আমার প্রিয় পোস্ট

আত্মবিশ্বাসহীনতায় প্রকট হচ্ছে আত্মার দেউলিয়াত্ব, তবুও বিশ্বাস আগের মতই নিশ্চল..

শত উদাসীন বেকার ঘুরে.....মহাকবি ঝরে পড়ে

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৫

শেয়ারঃ
0 1 0

মহামনীষীদের জীবনিতে এক অদ্ভুত সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়: প্রত্যেকেই ছিলেন কিছুটা অপ্রকৃতিস্থ, জগত-সংসার থেকে বিচ্ছিন্ন,রীতি-নীতি-শিষ্টাচার বর্জিত এবং অবশ্যই উদাসীন-খেয়ালী। মোদ্দাকথা, কোন সুনির্দিষ্ট ছকে বাধা জীবন তাদের ছিল না যা আমাদের মত সাধারণ মানুষদের জন্য অনুসরণীয় হতে পারে; অথচ যুগ যুগ ধরে পৃথিবীর জ্ঞানভাণ্ডার স্ফীত হয়েছে তাদেরই সেইসব হেয়ালীগাথায়। যেমন, শেক্সপিয়ারের পড়াশোনার প্রতি নিদারুণ ঔদাসীন্য তার শিক্ষককে বলতে বাধ্য করেছিল-’বাবা, তোমার ভবিষ্যত অন্ধকার।’আবার,স্কুলপালানো রবীন্দ্রনাথ, প্রতিনিয়ত গণিতে অকৃতকার্য হওয়া আইনস্টাইনেরা হাতছানি দেয় আমাদের দুরন্ত শৈশবকে । এমন দৃষ্টান্তও বিরল নয় যে তাদের এইসব রীতিকে (ভীমরতি বলাই বাঞ্ছনীয়) পুঙ্খানুপুঙ্খ আদর্শ ধরে বেড়ে উঠে অগণিত তরুণ; কিন্তু তাতে করে পৃথিবীতে কি প্রতিদিন আর একজন আইনস্টাইন- শেক্সপিয়ারের আবির্ভাব ঘটছে?বরং আশঙ্কাজনক হারে বেকার-ভবঘুরেদের দল ভারী হচ্ছে দেশে দেশে । a=b, b=c সম্পর্ক থেকে a=c হওয়ার নিশ্চয়তা গণিত অহরহ দিলেও জীবনের অঙ্ক অহর্নিশি গণেশ উল্টে দেয়। সেদিন অলিয়স ফ্রসেস থেকে french class শেষে ঐতিহ্যবাহী ১৩ নম্বর বাসে করে ফেরার পথে আমার সিটের উপর একটি অর্ধপুরনো ডায়েরৗ পড়ে থাকতে দেখে আলগোছে ব্যাগে পুরে ফেললাম; ব্যক্তিগত ডায়েরী স্ত্রী’র মত একান্ত আপন (copyright সংরক্ষিত!)হলেও আমাদের মত শৌখিন লেখকদের অভিধান থেকে সৌজন্যবোধ জন্মের সময়ই নাড়ীরূপে ছেটে ফেলা হয়েছে!এরপর একটানা সাতদিন সেই ডায়েরী পড়ে অদ্ভুত কিছু সিদ্ধান্তে পৌছেছি; কিন্তু কী সিদ্ধান্ত সেটি উদঘাটনের দায়িত্ব পাঠকের। সংকেত হিসেবে ডায়েরীর কিয়দংশ এখানে তুলে ধরছি
(ডায়েরীর অজ্ঞাত স্বত্ত্বাধিকারী যে-ই হোন পারলে একটা গায়েবানা জানাযা দিতে ভুলবেন না)

২৩শে জুলাই,২০০৫ শনিবার, রাত:২ঘটিকা

২ আউন্স হৃদয় শরণে তোমার কাছে....
৩৬/২৭সাইজের একটি হৃদয় খুঁজছি টেকনাফ থেকে ঠাকুরগাঁও য়ে অবশ্য যৎকিঞ্চিত ছোট-বড় হলেও চলবে; হৃদয় দিয়েই পূরণ করে নেবো হৃ দয়ের হেরফের এই কে..কে..কে ওখানে; কেড়ে নিতে চায় আমার জ্যোৎস্নার মিছিল? ইদানীং শূন্যতা’রা গোষ্ঠীসুদ্ধ আবাস গড়েছে হৃৎপিণ্ডের ঠিক মাঝখানটায়.. যেখানে থাকে অনুভূতির স্রোতস্বিনী.... এই কে..কে..কে ওখানে? ঠিক কি কারণে তোমাকে ভাল লাগে বলা মুশকিল; কিছুটা খামখেয়ালও বটে হতে পারে তোমার হৃদয় ৩৫/২৪ কিংবা তার আশেপাশে বলেই তুমি কি আসলে ?নারী, প্রস্ফূটিত কমলকলি নাকি বৈরাগ্যের গেরুয়া বসন; আমি ভেবে নিরুত্তর.. তবু অবশেষে তোমাতেই করি আকণ্ঠ নিমজ্জন: হবে কি একটা পেলব হৃদয়... মাত্র ২আউন্স! বেশি চাইবনা,শুধুই ২আউন্স! এই কে..কে..কে ওখানে?
কাল কবিতা উৎসবে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিতে হবে ; অবশ্য এই কবিতা শ্রোতামহলে পৌছলে আপনাআপনিই আমার কার্যসিদ্ধি হবে; লোকে তখন পেত্রার্র্ক-ইয়েটস ভুলে যাবে;এমনকি মধুসূদনেরসনেটও আমার পাশে নিষ্প্রভ হতে বাধ্য ; আর রোমাণ্টিসিজম-সু’রিয়েলিস্টিকতা রবীন্দ্র-নজরুলতো সেভাবে উপলব্ধিই করতে পারেনি! অতএব...থাক, আজকের মত ঘুমাই।

পাদটীকা: স্থানাভাবে ডায়েরীর সম্পূ র্ণ কবিতাটি দেখানো সম্ভব হলনা। তবে অতি আগ্রহী পাঠক চাইলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাবৎ অনুসন্ধিৎসার অবসান ঘটাতে পারেন।

১১ইজুলাই,১৯৯৯ রবিবার,রাত:১০ঘটিকা

আমার মা-বাবা সম্ভবত কখনই আধুনিক হতে পারবেননা; সবসময় একই কথার পুনরাবৃত্তি :পড়,পড়। কিভাবে যে বোঝাই তাদের ছেলে সাধারণ হওয়ার জন্য পৃথিবীতে আসেনি; তার বন্ধু হোমার, ভলতেয়ার কিংবা মাইকেল এঞ্জেলো- যারা পড়াশোনার ত্রিসীমানা পর্যন্ত মাড়াননি কোনকালে। সেদিক থেকে আমি বরং অনেক উদারপন্থী_ নিতান্ত অনিচ্ছাসত্ত্বেও ২বারের চেষ্টায় ইন্টার পাশ করেছি! কিন্তু বাবা-মা’র প্রত্যাশার মাত্রা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। অবশ্য এটাই স্বাভাবিক; আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ছিলেন বখে যাওয়া সন্তান, তার বাবা-মা কি ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করতে পেরেছিলেন এই ছেলের ভেতরেই লুকিয়ে আছে “ the old man and the sea” এর সঞ্জিবনী? গড়পড়তা একজন ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার গড়ার মধ্যেই মা-বাবাদের স্বপ্নের পরিধি বিস্তৃত; অসাধারণ মার্কটোয়েনরা কেন যেন তাদের ভীষণ চক্ষুশূল!

১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০০২ শুক্রবার, রাত:১১ ঘটিকা

বাবার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন ক্রমাগত বেড়েই চলেছে এবং আশু সমাধানের সম্ভাবনাও সুদূর পরাহত বলে মনে হচ্ছে। আমার মাথার দৗর্ঘ চুল, গলার মালা তার অসহ্য লাগে! তাই সরাসরি তাকে প্রশ্ন করে বসি-” এই বয়সে এসেও প্রতিদিন একবার মোনালিসার ছবি না দেখলে তোমার ভাল লাগে না; কিন্তু তুমি কি জান এই ছবির চিত্রকর দ্য ভিঞ্চির চুলের দৈর্ঘ্য মা’র চুলের চাইতেও কয়েক ইঞ্চি বেশি ছিল!” বাবার সাফ জবাব -”জিনিয়াসদের চরিত্র নিয়মতান্ত্রিকতায় বিচার করা বোকামি; তারা সবকিছুর ঊর্ধ্বে।” হায়রে পিতৃদেব আমার! কোথাকার কোন দ্য ভিঞ্চির বিচিত্র চরিত্রের প্রশংসায় সপ্তমুখ(!) হতে আপত্তি নেই, আর নিজের ছেলে সেরকম কিছু করতে চাইলেই গৎবাধা নিয়মের বেড়াজালে তাকে আটকে রাখার নির্মম দুরভিসন্ধি!তবে কি ভিঞ্চির প্রতি তার ভালোলাগা একধরনের প্রহেলিকা মাত্র? নেশা ছাড়া ভাবের জগতে বিচরণ কেন যেন ঠিক পূর্ণতা পায়না। গঞ্জিকায় দম না দিলে ভ্যানগগের পক্ষে ছবি আঁকাই দুরূহ হত, বায়রনের এক হাতে থাকত মদের গেলাস , অন্য হাতে লেখার সরঞ্জাম! আমি লেখার প্রয়োজনে মাঝে মাঝে...ফেনসিডিল না হয় একটু আধটু সিদ্ধি সেবন করি; ব্যস এতেই বাবা অগ্নিশর্মা! অথচ তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরী বায়রন সম্ভ¢ারে পরিপূর্ণ। বাবা জোর করে কেন আমাকে মিডিওকার বানিয়ে রাখতে চায় বুঝিনা, কিন্তু বড় আমাকে হতেই হবে। প্রয়োজনে পারিবারিক বন্ধন ছিন্ন করতেও সামান্যতম দ্বিধান্বিত হবনা; শেক্সপিয়ারও তো মাত্র ১৭ বছর বয়সেই ঘর ছেড়েছিলেন!!
১৬ই মার্চ,২০০৪ মঙ্গলবার,রাত:১টা৪১

নীলিমাকে আজকাল অচেনা মনে হয়; প্রেয়সীসুলভ আবিষ্টতার অন্তরালে কোথায় যেন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা, চেহারায় টিউলিপের লাবণ্য অল্প অল্প করে ক্যামেলিয়ার কাঠিন্যে রূপ নেয়া- সবমিলিয়ে নীলিমা এখন অনেকটাই সিন্ধু সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ! ওর চাওয়াগুলোকেও শিশুতোষ লাগে _প্রতিদিন দেখা করা, ফোনে কথা বলা, অন্য মেয়েরসঙ্গেকথা বলার জন্য হাজার কৈফিয়ত- এইসব typical human nature এর ঘোরটোপ তার অন্তঃস্থলে দুর্ভেদ্য হয়ে উঠছে।
এই মুখরা রমণীকে বোঝানোও দুঃসাধ্য যে আমি কারো একার সম্পদ নই , আমি সসীমের মাঝেই অসীমকে ধারণ করতে চাই। প্রতিটি মানুষই এক একটি নতুন বই; শুধু ওর একার মধ্যে নিমগ্ন থাকলে অসংখ্য বই পড়ার সুযোগ-বঞ্চিত হতে হবে আমায়; বিশেষত নারীবাদী বইগুলোতে নিহিত আছে সকল চিন্তা,দর্শন, শিল্পকলার মুক্তি; অথচ আমার একাধিক নারী সংস্রবকে সে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে অপারগ! অন্যদিকে,চিরন্তন জানার স্পৃহা থেকে জ্যাকরুশো তিনটে বিয়ে পর্যন্ত করেছিলেন!এতসব মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের ফলশ্র“তিতে নীলিমা-আমার সম্পর্কের ভবিষ্যত নিয়ে আমি সন্দিহান। but who cares! মিল্টনের সঙ্গে তার স্ত্রী’র বনিবনা না হওয়াতেই হয়ত পৃথিবীতে ” paradise lost” রচিত হয়েছিল। নজরুলের নার্গিসের মত নীলিমাও না হয় আমার জীবনে হয়ে থাকবে এক বিসর্জনের ফুল!
১২ই এপ্রিল,২০০৬ বুধবার,রাত: ৮টা১৫
এই বুড়ো-ভাম intellectual দের বক্তৃতা শুনলে নিজেকে control করাটা tough হয়ে পড়ে। ভালো কিছু করার সামর্থ নেই , পুরনো কীর্তির কাসুন্দি ঘেটে আর ঢালাওভাবে নতুনের সমালোচনা করে আজ অমুক টিভি চ্যানেল, কাল ওই পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিযেই এরা নিজেদের রুটি-রুজির সংস্থান ঘটায়। ভাবখানা এমন যেন নতুন মানেই সব অপগণ্ডের দল, সুকান্ত-জীবনানন্দের প্রয়াণের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী থেকে প্রতিভাও বিলুপ্ত হয়ে গেছে! কত নামজাদা পণ্ডিতের কাছে পাণ্ডুলিপি পাঠালাম; অধিকাংশই সেভাবে ফেরত এল-বিজ্ঞ মহোদয়গণ সেটি খুলে দেখবার প্রয়োজনবোধ করেননি, কেউবা আবার দু’কলম লিখেও দিলেন_ ভাষা অবিন্যস্ত, উপস্থাপন দুর্বল, বৈচিত্রে ঘাটতি, লয়-মাত্রা-ছন্দবর্জিত, লেখক হওয়া অনেক দুঃসাধ্য....ইত্যাদি ইত্যাদি। হুইটম্যানের যে বইটি তাকে বিশ্ববিখ্যাত করেছে সেটি ছাপাতে প্রথমে কোন প্রকাশকই পাওয়া যাচ্ছিল না এবং প্রথম বছর একটি কপিও বিক্রি হয়নি; এইসব গোফে তা দেওয়া intellectual দের সাধ্য কি হুইটম্যানকে মূল্যায়ন করবে! এরা তো কেবল জীবন ঘনিষ্ঠতা, প্রাচ্য-পাশ্চাত্য প্রভাবের বুলি আউড়ে পকেট ভারী করতে জানে! প্রকাশকগুলোও সব shylok এর প্রতিমূর্তি; টাকা পেলে মহোৎসাহে কামসূত্র ছাপাতে শশব্যস্ত হয়ে পড়ে, নতুন লেখক মহাকাব্য লিখলেও বিনা পয়সায় “no entry” . এই নির্বোধ প্রকাশকদের দ্বারস্থ হতে হতে রঙিন পাঞ্জাবি বিবর্ণ করে ফেললাম, মুচির সঙ্গে প্রাত্যহিক সখ্য স্থাপিত হল; কিন্তু লক্ষ্য অলক্ষ্যেই রয়ে গেল! জীবদ্দশায় ডঃ লুৎফর রহমানের কোন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি; আমার একই গতি হবে কিনা সে ব্যাপারে মৃদুভাবে হলেও মনের মধ্যে সংশয় দানা বাধছে!

১০ই অক্টোবর,২০০৫ সোমবার, রাত: ৮টা৩০

টি,এস,সি চত্বরে বসে কবিতা লেখা, বিকালে আজিজ সুপারে সাহিত্য আড্ডা- কেটে যাচ্ছে দিন দিনের মতই, কেমন আছি জানিনা। এখন দিনের বেশির ভাগ সময় তন্বী -ভক্তবেষ্টিত থাকি; তারা সানন্দে আমার দীঘল চুলের উকুন সাফ করে দেয়, কিন্তু বিয়ের কথা বললেই এদের মুখে load-shedding নেমে আসে; কবিদের হাতধরে অগণন মুহূর্ত কাটিয়ে দেয়া যায়, সংসার করা যায়না! গেল মাসে নীলিমার বিয়ে হল; পাত্র প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার।পক্ষান্তরে, বিচ্ছেদের শোকে বিরহকাতর হওয়ার বদলে আমি আশ্চর্যরকম নির্বিকার: আরে, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম রোমান্টিক কবি শেলীর সঙ্গেইতো তার প্রেয়সীর মিলন হয়নি; প্রণয়ের সার্থকতা মিলনে নয়, উপলব্ধিতে। আমার মত অসংখ্য ভাবকবি টি,এস,সি’র বারান্দায় রোজ বিউটি বিড়ি ফুঁকে, দিনে ৫-৬টি আধুনিক কবিতা লিখে বিভিন্ন কর্মশালা উপলক্ষে আর দিনশেষে নেশায় বুঁদ হয়ে বার্নার্ডশো হওয়ার স্বপ্ন লালন করে।
মাঝে মাঝে শ্রোতার অভাব হলে কাক পাখিকে আমার কবিতা শোনাই, নিস্পন্দ বসে থাকা কাকগুলো আমার উৎসাহকে বিবর্ধিত করে,আমি প্রফুল্ল চিত্তে তাদের দিকে চিনেবাদাম ছুড়েদেই!ঈশপ ছিলেন সামান্য ক্রীতদাস, সে তুলনায় আমিতো মহাসুখে আছি।
আসলে সমস্যা হচ্ছে সবাই শেক্সপিয়ার হতে চায়, কিন্তু যত্রতত্র হ্যামলেট, ওথেলো ’রা ঘোরাফেরা করলে সাহিত্য থেকে aestheticism হারিয়ে যাওয়ার ঝুকি আছে !তাই পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের মত অবৈধ শেক্সপিয়ার হটাও ও সমান গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হতে পারে; কারণ একমাত্র আমিই আধুনিক শেক্সপিয়ার হওয়ার যোগ্যতম দাবিদার, অন্য কেউ নয়! এইতো আর একটা ক্লাসিক কবিতা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। সময় অপচয় না করে লিখে ফেলি-
একবার যখন বলেছি- মাধবকুণ্ড ঝরনায় তোমার অধিকার প্রতিষ্ঠা করবই যেহেতু তুমি হেসেছো- আজ দিগন্তকে খামে ভরে পোস্ট করব তোমার ঠিকানায় হতচ্ছাড়া তরুণ শৈবালগুলো সুগভীর চুম্বনে জড়িয়ে থাকবে মেঘনার জলকণায়; আর তোমাতে আমি না না ..আমি হেয়ালী করছি না; ক রলেইবা তোমার কি?৭৭৭বার করব- আমার ইচ্ছে!

*কোন এক রহস্যজনক কারণে ডায়েরীর মাঝের কিছু পৃষ্ঠা সরংংরহম, তাই এই স্বঘোষিত ক্লাসিক (বোধকরি ক্লাউনিক!) কবিতাটির কত লাইনে সমাপ্তি ঘটেছে সেই মীমাংসা এক অজানা অধ্যায় হয়ে রইল সাহিত্যাঙ্গনে।
১০ই মে,২০০৭ বৃহস্পতিবার,সন্ধ্যা:৭ঘটিকা

নতুন sub-register লোকটা মনে হয় বিশেষ সুবিধের হবেনা, কেমন একটা হামবড়া ভাব চালচলনে! বাবা-মা’র কথামতো পড়াশোনা না করে নিজের যে কতবড় ক্ষতি করেছি রেজিস্ট্রি অফিসে সস্তা দলিল লেখকের কাজ পেয়ে এতদিনে তা তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে। আমার দুশ্চিন্তায় বাবা চলে গেছেন, শেষের দিনগুলোয় আমার মুখদর্শন বন্ধ করে দিয়েছিলেন! আমাদের ছা-পোষা পরিবার আজ অস্তিত্বরক্ষায় আমার মুখাপেক্ষী, ইতোমধ্যে সামাজিকভাবে চেীকো-মধ্যবিত্ত অবস্থান থেকে আমাদের নিম্নবিত্তে অবনমন ঘটেছে! টি,এস,সি’র সেই অন্ধকার প্রহরগুলো বেঁচে থাকার প্রয়োজনে জীবন থেকে নির্বাসিত, আজিজ সুপারের আশেপাশে গেলে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, একদার নিত্যসখিরা হঠাৎ ভুলে কোথাও দেখা হয়ে গেলে আলোর বেগে মুখ ফিরিয়ে নেয়, হাজার টাকা মাইনের দলিল লেখককে নিয়ে ভাববার ফুসরত কারোও নেই; শুনছি মা’র দুঃসম্পর্কের এক গ্রাম্য ভাইঝি খুব শীঘ্রই আমার ঘর সাজাতে আসছে! আমার মাঝে যেন এক নবমানুষের জন্ম হয়েছে- ডায়েরীর বেশিরভাগ কবিতাই মা’র জ্বালানীখরচ লাঘব করেছে, মাসকাবারি সেলুনে যাওয়াটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, কবিতা লেখার সময়টা বিটিভির উচ্চমার্গীয়(!) অনুষ্ঠান দেখে বেশ ভালই কেটে যায়। সত্যি বলছি, লেখালেখি করাটাকে এখন পৃথিবীর নিকৃষ্টতম শখ মনে হয়! চলার পথে পদে পদে ক্ষতবিক্ষত হয়ে অবশেষে এই সিদ্ধান্তে পেীছেছি- ঘোষণা দিয়ে কখনো শেক্সপিয়ার হওয়া যায়না। ঈশ্বরের নিদারুণ পক্ষপাতিত্বে শেক্সপিয়াররা অসাধারণ হয়েই জন্মগ্রহণ করেন। তাদের ঔদাসীন্য বযঃসন্ধির কিশোরদের বিভ্রান্ত করার জন্য ঈশ্বর প্রদত্ত এক মানবীয় মরীচিকা যার আকর্ষণে ”ভবিষ্যত সংকট”সৃষ্টি হয় হাজারো সম্ভাবনাময় তরুণের। আমার ভেতরকার শেক্সপিয়ার বহুদিন আগেই দলিল লেখকের চাকরি নিয়ে নিভুনিভু আলোয় বেঁচে-বর্তে আছে; কিন্তু আমি সেইসব শেক্সপিয়ারের কথা ভাবছি যারা এখনও টি,এস,সি’র প্রাঙ্গনে ঝোলাব্যাগভর্তি কবিতা নিয়ে বসে থাকে কিংবা স্কুল-কলেজের উদাসীন শেক্সপিয়ার- তাদেরই বা গন্তব্য কি? বছর বছর যে পরিমাণ শেক্সপিয়ার দেশের সংস্কৃতিতে যুক্ত হচ্ছে তাতে ভয় হয় এই হতদরিদ্র দেশটিতে এত দলিল লেখকের পদ খালি আছে তো?......সকালে বাস ধরতে হবে, এখন ঘুমানোই শ্রেয়তর!!.....................................

আচ্ছা আমিও তো লেখালেখি করি, আমার পরিণতি এইসব নব্য শেক্সপিয়ারদের মত হবে নাতো?কে জানে কী লেখা আছে কার বিধিলিপিতে!
শত আলোকবর্ষ দূরে- তুমি শেক্সপিয়ার!
তোমার তুলনা দেবার মত species খুবই rare!
তোমার মত হব আমি- how i dare???

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭
সুমন সালেহী বলেছেন: ঝোলাওয়ালাদের অবশ্যপাঠ্য!! যদি ওরা এটা পাঠ না করে তাহলে ওদের কপাল ওরকমই হবে।

"বিচ্ছেদের শোকে বিরহকাতর হওয়ার বদলে আমি আশ্চর্যরকম নির্বিকার: আরে, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম রোমান্টিক কবি শেলীর সঙ্গেইতো তার প্রেয়সীর মিলন হয়নি; প্রণয়ের সার্থকতা মিলনে নয়, উপলব্ধিতে।"--------
হেলাল হাফিজের একটি লাইন আপনি বোধহয় জানেন তাও----
প্রেম মূলত মিলনে মলিন হয়, বিরহে হয় উজ্জল!
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: আমি শুনেছিলাম এটা রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর কবিতা, যাইহোক আমি কবিতা অত পড়িনা, কবিতার আবৃত্তি শুনি প্রচুর।।।
তবে এটি লেখার সময় আমি শুধু লেখাটা নিয়েই ভেবেছি, অন্য কাউকে নিয়ে নয়।।।

২. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
সুমন সালেহী বলেছেন: হতে পারে। অামিও ঠিক নিশ্চিত ছিলাম না। যাই হোক কবি মিল্টনের একটি কৌতুক-----
Paradise lost লিখার পর কেউ একজন বলল " Paradise Regained কবে লিখবেন?
তার উত্তর" যেদিন আমার বউ থাকবেনা!!!"
৩. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২০
কালপুরুষ বলেছেন: আদ্যপান্ত পড়লাম। আবার পড়তে হবে কারণ আমার ব্যক্তিগত ধারণা এটা নিঃসন্দেহে "ইনটেলেকচুয়াল" পর্যায়ের লেখা। সবাই এমন লেখা লিখতে পারার কথা নয়। আমিও পারবোনা এমনটা লিখতে। আজ একটা কথা বলতে ইচ্ছে করছে যদিও আপনার সাথে আমার ব্যক্তিগত কোন পরিচয় নেই- কথাটা হলো আপনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পর্যায়ের "ন্যাচারাল ট্যালেন্টস" বিদ্যমান। জীবনে সাফল্য-ব্যর্থতা বড় জিনিষ নয় নিজের ভেতরের জ্ঞান ও মেধার বহিঃপ্রকাশ অনেকেই তেমনভাবে করতে পারেনা তাই অনেকক্ষেত্রে অনেকের প্রতিভা লোকচক্ষুর আড়ালেই রয়ে যায়। বড় ভাই কিংবা অগ্রজ বন্ধু হিসেবে একটা অনুরোধ করতে পারি- আপনি আপনার মেধাকে নিষ্ঠার সাথে কাজে লাগাতে একাগ্র সাধনায় লিপ্ত হউন, আমি নিশ্চিত আপনার সাফল্য অনেকের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। সর্বময় মঙ্গল কামনা করি, ঈশ্বর আপনার সহায় হউন। মন থেকে দোয়া রইলো। ভাল থাকুন।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: আমার এক বন্ধু (ব্লগের নিক "অদ্ভুত আঁধার এক") সেদিন কথা প্রসঙ্গে বলল আপনার বয়স নাকি ৫০+, আমি বললাম উনার প্রোফাইলের ছবি দেখে তো ৩৫ এর একটুও বেশি মনে হয়না, তাহলে কি ছবিটা অনেক আগে তোলা??সে বলল আপনি এখনো দেখতে নাকি একইরকম আছেন।। তখন আমি আবারও বুঝতে পারলাম 'মানুষের মন সজীব থাকলে বয়স কখনো তাকে পরাজিত করতে পারেনা, বরং বয়সই তার আজ্ঞাবহ হয়ে থাকে।।।' বয়স নিয়ে কথা বলছি, কারণ আমার বয়স মাত্র ২২, আপনার ৫০+....তাই বয়সে এত বড় একজন গুণী কোন মানুষের কাছ থেকে নিজের সম্পর্কে প্রশংসা শুনলে কেমন অনুভূতি হয় সেটা আপনার বোঝার কথা নয়, কারণ আপনি যখন আমার বয়সে ছিলেন তখন এদেশে ব্লগ বলে কিছু ছিলনা।।।তাই সবকিছুতে পিছিয়ে থেকেও এই একটি জায়গায় আমি আপনাকে হাারিয়ে দিলাম_ আমার সঙ্গে একজন কালপুরুষ আচেন, আপনার সঙ্গে কেউ ছিলনা।।।ধন্যবাদ।।

৪. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭
কালপুরুষ বলেছেন: এমন হারার মাঝেও আনন্দ আছে কারণ আমি হেরে গেলেও আমার উত্তরসূরী একজন মানুষ আমার কথাগুলো মনের ভেতর লালন করবে এবং সম্ভব হলে তা মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেবে। আমি হয়তো থাকবোনা কিন্তু আমার অনুপ্রেরণা একজনের পথচলার সঙ্গী হয়ে রবে। তাহলে শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়াচ্ছে? - আমি কিছু মানুষের মাঝে এখনো বেঁচে আছি। আর সেই বেঁচে থাকা সকল বয়সের ঊর্ধে হয়তো অনাদিকাল। বস্তুতঃ দেখা যাচ্ছে ঘুরে ফিরে জয়টা আমারি- কারণ আমি না থেকেও বর্তমান। যেমন আমার মাঝেও বেঁচে আছেন কিছু মানুষ যাদের অনুপ্রেরণায় আজ আমি এখানে- সবার মাঝে। তফাৎ শুধু সেদিন ব্লগ ছিলনা- ছিল ক্লাশ ঘর। সেদিন ইন্টারনেট ছিলনা কিন্তু ছিল পারস্পারিক ইন্টারএ্যাকশন। সেদিন আমি লিখতাম না, লেখা পড়তাম। তাদের কিছু কিছু বাণী অন্তরে গেঁথে গেছিল এমনভাবে যা কখনই মুছে ফেলতে পারিনি। আমৃত্যু পারবোও না। মানুষের মন অনেককিছুই লালন করে, প্রতিপালন করে- ভাল মন্দ বুঝতে শেখায়। আর এই শেখানোর কাজটি নীরবেই করে যান গুরুজনেরা। তার আদর্শই আমরা টেনে নিয়ে চলি- যুগ থেকে যুগে, কাল থেকে কালান্তরে। ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন। জীবন চলার পথ মসৃণ ও প্রস্থ হোক।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: আসলে সঙ্গে থাকাটাই কিছু কিছু ক্ষেত্রে পআসল, জয়-পরাজয়ের মত অতি তুচ্ছ পার্থিব মানদণ্ডে সেগুলো বিচার করলে তার আপেক্ষিক গুরুত্ব হ্রাস পায়।।।
তাই আপনি-আমি কেউ জিতিনি, এটা হারা-জেতার খেলাও নয়; বহুদিন ধরে আপনি একটি পথে হেটে বেড়াচ্ছেন বন্ধু পরিবেষ্টিত হয়ে; তারও কয়েক প্রজন্মের প্রতিনিধি হয়ে আপনাদের এই মহাকালের পথে হেটে চলার মিছিলে একটি ক্ষুদ্র লাল পিপড়ে হয়ে আমি শুধু যোগ দিতে চাই মাত্র।।।
কারণ পিপড়েরও কখনো কখনো আকাশ দেখার সাধ হয়।।

৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২
অন্তিম বলেছেন: সবটুকুই পড়েছি। অসাধারন লিখা। আরও কয়েকবার পড়ব। তারপর বিস্তারিত মন্তব্য করব।

প্রিয় পোষ্ট।


ভাল থাকবেন।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।।।

৬. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০০
বরুণা বলেছেন: বাপরে !!!!!!!!!! ৫০ তম পোস্টের মত পোস্ট।এমন লেখা নিসন্দেহে এই ব্লগের কেউই লিখতে পারবেনা হিমলু।তুমি সত্যি ইনটেলেকচুয়াল। কালপুরুষ ভাইয়া একদম ঠিক বলেছেন।

তবে "৩৬/২৭সাইজের একটি হৃদয় খুঁজছি টেকনাফ থেকে ঠাকুরগাঁও য়ে
অবশ্য যৎকিঞ্চিত ছোট-বড় হলেও চলবে; হৃদয় দিয়েই পূরণ করে নেবো হৃ দয়ের হেরফের।"টেকনাফ থেকে ঠাকুরগাও কেন?? টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া লিখলেনা কেনো?


তবে এই লেখায় সবচেয়ে অবাক হয়েছি তোমার মনমুগ্ধকর কবিতা পড়ে। বাব্বাহ এই তুমি কিনা আমার এত্ত হাবিজাবি কবিতা পড় আর উৎসাহ দাও???????????
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: কাকি, আমি কবিতা লিখনা, লেখার ইচ্ছাও নেই।।। আপনি যে কবিতা পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন বলে ভাবছেন, ওটা আসলে আধুনিক কবিতাকে ব্যঙ্গ করে লেখা হয়েছে, সেজন্যই কিছুক্ষণ পর পর এই কে কে কে ওখানে কথাটি লেখা হয়েছে।।।আর টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া না লিখে ঠাকুরগাও ও একই কারণে লেখা হয়েছে.আধুনিক কবিতা তো!!!!
আর আমি কাকী, পঞ্চম প্রজাতির গর্দভ।।। ইন্টেলেকচুয়াল হওয়ার মত ইন্টেলিজেন্স মহান ইশ্বর আমাকে দেননি.......ওগুলো সব অন্যদের।।।

৭. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
পারভেজ বলেছেন: লেখাটার মধ্যে দার্শনিকতার সুরটা চোখে পড়ে, অনেক গুলি বিচ্ছিন্ন চিন্তাকে, চেতনাকে , বিশ্বাসকে একভাবনায় এক লেখায় গাঁথার প্রচেষ্টা। ঠিক পাঠক মাত করা কিছুনা। তোমার লেখাগুলির মধ্যে আই বৈচিত্রতাটুকু ভাল লাগলো। কিন্তু আমার মনে হয় আরেকটু ভাগ ভাগ করে দইলে পড়তে ভালো লাগতো। এরপর থেকে পর্বে পর্বে দেয়ার কথাটা মাথায় রেখো। এই লেখায় ভালো খারাপ কমেন্ট দেয়াটা অবান্তর- কাড়ন লেখাটা ওভাবে দেখার কোন প্রয়োজন নেই। শুভেচ্ছা।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, আমি লেখালেখি করে জীবিকা নির্বাহ করতে চাইনা, তাই পাঠক কিসে মাত হবে -কিসে কাত হবে এইসব ভাবার যৌক্তিকতা আমার কাছে অযৌক্তিক মনে হয়।।।
আর এই গল্পটা লেখা হয়েছে ডায়েরী ফরম্যাটে..এটাকে পর্ব আকারে দিলে লেখাটার সৌন্দর্য হানি ঘটত।।।
আপনি আমার বেশ কয়েকটি লেখা পড়েছেন এবং উৎসাহ দিয়েছেন বলে ধন্যবাদ।।।
সময় হলে "তেপান্তরে নিরন্তর" আর "critics fear criticism most" পড়বেন দয়া করে।।

৮. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৪
ফয়েজ ০৮ বলেছেন: সময় সীমিত হওয়ায় পড়া স্বত্তেও সবার মতো বড় মন্তব্য করতে পারিন।

ভালো থাকরেন।
৯. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭
এখনও গল্প লিখি বলেছেন: আমার পোস্টটায় আর একবার ঘুরে আসবেন দয়া করে।

@ব্যক্তিগত ডায়েরী স্ত্রী’র মত একান্ত আপন (copyright সংরক্ষিত!)হলেও আমাদের মত শৌখিন লেখকদের অভিধান থেকে সৌজন্যবোধ জন্মের সময়ই নাড়ীরূপে ছেটে ফেলা হয়েছে!


......বোঝা যায়।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনি একটু বেশিই বুঝে ফেলেছেন, বেশি বোঝাটা দোষের নয়, বুঝতে থাকুন।।।
আর "আইডিয়া" ব্যাপারটি এমনই, আমার দেয়াল ভেঙ্গে গেছে আইডিয়া না পেয়ে দেয়ালে মাথা ঠুকতে ঠুকতে।।। ভাবছি, আপনার কাছ থেকে কিছু আইডিয়া ধার নেব, কী-করব বলুন মাথা একেবারেই ফাকা।।। আপনার মত ঐশ্বরিক প্রতিভা তো ইশ্বর দেন নাই, নিতান্তই পঞ্চম প্রজাতির গর্দভ করে সৃষ্টি করেছেন, আন জানেন তো গাধার ডাককে বাক্য সংকোচন করলে "চিৎকার" হয়.........তাই আমিও চিৎকার করছি, গর্দভ ঐ একটি কাজই পারে যে.........
আর আপনার দেখার বাইরেও বিশাল একটা পৃথিবী আছে..........কাজেই এত তাড়াতাড়ি শেষ কথা বলা উচিৎ হবেনা যে যারা মৌলিক লেখা লিখতে পারেনা.......ইত্যাদি ইত্যাদি, লেখার মৌলিকত্ব ব্যাপরটা আমি বুঝিনা, এ সম্পর্কে আপনার জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য শুনতে চাই, কারণ আমি অপ্রিয় সত্য শুনতে পছন্দ করি, যেটার ভয়ে আপনি ত্রাহি ত্রাহি করছেন।।।তাই আমি মন্তব্য সংক্রান্ত লেখায় কী বললাম,,সে সংক্রান্ত কোন কথা না বলে শিমুল ভাইকে সাক্ষী মানলাম কিনা এই ধরনের অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছেন।।।
আর এই লেখাটি কেন মৌলিক নয়, এই সংক্রান্ত আপনার তীব্র ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম।।।

১০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৯
কোজাগরী চাঁদ বলেছেন: এইযে পন্ডিৎ কি লিখছো এইসব হাবিজাবি!
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: amio bujhtesina, hoibo 1ta kisu.........

১১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
কোজাগরী চাঁদ বলেছেন: এইরে আতেলটা আবার ইংলিশ শুরু করেছে।আমি নাই
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনেরে থাকতে কইছে কে???

১২. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: হিমালয়, লেখাটা সময় নিয়ে পড়লাম। ভালো লাগলো। লেখার কটাক্ষগুলো সূক্ষ্ণ, যেটা বেশ পাকা হাতে গুছিয়েছো। :)
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: ভাই, এত অল্প কথায় মন্তব্য শেষ কেন???আপনার লেখার মত মন্তব্যগুলোও তো আর্টিস্টিক হয়।।।তারমানে এই লেখাটা যথারীতি ফালতু হয়েছে।।।।

১৩. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:১৯
নম্রতা বলেছেন: একসময় ডায়েরী লিখতাম এখন ব্লগে লিখি। আমার ডায়েরীটা হারিয়ে গিয়ে আপনার মত কারোর হাতে পরলে বেশ ভালোই হতো....।সাদাকালো লেখাগুলো প্রান ফিরে পেতো।
বাসে ট্রেনে টুকটাক এটা সেটা কতকিছুইতো ফেলে আসি ....এবার না হয় ডায়েরীর পালা। না.....এমন কিছু মানুষের সৃতি আছে যা হারাতে চাই না।

হিমালয় , আপনার লেখা ভাল লাগে।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: আমার কোন লেখায় এর আগে আপনার মন্তব্য দেখেছি বলে তো মনে পড়েনা........ভালো-মন্দ তাই বুঝলাম না.......আর আমার হাতে আপনার ডায়েরী না পড়াই ভালো, তাহলে দেখা যাবে নির্লজ্জের মত পড়তে শুরু করেছি।।।

১৪. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
নাজনীন খলিল বলেছেন:
আরে আমিতো হিমালয়ের লেখার ভক্ত হয়ে গেলাম!অনেক বড় লেখা তাই ভাল করে পড়ার জন্য কালকে কোন কমেন্ট দেইনি।

খুবই ভাল লাগল। অনেক অনেক শুভকামনা হিমালয়ের জন্য। লেখা এরকমই হওয়া চাই।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি আমার ব্লগের ৫০০তম মন্তব্য হল, তাই অবশ্যই এটি গুরুত্বপূর্ণ।।...............
আণ্টি আমার বয়স কিন্তু মাত্র ২২, এইসব প্রশংসাসূচক বাক্য শুনলে মাথা বিগড়ে যেতে পারে।।

১৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৩
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: খুব খুব ভালো লাগলো........
হিমালয়ের ৫০ তম লেখায় অনেক অভিনন্দন..........
মুগ্ধতায় পড়ে গেলাম শুধু........।
সাহিত্যের পরম কিছু দিক তুলে ধরা হয়েছে লেখায়.......
ডাইরী মাধ্যমে এই যে নিজেকে তুলে ধরা.....।
নিজের ভাবনাগুলো.....।সত্যি খুবই ভালো লাগলো.......
বয়স নিজের ২২ বললে কি হবে লেখা পড়ে তো বেশী বেশী মনে হচ্ছে।:)
আর লেখকদের কি কোন বয়স থাকে?........
তারা সব বয়সে ঘুরে বেড়াতে পারে অবলীলায়........
সেখানে সবাই সমান।
লেখা চলুক..........।শুভকামনা.....।
শুভেচ্ছা হিমালয়।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: আমি এখনো বুয়েটের ছাত্র, থার্ড ইয়ারে পড়ছি।।। তাই অনেক চেষ্টা করেও নিজের বয়স ২২ এর বেশি করতে পারছিনা আপাতত ।। লেখকদের কোন বয়স থাকেনা সত্যি, কিন্তু আমিতো নিজেকে লেখক ভাবিনা....আমার আগ্রহ অনুবাদ কর্মের প্রতি।।
অনুবাদের কাজ পাওয়া যায় এমন কোন লিঙ্ক জানা থাকলে জানাবেন দয়া করে।।।

১৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩২
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: লেখা ফালতু হলে তো বলতামই যে ফালতু হয়েছে! কিন্তু আমি পড়ে ভালো লাগাটা জানিয়েছি। এখানে অনেক সময় খুঁত খুঁজি না। নির্মল আনন্দ খুঁজি। তোমার চিন্তাগুলো অনেক বিবিধ আর বর্ণনাও ভালো হয়, এজন্য সেটাই বলছি।:)
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: আরে, আমি তো সবসময় আনন্দে থাকি, তাই কথাও বলি মজার ধরনে।।। ফালতু শব্দটাও ফান করে যোগ করা হয়েছে, খুত-নিখুতের প্রশ্ন থেকে নয়।।।

১৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
আন্দালীব বলেছেন: বাহ! লেখনীর পরতে পরতে Wit

"কবিদের হাতধরে অগণন মুহূর্ত কাটিয়ে দেয়া যায়, সংসার করা যায়না" :):)

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: এত ছোট মন্তব্য কেন???আপনাকে মাইনাস!!!!

২০. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৯
আন্দালীব বলেছেন: মাইনাস সানন্দে গৃহীত....

:)
২১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৮
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: অনবদ্য।গদ্যে আমি বরাবরই কাঁচা।বেরসিকের মত একটা প্রশ্ন করে বসলাম-"ডায়েরীর ব্যাপারটা কি পুরোপুরি কল্পনাপ্রসূত?"
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ১০০% কল্পনা..তবে থিমটা সত্যিই ১৩নম্বর বাসে ফেরার পথে মাথায় এসেছিল।। পাশাপাশি লেখার প‌্যাটার্ন নিয়ে আমি কাজ করতে পছন্দ করি।।।
অফটপিক: খুব সম্ভবত আপনি বুয়েটের।।। ইমরান ভাইয়ের (CSE 04)মুখে আপনার নাম শুনেছিলাম

২২. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
সুরভিছায়া বলেছেন: দেরীতে হলেও পড়ে ধন্য হলাম ।কেমন অভিজ্ঞ লেখকের লেখা ! ৫০ তম পোষ্টের গুনকীর্তন করতে হচ্ছে লেখার গুনে । শুভেচ্ছা জেনো ।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: এত সংক্ষিপ্ত মন্তব্যের জন্য আন্দালীব ভাইয়ের মত আপনাকেও মাইনাস প্রদান করা হইল।।।

অফটপিক: "তেপান্তরে নিরন্তর...." পড়বেন আশা করি।।।।

২৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪২
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: কবিদের হাতধরে অগণন মুহূর্ত কাটিয়ে দেয়া যায়, সংসার করা যায়না!

ওইজন্যেই কবিতা লেখতে চাই না!!হি হি হি

ডায়েরী কি আসলেই পেয়েছিলেন নাকি পুরোটাই সাহিত্য!!?
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: পুরোটাই কল্পনা এবং আপনার মত আমিও একই কারণে কবিতা লিখিনা।।।

২৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫১
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: ৫০তম পোস্টের অভিনন্দন(অনেক দেরিতে)।
আমি একজন সাধারণ পাঠক।সাহিত্যের সূক্ষ্ম দিকগুলো বুঝি কম।
তবে তোমার লেখার ধরণ টা ভালো লাগে।
লেখালেখি আনন্দের জন্য।সেটা উপভোগ কর তুমি এইটা ভালো লাগলো।
অনেক শুভেচ্ছা থাকলো।

**পুনশ্চ: বলে কয়ে শেক্স পীয়র হওয়া যায় না তবে জাফর ইকবাল হওয়া যায়।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: ধরে নিচ্ছি বলে কয়ে জাফর ইকবাল হওয়া যায়, তবে সেটা লেখক জাফর ইকবাল, নাকি চিত্রনায়ক জাফর ইকবাল, সেই ঘোরটোপে পড়ে গেলাম।। (হা হা হা)

২৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০২
হৃদছায়া বলেছেন: পড়লাম, সত্যি বলছি আমার মত অকবির সামর্থ নেই এই লেখাটায় মন্তব্য করার, দূর্দান্ত লিখেছেন।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: মন্তব্য করতেও সামর্থ লাগে নাকি???পড়ে যেটা মনে হয়েছে সেটা বললেই তো হল।।। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।।

২৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২
উত্তরাধিকার বলেছেন:
আহা!

চোখে আঙুল দিয়ে এই পোস্টটি দেখিয়ে দিয়েছিলেন ভাগ্যিস।

অসাধারন- অপূর্ব।

খুব খুব ভাল লাগলো। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল যেন- কেউ কি ভেতর থেকে আমাকে দিয়েই কথা গুলো বলাচ্ছে কি না।

আসলে খুব বেশী ভাল - অনবদ্য সুন্দর কিছু দেখলে আজ হজম করা দুষ্কর হয়ে ঠেকে। তাই হয়তো মন্তব্যে কি লেখছি- ঠিক গোছাতে পারছি না।

পোস্টটিতে হলুদ তারকা খচিত করে নিয়ে যেতে বাধ্য হলাম।


সেই 'দলিল লেখক' - পক্ষান্তরে আপনাকে সাধুবাদ জানাই 'হিমু' অকাতরে।
:)
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: না না আমি দলিল লেখক না তো, ডায়েরীর মালিক দলিল লেখকের কাজ পেয়েছে।।।আমি তো এখনো ছাত্র, একটু আধটু লেখার কু-অভ্যাস আছে, এই যা।।।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ...হলুদ যে কোন কিছুকেই আমার ভয়....হলুদ সাংবাদিক,. হলুদ সিগনাল, (এমনকি গায়ে হলুদ)...........তাই ব্লগের এই হলুদেও ভয় আছে..আমি কি আসলেই এই হলুদ চিহ্নের যোগ্য??অবশ্যই না।।।

আশা করি, আপনি "টোয়েন্টি-টোয়েন্টি টেস্টটিউব সম্পর্ক" লেখাটা পড়বেন।।।

২৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১১
উত্তরাধিকার বলেছেন:
হিমু,

আমি জানি দলিল লেখক আপনি নন।
ঐ লেখক কে তো আর পাওয়া যাবে না !

তাই এই অসাধারণ রোজনামচাগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অগত্যা আপনাকেই ধন্যবাদ জানানোতে মনস্থির করেছিলাম।
:)

আপনার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া এবং পাঠ শেষে যুৎসই জীবিকার জন্য অনেক শুভ কামনা জানালাম।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, তবে আমি অনুবাদ কর্মের প্রতি খুবই আগ্রহী।।। আমনার জানাশোনা কোন অনুবাদ প্রকাশনা থাকলে জানাবেন দয়া করে।।। কারণ খুব শীঘ্রই প্রায় ১মাসের বন্ধ পাচ্ছি।।।।

২৮. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫১
উত্তরাধিকার বলেছেন:
হুম্‌ম, জানলাম।
তবে আমি এ ব্যাপারে হাত উপর অবস্থা। জবাব দেব বলেই কিছুক্ষণ ঘেটে এইটা পেলাম-
Click This Link

যার অর্থ হচ্ছে এই ব্লগ এ আওয়াজ দিলে সাড়া পাওয়া বিচিত্র নয়। অনেক সময় অনেকেই অনুবাদক খোঁজেন।

চোখ রাখুন।

শুভ কামনা রইলো।
:)
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: thank you so much. i must try here. for somewhat strange reason my bangla keyboard isn't functioning .......so english reply

২৯. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২
নুশেরা বলেছেন: "a=b, b=c সম্পর্ক থেকে a=c হওয়ার নিশ্চয়তা গণিত অহরহ দিলেও জীবনের অঙ্ক অহর্নিশি গণেশ উল্টে দেয়। "--

এই সারমর্মের অসাধারণ সম্প্রসারণ পড়লাম। মুগ্ধতার ব্যাখ্যায় যাবনা; একটা সূক্ষ্ম ধাক্কায় পড়ে সেই ব্যাখ্যায় যাওয়া সম্ভবও না। কারণটা একটু বলি, খানিকটা অফটপিক হলেও পুরোপুরি তা না। আমার সন্তানটি অটিস্টিক। এটা জেনে কোন এক বিচিত্র কারণে কেউ কেউ সান্ত্বনা দেয়ার পবিত্র দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। আইনস্টাইনেরও অটিজম ছিল, কাজেই চিন্তার কী! হায় অঙ্ক, হায় সমীকরণ...
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: আফটপিকের মত আস্তে আস্তে একটা ব্যাপার বলি, আমার পরিচিত মানুষজন বলে আমিও খানিকটা অটিস্টিক।।। কেন বলে তার কিছু ব্যাখ্যা তারা দেন, সেগুলো পরে কখনো লিখব।। এখানে সেই আলোচনা অবান্তর।।।।

সান্ত্বনা এবং পরামর্শ এই দুটি বিষয় এত সস্তা যে এদের ভোক্তার চেয়ে যোগানদাতার সংখ্যা কয়েকশো গুণ বেশি হবে।। সান্ত্বনার ব্যাপারে বলব কারো ভাঙ্গা কপাল দেখলে অনেকেই আ, উ করে নানা কথা বলতে পারে, কিন্তু যার কপাল সে-ই কেবল বুঝে তার কপালহীনতার দুঃখ্‌।।। ক্ষেত্রবিশেষে সান্ত্বনা মন আরও খারাপ করে দেয়।।। একটা বাস্তব উদাহরণ বলি_ আপনার পরিচিত কেউ মারা গেল, খুব কাঁদছেন...একসময় তা প্রশমিত হল।।। কিছুক্ষণ পর আপনার পরিচিত কেউ আসল এবং আমি নিশ্চিত তাকে দেখে আবার কাদতে শুরু করবেন।।। শোকের ব্যাপারটিই বোধহয় এমন সংক্রামক।।। আপনাকে কোন সান্ত্বনা দেবনা, শুধু বলব শিশুটি যেন কখনই বুঝতে না পারে সে কোনভাবে আপনার দুঃখের কারণ।।। বেশকিছু প্রতিবন্ধী-অসুস্থ ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মেশার সুযোগ আমার হয়েছে, সেই অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি এরা খুব হীনমন্যতায় ভুগে সবসময়।।। এই ব্যাপারটি লক্ষ্য রাখবেন।।। এবং আশা করি এই কথাগুলোকে সান্ত্বনার ক্যাটাগরিতে ফেলবেননা।।।। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।।

"টোয়েন্টি-টোয়েন্টি টেস্টটিউব সম্পর্ক" নামে আমার একটি লেখা আছে।।। আশা করি পড়বেন।।।

৩০. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬
উপমাআহমদ বলেছেন: মাশাআল্লাহ। দারুন। আমার আগের মন্তব্যের জন্য সরি। +++
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: it's ok, i think you readonly the poems of the previous post, not the introducing and finishing lines.
besides, my comments on your posts irritated you strongly, for what you had an offensive attitude to me, and you just utilized it as soon as you read those childish rhymes.
anyway, i am a straightforward guy, who never indulge any flattery in his mind. that's why i always expose the real feeling felt after reading any post of any blogger. but, if this trend is prevalent among most of the bloggers i just feel doubt.
anyway, for somewhat strange reason i can't comment in bangla here. so i am compelled to write whole things in english, no other reason. and finally thanks.

১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: it's your pleasure........

৩২. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮
মূর্তালা রামাত বলেছেন: পড়লাম।পড়ার পর মাথা ঘুরতেছে। আপনিতো দেখছি ভালো প্রবন্ধ লিখতে পারবেন। লেখায় অনেক উইট আছে। আর রয়েছে এক ধরণের ঘোর। তবে আরেকটু সহজ ভাষায় লিখলে আমার মতো আমজনতার জন্য খানিকটা ভালো হতো।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: এটাকে আপনার গল্পের বদলে প্রবন্ধ মনে হওয়ার কারণ জানতে চাইছি, মানে নিছক কৌতূহল আর কি! আর আপনি আমজনতা হলে দেশে আমের দুর্ভিক্ষ হয়ে যাবে।।। জনতাকে দয়া করে আম খাওয়া থেকে বঞ্চিত করবেননা।।।

৩৩. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫
মেঘাচ্ছন্ন বলেছেন: আপনার লিখার মধ্যে এটাই আমি সর্বপ্রথম পড়েছিলাম, ( যদিও তখন কমেন্ট করিনি ) আজকে আবারও পড়লাম...অনেএএক ভালো লেগেছে...অসাধরণ.....।

দেরীতে হলেও, হাফ সেঞ্চুরীর অভিনন্দন.....!!
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।।।

"প্রাদি সমাস অথবা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি ব্যবচ্ছেদ" পড়ার অনুরোধ রইল।।।

৩৪. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৮
অক্ষর বলেছেন: পর্লাম, এগো অবদান অস্বীকার করি কেমনে?
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: এই তো মিয়াভাই বুঝছেন, যাই হোক আপনে পড়াতে আনন্দ পাইলাম।।।

আপনের একটা কমেন্ট পড়ছিলাম আকাশনীল ভাইয়ের একটা পোস্টে_ "হাসতে হাসতে চেয়ার থেকে পইড়া ব্যথা পাইছি।".................এই মন্তব্যটার কথা আমি অনেক মানুষরে কইছি, খোচা কত রসাত্মকভাবে দেয়া যায় এই মন্তব্য থেকেই বোঝা যায়।।। ঐ মন্তব্যটা ভুলুম না মিয়াভাই।।।

৩৬. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৩
আমি ও আমরা বলেছেন: prio te niye rakhlam ekhon office a rate porbo
৩৭. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভাল হয়ছে ...।ব্লগে লিখার জন্য .... আইডিয়াটা ভাল ... লেখাটাও চমৎকার ..... কিন্তু আরেকটু ঘষামাজা করলে দারুন হবে ;
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: ghosha-majar baaparta clear koren, ei baaparta valo bujhte parsina....mane kothay kothay ospostota seta jante chaisi...amar kaj korte subidha hobe tahole...

৩৮. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫
লীনা দিলরূবা বলেছেন: ডায়েরীর কবিতা পছন্দ হয়েছে (একবার যখন বলেছি-মাধবকুন্ড ঝরনায় তোমার...লাইনটি, বিশেষ করে)

এই কথা বলে লেখার পাঠঅন্তের প্রতিক্রিয়া দিতে বসলাম।

সাহিত্য আড্ডার কাহিনী বর্ণনের ছলে উঠতি কবির পতনের কাহিনী সুচতুর ভাবে তুলে আনা হয়েছে। মাঝে মাঝে অবশ্য মনে হয়েছে, লেখক আত্মকথন তুলে দিচ্ছে নাতো?

প্রতিভাবানদের অপ্রকৃতিস্থ না জানা অনেক কথাই জানা হল। এটার জন্য পূণরায় ধন্যবাদ।

০২ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: আপু, এই লেখাটা ঐতিহাসিক আপনাকে আগেই বলেছি। এটা লিখেছিলাম ২০০৭ এ। আমার এক বন্ধুর এটা পড়ে এত ভাল লাগে যে সে এটা প্রিন্ট করে নিজের কাছে রেখে দেয়, তখন ফার্স্ট ইয়ারে পড়তাম। যাইহোক, এর কিছুদিন পরে আমাদের পরীক্ষা শেষ হয়, আর প্রায় একমাসের মত বন্ধ পাই। সেই বন্ধু ঐ লেখাটি সঙ্গে করে ওর বাসা সিলেটে নিয়ে যায়। ওর বড়বোন ডেন্টিস্ট, ইন্টার ২০০০ সালের ব্যাচ। উনি কিভাবে যেন লেখাটা পড়েন। উনি কিছুতেই বিশ্বাস করবেননা যে এই লেখাটা অনার্স ফার্স্ট ইয়ারের কোন ছেলের। আমার বন্ধুটি বহুকষ্টে তাকে বুঝাতে সমর্থ হয়। উনি লেখাটি নিজের কাছে রেখে দেন, আর বন্ধু দিবসে সেটি উনার পরিচিত সকল বন্ধু বান্ধবকে এক কপি করে পাঠান। আমি কিভাবে জানলাম?
এর কিছুদিন পর আমার ছোট ভাইয়ের শাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে সিলেটে যাই, আর অবধারিতভাবে ওদের বাসাতেই উঠি। তো, আপুর আমার সঙ্গে প্রথম কথাটিই ছিল এমন_"তোমার নাম হিমালয়! আমি তোমার ফ্যান!".......ওদের বাসায় ৩দিন ছিলাম, এর মধ্যে বন্ধুটির চেয়ে সেই আপুর সঙ্গেই বেশি কথা হয়েছে। আমি এর আগে লেখার ব্যাপারে এখনকার চেয়েও কম সিরিয়াস ছিলাম। এমনকি, "সংখ্যা, চা, বিদেশী ভাষা" এর পরে "লেখালিখির " অবস্থান ছিল। কিন্তু উনার অনিঃশেষ উৎসাহে লেখাটা একসময় ২নম্বরে উঠে আসে। উনিই কথা প্রসঙ্গে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির কথা বলছিলেন, বলেন এটা নিয়ে কোন গল্প লিখতে। উনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই "তেপান্তরে নিরন্তর, ভাগ্যান্তরী মন্বন্তর" গল্পটা লেখা হয়। উনার সঙ্গে একটা কমন রসিকতা ছিল : উনি চা-নুডলস কিছু একটা রান্না করেই জিজ্ঞাসা করতেন কেমন হয়েছে। আমি বলতাম "সবই ৫ বছরের আফসোস!!"(যেহেতু উনি ৫ বছরের বড় বয়সে) আমি সাইকোলজি নিয়ে বেশ ভাবি। উনি সেটা জানতে পরে বললেন "উনার সম্পর্কে আমার অবজারভেশন কী।" আমি তখন কিছু বলিনি, কারণ আমি সামনাসামনি কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করি। তাই ফিরে এসেই উনাকে ভেবে ভেবে একটা গল্প লিখে ফেলি। জানেন কোন্ সে গল্প ?"...র্দাপ" ...যেটা আমার একমাত্র পছন্দের লেখা।।।।সেই আপু সম্প্রতি প্রবাসী হয়েছেন।।।

যাইহোক, এই লেখা মোটেই আত্মকথন নয়।। আর, এটার কিছু ব্যাপর আছে।। এই ডায়েরীর প্রতিটি তারিখ আমার পরিচিত মানুষদের জন্মদিন।।

গতকাল "পাঠক সমীপেষু" নামে যে গল্পটা লিখেছি ওটা "আমার ব্লগ' 'প্রথম আলোব্লগেও" পোস্ট করেছি। সবাই দেখলাম ভূয়সী প্রশংসা করছে। তাহলে, এটা বোধহয় আপনাকে পড়ার জন্য রেফার করা যায়।।।

৩৯. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪
মুক্ত বয়ান বলেছেন: তোমার লাইব্রেরি আসলেই ফলদায়ক। অনেক কথা লিখতে পারছ। আর, ঝোলাওয়ালারা যদি চারুকলার ছাত্রদের মত লম্বা চুল আর হাতে বেল্ট লাগাইয়া ঘুরলে কোন গতি নাই। চারুকলার ছেলেরা আর্টিস্ট হবে। আর এরা হবে কেরানী!!
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: তোমারে যে মন্তব্যটা দেখতে বলছিলাম দেখছো তো?????//কেরানী হইতে চাইনা!!!

৪০. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
মুক্ত বয়ান বলেছেন: হমম.. দেখলাম। তাইতো ঐটা নিয়ে আর কিছু বললাম না। :)
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: হুমমমমম

৪১. ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:০৫
জুল ভার্ন বলেছেন: চমতকার! চমতকার!! চমতকার!!!

ব্যখ্যাতীত সুন্দর। প্রতিটা ডায়ালগ নতুনত্বে ভরা। লেখায় অনেক উইট আছে। আর রয়েছে এক ধরণের ঘোর।লেখাটার মধ্যে দার্শনিকতার স্পর্শ আছে, অনেক গুলি বিচ্ছিন্ন চিন্তাকে, চেতনাকে , বিশ্বাসকে একভাবনায় এক লেখায় গাঁথার প্রচেষ্টা স্বার্থক হয়েছে। সাহিত্যের আনুসংগীক কিছু দিক সুন্দরতম ভাবে মুর্ত হয়েছে লেখায়.......

কিছু কিছু ভালোলাগা আছে, কিছু কিছু সুন্দর আছে-যা অন্তর দিয়ে শুধু উপলব্ধি করা যায়-কিন্তু সেই ভালোলাগার বাহ্যিক প্রকাশ করা খুব কঠিন। তোমার লেখাটাও ঠিক তেমন-যা শুধু উপলব্ধি করা যায়! খুব খুব ভাল লাগলো। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল যেন- কেউ কি ভেতর থেকে আমাকে দিয়েই কথা গুলো বলাচ্ছে কি না। পড়ে কখনো কখনো মনে হয়েছে-এ লেখা তোমার নয়-এলেখা সার্ব্জনীন।

প্রিয়তে রেখেদিলাম-বারবার পড়ার জন্য।
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: অনেক আগের লেথাটা পড়েছেন বলে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।। এই গল্পটাকেই নাটকে রূপ দিয়েছি, আমরাই অভিনেতা-অভিনেত্রী।।। কাজটা যেটা ভাল হয় দোয়া করবেন।।।

৪২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: শুরু থেকে খুব ভালো লেগেছে। কবিতাগুলোতে বেশ কিছু দুর্দান্ত ঝলক চমকে দিয়েছে। আপনি কবিতা লিখলে গল্পের চেয়েও ভালো লিখতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে।
অট: নেট সমস্যার জন্য ভেঙ্গে ভেঙ্গে মন্তব্য করলাম।
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: নাহ, কবিতা লেখার কোন ইচ্ছাই নেই...গল্প লিখতেই অনেক বেশি ভাল লাগে...

৪৩. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: লেখাটা পড়তে গেলে বোঝা যাবে লেখকের সাহিত্য কেবল পড়াশোনা নয়, অনেকটা গবেষণা পর্যায়ে পড়ে।

এটার নাট্যরূপ এবং চিত্রায়ন সম্পন্ন হলে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানা এবং দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের প্রথম অংশ প্রসঙ্গে- গবেষণা বোধহয় ভাল জিনিস।।।

২য় অঙৎংশ প্রসঙ্গে- চিত্রায়ণ সম্পণ্ন হয়েছে, এডিটিংটা ঈদের পরে হবে (বাজেট ঘাটতি হেতু).........আর দেখার ব্যাপারটা এখনো বুঝতে পারছিনা. আশা করছি দেখতে পারবেন।।।

৪৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১০
মুহম্মদ ওয়াসিম বলেছেন: ''ব্যক্তিগত ডায়েরী স্ত্রী’র মত একান্ত আপন (copyright সংরক্ষিত!)হলেও আমাদের মত শৌখিন লেখকদের অভিধান থেকে সৌজন্যবোধ জন্মের সময়ই নাড়ীরূপে ছেটে ফেলা হয়েছ।''
'জটিল উক্তি!!!!!!!!!'

''বিশেষত নারীবাদী বইগুলোতে নিহিত আছে সকল চিন্তা,দর্শন, শিল্পকলার মুক্তি''
কথা সত্যি
ভাইয়া লেখাটা সাতবার পড়লাম। তাও আবার পড়তে ইচ্ছে করছে।
আবার শুরু করলাম...........................।।
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন: jene valo laglo.....

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৮৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা কোন ঘটনার উদ্দেশ্য হয়না,বিধেয় হয়না; সকলের অগোচরে মেঠো ইদুরের মত নিজেকে লুকিয়ে বেচে থাকে; এরা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ