.......জিরো গ্র্যাভিটি.......

তিন টাকার ভাবনা

০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:৫৭

শেয়ারঃ
0 5 0

ব্লগে বসে ক্যাচর ক্যাচর করছিলাম। এক ব্লগার অনলাইনে এসে কথা বলা শুরু করল... কবেকার কথা জানি? মনে নাই....
না থাকুক। কি জিজ্ঞেস করল তা মনে আছে বেশ। জিজ্ঞেস করল, 'চালের কেজি কত করে এখন?' মনে হল যেন আমি আগুনের মধ্যে বসে আছি আর একটা লোক পাশে এসে বলছে, 'আগুনের তাপমাত্রা কত ডিগ্রী সেলসিয়াস?'
আমি কইলাম- ৫০ টেকা কেজি-- উহা বলিলাম মনে মনে, বাহিরে ভদ্র ভাষায় টাইপ করিয়া দিলাম-"এইতো ৫০ টাকা কেজি একটু ভালোটা। আর কমদামিটা ৪০ টাকা কেজি।"
পরে আর ভাব ধরে রাখতে পারি না... ব্রহ্মতালু জ্বলে যায় রাগে.... বলি, "ভাই বিদেশ গিয়েছেন বেঁচেছেন। আমরা যে কিসের মধ্যে আছি!"
মনে মনে এক হাজার বার বলি, হে আল্লাহ, আমার কাছে একটা রেডিও অ্যাকটিভ মাকড়শা পাঠাও, সে আমার হাতে একটা কামড় দিক, আমি স্পাইডার ম্যান (নাকি ওম্যান) হয়ে যাই। তারপর একটা কুলদর্শন ড্রেস গায়ে চাপিয়ে দেয়াল বেয়ে বেয়ে ঝোলাঝুলি করে, কোন একভাবে চাল ডাল নুন তেলের দাম কমিয়ে দেই... এই "কোন একভাবে" মানে যে কি আমার জানা নাই।
অবশ্য স্পাইডার ম্যানের চেয়ে সুপার ম্যানের পাওয়ার বেশি। সে উড়তে পারে, চোখ দিয়ে লেসার মারতে পারে, পৃথিবীর আহ্নিক গতিও সে বদলে দিতে পারে.... ওঁ মধু!!
সে তার গার্লফ্রেন্ড হারানোর কষ্টে একবার উত্তর মেরুতে গিয়ে এমন এক চিৎকার দিয়েছিল যে আমেরিকায় বসে তার গার্লফ্রেন্ড সেটা শুনতে পেয়েছিল। আহা কি ক্ষমতা!

এ-ই যদি আমি হতাম? বাংলাদেশী সুপার ওম্যান, তাহলে আজকে কারো কোন কষ্ট করতে হত না। আমি সব ক্ষমতাসীনদের কানের মধ্যে গিয়ে অত জোরে চিৎকার দিতাম.... মানে ঠিক ২০০০০ ডেসিবেল। হয় সবাই হার্ট অ্যাটাক করে মরত, নয়ত চিৎকারের ঠেলায় চাল ডালের দাম কমে যেত। ওদের কানের কাছে মুখ নিয়ে বিশাল হা করে দিতাম এক চিৎকার,"ওওও---ইইইই..... চালের দাম কমা..আ .আ ... আ..." এই টাইপের কিছু একটা।

সেদিন পিচ্চি ভাইবোন দু'টোর জন্য গিফট কিনতে গিয়ে দেখি এক ছেলে খাতা কিনতে এসেছে টেক্সট জোনে। ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা মনে হয় ৩৫ টাকা করে চাইল। কয়েকদিন আগে আমিও ছয় সাতটা খাতা কিনিয়েছি আব্বুকে দিয়ে.... দাম শুনে হা হয়ে থাকলাম। ছেলেটা অনেক্ষণ দামাদামি করে দাম কমানোর চেষ্টা করল- লাভ হল না। দাম কখনো কম রাখা হয় না। বাংলাদেশে সবকিছুর গ্রাফ নিম্নমুখী, খালি উন্নয়ন আর দ্রব্যমূল্যের গ্রাফটা উর্ধ্বমুখী।
মোটামুটি বিচ্ছিন্ন দিন যাপন করেছি বেশ দীর্ঘ একটা সময়। বাইরে বেরিয়ে এসে দেখছি দ্য সান ইজ রিয়েলি হট ইন দ্য আউটসাইড ওয়ার্ল্ড!
বাসের ভাড়া বেড়েছে বেশ অনেকগুলো টাকা করে। আগে ফট করে বাসা থেকে রিকশা করে মিরপুর দশে চলে আসতাম, বলা লাগত না... জানা কথা ভাড়া ৫ টাকা। এখন রিকশাওয়ালারা, "কই যাইবেন?" জিজ্ঞেস না করেই মুখটা ডেনজেল ওয়াশিংটনের মত করে বলে "দশ টেকা" আমি অবাক হয়ে যাই। পাঁচ ছয়টা মাসের মধ্যে ডাবল ভাড়া চায়?? অথচ পুরো স্কুল লাইফ ৫ টাকা ভাড়া দিয়ে এলাম!! কোথায় ৫ বছর আর কোথায় ৫ মাস!!
বাসে যাতায়াতটা আমার বরাবরই অপছন্দ। "সাইদাবাজ- গুলিস্তান- ফারাংগেইট" করে টিন থাপড়াতে থাপড়াতে বাসের হেলপারদের ঝুলে ঝুলে যেতেই দেখেছি চিরকাল, আজকাল ঐ যন্ত্রটায় চড়তে হয়- এতটা রাস্তা তো আর রিকশায় যাওয়া যায় না। বাসে যাতায়াত শুরু করতে না করতেই এক দফা ভাড়া বাড়ল। আট টাকা ভাড়া দশ টাকা। আহ কি মধুর জীবন!! লাইফ ইজ বিউটিফুল!!
বাসে উঠে দাঁত কটমট করে বসে থাকি। বাস জিনিসটি মেয়েদের কাছে বিভীষিকার আরেক নাম। বিশেষ করে লোকাল বাস। কি যে সব মধুর অভিজ্ঞতা..... নামার সময় হেলপারের হেল্প উথলে ওঠে! পিঠে হাত দিয়ে, হাত ধরে.... তাছাড়া লুইচ্চা যাত্রীদের কথা তো বাদই দিলাম.....ওহ কত প্রকারের হেল্প!! সমগ্র বাংলাদেশ এদের দেখে শেখে না কেন বুঝি না!!
সময় নিয়ন্ত্রণ হইল গিয়া আরেক চিটারির নাম... তাদের ভাড়া আবার ষোল টাকা। বৃষ্টির দিনে উঠে আমাকে ডাবল ভাড়া দিতে হল। এটা আসলে বাংলাদেশীদের সহনশীলতার একটা ছোট্ট নমুনা। আমার মনে হয় পুরো জাতিটাই মরে গেছে........

বাসে বসে বসে দুই লোকের ঝগড়া দেখতে দেখতে আমি বাসের কড়িকাঠ গুনি!! বাসের ছাদে তারা গুনি। এক পাথরবহুল লোক (তার লিভারে স্টোন আছে কিনা জানি না, এই পাথর হল হাতে পরার পাথর.. এগুলোর নকল সংস্করণ আমাদের বাণিজ্য মেলায় ইরানী স্টলের সুদর্শন ছেলে মেয়েদের মুখ দেখার বিনিময়ে দেদার বিক্রি হয়) বাসে উঠেই আমার সামনে বসা ছেলেটার পায়ে চাঁটি মেরে পিছনে যেতে যেতে বলল," পা ঢুকায় বস।" আরেকজনকে এই কথা বলতেই তাদের মধ্যে বিশাল ঝগড়া। আর দেখে কে... এর মধ্যে আবার আমার পাশের রো তে বসা লোকটা খুব ভালোভাবে পাথরওয়ালাকে সমর্থন দিচ্ছে... "উনি যে পাত্থরগুলি পরসেন, এগুলির দাম জানেন? এগুলি অনেক দামি জিনিস... আল্লাহই মানুষকে রিজিক দেন.. কিন্তু একটা পাত্থর আসে ওইটা যদি আপনে হাতে দেন আপনার কোনদিন ভাতের কষ্ট হবে না... আল্লাহই আপনাকে দিবে... সউদিরা কুটি কুটি টাকার পাত্থরের বিজনেস করে, জানেন?... আমরা তো খালি সেলস ম্যান ছিলাম.. তাই দেখতাম.." এইটুকু শুনে আমার মনে হল, এই কুটি কুটি টাকার ভাত দেওয়া পাথরগুলো বাংলাদেশে নিয়ে এসে কুটি কুটি টুকরা করে ছড়িয়ে দেয়া যায় না.... মানুষ ভাতের কষ্টে আছে, কষ্ট ঘুচে যেত তাহলে....

ইতিমধ্যে চাঁটি মারা ভদ্রলোক সমর্থন পেয়ে নিজের গীত গাওয়া শুরু করলেন,'আল্লাহ বলেছেন নিজেকে ছোট করতে তাই আমি উনাকে কথাটা বললাম। নাহলে আমার কি দরকার তিন টাকার লোকের সাথে কথা বলতে যাওয়ার? ভাই আমি একজন নাটকের মানুষ (প্রশ্ন হইল তাহলে বাসে তাও আবার লোকাল বাসে কি মনে করে!) আমি সমাজ নিয়ে চলি..'
আমার সামনে বসে ছেলেটা মিটি মিটি হাসছে। ভালো লাগল, ছেলেটা তেড়ে ফুঁড়ে ঝগড়া করতে যায়নি, হয়ত চাঁটি খেয়ে কিছু হলেও শিখেছে। এই জেনারেশনের এটা ভালো, আমরা বড় জ্ঞান পিপাসু। আমরা সালাম বরকতের মত বুকের রক্ত ঢেলে দিতে যাই না.... আমরা আগে হিসাব করি, এই রক্তদানের কি মূল্য? রক্ত দিলে সন্ধানীতে দেয়া ভালো.... আমি তো মনে করি স্টুডেন্ট পলিটিক্সে জড়িয়ে রক্ত দেয়ার চেয়ে এটা নিশ্চিতভাবেই বেটার।
বাস থেকে লোকগুলো নেমে যায়.. পাথরের ক্যানভাসার... পাথরধারী... একজন একজন করে...
"নেমে যা" আমি মনে মনে বলি, এদেশ থেকেই নেমে যা.. পৃথিবীর বুক থেকেই নেমে যা তোরা... আমরা সব ক'টাই নেমে যাই... গর্দভদের এই পৃথিবীতে কোন স্থান নাই। নতুন পৃথিবী হবে বুদ্ধিমানদের জায়গা..... আমরা জাতিশুদ্ধ এই দলের বাইরে....
পাত্থর হাতে পরলে কোটি টাকার মানুষ হয়, না পরলে তিন টাকার।
আমি তো দেখি কুত্তাও পাথরের উপর বিষ্ঠা ত্যাগ করে। এইসব পাথরের এত মূল্য!! এই দিয়ে হয় মানুষের দাম? হাতে পাথর ধারণ করিলাম আর আমি সউদি শেখ হয়ে গেলাম! আর পাত্থর নাই তো কোন দাম নাই!!
সোনা কি? একটা ধাতু... খুব দামি... কেন? কারণ আমরা তাকে দামি বানিয়েছি। পুরুষেরা সোনা দিয়ে স্ত্রী-প্রেমিকা-কন্যাদের গহনা গড়ে দেয়। হীরা কি.. একটা পাত্থর... তাতে আলোর বিচ্ছুরণ হয় খুব সুন্দরভাবে... মহিলারা উহা পরিলে পুরুষদের চোখ ধাঁধাইয়া যায়... ব্লাড ডায়মন্ড দেখে বুঝলাম ঐ পাথরটার কাছে হাজার হাজার মানুষ জিম্মী করে ফেলেছে নিজেদের...
...........................................
মানুষের হৃদয় দিয়ে আলো বাহির হয় না... আলো ঠিকরাইয়া পড়ে না....
সেজন্য উহার কোন দাম নাই... যত দাম পাত্থরের...
কি মধুময় ব্যাপার!! মাধুর্যে মুগ্ধ হয়ে যাই!!!
বাসের আকাশে তারা দেখতে দেখতে আমার হঠাৎ একটা চিন্তা মাথায় আসে... আচ্ছা আমাদের সারা পৃথিবীতে যে এত সমস্যা, সবগুলোর মূলে কি?
আমার মনে হয়- মিথ্যা।
একটা দিনের জন্য যদি আমরা পৃথিবীর সব মানুষেরা মিলে মিথ্যা বলা ছেড়ে দিতাম! বাসের ছাদের দিকে তাকিয়ে আমি কল্পনা করি... কি দারুণ ব্যাপার হত!
ফখরুদ্দীন- মঈন উদ্দীনরা আর আলু খেতে বলত না, বুশ হঠাৎ করেই বলত, সরি, বাটপারি করেছি তোমাদের সঙ্গে wmd বলে কিচ্ছু নাই, ব্লেয়ার বলত, আসলেও আমি একটা পা চাটা। আই ডোন্ট মাইন্ড!
উফ কি দারুণ ব্যাপার হত... আমাদের রাজনীতিবিদরা সবাই আবার বিশুদ্ধ হয়ে ফিরে আসতেন.... চালের দাম না বেড়ে যদি মানুষের দাম বাড়ত!!
বাসের ছাদের দিকে তাকিয়ে আমার খাতা কিনতে যাওয়া ছেলেটার ঘর্মাক্ত মুখ ভেসে উঠল মনে..... খাতার দাম কত কম হত!!!

 

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:০৭

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

২. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:১০
বিবেক সত্যি বলেছেন: গর্দভদের এই পৃথিবীতে কোন স্থান নাই। নতুন পৃথিবী হবে বুদ্ধিমানদের জায়গা..... আমরা জাতিশুদ্ধ এই দলের বাইরে....

আহারে !! কেমন একটা সত্য কথা বলছেন !!

পুরো পোষ্টের প্রতিটা লাইন মনের মধ্যে গেঁথে রইলো...
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:১৪

লেখক বলেছেন:
সত্য হয়েছে তো কথাটা?
নিজেই কনফিউজড! :(
ধন্যবাদ আপনাকে।

৩. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৩০
সুদীপ্ত সরকার বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন! একদম এ+ ।
এত লম্বা লেখা, অথচ পড়তে গিয়ে আগ্রহ হারাই নি। সাম্প্রতিক সময়কে অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন। আর আপনার শেষ কথাগুলো চমৎকার লেগেছে। পৃথিবীতে "মিথ্যা" জিনিসটা না থাকলে কেমন হত - এটা দারুণ এক কল্পনার খোরাকি।
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪

লেখক বলেছেন:
সমস্যা ওইখানেই। এটা কেবলই কল্পনা :(.........
ধন্যবাদ এ+ এর জন্য।

৪. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: ভালো লাগলো..........।
বাস্তব সমস্যাগুলো এভাবে তুলে ধরা .........।
সবখানেই জিনিসপত্রের যা দাম।
জীবনের প্রয়োজন গুলোর লিস্ট কমাতে হবে ভাবি মাঝে মাঝে।
প্রাওরিটি বুঝে বুঝে চলা......।

শুভেচ্ছা থাকলো।
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন:
প্রাওরিটি বুঝে চলা!! কি আর বলব...
জীবনের প্রয়োজনের লিস্ট থেকে বেঁচে থাকাটা বাদ দিলেই কেবল ঠিকমত চলা যাবে... তাছাড়া আর উপায় নাই।
থ্যাংক ইউ, শুভেচ্ছার জন্য।

৫. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:০৭
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপু, ভাল লাগল অনেক দিন পরে দেখে। আর লেখা? ওটা তো সারা জীবনই ভাল। তাই প্রশংসা করতে আর ভাল লাগে না।
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন:
আপনার মন্তব্য পেয়ে সব সময়ই ভালো লাগে। ভাবছি বারবার প্রকাশ করার দরকার আছে কিনা !!!
অনেক ভালো লাগল আপনার মন্তব্য পেয়ে।

৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:৪০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপু, বুঝতেই পারছো তোমার এই নিবাসের ঠিকানা আমার জন্য নয়। প্লিজ তোমাকে যেন অন্য নিবাসের ঠিকানায় পাই।

তবে পোস্ট সব ঠিকই পড়ব। সেটা কনফার্ম।
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: অবশ্যই অন্য নিবাসের ঠিকানায় পাবেন আমাকে। আপনাকেও পাব আশা করি।

৭. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:৪৩
বিবেক সত্যি বলেছেন: মাহবুবা, আমার এই কমেন্ট এবং উপরে হটডগের কমেন্ট ডিলিট করে দেন, প্লিজ...
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন:
আপনার কমেন্ট থাকুক বিবেক। কিন্তু হটডগের কমেন্ট ডিলিট খাইলো। ডিলিট যে খাইলো তাহার প্রমাণ হিসেবে এই কমেন্টটা থাকুক।

৮. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪০
যীশূ বলেছেন: ভালো লেখা। শুধু খানিকটা বড় হয়ে গেছে, এই যা।
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন:
যীশূ, আমার লেখার এই অবস্থাই হয় আজকাল... ছোট করে লেখা ভুলে গেছি...
ধন্যবাদ।

৯. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:১২
দূর্ভাষী বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ... টু দ্য পাওয়ার ইনফিনিটি। অনেক ধন্যবাদ।

০৯ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: হুঁ।

০৯ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

১২. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
এই আমি মীরা বলেছেন: মন খারাপ হয়ে গেলো পড়ে, কিন্তু মজাও পেলাম। ফুল সুপারওম্যান না হলেও, হাফ সুপারওম্যান হওয়া আসলে অত কঠিন না, এই যে তোমার এই লেখাটা পড়ে যদি কোন পলিটিশিয়ান লজ্জা পেয়ে ভালো কিছু করে ফেলে, তাহলে তুমি এফ.এস হয়ে যাবে। লেখার কারনে এইচ.এস আছো। :D
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন:
শুধু পলিটিশিয়ানরা কি করে ভালো করবে, আমাদের প্রিয় মঈনুদ্দীন এবং ফখরুদ্দীনেরও তো কিছু একটা করা লাগবে... তারা তো আবার স্বীকৃত পলিটিশিয়ান না... হে হে
আমি এইচ. এসও যদি হতে পারতাম রে ভাই..... তাইলে তো উড়িয়া দেশ হইতে বাহির!! সুপার পাওয়ার চাওয়ার আসল কারণ তো ঐখানে
:D

১৩. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭
চিকনমিয়া বলেছেন: বাংলাদেশে সবকিছুর গ্রাফ নিম্নমুখী, খালি উন্নয়ন আর দ্রব্যমূল্যের গ্রাফটা উর্ধ্বমুখী।
__________________
কতাডা হাচা:(
পুরা লেকাডাই ভালা লাগচে , বহুত ভালা
পেলাচ:(
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন:
আহা, চিকনমিয়ার পেলাচ:(... আপনি মন খারাপ কইরা পেলাচ দিলেন আমিও মন খারাপ কইরা নিলাম...:(
আর ভালো লাগে না... আপনি কি আরো চিকন হইতেছেন নাকি? আমি আশঙ্কায় আছি খাদ্য সংকটে আমাদের প্রিয় চিকনমিয়া হাওয়ামিয়া হয়ে না যায়... :(
ধইন্যাপাতা একথাল দিলাম ভাতের লগে লগে...

১৪. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
চিকনমিয়া বলেছেন: বড়ই ক্যাচালে আচিগো:(
আফা ভালা থাইকেন
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: আমিও ক্যাচালেই আছি ভাই... হগলেই ক্যাচালে আচে...
:( আপনেও ভালো থাইকেন...

০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনের মিয়া মোটাতাজাকরণ শুরু করা দরকার। একটা ব্লগীয় উদ্যোগ নিতে হয় :)...

১৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০
চাচামিঞা বলেছেন: আপনার লেখা চমৎকার। আপনাকে আমার প্রিয় লিংকের লিস্টে এড করে ওটাকে সম্রিদ্ধ করতে হবে। আর বলার অপেক্ষা রাখে না, আপনার লেখটার জন্য অবশ্যই + আর বর্তমান আলু সরকার আর ঐ বাস ওয়ালাদের -।
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: চাচামিঞা, অনেক ধন্যবাদ।
আলু সরকারকে - এরচেয়ে বেশি কিছু দেয়া যায় না?

১৭. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২
বিবেক সত্যি বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক ।

"উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপু, বুঝতেই পারছো তোমার এই নিবাসের ঠিকানা আমার জন্য নয়।"

আশা করি, এই কথা ফিরিয়ে নেবেন উনি ।
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন:
আমার তো মনে হয় উনি ঠিকই বলেছেন। দেখেন না, উনি কোথাও গেলেই পঙ্গপালের মত সব এসে হাজির হয়।

১৮. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:৪৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: এতগুলো এলোমেলো কথা এভাবে একসুতোয় সাজিয়ে ফেলা,আমার হিংসা হচ্ছে। যদিও আমার মনে হয় পুরো জাতিটাই মরে গেছে..তারপরেও ভাবনাটা ধরে রাখুন,কেউ তো জানবে,কেউ তো ভাববে।
১০ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: কেউ ভাবুক এটাই চাই। প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের মৃত জাতি ভাবতেও ভুলে গিয়েছে কিনা। ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব আশাবাদী একদিন আমরা বুঝতে পারব।
আপনার হিংসা হওয়াটাকে বিনয় হিসেবে নিলাম :).... ভাল লাগল মন্তব্য পেয়ে।

১৯. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:০৮
লাল দরজা বলেছেন:

লাল সেলাম।

আপনার এ রচনাটি বাংলাদেশের সবগুলো পত্রিকার প্রথম পাতায় একই দিনে মোটা মোটা হরফে একযোগে ছাপা হওয়া উচিৎ।

দেশ মানুষ জাতি সবকিছু একযোগে ভোন্দা হইয়া ধেন্দা মাইরা রইছে, সাত চড়ে ও রা করে না। এদের এক যোগে হাজার হাজার চড় মারা উচিৎ।

সকল শ্রদ্ধা আপনার ক্রোধকে।

ন্যায্য ক্রোধের এমন একটি রচনার জন্য

আপনাকে,

লাল সেলাম।

স্যালুট।।
১০ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও সালাম।
প্রশংসা পেয়ে একটু লজ্জা পাইলাম :) :)...
হাজার চড়ের ব্যাপারে ১০০% একমত। আমাদেরকে চড় না ২২০ ওয়াটের ইলেক্ট্রিক শক দেয়া দরকার। প্রত্যেককে। তাহলে ও যদি একটু লাভ হত!!!

২০. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:১৯
কোলাহল বলেছেন: পরিনত ভাবনা। অন্যকে ভাবতে বাধ্য করে।

(মাথায় যে কিছু আছে তা মাথার ছবি দেখেই বোঝা যায়। হা..হা..হা..)
১০ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: পরিণত ভেবেছি ভাবতে ভালো লাগছে :)....
হা হা হা... মাথায় কিছু নাই (প্রতিদিন আমার মা একবার করে বলে, গাধার বাচ্চা:D)

২১. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৪৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সহস্র টাকাও যখন জাগায়না বিন্দু আলোড়ন , লাখপতি শব্দটা যখন দৈন্যের দ্বার , তিনটাকা সেখানে তো ভুলে যাওয়া অতীত ।

অথচ মাত্র তিন টাকার তীর গুলো কত অসম্ভব শাণিত হয়ে কোটি টাকার বিবেকে আঘাত হানে


লেখার শক্তি দেখে অবাক হলাম , অবশ্যই প্রিয় পোস্টে
১১ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মেহরাব।
আপনার প্রশংসা পেয়ে ভালো লাগল।
আসলেও... লিখে কোনদিন কোন চেঞ্জ হয় কিনা আমার জানা নাই :(...

২২. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৫৭
মৈথুনানন্দ বলেছেন: স্টায়ল পসন্দ হয়েছে। এই ধরণের লেখাকে সেরিও-কমেক লেখা বলে। আমিও একটা সেরিও-কমেক লেখা লিখেছি...স্যুড ফিকশ্ন...এ মাসের শেষ সপ্তায় দোবো...তাপ্পর ছুটি।

১১ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: মৈথুনদা, পড়ার চেষ্টা থাকবে আপনার লেখাটা।
সেরিও-কমিক বলে?
জানতাম না...

২৩. ১১ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:৪০
মানবী বলেছেন: ২০০০০ ডেসিবেলের চিৎকার শুধু বাংলাদেশের দেশের রাজনীতিবিদ আর ক্ষমতাসীনদের কানে পৌঁছলে মনে হয় কোন লাভ হবেনা.. বিশ্বের কানে সেই ভয়ংকর শব্দ পৌঁছে দেয়া প্রয়োজন। বিশ্ব জুড়ে সব কিছু দাম বেড়েছে :( কিছুদিন আগে পড়েছিলাম গত তিনি চার দশকে আমেরিকার দব্যমূল্যের আজকের এই উর্দ্ধগতি পরিলক্ষিত হয়নি!

অস্থির অবস্থা সর্বত্র আর আমাদের দেশের মানুষের জন্য তো ভয়াবহ অসহনীয়। নিজেদের অস্তিত্ব সংকট!
সবকিছুর দাম বেড়ে চলেছে শুধু দিনে দিনে কমছে মানুষের জীবনের মূল্য!




সুন্দর পর্যবেক্ষন আর চমৎকার ভাবনা! ভালো লেগেছে পড়ে, ধন্যবাদ মাহবুবা আখতার।
১১ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ মানবী। মানুষের মূল্য শূন্যের কোঠায়- দেখে কষ্ট লাগে।

১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৪৬
ময়না কাঁটা বলেছেন: ভাল্লাগলো++++++

মঁধু মঁধু :P
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মঁধু নারে ভাই... মঁধু টধু না.... সমস্যা...:(

১৪ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭. ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:২৬
দূরন্ত বলেছেন: লেখা ভালো লাগলো। জানি দেশের দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতায় গেলে টেবিলের ওপাশ থেকে কোনো সরকারেরই এসব পাত্তা দেওয়ার সময় থাকে না....
১৪ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: হুমম... সময থাকে না... ঠিকই। তবে এখনকার অবস্থাটা ভয়াবহ।

২৮. ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৪১
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: আগে পড়িনি তবে এখন পড়লাম। চমৎকার লেখনিতে বাস্তবতা তুলে ধরেছেন।
অনেক ভালো লাগল।
১৪ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯. ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৯
তানজু রাহমান বলেছেন: আগে পড়া হয় নাই। মারাত্মক জিনিস লিখেছেন!
১৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ, তানজু:)

৩০. ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৫২
আবু সালেহ বলেছেন: দারুন........................ কিছুটা কমিক মিশ্রিত.....

++++

১৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

১৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩২. ১৬ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬
তাসু বলেছেন: এতো সুন্দরভাবে বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি!
অনেক ভালো লাগলো।
১৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৩. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:০৯
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: শক্তিমান ও সাবলীল লেখা|
কী আর বলবো আপু, একই অনূভুতি আমারও|
আপনার লেখার ছোট ছোট বর্ণনাগুলো খুব ভাবায়ঃ

নিচুমানের ইগো,বাগাড়ম্বর,প্রকাশপ্রবণতা, কল্পনাবিলাসিতা...... কতো আর বলিঃ কি কি নিয়ে যে আমরা গর্বিত হতে পারি তাই ভেবে পাই নাঃ
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আমিও না... আমাদের গর্ব করার মনে হয় কিছুই নেই :(

১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: কি বুঝালেন?

৩৫. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯
মুনিয়া বলেছেন: গুড পোস্ট+ প্রিয় পোস্ট।
কমেন্ট পরে দেব কারণ, মন ভাল নেই।
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুনিয়া।
মন ভালো করে ফেলেন:)....

৩৬. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০২
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: খুব ভাল লাগলো লেখাটা....আমরা শুধু এসব পড়ে এতটুকুই বলতে পারি...কোন কিছু করার ক্ষমতা আমাদের নাই।

তবে আপনার লেখার হাত চমৎকার....একদম সত্যি কথা গুলো,মনের ভেতরের কথা গুলো খুব সুন্দর ভাবে সাজিয়ে লিখেছেন।

ভাল থাকবেন।
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন।
অনেক ধন্যবাদ।

৩৭. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৫৪
ত্রিভুজ বলেছেন: যা বলার, সবাই মিলে বলে ফেলেছে। তাই হুমমম... লেখাটা প্রিয় পোস্টে যুক্ত করে রেখেছিলাম। ওটা দেখলেই সম্ভবত বুঝতেন কি বুঝিয়েছি।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: হুমম (অর্থপূর্ণ হুমম.. এটা!) আমি দেখেছি আমার লেখাটা আপনার প্রিয় পোস্টে। ধন্যবাদ আপনাকে:)

৩৮. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯
বৃত্ত বলেছেন: লেখাটা নিয়ে গেলাম!
না, পুরোপুরি তুলে নিয়ে গেলাম না, শোকেসে নিয়ে গেলাম।

কী যেন কমেন্ট করতে চাচ্ছিলাম! পেইজ স্ক্রল করে নিচে নামতে নামতে ভুলে গেলাম!

ধন ধান্য আলুতে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা.....
তাহার মাঝে আছে একটি দেশ, সবার থেকে সেরা!.....
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি.....
সকল দেশ থেকে ডিফরেন্ট সে-যে আমার জন্মভুমি(বাংলাদেশ, অবশ্য আমার জন্মভূমি নয়!)!

আর কী যেন বলতে চাচ্ছিলাম!
ওহ, মনে পড়েছে। বলতে চাচ্ছিলাম- কঠিন হয়েছে। লেখাটা একেবারেই কঠিন।একটু আগে রিকশা করে এলাম।
আমি পায়ে হেঁটে আসলে যেখানে তিন থেকে চার মিনিট লাগে, রিকশা অলা সুন্দর করে ছয় টাকা চেয়ে বসল! অথচ দুই বছর আগে তার দ্বিগুন দূরত্বে যেতাম তিন টাকায়!

আপনি তো "ডেনজেল ওয়াশিংটন" এর উপর রাগ দেখালেন-
ওরা দিনে আয় করে কত? খায় কি?
("খায় কী?" নয়, "খায় কি?")

শেষটায় এসে আবারও বলতে মন চায়-
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি........
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: ওরা খেতে পায় না। আমরাও পাচ্ছি না। একটা মিউচুয়াল আন্ডারস্টান্ডিং তৈরি হওয়া দরকার জনগণের মধ্যে যে, সরকার আমাদের শোষণ করলেও আমরা পরস্পরকে শোষণ করব না বা এই টাইপের কিছু একটা।
ক্ষোভ প্রকাশের তো কোন ভাষা নাই আর:(

৩৯. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫০
বৃত্ত বলেছেন: আপনি দেখলাম জিরো গ্র্যাভিটিতে অবস্থান করছেন।
যেহেতু বাঙালিদের মহাশুন্যে যাওয়াটা সম্ভব নয়, তাই ধরে নিলাম আপনি আছেন পৃথিবীর সেন্টারে!
সেখানে তো চমৎকার উষ্ণতা!

এই পোস্ট কি তারই ফল?!
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: পৃথিবীর সেন্টারে অর্থাৎ কিনা মৃত্যুর পরবর্তী জীবন উপভোগ (!) করছি। কবরটা পৃথিবীর সেন্টারে:)

৪০. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৫০
ধূসরিত স্বপ্ন গুলো বলেছেন: আমি ক্যমন জানি অদ্ভুত একটা লজ্জা নিয়ে ভাবি, ২০০৮ এ পাকিস্তান আমাদের এট্যাক করলে কি হতো.... কয়টা নলেজ ট্যাংক ফ্রিডম ফাইটার এ কনভার্ট হতো..... .. দেশে মনে হয় সাধারন মানুষ খুব কম :( .....সবাই অসাধারণ
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: নলেজ ট্যাংক!!!
ঐসব ঘাস খাওয়া বুদ্ধিজীবিরা দেশের জন্য কিছুই করত না... কোনদিনই না।

৪১. ২৩ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
রাকিব বলেছেন: আপনার লেখনির শক্তি আগেই টের পেয়েছিলাম। এইটাই একেবারে মুগ্ধ করে দিলেন। লেখাটি পড়তে পড়তে সিম্পলি 'ওয়াও' শব্দগুলো বার বার বের হচ্ছিল।...ধূসরিত স্বপ্ন গুলো ঘাস খাওয়া বুদ্ধিজীবিদের কে মিন করেনি..মিন করেছে আপনাদের মত অসাধারণ এইসব রাইটারদের।
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন:
আমার "লেখনী শক্তি" আমি কিন্তু বেশ একটু লজ্জায়ই পড়ে গেলাম এমন প্রশংসা পেয়ে :)....
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার তো মনে হয় উনি বুদ্ধিজীবিদেরই মিন করেছেন.... কি জানি ভুলও হতে পারে আমার।

২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: অবশ্য আমাকে মিন করলেও ব্যাপার একই। আমিও ঘাস খাওয়া টাইপই। দেশের জন্য কিছু করার মত সামর্থ্য বা সাহস দু'টোরই আমার এখনো অনেক অভাব:(....

২৭ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৩. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪
অংকন বলেছেন: লেখাটা ফসকিয়ে গেছে । কারণ হলো তখন দেশে ছিলাম । জানই তো দেশে গিয়ে নেটেই বসিনি ।
জটিল লাগল । পছন্দে নিলাম ।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: :)......
খুশি হলাম।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আপনার লেখা অসাধারণ। অনেক পুরান লেখা আজ হঠাৎ করে চোখে পরল, তাই পড়ে ফেললাম।
মাসে একটা-দুইটা লেখা দেন, আর সেগুলাই ফাটাফাটি।
+++
১৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস আপনাকে।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

১৬ ই জুন, ২০১১ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংস।

৪৮. ৩০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:১৫
জহুরুল ইসলাম স্ট্রীম বলেছেন: মানুষের হৃদয় দিয়ে আলো বাহির হয় না... আলো ঠিকরাইয়া পড়ে না....
সেজন্য উহার কোন দাম নাই... যত দাম পাত্থরের...
কি মধুময় ব্যাপার!! মাধুর্যে মুগ্ধ হয়ে যাই!!!

-লেখাটি পড়ে আরো মুগ্ধ হলাম।
১৬ ই জুন, ২০১১ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৯. ২৫ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৭
নয়া আমদানী বলেছেন: ১০০ নম্বর মন্তব্য, ১০০ খানা +... B-)
২৬ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫০. ২৫ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৯
নয়া আমদানী বলেছেন: ১০০ নম্বর মন্তব্য, ১০০ খানা +... B-)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৪২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যা+ইচ্ছা+তাই
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই