somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মন্তব্য, ধর্তব্য??(একটি অপ্রয়োজনীয় পোস্ট)

১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই পোস্টটি উৎসর্গ করছি আমার খুব প্রিয় দুজন ব্লগার নাজনীন আন্টি এবং কালপুরুষ দা' কে। আর বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ব্লগার লংকার রাজার প্রতি

প্রশংসা একধরনের পিচ্ছিল তৈলাক্ত পদার্থ_একবার মনের মনে লাগলে সহজে ঘষে উঠানো যায়না। একইসঙ্গে প্রশংসা একটি নিয়ন্ত্রণচ্যুত গাড়িও বলা যেতে পারে_এর শেষ পরিণতি অধিকাংশ সময়ই বিপদজনক কিছু একটা হয়। প্রশংসা, জিঘাংসা, মীমাংসার মত শব্দগুলো প্রায়োগিক ক্ষেত্রে অনেক দুরবর্তী হলেও ব্যবহারিক ক্ষেত্রে একই প্লাটফরমে অবস্থিত হয় কখনো কখনো। আর সে প্লাটফরমটিই হচ্ছে ব্লগ। ব্লগ আসার পর নিজেদের সৃজনশীলতা এবং মনোভাব প্রকাশের একটি উন্মুক্ত ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়ে গেছে, আর এই সুযোগেই এই তিনটি শব্দ এক বিন্দুতে চলে এসেছে।।

ব্লগের লেখা দেয়ার সঙ্গে একটি বাড়তি প্রাপ্তি হলো তাৎক্ষণিক মন্তব্য, যা একইসঙ্গে লেখককে অনুপ্রাণিত করে নতুন কিছু লিখতে।।কিন্তু সেই মন্তব্যগুলো কি নতুন কিছু হচ্ছে আদৌ??? প্রতিদিন যেন একইধরনের মন্তব্যগুলোরই চাষ হচ্ছে ব্লগে, যে কারণে লেখকের নিজেরই ধন্ধেয় পড়ে যাওয়ার কথা। আদৌ তার লেখা কি সঠিকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে?
তবে, আমি নিশ্চিত লেখক মন্তব্য দেখলেই বুঝতে পারেন কোনটি তোষামোদসূচক, আর কোনটি প্রকৃত মন্তব্য। যদিও লেখক মন্তব্যের জবাবে সেই মনোভাবটি প্রকাশ করেনা।
সম্প্রতি একটি প্রত্নতত্ত্বের মত পোস্ট পেলাম আমার পরিচিত এক জনপ্রিয় ব্লগারের কাছ থেকে। পুরো পোস্টটিই এখানে তুলে দিচ্ছি, সেইসাথে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য মন্তব্যও দিলাম। তবে সবচেয়ে আনন্দের কথা হচ্ছে প্রতিটি মন্তব্যের ব্যাপারে আমার বন্ধু ব্লগার তার প্রকৃত মনোভাব লিখে দিয়েছেন ফার্স্ট ব্র্যাকেটের ভেতরে। তাই মন্তব্য পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্র্যাকেটের ভেতরের মনোভাবটিও পড়তে অনুরোধ করছি সবাইকে।
সেই পোস্টটি:
খামোশ বলছি হতচ্ছাড়া চাদ তোকে

গোল গোল লাল পিপড়ের অনুভুতি নিয়ে একদিন ছুয়েছিলাম
আকাশের ঐ পেন্সিল স্কেচ করা প্রতিকৃতি
হয়ত বৈমাত্রেয় অনুভুতি হয়ে আকাশের মাঝেও
দলবেধে ছুটেচলে শিংমাছের অবৈধ পোনাগুলো
তবুও পারিনা আমি শিংমাছ হতে, যেমন পারিনা
মধুসূদনের সনেটকে মেলাতে কাব্যের সাথে
এক্ইসঙ্গে ভুলে যাই চাঁদের জ্যামিতি অথবা সকালে উনুনে ক্ইমাছ
ভাজার নিদারুণ একপেশে সরল সুদকষার ভুলভালে ভরা ঐকিক নিয়ম।

ডুবে যাওয়া পুরনো বিকেলেরা আমাকে দাড় করায়
অস্তিত্তের মৃত হয়ে যাওয়া যত কাকের প্রেতাত্মার মুখোমুখি
সারবেধে কাকগুনে বিধ্বস্ত আমার আর্বাচীন আঙ্গুলগুলো
হাউমাউ করে কাদতে কাদতে ঘুমিয়ে যায় মহাকালের সফেদ বিছানায়
সে সময় মোবাইলের অচল-অলস বাটনগুলো খুজেনা কোন
সুকন্ঠী অথবা ন্যাকামিতে নিপুণ ললনার কাঙ্ক্ষিত নম্বর
অথচ কী ভীষণ নির্লিপ্ততায় হতচ্ছাড়া চাদটা তখন খুজে চলে নীলিমা মিত্রের ছায়া

এই চাদ চুপ কর্ বলছি, আবারও কথা বলে!খামোশ নালায়েক!
আর একদিন নীলিমা মিত্রকে দেখেছিস তো..
তোকে কেটে ২ফালি করে একফালি আমি রেখে বাকিটুকু
দিয়ে দেব কোন এতিমখানায়, তবু তোকে কিছুতেই দেবনা
নীলিমা মিত্রের ছায়া মাড়াতে
হতচ্ছাড়া চাদ, ভাল চাস তো চুপ থাক; কি ব্যাপার, কথা কানে যায়না?
আমি যতটা ভালো, খারাপ হতে পারি কিন্তু তারও exponential আকারে
আমাকে রাগাসনে, চুপ থাক।
আবার কথা বলে!চুপ থাক, একদম চুপ, একেবারে নীলিমা মিত্রের প্রেমের মত
নির্বাক হয়ে। থাকবি তো?
(পোস্টটি ৪১জনের ভাল লেগেছে, ১১জনের ভাল লাগেনি, ১৮১টি মন্তব্য)

হাতির শুড় বলেছেন:
সারবেধে কাকগুনে বিধ্বস্ত আমার আর্বাচীন আঙ্গুলগুলো /হাউমাউ করে কাদতে কাদতে ঘুমিয়ে যায় মহাকালের সফেদ বিছানায়/সে সময় মোবাইলের অচল-অলস বাটনগুলো খুজেনা কোন/ সুকন্ঠী অথবা ন্যাকামিতে নিপুণ ললনার কাঙ্ক্ষিত নম্বর.......অসাধারণ; মনে হল যেন মহাকালের ঘুর্নিপাকে পড়ে গেলাম।++++++
লেখক: ধন্যবাদ হাতির শুড়...(বেকুবে কয় কি?মহাকালের ঘুর্নিপাক.....সেইটা আবার কি???)

সর্দিগমি বলেছেন: সারা কবিতায় চাদকে বশ মানাবার একটি প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা দেখলাম, সে প্রচেষ্টায় সঙ্গী হিসেবে কাউকে না পেলে আমাকে ডাকতে ভুলবেননা যেন।++++
লেখক:অবশ্যই, অবশ্যই। আপনাদের জন্যই তো চাদকে যখন-তখন মাছ কিনতে বাজারে পাঠাই........(এ কী মসিবতে পড়লাম, চাঁদরে বশ মানামু???ইয়া খোদা, আমারে বাচাও)

কসাই বস বলেছেন: কোবতে বুঝিনা।
লেখক বলেছেন: আমিও না............(দিনের একমাত্র সত্য কথাটা
বললাম, কয় নেকী হইল গুণতে হইব)


আজাইরা পোলা বলেছেন: এক্ইসঙ্গে ভুলে যাই চাঁদের জ্যামিতি অথবা সকালে উনুনে ক্ইমাছ/ভাজার নিদারুণ একপেশে সরল সুদকষার ভুলভালে ভরা ঐকিক নিয়ম.........এইডা কেমন কথা হইল??চান্দের দ্যাশেও জামিতি চইলা গেছে???আমি নাইরে,মা তুমি কনে, হরলিকস খামু কইমাছ দিয়া!!!
লেখক: আপনার নিক দেখেই আপনার মানসিকতা বুঝেছি!!(তয় আইডিয়াটা ভাল দিছে, হরলিক্স আর কইমাছ একলগে খাইতে ভালোই হইব মনে হয়)

সুর্যাস্তের মেঘ বলেছেন:++
+++++++++
+++++++++++
ভাবনার অসাধারণ বহিপ্রকাশ, বিশেষত আকাশের মাঝে শিং মাছ দেথতে পাওয়ার দৃষ্টিভঙ্গির এই স্বচ্ছতার ব্যাপারটি খুবই চমকপ্রদ। প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক: আমার কবিতা লেখা ধন্য (এই খাটাশটা মনে হয় কবিতাটা পড়ে নাই। না পইড়াই আন্দাজে বকবক করতাছে)

ভোম্বল বলেছেন: বুকাচুদা।
লেখক: শুকরিয়া, দোয়া করবেন যেন আপনার মত হ্তে পারি। (শালা তোরে চিপায় পাই একবার, দেইখআ নিমুনে)

নীলাম্বরী বলেছেন:
আবার কথা বলে!চুপ থাক, একদম চুপ, একেবারে নীলিমা মিত্রের প্রেমের মত নির্বাক হয়ে। থাকবি তো?........এমন করে লিখেন কিভাবে বলবেন???একেবারে হৃদয়ে গিয়ে আঘাত করে। শুভেচ্ছা রেখে গেলাম।
লেখক: আপনাকেও শুভেচ্ছা নীলাম্বরী। (এই বেটিও পড়ে নাই। পাবলিক দেখি সব আমার মত না পইড়াই কমেণ্টাইতেছে)

আদা চা বলেছেন: ভাই নীলিমা মিত্রটা কে?আপনার সাথে তার কী সম্পর্ক??
লেখক: নীলিমা মিত্র সম্পুর্ণই কবির কল্পনাজগতের অধিবাসী, মন আর মননের মাঝখানে যদি কোন অবস্থান থেকে সেখানেই নীলিমা মিত্রের সঙ্গে আমার দেখা হয় হররোজ (কল্পনা না ছাই! আমাগো বাড়ির ১৬বছরের কাজের ছেমরি নীলুফাররে শখ কইরা একটা স্নো কিনা দিছিলাম, শালার বউ তারে বাড়ি থেকেই তাড়ায়ে দিল। হায়রে নীলুফর, তুই কি সেই স্নোটা এখনো মাখিস???)

চানাচুর ভাজা বলেছেন: ভাই, এইটা কী লিখছেন??লজ্জা করেনা এইসব লিখতে?যা মনে আসছে সমানে লিখেই গেছেন....থু..
লেখক: চানাচুর ভাজা, কবিতা অনেক উচ্চমার্গীয় শিল্প, এটা সবার জন্য নয়।অহেতুক সময় অপচয় না করে চানাচুর বেচেন, টাকা পাবেন। (খাইছে, এতক্ষণে সত্যিই একজন এইটা পইড়া ফালাইছে!!!আমি তো মনে হয় সিস্টেমে পইড়া যাইতেছি)

আমিই সেই মীরজাফর বলেছেন:
মাইনাচ....
লেখক: প্লাস( এইগুলারে দেখলেই রাগ ধরে, কোবতে দেখলেই মাইনাস দিতে লাইগা পড়ে)

কমরেড গুইসাপ বলেছেন: আর একদিন নীলিমা মিত্রকে দেখেছিস তো........তোকে কেটে ২ফালি করে একফালি আমি রেখে......... বাকিটুকু দিয়ে দেব কোন এতিমখানায়........অপুর্ব। এতিমখানায় দিতে চাওয়ার মধ্য দিয়ে ভালোবাসার সঙ্গে সঙ্গে মানবতার জয়গান গেয়ে গেলেন।। হ্যাটস অফ টু ইউ।।।
লেখক: টুপিটা আপনিই রাখেন; সময় সুযোগ মত আমিই চেয়ে নেব।।।( কমিউনিজম কইরা মামার স্ক্রু দেখি সব খুইলা পড়তেছে। ধোলাইখালে নিয়া মেরামত করা লাগব)

ব্যভিচার বলেছেন: এইদিকে দেখি, তৈলমর্দনের মহড়া চলিতেছে, এখন একখানি পিচ্ছিল বাশ আনিলেই হয়....অতপর বাশ বাহিয়া এই কবিবর উঠুক, আর নামুক,উঠুক, আর নামুক.....ধিক্কারসহ মাইনাস।।
লেখক: তোমার ব্লগে তো আমি যাইনা, আমার ব্লগে আসতে লজ্জা হয়না?হ বাশ আনো, তোমারেই দেখি বাশের মাথায় চড়ায়ে দেই(তর সাথে শত্রুতা আছে বইলা লেখা না পইড়াই কথা কস, এইটা কেমন কথা)...

বাঘডাসা বলেছেন:হুম, বেশ ভাল লাগল।।।
লেখক: অনেক শুভেচ্ছা বাঘডাসা( তুই জনপ্রিয় ব্লগার হইলি কেমনি?খালি পোস্টাইতে থাকস দিনভর, আর কারো ব্লগে যায়া হাম্বা হাম্বা ডাকলেই ধইন্যাপাতার উৎসব লাগে)

ট্রাপিজিয়াম বলেছেন: গোল গোল লাল পিপড়ের অনুভুতি নিয়ে একদিন ছুয়েছিলাম/ আকাশের ঐ পেন্সিল স্কেচ করা প্রতিকৃতি..........অদ্ভুত রচনা, সুরিয়ালিস্টিক ধরনের মত লাগল, এক নিশ্বাসে পড়লাম।।।
লেখক: ধন্যবাদ ট্রাপিজিয়াম.....(আমারে বেকুব পাইছো?এতবড় কোবতে এক নিশ্বাসে পড়লে তো গিনিজ বইয়ে নাম উইঠা যাইব।।মাগার, সুরিয়ালিস্টিক মানে কী?)

রোজগেরে কেরানি: স্যার, আপনি এখনো ব্লগে আছেন?৭টা বেজে গেছে, আমি বাসায় যাই?আমি রহমান সাহেব।
লেখক: আরে আপনারো ব্লগে একাউন্ট আছে নাকি?হ্যা হ্যা যান যান, দেখি আমি্ও যাবো( কাজ-কাম ফালায়ে এই ব্লগে একাউন্ট খুলছো?তোমার ব্যস্থা নিতেছি খাড়াও)

দুখী চাকুরিজীবী: স্যার, আমিও যাই??আমি শফিকুল ইসলাম।।।
লেখক: আপনারও আছে????(অফিসের লাল-নীল-সবুজ সব বাত্তিই এইবার জ্বলবোরে। কাম-কাজ ফালায়ে সব আমার মত ব্লগে বইসা ঝিমাইতেছে।। এমডি স্যাররে কী জবাব দিমু).................

কিছুদিন আগে সেই বন্ধুটির একটি পোস্ট দেখতে পেলাম ব্লগে এরকম:
.................বিদায় ব্লগ.........
হে ব্লগবাসী, সুখে-দুখে বহুদিন আপনাদের সঙ্গে ছিলাম। কিন্তু ব্লগের কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনা এবং ব্লগে যথেষ্ট মানসম্পণ্ন লেখা না আসায় এই ব্লগে থাকাটাকে আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হচ্ছে। তাই ব্লগ ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার সুদীর্ঘ ব্লগিং জীবনে নানাসময়ে মাইনাস দিয়ে এবং গালাগালিসহ বিভিন্ন নেতিবাচক মন্তব্য করে অনেকের মনে দুখ দিয়েছি। বিদায়বেলায় সকলের কাছে করজোরে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনারা ভাল থাকুন....

এই পোস্টটির পরিসংখ্যান এরকম (পোস্টটি ৬জনের ভাল লেগেছে, ৩৭জনের ভাল লাগেনি, লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেননা!!!!)

কিছু বুঝলেন কি???
















৩৫টি মন্তব্য ৩৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×