আমার প্রিয় পোস্ট

আত্মবিশ্বাসহীনতায় প্রকট হচ্ছে আত্মার দেউলিয়াত্ব, তবুও বিশ্বাস আগের মতই নিশ্চল..

বইকেনা, বইমেলা, ক্ষুদ্রঋণ, অনুদান, এবং লাইব্রেরীসহ সেমি-অসংলগ্ন+সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩০

শেয়ারঃ
0 0 0

বইকেনার গল্প দিয়েই শুরু করি। বইকেনার বাতিক প্রথম শুরু হয়েছিল ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় থেকে। সেসময় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আমাদের স্কুল শাখার কর্মীর দায়িত্ব পেয়েছিলাম। মূলত বই কেনাটা তার কিছুদিন পর থেকেই নেশায় পরিণত হয়েছে।মনে আছে, শুধুমাত্র বইকেনার জন্যই মানিকগঞ্জ শহর থেকে আজিজ সুপার মার্কেটে চলে এসেছিলাম। তখন থেকেই বই সংগ্রহ চলছে; স্বপ্ন একটি নিজস্ব লাইব্রেরী গড়ে তোলা। এই বই সংগ্রহ সবসময় যে সৎভাবে হয়েছে তা অবশ্য নয়।সেরকম কয়েকটি ঘটনা বলি।
স্কুলে আমার এক বন্ধু ছিল -জনি। তবে তার বিশেষ কর্মে বিশেষ পারদর্শীতার জন্য আমি বলতাম "চোর জনি।" আমার বই সংগ্রহের শুরুর দিনগুলোতে এই"চোর জনি"র ভূমিকা অনস্বীকার্য। ওর দায়িত্ব ছিল শহরের গণপাঠাগার থেকে আমার পছন্দের বই চুরি করে দেয়া। বিনিময়ে ওকে হুমায়ুন আহমেদের বই দিতে হবে; সেই বয়স থেকেই সে নিজেকে হিমু ঘোষণা দিয়েছিল। আমার ছোটবোনও ছিল হুমায়ুন আহমেদের একনিষ্ঠ পাঠিকা। ওর বইগুলো লুকিয়ে চোরজনিকে দিয়ে ওর কাছ থেকে আমার পছন্দের বইটি নিতাম। এভাবে ক্লাস নাইন-টেন ২ বছরে চোরজনি আমাকে অসংখ্য বই জোগাড় করে দিয়েছে গণপাঠাগার থেকে।এখন বুঝতে পারি, কাজটা ভুল ছিল, কিন্তু সেজন্য অপরাধবোধের পরিবর্তে তৃপ্তি কাজ করে_ মার্কটোয়েনের মত মহান হতে না পারি, বই চুরিতে তাকে অনুসরণ তো করতে পেরেছি।
নটরডেম কলেজে পড়ার সময বই পড়া এবং বইকেনা দুটি অভ্যাসেই শৈথিল্য দেখা যায়; তখন দাবার নেশা চেপে বসেছিল ভয়াবহরকম।তবে সেকেণ্ড ইয়ারে উঠার পর পুরনো অভ্যাসের প্রত্যাবর্তন ঘটে। কলেজে অনীক নামে এক বন্ধু ছিল। সে আর একজন বইপাগল। তবে সে কেনার পরিবর্তে বিভিন্নজনের কাছ থেকে ধার নিত। ওর সূত্রেই প্রথম জানতে পেরছিলাম যে নীলক্ষেতে অল্প দামে ভালো বই পাওয়া যায়।আমি থাকতাম মুগদাপাড়া আর ওর বাসা বকশিবাজার। প্রতিমাস শেষে ওকে টাকা আর লেখকের তালিকা দিতাম, "ও" সেই অনুযায়ী আমাকে বই কিনে এনে দিত। অবশ্য ওকে বইপ্রতি একটা করে বেনসন সিগারেট সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হত।
বুয়েটে আসার পর বইকেনার ধরনে পরিবর্তন এসেছে। এখন বই কিনি টিউশনির বেতনের ভিত্তিতে। প্রতিমাসে বেতনের ২০% খরচ হবে বইকেনা তহবিলে, এই শর্তে ফার্স্ট ইয়ারে বইকেনা ভালোভাবেই চলছিল।কিন্তু এরপর আমার টিউশনি ক্যারিয়ারে ভয়াবহ ধস দেখা দেয়, যে কারণে বই কেনাটাও চালাতে হচ্ছে বিভিন্ন খাতে খরচের খাত কমিয়ে।তন্মধ্যে "Golden Age" বইটি কেনার ঘটনাটি ইতিহাস হয়ে থাকবে আমার লাইব্রেরীর ভুবনে। এই বইটি কেনার আগে হঠাৎ মনে হল , ভিন্নকিছু করলে কেমন হয়! সেই সূত্রেই "আমারে দেবনা ভুলিতে প্রোজেক্ট।" এই প্রোজেক্টের তাৎপর্য হচ্ছে আমার প্রত্যেক সহপাঠীর উপস্থিতির স্মারক হয়ে আছে এই বইটি। ওদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০টাকা করে নিয়েই এই বইটি কিনেছিলাম। আর বইয়ের ফাকা জায়গাগুলোতে ওদের মন্তব্য লেখা। কেউ আমাকে "লম্পট" লিখে গালিগালাজ করেছে, কেউ লিখেছে "পাগল".....মানে দুষ্টুমির যত ভাষা হয় আর কি! এই ব্ইয়ের তাৎপর্য এখন বুঝতে পারছিনা, কিন্তু আমি জানি বুয়েট পাশ করার পর এই বইটি খুললেই মন খারাপ হয়ে যাবে, কাছের মানুষগুলোকে মিস করব। সেজন্যই "আমারে দেবনা ভুলিতে প্রোজেক্ট।"
একুশে বইমেলায় প্রথম আসি ২০০৪ সালে। এরপর কোনবছরই মিস করিনি। প্রতিবছরই বইমেলা উপলক্ষে জানুয়ারী মাস থেকেই আমরা তহবিল সংগ্রহ শুরু হয়। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত খরচ কর্তন করে সঞ্চয় চলতে থাকে, আর আব্বু-আম্মু-বড় আপা-দুলাভাই প্রত্যেকের জন্য একটি আলাদা বাজেট তৈরি করে রাখি। আমি বরাবরই অন্তর্মুখী স্বভাবের হওয়ায় দুলাভাইয়ের কাছ থেকে বড় বাজেট সংগ্রহ করা সম্ভব হয়না।
গতবছর বইমেলা থেকে নতুন প্রোজেক্ট শুরু হয়েছে। এর নাম " 'ক্ষুদ্রঋণ' ও 'মুক্তহস্তে অনুদান' প্রোজেক্ট"।
ক্ষুদ্রঋণ সম্পর্কে বলি। সেই প্রাইমারী স্কুল থেকে বুয়েট অদ্যাবধি যত ঘনিষ্ঠ বন্ধু আছে সবার থেকে ১০০টাকা ঋণ নেই। ঋণের পরিমাণ নির্দিষ্ট ; কম-বেশি হওয়ার অবকাশ নেই। এক্ষেত্রে যে বিষয়টি কাজ করে সেটি এমন: একজনের কাছে৫০০০ টাকা ঋণ চাইলে সে হয়ত অপ্রস্ত্তত হবে, কিন্তু একজনের কাছে ১০০ করে মোট ৫০জনের কাছে ঋণ পেলেই তো৫০০০ হয়। ১০০টাকা ঋণ দেয়াটা বোধহয় ততটা সমস্যা নয়। তাছাড়া আমিতো ৫০এর অধিক মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ। এই একটি মাসে বইয়ের সূত্রে তাদের সাথে নাহয় আর একটু জানাশোনা হল! আমার লাইব্রেরীতে সবারই অবদান থাকুক। এরপর সারাবছর এই ক্ষুদ্রঋণ শোধ করে কেটে যায়।
মুক্তহস্তে অনুদানই মূলত আমার তহবিলের প্রাণ সঞ্চালক। সিনিয়রদের সাথে আমার বরাবরই সুসম্পর্ক থাকে। বুয়েটেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। এই অনুদানটাও আসে এই সিনিয়রদের থেকেই। হলের পুরনো রুমমেট, ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র, এলাকার কিছু সিনিয়রসহ অনুদানদাতার সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। এই অনুদানের কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই। এটা সিনিয়রদের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। সেটা ১০০ হতে পারে, ১০০০ ও হতে পারে। অনুদানের টাকা অফেরতযোগ্য বলেই এর নাম "মুক্ত হস্তে অনুদান।
মধ্য জানুয়ারী চলছে। তাই ক্ষুদ্রঋণও আসতে শুরু করেছে। সামনে সপ্তাহ থেকে স্কুলের বন্ধুদের থেকেও আসা শুরু হবে ঋণ। ওরা বিভিন্ন ভার্সিটি-মেডিকেলে পড়ে, তবুও ফেব্রুয়ারী মাস আসলে মানি অর্ডার করতে ভুল হয়না ওদের একটুও। একটা সময় ভাবতাম আমি একজন নির্বান্ধব-নৈরাশ্যবাদী মানুষ। কিন্তু প্রতিবছর জানুয়ারীর ১৫ তারিখের পর থেকেই আমার ভাবনা পরিবর্তিত হতে থাকে; বন্ধুদের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হই_ আমার লাইব্রেরী গড়ে তুলতে কী অকৃত্রিমভাবে ওরা সাহায্য করে যাচ্ছে।
আমি প্রতিটি বইয়ের মুখবন্ধে নিজজস্ব কিছু কোড আর বাক্যবিন্যাস লিখে তারিখ, স্থান লিখে রাখি। আর সেইসাথে আলাদা একটি ডায়েরীতে লেখা থাকে বইয়ের তহবিলের যোগানদান কারী বন্ধুদের নাম। হয়ত আজ থেকে ২০-৩০ বছর পরে আমার লাইব্রেরীটা দাঁড়িয়ে যাবে কয়েক হাজার বই নিয়ে, সেদিন এই বন্ধুরা যে যেখানেই থাকুক, বইয়ের মাঝে ঠিকই বেঁচে থাকবে। বই আর বন্ধুত্ব ভিন্ন অবয়বে অভিন্ন বিম্ব হয়ে থাকুক আমার মননে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৬
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আমি বই কিনতাম পুরান পল্টনে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বই পড়ে দেখতাম, কেনা যায় কিনা ভাবতাম। বেশ কম দামে, নীলখেতের চাইতেও কমে পাওয়া যেত।

একসময় হানিফ সংকেত ইত্যাদিতে একটা অনুষ্ঠানও করলো এর উপর। সেখানে একবার বললো যে কতো লোক দাঁড়িয়ে আছে...অযথাই ঘোরাফেরা করতাছে। আমার গেল মেজাজ খারাপ হইয়া, সেদিন থেকে হানিফ সংকেত রে দেখতে পারি না। বেটা হিন্দি গানের নকল কইরা গান বানায়, উদ্ভট নাচের অনুষ্ঠান করে আর দুনিয়ারে পচাইয়া পচাইয়া নিজের কীর্তি গায়...ওই বেটা রাস্তায় দাঁড়ায়া বই পড়ার মর্ম বুঝবে কেমতে?
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: হানিফ সংকেতের ব্যাপারে আমারও অভিযোগের অন্ত নাই। ওইটা নিয়া আরেক পোস্টে কথা হবে।

২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৭
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমি দেশ ছাড়ি কলেজে পড়ার সময়। প্রায় হাজার তিনেকের মতো বই ছিল। জানি না সেগুলোর কি অবস্থা! নিজে-ও অনেক বই চুরি করেছি, বলতে দ্বিধা নেই। অনেকের কাছ থেকে বই ধার করে এনে আর দিইনি, এমন-ও হয়েছিল। আমাদের একটা বন্ধু-চক্র ছিল একজন একেকটা করে বই কিনত, অন্যরা পড়ত। প্রায় শেষে পড়তাম আমি, এবং হস্তগত করা সমস্যা ছিল না। যত বৃত্তির টাকা, বাবা-মা-আত্নীয়স্বজন টাকা দিত অধিকাংশ যেত বই, গানের ক্যাসেট ইত্যাদি কিনে।

আহা......সেইসব দিন!
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: আহা......সেইসব দিন!

৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৩
কঁাকন বলেছেন: দারুন আইডিয়া তো

ভালো থাকুন

আরবারতে থাকুক আপনার লাইব্রেরী
৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০০
আরিফুর রহমান বলেছেন: চমৎকার, এ নিয়ে আজ একটা পোস্ট দিয়েছি।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন: পড়বো আশা করছি।।

৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৮
শিট সুজি বলেছেন: ভাল লাগল । আমার ও একসময় প্রচন্ড শখ ছিল ব্যক্তিগত একটা লাইব্রেরী গড়ার। প্রথেমে সেই টার্গেট ছিল তিন গোয়েন্দা বা মাসুদ রানা ভিত্তিক ।তারপর হুমায়ুন আহমেদ। কলেজে উঠে হটাৎ সমরেশ, সুনীলের বিশাল ফ্যান হয়ে যাই। বিদেশী বইগুলোর বাংলা অনুবাদ ও বেশ ভাল লাগত । অনেক সময় অনেকভাবে একই সিদ্ধান্ত নিয়েছি অন্তত প্রিয় লেখকদের সব বই সংগ্রহ করব। কিন্তু সৌভাগ্য হয় নি।

লাইব্রেরী গড়া তো দুরের কথা যে কয়টা বই কিনেছিলাম বা যোগাড় করেছিলাম তা তোমার মত বইচোর বন্ধুদের কল্যানে থাকেনি ।

তোমার লাইব্রেরীর জন্য শুভকামনা ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: আমি কোনকালেই হুমায়ুন আহমেদের ফ্যান ছিলাম না, স্কুলে পড়ার সময় জাফর ইকবাল পড়তাম অনেক।
মিয়া হলে আসার পর আমার যে পরিমাণ বইচুরি গেছে তা এইপোস্টে লিখলে বন্ধুগো মান-সম্মান কিছু থাকতো না।।

৬. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২০
বিডি আইডল বলেছেন: নিজেও বই চুরি করেছি....আমার কাছ থেকেও বহু বই চুরি গেছে.....বই চুরির মজাই আলাদা...বাজী ধরে ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে দাবার দুটি দামী বই হাপিশ করেছিলাম :)
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: বিডি আইডল বাজী ধরার অভ্যাসটা কি এখনো আছে?তাহলে, আমার একটু সুবিধা হত!!!

৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৩৮
লীনা দিলরূবা বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার এমন অভিনব পদ্ধতিতে বই কেনা, সংগ্রহের নমুনা দেখে। মনে পড়ে গেল নানা স্মৃতি, এসব স্মৃতি শেয়ারের জায়গা এখানে গোত্তা না খেয়ে বরং ভোকাট্টা হয়ে অন্য কোথা চলে যাক।।

লেখার একজায়গায় বলেছেন,

মুক্তহস্তে অনুদানই মূলত আমার তহবিলের প্রাণ সঞ্চালক। সিনিয়রদের সাথে আমার বরাবরই সুসম্পর্ক থাকে। বুয়েটেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। এই অনুদানটাও আসে এই সিনিয়রদের থেকেই।


ইয়ে, আমি আপনার তেমন এক সিনিয়র আপু হয়ে এ ক্লাবের সদস্য হয়ে আপনাকে অনুদান দিতে চাই। অনুমতি দিয়ে বাধিত করবেন। সংগে মোবাইল নম্বরটা।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫১

লেখক বলেছেন: আরে আপু আপনি অনুদান দিলে সেটা তো আমার ব্লগজীবনের প্রাপ্তি-ই ধরে নেব। তবে অনুদান কিন্তু অফেরতযোগ্য, এটাও লিখেছি পোস্টে। তাই অনুদান , নাকি ক্ষুদ্রঋণ দেবেন সেটা পুনর্বিবেচনা করতে পারেন।

এটা আমার মেইল এড্রেস। এটা কমিউনিটি ব্লগতো, মোবাইল নম্বর দেয়াটা সবাই ইতিবাচক দৃষ্টিতে না-ও দেখতে পারে। plz mail me here and then it will be convenient to discuss detail regarding the "free donation issue"....................

৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১২
লীনা দিলরূবা বলেছেন: অনুমতি প্রাপ্ত হয়ে আনন্দিত হলাম। আপনাকে মেইল করছি।
৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪
পারভেজ বলেছেন: বই সংগ্রহ(!) বিষয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম এই শিরোনামে!
আমাদের বিদ্যা চুরির গল্প
বই কেনা শুরু হয় ফাইভ, সিক্স থেকে। আসলে কিনেছি কম, একটাকা, আটআনা নিয়ে ভাড়া নিতাম। পুরানো বই কেনার নেশা ছিল। সবচেয়ে সহজ ছিল সদরঘাট থেকে কেনা। দামও পরতো কম। তারপর পুরানা পল্টন, গুলিস্থান, বাংলাবাজার, কোথায় না গেছি!! আলাদা করে লেখার ইচ্ছা আছে। তোমার পোস্টে এসে অনেক কথাই মনে পড়ে গেলো।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: সময় করে অবশ্যই পড়বো লেখাটা। আলাদা পোস্টটা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।।।

১০. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০১
নাজনীন খলিল বলেছেন:
বই কেনার অথবা সংগ্রহের গল্প মনে হয় সকলেরই মোটামোটি এক।
তবে আমি বই চুরিতে নেই---বরং আমার অনেক বই নেই হয়ে যায়।
আমার মার খুব বই পড়ার নেশা ,এখনো আছে।মা কোন বই কিনলে আমাদের ভাইবোনের মাঝে মালিকানা জাহিরের জন্য নিজের নিজের নাম লিখে রাখার প্রতিযোগিতা চলতো--ঘটনাগুলো এখন মনে পড়লে হাসি পায়।
তোমার লেখাটি পড়ে অনেক মজা পেলাম।শুভেচ্ছা।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: আন্টি , বই চুরিকে মহৎ কর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারেন। আমার নিজেরও অনেক বই গায়েব হযে গিয়েছে। সেগুলো এই পোস্টে না লেখাই ভাল।্‌

১১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৫
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
বই কেনার টাকা কিভাবে যে যোগাড় হতো!
ছোটবেলায় ভাই বোনরা বই কিনে দিতো।
আমার বন্ধু দীনা ও খুব বই কিনতো......আমরা দুজনে প্রতিমাসে বই কিনতাম। খাওয়ার টাকা বাঁচিয়ে।

আমাদের গিফট লিস্ট এ বই ছাড়া কখনোই কিছু ছিলো না.........
তোমার নিজস্ব উদ্যোগটাও ভালো.......।

দেখা হবে সহসাই।
পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে নাকি?
শুভেচ্ছা থাকলো হিমালয়.........।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: হ্যা শুরু হয়ে গেছে। তাই ব্লগে কিঞ্চিৎ inactive........

১২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: পোস্টটা গত রাতেই পড়েছিলাম, কিন্তু পিসি হঠাৎ করে রিস্টার্ট নেয়ায় কমেন্টটা আর করে ওঠা হয়নি.......এক্সপিটা আজকাল খুব সমস্যা করছে।

বই পড়া/সংগ্রহ/ধার/চুরি/জ্ঞানার্জনের প্রতি আপনার এই অদ্ভূত নেশা দেখে খুব খুব মুগ্ধ আমি। মজার ব্যাপার আপনি যদি বলতেন আপনি বই না চুরি করে চাল চুরি করেছেন তাহলে হয়তো সবাই আপনাকে ভৎর্সনা করতো - অদ্ভুত এই বিষয়টা, ন্যায় আর অন্যায়ের সংজ্ঞা সময়, পরিস্থিতি, বস্তু আর ব্যাক্তিভেদে কতোটা পরিবর্তনীয়। অবশেষে আপনার বিস্তৃত জ্ঞানভান্ডারের উৎসের সামান্য ঝলক আমরা পেলাম। বই আমিও পড়ি, ভালো করে যদি বলি, তাহলে আজকাল একটু কম পড়ি। অথচ বছরখানেক আগেও আমি প্রচুর প্রচুর বই পড়তাম। বাবা সাংবাদিক ছিলেন আর পরিবারে সাহিত্য, সংস্কৃতির প্রতি অগাধ ভালোবাসাটা ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি একই সাথে মেনেও আসছি। ছোটবেলা পুরোটাই কেটেছে বই নিয়ে, বাসা ভর্তি ছিলো বই - এখনো আছে। বাবার বর্তমান কর্মক্ষেত্র এমনটাই যে যতো দিন গিয়েছে, বইয়ের সংখ্যা আরো বেড়েছে। পরে আরেকটু বড় হওয়ার পর বাবাকে বলতাম বই কিনে দিতে, বাবা কিনে দিতো। একুশে বইমেলায় যাওয়াটা সেই বয়সে আমার কাছে ছিলো স্বর্গরাজ্যে যাওয়ার শামিল। :)

পোস্টের কমেন্টে এক যায়গায় আলোচনার ধারাবাহিকতায় হানিফ সংকেতের নাম এসেছে। এই লোকটিকে আমার চাইতে কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য এই ব্লগে খুব কম মানুষেরই হয়েছে। হাজার হোক দীর্ঘ ১৪ বছর বাবা ও আমাদের পরিবার তার সাথে যুক্ত ছিলো। বর্তমান হানিফ সংকেত ও তার নির্মানধারার প্রতি অগুণতি অভিযোগ আছে আমারও। তবে এটা নিয়ে কোন পোস্ট লিখবো না.........:)
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: এই পোস্টটার কমেন্টগুলোই মনে হয় আসল প্রাপ্তি। তাছাড়া, তোমার স্মৃতিচারণ অংশটুকুও ভালো লাগলো।।। হানিফ সংকেত কে নিয়ে আমার কোন প্ল্যান নেই। ভাঙ্গা পেন্সিল বলল বলে বলা।।

তুমি যেভাবে মন্তব্য লিখছো, তাতে তো মনে হইতেছে তুমি এখন বুইড়া হইয়া গেছো।
তবে তোমার বাসার ইনভাইরনমেন্টটা বেশ ভাল লাগল। আমাকে এখনো বই পড়তে স্ট্রাগল করতে হয়।।কারণ, বাসা থেকে পাঠ্যবহির্ভুত বই পড়া, বা লেখালিখি করা দুটো বিষয়েই ঘোর আপত্তি রয়েছে। এ নিয়ে সময় হলে অন্য একদিন লিখবো।।।।
আশা করি বইমেলায় দেখা হবে।
Click This Link

১৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
কালপুরুষ বলেছেন: পড়লাম। সবারই এমন অভিজ্ঞতা কিছু না খিছু আছে। আমার জীবনের প্রথম কারো কাছ থেকে নিয়ে ফেরৎ না দেয়া বইয়ের নাম ঠাকুরমার ঝুলি। রাজশাহী শহরের মাদ্রাসা মাঠের পাশেই একটা গণ পাঠাগার ছিল। সেখান থেকে আমার এক বন্ধু বইটা ইস্যু করেছিল। আমি পড়তে এনে ফেরৎ দেবো দেবো করে দেয়া হয়নি। একদিন স্কুলে পড়বো বলে বইটা নিয়ে গেলাম। ক্লাশে চোরের উপর বাটপার ছিল। কে যে নিল সেটা টের পাইনি। পরে ১০ টাকা ফাইন করেছিল আমার বন্ধুকে বই ফেরৎ না দেবার জন্য। তখন ঠাকুরমার ঝুলি বইটার দাম ছিল সম্ভবত পাঁচ টাকা।

ভাল লাগলো পুস্তক বিষয়ক স্মৃতিচারণ।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: বইমেলা উপলক্ষে কোন বিশেষ পরিকল্পনা আছে নাকি???

১৪. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৯
জিনাত বলেছেন: আমারে দেবনা ভুলিতে প্রোজেক্ট।" এই প্রোজেক্টের তাৎপর্য হচ্ছে আমার প্রত্যেক সহপাঠীর উপস্থিতির স্মারক হয়ে আছে এই বইটি। ওদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০টাকা করে নিয়েই এই বইটি কিনেছিলাম। আর বইয়ের ফাকা জায়গাগুলোতে ওদের মন্তব্য লেখা।হুম এমন বাধন ছাড়তে কস্ট হবে বটে
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: বাধন ছাড়তেই হয় নতুন বাধনের টানে.........বাধন কখনো একবিন্দুতে স্থির থাকেনা.....

১৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৪
আমি-ই গণিতের শূন্য বলেছেন: আমার ও ঋণ প্রয়োজন......

আপনার লেখাগুলো পড়ছি।৭ *৭ এর ধারণা টা সুন্দর।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: আরোও ধারণা আসছে আগামীতে........

১৬. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
অন্যসময় বলেছেন: ভারী চমৎকার পরিকল্পনা,হিমেল!নেহাত উত্তোরাধিকার সুত্রে হাজার দশেক বই এর একখানা লাইব্রেরি পেয়ে গেছি - নইলে তোমার পন্থা আমাকেও নিতে হতো মনে হয়!ফেসবুক এ তোমার ফোন নাম্বার মেসেগ করে দিও -আমিও তোমার প্রকল্পে অংশ নিতে চাই(কাল বুয়েট আসছি)।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিহাব ভাই।।। আপনার সহায়তা পেলে ভালোই লাগবে।।।

১৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: সেই বই কেনা কাহিনী!!!!!!!!!!



বই কেনার ব্যাপারে বাসা থেকে সবসময়ই খুব উতসাহ পেতাম,অভ্যাসটা শুরু হয়েছিল মোটামুটি ক্লাস টু থেকে। তিন গোয়েন্দা দিয়ে হাতে খড়ি। তারপর ক্লাস ফাইভে কিনলাম শার্লক হোমস অমনিবাস। আমার বই কেনা সেই থেকে চলছে। মোটামুটি মাঝারি আকৃতির সংগ্রহ দাড় করিয়ে ফেলেছি। ভার্সিটিতে ঢোকার পর প্রতিমাসেই টিউশানির টাকার প্রায় পুরোটাই যেত বইয়ের পেছনে। প্রধানত কবিতা(রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা ছাড়া বাকি সবই আধুনিক কবিদের কবিতা) ,পদার্থবিজ্ঞান(পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র না হয়েও মোটামুটি গর্ব করার মত সংগ্রহ আছে), দর্শন(স্পেসিফিক্যালি বলতে গেলে রাসেল, মার্ক্স, ফ্রয়েড),ইতিহাস(এই শাখার সবচেয়ে গর্ব বোধ করি দুইটা বই নিয়ে, এনসাইক্লোপেডিয়া অফ হিস্টরী, অনেক কষ্ট করে টাকা জমিয়ে কিনেছিলাম,১৮০০ টাকা দিয়ে, আর আর্কিওলজির উপর জেন ম্যাকিন্টশের একটা রঙ্গীন বই,৩৫০০ টাকা বের হয়ে গেছিল), শেষে কথাসাহিত্য। এই সংগ্রহটা বেশী বড় না। এর প্রধান কারন ভালো গল্পের বই প্রায় সবই মানুষের কাছে পাওয়া যায়।তারপরও বেশী প্রিয় লেখকদের অধিকাংশ বই আছে।আমার সাথে সমান্তরালে ছোট ভাইয়ের কালেকশনও চলছে। ওর সবচেয়ে বড় কালেকশন হচ্ছে গনিতের, বেচারা জমানো টাকা সব দিয়েই গনিতের বই সমানে কিনে যাচ্ছে।আমরা দুই ভাইয়ের স্বপ্ন মার্ক টোয়েনের মত হওয়া।মার্ক টোয়েনের বাসায় নাকি এত বই থাকত যে অন্য কিছু রাখার জায়গা থাকত না।

মাঝখানে প্রেমে পরে যাওয়ায় বইয়ের ফান্ড যোগাড় করা কঠিন হয়ে গেছে। তারপরও যা পারি ,খেয়ে না খেয়ে বই কেনা বন্ধ নেই।অনেকবার এমন হয়েছে নীলক্ষেতে বই কিনে ফতুর হয়ে হলে আসছি,বিকালে নাস্তা খাবার পয়সা নাই, ধার নিয়ে বাসায় ফেরত গেছি।

বই চুরি করা নিয়ে একটা কথা।আমি ক্যাডেট কলেজের লাইব্রেরী থেকে বেশ কিছু বই চুরি করেছিলাম। ১২ এ এসে ধরাও খেয়েছিলাম, জরিমানা দিতে হয়েছিল।


আমি এই প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত হতে চাই।আওয়াজ দিও,হলেই আছি আজকে।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন: তুমি কোন হলের? আমি শেরে বাংলা ২০৯..........রুমেই থাকি .চলে এসো.......

১৯. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৭
আমি ও আমরা বলেছেন: আমারে লিঙ্কটা না ধরাইয়া দিলে হয়তো জানা হতোনা। আমার খুব ভালো লাগছে এই এটিচিউড। দারুন

বইএ বইএ ভরে যাক ঘর
ঘর না বই বাগান
৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: বইবাগানে অনেক বইগাছ চাই..........

২০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
লংকার রাজা বলেছেন: দারা কাল এক্সামটা দিয়া লই, দেখি অনুদানের ব্যপারে কি করা যাই।
২১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮
লংকার রাজা বলেছেন: আইডিয়া ভাল লাগছে। আমার বই কেনা কমে গেছে বিভিন্ন কারণে, যাদের এখনো আছে তাদের দেখলে ভাল লাগে।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: আপনার কথা-বার্তায় হতাশার ছাপ স্পষ্ট। কোন একটা ব্যাপার আছে মনে হয়.........

২২. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৪
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন: হে হে....তোমারে ওদিন ব্যাপক খুশি খুশি দেখাচ্ছিল মামা।
২৩. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২১
যুগান্তকারী বলেছেন: ভাই আমার বিভিন্ন ধরনের বই ছিল হজার দেরেক ২বছর পর দেশে গিয়ে দেখি বেশীর ভাগই হাওয়া।
২৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: "অন্যসময় বলেছেন: ভারী চমৎকার পরিকল্পনা,হিমেল!নেহাত উত্তোরাধিকার সুত্রে হাজার দশেক বই এর একখানা লাইব্রেরি পেয়ে গেছি - "
ঈর্ষায় জ্বলে-পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছি,গরররররররর:(
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: ফারহান ভাই, ঈর্ষা করলে লোকে খারাপ বলে!!!!

২৫. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩
আকাশনীল বলেছেন: ছোটবেলা থেকে বই পড়ার নেশা এবং কেনার। বড় হতে হতে দুটোই কমে গেছে। নটরডেম লাইব্রেরী থেকে প্রচুর পড়ছি। তোমার আইডিয়া অসাধারন এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: আরে, মিঞাভাই, কেমনে কী??

২৬. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫
সুমন বলেছেন: খুব চমৎকার কিছু আইডিয়া।
২৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০
মুহম্মদ ওয়াসিম বলেছেন: হিমালয় ভাইয়া, আপনার বই সংগ্রহের অভিনব পদ্ধতির কথা জেনে আমি বিমোহিত।
আমার চুরির হাত ভালো। বিশ্বাস না হলে এটা পড়ে দেখুন। সাহায্য লাগলে বলবেন।
আর আপনার রুম নাম্বারটা জেনে আমি যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছি। আমি আপনার লেখার অনেক ফান। ব্লগে ছাড়াও আপনার অনেক সাহিত্যকর্ম আমি পড়েছি। হলের ল্যানে পিডিএফ কিছু লেখা। ভিন্নধর্মী একটা স্টাইল আছে আপনার।
আপনার রুমে যেকোনদিন হানা দিতে পারি। সাবধান থাকবেন।
আমি আউলায় আছি।
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: kon dept, batch tumi???

২৯. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০২
অপ্‌সরা বলেছেন: এই লেখা তো আগে পড়িনি হিমলু!!

তবে লাইব্রেরীটার ঠিকানা জানিয়ে দিও। মানে যখন দাড়াবে তখনই নাহয়।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: আফ্রোদিতি আপু ১০বছর পর যদি বেঁচে থাকি আর আপনার সাথে যে কোন কারণেই হোক যোগাযোগ বজায় থাকে, ঠিকানাও পৌছে যাবে আপনার ঠিকানায়।।।

৩০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০২
শাওন ইমতিয়াজ বলেছেন: বড়ই ভালো লাগিল।
৩১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৬
মজার মানুষ বলেছেন: সুন্দর উদ্যোক নিয়েছেন. বন্ধুদের স্মৃতিতে ধরে রাখা ও বইয়ের সংগ্রহ বাড়ানো এক ঢিলে দুই পাখি.

প্রচুর বই পরেছি জীবনে. তবে আমি আপনার মত না. আমি ধারের বই পড়ি. একেক সময় একেক জনের কাছ থেকে ধার নিয়ে. যখন যার কাছে যা পাই সব পড়ি. বইয়ের ব্যাপারে আমি সর্বভুক.

অনেকে বই চুরি ও ধার নিয়া বই ফেরত না দেয়ার অনেক কাহিনী বলল. আমি জীবনে কোন বই চুরি করিনি. কোন ধারের বই ও নিজের কাছে রাখি নি. আমার যুক্তি ছিলো আজ যদি কারো বই ধার নিয়ে ফেরত না দেই তাহলে আর বই ধার পাওয়া যাবে না। আজ ও একটা বই ধার নিয়ে আসলাম। পরীক্ষা শেষ অনেক অবসর অন্তত চাকরি পাওয়ার আগে পর্যন্ত.

Notredame এ থাকার সময় নাকি দাবার প্রতি আগ্রহ জন্মায় আপনার. কিন্তু কোনো দিন Notredame Chess Club এ দেখি নি আপনাকে. Notredame Chess Club এর AGS ছিলাম আমি আপনার সময়.

আপনার কথা প্রথম জানলাম বুয়েটের নাটকটা বানানোর সময়. কিছুদিন আগে আপনার লিখা গানও শুনলাম. ভালই লাগলো শুনতে. পোস্টের বাইরে অনেক কথাই বলে ফেললাম.

আপনার উদ্দেশ্যে সফল হোক এই কামনা করি.

ধন্যবাদ.
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: আমি আসলে নটরডেমে কোন ক্লাবের সঙ্গেই জড়িত ছিলাম না, তাই আমাকে না চেনাটা দারুণ স্বাভাবিক ব্যাপার।।।। দাবা খেলতে ভাল লাগত , তাই ব্যাগে একটা পিচ্চি দাবা বোর্ড সঙ্গে রাখতাম, মোখতাররীতা যোসেফিনের ক্লাসে খেলতাম, মাঝে মাঝে গুহ স্যারের ক্লাসেও খেলেছি।।।।
আর বুয়েট লাইফটা আমার জন্য নিজেকে হারিয়ে ফেলা, অথবা নতুন মানুষ হওয়ার কাল।।। সবমিলিয়ে এই আরকি.........
একদিন হলে আসেন, চা খাওয়া যাবে.........

৩২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:১৩
মজার মানুষ বলেছেন: এসে পরব একদিন বই ধার নিতে. এখনো ১ মাসের মত বাকি আছে. এর মধ্যে পড়ে বইটা ফেরত ও দিতে পারবো বলে আশা করি.
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: তুমি কোন ডিপার্টমেন্ট???

৩৩. ২০ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪৯
ছোটমির্জা বলেছেন:
ছোটকালে পেঁপেঁ চুরি করা অপরাধের মাঝে পড়ত না আমার।
কাঁচা আমও।

আপনার পদ্ধতিটা অসাধারণ ও কার্যকরী।
ভাল লাগল।
আশা করি এই বছরও এমন করবেন আপনি।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৪৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা কোন ঘটনার উদ্দেশ্য হয়না,বিধেয় হয়না; সকলের অগোচরে মেঠো ইদুরের মত নিজেকে লুকিয়ে বেচে থাকে; এরা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ