HSC পরিক্ষার রেসাল্ট দেবার পরেই শুরু হবে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নির্ধারনের জোর প্রস্তুতি। শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলি ছাড়াও অনেক পেশা আকর্ষন করে তরুনদের। একটু ভিন্নধর্মী পেশা হিসেবে মেরিন পেশার প্রতি অনেকেরই আকর্ষন রয়েছে। গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বলছে এই আকর্ষনই কাল হয়েছে অনেক তরুনদের জন্য। আর সাপ্লাই-ডিমান্ড সূত্র না মেনে বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে সরকারি মেরিন একাডেমি ছাড়াও কতিপয় মুরগির খামারে মেরিনার উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে, ফলে এখন পরিস্থিতি ভয়াবহ। সি-টাইমের ফাদে পড়ে অনেকের শিক্ষাজীবনই হুমকির মুখে; যারা প্রশিক্ষন শেষ করতে পেরেছেন তারাও চাকরির বাজারে চরম সংকটে। এমন পরিস্থিতিতে তারা অন্য চাকুরি বা পেশায় নিযুক্ত হবেন, এমন সম্ভাবনাও নেই; কারন মেরিনারদের জাহাজে চাকুরির সনদ ডাঙ্গায় কার্যকর নয়। কেবলমাত্র বহু বছর জাহাজে চাকুরি করার পর অভিজ্ঞ কিছু লোক ডাঙ্গায় চাকুরির সুযোগ পান। পুরাতন মেরিনাররা অনেক স্বস্তিদায়কভাবে তাদের পেশাজীবন শেষ করতে পারলেও নতুনরা বহুবিধ সমস্যার সম্মুখিন।
নিচের লিংকগুলোতে বর্তমানে পেশা হিসেবে মেরিন বেছে নেওয়া কেমন হবে তা প্রফেশনাল মেরিনারদের ভাষ্যে লিপিবদ্ধ আছে। আপনাদের অনেকেরই মনে হতে পারে মেরিনারদের এত সময় নষ্ট করে জনসেবা করার কি দরকার? আমরা বলি এটা আমাদের দায়িত্ব এবং পেশাগত দায়বদ্ধতা। কারন, ইতিমধ্যে নষ্ট হওয়া চাকরির বাজারে আরো মেরিনারদের অন্তর্ভুক্তি আত্মহত্যা ছাড়া আর কিছুই না। তাই জেনে, শুনে, বুঝে সিদ্ধান্ত নিন এবং আপনার আশেপাশের লোকদের সতর্ক করুন।
১। দারুন পেশা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, নাকি ধাপ্পাবাজের কবলে স্বপ্নবাজ !!!
২। ওয়েলকাম টু মার্চেন্ট মেরিন (একটি চরম হতাশাজনক কিন্তু সচেতনতামূলক পোস্ট)
৩। “মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুন---হাজার হাজার ডলার উপার্জন করুন” থামুন! সব কিছু জেনেশুনে ভর্তি হোন ।(একটি জনসচেতনতা মূলক পোষ্ট)
৪। মেরিন সেক্টরে বিপর্যয়ঃ বছরে ২০ কোটি ডলার রেমিটেন্সের পেশায় এখন হতাশা, বেকারত্ব।
৫। ছাত্র-শিক্ষক সবার সনদই জাল! প্রাইভেট মেরিন ইন্সটিটিউটে জালিয়াতি।
আর এত সাবধান বাণীর পরেও কেউ যদি মেরিন একাডেমিতে ব্যার্থ হয়ে প্রাইভেট ইন্সটিটিউটে ভর্তি হতে চান তার জন্য সমবেদনা।
---লেখকঃ একজন জুনিয়র মেরিন ইঞ্জিনিয়ার---

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

