিটা নকল তা ধরতে পেরেছি।
লেখক বলেছেন: তা-ই?
আমার হাসিটা কোথায় দেখলেন?
রাকিব বলেছেন:
উপরের কথাগুলো সত্য। আমি নিজেই এর প্রমাণ পেয়েছি। তবে মোনালিসা সংক্রান্ত কথাগুলো গবেষণা করতে হবে। খেলোয়াড়দের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সাধারণ ব্যক্তিদের তুলনায় অনেক ধারাল।
লেখক বলেছেন: বোধহয়...
রাকিব বলেছেন:
আমার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে কি বুঝা যাচ্ছে?
লেখক বলেছেন: খুক খুক! আপনার ছবি তো ক্লিয়ার না...
তবে এটুকু বলা যায়, আপনি খুব ইজি মুডে ছিলেন না, সামনে হাত বাঁধা-ডিফেন্সিভ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ।
এর বেশি বলতে পারব না![]()
ওঁ-বোমা আলু চোর বলেছেন:
মোনালিচারে ওঁ-বোমা আলু চোর বালা ফায়
লেখক বলেছেন: ভালো...
লেখক বলেছেন: কি হল কি জানি!
বাংলা রচনায়?
তা হুঁমমম.... একেবারে কম পেতাম না (বাংলায় মোটামুটি ভালোই ছিলাম)....... ২০ এ মোটামুটি ১১ থাকত গড়ে। সর্বোচ্চ বোধহয় ১৪ পেয়েছিলাম একবার
।
হঠাৎ এই প্রশ্ন কেন???
খুশবু বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
হুমমম...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ (শুধু হুম এর জন্যই!)।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিভুজ।
শাওন বলেছেন:
রাকিব ভাইয়ের হাতের ক্রস দেখে রুহান রুহানের কথা মনে পড়ে গেলো ।
লেখক বলেছেন: রুহান রুহান কি শাওন?
এইটা কি জাফর ইকবালের বই?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুনিয়া।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ডাক্তারী বিদ্যা অলরেডী অর্ধেক পরা হইয়া গেলো।যাই হোউক, আমার হাসিখান দেখনের পর আমাগো স্কুলের হার্টথ্রুব ম্যাডাম বলছিলো," আমগাছের পাতা খেয়েও দেখি মাথায় বুদ্ধি হয় নি!" এইটা শুনার পর মনে হইলো ম্যাডাম চোখে কম দেখে তার পয়দিন পর সত্যি সত্যি তার চোখে চশমা দেখছিলাম! তবে আমার লেখা মনে হয় আসলেই অতটা খারাপ না, তবে কেনজানি আমি হাসলে অনেকেই মুখ ঘুরায়া ফেলে। এই হাসির উত্তর আজও আমার অজানা রয়েই গেলো! ভালো লেখা পিএইচডি পাওনের মতো!
লেখক বলেছেন: পিএইচডির জন্য থ্যাংকস!
খ্যাক খ্যাক.... আপনার হাসি তো অতটা খারাপ না! আমার কাছে অন্তত লাগে নাই।
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
ভাল লাগছে ... সুন্দর লেখা ... +++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, জ্বিন সাহেব!
লেখক বলেছেন: কমেন্ট ডাবল হয়ে গিয়েছিল তো.... প্রথমটা মুছে দিলাম।
তা-ই তো মনে হয়.... আমার কিন্তু মত বদলায় নাই এখনো!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আমি কিন্তু সত্যি ভেবেছিলাম লেখাটা কেমন কেউ পড়বে না। আপনারা আমার ধারণা ভেঙে দিলেন দেখে ভাল লাগল।
খেয়াল করা লাগবো।
লেখক বলেছেন: হাঁ লাগবে বটে!
পদ্ম পুকুর বলেছেন:
+।বেশী কিছু বলতে ভয় পাচ্ছি, যে হারে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা শুরু করেছেন.... আমার দুর্বলতা সব বের করে ফেলবেন।
ভালো হয়েছে।
লেখক বলেছেন: আপনার দুর্বলতা? বাব্বাহ! অত গবেষক এখনো হইনি।
ধন্যবাদ।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
অসাধারন লেখা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রসের হাঁড়ি বলেছেন:
A big +
লেখক বলেছেন: A big thanks.
গবেষণা দারুন হয়েছে।
+
কথা হলো আপনি নিজে প্রতিদিন কয়বার নকল হাসি আর কয়বার আসল হাসি দেন সেইটা যদি জানা যেতো আরো ভালো হতো
লেখক বলেছেন: আমার পরিসংখ্যানটা বলা যাবে না ![]()
তবে আমি প্রচুর হাসি, প্রতিদিনই হাসি....
হাসাহাসি ভালো জিনিস।
শেখ রহিম বলেছেন:
আপনি জানেন কি ?
নতুন এক গভেষনায় জানা গেছে যে, লিওনার্দোই নাকি মোনালিসা?
লিওনার্দোর দাড়ি মোনালিসার চেহারাতে যোগ করলে মিল খোঁজে পাওয়া যায়।
লেখক বলেছেন: এটা আমি পড়েছি। তবে আমার ঠিক বিশ্বাস হয়নি। যতদূর আমি জানি (এবং সবচেয়ে প্রচলিত) মোনালিসা ছিলেন কোন এক ভদ্রলোকের স্ত্রী। তার স্বামী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চিকে দিয়ে এই পোট্রেটটি আঁকানো শুরু করেছিলেন। ছয় মাস পর ছবি আঁকা হয়ে যায়। দ্য ভিঞ্চি এই ছবির জন্য অ্যাডভান্স মানিও নিয়েছিলেন, বাকি পেমেন্ট ছবি শেষ করার পরে দেয়ার কথা ছিল। বলাই বাহুল্য, পরে ছবি আর তিনি লোকটিকে দেননি।
ছবি শেষ হয় ছয় বছর পর (আরো কিছু কম বা বেশি সময়ও হতে পারে)।
এবং খুব বিখ্যাত হয়-বলার অপেক্ষা রাখে না।
অনেকে মনে করেন মোনালিসার (অর্থাৎ ছবিটির মডেল, তার নামটা আমার খেয়াল নেই) সাথে দ্য ভিঞ্চির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।
এরকম আরো অনেক কিছুই শোনা যায় ছবিটা নিয়ে, কোনটা সত্য কে জানে!
শেখ রহিম বলেছেন:
আপনি বলেছেন.... কোনটা সত্য কে জানে?
তাহলে একটি বিষয়কে সত্য বলে ধরে নিয়েছেন কেন? আমি যে মন্তব্যটি করেছি সেটি ছিল সর্বশেষ প্রকাশিত। শেষটিকেই আমরা যথার্থ বলে ধরে নিতে পারি। তাই নয় কি?
আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরএক শিক্ষক বিষয়টিকে নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা করেছিলেন।
লেখক বলেছেন: হতে পারে। আমার কাছে পুরনো ব্যাখ্যাটা বেশি যুক্তিপূর্ণ আর বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়েছে, এজন্য ওটাকেই সত্য বলে ধরে নিয়েছি। যেহেতু আমি সন তারিখ সহ, মডেলের নাম সহ পুরোটা পড়েছি সেজন্য বিশ্বাস করেছি।
হতে পারে আপনার ধারণাই ঠিক.... কত কিছুই হতে পারে।
প্রজ্ঞা বলেছেন:
হা হা হা হা......কঠিন বিশ্লেষণ। খুব ভালো লাগলো।
আপনার লেখা পড়ে কারো সামনে হাসতেই ভয় লাগছে।
কেউ যদি আসল/ নকল ধরে ফেলে....!
লেখক বলেছেন: হা হা হা.....
শেখ রহিম বলেছেন:
পুরনো তথ্য সমৃদ্ধ বইটি আমিও পড়েছি। নতুন গবেষনার ফলাফল আমার কাছে আছে। সর্বশেষটিকেইতো আমরা ধরে নিতে পারি। এখন বর্তমান ইন্টানেটের যুগে পুরনোতে থাকবো কেন? এই নিয়ে আমিও গবেষনা শুরু করেছি। তাই......।
এক মুঠো রোদ্দুর হাতে'.......আসুন
লেখক বলেছেন:
নতুন তত্ত্ব পুরনো হতে কিন্তু সময় লাগে না। কালই আবার নতুন তত্ত্ব বেরুতে পারে আরেকটা। আমার কাছে পুরনোটা যৌক্তিক লেগেছে বেশি। আসলে আমি একটু প্রাচীনপন্থী, সহজে নতুন কিছু বিশ্বাস করি না।
আপনার গবেষণার ফলটা জানাবেন কিন্তু (গবেষণার শেষে
) দেখি বিশ্বাস করতে পারি কিনা!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হুমম... বুঝলাম...
তুমি তো বেশ আঁতেল হয়ে উঠেছ!!! খোঁটা দেয়ার ভালোই পদ্ধতি বের করেছ দেখছি....
চিন্তা কইরো না, দিন সবারই আসে..... হে হে ![]()
শাওন বলেছেন:
ওওওও আর তুমি আঁতেল বলে সম্মান করলে ? বাহ মাহবুবা বাহ !! বেঁচে থাকো , জয় তোমার আসবেই আসবে !
লেখক বলেছেন: সম্মান তো বটেই!!
আসবে বলেই তো মনে হয়....![]()
রাকিব বলেছেন:
হুমম..ছবি ক্লিয়ার করতে হবে।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা করেন।
লেখক বলেছেন: ভালোমানুষি প্রস্তাব!!! কিন্তু পরবর্তী ঝুঁকি কে সামলাবে?
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
খ্যাক খ্যাক.... আপনার হাসি তো অতটা খারাপ না! আমার কাছে অন্তত লাগে নাই।মারছে এইটা কি কইলেন? আপনেরে আমি জন্মেও দেখি নাই, আপনেও আমারে দেখেন নাই, তাইলে এই ডায়লগের মানে কি?
লেখক বলেছেন: আমি আপনাকে দেখেছি, মায় আপনার ছবিও দেখেছি!!!
মানে আসলে ছবিই দেখেছি.... হাসির ছবি।
![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
এই ক্যাবলা মার্কা হাসিও যে মাইনষের পছন্দ হয় সেইটা শুইনা আমি মহা টাস্কি খাইলাম। যাই হোউক এই টাস্কি খাওয়ানোর জন্য আপনারে ধন্যবাদ (শীতের ধইনাপাতার স্টক শেষ! )
লেখক বলেছেন: হা হা...
নতুন স্টক তৈরি করেন। আরো তো লাগতে পারে!
""শ্রাবণী"" বলেছেন:
হুমম...।আমি মোনালিসার হাসির রহস্য কিছুই বুঝি না। খুবই খারাপ কথা।
তবে গবেষণায় +++ দিলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
মোনালিসার হাসির রহস্য আসলে কেউই বোঝে না পুরো....
পদ্ম পুকুর বলেছেন:
কি ব্যাপার হ্যালো মাহবুবা, লিখছেন না কেন?
লেখক বলেছেন: লিখব হয়ত... জানি না।
সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন:
++++++++++ চলুক............................
লেখক বলেছেন: এটার তো কোন পর্ব নাই... কি চলবে?
আল্লাহই জানে!
তবে প্লাসের জন্য ধন্যবাদ।
আমার একটি পোস্ট আছে মোনালিসাকে নিয়ে।
Click This Link
লেখক বলেছেন: তথ্যগুলোর জন্য অনেক ধন্যবাদ। পড়ে দেখা যাক আপনার পোস্ট।
লেখক বলেছেন: আমি তো বিশেষ মিল দেখছি না দু'জনের।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
মোনালিসা নিয়ে কত গবেষনা!!!! আজো দ্য ভিন্চি কোড লেখা হয় আর সেটা বেস্ট সেল হয়!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: কি কপাল নিয়েই না জন্মেছিল!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনিও ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: অনেক দেরিতে মন্তব্য। তবে ধন্যবাদ।
উত্তরেরকল্পতরু বলেছেন:
তিরানব্বই।
লেখক বলেছেন: প্রাইম নাম্বার!! ভালো ভালো
।


















