.......জিরো গ্র্যাভিটি.......

শাজাহান সাজুর মা মারা গেছেন.........

১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৮

শেয়ারঃ
0 2 0

[মৃত্যু কোন ঠাট্টার বিষয় না। মৃত্যু নিয়ে ঠাট্টা তামাশাও করতে বসি নাই। কিংবা কারো মৃত্যুকে ব্যঙ্গও করছি না। আমার লেখার বিষয় শাহজাহান সাজুর মা নন, কিংবা তার মৃত্যুও নয়।
আমার লেখার বিষয় একজন নারী, মৃত্যুর পরও যিনি "কেবলমাত্র" "একজনের মা"-ই থেকে যান.....]
...........................
ইদানীং আমার জগতের সকল প্রকার "অ্যামবিগিউয়াস" (শব্দটা ইংরেজি। অনেকে পছন্দ করেন না লেখার মধ্যে ইংরেজি শব্দ আসবে, কিন্তু বিভিন্ন কারণে এই শব্দটা আমার খুব পছন্দ) বিষয়ের প্রতি আমার অভক্তি ধরে গেছে। প্রখর সূর্যের মত স্পষ্ট না হলে আমার সেই জিনিস আর দেখতে ইচ্ছা করে না। জঘন্য লাগে। (আহা আজকে যে আমার কি হয়েছে, কোন কথা রেখে ঢেকে ভদ্র করে বলতে পারছি না, শব্দ চয়ন বড়ই অসাবধানী হয়ে পড়ছে।)
তা যা বলছিলাম অস্পষ্ট এবং দ্ব্যর্থবোধক জিনিসগুলো ভালো লাগে না, মানে দেখতে ইচ্ছা করে না। এরকম একটা 'জিনিস' হইলেন মহামতি 'পেরেম' (প্রেম ভক্তরা মারতে আইসেন না। আমি 'প্রচলিত প্রেম' অর্থাৎ কিনা পেরেমের কথা বলতেছি।বিভিন্ন প্রকারের 'সত্যিকারের প্রেমের প্রতি আমার কোন রাগ নাই'।) কি রকমের পেরেমের উপর তাহলে রাগ?
এই ধরেন অস্পষ্ট অস্বচ্ছ এবং দ্ব্যর্থবোধক প্রেম। এর মধ্যে একটি অতীব প্রচলিত ধারা হল "যে প্রেম/ভালবাসার জন্য লাইফ স্যাক্রিফাইস করে দিতে হয় অথবা ক্যারিয়ার স্যাক্রিফাইস করে দিতে হয়"। এবার মনে হয় শাজাহান সাজুর মায়ের মৃত্যু প্রসঙ্গে চলেই এসেছি....
গতরাতেরই কথা, আমি অত্যন্ত তিক্ত মুডে বসে আছি। রাত হয়ে গেছে, সবাই শুয়ে টুয়ে পড়েছে বা প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সময় মসজিদ থেকে মাইকিং শুরু হল, "একটি শোক সংবাদ, একটি শোক সংবাদ.... ডট ডট ডট এলাকা নিবাসী জনাব শাজাহান সাজুর মা মারা গেছেন। একটি শোক সংবাদ...." সংবাদ শুনেই আমার মামা অত্যন্ত কষ্ট পেলেন, কারণ 'এরকম' একটা সংবাদ এত রাতে ঘুমাতে যাবার আগেই শুনলেন বিষয়টা তার ভালো লাগল না। মৃত্যু জিনিসটা জীবিত মানুষেরা যতদূর সম্ভব ভুলে থাকার চেষ্টা করেন। যাহোক, শুনেই মনে মনে ইন্নানিল্লাহ পড়লাম। জীবিত মানুষ হয়ে এর চেয়ে বেশি আর কি-ই বা তার জন্য করতে পারি!
শোক সংবাদ আরো কয়েকবার রিপিট হল। এই রিপিটেশানের সময় হঠাৎ করে একটা জিনিস খট করে কানে লাগল... অনভ্যস্ততার কারণে শোক সংবাদগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় না এইবার শুনলাম..... বার বার বলছে, বলেই চলেছে "শাজাহান সাজুর মা, শাজাহান সাজুর মা..." ভদ্র মহিলার নাম একবারও উচ্চারণ করল না।
এক সময় মাইক নিঃশব্দ হয়ে গেল।
আমি চুপ করে বসে ভাবতে লাগলাম।
কিছুদিন আগেও আমার এক ছেলে ফ্রেন্ডের সাথে বলা চলে তর্কই হয়ে গেল অন লাইনে, অতি চালু বিষয়ক তর্ক, ছেলে মেয়ে বিষয়ক তর্ক। এই বিষয়ে কিছু বলা এবং লেখা খুব বিরক্তিকর, waste of time.....এসব প্রসঙ্গে কথা বললেই মানুষ বলে ওঠে 'ফেমিনিস্ট', কেউ কেউ বাংলা শব্দ ব্যবহার করে- "নারীবাদী"। তবু লিখছি।
আমার বেশি কিছু বলার নাই। খালি শাজাহান সাজুর মায়ের কথা মনে হচ্ছে...
শাজাহান সাজুর মা মারা গেছেন। আল্লাহ তাকে বেহেশতে নসীব করুন। কিন্তু আমার বার বার মনে হচ্ছে এই জীবনে তিনি 'শাজাহান সাজুর মা' ছাড়া আর কিছুই হয়ে উঠতে পারেননি। হয়ে উঠতে পারেননি কি হওয়ার চেষ্টাই কখনো করেননি নাকি চেষ্টা করেও পারেননি নাকি কেউ হতে দেয়নি- এটা আমার জানা নেই। উনি বেঁচে থাকলে হয়ত জিজ্ঞেস করা যেত (অবশ্য উনি বেঁচে থাকা অবস্থায় উনার অস্তিত্ব যে 'আছে' এটাই জানা ছিল না, জিজ্ঞেস করা হত কিনা কে জানে)। উনি কোন এক সময় শাজাহান সাজুর "নানার মেয়ে'' হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তারপর উনি শাজাহান সাজুর বাবাকে বিয়ে করেন, দুঃখিত আমার ধারণা তার সাথে "শাজাহান সাজুর বাবা"র "বিয়ে দেয়া হয় ", এবং তারপর এক সময় তিনি "শাজাহান সাজুর মা" হয়ে যান এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি শাজাহান সাজুর মা-ই ছিলেন। আমরা অবশ্য তখন তাকে চিনতাম না, তার অস্তিত্বের কথাও জানতাম না, উনার মৃত্যুর পর জেনেছি।
অনেককাল আগে কোন একটা ইংরেজি দৈনিকে একটা কৌতুক দিয়েছিল, এক মোটাসোটা মহিলা চাইনিজ ফ্যান হাতে স্টেজে উঠছেন আর উপস্থাপিকা ঘোষণা দিচ্ছে, all through her life she's been a very successful woman. First, she's been the daughter of a successful businessman, then the wife of a successful businessman and after that the mother of a successful businessman. অর্থাৎ কিনা একজন শাজাহান সাজুর মা।
আমি ফেমিনিস্ট কিনা আমি জানি না। জানার চেষ্টাও করিনি কখনো। তবে একটা জিনিস খুব খেয়াল করার চেষ্টা করি, আমাদের আশপাশের মেয়েদের মানসিকতা। মা থেকে শুরু করে বন্ধু বান্ধব পর্যন্ত সবাই...। কেন যেন স্যাটিসফাইড হতে পারি না। অনেকে চট করে ছেলেদের দোষ দেন (যাদেরকে সাধারণত 'নারীবাদী' বলা হয়ে থাকে) তারা বলেন ছেলেরা মেয়েদের দাসী টাইপ বানিয়ে রাখতে চায়, বানিয়ে রাখে, এতে তাদেরকে rule করা সুবিধা। ছেলেরা মেয়েদের প্রতিমা বানিয়ে রাখতে চায়, যাতে পুজা করা এবং পুজা শেষে প্রতিমা বিসর্জন দু'টোই সহজ হয়ে যায়। সত্যি কথা স্বীকার করতে গেলে বলতে হয় আমি নিজেও জিনিসটা এভাবেই দেখে এসেছি এতদিন। এখন ইদানীং এসে মনে হচ্ছে, না ঐ যুক্তিটা সর্বাংশে সত্য না, আংশিক সত্য। ছেলেরা বানিয়ে রাখতে চায়, আর মেয়েরা তেমনই থেকে যায়, ব্যাপারটা এতটা সহজ না। মেয়েরা এতোটা সোজা চিজ না। তাদের পক্ষ থেকেও একটা নিরব সমর্থন আছে। ছিল। এবং হয়ত ভবিষ্যতেও থাকবে। মাগনা মাগনা পুজো পেতে কার না ভালো লাগে! তাছাড়া বিনা কষ্টে দিন পার হয়ে যায় যখন যাক না!
একটা কথা বলতে বসেছিলাম শুরুর দিকে, অ্যামবিগিউয়াস প্রেম বিষয়ক। আমি একটা জিনিস অহরহ আমার মা খালাদের মুখ থেকে শুনি,"ভালবাসার জন্য/সংসারের জন্য/ফ্যামিলির সম্মান রক্ষা করার জন্য/সন্তানদের জন্য নিজের লাইফ/ক্যারিয়ার স্যাক্রিফাইস করে দিসি"। এই স্টেমেন্টটা প্রায়ই ছেলে মেয়েরা খারাপ রেজাল্ট করলে কিংবা অমুক আপার ছেলেটার মত মেডিক্যালে চান্স না পেলে বা ইনটলারেবল লেভেলের বেয়াদবি করলে ব্যবহার হয়। আর ব্যবহার হয় সংসারে অশান্তি সত্বেও স্বামী অহরহ অপমান করা সত্বেও মুখ বুঁজে পড়ে থাকলে যখন বলি, "শিক্ষিত একটা মেয়ে হয়ে কেন পড়ে আছেন? যান না আলাদা বাসা নেন, চাকরি করেন। নিজে চলেন।" আরো একটা বিষয়ে আমার ঘোরতর আপত্তি আছে, সেটা হল স্যাক্রিফাইস শব্দের ব্যবহার নিয়ে। যে মা এস.এস.সি.টাও পাশ করেননি, "ফ্যামিলির মুখ চেয়ে" বিয়ে করেছেন, "লোকে কি বলবে" এই ভেবে স্বামীর কথায় কখনো দ্বিমত করেননি, অপমান সহ্য করে সংসার করেছেন "সন্তানদের মুখ চেয়ে", সেই মহিলা যখন বলেন "স্যাক্রিফাইস করেছি" তখন আমার স্যাক্রিফাইস শব্দটাকে ড্রেনে ফেলে দিতে ইচ্ছা হয়। যে মানুষটার কোন চয়েস ছিল না বলেই চুপচাপ যন্ত্রণা সয়ে গেছে, সে মানুষটার স্যাক্রিফাইস শব্দটা ব্যবহার না করাই ভালো। স্যাক্রিফাইস বড় মহৎ জিনিস। সম্রাট বাবর তাঁর ছেলের জন্য "স্যাক্রিফাইস" করেছিলেন। কিন্তু একজন শৃঙ্খলিত মহিলা (সে মানসিক শৃঙ্খলই হোক বা সামাজিক) বাধ্য হয়ে মুখ বুঁজে অত্যাচার সয়ে যদি বলেন "আমি স্যাক্রিফাইস করেছি", তাহলে সেটা খুব বাজে শোনায়। নিরুপায় হয়ে কোনকিছু করা আর স্যাক্রিফাইস করার মধ্যে অনেক তফাত। কেন যেন এই স্যাক্রিফাইস বিষয়ক দার্শনিক থিওরীটা আমি উপযুক্ত মানুষগুলোর মুখের উপর বলতে পারি না, করুণা হয়। যে মহিলা ঐরকম "সাকসেসফুল" হতে চায় মন থেকেই, তার উপরে আমার কোন রাগ নেই। আমার এক স্কুল ফ্রেন্ড "আমার জীবনের লক্ষ্য" রচনায় লিখেছিল, সে আদর্শ গৃহিণী হতে চায়। এটা নিয়ে অবশ্যই হাসার কিছু নাই। সে ওটা চয়েজ করেছে। কিন্তু কেউ যখন চায় আদর্শ গৃহিণী হব, অথচ হাসব্যান্ড মাস শেষে বেতনের টাকা চাইবে দেখে চাকরি করে, অথবা যার ওই শিক্ষাগত যোগ্যতাই নেই যে হাসব্যান্ডের আশ্রয় হারালে পথে পড়ে যাবে কিংবা যার কোন সমস্যাই নেই, একমাত্র সমস্যা এই যে সে মানসিকভাবে দাসী হয়ে পড়েছে - তার কখনো বলা উচিৎ না আমি স্যাক্রিফাইস করেছি। এদের জন্য করুণা হয়, কিন্তু তা-ই বলে এদের এত মহৎ আত্মত্যাগকে সম্মান করাটা আসলে সম্ভব না।
আমি জানি না ব্যক্তি শাজাহান সাজুর মা কেমন ছিলেন, তিনি কি আমার ঐ স্কুলমেটের মত "আদর্শ গৃহিণী" বা শাজাহান সাজুর "জননী" হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু একটা জিনিস জানি, জানি যে মেয়েরা অনেক সময়ই সেটাই করে যা করতে তার মন সায় দেয় না। কখনো কি এইসব মেয়েদের ইচ্ছে হয় না নিজে কিছু হতে?
হয়। কিন্তু কেমন যেন একটা স্বভাব মেয়েদের মধ্যে যাকে ভালবাসে তাকে লতার মত জড়িয়ে ধরে, নিজে কোমর শক্ত করে দাঁড়ায় না; কিংবা দাঁড়াতে চায় না। এটা কেন হয়েছে আমার জানা নেই। পৃথিবীর ইস্ট-ওয়েস্ট-নর্থ-সাউথ সব জায়গার মেয়েরাই বোধহয় এরকম অ্যাম্বিগিউয়াস ওয়েতে ভালবাসে। এমন না যে সে কখনোই চায় না আমি "কেবল আমি"ই হব, অন্যের পরিচয়ে নিজেকে পরিচিত করাব না। কিন্তু কি মায়ায় তারা কখনো বাবা, কখনো ভাই, কখনো স্বামী, কখনো সন্তানকে জড়িয়ে ধরে বাঁচতে চায় এটা আমার জানা নেই।
আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এই শাজাহান সাজুর মা হওয়া থেকে মেয়েদের বেরিয়ে আসা উচিৎ। সারা দুনিয়ার সব মেয়েদের। ভেবে দেখা উচিৎ সেই স্যাক্রিফাইস আসলেই স্যাক্রিফাইস কিনা যার কথা বার বার নিজের মুখে স্মরণ করিয়ে দিতে হয়।
আমি আমার বান্ধবীকে দেখি, খাটো হবার কারণে তার দুঃখ, কারণ তার বয়ফ্রেন্ড তাকে বলেছে,"আমাদের ফ্যামিলি লম্বা পছন্দ করে।" সে গিয়ে কিরকমজানি একটা জুতা কিনে নিয়ে আসতে চায়, যেটা পায় দিয়ে ব্যায়াম করলে মানুষ লম্বা হয়। এতদিন কি ও খাটো ছিল না? কিন্তু কেন এখনই এসে ওর এই জুতা কেনার কথা মনে হল? কেন ও বলতে পারল না, তোমার ফ্যামিলি নাহয় পছন্দ করে না, তুমি তো কর, নাহলে আমি তোমার গার্লফ্রেন্ড হলাম কি করে? কেন বার বার মায়েরা সন্তানদের বলে,"তোর জন্য লাইফ স্যাক্রিফাইস করে দিয়েছি, আর তুই এখন এইটা করলি!" কিংবা বলে,"তোমার তো কোন সিক্রেট থাকতে পারে না। তুমি আমার অংশ। আমার কাছে তোমার কোন সিক্রেট থাকা সম্ভব না। তুমি কোন ইনডিভিজুয়াল ব্যক্তি না।" কিংবা ছেলে নিজের পছন্দে বিয়ে করে আনলে মা অযৌক্তিক ক্ষোভে ফুলতে থাকে।
হয়তবা নিজেকে অন্যের মাঝে বিলীন করে দিয়েই তারা ভাবে "ও-ও আমাতেই নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছে"। কেন এটা মেয়েরা ভাবে আমি জানি না। এইরকম সিক এবং সংকীর্ণ ভালবাসা পৃথিবীর কোন প্রয়োজন আছে কিনা আমি জানি না। যে ভালবাসা আমাকে আমি হতে দেয় না, ধরে রাখে, সেই ভালবাসা আমার কতটুকু দরকার?
এদেরকে সবাই মৃত্যুর পরে প্রেইজ করে, "রত্নগর্ভা" ছিলেন, শোক সংবাদ হয় তিনি গুণগ্রাহী হেনো তেনো রেখে গেছেন, ছেলে মেয়ে রেখে গেছেন, কিন্তু তিনি কে ছিলেন, কি করেছিলেন, তাঁর কীর্তি কি এটা কেউ বলে না। বলার দরকার হয় না। কারণ কীর্তিবানদের জন্ম দেয়া ছাড়া তিনি নিজে কিছুই করেননি।
..........................................
আমার মাঝে মাঝে ভয় হয়, আমিও হয়ত শাজাহান সাজুর মা হয়ে যাব একদিন।
আমি জানি না।
শাজাহান সাজুর মা হওয়া অবশ্যই খুব ভালো কথা কিন্তু মহিলার নামটা জানতে আমার খুব ইচ্ছে হয়েছিল।
এখনো হচ্ছে।

হয়তবা তারও একটা নাম ছিল.........
কিংবা হয়ত হতে পারত.........

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০১
সততার আলো বলেছেন: ভাল লাগল।

প্রথম ভাল লাগল ভালবাসার ব্যপারে আপনার মতকে। ভালবাসা তো আর কোন প্যাকেটে ভরা ইনটেক্ট প্রোডাক্ট নয় যে, কিনে এনে একজনকে টার্গেট করে দিয়ে দিলাম।

পৃথিবীর সবচে পবিত্রতম ও স্নেহশীল চরিত্র হল মা। কিছুদিন আগে আমার ছোট আপুর বাসায় গিয়েছিলাম। তিনি আমার আপু হলেও আমার ভাগ্নের মা। তিনি সারারাত তার সন্তানের জন্য বসে থাকতে কার্পন্য করেননা। অথচ আমি খুব সকালে নাস্তা করতে অভ্যস্ত তা জেনেও সে তা মনে রাখতে পারেনি। এ-ই হল মা আর অন্য কিছুর পার্থক্য। আর প্রতিদিনকার মত আজও আমার মা ইতিমধ্যে একবার আমার নাস্তা দিয়ে গেছেন, আবার কিছুক্ষন পর আবার খেতে হবে। মা একজন নারীর সবচে উঁচু ডেজিগনেশন। তবে মায়েরও নিজস্ব আলাদা পরিচয় থাকতে হবে এটার ব্যপারেও আমি একমত। তবে কেন যেন মায়েরা নিজেদের সন্তানের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে বেশি পছন্দ করেন। এমনকি নিজেদের নামও।

রাসূল (সা) সম্মানের দিক থেকে মাকে ফার্স্ট ক্লাস দিয়েছেন, তার পরের জন অর্থাৎ বাবাকে দিয়েছেন থার্ড ক্লাসেরও কম। আর অন্যদের জন্য কমন সান্ত্বনা পুরস্কার।

আশা করি সকল নারীই পৃথিবীর সেরা মা-এ পরিণত হোক, আপনার জন্যেও একই দোয়া রইল। সেরা মায়ের সন্তানের হাতে প্রতিষ্ঠিত হোক শান্তিময় পৃথিবী।

১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অন্তত ভুল বোঝেননি। এটাই অনেক বড় ব্যাপার। আমার পয়েন্ট একজ্যাক্টলি এইটা। মা হওয়া ভালো, ভালবাসাও ভালো, কিন্তু ভালবাসে কাউকে ভেড়া বানিয়ে রাখাটা ভালো না...

২. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০৩
সততার আলো বলেছেন: ইতিমধ্যে মা দ্বিতীয়বারের মত নাস্তা দিয়ে গেছেন। পরোটা, ডিম আর মাছ।
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০৮

লেখক বলেছেন: আমাকে মা সেধে গেলেন ডিম ভাজা আর রুটি (ঠান্ডা লাগলে খেতে পারি না বলে খাওয়া হল না:()

৩. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৫
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব সুন্দর একটা লেখা.............
প্রিয়তে নিলাম।
আমি চাই আমার ব্লগে যারা আসে তাদের চোখে পড়ুক এবং সবাই এই লেখাটা পড়ুক।

অনেক বছর দেশের বাইরে। এখানে সবাই যার যার নামে পরিচিত।
তবু কোন দেশীয় আড্ডায় গেলে এখনো মাঝে মাঝে নতুন মুখ এসে যখন বলে আপনার স্বামীর নাম কি? খুব অবাক হইনা।এমন অনেক বার হয়েছে। স্বামীর নামটা জানার পর থেকে সেই নামের সাথে ভাবী জুড়ে দিয়ে ডাকা শুরু করেন।
এখন জানি বলেই আমার নামটা বলি আগে পরে স্বামীরটা।

বাংলাদেশে অবশ্য আর্মি অফিসার দের মধ্যে এমন একটা ব্যাপার দেখে এসেছিলাম............সবাই হাসবেন্ডের নামে পরিচিত।
খুব অবাক লাগতো.......।

বাড়ীতে কাজের মানুষের ক্ষেত্রেও তাই।
বুয়া অথবা তার সন্তানের মা(অনেক ক্ষেত্রে মৃত সন্তানের নাম ও বলা হয়)।
কারন দেখা যায় তার নাম হয়তোবা এমন একটা যা বাড়ীআলীর বোনের নাম। আমার খুব কাছের আত্মীয়র বাসায় এমন একবার হয়েছিলো।
আমি ছুটিতে বাড়ী যেয়ে দেখি একটা ছোট্ট মেয়ে খুব হাসিখুশী।
নাম বললো ময়না.......খুব ভালো কথা। ময়না করে ডাকলে একটু সময় লাগে আসতে। কয়েক মাসেও সে অভ্যস্ত হয়নি।ভাবলাম কানের সমস্যা না কি।আত্মীয়কে বলতেই বললেন ওর নাম বদলাবার কথা।কারন উনার মেয়ের নাম হলো উর্মিলা । আর এইমেয়েটার নাম ছিলো জমিলা। এমনই তো আমরাই।

মেয়েদেরকেই সচেতন হতে হবে।
নিজের নামটা খুব প্রিয় সবারই। সময়ের সাথে বদলে যাক ডাক। হই মেয়ে,ব্য,ভাবী,খালা,নানি.................নামটাকে ভোলাতে দেয়া যাবেনা।

আমার বোনের মেয়ে খুব সুন্দর করে তার নানীর (আমার মায়ের বোনদের) নাম বলে সাথে নানী বলে।
খুব ভালো লাগে আমার। গল্পের সময় চিনতে অসুবিধা হয়না,ও কার কথা বলছে(অথচ এটাকে অনেক বেয়াদবী ভাববে)।অনেক গুলো ভাইবোন হলে তাদের সন্তানের নাম বলে বলে পরিচয় করানো কম ঝামেলার ও না.....
____________________________________________
"আমার মাঝে মাঝে ভয় হয়, আমিও হয়ত শাজাহান সাজুর মা হয়ে যাব একদিন।
আমি জানি না।
শাজাহান সাজুর মা হওয়া অবশ্যই খুব ভালো কথা কিন্তু মহিলার নামটা জানতে আমার খুব ইচ্ছে হয়েছিল।
এখনো হচ্ছে।

হয়তবা তারও একটা নাম ছিল.........
কিংবা হয়ত হতে পারত......... "
_____________________________
ভয় পেয়োনা মেহবুবা।
শুধু একটু প্রয়াসী হই সবাই।
প্রিয় নামটুকুতে পরিচিত হয়েই পৃথিবী থেকে চলে যেতে পারি যেনো!

অনেক সুন্দর লেখার জন্য আবারো ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা রইলো




১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: যেমনটা বলেছেন আপু। বিষয়গুলো আমিও লক্ষ্য করেছি। আমার মাও একসময় সাংবাদিক ছিলেন, তাকে প্রতিবেশীরা সাংবাদিক ভাবী ডাকত, অবশ্য ডাকত এই কারণে যে আমার বাবা সাংবাদিক। মেয়েদেরকে ইনডিভিজুয়াল সম্মান কেউ সহজে দিতে চায় না।
লেখা প্রিয়তে নেয়ায় ধন্যবাদ আপু।
আর শুভেচ্ছার জন্যও ধন্যবাদ।

৪. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার ব্লগে আমার খুব বেশী যাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। আজ আপনার লেখাটা পড়ে উপলব্ধি করতে পেরেছি-আপনি অসাধারন লিখিয়ে, অনেক বড় মাপের একজন লিখিয়ে আপনি!

ব্লগার সততার আলো এবং সাজি বুবু আপনার লেখা সম্পর্কে চমতকার বিশ্লেষন করেছেন এবং সেই সংগে অসাধারন মন্তব্য-তাই আমি ব্যাখা নাদিয়েই শুধু বারবার বলতে চাই-"অসাধারন"!

সরাসরি প্রিয়তে।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: একটু বেশি প্রসংশা করে ফেলেছেন ভাই।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আপু, গল্পের প‌্যাটার্নটাই অসাধারণ। সাথে আলোচনার ধরণটা দুর্দান্ত। সকালটা শুরু হল চমৎকার এক্টা গল্প দিয়ে। ধন্যবাদ।
প্রিয়তে।

আর, "অ্যামবিগিউয়াস" ব্যাবহার না করে "ধোঁয়াটে"ও ব্যবহার করতে পারতেন। এটাও সুন্দর এক্টা শব্দ। একান্তই পাঠকের মতামত। লেখকের সর্বময় স্বাধীনতা সবকিছুতেই। :)
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: শাহজাহান সাজু বলে একজনের মা কিন্তু সত্যিই মারা গেছেন আর মসজিদ থেকে ঠিক ওভাবেই ঘোষণা দিচ্ছিল, ওটুকু কিন্তু গল্প না মোটেও।
উমম... ধোঁয়াটে... কিন্তু অ্যামবিগিউয়াস এর একটা অর্থ হয় দ্ব্যর্থবোধক, এটার বদলে ধোঁয়াটে কেমন চলে? মন্দ না। ভালো বাংলা করেছেন।
কিন্তু যা বললাম, শব্দটা বিভিন্ন কারণে আমার পছন্দ। ওটা নাহয় থাকুক।

৬. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
পারভেজ বলেছেন: আমার কেন যেন মনে হয় একজন নারীর পক্ষে 'একজন মা' হয়ে উঠতে পারাটা খুব সহজ কিছু নয়। খুব বড় মাপের মানবিকতা বা হিউমিনিটির উপলব্ধি না থাকলে মেয়েরা 'মা' হতে পারে না। জন্মদাত্রী হয়েই থেকে যান। আমরা চাই প্রতিটি নারীই তার জন্মদাত্রী পরিচয় বৃন্ত থেকে বের হয়ে একজন 'মা' ও একজন ইন্ডিভিজ্যুয়াল মানুষ হিসাবে নিজের অস্তিত্ব ঘোযনা করুন।
(একজন পুরুষের ক্ষেত্রেও 'বাবা' হতে পারাটা ততোটা সহজ নয়; যতোটা সহজ জন্মদাতা হওয়া)
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: হুমম.. এটা ঠিক যে জন্মদাত্রী এবং সম্পূর্ণ একজন মা ভিন্ন বিষয় যেমন ভিন্ন বাবা এবং জন্মদাতা।
আমাদের চাওয়ায় পার্থক্য নেই, পারভেজ। আমাদের পার্থক্য কেবল থেকে যায় কাজে। দেখা যায়, মানুষ মুখে এক কথা বলে কাজ করে আরেক রকম।

৭. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯
সত্যান্বেষী বলেছেন: মেরুদন্ড সোজা নারীদের জন্য অভিবাদন। আমার মেয়েকেও একজন মানুষ করে গড়ে তোলার আপ্রান চেষ্টা করছি। লতা হয়ে কোন না কোন পুরুষ জড়িয়ে জড়িয়েই তাকে যেন বাচতে না হয়। সে যেন কোন তারানা "হালিম", সুবর্ণা "মোস্তফা", অপি "করিম", কিংবা একজন শাহজাহান সাজুর মা হয়ে না উঠে।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: আপনার মেয়ের জন্য শুভকামনা রইল। আপনি একজন ভালো বাবা হবেন এই কামনা করি।

৮. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০০
সত্যান্বেষী বলেছেন: পোস্ট সোজা প্রিয়তে। পোস্টে ভিন্নমতধারীদের সাথে আলোচনার ইচ্ছা আছে।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: এখন পর্যন্ত তো কোন ভিন্নমত দেখতেসি না... পানসে লাগতেসে... ;)

৯. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০০
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: মা শুধুই মা..

লেখাটি পড়ে চমৎকার এক ভালা লাগার বোধ জন্মাল.. ধন্যবাদ..
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১০. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
যীশূ বলেছেন: হুমমমমমমমমমমম।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: হুমম..

১১. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
মনপুরা বলেছেন: মেয়েরা তার নামটি হারাতে থাকে বিয়ের পর "বউমা" শব্দটির মধ্যদিয়ে। তারপর সন্তান জন্মের পর তার নামটি আরও হারিয়ে যেতে থাকে।তাই প্রথম থেকেই মেয়েদের নামের ক্ষেত্রে অনেক সাবধানী হওয়া প্রয়োজন।

লেখাটা অনেক ভাল লাগল।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১২. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
নির্ঝরিনী বলেছেন: খুবই চমৎকার লেখা...

আমার ধারনা কেউ কেউ হয়তো তার স্বামী, সন্তানের জন্য নিজের নামটাই যে হারিয়ে বসেছে, সেটাই ভেবে দেখে না...কিন্তু ভাবনাটা জরুরী...অনেক প্রিয় নিজের নামটা যেনো হারিয়ে না যায়...

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: সমস্যাটা কেবল নাম হারানোর মধ্যে না, সমস্যাটা এই যে ওটা দিয়েই শুরু। নাম হারায় পরিচয় হারায়, একটা মেয়ে কি আজব ভাবে নিজেকে বিলীন করে ফেলে এটা সে নিজেও জানে না।

১৩. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫
লাল দরজা বলেছেন: দূর্দান্ত লিখছেন। লেখার শিরোনামটা পড়ে আর বন্ধু সাজিকে দেখে চট করে একটা মজার কথা মনে হলো শেয়ার করে যাই। সাজি, তোরে দিনের মধ্যে একশোবার "রাশিকের বাবা" "রাশিকের বাবা" করতে শুনছি কিন্তু আমার দোস্তরে কখনোই তোরে "রাশিকের মা" বলে ডাক দিতে শুনি নাই। সব সময় "সাজি" কইয়া ডকে। আজিব না! :)

আরেকটা কথা মনে হইল সেটাও শেয়ার করি। আমার জ্ঞ্যান হওয়ার পর থেকেই দেখছি আমার আম্মাকে সবাই "জাহানারা" বলেই ডাকে। কেউ "জাহানারা" আপা, কেউ "জাহানারা" খালা, কেউ শুধু "জাহানারা"। এমন কি আমাদের ও ডাকত জাহানারার ছেলে/মেয়ে বলে। আজিব না ব্যাপারটা!

আপনার লেখাটা এক নিমিষে পড়লাম, ভালো লাগছে। লেখাটা পড়লে পাঠক মাত্রই ভাবনায় পড়ে যাবেন। আমারও তাই হয়েছে। ভাবনায় ফেলা লেখাটির জন্য লেখক আপনাকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন। :)
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: মনে হচ্ছে ইনারা (সাজি আপু আর আপনার মা, দু'জনেই) বেশ ভালোমতই নিজেদের নামটা শক্ত করে খাড়া করিয়েছেন :).... সুখের কথা।
আপনাকেও ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা।

১৪. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০১
শাওন বলেছেন: লেখাটা পড়লাম । অনলাইনে তোমার ছেলে ফ্রেন্ডের ১৪ গোষ্ঠি উদ্ধার করে ছেড়েছো বুঝলাম !
এমন অসাধারণ লেখা কিন্তু সাধারণ কারর মন দিয়ে বের হয় না । একজন অরজিনাল লেখিকার'ই মন থেকে বের হয় । হয়ত লেখার গুন রক্তের সাথে মিশে আছে :)


আচ্ছা মাহবুবা , মনে করো তোমার রিয়েল প্রেম হলো একটা ছেলের সাথে ( অবশ্যই তথাকথিত পেরেম না , অরজিনাল ভালোবাসা ) । তোমাদের বিয়েও হলো । এখন মনে করো ছেলে চাকরী করে বেশ ভালো পর্যায়ে । ছেলের বাড়ী হলো , গাড়ীও হলো । শুধু গাড়ী বাড়ী বলে কথা না , সবই , সবই বলতে দৈনিক কাজবাজের সবই । এখন তুমি ছেলের ঐসব জিনিস কে নিজের বলে ভাববা না ?
নাকি বলবা ঐসব আমার স্বামীর , ওগুলা আমার না । স্বামীর জিনিস স্বামীর কাছে আমার জিনিস আমার কাছে ।
---
কোনটা করবা ?

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: ১৪ গোষ্ঠী উদ্ধার কই হইল আমি তো দেখলাম না।
রক্তে টক্তে কিছু নাই, মাঝে মধ্যে ক্ষুব্ধ থাকলে আমি এইসব হাবিজাবি ব্লগে লিখে ব্লগ ভরে ফেলি, তুমি তো ফ্রেন্ড মানুষ এইটা জানোই। তোমারে তো আর নতুন করে ব্যাখ্যা করা লাগবে না, কি বল?
ঐ ছেলের জিনিস আমার বলে ভাবব, ঠিক আছে নাহয় ভাবলাম। কিন্তু আমার নিজের একান্তই আমার নিজের কিছু জিনিস আমার থাকতে হবে। অন্তত একটা পরিচয় যেন আমার থাকে। আমি কেবলমাত্র হাসব্যান্ডের জিনিসকে নিজের ভেবে ভ্যাবলাকান্ত হতে চাই না, শাওন।
কোনটা করব?
:) (একটা চামহাসি মনে মনে দিয়ে বলি) শোনো, আমার কোনদিন খুব রিয়েল প্রেম হবে এরকম সম্ভাবনা বা আশংকা বলা চলে নাই।
ওটা নিয়ে এত মাথা ঘামানোর কি আছে। বলে না কথায়, "যদি'র কথা নদীতে ফেলে দাও;)।"

১৫. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
নকীবুল বারী বলেছেন: কেন মা হওয়াটি জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি নয়?????
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: আমার পয়েন্টটা আপনি ধরতে পারেননি। নিঃসন্দেহে মা হওয়া খুবই মর্যাদার এবং খুবই কঠিন কাজ। কিন্তু কেবলমাত্র একজন মা হওয়া কোন কাজের কথা না।

১৬. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
উপরে পারভেজের মন্তব্যের সূত্র ধরেই বলি, জন্মদাতা/জন্মদাত্রী হওয়া যতটা সহজ, প্রকৃত অর্থে বাবা-মা হওয়া ততটা সহজ নয়। উমুকের বাবা-মা হিসেবে পরিচিত হতে একটা বয়সে গিয়ে বাবা-মা'রাও খুব গর্ব অনুভব করেন।

তবে স্যাক্রিফাইস শব্দটার ব্যবহার নিয়ে আমিও হতাশ। ওখানে চুড়ান্ত আফসোস থাকে, আক্ষেপ থাকে । মেয়েদের এমন বাবা-স্বামী-সন্তানের পরিচয়ের বাইরে অন্য কোন পরিচয় না থাকার পেছনে মেয়েরা নিজেও অবশ্যই দায়ি। নিজের মধ্যে সেই দৃঢ়তাটুকু কম কিংবা লোকের চোখে সভ্য-শালীন মেয়ে হওয়ার সেই যুগ-যুগান্তরের রেওয়াজ এটা।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। লোকের চোখে সভ্য হওয়াকে আমরা খুব মূল্য দেই। এত বেশিই মূল্য দেই যে নিজেকেই হারিয়ে ফেলি।

১৭. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
কৌশিক বলেছেন: খুবই ভালো লাগলৌ। ভীষণ ভালো লাগলো। অনেকদিন পরে একটা লেখা পড়ে মুগ্ধ হলাম।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কৌশিক, মুগ্ধ হয়েছেন জেনে ভালো লাগল।

১৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
জনৈক আরাফাত বলেছেন: মোটামুটি আন-বায়াসড চমতকার লেখা!
ধন্যবাদ ও শুভকামনা।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: :)

২০. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আবেগকে বিসর্জন দিয়ে লেখা ভীষণ সত্যভাষণ । এমন করে সবাই যদি ভাবতে শিখত , শিখবে ভাবত ...
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: আমরা আশা করতে পারি একসময় হয়ত ভাববে...

২১. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
তাজা কলম বলেছেন: সুন্দর লেখা। প্রিয়তে রাখলাম, আবারো পড়ব বলে।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
ভোর বলেছেন: শুধু পোষ্টটি প্রিয়তে নিতেই লগ ইন করলাম।

আমি তখন অনেক ছোট। বাবার সরকারী চাকুরীর সুবাদে উপজেলা কমপ্লেক্সে শৈশবের অনেকটাই কেটেছে। মনে আছে অফিসারপত্নীরা তাদের স্বামীদের পদের নাম অনুযায়ী পরিচিত ছিলেন। যেমন মযাজিস্ট্রড ভাবী,টি এন ও ভাবী ইতযাদি। সবচেয়ে বিপাকে ছিলেন উপজেলা পশু পালন অফিসার আর অন্ধ কলযান অফিসারের ওয়াইফ। নাম সংক্ষেপ হতে হতে কখন যে তারা পশু ভাবী আর অন্ধ ভাবী তে পরিণত হয়েছিলেন তা নিজেরাও বুঝতে পারেননি। বলাই বাহূলয এই ভাবীদের আসল নামটা কেউই জানত না।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: হা হা হা.....
পশু ভাবী, অন্ধ ভাবী....
বেশ ভালো...

২৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: অন্যরকম একটা ভাললাগা ছুঁইয়ে গেল।
ধন্যবাদ।
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৬
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: অত্যন্ত আনন্দবোধ করছি আমার খুব প্রিয় কিন্তু প্রিয়তে না রাখা পোস্টগুলোর তালিকায় আপনার এই পোস্টটি সংযুক্ত করতে পেরে।

ভালো থাকুন, কল্যাণে থাকুন নিরন্তর। :)
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন সবসময়।

২৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৫
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন আপনি। লিখনীতে আপনার প্রশংসা না করে পারছিনা।
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৬. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: খুব গভীর লেখা, চমৎকার। দ্বিমত করার কিছু পেলাম না।
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: বাহ! দ্বিমত করার কিছু পান নাই!
বড়ই আনন্দের কথা। :)
কমেন্টের জন্য থ্যাংকস।

২৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৩
মুনিয়া বলেছেন: অতিরিক্ত বাস্তবধর্মী। নিজকে কাঠগড়ায় ফেলতে বাধ্য করে...
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: অতিরিক্ত....
হুমম....
হয়তবা।
কিন্তু বাস্তবধর্মী জেনে স্বস্তি পেলাম।

২৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: চমৎকার একটা লেখা
এভাবে ভেবে দেখি নি/ না। :(

শুভকামনা ।
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: এখন থেকে ভেবে দেখুননা, তাহলেই তো হয়।
আপনার জন্যও শুভকামনা।

২৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৮
নাজনীন১ বলেছেন: খুব বেশী রকমের সহমত। ছোটবেলা থেকেই এই চিন্তাটা আমার মাঝে খুব প্রবল। কখনো কোথাও না পারতে বাবার পরিচয় বা স্বামীর পরিচয় দেই না, নিজের যতটুকু আছে সেটাই বলি। সবারই এই প্র্যাক্টিস করা দরকার। অনেক নারীরা ক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও বাবা বা স্বামীর পরিচয় ব্যবহার করে,

এমনকি অনেক ছেলেরাও তার অফিসার বা ক্ষমতাধর বাবার নামে নিজের পরিচয় দেয়।

আমার শ্বশুরবাড়ির পাশের বাড়িটি একজন স্থানীয় প্রভাবশালী লোকের বাড়ী। তো শ্বশুর কাউকে ঠিকানা দেয়ার সময় বলতেন অমুকের বাড়ির পাশে আমার বাসা। আমার শ্বাশুড়ী উনাকে সংশোধন করে দিয়েছেন, বলবে যে আমার বাড়ীর পাশে অমুকের বাসা। :)
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১৮

লেখক বলেছেন: আপনার শ্বাশুড়ীর স্বাতন্ত্র্যবোধ খুব প্রবল, এটা ভালো লাগল। আমাদের সবার যদি এমন হত!

৩০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০০
সাইফুর বলেছেন: এবারের লেখাটা ভালো লাগলো..সিরিয়াসলিই বলছি
আগের মাহবুবার লেখার মতোই
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১৯

লেখক বলেছেন: যাক, এটা সিরিয়াসলি বললেন। তার মানে আগের গুলো সিরিয়াসলি বলেন নাই।
:)

৩১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
সাইফুর বলেছেন: হাহাহা..লেখা ভালো লাগাটা জোর দিয়ে বলেছি:)
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: :) আইচ্ছা :) ঠিকাছে.......

৩২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪
আবু সালেহ বলেছেন:
ভালোবাসা সম্পর্কে আপনার মতটা যথার্থ লেগেছে......

দ্বিমত করার মতো কিছুই নেই....

একজন মা সন্তানের জন্য কত কি করে...
আমার মায়ের কথাই বলি...আমি কখনো নাস্তা দিতে মানাও করি...(একবার না দশবার) তারপরেও আমার সামনে ঠিকই নাস্তা চলে আসে.....

আপনার লেখাটা প্রিয়তে নিয়ে নিলাম
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: প্রিয়তে নেয়ায় ধন্যবাদ।

৩৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০২
""শ্রাবণী"" বলেছেন: লেখাটা অনেক অনেক ভালো হয়েছে। আপনার সেরা লেখা বলতে গেলে। অসাধারণ! একদম সত্যি কথাগুলা।

প্রত্যেকটা মানুষই যে ইনডিভিজুয়াল ব্যক্তি এটা ছেলে মেয়ে এটা সবার বোঝা উচিৎ। আমার ব্যাক্তিগত ধারণা মেয়েরাই ইচ্ছা করে তাদের ইনডিভিজুয়ালিটি কে গুরত্ব দেয় না...আপনি যেই কথাগুলা লিখেছেন; এই কথাগুলা আমি নিজেও প্রায় অন্যদের বোঝানোর চেষ্টা করি। আর যাদের বোঝাই তারা প্রতিবার "সমাজ" , "ধর্ম" ইত্যাদি ইত্যাদি...টেনে আনে। অসহ্য।

যাহোক। অসম্ভব ভালো একটা লেখা। ওহ! আরও একটা কথা, মন থেকে ভয় দূর করুন। আপনি নিজে যতদিন নিজের মতো থাকতে চান ততদিনই থাকতে পারবেন। যখনি নিজেই নিজের মাঝে সাজুর মায়েদের মত মাকে allow করবেন, তখনি তেমন হয়ে যাবেন।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: একদমই তাই।
মেয়েরা নিজেরাই ইনডিভিজ্যুয়ালিটিকে কম মূল্য দেয়। কেন এটা করে আল্লাহই জানে..
ভয় না ঠিক, আমার আশংকা হয়........ সবাইকেই ওরকম দেখি তো!

৩৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
সুরঞ্জনা বলেছেন: খুব ভালো লাগলো মাহবুবা। জীবনের একটি পর্যায়ে এসে কিন্তু মেয়েরা
ফিরে পেতে চায় তাদের হারিয়ে যাওয়া নাম, পরিচয় গুলো।
যখন সন্তান রা দূরে থাকে, স্বামী থাকুন, বা নাই থাকুন, মনে হয়, আহা!!
আমি যদি এমন কিছু করতাম......যাতে মানুষ আমার নামেই আমায় চিনতো?.........

প্রিয়তে নিলাম।
শুভেচ্ছা।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: হ্যা. যখন দেখে নিজের কিছুই হয় নাই, সন্তানরা নিজেদের পথ বেছে নিচ্ছে, সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে.... তখনই এদের আফসোস শুরু হয়।

৩৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
সহেলী বলেছেন: গুছিয়ে খুব ভাল একটা বিষয় উপস্থাপন করেছেন ।
ধন্যবাদ আপনাকে , ধন্যবাদ সাজিকে , তার প্রিয় পোষ্টের তালিকায় ছিল বলে চোখে পড়েছে ।

পড়ে দেখতে পারেন , ব্লগার পারভেজের লেখা ...
Click This Link
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
শাওন বলেছেন: উহু আমি বলতেছি না স্বামীর পরিচয়ে বেঁচে থাকতে । জাস্ট জানতে চাইছিলাম বিয়ের পর তার জিনিসকে নিজের ভাবতে পারবা কিনা ।
জানলাম ।

অবশ্য আগেও অনেক কথা হইছে , যাকগে । :)
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: মনে করি কি না করি, সেটা অতটা গুরুত্বপূর্ণ না। আমি কি মনে করলাম (সেটা তো মনের মধ্যেই থাকবে), কিন্তু বাইরের বিষয় হল এই যে, প্রত্যেক মেয়ের একটা নিজস্ব আইডেনটিটি এবং নিজস্ব কিছু প্রপার্টি থাকা দরকার। শুধু স্বামীর উপর নির্ভর করাটা বাজে হ্যাবিট। আমার মতে।

৩৭. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৪
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: এরকম হলে স্বামীরা একটু আরামে থাকপে :)

লেখা ভাল্লাগছে।
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: আচ্ছা!
আমার অবশ্য দ্বিমত আছে, স্বামীরা স্ত্রীদের ভেড়া বানায় রাখতেই পছন্দ করে, সিমিলারলি মেয়েরা চায় স্বামী ভেড়া হয়ে থাকুক।
আরামে থাকলে তো সমস্যাই হত না।

৩৮. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: মনে হইলো, এই লেখাটারে যোগ্য সম্মান দেই নাই আগেরবার। আরেকবার জানায়া গেলাম, আসলেই দুর্দান্ত।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা... :D
থার্ড আরেকটা ট্রাই দেবেন নাকি?;)
তবে দ্বিতীয়বার আবার ''লেখার সম্মান'' দিয়ে গেছেন বলে সত্যি ভালো লাগলো।

৩৯. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
জনৈক আরাফাত বলেছেন: এই লেখাটি মাঝে মাঝে পড়তে আসি!
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: আচ্ছা!
জেনে ভালো লাগল। অবাকও হলাম।

৪০. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: এমনি এমনি বলি...
আমার আম্মুকে কেউ সোহায়লার আম্মু বললে আমার ভালই লাগে বা লাগতো কিন্তু ......... কেউ বলেনা ! :-(
বাট এখনো আমার বাবা আমার মায়ের কাছে সোহায়লার আব্বু ই... সেভাবেই ডাকে!

কমেন্ট টা মনে হয় অফটপিক হয়ে গেলো!

অনটপিক কমেন্টঃ কিছুদিন পর শাহজাহান সাজুদের মায়েদের খুজে পাওয়া যাবেনা...... মেয়েরা কেন যেন মায়ের দায়িত্ববোধ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এটাও স্বস্তির কথা না! মা সহজেই হওয়া যেতে পারে , কিন্তু একজন মা তো একজন টিচার , ট্রেইনার ,ইন্সট্রাকটর , ভলান্টিয়ার , গভর্নেস , লিডার , সুপারভাইযার ......... এতোগুলো দায়ীত্ব মায়ের তার সন্তানের প্রতি ... এক থেকে বার বছর ...... এটলিস্ট এই সময়টুকু একজন মা শাহজাহান সাজুর মা ই হোক!

লেখার স্পিরিটের সাথে একমত ...... :-)
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: আমি জানি না এক থেকে বার বছর শাজাহান সাজুর মা হয়ে থাকার পর কোন মহিলা তার চাকরি ফিরে পাবেন কিনা, অর্থাৎ আদৌ কর্মস্থলে ফিরতে পারবেন কিনা। তাছাড়া প্রত্যেক সন্তানের জন্য মা বার বছর করে ঘরে বসে থাকলে তার আর কর্মজীবনে কোনদিনই ফেরা হবে কিনা সন্দেহ।
বরঞ্চ, যদি বিভিন্ন দেশের সরকার নতুন মায়েদের জন্য কর্মক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়ার ব্যবস্থা করে এবং বাবারা মায়েদের সাথে সাংসারিক কাজে সহযোগিতা করে, আমার মনে হয় ইজিলি মায়েরা কর্মক্ষেত্র সামাল দিয়েও সন্তানদের লালন পালন করতে পারেন।

৪১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭
সত্যান্বেষী বলেছেন: সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: মা সহজেই হওয়া যেতে পারে , কিন্তু একজন মা তো একজন টিচার , ট্রেইনার ,ইন্সট্রাকটর , ভলান্টিয়ার , গভর্নেস , লিডার , সুপারভাইযার ......... এতোগুলো দায়ীত্ব মায়ের তার সন্তানের প্রতি ... এক থেকে বার বছর ...... এটলিস্ট এই সময়টুকু একজন মা শাহজাহান সাজুর মা ই হোক!


এতকিছুর পরও কিন্তু তার একটা নিজস্ব পরিচয় থাকতে পারে যা নিশ্চয়ই 'শাহজাহান সাজুর মা' নয়। বাবা মারা যাওয়ার পর তাকে 'শাহজাহান সাজুর বাবা' বলা হচ্ছে না।
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: হ্যা, আমিও ঠিক এটাই বলছি। একজন নারীর কন্যা-জায়া-জননীর বাইরের আরেকটা পরিচয় দরকার আছে, সেটা বোধহয় আমিত্বের মধ্য দিয়েই সম্ভব।

৪২. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
ভাঙ্গন বলেছেন: বাকরুদ্ধ,সত্যিই...!
এমন করে কখনো ভেবে দেখিনি বলে নিজেরই লজ্জা লাগছে।
আমার মা আজো তবে আমার, বাবার পরিচয়ে মা???
আপনাকে অভিবাদন তুচ্ছ ভাঙ্গনের পক্ষ থেকে!
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: নিজেকে তুচ্ছ বলে বিনয় করছেন কেন ভাই? কেউই তুচ্ছ না।
আপনার কমেন্ট পেয়ে ভালো লাগল।
ধন্যবাদ।

৪৩. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯
চিকনমিয়া বলেছেন: আফনেতো ভালাই লেকেন
পেলাচ
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনেরেও পেলাচ :)

৪৪. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
সত্যান্বেষী বলেছেন: চিকনমিয়া পিলাস দিসে। এইডা কিন্তু একটা ঘটনা। আমি আইজতক চিকন মিয়ারে কোথাও পিলাস দিতে দেখলাম না। :)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: আমারে দিসে পেলাচ:) :) :)

৪৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৫
দুঃখবিলাসী বলেছেন: প্লাস। প্রিয়তে নিলাম।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৬. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: @লেখক: ধর্মে নারীর অবস্থান নিয়ে আপনার বক্তব্য কি?


অপেক্ষায় রইলাম....
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: জটিল প্রশ্ন। এক এক ধর্মে অবস্থান এক এক রকম। এটা একটা সুদীর্ঘ আলোচনার বিষয় (এবং এ বিষয়ে আমার জ্ঞান স্বল্প)। যথেষ্ট জানা থাকলে জাহির করতে দোষ ছিল না। তবে জানার পরিমাণ কম কিনা...... তেমন করে কিছু বলতে সাহস হচ্ছে না।

৪৭. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫
তরু বলেছেন: খুব ভালো লাগলো।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৬
মাহবুবা আখতার বলেছেন: কে যেন মাইনাস দিয়ে গেছেন, কেন দিয়ে গেছেন তা একটু বলে গেলে অবশ্য ভালো হত। সবাইকে জলো ধন্যবাদ দিচ্ছিলাম। একটু ভিন্নমত থাকলে কথা বলা যেত। অবশ্য হতেও পারে মতটার বিরুদ্ধে কিছু বলার নাই, যে লিখেছে তার উপরই কোন কারণে রাগ.........
হাঃ হাঃ
৪৯. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৮
শাওন বলেছেন: নতুন লেখা চাই আপা । এক লেখা দিয়ে বসে থাকলে চলবে না ।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: তাই নাকি?

৫০. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৬
শাওন বলেছেন: আপনি কি মজা করলেন আমার সাথে ? বিশ্বাস হইলো না যে মন থেইকা বলছি ? /:)

আপনি তো দেখতেছি ভুয়া ² #:-S
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৭

লেখক বলেছেন: এইটা নতুন দেখতেছেন?
আমিও তো দেখতেছি আপনি ভুয়া!

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও বাসি ঈদ মোবারক।

৫২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: দারুণ লিখেছ তো!
এটা নারীবাদী হয় নি... নারীবাদী হতে হলে পুরুষদের গালি দিতে হতো, দোষ যারই হোক।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: নারীবাদী না হলেই ভালো। এই নারীবাদী শব্দটাই আমি অপছন্দ করি।

৫৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৮
রুহী বলেছেন: অসাধরণ লিখেছেন।সহমত এবং অনেক ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।+++++
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।

৫৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৬
প্রতীক্ষা বলেছেন: লিখাটা পড়ে যে কত কথা মনে হল।কত কথা যে জমা হয়ে আছে কিছুই প্রকাশ করতে পারছি না।কখনও পারিওনি। একটা স্যাক্রিফাইস ..সত্যিকারের স্যাক্রিফাইস আমিও করতে চেয়েছিলাম। জীবন সে সুযোগ আমাকে দিল না।
যদি দিত হয়ত অনেক না হলেও কিছুটা আক্ষেপ হয়ত থাকত মনে মনে।আমার সবকিছু যে কেমন এলোমেলো হয়ে গেল। এখন সবকিছু গোছাতে খুব ব্যস্ত। নো মোর স্যাক্রিফাইসিং চিন্তা।
১৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: হুমম... নো মোর স্যাক্রিফাইসিং চিন্তা! খারাপ না ভালো বুঝলাম না...
তবে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৩৬
শামীম শরীফ সুষম বলেছেন: পোস্টের কথা আর কি বলব ... প্রিয়তে নিলাম


আমার ব্লগে আমন্ত্রণ রইলো
২৯ শে মে, ২০১১ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: সময় করে ঘুরে আসার চেষ্টা করব। থ্যাংস প্রিয়তে নেয়ার জন্য।

৫৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২৮
ভীরু বলেছেন: তাদের পক্ষ থেকেও একটা নিরব সমর্থন আছে। ছিল। এবং হয়ত ভবিষ্যতেও থাকবে। মাগনা মাগনা পুজো পেতে কার না ভালো লাগে! তাছাড়া বিনা কষ্টে দিন পার হয়ে যায় যখন যাক না!


সুন্দর সত্য। ধন্যবাদ।
কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট নয়, বেশিরভাগ মেয়েই মানষিক নির্যতনের শিকার তারপর্ও কেন এই নিরব সমর্থন? মেয়েদের মনোজাগতিক বিষয়, আপনার জানা থাকতে পারে...
২৯ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: সবসময় নিরব সমর্থনও না। আমার মনে হয় চুপ করে থাকতে থাকতে এটা একটা জেনেটিক বৈশিষ্ট্য হয়ে গেছে। আর মুখ খুলতে চায় না, পারেও না।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৬৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যা+ইচ্ছা+তাই
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই