আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজেকে একজন পেশাদার বিনোদনকারীর চেয়ে ভৃত্য মনে করি: কার্লোস রেগাদাস (৭ম ও শেষ কিস্তি) - কাঊসার রুশো
- স্ক্রীপ্ট রাইটিং পর্ব-দুই : ফরম্যাট, হেডিং, ডিরেকশন, ক্যামেরা শট - রন্টি চৌধুরী
- যেকোন মুভির জন্য 字幕 --> Subtitle কিভাবে ব্যবহার করবেন? - বিডি আইডল
- টাকা লাগবে টাকা?? টাকা শুধু টাকা নয় শিল্পও বটে। - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- ফ্রি ল্যান্সিং সম্পর্কিত কতগুলো গুরুত্বপূর্ন বিষয় । - রাফিম্যান
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- ১০০০০০ ই-বইয়ের ভুবনে স্বাগতম
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- এ কোন কবিতা নয়, এ এক মেয়ের জীবন.......... - সুলতানা শিরীন সাজি
- বিভ্রম - দ্রোহি
- অপ্রকাশিত চিঠি(শেষ)...... - সুলতানা শিরীন সাজি
- গল্প: জ্যামিতি বই - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- জুলাইয়ের তেইশঃ আরেকটিবার আয়রে সখা! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- আমার পড়া একুশটি ভালো বাঙলা-উপন্যাসের তালিকা-১ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ডাউনলোড করুন ইচ্ছেমত...Rapidshare.com, MegaUpload.com সহ প্রায় সব সাইট থেকে - বাবর মোহাম্মদ
- ক্লাসিক : সামার ওয়াইন (খুব প্রিয় কাউকে) - অমি রহমান পিয়াল
- গণিতের সপ্ত কৌতুক (২) - ম্যাভেরিক
- আসুন সুর মেরে দেওয়া বাংলা গানের সন্ধান করি ৩ - বাষ্প
- একটি উঠোন একটি বাগান আর একজন ক্ষুদ্র মানবের শৈশব - সীমান্ত আহমেদ
- দুরের পাখি (গল্প) - দুরের পাখি
- আসুনতো বাংলায় প্যালিনড্রোম বানাই! - মনজু মজুমদার
- ( কল্পগল্প )--- ফিউশন ট্রেকিং - শান্তির দেবদূত
- প্রেজেন্টেশন (২) - শাহরিয়ার নির্জন
- জুটি- গল্প (সম্পূর্ণ) - পারভেজ
- নজরুল সঙ্গীতের কিছু ভালোলাগার কলি ও জীবনের কিছু চাওয়া পাওয়া - অপ্সরা
- নোয়াখাইল্যা (ফেনী-চৌদ্দগ্রাম) ভাষার ব্যাকরণ -১ - দুরের পাখি
- ভয় -ছোট গল্প - পারভেজ
- পাখিদের উড্ডয়ন: রহস্য ও প্রজ্ঞার V - ম্যাভেরিক
- অদ্ভুতুড়ে: ব্ল্যাক ম্যাজিক - সব্যসাচী প্রসূন
- হিমুর জন্য গ্লাসভর্ত্তি হিমহিম ঠান্ডা হিমেল চা - অপ্সরা
- বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম সম্পূর্ণ (রিপোস্ট) - খলিল মাহমুদ
- ছোট গল্পঃ মৃত্যু ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুনাই - আমি ও আমরা
- 0: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (১) - ম্যাভেরিক
- ঈশ্বরের ক্যানভাস - পারভেজ
- জাম্বো সাইজ ব্লগঃ বঙ্গের গল্প - সৌম্য
- গল্প: না বলা কথা - অমিত আহমেদ
- আমার হাড় কালা করলাম রে ....ওরে আমার দেহ কালার লাইগা রে - শূন্য আরণ্যক
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- মিনিপ্যাক গল্প - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- দিগন্তে কার কালো আঁখি, আঁখিজলে যায় ভাসি। - অপ্সরা
- জীবন একটা গম্ভীর বিদ্রুপ! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ৭১' পতনের কাল - নাজনীন খলিল
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (৩): অনুস্বার (ং) এবং উঁয়ো (ঙ)! - ম্যাভেরিক
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (১): ণত্ব বিধান! - ম্যাভেরিক
- ক্যামেলিয়া সাইনেসিস। - ইমন জুবায়ের
- ৭১' ছেলে বাড়ী ফেরেনি - নাজনীন খলিল
- ৭১'আমার এলাকার প্রথম শহীদ - নাজনীন খলিল
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- ৭১"শহীদ নিতাই ভট্টাচার্য - নাজনীন খলিল
- ৭১' হাজার গোলাপ-প্রত্যাশায় - নাজনীন খলিল
- বকশীস - শেরিফ আল সায়ার
- গণিত পাগলদের জন্য (২): Sacred Ratio এবং শর্বরী বাটের ইতিহাস! - ম্যাভেরিক
- জুয়াড়ী......................(ছোট গল্প) - পারভেজ
- দরজাটা বন্ধ করে দাও.................. - সুলতানা শিরীন সাজি
- দুই জীবনের মোহনায়............... - সুলতানা শিরীন সাজি
- কে ছিলেন চাণক্য? - ইমন জুবায়ের
- রোমান সভ্যতার গোড়ার কথা। - ইমন জুবায়ের
- দি স্ক্রিপ্ট রাইটার - এস. এম. মাসুদ রহমান
- ফটো ব্লগ-মহাকবি মাইকেল মধুসুদন এর বাড়িতে একদিন - মুনীর উদ্দীন শামীম
- আসুন শিখি ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ......... - নির্বাসন
- বেড়ানোর গল্প( কুইবেক এর ছোট্ট পাহাড়ী শহর মন্টত্রম্বল্য)এক - সুলতানা শিরীন সাজি
- ~~~~ @ ছবিব্লগ : সেন্টমার্টিনের পথে @ ~~~~ - আকাশনীল
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে একদিন (২) - অতল খাতের গহীন বিষ্ময় - রাগিব
- আশাবাদী শিরোনাম: একটি সন্ধ্যার আত্মপ্রকাশ!! - ক-খ-গ
- ফোবিয়া // ভীতি // আতঙ্ক সমূহ (সম্পূর্ণ) - মইন
- মারফিসূত্র বা Murfy's Laws - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- অন্য অলিম্পিক - নুশেরা
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- খসড়া খাতার হাইলাইট্স-৫ - উত্তরাধিকার
- উড়ে যায় পাখি,ফেলে যায় পালক তার, একটা সাদা এবং একটা কালো - সুলতানা শিরীন সাজি
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- খোলা চিঠি - অপ্সরা
- লালন প্রসঙ্গে ফরহাদ মজহার - ইমন জুবায়ের
- জেগে ওঠো মানিব্যাগ - মেহরাব শাহরিয়ার
- রূপকথাকেও ছাড়িয়ে......... - নাফিস ইফতেখার
- ভাটিতে পড়ে থাকে এক পা ওয়ালা বকের মত দুঃখগুলো - সুলতানা শিরীন সাজি
- মাছি (গল্প) - তানিম হুমায়ুন
- একটি ভালোবাসা কিম্বা ভালো না বাসার গল্প (২য় পর্ব) - পারভেজ
- ক্রমশ নির্মীয়মান দৃশ্য কিংবা চরিত্রের গল্প - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
আত্মবিশ্বাসহীনতায় প্রকট হচ্ছে আত্মার দেউলিয়াত্ব, তবুও বিশ্বাস আগের মতই নিশ্চল..

বইকেনা, বইমেলা, ক্ষুদ্রঋণ, অনুদান, এবং লাইব্রেরীসহ সেমি-অসংলগ্ন+সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩০
বইকেনার গল্প দিয়েই শুরু করি। বইকেনার বাতিক প্রথম শুরু হয়েছিল ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় থেকে। সেসময় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আমাদের স্কুল শাখার কর্মীর দায়িত্ব পেয়েছিলাম। মূলত বই কেনাটা তার কিছুদিন পর থেকেই নেশায় পরিণত হয়েছে।মনে আছে, শুধুমাত্র বইকেনার জন্যই মানিকগঞ্জ শহর থেকে আজিজ সুপার মার্কেটে চলে এসেছিলাম। তখন থেকেই বই সংগ্রহ চলছে; স্বপ্ন একটি নিজস্ব লাইব্রেরী গড়ে তোলা। এই বই সংগ্রহ সবসময় যে সৎভাবে হয়েছে তা অবশ্য নয়।সেরকম কয়েকটি ঘটনা বলি।
স্কুলে আমার এক বন্ধু ছিল -জনি। তবে তার বিশেষ কর্মে বিশেষ পারদর্শীতার জন্য আমি বলতাম "চোর জনি।" আমার বই সংগ্রহের শুরুর দিনগুলোতে এই"চোর জনি"র ভূমিকা অনস্বীকার্য। ওর দায়িত্ব ছিল শহরের গণপাঠাগার থেকে আমার পছন্দের বই চুরি করে দেয়া। বিনিময়ে ওকে হুমায়ুন আহমেদের বই দিতে হবে; সেই বয়স থেকেই সে নিজেকে হিমু ঘোষণা দিয়েছিল। আমার ছোটবোনও ছিল হুমায়ুন আহমেদের একনিষ্ঠ পাঠিকা। ওর বইগুলো লুকিয়ে চোরজনিকে দিয়ে ওর কাছ থেকে আমার পছন্দের বইটি নিতাম। এভাবে ক্লাস নাইন-টেন ২ বছরে চোরজনি আমাকে অসংখ্য বই জোগাড় করে দিয়েছে গণপাঠাগার থেকে।এখন বুঝতে পারি, কাজটা ভুল ছিল, কিন্তু সেজন্য অপরাধবোধের পরিবর্তে তৃপ্তি কাজ করে_ মার্কটোয়েনের মত মহান হতে না পারি, বই চুরিতে তাকে অনুসরণ তো করতে পেরেছি।
নটরডেম কলেজে পড়ার সময বই পড়া এবং বইকেনা দুটি অভ্যাসেই শৈথিল্য দেখা যায়; তখন দাবার নেশা চেপে বসেছিল ভয়াবহরকম।তবে সেকেণ্ড ইয়ারে উঠার পর পুরনো অভ্যাসের প্রত্যাবর্তন ঘটে। কলেজে অনীক নামে এক বন্ধু ছিল। সে আর একজন বইপাগল। তবে সে কেনার পরিবর্তে বিভিন্নজনের কাছ থেকে ধার নিত। ওর সূত্রেই প্রথম জানতে পেরছিলাম যে নীলক্ষেতে অল্প দামে ভালো বই পাওয়া যায়।আমি থাকতাম মুগদাপাড়া আর ওর বাসা বকশিবাজার। প্রতিমাস শেষে ওকে টাকা আর লেখকের তালিকা দিতাম, "ও" সেই অনুযায়ী আমাকে বই কিনে এনে দিত। অবশ্য ওকে বইপ্রতি একটা করে বেনসন সিগারেট সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হত।
বুয়েটে আসার পর বইকেনার ধরনে পরিবর্তন এসেছে। এখন বই কিনি টিউশনির বেতনের ভিত্তিতে। প্রতিমাসে বেতনের ২০% খরচ হবে বইকেনা তহবিলে, এই শর্তে ফার্স্ট ইয়ারে বইকেনা ভালোভাবেই চলছিল।কিন্তু এরপর আমার টিউশনি ক্যারিয়ারে ভয়াবহ ধস দেখা দেয়, যে কারণে বই কেনাটাও চালাতে হচ্ছে বিভিন্ন খাতে খরচের খাত কমিয়ে।তন্মধ্যে "Golden Age" বইটি কেনার ঘটনাটি ইতিহাস হয়ে থাকবে আমার লাইব্রেরীর ভুবনে। এই বইটি কেনার আগে হঠাৎ মনে হল , ভিন্নকিছু করলে কেমন হয়! সেই সূত্রেই "আমারে দেবনা ভুলিতে প্রোজেক্ট।" এই প্রোজেক্টের তাৎপর্য হচ্ছে আমার প্রত্যেক সহপাঠীর উপস্থিতির স্মারক হয়ে আছে এই বইটি। ওদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০টাকা করে নিয়েই এই বইটি কিনেছিলাম। আর বইয়ের ফাকা জায়গাগুলোতে ওদের মন্তব্য লেখা। কেউ আমাকে "লম্পট" লিখে গালিগালাজ করেছে, কেউ লিখেছে "পাগল".....মানে দুষ্টুমির যত ভাষা হয় আর কি! এই ব্ইয়ের তাৎপর্য এখন বুঝতে পারছিনা, কিন্তু আমি জানি বুয়েট পাশ করার পর এই বইটি খুললেই মন খারাপ হয়ে যাবে, কাছের মানুষগুলোকে মিস করব। সেজন্যই "আমারে দেবনা ভুলিতে প্রোজেক্ট।"
একুশে বইমেলায় প্রথম আসি ২০০৪ সালে। এরপর কোনবছরই মিস করিনি। প্রতিবছরই বইমেলা উপলক্ষে জানুয়ারী মাস থেকেই আমরা তহবিল সংগ্রহ শুরু হয়। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত খরচ কর্তন করে সঞ্চয় চলতে থাকে, আর আব্বু-আম্মু-বড় আপা-দুলাভাই প্রত্যেকের জন্য একটি আলাদা বাজেট তৈরি করে রাখি। আমি বরাবরই অন্তর্মুখী স্বভাবের হওয়ায় দুলাভাইয়ের কাছ থেকে বড় বাজেট সংগ্রহ করা সম্ভব হয়না।
গতবছর বইমেলা থেকে নতুন প্রোজেক্ট শুরু হয়েছে। এর নাম " 'ক্ষুদ্রঋণ' ও 'মুক্তহস্তে অনুদান' প্রোজেক্ট"।
ক্ষুদ্রঋণ সম্পর্কে বলি। সেই প্রাইমারী স্কুল থেকে বুয়েট অদ্যাবধি যত ঘনিষ্ঠ বন্ধু আছে সবার থেকে ১০০টাকা ঋণ নেই। ঋণের পরিমাণ নির্দিষ্ট ; কম-বেশি হওয়ার অবকাশ নেই। এক্ষেত্রে যে বিষয়টি কাজ করে সেটি এমন: একজনের কাছে৫০০০ টাকা ঋণ চাইলে সে হয়ত অপ্রস্ত্তত হবে, কিন্তু একজনের কাছে ১০০ করে মোট ৫০জনের কাছে ঋণ পেলেই তো৫০০০ হয়। ১০০টাকা ঋণ দেয়াটা বোধহয় ততটা সমস্যা নয়। তাছাড়া আমিতো ৫০এর অধিক মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ। এই একটি মাসে বইয়ের সূত্রে তাদের সাথে নাহয় আর একটু জানাশোনা হল! আমার লাইব্রেরীতে সবারই অবদান থাকুক। এরপর সারাবছর এই ক্ষুদ্রঋণ শোধ করে কেটে যায়।
মুক্তহস্তে অনুদানই মূলত আমার তহবিলের প্রাণ সঞ্চালক। সিনিয়রদের সাথে আমার বরাবরই সুসম্পর্ক থাকে। বুয়েটেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। এই অনুদানটাও আসে এই সিনিয়রদের থেকেই। হলের পুরনো রুমমেট, ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র, এলাকার কিছু সিনিয়রসহ অনুদানদাতার সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। এই অনুদানের কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই। এটা সিনিয়রদের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। সেটা ১০০ হতে পারে, ১০০০ ও হতে পারে। অনুদানের টাকা অফেরতযোগ্য বলেই এর নাম "মুক্ত হস্তে অনুদান।
মধ্য জানুয়ারী চলছে। তাই ক্ষুদ্রঋণও আসতে শুরু করেছে। সামনে সপ্তাহ থেকে স্কুলের বন্ধুদের থেকেও আসা শুরু হবে ঋণ। ওরা বিভিন্ন ভার্সিটি-মেডিকেলে পড়ে, তবুও ফেব্রুয়ারী মাস আসলে মানি অর্ডার করতে ভুল হয়না ওদের একটুও। একটা সময় ভাবতাম আমি একজন নির্বান্ধব-নৈরাশ্যবাদী মানুষ। কিন্তু প্রতিবছর জানুয়ারীর ১৫ তারিখের পর থেকেই আমার ভাবনা পরিবর্তিত হতে থাকে; বন্ধুদের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হই_ আমার লাইব্রেরী গড়ে তুলতে কী অকৃত্রিমভাবে ওরা সাহায্য করে যাচ্ছে।
আমি প্রতিটি বইয়ের মুখবন্ধে নিজজস্ব কিছু কোড আর বাক্যবিন্যাস লিখে তারিখ, স্থান লিখে রাখি। আর সেইসাথে আলাদা একটি ডায়েরীতে লেখা থাকে বইয়ের তহবিলের যোগানদান কারী বন্ধুদের নাম। হয়ত আজ থেকে ২০-৩০ বছর পরে আমার লাইব্রেরীটা দাঁড়িয়ে যাবে কয়েক হাজার বই নিয়ে, সেদিন এই বন্ধুরা যে যেখানেই থাকুক, বইয়ের মাঝে ঠিকই বেঁচে থাকবে। বই আর বন্ধুত্ব ভিন্ন অবয়বে অভিন্ন বিম্ব হয়ে থাকুক আমার মননে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হানিফ সংকেতের ব্যাপারে আমারও অভিযোগের অন্ত নাই। ওইটা নিয়া আরেক পোস্টে কথা হবে।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আমি দেশ ছাড়ি কলেজে পড়ার সময়। প্রায় হাজার তিনেকের মতো বই ছিল। জানি না সেগুলোর কি অবস্থা! নিজে-ও অনেক বই চুরি করেছি, বলতে দ্বিধা নেই। অনেকের কাছ থেকে বই ধার করে এনে আর দিইনি, এমন-ও হয়েছিল। আমাদের একটা বন্ধু-চক্র ছিল একজন একেকটা করে বই কিনত, অন্যরা পড়ত। প্রায় শেষে পড়তাম আমি, এবং হস্তগত করা সমস্যা ছিল না। যত বৃত্তির টাকা, বাবা-মা-আত্নীয়স্বজন টাকা দিত অধিকাংশ যেত বই, গানের ক্যাসেট ইত্যাদি কিনে।আহা......সেইসব দিন!
লেখক বলেছেন: আহা......সেইসব দিন!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
চমৎকার, এ নিয়ে আজ একটা পোস্ট দিয়েছি।
লেখক বলেছেন: পড়বো আশা করছি।।
শিট সুজি বলেছেন:
ভাল লাগল । আমার ও একসময় প্রচন্ড শখ ছিল ব্যক্তিগত একটা লাইব্রেরী গড়ার। প্রথেমে সেই টার্গেট ছিল তিন গোয়েন্দা বা মাসুদ রানা ভিত্তিক ।তারপর হুমায়ুন আহমেদ। কলেজে উঠে হটাৎ সমরেশ, সুনীলের বিশাল ফ্যান হয়ে যাই। বিদেশী বইগুলোর বাংলা অনুবাদ ও বেশ ভাল লাগত । অনেক সময় অনেকভাবে একই সিদ্ধান্ত নিয়েছি অন্তত প্রিয় লেখকদের সব বই সংগ্রহ করব। কিন্তু সৌভাগ্য হয় নি। লাইব্রেরী গড়া তো দুরের কথা যে কয়টা বই কিনেছিলাম বা যোগাড় করেছিলাম তা তোমার মত বইচোর বন্ধুদের কল্যানে থাকেনি ।
তোমার লাইব্রেরীর জন্য শুভকামনা ।
লেখক বলেছেন: আমি কোনকালেই হুমায়ুন আহমেদের ফ্যান ছিলাম না, স্কুলে পড়ার সময় জাফর ইকবাল পড়তাম অনেক।
মিয়া হলে আসার পর আমার যে পরিমাণ বইচুরি গেছে তা এইপোস্টে লিখলে বন্ধুগো মান-সম্মান কিছু থাকতো না।।
বিডি আইডল বলেছেন:
নিজেও বই চুরি করেছি....আমার কাছ থেকেও বহু বই চুরি গেছে.....বই চুরির মজাই আলাদা...বাজী ধরে ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে দাবার দুটি দামী বই হাপিশ করেছিলাম লেখক বলেছেন: বিডি আইডল বাজী ধরার অভ্যাসটা কি এখনো আছে?তাহলে, আমার একটু সুবিধা হত!!!
লেখার একজায়গায় বলেছেন,
মুক্তহস্তে অনুদানই মূলত আমার তহবিলের প্রাণ সঞ্চালক। সিনিয়রদের সাথে আমার বরাবরই সুসম্পর্ক থাকে। বুয়েটেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। এই অনুদানটাও আসে এই সিনিয়রদের থেকেই।
ইয়ে, আমি আপনার তেমন এক সিনিয়র আপু হয়ে এ ক্লাবের সদস্য হয়ে আপনাকে অনুদান দিতে চাই। অনুমতি দিয়ে বাধিত করবেন। সংগে মোবাইল নম্বরটা।
লেখক বলেছেন: আরে আপু আপনি অনুদান দিলে সেটা তো আমার ব্লগজীবনের প্রাপ্তি-ই ধরে নেব। তবে অনুদান কিন্তু অফেরতযোগ্য, এটাও লিখেছি পোস্টে। তাই অনুদান , নাকি ক্ষুদ্রঋণ দেবেন সেটা পুনর্বিবেচনা করতে পারেন।
এটা আমার মেইল এড্রেস। এটা কমিউনিটি ব্লগতো, মোবাইল নম্বর দেয়াটা সবাই ইতিবাচক দৃষ্টিতে না-ও দেখতে পারে। plz mail me here and then it will be convenient to discuss detail regarding the "free donation issue"....................
পারভেজ বলেছেন:
বই সংগ্রহ(!) বিষয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম এই শিরোনামে!আমাদের বিদ্যা চুরির গল্প।
বই কেনা শুরু হয় ফাইভ, সিক্স থেকে। আসলে কিনেছি কম, একটাকা, আটআনা নিয়ে ভাড়া নিতাম। পুরানো বই কেনার নেশা ছিল। সবচেয়ে সহজ ছিল সদরঘাট থেকে কেনা। দামও পরতো কম। তারপর পুরানা পল্টন, গুলিস্থান, বাংলাবাজার, কোথায় না গেছি!! আলাদা করে লেখার ইচ্ছা আছে। তোমার পোস্টে এসে অনেক কথাই মনে পড়ে গেলো।
লেখক বলেছেন: সময় করে অবশ্যই পড়বো লেখাটা। আলাদা পোস্টটা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।।।
নাজনীন খলিল বলেছেন:
বই কেনার অথবা সংগ্রহের গল্প মনে হয় সকলেরই মোটামোটি এক।
তবে আমি বই চুরিতে নেই---বরং আমার অনেক বই নেই হয়ে যায়।
আমার মার খুব বই পড়ার নেশা ,এখনো আছে।মা কোন বই কিনলে আমাদের ভাইবোনের মাঝে মালিকানা জাহিরের জন্য নিজের নিজের নাম লিখে রাখার প্রতিযোগিতা চলতো--ঘটনাগুলো এখন মনে পড়লে হাসি পায়।
তোমার লেখাটি পড়ে অনেক মজা পেলাম।শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আন্টি , বই চুরিকে মহৎ কর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারেন। আমার নিজেরও অনেক বই গায়েব হযে গিয়েছে। সেগুলো এই পোস্টে না লেখাই ভাল।্
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
বই কেনার টাকা কিভাবে যে যোগাড় হতো!
ছোটবেলায় ভাই বোনরা বই কিনে দিতো।
আমার বন্ধু দীনা ও খুব বই কিনতো......আমরা দুজনে প্রতিমাসে বই কিনতাম। খাওয়ার টাকা বাঁচিয়ে।
আমাদের গিফট লিস্ট এ বই ছাড়া কখনোই কিছু ছিলো না.........
তোমার নিজস্ব উদ্যোগটাও ভালো.......।
দেখা হবে সহসাই।
পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে নাকি?
শুভেচ্ছা থাকলো হিমালয়.........।
লেখক বলেছেন: হ্যা শুরু হয়ে গেছে। তাই ব্লগে কিঞ্চিৎ inactive........
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
পোস্টটা গত রাতেই পড়েছিলাম, কিন্তু পিসি হঠাৎ করে রিস্টার্ট নেয়ায় কমেন্টটা আর করে ওঠা হয়নি.......এক্সপিটা আজকাল খুব সমস্যা করছে।বই পড়া/সংগ্রহ/ধার/চুরি/জ্ঞানার্জনের প্রতি আপনার এই অদ্ভূত নেশা দেখে খুব খুব মুগ্ধ আমি। মজার ব্যাপার আপনি যদি বলতেন আপনি বই না চুরি করে চাল চুরি করেছেন তাহলে হয়তো সবাই আপনাকে ভৎর্সনা করতো - অদ্ভুত এই বিষয়টা, ন্যায় আর অন্যায়ের সংজ্ঞা সময়, পরিস্থিতি, বস্তু আর ব্যাক্তিভেদে কতোটা পরিবর্তনীয়। অবশেষে আপনার বিস্তৃত জ্ঞানভান্ডারের উৎসের সামান্য ঝলক আমরা পেলাম। বই আমিও পড়ি, ভালো করে যদি বলি, তাহলে আজকাল একটু কম পড়ি। অথচ বছরখানেক আগেও আমি প্রচুর প্রচুর বই পড়তাম। বাবা সাংবাদিক ছিলেন আর পরিবারে সাহিত্য, সংস্কৃতির প্রতি অগাধ ভালোবাসাটা ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি একই সাথে মেনেও আসছি। ছোটবেলা পুরোটাই কেটেছে বই নিয়ে, বাসা ভর্তি ছিলো বই - এখনো আছে। বাবার বর্তমান কর্মক্ষেত্র এমনটাই যে যতো দিন গিয়েছে, বইয়ের সংখ্যা আরো বেড়েছে। পরে আরেকটু বড় হওয়ার পর বাবাকে বলতাম বই কিনে দিতে, বাবা কিনে দিতো। একুশে বইমেলায় যাওয়াটা সেই বয়সে আমার কাছে ছিলো স্বর্গরাজ্যে যাওয়ার শামিল।
পোস্টের কমেন্টে এক যায়গায় আলোচনার ধারাবাহিকতায় হানিফ সংকেতের নাম এসেছে। এই লোকটিকে আমার চাইতে কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য এই ব্লগে খুব কম মানুষেরই হয়েছে। হাজার হোক দীর্ঘ ১৪ বছর বাবা ও আমাদের পরিবার তার সাথে যুক্ত ছিলো। বর্তমান হানিফ সংকেত ও তার নির্মানধারার প্রতি অগুণতি অভিযোগ আছে আমারও। তবে এটা নিয়ে কোন পোস্ট লিখবো না.........
লেখক বলেছেন: এই পোস্টটার কমেন্টগুলোই মনে হয় আসল প্রাপ্তি। তাছাড়া, তোমার স্মৃতিচারণ অংশটুকুও ভালো লাগলো।।। হানিফ সংকেত কে নিয়ে আমার কোন প্ল্যান নেই। ভাঙ্গা পেন্সিল বলল বলে বলা।।
তুমি যেভাবে মন্তব্য লিখছো, তাতে তো মনে হইতেছে তুমি এখন বুইড়া হইয়া গেছো।
তবে তোমার বাসার ইনভাইরনমেন্টটা বেশ ভাল লাগল। আমাকে এখনো বই পড়তে স্ট্রাগল করতে হয়।।কারণ, বাসা থেকে পাঠ্যবহির্ভুত বই পড়া, বা লেখালিখি করা দুটো বিষয়েই ঘোর আপত্তি রয়েছে। এ নিয়ে সময় হলে অন্য একদিন লিখবো।।।।
আশা করি বইমেলায় দেখা হবে।
Click This Link
কালপুরুষ বলেছেন:
পড়লাম। সবারই এমন অভিজ্ঞতা কিছু না খিছু আছে। আমার জীবনের প্রথম কারো কাছ থেকে নিয়ে ফেরৎ না দেয়া বইয়ের নাম ঠাকুরমার ঝুলি। রাজশাহী শহরের মাদ্রাসা মাঠের পাশেই একটা গণ পাঠাগার ছিল। সেখান থেকে আমার এক বন্ধু বইটা ইস্যু করেছিল। আমি পড়তে এনে ফেরৎ দেবো দেবো করে দেয়া হয়নি। একদিন স্কুলে পড়বো বলে বইটা নিয়ে গেলাম। ক্লাশে চোরের উপর বাটপার ছিল। কে যে নিল সেটা টের পাইনি। পরে ১০ টাকা ফাইন করেছিল আমার বন্ধুকে বই ফেরৎ না দেবার জন্য। তখন ঠাকুরমার ঝুলি বইটার দাম ছিল সম্ভবত পাঁচ টাকা। ভাল লাগলো পুস্তক বিষয়ক স্মৃতিচারণ।
লেখক বলেছেন: বইমেলা উপলক্ষে কোন বিশেষ পরিকল্পনা আছে নাকি???
জিনাত বলেছেন:
আমারে দেবনা ভুলিতে প্রোজেক্ট।" এই প্রোজেক্টের তাৎপর্য হচ্ছে আমার প্রত্যেক সহপাঠীর উপস্থিতির স্মারক হয়ে আছে এই বইটি। ওদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০টাকা করে নিয়েই এই বইটি কিনেছিলাম। আর বইয়ের ফাকা জায়গাগুলোতে ওদের মন্তব্য লেখা।হুম এমন বাধন ছাড়তে কস্ট হবে বটে
লেখক বলেছেন: বাধন ছাড়তেই হয় নতুন বাধনের টানে.........বাধন কখনো একবিন্দুতে স্থির থাকেনা.....
লেখক বলেছেন: আরোও ধারণা আসছে আগামীতে........
অন্যসময় বলেছেন:
ভারী চমৎকার পরিকল্পনা,হিমেল!নেহাত উত্তোরাধিকার সুত্রে হাজার দশেক বই এর একখানা লাইব্রেরি পেয়ে গেছি - নইলে তোমার পন্থা আমাকেও নিতে হতো মনে হয়!ফেসবুক এ তোমার ফোন নাম্বার মেসেগ করে দিও -আমিও তোমার প্রকল্পে অংশ নিতে চাই(কাল বুয়েট আসছি)।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিহাব ভাই।।। আপনার সহায়তা পেলে ভালোই লাগবে।।।
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
সেই বই কেনা কাহিনী!!!!!!!!!!বই কেনার ব্যাপারে বাসা থেকে সবসময়ই খুব উতসাহ পেতাম,অভ্যাসটা শুরু হয়েছিল মোটামুটি ক্লাস টু থেকে। তিন গোয়েন্দা দিয়ে হাতে খড়ি। তারপর ক্লাস ফাইভে কিনলাম শার্লক হোমস অমনিবাস। আমার বই কেনা সেই থেকে চলছে। মোটামুটি মাঝারি আকৃতির সংগ্রহ দাড় করিয়ে ফেলেছি। ভার্সিটিতে ঢোকার পর প্রতিমাসেই টিউশানির টাকার প্রায় পুরোটাই যেত বইয়ের পেছনে। প্রধানত কবিতা(রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা ছাড়া বাকি সবই আধুনিক কবিদের কবিতা) ,পদার্থবিজ্ঞান(পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র না হয়েও মোটামুটি গর্ব করার মত সংগ্রহ আছে), দর্শন(স্পেসিফিক্যালি বলতে গেলে রাসেল, মার্ক্স, ফ্রয়েড),ইতিহাস(এই শাখার সবচেয়ে গর্ব বোধ করি দুইটা বই নিয়ে, এনসাইক্লোপেডিয়া অফ হিস্টরী, অনেক কষ্ট করে টাকা জমিয়ে কিনেছিলাম,১৮০০ টাকা দিয়ে, আর আর্কিওলজির উপর জেন ম্যাকিন্টশের একটা রঙ্গীন বই,৩৫০০ টাকা বের হয়ে গেছিল), শেষে কথাসাহিত্য। এই সংগ্রহটা বেশী বড় না। এর প্রধান কারন ভালো গল্পের বই প্রায় সবই মানুষের কাছে পাওয়া যায়।তারপরও বেশী প্রিয় লেখকদের অধিকাংশ বই আছে।আমার সাথে সমান্তরালে ছোট ভাইয়ের কালেকশনও চলছে। ওর সবচেয়ে বড় কালেকশন হচ্ছে গনিতের, বেচারা জমানো টাকা সব দিয়েই গনিতের বই সমানে কিনে যাচ্ছে।আমরা দুই ভাইয়ের স্বপ্ন মার্ক টোয়েনের মত হওয়া।মার্ক টোয়েনের বাসায় নাকি এত বই থাকত যে অন্য কিছু রাখার জায়গা থাকত না।
মাঝখানে প্রেমে পরে যাওয়ায় বইয়ের ফান্ড যোগাড় করা কঠিন হয়ে গেছে। তারপরও যা পারি ,খেয়ে না খেয়ে বই কেনা বন্ধ নেই।অনেকবার এমন হয়েছে নীলক্ষেতে বই কিনে ফতুর হয়ে হলে আসছি,বিকালে নাস্তা খাবার পয়সা নাই, ধার নিয়ে বাসায় ফেরত গেছি।
বই চুরি করা নিয়ে একটা কথা।আমি ক্যাডেট কলেজের লাইব্রেরী থেকে বেশ কিছু বই চুরি করেছিলাম। ১২ এ এসে ধরাও খেয়েছিলাম, জরিমানা দিতে হয়েছিল।
আমি এই প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত হতে চাই।আওয়াজ দিও,হলেই আছি আজকে।
লেখক বলেছেন: তুমি কোন হলের? আমি শেরে বাংলা ২০৯..........রুমেই থাকি .চলে এসো.......
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
আমি শেরে বাংলা ১০০৯
বইএ বইএ ভরে যাক ঘর
ঘর না বই বাগান
লেখক বলেছেন: বইবাগানে অনেক বইগাছ চাই..........
লংকার রাজা বলেছেন:
দারা কাল এক্সামটা দিয়া লই, দেখি অনুদানের ব্যপারে কি করা যাই।
লংকার রাজা বলেছেন:
আইডিয়া ভাল লাগছে। আমার বই কেনা কমে গেছে বিভিন্ন কারণে, যাদের এখনো আছে তাদের দেখলে ভাল লাগে।
লেখক বলেছেন: আপনার কথা-বার্তায় হতাশার ছাপ স্পষ্ট। কোন একটা ব্যাপার আছে মনে হয়.........
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন:
হে হে....তোমারে ওদিন ব্যাপক খুশি খুশি দেখাচ্ছিল মামা।
যুগান্তকারী বলেছেন:
ভাই আমার বিভিন্ন ধরনের বই ছিল হজার দেরেক ২বছর পর দেশে গিয়ে দেখি বেশীর ভাগই হাওয়া।
ঈর্ষায় জ্বলে-পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছি,গরররররররর
লেখক বলেছেন: ফারহান ভাই, ঈর্ষা করলে লোকে খারাপ বলে!!!!
আকাশনীল বলেছেন:
ছোটবেলা থেকে বই পড়ার নেশা এবং কেনার। বড় হতে হতে দুটোই কমে গেছে। নটরডেম লাইব্রেরী থেকে প্রচুর পড়ছি। তোমার আইডিয়া অসাধারন এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
লেখক বলেছেন: আরে, মিঞাভাই, কেমনে কী??
সুমন বলেছেন:
খুব চমৎকার কিছু আইডিয়া।
মুহম্মদ ওয়াসিম বলেছেন:
হিমালয় ভাইয়া, আপনার বই সংগ্রহের অভিনব পদ্ধতির কথা জেনে আমি বিমোহিত।আমার চুরির হাত ভালো। বিশ্বাস না হলে এটা পড়ে দেখুন। সাহায্য লাগলে বলবেন।
আর আপনার রুম নাম্বারটা জেনে আমি যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছি। আমি আপনার লেখার অনেক ফান। ব্লগে ছাড়াও আপনার অনেক সাহিত্যকর্ম আমি পড়েছি। হলের ল্যানে পিডিএফ কিছু লেখা। ভিন্নধর্মী একটা স্টাইল আছে আপনার।
আপনার রুমে যেকোনদিন হানা দিতে পারি। সাবধান থাকবেন।
আমি আউলায় আছি।
লেখক বলেছেন: kon dept, batch tumi???
মুহম্মদ ওয়াসিম বলেছেন:
আমি CE 07
অপ্সরা বলেছেন:
এই লেখা তো আগে পড়িনি হিমলু!!তবে লাইব্রেরীটার ঠিকানা জানিয়ে দিও। মানে যখন দাড়াবে তখনই নাহয়।
লেখক বলেছেন: আফ্রোদিতি আপু ১০বছর পর যদি বেঁচে থাকি আর আপনার সাথে যে কোন কারণেই হোক যোগাযোগ বজায় থাকে, ঠিকানাও পৌছে যাবে আপনার ঠিকানায়।।।
শাওন ইমতিয়াজ বলেছেন:
বড়ই ভালো লাগিল।
মজার মানুষ বলেছেন:
সুন্দর উদ্যোক নিয়েছেন. বন্ধুদের স্মৃতিতে ধরে রাখা ও বইয়ের সংগ্রহ বাড়ানো এক ঢিলে দুই পাখি.প্রচুর বই পরেছি জীবনে. তবে আমি আপনার মত না. আমি ধারের বই পড়ি. একেক সময় একেক জনের কাছ থেকে ধার নিয়ে. যখন যার কাছে যা পাই সব পড়ি. বইয়ের ব্যাপারে আমি সর্বভুক.
অনেকে বই চুরি ও ধার নিয়া বই ফেরত না দেয়ার অনেক কাহিনী বলল. আমি জীবনে কোন বই চুরি করিনি. কোন ধারের বই ও নিজের কাছে রাখি নি. আমার যুক্তি ছিলো আজ যদি কারো বই ধার নিয়ে ফেরত না দেই তাহলে আর বই ধার পাওয়া যাবে না। আজ ও একটা বই ধার নিয়ে আসলাম। পরীক্ষা শেষ অনেক অবসর অন্তত চাকরি পাওয়ার আগে পর্যন্ত.
Notredame এ থাকার সময় নাকি দাবার প্রতি আগ্রহ জন্মায় আপনার. কিন্তু কোনো দিন Notredame Chess Club এ দেখি নি আপনাকে. Notredame Chess Club এর AGS ছিলাম আমি আপনার সময়.
আপনার কথা প্রথম জানলাম বুয়েটের নাটকটা বানানোর সময়. কিছুদিন আগে আপনার লিখা গানও শুনলাম. ভালই লাগলো শুনতে. পোস্টের বাইরে অনেক কথাই বলে ফেললাম.
আপনার উদ্দেশ্যে সফল হোক এই কামনা করি.
ধন্যবাদ.
লেখক বলেছেন: আমি আসলে নটরডেমে কোন ক্লাবের সঙ্গেই জড়িত ছিলাম না, তাই আমাকে না চেনাটা দারুণ স্বাভাবিক ব্যাপার।।।। দাবা খেলতে ভাল লাগত , তাই ব্যাগে একটা পিচ্চি দাবা বোর্ড সঙ্গে রাখতাম, মোখতাররীতা যোসেফিনের ক্লাসে খেলতাম, মাঝে মাঝে গুহ স্যারের ক্লাসেও খেলেছি।।।।
আর বুয়েট লাইফটা আমার জন্য নিজেকে হারিয়ে ফেলা, অথবা নতুন মানুষ হওয়ার কাল।।। সবমিলিয়ে এই আরকি.........
একদিন হলে আসেন, চা খাওয়া যাবে.........
মজার মানুষ বলেছেন:
এসে পরব একদিন বই ধার নিতে. এখনো ১ মাসের মত বাকি আছে. এর মধ্যে পড়ে বইটা ফেরত ও দিতে পারবো বলে আশা করি.
লেখক বলেছেন: তুমি কোন ডিপার্টমেন্ট???
ছোটমির্জা বলেছেন:
ছোটকালে পেঁপেঁ চুরি করা অপরাধের মাঝে পড়ত না আমার।
কাঁচা আমও।
আপনার পদ্ধতিটা অসাধারণ ও কার্যকরী।
ভাল লাগল।
আশা করি এই বছরও এমন করবেন আপনি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















একসময় হানিফ সংকেত ইত্যাদিতে একটা অনুষ্ঠানও করলো এর উপর। সেখানে একবার বললো যে কতো লোক দাঁড়িয়ে আছে...অযথাই ঘোরাফেরা করতাছে। আমার গেল মেজাজ খারাপ হইয়া, সেদিন থেকে হানিফ সংকেত রে দেখতে পারি না। বেটা হিন্দি গানের নকল কইরা গান বানায়, উদ্ভট নাচের অনুষ্ঠান করে আর দুনিয়ারে পচাইয়া পচাইয়া নিজের কীর্তি গায়...ওই বেটা রাস্তায় দাঁড়ায়া বই পড়ার মর্ম বুঝবে কেমতে?