ফাউন্ডেশন ইন্টারভিডার জন্ম ২৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৪ সালে, স্পেনের বার্সেলনাতে। এটি একটি উন্নয়নে সাহায্যকারী আন্তজার্তিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান্টির উদ্দেশ্য দারিদ্রক্লিষ্ঠ মানুষে জীবন মানের ঊন্নয়ন, যাতে করে তারা সম্মানজনক জীবনের অধিকারী হয়ে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়ন করতে পারে। ১৯৯৯ সাল থেকে সংস্থাটি বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এন জি ও ব্যুরো কত্বক এর রেজিস্ট্রেশ্ন নং- ১৪৫২। ইন্টারভিডা বাংলাদেশের ঢাকা, নারায়নগঞ্জ,ময়মনসিংহ ও কালিগঞ্জে কাজ করে যাচ্ছে।
আমি গত ৪ মাস ধরে এখানে কাজ করছি এসিস্টেন্ট টু ন্যাশনাল কোর্ডিনেটর হিসেবে। এই প্রতিষ্ঠানটি আন্যদের থেকে আলাদা। অনেক স্স্বচ্ছ। সাধারনত এন জি ও নিয়ে মানুষের মাঝে যেই মনভাব থাকে যে এরা টাকা হালাল করে খায়না...এখানে তা নয়।
অনান্য প্রজেক্টের সাথে এদের আছে একটা ভিন্ন প্রজেক্ট। এর নাম আই সি এইচ বা ইন্টারভিডা চিল্ড্রেন হোম।এখনে আছে ৪৬ টি অনাথ বা পরিত্যাক্ত শিশু। এদের প্রত্যেকের বয়স ৮-১০ বছরের মধ্যে। এদের মাঝে ৪ জন স্পেশাল চাইল্ড। এক এক জনের পরিত্যক্ত হবার কাহিনী খুবই করুন। কাওকে পাওয়া গেছে ডাস্টবিনে, সেখান থেকে যখন তাকে উদ্ধার করা হয় তখন শিশুটির গায়ে কুকুর ও গরুর কামড়ের দাগ, একজন কে পাওয়া গেচে ধান খেতে, তার সারা সারা শরীর তখন রক্তে লাল, ধানের ধারাল শিষ দিয়ে শরীর যখম। কাউকে পাওয়া গেছে হস্পিটালের বেড এ। হায়রে! জমজ সন্তান দুটি মায়ের ছায়াও হয়তো দেখেনি!!
ভাবতে অবাক লাগে...।পাপ করে একজন, ফল ভোগ করে আরেক জন। তবে আশার কথা এটাই যে, এই শিশুরা এখানে খুব ভাল আছে। আপনারা ওদের জন্য ঈশ্বরের কাছে দোয়া করবেন যাতে ওরা ওদের দিকে ছোড়া চ্যলেঞ্জ মোকাবেলা করে সত্যিকারের মানুষ হতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


