আমার প্রিয় পোস্ট
- The top 100 sites in Bangladesh - জীবরান
- ফেলানি মানববন্ধন : কিছু রহস্য যার উত্তর খুঁজে ফিরি - াঢারে ালো
- এই আমার প্রিয় ভাই, শহীদ নোমানী ভাই ! - ভালো
- সাইবার ক্যাম্পেইন থেকে রাজপথে মাইকিং.. বাংলার তারুন্যের ঐক্যের মানববন্ধন.. .. - বেঙ্গল মাসুদ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। - কুম্ভকর্ণ
- আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংস রহস্য ( কপি পেস্ট হইলেও মাথা ঘুরানোর মতন একটা পোস্ট) - মেকগাইভার
- প্রিয় কথাশিল্পী নসীম হিজাজী : তার জীবন ও কাজের কিছুটা বর্ণনা - স্বর্ণলতা
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ , প্রক্টরসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহত ( ছবি ব্লগ ) - অবিশ্বাসী
- কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করুন অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলুনঃ - Jahangir
- জামায়াতের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ এবং আমাদের ভাবনা -১ - রুবেল হাসান
- ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও নিরাপদ থাকুক বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি - ফিউশন ফাইভ
- এডিসন বনাম ওয়েস্টিংহাউস : এসি ডিসির যুদ্ধ - উম্মু আবদুল্লাহ
- আবু বকর বলেছিলাম না ভাই আমরা তোমাকে ভুলে যাবো।



- মৌনোতা
- ১৯৭১ - আমার দেখা দিনগুলি - ১ - মোহাম্মদ লোমান
- মুসলিম কি করিয়া ধর্মনিরপেক্ষ হয়? এমনকি অন্যরা? - পাললিক মন
- যখন স্নিগ্ধ চোখে অনুসরণ করা যায়। - হলদে ডানা
- ২৮ অক্টোবর : সংঘর্ষের দুটো পক্ষ : কি তাদের বৈশিষ্ট্য ! - ভালো
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই গণপ্রজাতান্ত্রিক নয়। চাকর কেন মনিব: জনপ্রশাসন নিয়ে হাসিনার কথা ও জবাব - পাললিক মন
- পাকিস্তান নয় যুক্তরাস্ট্রই পৃথিবীর জন্য হুমকি স্বরূপ - পাললিক মন
- মাওলানা মওদুদী সম্পর্কে জানতে হলে ... (আপডেট : amarboi.org এ আরো বই পাবেন) - ভালো
- বিদেশী পত্র-পত্রিকায় শেখ মুজিব - ৩ - টাইটেনিয়াম
- বিদেশী পত্র-পত্রিকায় শেখ মুজিব - ২ - টাইটেনিয়াম
- বিদেশী পত্র-পত্রিকায় শেখ মুজিব - ১
- টাইটেনিয়াম
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- ইতিহাসের এক স্বর্ণালী বিস্ময়। - হলদে ডানা
- একজন শিবির কর্মীর কথা - হলদে ডানা
- মেধাহীন 'করপোরেট' মেরুকরণ, গড্ডালিকার নর্দমা, ডিজুস তারুণ্য - সাঈফ শেরিফ
- ছিনতাইকারীর হাত থেকে রেহায় পাওয়ার ঘটনায় আমি অভিভূত! - মাহমুদ রহমান
- ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি কারা করে? - িদদারুল আলম বাননা
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- আজ সংবাদপত্রের কালো দিবস - অধিকাংশ মিডিয়া ইচ্ছা করেই ভূলে গেছে! - আওরঙ্গজেব
- প্রিয় সুশীল সমাজ, আপনি কোথায়??? আমার অনুরোধটা শুনতে পাচ্ছেন কি? - জীবন-মৃত্যু
- সিরাতুল মোস্তাকিম কোনটা? - মাহমুদ রহমান
- জাপানী ভাষায় আপনার নাম কেমন হয় দেখুন............... - লুলুপাগলা
- ইসলাম আর নারী-১ - বোঘদাদি হেকিম
- যত খুশি যখন-তখন ফ্রি এসএমএস - রিজভী
- সামহোয়্যাইন জিন্দাবাদ.. এ-টিম জিন্দাবাদ... - ত্রিভুজ
- বাকশাল, বঙ্গবন্ধু ও আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ - বিবর্তনবাদী
- আমাদের সংগ্রামের উজ্জ্বল পুরুষ- হাজী শরীয়তউল্লাহ (শুরু পর্ব) - জয়নাব আল গাজালী
- সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাতকার (২য় পর্ব) - সাম্প্রতিক
- ছাত্রলীগ, আওয়ামীলীগ, নাস্তিক, ও আধানাস্তিকদের জন্য প্রশ্নপত্র (বাৎসরিক পরীক্ষা) - পান্জেরী
একজন শিবির কর্মীর কথা
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৪
হ্যা, আমি একজন শিবির কর্মী। ব্লগে আশার পর থেকে দেখছি শিবির- জামায়াত এগুলোর বেশ চর্চা চলছে। কে মগবাজারের পেইড ব্লগার, কে সম্ভাব্য শিবির ইত্যাদি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। ভাবছি একজন শিবির কর্মী হিসেবে আমার কথাগুলো অনেকেরই সহায়ক হবে।
আমি একজন শিবির কর্মী। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় শিবিরের কর্মী হয়েছি। এসএসসি পরীক্ষার পূর্বেই শিবিরের সাথী হিসেবে শপথ নিয়েছি। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছি। তবে এখনও সদস্য হতে পারিনি।
শিবিরের কর্মী হতে হলে আটটি কাজ করতে হয়। যেমন, প্রতিদিন কুরআন ও হাদিস বুঝে অধ্যয়ন করা, নিয়মিত ইসলামী সাহিত্য পাঠ করা, ইসলামের নৈতিক বিধানগুলো মেনে চলা, দাওয়াতি কাজ করা, রিপোর্ট রাখা, প্রোগ্রামসমূহে উপস্থিত হওয়া, অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করা এবং বায়তুলমালে এয়ানত দেয়া। সে অনুযায়ী সেই স্কুল জীবন থেকেই ব্যাক্তিগত রিপোর্ট রাখছি। ব্লগের অনেকেই বলেন শিবির করলে টাকা পাওয়া যায়, মাসে মাসে, নির্দিষ্ট হারে। কিন্তু আমি কোনদিন টাকা পাইনি। বরং কর্মী হবার পর থেকে টাকা দিয়ে আসছি। যেদিন কর্মী হয়েছি সেদিন আমাকে বলা হয়েছে তুমি কত দিতে পারবে? আমি ভেবে চিন্তে বললাম ২ টাকা। এরপর দিন গেল টাকার পরিমানও বাড়লো। কালের বিবর্তনে এখন আমার সে টাকা দেয়ার পরিমাণ দাড়িয়েছে মাসে ১৫০।
সাথী হয়েছি প্রায় ১০ বছর হতে চললো, এখনও সদস্য হতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালিন সভাপতি বেলাল হোসেন ভাইকে অক্ষেপ করে বললাম, ভাই সদস্য তো হতে পারলামনা । তিনি বললেন তোমাকে তো সদস্য বানাতেই চাই । কিন্তু তুমি নামাজ কাজা বন্ধ করতে পারোনা। বই গুলো শেষ করতে পারনি। - কথাটা মিথ্যে ছিলনা। একশ পনেরটা বই পড়তে হয় সদস্য হতে হলে। আমার তখনও বই বাকি প্রায় ৪৫%। আর নামাজ বিগত ছয় মাসের মধ্যে কাজ্বা থাকতে পারবেনা। আমার দুই-তিন মাস পরপরই নামাজ কাজ্বা হয়ে যেত।
আলহামদুলিল্লাহ, এখন আমি সদস্য- প্রার্থী। গত ১০ মাসে আমার নামাজ কাজা নেই । এখন বই বাকি ১৫টি। তবে প্রতিটিই প্রায় ৩০০পৃষ্ঠার ওপরে।
আমি বর্তমানে একজন ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আমার ওয়ার্ডে সাথী সংখ্যা ১০। এক ঝাক কর্মী তো রয়েছেই। সাথীদের মধ্য থেকে ১০ টাকা থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত মাসে এয়ানত(চাঁদা) দিয়ে থাকে। আর কর্মীরা যে যার সামর্থ অনুযায়ী, তবে মাসিক। এছাড়া প্রতিমাসে বিভিন্ন শুভাকাঙ্খিরা টাকা দিয়ে থাকেন। উর্ধতন সংগঠনকে মাসে পরিশোধ করি ১৪০০ টাকা। অবশিষ্ট টাকা দিয়ে ওয়ার্ডের বিভিন্ন প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করে থাকি। বিশেষ টাকার প্রয়োজন হলে কর্মীভাইদের নিকট সমস্যা তুলে ধরি, শুভাকাঙ্খীদের কাছে যাই। তারা সাধ্যমত দান করেন। আশা করি শিবিরের টাকার বিষয়টি স্পষ্ট করতে পেরেছি।
শিবির করতে এসে আমার জীবনের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কুরআন পাঠ করতে হয়। কম হলে কৈফিয়ত দিতে হয়। এ ছাড়া হাদিস, ইসলামী সাহিত্য, পাঠ্যপুস্তক এগুলোও নিয়মিত করতে হয়। এবং প্রত্যেকটির জন্যই জবাব দিতে হয়। আমিও আমার ওয়ার্ডের সাথীদের এই বিষয়গুলো সাধ্যমত তদারক করার চেষ্টা করি। সাথীরা তদারক করে কর্মীদের। আমি সব কর্মীদের নিকট যাওয়ার সুযোগ পাইনা।
মাদ্রাসায় পড়িনি তবে কুরআন তেলাওয়াতে তাদের কারো চেয়ে অশুদ্ধ হবেনা আশা করি। ব্যক্তিগত জীবনে পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করি। রাস্তায় নামলেই সাথী, কর্মী, সমর্থকদের চোখের প্রহরায় থাকি। অর্থাৎ নফসের প্ররোচনায় পড়ে অনৈতিকতার পথে পা বাড়াতে গেলেও শিবির এবং ওয়ার্ড সভাপতি পরিচয় আমাকে বাধা দেয়। পরীক্ষার হলে যে যা কিছূ করুক, আমি ঘাড় ফিরাতে গেলেও আমার অবস্থান আমাকে বাধ্য করে মাথা সোজা রাখতে। এক অদৃশ্য প্রোটেকশন আমাকে সোজা পথে চলতে বাধ্য করে। এ তৃপ্তি, এ প্রশান্তি বর্ণনা করে বলা অসম্ভব। বন্ধুরা নিজেরা যে যাই বলুক, আমি উপস্থিত থাকলে হিসেব করে কথা বলে। আমার অনেক লীগ, দল, এবং বাম বন্ধূ রয়েছে। এক ছাত্রলীগের বন্ধুর বক্তব্য হচ্ছে- "দোস্ত, অনেক শিবির পিটাইছি, সামনেও পিটাব, তবে নিশ্চিত থাক, তোমার গায়ে হাত তুলবো না, কাউকে তুলতেও দেবনা।" হ্যা এটাই আমাদের নৈতিক অস্ত্র।
শিবির কর্মী হিসেবে আমি মনে করি, ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। আর ইসলাম একাকি পালন সম্ভব নয়। আল্লাহর রসুলের দেখানো পথেই ইসলাম পালন করতে হবে। ছাত্রদের মধ্যে ইসলামের কাজকরা দলগুলোর মধ্যে শিবিরকে সবচেয়ে পারফেক্ট মনে হয়েছে, তাই শিবির করি। তবে আমরা নিজেদেরকে ইসলামের সোল এজেন্ট মনে করিনা। বাংলাদেশের খুব স্বল্প সংখ্যক ছাত্রই শিবির করে। বাকিরা সবাই খারাপ, ভুলেও এমন কথা বলিনা। শিবির করেনা এমন অসংখ্য ছেলে আছে যারা আমার চেয়ে ভাল। তবে ভাল বানানোর সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা হিসেবে বাংলাদেশে শিবিরকেই সবচেয়ে ভাল মনে হয়েছে। আমরা প্রত্যেকটি ইসলামী দলকে শ্রদ্ধা করি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে কথা বললেও আমরা নিশ্চুপ থাকি। আওয়ামী লীগ বিএনপির নীতির প্রতি আমাদের বিরোধিতা রয়েছে, কিন্তু ব্যাক্তি হিসেবে কোন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর প্রতি আমাদের কোন ঘৃণা নেই।
অগোছালো অনেক কথাই বললাম। বিশেষ কোন প্রশ্ন থাকলে আসতে পারে। অনেকেই হয়তো রাজাকার বলে গালি দিবেন। অসুবিধে নেই। রাজাকার শব্দের অর্থও যখন জানিনা, সেই শৈশব থেকেই রাজাকার গালি শুনে আসছি। প্রথম প্রথম কান গরম হয়ে যেত। নালিশ করতাম নেতাদের কাছে। এখন সয়ে গেছে। এখন আবার কর্মীরা আমার কাছে এসে নালিশ করে। আমি শান্তনা দেই । আর অশ্লীল কথা বলবেননা দয়া করে। আমার ক্লাসমেটরা পর্যন্ত আমার সামনে অশ্লীল কথা বলা থেকে বিরত থাকে। আজকের মত এখানেই ।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: দেখুন, শিবিরের বড় কোন নেতা আমি নই, তবে অভিজ্ঞতা একেবারে কম নেই। শিবিরের কথা বললে রাজাকার ইস্যুতে সকলের দৃস্টি অন্য দিকে ফিরিয়ে নেয়ার চেষ্টা হয় সবসময়। আমি আপনার পাতা ফাদে পা দেবনা ।
১. রাজাকার ইস্যুতে এই ব্লগে যথেষ্ঠ অলোচনা হয়েছে। আমি নতুন কোন আলোচনার সুত্রপাত ঘটাবোনা।
২. প্রশ্নটি জামায়াতের সাথে সম্পর্কিত।
৩. যে কোন অপরাধেরই বিচার হওয়া উচিত।
৪. মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।
ক্যাচাল বলেছেন:
খুব সুন্দর , খুব সুন্দর। তো, আপনার সাহসিকতার দুই একটা গল্প শুনান আমাদের!
নিপুপাওয়ারফুল বলেছেন:
সুন্দর এবং পরিপূর্ণ পোষ্টটাকা তো সংগঠনকে দিয়েই যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ ওপারে ফেরত পাবো ।
বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন:
"এসএসসি পরীক্ষার পূর্বেই শিবিরের সাথী হিসেবে শপথ নিয়েছি।"প্রগ্রামড করা। এদের প্রশ্ন কইরা লাভ নাই
মদনবাবু বলেছেন:
রগ কাটসেন কয়জনের জনাব ।
লেখক বলেছেন: এখনও সুযোগ হয়নি!
নিপুপাওয়ারফুল বলেছেন:
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:....২. আপনাদের বড় বড় নেতারা যে রাজাকার ছিলেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় হাজারও অপকর্ম করেছেন, সেটি একটি বাস্তব সত্য কথা।-এটা একসময় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলাম। তবে এখন নিশ্চিত জামায়াতে ইসলামীর নেতারা পাকিস্তান বিভক্তির বিরোধীতা করলেও কোন রকম অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত ছিলেন না, থাকতে পারেন না ।
একজন মন্ত্রী থাকা অবস্থায় আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ তার বাসায় সকালে মিটিং করতে দেননা প্রাক্তন শিবির সভাপতিদের কারন তাহলে সকালের নাস্তা করাতে হবে । আর এটা করা তার অর্থনৈতিক সামর্থের বাহিরে । এমন মানুষদের তুলনা তো ইসলামের সোনালী যুগের মানুষদের সাথেই হতে পারে । কি করে তাদের সম্পর্কে মিথ্যা প্রপাগান্ডা বিশ্বাস করি। ৭১ পরবর্তী প্রজন্ম তো দেখেছে স্বাধীনতার মালিক দাবিদারদের দুর্নীতি-অনাচার-হত্যা-সন্ত্রাস -ব্যাঙ্ক ডাকাতি-অরাজকতা-স্বেচ্ছাচার। তাই এটাই আমাদের কাছে "বাস্তব সত্য কথা"-
চিন্হিত নেকড়ে বাঘ যদি ভেড়াকে বলে তোর দাদা আমার জল ঘোলা করেছিলো- কেন আমরা বিশ্বাস করবো। নেকড়ে বাঘকে তো সবাই চেনে। আপনারাও চেনেন।
ক্যাচাল বলেছেন:
এক ছাত্রলীগের বন্ধুর বক্তব্য হচ্ছে- "দোস্ত, অনেক শিবির পিটাইছি, সামনেও পিটাব, তবে নিশ্চিত থাক, তোমার গায়ে হাত তুলবো না, কাউকে তুলতেও দেবনা।" হ্যা এটাই আমাদের নৈতিক অস্ত্র। মানলাম, আপনি ভালো। কিন্তু আপনার অন্য শিবির বন্ধুরা পিটা খায় কেন? তারা কি খারাপ? ''আমাদের নৈতিক অস্ত্র'' - এই কথাটা কি তাহলে ঠিক হলো?
লেখক বলেছেন: বন্ধুটি সব শিবির কর্মীর বন্ধু না।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
এইতো আবার প্যাচানো শুরু করলেন। আমি গালিও দিচ্ছি না, আমি আলোচনা করতে চাচ্ছি,সেখানে না এসে প্রমাণ দিলেন যে আসলেই আপনারা দুর্বল। ভুল করেছেন, করে চলছেন। ২ নং প্রশ্নের জবাব দিলেন না কেন? আপনি একজন শিবীর কর্মী, শিবির হচ্ছে জামাতের সংগঠন। আপনাদের নেতারা হেন কোন অপকর্ম নাই যে ৭১ এ করে নাই - এমন লোক আপনাদের নেতা, এটি নৈতিকভাবে কতটুকু গ্রহনযোগ্য?
অপকর্মের লোকদের নেতা ভেবে আপনারা যদি সততার বুলি আউরান, এটা কি হাস্যকর নয়?
লেখক বলেছেন: যদি বলি- বঙ্গবন্ধু হেন কোন অপরাধ নেই যা করেননি, মানবেন? ৩০/৪০ বছর পার হলো অপরাধের কোন বিচার করতে পারলেননা, তার অর্থ কি এই দাড়ায়না যে আসলে তারা অপরাধ করেননি? এ পর্যন্ত যারাই ক্ষমতায় ছিলেন তারাই চেষ্টা করেছেন জামায়াত শিবিরকে ঘায়েল করতে, নির্মূল করতে, হত্যা করেছে ১৩৫ জন শিবির কর্মীকে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে। কিন্তু
তাদের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ প্রমাণিত হয়নি।
হলদে ডানা বলেছেন:
আপাতত নামাজে যাচ্ছি। সম্ভব হলে এসে আবার ।
আপনি আপনার রাজনৈতিক অবস্থান, ধর্মীয় অবস্থান
বলতে-ব্যাখ্যা করতে
যে পেরেছেন তার জন্য
congratulations.
Grand welcome to You...
লেখক বলেছেন: একটু বেশি হয়ে গেলনা?
ঐ ভদ্রলোক কি আপনি নিজে?
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
@নিপুপাওয়ারফুল, কি করে নিশ্চিত হলেন? হাজার হাজার ভিকটিম আছে যারা প্রত্যক্ষভাবে নির্যাতনের স্বীকার। তাদের কথা মিথ্যা?????মুজাহিদি নিজের টাকায় নাস্তা না করালেও সমাজকল্যাণের সব ফান্ড ঠিকই জামাতের সংগঠনকে দিয়েছেন। কোন ধরনের নৈতিক সিন্ধান্ত এটি?
লেখক বলেছেন: বায়বীয় বক্তব্য।
ঐ দু মন্ত্রীর দিকে সবগুলো মিডিয়ার সার্চ লাইট ছিল পাচটি বছর। নিজামী সাহেব এলাকার রাস্তার গাছ কাটার আবেদনে লিখেছিলেন - বিধি অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেয়া হোক- এই নিয়ে মিডিয়ার সে কি মাতামাতি।
গ্যাটকোর বিষয় প্রধানমন্ত্রীর (সাবেক) সাথে সম্পর্কিত, নিজামী সাহেব শুধূ কমিটির বৈঠকে ছিলেন, তাতেই তার বিরুদ্ধে মামলা, আর মুজাহিদ সাহেব সব টাকা আত্মসাৎ করে চুপচাপ বসে আছেন! পাগলেও বিশ্বাস করবেনা।
ক্যাচাল বলেছেন:
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৮ লেখক বলেছেন: বন্ধুটি সব শিবির কর্মীর বন্ধু না।
তার মানে ''শিবিরের আদর্শ'' আপনার অস্ত্র নয় , আপনার ''অস্ত্র হচ্ছে বন্ধুত্ব''? এটাই তো স্বিকার করে নিলেন?
ব্যাক্তিগত ভাবে আনসার ভাই নামে এক ইউনি এর শিবির প্রেসিডেন্টকে আমি খুব ভালোবাসতাম, উনি ও আমাকে। তো একবার উনার সামনেই তিন-চারটা শিবির রে ধুম পিটাইলাম। উনি তো পরলেন বিপদে!
উনি পরে আমাকে বললেন, '' আমার সামনে মারতে গেলে কেন?''
শুনেন ডানা ভাই, বন্ধুত্বের চেয়ে বড়ো কোন অস্ত্র নাই। আপনার বন্ধু টা না থাকলে আপনি ও অনেক পিটা খাইতেন!
লেখক বলেছেন: পিটান খেতে আমার কোন আপত্তি নাই।
এখন দেখুন শিবিরের আদর্শ হৃদয়ঙ্গম করতে হলে তো শিবির কর্মীর কাছে আসতে হবে। বন্ধু না হলেও পরিচিত হতে হবে।
আর নৈতিক অস্ত্র বিষয়টা এমন নয় যে এটি সকল বাধা প্রতিরোধ করবে। এটি প্রতিপক্ষের মন দূর্বল করে দেয়। একজন যখন জানে যে যাকে মারছি সে আমার চেয়ে উত্তম, তার কোন দোষ নেই, স্বাভাবিক ভাবেই সে প্রতিপক্ষর কাছে নৈতিকভাবে দূর্বল থাকে। মোটকথা নৈতিক অস্ত্র সামগ্রীক পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলে।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটির নৈতিকঅস্ত্র ছিল অতুলনীয় ধারাল। তারপরও তাকে মার খেতে হয়েছে।
তাই এত ভাল সাজার কোন কারন নেই। সবাই জানে জামাত কি আর শিবির কি।
হলদে ডানাকে প্রশ্ন যদি এখন আবার কোন হানাদার বাহিনী আমাদের দেশ দখল করে নেয় তবে তুই কি তোর বাপেদের মত এদেশের মা-বোনদের গনিমতের মাল বলে ধর্ষণ করার জন্য হানাদারদের বিছানায় তুলে দিবিনা?
দিবি, তুই দিবি। কারন তোর জামাত-শিবিরের বাপেরা ৭১ সালে তুলে দিয়েছিল।
লেখক বলেছেন: জিঘাংসা তাড়িত বক্তব্য। উত্তর পাওয়ার জন্য আপনি প্রশ্ন করেননি।
কোবরা বলেছেন:
"একজন মন্ত্রী থাকা অবস্থায় আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ তার বাসায় সকালে মিটিং করতে দেননা প্রাক্তন শিবির সভাপতিদের কারন তাহলে সকালের নাস্তা করাতে হবে"
নিপুপাওয়ারফুল @তোমার মুজাহিদ আব্বায় শুনলাম উত্তরায় বাড়ী খিচতাছে পয়শা কই থিকা আইলো?
লেখক বলেছেন: একটু হস্তক্ষেপ করি
আমি যতটুকু জানি যায়গাটুকুতে ডেভলপারের সাহায্যে বাড়ি নির্মিত হচ্ছে। আর সিস্টেম সম্ভবত আপনার জানা । ডেভলপাররা নিজ খরচে বাড়ি করে। অর্ধেক যায়গার মালিকের, অর্ধেক ডেবলপারের। এছাড়া তার এক সন্তান গ্রামীন ফোনে চাকরী করে। আরেক সন্তান প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
মদনবাবু বলেছেন:
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৪মদনবাবু বলেছেন: রগ কাটসেন কয়জনের জনাব ।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৬
লেখক বলেছেন: এখনও সুযোগ হয়নি!
বাহ্ । চমৎকার তো । আপনে কীমন সাথি ?
নিপুপাওয়ারফুল বলেছেন:
মোসতফা মনির সৌরভ , @নিপুপাওয়ারফুল, কি করে নিশ্চিত হলেন? হাজার হাজার ভিকটিম ....
হাজার হাজার । মানে কত হাজার । আপনি আজই মামলা করে দিন। একটা মামলা জিততে কতজন সাক্ষী লাগে ? আলু চোরকে দিয়ে মামলা করাবেন না দয়া করে- আপনি নিজে করবেন !!!
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
@নিপুপাওয়ারফুল, প্রথম কথা - এই মামলাগুলো সরকারের করা উচিত, জন গণ নয়, আর এই সুযোগটাই নিচ্ছেন আপনারা। দয়া করে মিরাজ ভাইয়ের ব্লগে যান, এস্কিমো এবং অমি রহমান পিয়ালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পোস্টগুলো দেখুন।আপনাদের নেতাদের অপকর্মের কথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোপন নথিতে আছে যা দেশ স্বাধীনের সময় পাওয়া যায়, সমস্যা হচ্ছে তা জন গণের জন্য উন্মুক্ত নয়। আর এখন সরকারের ভিতর তো আপনাদের লোক রয়েছেই। ভিকটিম অনেকেই আমি চিনি। সে নিয়ে তর্কে করতে গেলে প্যাচাবেন, অলরেডী প্যাচানো শুরু করেছেন।
কিভাবে নিশ্চিত হলাম? আপনি কি নিশ্চিত যে আপনার মায়ের পেটে আপনার জন্ম হয়েছে? যদি নিশ্চিত হয়ে থাকেন তবে কিভাবে? কারন জন্মের সময় তো আপনি কিছু বুঝেননি, তাই না? জন্মের পরে দেখেছেন ইনিই আপনার মা। আর আমি জন্মের পর দেখেছি এই দেশ আমার মা, এই দেশের উপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা শুনেছি। আপনি আপনার মা সম্পর্কে যেভাবে নিশ্চিত হয়েছেন, আমিও এই দেশের অগনিত মানুষের নির্যাতন সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছি।
মুক্তিযুদ্ধের সময় জামাত এর বিরোধিতা করে সবচেয়ে বড় ভুল করেছিল। সেই ভুলকে আর টানবেন না। স্বীকার করুন। একদিন না একদিন এই দেশের মাটিতে বিচার হবেই।
লেখক বলেছেন: চেষ্টায় আছি। আপনার ব্রেণ ওয়াশ করতে না পারলেও অন্যেরটা চেষ্টা করছি। আবার অনেকের ব্রেণ এমনিতেই ওয়াশ হয়ে যাচ্ছে। আসুন উভয়েই চেষ্টা করি।
আপনাকে শিবিরের দাওয়াত দেইনা। তবে বিবেক খোলা রাখতে বলি। বিবেক যদি বলে শিবির ভালনা, নো প্রবলেম।
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ সাহসী পোষ্টের জন্য।যুদ্ধাপরাধের যে অভিযোগ জামাতের এবং এর অংগ সংঘটনের নেতাদের উপর আনা হয়েছে এই ব্যাপারে নতুন প্রজন্মের জামাত এবং শিবির নেতা কর্মীদের একটি সঠিক এবং ষ্পষ্ট অবস্হান গ্রহন করা উচিত।
ইসলাম ব্যক্তি কিংবা দলনির্ভর ধর্ম নয়। অসত ও অন্যায় নেতৃত্ব মেনে নিলে তা হবে ইসলাম বিরুদ্ধ। বিচারের দিনে প্রত্যেককে স্রষ্টার সম্মুখীন হতে হবে একাকী, দলবদ্ধভাবে নয়। তাই আপনি যদি জেনেশুনে একজন খুনী কিংবা জঘন্য অপরাধীর নেতৃত্ব মেনে নেন তাহলে সেজন্য আপনাকে স্রষ্টার কাছে জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে। না জানা থাকলে জানার দায়িত্বটিও আপনার।
আর আপনার কাছে একটি প্রশ্ন আর তা হল জামাত একটি রাজনৈতিক দল বৈ কিছু নয়, তাই কখনোই যেন আপনার মুসলমান পরিচয়টিকে ছাপিয় অন্য কোন পরিচয় মুখ্য না হয়।
ক্যাচাল বলেছেন:
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৮ লেখক বলেছেন: বন্ধুটি সব শিবির কর্মীর বন্ধু না।
তার মানে ''শিবিরের আদর্শ'' আপনার অস্ত্র নয় , আপনার ''অস্ত্র হচ্ছে বন্ধুত্ব''? এটাই তো স্বিকার করে নিলেন?
ব্যাক্তিগত ভাবে আনসার ভাই নামে এক ইউনি এর শিবির প্রেসিডেন্টকে আমি খুব ভালোবাসতাম, উনি ও আমাকে। তো একবার উনার সামনেই তিন-চারটা শিবির রে ধুম পিটাইলাম। উনি তো পরলেন বিপদে!
উনি পরে আমাকে বললেন, '' আমার সামনে মারতে গেলে কেন?''
শুনেন ডানা ভাই, বন্ধুত্বের চেয়ে বড়ো কোন অস্ত্র নাই। আপনার বন্ধু টা না থাকলে আপনি ও অনেক পিটা খাইতেন!
নিপুপাওয়ারফুল বলেছেন:
জামায়াতের নেতাদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন এমন কোন ভিক্টিমকে চিনলাম না, খুঁজে পেলাম না-আফসোস ।খুজে পাচ্ছি, আওয়ামী হায়েনাদের বর্বরতায় প্রকাশ্য রাজপথে" ভিডিও ক্যামেরার" সামনে পান্জাবী-টুপি পড়াদের মৃত্যুর ছবি আর বর্বরদের লিডারদের আস্ফালন, এক লাশের বিরুদ্ধে ১০ লাশ, লগি-বৈঠা নিয়ে ররাস্তায় নামার আহবান।। আরো খুজে পাচ্ছি, সর্বহারাদের লাল বিপ্লবের স্বপনের খবর প্রায় প্রতিদিন খবরের পাতায়। জামায়াত সম্পর্কিত খবরগুলি ২ দিন পরে মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়ে যায় আর অন্য প্রমানগুলি মানুষ সিডি প্লেয়ার ভাড়া করে এনে দেখে প্রতিদিন ।
বাস্তবতা আমি অস্বীকার করিনা- আমাদের ৩০ থেকে ১০ বছর বয়সী চোখগুলি (৭৬ থেকে ২০০৭-!!!!!!!)এমনটাই দেখতে পাচ্ছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ।।
বুমবুম বলেছেন:
জামাত কি সামহ্যোয়ারে দৈনিক ভাতা বৃদ্ধি করিয়াছে নাকি???
লেখক বলেছেন: আমি এখনও পাইনি। আমার নামটা দয়া করে জমা দিয়েন। জীবনে টাকা দিয়েই এলাম। এবার যদি পাওয়া যায়। এই যে এতক্ষণ ধরে কম্পিউটারের সামনে বসা। এরও তো একটা দাম আছে , নাকি?
কোবরা বলেছেন:
মাহিরাহি @জাতি ভাই এর পোষ্ট দেইখা আর চুপ কইরা বইসা থাকতে পারলেন না?
এতো ভয় পান কেন, জামাত করেন তা বললে তো হয় আমরা তো আর ভার্চুয়ালি আপনাগো গদাম কইরা লাথি দিতে পারুমনা....।
লেখক বলেছেন: উর্দুটা এখন পর্যন্ত শিখতে পারিনি। কোন ভাল গাইডেবুকের লিংক দিন।
ডোরাকাটা বলেছেন:
আরে মহাজন ভাই, দেশের ক্যান, হে নিজের মা বোন রে রাজাকারের বিছানায় তুইলা দিবে।
লেখক বলেছেন: আমার মা বোন হিজাবের সাথে চলাফেরা করেন। বোনদের কে গাইড করি শালীনভাবে চলার জন্য। আপনার বক্তব্যটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে যারা মা বোনদেরকে জাতীয় প্রদর্শণীর বস্তু বিবেচনা করে।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
যা নিয়ে কথা হচ্ছে সেটি না বলে অপ্রাসংগিক কথা বলে আবারো দূরে সরে যাচ্ছেন। রাজাকার ছিল , আল বদর ছিল। তারা হেন অপকর্ম নাই যে করে নাই। এদের বিচার একদিন হবেই।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই। সব অপরাধেরই বিচার চাই।
নতুন বলেছেন:
@ হলদেডানা...আপনি নামায কাজা করেননা...১৫০ বই পড়েছেন ( বাঝাতে চেয়েছেন যে শিবির কমি`রা ভালো ছেলে...তা আমি মানি..
((কারন আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটির পরিবার আ:আ: মুজাহিদের পরিবাবের খুবভালো বন্ধু...))
শিবির কমি`রা ভালো কিন্তু ....একটি ভুল ধারানা এদের মাথায় এদের নেতা রা ঢুকিয়ে দেয়...
১।রাজাকার ইস্যুতে আপনার মত কি?
আপনি বেক্তিগত ভাবে ভালো প্রকৃতির ধরে নিচ্ছি...আপনার কথায় তা বোঝা যায়...
বাংলাদেশি হিশেবে আপনি আমাদের ১৯৭১ এর যুদ্ধ এবং সেই সময়ের রাজাকার বাহিনির ....ঘটনা আপনার নিজের অনুভুতি টুকু আমাদের জানান....
লেখক বলেছেন: পুরোপুরি জিঘাংসা তাড়িত না বলেই মনে হচ্ছে। জবাবটা দিচ্ছি।
আসলে আমার মনে করায় কি আসে যায়। তারপরও বলছি।
একাত্তরে রাজাকার আলবদর ছিল। নির্যাতন হয়েছে। এদেশীয় এজেন্টরা নির্যাতন করেছে। সন্দেহ নেই। জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, তাতেও সন্দেহ নেই। কিন্তু সে সময় জামায়াত খুব স্বল্প মানুষের একটি দল ছিল। বিরোধিতা প্রায় প্রতিটি ইসলামী দল করেছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে জামায়াত বিরোধিতার সাথে সাথে এই অপরাধগুলো করেছে কিনা। অর্থাৎ এসব অপরাধের সাথে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ জড়িত ছিল কিনা। এখানেই আমার সন্দেহ।
১. যদি তাই হত তাদেরকে আরো আগেই নির্মুল করা হতো। পান থেকে চুন খসলে যাদের রক্ষা নেই তারা কিভাবে এই অপরাধে রক্ষা পেলেন।
২. স্বাধীনতার পরবর্তী ৩৭ বছরে তাদের দ্বারা এমন অপরাধের কাজ আর ঘটেনি। একজন মানুষের মৌলিক চরিত্র ৩৬ বছর গোপন রাখা যায়না। গত ৫ বছরে তাদের চারিত্রিক নির্মলতা ( দুর্নীতি) মোটামোটি পরিস্কার। এই লোকগুলো একাত্তরে এমন অপকর্ম করেছে- বিবেক বিশ্বাস করতে চায়না।
তারপরও আদালতের মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা হলে আরো পরিস্কার হতো।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অবশ্যই। সব অপরাধেরই বিচার চাই।তাহলে স্বীকার করছেন যে- আপনি "গো আ,নিজামী, মুজাহিদী এদের বিচার চান?
অপরাধীরা হচ্ছে আপনাদের মূল নেতারা। আর সেই আপনারা এখন ভাল মানুষ হওয়ার সবক দেন। হাস্যকর।
লেখক বলেছেন: বিচার তো হবে সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে। বিচারে তো নির্দোষও প্রমাণিত হতে পারে। আপনি আগেই অপরাধী বলে রায় দিয়ে দিচ্ছেন কেন?
জামায়াতের একজন জনপ্রিয় সাবেক এমপির ত্রাণের টিন সম্পর্কিত অনিয়মের ব্যাপারে জামায়াতের নিজস্ব তদন্তে যখন তার সম্পৃক্তার প্রমাণ মেলে তখন তাকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করতে জামায়াত কি কোন দেরী করেছিল?
এ সংগঠনে কোন অপরাধী আশ্রয় পায়না। জনগন আপনাদের গলাবাজি বিশ্বাস করলে জামায়াত-শিবির অনেক আগেই বাংলাদেশ থেকে নির্মুল হয়ে যেত।
নিপুপাওয়ারফুল বলেছেন:
অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত !! হাসিনা আপা যদি সামান্য ইয়ে করে বিচারের মুখোমুখি পড়তে পাড়ে ,৭১ এ যারা এতবড় অপরাধ করেছে বলে আপনারা বলেন তাদের ও বিচার হওয়া উচিত । কবে যে কেউ চ্যালেন্জটার জবাব দিবে, "শিবির কারো রগ কেটেছে প্রমান করতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো-অথবা শিবিরকে বন্ধ করে দেব, না যেন এরকমই কিছু-নিজামী সাহেব বলেছিলেন সংসদ ভবনে দাড়িয়ে"@ সৌরভ
মাহিরাহি বলেছেন:
কোবরা আপনার বাপদাদাকি বাংলাদেশের দাদন নিয়াছে। মুক্তিযোদ্ধের সার্টিফিকেট আপনার কাছ থেকে লিবার কোন খায়েশ আমার নাই। দেওলিয়া চরিত্বের লোকেরাই কেবল অন্যদের আনুগত্যের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে।
ব্লগে দুএকটা ভাল কথা লেখে নিজেকে খুব বেশি কিছু মনে করাটা খুবই হাস্যকর। আপনাদের ভাবসাবে মনে হয় বিদেশে কয়টা ডলার কামিয়ে মুক্তিযোদ্ধের প্রসংগ এনে গালিগালাজ করলেই দেশপ্রেমের আসল পরিচয় পাওয়া যায়।
আপনারা যখন ইসলামের বিরুদ্ধে যখন অপপ্রচার চালান আমরা যারা নিরপেক্ষ ব্লগার তারা খুবই সংযমের পরিচয় দেই।
এখন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি রাজনৈতিক সম্বলিত যে কোন পোষ্ট এড়িয়ে যাব। কারন এদেশের রাজনীতি দলসর্বস্ব, এসব দলীয় লোকেরা সুযোগ পেলে দেশকে বেচে দিতেও পিছপা হবে না।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যা কথা বললেই তা জায়েজ হয়ে যায় না। মিথ্যা মিথ্যাই। সত্যি সত্যিই। আবারও অপ্রসাংগিক কথা টানছেন।
লেখক বলেছেন: এখানে মিথ্যার কি আছে? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংঘর্ষের ফলে আওয়ামী ঘরণার মিডিয়াগুলো শিবিরকে নিষিদ্ধ করার ঝড় তোলার চেষ্টা করে। এ অবস্থায় মাওলানা নিজামী সংসদে পরিষ্কার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন- সারা দেশে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথে যত সংঘাত হয়েছে তার কোনটিতে ইসলামী ছাত্রশিবির আগে হামলা করেছে এমন প্রমাণ কেউ দেখাতে পারলে আমি রাজনীতি করা ছেড়ে দেব।
মাওলানা নিজামীর এ চ্যালেঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের অবস্থান জাতির সামনে অনেকটাই পরিষ্কার করেছিল সেদিন। আর সে চ্যালেঞ্জ কেউ গ্রহণও করেনি।
রাগ ইমন বলেছেন:
যারা বাংলাদেশকে ভালো বাসেন এবং এই হলদে দানার পোস্ট পড়ে রাগের মাথায় ভাষার উপরে নিয়ন্ত্রন হারাচ্ছেন , তারা দয়া করে থামেন । এই ধরনের পোস্ট এবং ব্লগকে পরে নানা ধরনের ম্যানিপুলেশনে ব্যবহারের জন্য কিছু ব্লগারের সুবিধা করে দেবেন না । জামায়াত , শিবিরকে ঘৃনা করলে সেইটা ভদ্র ভাষাতেই বলুন । ফাঁদে পা দেন কেন আপনারা এত সহজে?
এখন আসি পোস্টের বক্তব্যে ঃ
১। পোস্টের লেখক যেই আদর্শের কথা বলে নিজেকে ভালো বলে "জাহির" করার চেষ্টা করছেন ( আজব কথা হলো , এই ধরনের আত্মপ্রচারনা ইসলামে নিষিদ্ধ) ,সেই আদর্শ বা জীবন বিধান হলো ইসলামের আদর্শ ।
ধর্ম কখনো খারাপ কিছু করতে বলে না। সুতরাং , ধর্মীয় আচরন মেনে চললে তার জীবনাচরন ভালো হওয়ারই কথা ।
তবে ঘটনা হলো , ভালো হইতে শিবির করার বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই । ভালো হইতে এমন কি ইসলাম পালনের ও কোনই প্রয়োজন নেই ।প্রয়োজন হলো নিয়ন্ত্রিত , কল্যানময় জীবন যাপন করা ।
মাদার তেরেসা কি মুসল্মান ছিলেন ?
উনি পরীক্ষায় নকল করা , রাস্তা ঘাটে কুপ্ররোচনার শিকার হয়েছিলেন? মনে হয় এই মহান মাতার পরিচয় দেওয়ার দরকার নেই। মাদার তেরেসা কি ছিলেন সেটা সবাই জানে ।
খুঁজলে , এই রকম বহু জানা , অজানা, চেনা অচেনা , বিখ্যাত -অখ্যাত মানুষ পাওয়া যাবে , যারা খুবই ভালো মানুষ । না তারা মুসলমান , না তারা শিবির করে ।
আপনি শিবির করে "ভালো মানুষ " হইলেন কি ভাবে ?
শিবির না করেও ইসলাম পালন করতে পারতেন । মানুষের জন্য কাজ করতে পারতেন । নৈতিক ভাবে শুদ্ধ থাকতে পারতেন । মানুষের জন্য কাজ করতে পারতেন । তাইলে ক্রেডিটটা খুব সুনির্দিষ্ট ভাবে " শিবিরের" পক্ষে গেলো কি ভাবে?
শিবির করলে মানুষ ভালো হয় - এই ধরনের কথা বললে আপনি নিজে খুব ভালো মানুষ হয়েছেন - এইটা কোন প্রমান না ।কোন গ্রহনযোগ্য কথা পর্যন্ত না ।
খুব সোজা করে বলি ।
১।বাংলাদেশে মোট কয়জন শিবির করে?
২। মোট সংখ্যার অনুপাতে তাদের ভিতর কয় জন নৈতিক ভাবে সৎ এবং শুদ্ধ জীবন যাপন করে ?
৩। যাদের দাবী করা হচ্ছে সৎ এবং শুদ্ধ মানুষ - তারা আসলেই সৎ এবং শুদ্ধ কিনা তার প্রমান কি ?
৪ । আপনি নিজে সত্যি কথা বলছেন , তার প্রমান কি?
মোট শিবির কর্মীর অন্তত ৭০-৮০% মানুষ যদি আপনার দাবীর পক্ষে প্রমানিত হয় , তাহলে এইটুক বলা যাবে ,
"শিবির করলে ভালো জীবনাচরনের সম্ভাবনা বাড়ে।"
আপনি দাবী করেছেন আপনি ভালো মানুষ । সঠিক পথে আছেন ।
নিরীহ বাংলাদেশীদের বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া "বাংলা ভাই" ও নামায কাজা করতেন না । নকল করতেন না ।নিয়মিত চাঁদা দিতেন এবং বই পড়তেন । আল্লাহ নামে তিনি নিরীহ , গরীব গ্রামবাসীদের পিটিয়ে , ফুট করে , খুন করে ইসলাম কায়েম করার চেষ্টা করেছিলেন ।মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তার ধারনা ছিলো , তিনি নির্ঘাত বেহেস্তের পথে আছেন ।
তো , বাংলা ভাইয়ের সাথে আপনার পার্থক্য কোথায় এই প্রশ্ন কি আপনাকে করা যায়? আগামী দশ কিংবা ১৫ বছর পরে আপনি বাংলাদেশকে বোমা মেরে উড়াবেন না , এই আশা কি করা যায়?
লেখক বলেছেন: বিশাল বক্তব্য, অনেকগুলো প্রশ্ন। কোনটা রেখে কোনটার জবাব দেই।
শুরুতেই একটি সংশোধনী দেই- আমি হলদে দানা নই হলদে ডান।
এবার প্রসঙ্গে আসি। একটা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যেই পুরো বিষয়টি পরিস্কার কারার চেষ্টা করবো।
মাদার তেরেসার সাথে আমার কোন তুলনাই হয়না। তিনি একজন মহিয়সি নারী। তবে তার সাথে নয় তার কাজের সাথে তুলনা করা চলে প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ স. এর নবুয়ত পূর্ব জীবনের। রসুল স. নবুয়ত পূবৃ জীবনেও সৎ ছিলেন, সে জীবনে কোন ভিন্ন নারীকে স্পর্শ করেননি। তিনি হিলফুল ফুযুল গঠন করে শান্তি আনার চেষ্টা করেছিলেন। এখন এটিই যদি জীবনের লক্ষ ও গন্তব্য হতো তবে আল্লাহ তায়ালা তার উপর ওহী নাযিল করে তাকে ঝঞ্ঝা বিক্ষুদ্ধ সংগ্রামের পথে টেনে আনতেননা।
আসলে ইসলামের বক্তব্য হচ্ছে- এ মহাবিশ্বের মালিক আল্লাহ তায়ালা। প্রতিটি গ্রহ নক্ষত্র এবং উর্ধাকাশের, ও সাগর তলের যা আমাদের জ্ঞানের বাইরে,সব কিছু তাঁর নির্দেশ মেনে চলে। আল্লাহ চান এই পৃথিবীতেও কেবলমাত্র তারই বিধান চলবে। সমগ্র বিশ্বজগত যেমন সুশৃঙ্খলভাবে চলছে, পৃথীবীতে আল্লাহর নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হলে এটিও সুশৃঙ্খলভাবে চলবে। অবশ্য তিনি চাইলে মানুষ তার নিয়ম আপনাআপনিই মেনে চলতো কিন্তু তিনি মানুষকে স্বাধীনতা দিয়ে পরীক্ষা করতে চান।
যাহোক, আল্লাহ তায়ালা তার নিয়মগুলো নবী-রাসুলদের নিকট পাঠিয়ে নির্দেশ দিলেন পৃথিবীতে তা প্রতিষ্ঠা করতে। মুহাম্মদ (স.) তার আংশিক শান্তির কাজ বাদ দিয়ে নেমে পড়লেন মানুষের মাঝে। দাওয়াত দিলেন, মদীনায় গেলেন, রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করলেন। ইসলামী সমাজ উপহার দিলেন। সব ধরনের দুরিয়াবী, বস্তুগত ও আত্নিক শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হল।
এখন প্রতিটি মুসলমানকেও আল্লাহতায়ালার একই নির্দেশ। নেমে পড়। মানুষকে দাওয়াত দাও। রাসুলের দেখানো পন্থায় পৃথিবীতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করো। অতএব, মাদার তেরেসারা ইসলামের মডেল হতে পারেনা। ইসলামী ব্যবস্থা হাজার গুণে উত্তম- সমগ্র পৃথীবীর জন্য, সমগ্র সৃষ্টির জন্য। এটি আংশিক নয়, পরিপূর্ণ শান্তির সূত্র।
এক্ষেত্রে ইসলাম চরমপন্থা অবলম্বনের সুযোগ রাখেনি। তাহলে নূহ আ. কে সাড়ে নয়শত বছর অকথ্য গালিগালাজ আর নির্যাতন সহ্য করতে হতনা। অসংখ্য নবীকে নির্মমভাবে শহীদ হতে হতোনা। ইসলাম একটি গনতান্ত্রিক পন্থা এই অর্থে যে কোন জনপদের অধিবাসীরা চাইলেই কেবল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে। যে নবীর জনপদ চেয়েছে, সেখানে ইসলাম বিজয়ী হয়েছে।
তাই কেউ যদি ইসলামের নামে চরমপন্থা অবলম্বন করে, তার দায়ভার ইসলামের নয়।
বাংলাদেশে ছাত্রদের নিয়ে রাসুল স. এর দেখানো নিয়মে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজ যারা করছে তাদের মাঝে ইসলামী ছাত্রশিবিরকেই আমার সবচেয়ে পারফেক্ট মনে হয়েছে। তাই আমি এখানে। ব্যাক্তিগতভাবে আমার চেয়ে বা একজন শিবির কর্মীর চেয়ে যে কেউ ভাল হতে পারে এবং আছেও। কিন্তু ইসলাম যেহেতু সামষ্টিকভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে বলে, সামষ্টিকভাবে সমাজ সংশোধনের কথা বলে তাই আমাকে সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত হয়ে সংশোধনের চেষ্টায় আত্ননিয়োগ করতে হয়।
অনেক কথা বললাম, আপনার প্রশ্নগুলো আরেকবার স্ক্রীনিং করে দেখি কি কি বাদ পড়লো, পরবর্তীতে জবাব দেয়ার চেষ্টা করাবো ।
নিপুপাওয়ারফুল বলেছেন:
বাহ, রাগইমনের ওপর শ্রদ্ধা আসলো। "জামায়াত , শিবিরকে ঘৃনা করলে সেইটা ভদ্র ভাষাতেই বলুন-ধন্যবাদ"মাদার তেরেসা পৃথিবীর মানুষের শ্রদ্ধা পেয়ে হয়তোবা পুরোটুকু পেয়ে গেছেন। জানিনা মৃত্যুর সময়ে তিনি কোন অবস্থায় ছিলেন । আশা করবো এমন ভালো একজন মানুষ শেষমুহূর্তে হলেও আল্লাহকে চিনতে পেরেছিলেন অথবা এমনও হতে পারে তিনি অনেক আগেই চিনেছিলেন যা আমরা জানিনা অথবা তিনি আমাদেরকে বলে যান নি ।
আমরা দুনিয়া ও পরকালিন জীবন উভয় জায়গার কল্যান চাই। যুক্তি চাইলে দেয়া যাবে তবে তার প্রয়োজন নেই । এটা আমার বিশ্বাস এটুকুই আপাতত যথেষ্ট !!!
ইবনে সালাম বলেছেন:
রাগ ইমন বলেছেন- আগামী দশ কিংবা ১৫ বছর পরে আপনি বাংলাদেশকে বোমা মেরে উড়াবেন না , এই আশা কি করা যায়? ---এই আশা করা যায়। শিবির গঠিত হয়েছে ৩০ বছর হয়। তারা এখন পর্যন্ত কোন জঙ্গীবাদী তৎপরতা চালায় নি। উপরন্তু তাদের শতাধিক নেতাকর্মী সন্ত্রাসের শিকার হলে প্রাণ দিয়েছে।
আর পরিপূর্ণভাবে ইসলামকে পালন করতে হলে অবশ্যই ইসলামী সংগঠন করতে হবে। এব্যাপারে আপনি আরো পড়াশুনা করুন। তাহলে বুঝবেন।
রাগ ইমন বলেছেন:
"রাস্তায় নামলেই সাথী, কর্মী, সমর্থকদের চোখের প্রহরায় থাকি। অর্থাৎ নফসের প্ররোচনায় পড়ে অনৈতিকতার পথে পা বাড়াতে গেলেও শিবির এবং ওয়ার্ড সভাপতি পরিচয় আমাকে বাধা দেয়।" মানুষের চোখ আপনার প্রহরা , আপনার নৈতিকতা বোধ নয় !!! এইটা আপনার ঈমানের দুর্বলতা প্রমান করে । অবাক হইলাম এইটা নিয়ে আপনার গর্ব দেখে । আমি তো ভাই , একলা নির্জন জায়গাতেও অনৈতিক কাজ করতে পারি না , কারন একটাই " কাজটা অনৈতিক" । যতদূর জানি , একজন সত্যিকার মুসলমানের প্রহরা হওয়ার কথা তাঁর নিজের "বিবেক" । আর আল্লাহর ভয় । মানুষকে ভয় করা শিরকের দিকে চলে গেলো না?
পরীক্ষার হলে যে যা কিছূ করুক, আমি ঘাড় ফিরাতে গেলেও আমার অবস্থান আমাকে বাধ্য করে মাথা সোজা রাখতে। এক অদৃশ্য প্রোটেকশন আমাকে সোজা পথে চলতে বাধ্য করে। -----
এইটার সাথে শিবিরের কি সম্পর্ক ? সৎ হইলে ঘাড় ঘুরানোর কথা আসবেই বা কেন?
শুনেন , জীবনের ১০ বছরের স্কুল জীবনে ক্লাস টু থেকে টেন পর্যন্ত ৮ বছর ক্লাস ক্যাপ্টেন ছিলাম । নিজে তো কোন দিন ঘাড় ঘুরাই নাই , ক্লাসের ১৮০ টা ছাত্রছাত্রীকেও ঘাড় ঘুরাইতে দেই নাই। এবং বেশির ভাগই নকলের চেষ্টা করে নাই কোন দিন । এরা কেউই তো শিবির করে না । নামায ও অনেকেই পড়ে না । কিন্তু সৎ থাকতে পছন্দ করে ।এর ভিতর ---শিবির করলে সৎ থাকা যায়--- থিওরীটা বড়ই আচানক লাগিতেছে ।
এ তৃপ্তি, এ প্রশান্তি বর্ণনা করে বলা অসম্ভব। বন্ধুরা নিজেরা যে যাই বলুক, আমি উপস্থিত থাকলে হিসেব করে কথা বলে। ----
তা , এইটার কারন আপনি শিবির করেন? নাকি আপনি বাজে কথা পছন্দ করেন না , তাই ? আপনার বন্ধুরা আপনাকে শ্রদ্ধা করে , এর সাথে শিবির করার কি সম্পর্ক ?
বন্ধুত্বের প্রথম শর্তই হলো পারস্পরিক মমতা এবং শ্রদ্ধা । এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে কখনো কষ্ট দিতে চায় না ।অপমান করতে চায় না । আপনার বন্ধু ভাগ্য ভালো বলতে হবে ।কিন্তু , সেইটার কারন হিসেবে শিবিরের গুন গাওয়ার তো কোন কারন দেখি না!
লেখক বলেছেন: দেখুন ইসলাম চায় এমন একটি সমাজ হবে যেখানে প্রত্যেক নাগরিক হবে অপর নাগরীকের সংশোধক ও চরিত্রের হেফাজতকারী। এমন একটি সমাজ হলে নৈতিক কি সামাজিক অপরাধগুলো হ্রাস পায়। এই সব কিছুকে উপেক্ষা করেও যে অপরাধে লিপ্ত হয় তার জন্য রয়েছে শাস্তি। ইসলাম যদি শুধূ অন্তরের ওপর ভরসা করেই ছেড়ে দিত, তাহলে এর ভেতরে আবার শাস্তির বিধান রাখতোনা। ইসলাম যদি মনের উপরই ছেড়ে দিত তাহলে পর্দার বিধান রাখা হতোনা। ইসলাম চায় সামগ্রীক সমাজটাই হবে অপরাধ প্রতিরোধক।
আমি তেমন একটি সমাজ না পেলেও এ সংগঠনে এসে সে সমাজের একটি আমেজ পাচ্ছি- সে কথাই বলতে চাচ্ছি। এখানে একজন অপরজনের হেফাজতকারী।
রাগ ইমন বলেছেন:
আমার প্রশ্ন গুলো হলদে দানাকে করা হয়েছে ।অন্য কারো উত্তর দেওয়ার দরকার নেই । আর আমি অন্য কারো উত্তর শুনতেও চাইছি না ।
আমি চাইছি , হলদে দানার বক্তব্য । তার চিন্তা । তার জবাব ।
লেখক বলেছেন: হ্যা, আপনি প্রথম যে প্রশ্নটি করেছিলেন আত্মপ্রচারণা বিষয়ে, যেটি ইসলামে নিষিদ্ধ, সে প্রশ্নে আসি।
আমি যেভাবে আমার ভালত্ব বর্ণনা করেছি তা এক হিসেবে আত্মপ্রচারণাই। এটি ইসলামে নিষেধও বটে। তবে লেখার সময় বিষয়টি আমার মাথায় ছিল। আপনি খেয়াল করবেন, আমি আমার নাম উল্লেখ করিনি, এলাকা উল্লেখ করিনি, এমনকি কোন সাবজেক্টে পড়ি তাও না। অসম্ভব নয় যে আপনি আমার আবাসের পাশেই থাকেন। হতে পারে আপনাকে আমি চিনি। হতে পারে একই গাড়িতে পাশের সিটে আপনি থাকবেন, অথচ এই আমি যে সেই আমি তাতো উন্মোচিত হবেনা। আত্মপ্রচারণার তাহলে আর রইলো কি?
আসলে আমাদের সংগঠনও চায়না আমরা ব্যাক্তি হিসেবে নিজের অথবা সংগঠনের ঢোল পিটিয়ে বেড়াই। আমরা চাই নিজেদের কাজের মাধ্যমে মানুষের কল্যাণকামী হিসেবে প্রমাণিত হতে, ইসলামের জীবন্ত প্রতিক হতে। কিন্তু অসংখ্য ব্লগারের মাঝে আমাদের নিয়ে ভূল ধারণা ও বিভ্রান্তি রয়েছে। সেগুলোর নিষ্পত্তি করতে এ ছাড়া আর উপায়ও ছিলনা।
একটি উদাহরণ দেই। আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান সেদিন সংবাদ সম্মেলনে ঠাস করে বলে দিলেন- আমরা ত্রাণ দিতে গিয়ে দেখি ময়দানে শুধু সেনাবাহিনী আর আওয়ামী লীগ।' জনগণ এ খবর পড়ে কি বুঝবে। বাধ্য হয়ে জামায়াত কে ত্রাণ বিতরণের সময় ব্যানার, ক্যামেরা ইত্যাদির ব্যাবহার করতে হয়।
অতএব আত্মপ্রচারণার অভিযোগ থেকে আমাকে মুক্তি দিবেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: আপনার আরেকটি প্রশ্নের জবাব দেই। আপনি বলেছেন,
"শিবির না করেও ইসলাম পালন করতে পারতেন । মানুষের জন্য কাজ করতে পারতেন । নৈতিক ভাবে শুদ্ধ থাকতে পারতেন । মানুষের জন্য কাজ করতে পারতেন । তাইলে ক্রেডিটটা খুব সুনির্দিষ্ট ভাবে শিবিরের পক্ষে গেলো কি ভাবে? "
জবাবে বলতে হয়, দেখুন এ বিষয়ে আপনার ধারণা পরিষ্কার থাকা দরকার, ইসলাম একা একা পালন করা যায়না, সংঘবদ্ধভাবে পালন করতে হয়, আর রাষ্ট্রব্যবস্থা ছাড়া ইসলাম দেয়াল বিহীন অট্টালিকার মত। সুতরাং ইসলাম পালন করতে আমাকে একটি সংগঠনে যোগ দিতেই হবে। বাংলাদেশে ছাত্রদের উপযোগী ইসলামী সংগঠনের মধ্যে ইসলামী ছাত্রশিবিরকেই আমি সর্বোত্তম পেয়েছি, শিবিরের বিভ্ন্নি প্রশক্ষণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে আমার চরিত্র সংশোধন করেছি এবং করে যাচ্ছি। ক্রেডিটটি শিবিরকে দিলে কি অসমীচীন হবে?
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
রাগ ইমনের কমেন্টগুলোয় বিপ্লব। আর বলে লাভ নাই। এরা প্যাচাবেই। কোন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেয় না। গালি দিলাম না, কিছু করলাম না। প্রশ্ন করলেই প্যাচানো। একটা করলে আরেকটা উত্তর।
কথা বলেও কোন লাভ নাই। কারন প্রোগ্রামড ব্রেইন, একটা লুপ আছে, প্রশ্ন কমন না পড়লেই এরর।
নিপুপাওয়ারফুল বলেছেন:
রাগইমন যদি শিবিরের আদর্শ সম্পর্কে একটু জানতেন বা মেনে চলতেন তাহলে আপনার কবিতায় অশালীন শব্দ ব্যবহার হত না কিংবা ত্রিভূজকে নিয়ে মিথ্যা কথা বলে এতটা অপদস্থও হতেন নাহতে পারে ক্লাশ ক্যাপ্টেন হিসেবে আপনি ভালো দক্ষতা দেখিয়েছেন কিন্তু নৈতিকতা ব্যাপারটা আপনি শেখেন নি। ব্লগের পর্ণলেখকরা আপনার লেখা নিয়ে যে আদিখ্যেতা করে সেটার মর্মার্থ আপনি কিভাবে বুঝবেন । এসব তো ইসলাম বা ইসলামী আদর্শ মানুষকে শেখায় ।
মানুষ বলেছেন:
আপনার মতো ভাল লোক আর হয় না। কেন যে রাজাকারদের দলে নাম লেখালেন!!!
সাইফুর বলেছেন:
রাজশাহীতে শিবির নেতা সালেহী কে নিয়ে কিছু বলুন....পুরো দল একজন খুনিকে (শিক্ষক) সাপোর্ট দিলো......
লেখক বলেছেন: তিনি খুনি এটা প্রমানিত হয়নি, একটু অপেক্ষা করুন দয়া করে। যদিও কয়েকজন শিক্ষকের অপরাধ প্রমাণিত হয়ে শাস্তি হওয়ার পরও কেউ কেউ তাদের নিরপরাধ বলতে চায়।
সাইফুর বলেছেন:
শিক্ষক খুনের অভিযুক্ত
লেখক বলেছেন: . . . কিন্তু প্রমাণিত নয়।
শেখ হাসিনাও চাদাবাজির জন্য অভিযুক্ত।
রাগ ইমন বলেছেন:
এক অদৃশ্য প্রোটেকশন আমাকে সোজা পথে চলতে বাধ্য করে---- ৬০০ কোটি মানুষের পৃথিবীতে যত সৎ , ভালো , পরোপকারী মানুষ আছে -তারা সবাই এই অদৃশ্য প্রটেকশনটা সাথে করে নিয়ে চলে ।
এই প্রটেকশনটার নাম ও সবাই জানে ।
"বিবেক"
বিবেক নামক " অদৃশ্য প্রটেকশনটা " থাকার জন্য শিবির করা লাগে না । লাগে না ইসলাম পালন ও ।
লাগে শুধু একজন বিবেক সম্পন্ন "মানুষ" হওয়া ।
হলদে দানা ,
আপনার সমস্যাটা অন্য জায়গায় । আপনি নিজে একজন ভালো মানুষ হতেই পারেন । এই কথার অর্থ একটাই । " আপনি একজন ভালো মানুষ " । আর কিচ্ছু না । এইটার সাথে আপনি যে ,
" আপনি শিবির করেন বলে আপনি ভালো মানুষ" ধরনের জগা খিচুড়ি গিলানোর চেষ্টা করছেন এই ব্লগের পাঠকদের ---- ব্লগারদের এতটা বোকা ভাবার কোন কারন কি আছে ?
১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্থানী আর্মির হাতে অনেক বাঙালী খুন হয়েছেন । প্রচুর নারী ধর্ষিত হয়েছেন । কিন্তু , এই পাকিস্তানী আর্মির ভিতরেও সবাই এই কাজ করে নাই । ধরে নিলাম , অন্তত একজন -দুইজন আর্মি পার্সন এইটার বিরোধী ছিলো ।
স্রেফ এই কারনে কি মেনে নেব যে,
১। ৭১ এ পাকিস্তানী আর্মির হাতে জেনোসাইড হয় নাই?
২। পাকিস্তানী আর্মিতে জয়েন করলে নৈতিকতা জাগ্রত থাকে?
আওয়ামী লীগের সবাই ঘুষ খায় না। সবাই ধনী হয় নাই । সবাই বাড়ি, গাড়ি অঢেল ধন সম্পদ চুরি করে নাই ।কিন্তু , শেখ হাসিনা টাকা খেয়ে গাদ্দারি করলে তার দলকে সমর্থন দেওয়াটা সমান অপরাধ । সেই দল বা ছাত্রলীগের কর্মী হওয়াটা অন্যায়কে সমর্থন দেওয়া ।
শিবির করে আপনি ভালো মানুষ হতে পারেন ।কিন্তু , শিবির সহ সকল জামায়াত নেতাদের অপকর্ম এর পাপ আপনি অস্বীকার করতে পারবেন না ।
লেখক বলেছেন: মদীনার সমাজ মাত্র ২৩ বছরে এমন বিবেক সম্পন্ন হলো কি করে। মক্কার যে লোকগুলো একসময় পরস্বাপহরণ করেই জীবন চালাতো, পরনারী নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো, এই ক্ষুদ্র সময়ে তারা কিভাবে বিবেক সম্পন্ন হয়ে অপরের সম্পদের রক্ষক হলো? কিভাবে অপর নারীর ইজ্জতে হেফাজতকারী হলো?
মানুষের বিবেক জাগ্রত করে কুরআন তথা আল্লাহর নির্দেশণা, আর সে বিবেককে সোজা ও সুচাল রাখে ইসলামী সমাজ।
তেমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশই দিয়েছেন আমার আপনার স্রষ্ঠা আল্লাহ তায়ালা।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রথম দিকে করা কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেই। আপনি বলেছেন-
১।বাংলাদেশে মোট কয়জন শিবির করে?
২। মোট সংখ্যার অনুপাতে তাদের ভিতর কয় জন নৈতিক ভাবে সৎ এবং শুদ্ধ জীবন যাপন করে ?
৩। যাদের দাবী করা হচ্ছে সৎ এবং শুদ্ধ মানুষ - তারা আসলেই সৎ এবং শুদ্ধ কিনা তার প্রমান কি ?
৪ । আপনি নিজে সত্যি কথা বলছেন , তার প্রমান কি?
আগেই বলেছি বাংলাদেশের মোট ছাত্রদের মধ্যে সরাসরি ইসলামী ছাত্রশিবির করে বা ইসলামী ছাত্রশিবির দ্বারা তাদের জীবন নিয়ন্ত্রিত এমন ছাত্রের সংখ্যা অতি স্বল্প। তবে শিবিরের আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত ছাত্রের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। কিন্তু শিবির কর্মীদের মধ্যে কয়জন নৈতিকভাবে সৎ ও শুদ্ধভাবে জীবন-যাপন করে আপনার এ প্রশ্ন শুনে আমারই বরং প্রশ্ন জাগছে আসলে আপনি বাংলাদেশে বাস করেন কিনা। শিবিরের আদর্শ, কর্মকাণ্ড ভাল কি খারাপ তা নিয়ে বিভিন্ন মত থাকতে পারে কিন্তু যে কোন বাংলাদেশি নাগরিক স্বীকার করবেন যে সাধারণভাবে শিবিরকর্মীদের চলাফেরা ও দৈনন্দিন জীবন-যাপনে পরিচ্ছন্নতা রয়েছে। সাধারনভাবে তাদের জীবন যাপনে সততা ও শুদ্ধতার পরিচয় পাওয়া যায়।
এরপর আপনি বলেছেন, তারা যে সৎ ও শুদ্ধ তার প্রমাণ কি। আসলে ইহজীবনে মানুষের ভিতরে ঢুকে প্রমাণ দেয়ার তো কোন সুযোগ নেই, বাহ্যিক জীবনাচরণ দেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সেদিক থেকে বাংলাদেশে ইসলামীছাত্রশিবিরের শুদ্ধতা প্রমাণিতই বলতে হবে- যদি আপনি চোখ কান খোলা রেখে বাংলাদেশেই বসবাস করে থাকেন।
আপনি আরও বলেছেন, আমি নিজে সত্য কথা বলেছি তার কি প্রমাণ।
এই ভার্চুয়াল জগতে কি প্রমাণ দেয়ার আছে আমার? আর সব প্রমাণই কি দলিল-দস্তাবেজ নির্ভর হতে বাধ্য? আমি তো যতটুকু সম্ভব বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি, এমন কিছূ তথ্যও দিয়েছি যা সাংগঠনিকভাবে বাহিরে বলার প্রচলন নেই। এখন যদি আপনি বলেন আমি বিশ্বাস করলামনা, তবে আমার আপাতত কিছূ করার নেই।আর সবাই বিশ্বাস করলে তর্ক করবে কে?
রাগ ইমন বলেছেন:
নিপু ,উপরের প্রত্যেকটা মন্তব্য পড়ে দেখুন। আপনাকে কোন কথা বলেছি ? যা বলেছি সব কথাই বলেছি হলদে দানার লেখাকে কেন্দ্র করে । এটাও উল্লেখ করে দিয়েছি যে আমি স্রেফ তার সাথেই আলোচনা করতে ইচ্ছুক ।
আমি "খারাপ কোন কথা" তো অনেক দুরের ব্যাপার , নিপু পাওয়ার ফুলকে লক্ষ্য করে কোন কথাই বলিনি । অথচ, আপনি ব্যক্তিগত আক্রমন করা , অপমান করার চেষ্টা করে চলেছেন ।
এই তাহলে নিপু পাওয়ার ফুলের " নৈতিকতা এবং আদর্শের " পরিচয় ।
এই পোস্টের সাথে ত্রিভুজ আর কবিতার কি সম্পর্ক ? আমার চেয়ে অনেক বেশি অপমানিত , হেনস্তা হয়েছে ব্লগে "আস্তমেয়ে"। তাহলে , বলতে চাইছেন , বাংলাদেশ নিয়ে অশালীন কথা লিখে আর জামায়াত শিবির সম্পর্কে মিথ্যা প্রচারনা চালিয়ে আস্তমেয়ে অপদস্থ হয়েছে ?
যারা পোস্টের বাইরে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে , তাদের সাথে আমি কথা বলি না । সো, নিপু , অফ যান ।
আর, অন্যের অপদস্থ হওয়ার ঘটনা উল্লেখে এত উল্লাসের চিহ্ন কেন?
একজন ভদ্রলোক - যার নৈতিকতা এবং আদর্শ আছে , তার তো দুঃখ হওয়ার কথা ।
আপনার মন্তব্য প্রমান করে ,
নিপু পাওয়ার ফুল,
আপনি নৈতিকতা , শালীন আচরন কিংবা আদর্শ --- কোনটাই শিখেন নাই ।
একটা কথা মনে পড়ে গেলো ,
"যারা মগজ নাই বলে তিন হাত দিয়ে চিন্তা করে তাদের সাথে আমি কথা বলি না ।"
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
"লেখক বলেছেন: দেখুন ইসলাম চায় এমন একটি সমাজ হবে যেখানে প্রত্যেক নাগরিক হবে অপর নাগরীকের সংশোধক ও চরিত্রের হেফাজতকারী। এমন একটি সমাজ হলে নৈতিক কি সামাজিক অপরাধগুলো হ্রাস পায়।"৭১ এ তাহলে গো আ, নিজামী, মুজাহিদী রা কি করেছিল? সেগুলো কোন চরিত্রের হেফাজতকারী? তখন এইসব নীতি বাক্য কই ছিল?
লেখক বলেছেন: পুরো পোস্টটি পরে এই বুঝলেন? আমি কি তাই বলেছি? ভাল জীবনাদর্শের জন্য ইসলামের অধীনে নিজেকে আত্মসমর্থন করতে হয়। অতপর সংঘবদ্ধ জীবন অতিবাহিত করতে হবে। এখন যদি বলেন- ভাল জীবনাদর্শের জন্য কি ইসলাম প্রয়োজন আছে? তাহলে তো আবার ওয়াজ করতে হবে কিছুক্ষণ। সেদিকে যাচ্ছিনা।
ইসলাম একা একা পালন করা যায়না। রাষ্ট্র ব্যাবস্থা ছাড়া ইসলাম পূর্ণাঙ্গতা পায়না। যেখানে রাষ্ট্র নেই সেখানে সংঘবদ্ধ হয়ে ইসলাম পালনের মাধ্যমে জীবনকে সুন্দর করতে হবে এবং রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে। বাংলাদেশের কিছু ছাত্র যুবক একত্র হয়ে আল্লাহ তায়ালার সেই নির্দেশ পালনের চেষ্টা করছে। এই সংগঠনটির নাম দিয়েছে ইসলামী ছাত্র শিবির। সুতরাং শিবির করা লাগে এইটা কোন থিওরী না, সংঘবদ্ধ থাকা লাগে এইটা থিওরী। সেটা যদি আওয়ামী লীগ করে, ওকে। যদি বিএনপি করে, কোন সমস্যা নেই! শিবির একটা প্রতিকি নাম ছাড়া আর কিছুনা। আশা করি বুঝাতে পেরেছি।
আসলে শিবির বাংলাদেশে ইসলামের জন্য কাজ করতে পেরেছে বলেই তার এত কর্মী। আমি চাই মূলধারার রাজনৈতিক দল গুলো যেন এরকম নৈতিকতাকে উৎসাহিত করে।
তবে কি জানেন, শিবিরের এইসব ছেলেদের অধিকাংশই পরে আর জামাতে যোগ দেয় না। কারন তখন চরিত্র মোটামুটি গঠন হয়ে যায়। আর শিবিরের প্রয়োজনী্যতা ততটা থাকে না। অন্য ব্যপার, যেমন, একাত্তর ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ন হয়ে ধরা দেয়।
যা হোক, আপনার পোস্ট আমার খুব ভাল লেগেছে।
রাগ ইমনের আলোচনাটুকুও ভাল লেগেছে।
আর ইবনে সালাম একটি কথা বলেছেন, "ইসলামী সংগঠন অবশ্যই করতে হবে।" এটি টিপিক্যাল জামাতী কথা। সম্ভবত উনি জামাত করেন। করতেই পারেন, এটা তার ব্যক্তিগত ব্যপার। কিন্তু মুসলিম উম্মাহ টাই একটি তো ইসলামী সংগঠন। এখানে আলাদা করে ইসলামী দল গড়াটা কি অন্য দল গুলোকে অইসলামী লেবেল এটে দেয়া নয়?
অন্তত শিবির/জামাত অনেকটা তাই মনে করে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কিছু যুক্তিভিত্তিক প্রসংশা করেছেন। নিজস্ব চিন্তার আলোকে কিছু মন্তব্য করেছেন।
ইবনে সালামের একটি কথা আপনার পছন্দ হয়নি। আমি একটু প্রটেকশন দেই।
আসলে সংঘবদ্ধ চেষ্টার মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে হবে। নবী রাসুল যখন ছিলেন তখন তারাই নেতা ছিলেন। একটি সংগঠন ছিল। এরপর সাহাবাদের অধীনে ইসলামী রাষ্ট্রে একটি ইসলামী জামায়াত ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে নতুন কোন স্থানে - যেখানে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত নেই, ইসলাম কায়েম করতে গেলে কিভাবে করা হবে? একটি সংগঠন কায়েম করতে হবে। অতপর চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু সময় ও অবস্থার আলোকে সেই সংগঠনের সেই সংগঠনের কর্মসূচী কি হবে? এ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে। তাই একাধিক সংগঠন থাকতে পারে। সকলের লক্ষ এক কিন্তু কর্মসূচি ভিন্ন।
অনইসলামী রাষ্ট্রে ইসলাম কায়েমের একটি নতুন কার্যক্রম শুরু করতে হলে যদি একটি মাত্র সংগঠন আশা করেন- তা কেবল সম্ভব ছিল নবী রাসুলের মাধ্যমে। যেহেতু পথ প্রদর্শক হিসেবে নবী রাসূল আসা সম্ভব নয় তাই আল-জামায়াত বা একটি মাত্র দলের উপস্থিতি বর্তমান সময়ে আর সম্ভব নয়। সুতরাং একাধিক জামায়াত থাকতেই পারে এবং থাকবে।
একটু প্রসংগ বিচ্যুতি হয়ে গেল বোধহয়। আপনার কথায় আসি। মুসলিম উম্মাটাই একটি ইসলামী সংগঠন। কথাটা আসলে কতটুকু বাস্তব। তারা একটি জাতি বলা যেতে পারে। কিন্তু সংগঠন বললে নেতৃত্বের প্রশ্ন আসে, আনুগত্যের প্রশ্ন আসে। মুসলিম উম্মার নেতা কে?
সমগ্র পৃথিবীর মুসলিমরা আসলে কোন ইসলামী নেতার অধীনে নেই। তাই বিশ্বের বিভিন্ন ভুখন্ডে স্বতন্ত্র সংগঠন গড়ে উঠবে এটিই স্বাভাবিক। প্রতিটি মুসলিমকে যেহেতু সংঘবদ্ধভাবে দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজ করা আবশ্যক- আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ, তাই যে কোন একটি দলে- নেতার অধীনে, আনুগত্যের সাথে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজ করতে হবে - ইবনে সালাম সম্ভবত এ কথাই বলতে চেয়েছেন।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
রাগ ইমনের যুক্তিতে বিপ্লব। এইবার আমার একটা ছোট্ট প্রশ্ন ছিলো। তার একটু ব্যাকগ্রাউন্ড আছে। একাত্তরে যা ছাত্র সংঘ, তাই ৭৭ সালে শিবির। সংঘের নেতার শিবিরের নেতৃত্ব দিয়া এখন জামাতের মেইন স্ট্রিমে। দৈনিক সংগ্রাম জামাতের মুখপত্র। ১৯৭১ সালে জামাতের ছাত্রসংঘ নেতাদের কুকীর্তির (রাজাকারিজম, বুদ্ধিজীবি হত্যা) জন্য সংগ্রামকে আমরা রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করি। তারপরো এরা বলে এরা নাকি কিছু করে নাই। অথচ সংগ্রাম পত্রিকায় পাতায় পাতায় তাদের নানা কীর্তির কাহিনী। আমার প্রশ্ন, এই ডাহা মিথ্যাচারিতাকে আপনি কি চোখে দেখেন?সম্পূরক প্রশ্ন : অপরাধী ইমামের পিছনে জামাতে নামাজ পড়া হারাম। একই কথা ইসলামী রাজনীতিতে অসৎ নেতার (খুন করে অস্বীকার করা/মিথ্যাবাদিতা) ক্ষেত্রে খাটে কিনা?
লেখক বলেছেন: ৭১ সম্পর্কে আমার মতামত 'নতুন' এর মন্তব্যের জবাবে দিয়েছি। কষ্ট করে পড়ে নেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
২য় প্রশ্নের ক্ষেত্রে বলবো ফতোয়া দেয়া মুফতিদের কাজ।
তবে ক্ষুনের অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণের প্রশ্ন আসে। আইনগতভাবে প্রমাণ হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব।
ক্যাচাল বলেছেন:
অপরাধী ইমামের পিছনে জামাতে নামাজ পড়া হারাম। একই কথা ইসলামী রাজনীতিতে অসৎ নেতার (খুন করে অস্বীকার করা/মিথ্যাবাদিতা) ক্ষেত্রে খাটে কিনা?
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আমি তো নতুনের প্রশ্নটা করি নাই ভাই। আমি খালি জিগাইছি সংগ্রাম পত্রিকায় যাগো সম্পর্কে পুরা যুদ্ধের সময়টায় এত খবর ছাপা হইছে, সেইগুলি মিথ্যা কিনা। মিথ্যা না হইলে তারা মিথ্যা বলে কেন? না পিছলাইয়া সরাসরি বলেন যে আপনি বিব্রত
লেখক বলেছেন: পিয়াল ভাই, সেই সময়কার সংগ্রাম পত্রিকা আমি পড়িনি। তবে ধারণা করি সেখানে এমন কোন তথ্য নেই যে জনাব নিজামী আজ তিনজনকে খুন করলেন, জানাব মুজাহিদ আজ পাচটি ঘরে ঢুকে অনৈতিক কাজ করেছেন।
সম্ভবত এভাবে থাকবে - জামায়াত নেতারা তাদের রাজনৈতিক অবস্থান অনুযায়ী বক্তব্য বিবৃতি দিয়ে থাকবেন। সেটি তো তাদের রাজনৈতিক অবস্থান। পৃথিবীর অনেক নেতার ক্ষেত্রে এ উদাহরণ আছে যে তারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছেন এবং পরবর্তীতে সেই স্বাধীন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রনায়ক হয়েছেন। এই উপমহাদেশেই এমন উদাহরণ রয়েছে। নাম জিজ্ঞেস করলে বলবো- অবশ্যই নাম দেব, একটু সময় লাগবে।
রাজনৈতিক বিরোধিতা আর অপরাধ এক জিনিস নয়।
লেখক বলেছেন: বিশাল ব্যাপার। সারা রাত পিসির সামনে বসে থাকতে হবে।
আপনি আগ্রহী হলে দোকান থেকে কিনে নিতে পারেন কষ্ট করে। পল্টন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় অফিস তো চেনেন। আপনারা আবার আমাদের চেয়ে ভাল চেনেন কিনা! আজাদ প্রডাক্টস গলি। কেন্দ্রীয় অফিসের পাশের বিল্ডিং এর নিচতলায় একটি প্রকাশনার দোকান আছে। সেখান থেকে কিনতে পারেন। সবার জন্য উম্মুক্ত। ১০ টাকার বেশি হবেনা। কেন্দ্রীয় অফিসেও যেতে পারেন, কিন্তু সেখানে সম্ভবত খুচরা বিক্রি হয়না। এ ছাড়াও আপনার পরিচিত যে কোন শিবির সাথী-সদস্যকে বললেই তারা ম্যানেজ করে দেবেন আশা করি।
আর হ্যা, সদস্য হবার পরই বই থেমে থাকেনা। সিলেবাস বইএর পেছনে দেখবেন উচ্চতর সিলেবাস। কয়েকশ বই তো হবেই।
একটু অতিরিক্ত বলে দেই। এর বাইরে বই পড়া যাবেনা এমন না। এগুলো পড়ার সাজেশন। এরপর যে যত বই পড়তে পারেন।
"কুদরত আলী" বলেছেন:
আপনি ছাত্র মানুষ আপনি কোথা থেকে টাকা দেন?
লেখক বলেছেন: আমি না খেয়ে থাকিনা। বাসেও ভাড়া না দিয়ে চড়িনা। মোবাইলে ফ্লেক্সি আপনা আপনি আসেনা।
লেখক বলেছেন: ডিজাইনটা আপনি করেছেন? ভাল হয়েছে। তবে একটু কেমন যেন অন্ধকার অন্ধকার। একটু এডিট করলে হয়তো আরো উজ্জল হবে। সুশান্তের (সম্ভবত) লোগোটা বেশ উজ্জল, দর্শনীয়ও।
নতুন বলেছেন:
রাগ ইমন ধন্যবাদ চমতকার একটা পয়েন্ট তুলে ধরার জন্য...এখন প্রশ্ন হচ্ছে জামায়াত বিরোধিতার সাথে সাথে এই অপরাধগুলো করেছে কিনা। অর্থাৎ এসব অপরাধের সাথে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ জড়িত ছিল কিনা। এখানেই আমার সন্দেহ।
@ হলদে পাখি ও আরো জামাত ও শিবির কমি`র কাছে প্রশ্ন....
আমি বিশ্সাস করি আপনি জিবিত থাকতেই গো:আ, মুজাহিদের বিচার এইদেশে দেখে যেতে পারবেন....
এবং তখন তো স্বিকার করবেন যে জামাত , শিবির ভুল পথে আপনাদের চালনা করছিলো???
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
আমি ডানার সাথে দেখা করতে চাই, ঠিকানা দেন সাহস থাকলে।
লেখক বলেছেন: আপনার চোখ দেখেই তো ভয় করছে!!
২৮শে অক্টোবর পল্টন মসজিদ গলিতে আমরা ছিলাম সর্বোচ্চ ২৫ জন। হামলা করলো হাজার হাজার । আমরা পিছু হটিনি। শহীদ মুজাহীদ আমার সাথেই ছিল। আমার মাথা না ফাটলে আর আঙ্গুলটা না ভাঙলে ওখান থেকে সরতামনা। বিশেষ করে হাড় ভাঙ্গার ব্যাথা ছিল অসহ্য। তাই সরতে হয়েছে।
মদনবাবু বলেছেন:
পাগলা ঘাতক বলেছেন: আমি ডানার সাথে দেখা করতে চাই, ঠিকানা দেন সাহস থাকলে। ঘাতকের উদ্দেশ্য কী ?
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
মদনবাবু বলেছেন: পাগলা ঘাতক বলেছেন: আমি ডানার সাথে দেখা করতে চাই, ঠিকানা দেন সাহস থাকলে। ঘাতকের উদ্দেশ্য কী ?
উদ্দেশ্য বুইজা লন, আমি উনার ইমাম কতো শক্ত দেখতে চাই।
নতুন বলেছেন:
হলদে ডানা"" যদি তাই হত তাদেরকে আরো আগেই নির্মুল করা হতো। পান থেকে চুন খসলে যাদের রক্ষা নেই তারা কিভাবে এই অপরাধে রক্ষা পেলেন। ""
১৯৭১ এর পর হতে আজ প্রযন্ত যত সরকার এসেছে সবাই ..দেশ কে লুটেপুটে খেয়েছে... এরা সবাই জামাতকে ব্যবহার করেছে তার নিজের সাথে` আর জামাত এদের সাথে থেকেছে ...নিজের অবস্থান শক্ত করার জন্য....
গত সরকারের আমলেও জামাতের ভুমিকা কি ছিলো.... এরা বিএনপির কাধে চেপে নিজেদের কে মানুষের মাঝে জনপ্রয় করছিলো....
আয়ামিলিগ বা বিএনপি রাজনিতি করে বত`মানে সরকারকে সরিয়ে নিযেরা আসার জন্য....
কিন্তু জামাত এর চিন্তা হলো..কিভাবে আরো ১০ বা ১৫ বছরপরে দেশের ক্ষমতায় আসা যায়...
আর এর জন্য এরা ইসলামকে বেছে নিয়েছে...কারন আমাদের দেশের মানুষ ধম` সম্পকে পড়াশুনা করেনা...তাই কেউ আল্রাহ , রাসুলের নামে ভালো কথা শুরু করলে.,.... তাকে সবাই বিশ্বাস করে....
দেশে থাকা কালিন জামাত ও শিবির কম`িদের সাথে আমার ভালো পরিচয় ছিলো...তাই দেখেছি... বিএনপি বা আয়ামিলিগ এর strategy জামাতের strategy এর ১০% ও না
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
আমি ডানার সাথে দেখা করতে চাই, ঠিকানা দেন সাহস থাকলে।
লেখক বলেছেন: আমার ওয়ার্ড সেক্রেটারীর বাড়ি পাবনার চাটমোহর থানায়। দেখি আজই বলে দিচ্ছি হেমায়েতপুরে হাসপাতালে আপনার জন্য একটা সিট ম্যানেজ করতে পারে কিনা।
নতুন বলেছেন:
পাগলা... মাথা গরম কইর না... :-) ইচ্ছা থাকলে... গো:আ.. মুজাহিদ...>>> এদের সাথে দেখা কইর...
কেউ যদি সঠিক তরিকায় এদের সাথে দেখা করতো ... তবে দেশ ও জাতীর বহুত ফায়দা হইতো... :-)
১। ৭১ এ পাক বাহিনীর জেনোসাইডের কথা জানেন তো ?
২। জেনোসাইড হচ্ছে দেখেও জামায়াত কেন নিঃশর্তভাবে জেনোসাইডকে সমর্থন করে গেল ? একটা বারও কেন তারা এর বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি ? এ আচরণ কি ইসলাম সমর্থন করে ?
আরেকটা প্রশ্ন :
## রাজশাহী , চিটাগাংয়ে শিবিরের সশস্ত্র লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা বারবার ঘটেছে । আপনি বলবেন , ছাত্রদল , ছাত্রলীগও অস্ত্রসহ ছিল । ধরে নিলাম তাই ছিল ।
কিন্তু আপনাদের তো অস্ত্রবাজির পারমিশন নেই । এসব জেনেশুনেও , কেন আপনাদের কেন্দ্রীয় নেতারা সেই সব অস্ত্রবাজদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যান ? এটা কি ইসলাম সমর্থন করে ?
আমার উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছি
লেখক বলেছেন: আলোচনায় আপনাকে স্বাগতম। বেশ সুক্ষ্ম প্রশ্ন করেছেন। দেখি কতটুকু উত্তর দিতে পারি।
আগেই বলেছি, সে সময় নিজামী-মুজাহিদ সাহেবদের বক্তব্যগুলো আমি পড়িনি। তবে এ জাতীয় বইপত্র টুকটাক যেগুলো পড়েছি তা থেকে আমার যেটা মনে হয়েছে সেটি বলছি।
দেখুন মুক্তিযুদ্ধের ৩৭ বছর পর মুক্তিযুদ্ধকে যেভাবে এক নজরে বিশ্লেষণ করা সম্ভব, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বিষয়টা অতোটা সহজ ছিলনা। একাটি যুদ্ধ চলাকালীন একটি দেশে উত্তপ্ত ও বিভ্রান্তিকর আবহাওয়া বিরাজ করে। আফগানিস্তানে হামিদ কারজাইয়ের ভূমিকা কি সেটির মূল্যায়ন আজো পুরোপুরি সম্ভব নয়। হয়তো ইতিহাসের একটা অবস্থানে এসে তাকে ঘৃণিত হিসেবে চিণ্হিত করা হবে, অথবা তাকে জাতীয় পরিত্রাণ কর্তা হিসেবে উল্লেখ করা হবে। আমি হামিদ কারজাইয়ের সাথে জামায়াতের তুলনা দিচ্ছিনা, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বর্ণনা করছি।
৭১ সালে জামায়াতের অবস্থান অনেকটা দোদুল্যমান পর্যায়ে ছিল বলেই আমার কাছে মনে হয়। আমি সে সময় পৃথিবীতে থাকলে পরিস্থিতি সম্পর্কে আরো স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারতাম। যা হোক, জামায়াতের প্রধান অবস্থান ছিল যে দেশ বিভক্ত হলে আমরা ভারতের ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়ে যাব। দেশ যেন বিভক্ত না হয় এ জন্য বঙ্গবন্ধুর হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার জন্য অধ্যাপক গোলাম আযমের দৌড়ঝাপ কম ছিলনা। তো যুদ্ধ যখন চুড়ান্তভাবে আরম্ভ হয়েই গেল তখন তাদের একান্ত প্রত্যাশা ছিল দেশ যেন বিভক্ত না হয়। স্বীকার করতে হবে সে সময় পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক অবস্থান যথেষ্ট নড়বড়ে ছিল। অবকাঠামোগত দূর্বলতা ছিল প্রকট। এই অবস্থায় ভারতের সাহায্যে স্বাধীনতা অর্জণ করলে আদৌ টিকিয়ে রাখা যাবে কিনা এটিই ছিল তাদের প্রধান মাথা ব্যাথা। মাত্র কিছূদিন আগে ভারত সিকিমকে যেভাবে আভ্যন্তরিণ গোলযোগের অযুহাতে গ্রাস করে নিয়েছিল তা ছিল তাদের মাথায় প্রকটভাবেই দেদীপ্যমান। দেশ যদি ভারতের হাতে চলে যায় তবে ইসলাম ও মুসলমানদের সাথে ভারতের আচরণ যে কি হবে তাতো ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত। সেই শংকায় তারা ছিলেন তটস্থ। তারা পূর্ব-পাকিস্তানের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক শোষণকে যেভাবে মেনে নিতে পারেননি, তেমনি দেশের যদটুকু বাকি ছিল তাও হারাবে ভারতের কাছে- এমন দুশ্চিন্তাও ছিল প্রবল। না ঘরকা না ঘটকা এই দুই আবস্থানের মাঝে পড়ে তারা চুড়ান্ত রায় দিলেন মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে। এজন্য বক্তৃতা বিবৃতি সব চালালেন দেশ বিভাগের বিপক্ষে- বিশেষত ভারতের সহায়তায়। উভয় পরিস্থিতিই তাদের নিকট ছিল খারাপ, যেহেতু অপশন দুইটি, তাই তারা অপেক্ষাকৃত উত্তম অপশনটিকেই (তাদের মতে) বেছে নিলেন। পাকিস্তানের জেনোসাইডকে তারা সমর্থন করতে পারেননি কিন্তু সেনাবাহিণীর ওপর তাদের কোন কমাণ্ডও ছিলনা। আবার বিরোধিতাও করতে পারছিলেননা।
আমার কাছে তৎকালিন পরিস্থিতিটা এমনই মনে হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে সে সময় তারা এই পরিস্থিতিতে মানবিক অপরাধের সাথে কতটুকু জড়িত ছিলেন? একটু বিশ্লেষণ করলে বলতে হয়, স্বাধীনতার আগে যাদের এমন কাজে জড়িত হবার রেকর্ড নেই, স্বাধীনতা পরবর্তীতে যাদের এমন কাজে কখোনো লিপ্ত হননি, পাড়ায় মহল্লায় যারা ভদ্র হিসেবে স্বীকৃত, শুধুমাত্র ঐ নয় মাসে তারা অপকর্ম করেছিলেন, বিবেকবান মানুষের এমন কথা বিশ্বাস করতে বাধে। তাও এতগুলো বছর পেরিয়ে গেল, কোন অভিযোগ প্রমাণিত হলোনা, এখন জনগন অনেকাংশেই বিশ্বাস করতে শুরু করেছে - এগুলো পলিটিকাল গলাবাজি।
যাহোক জামায়াতের সেই সময়কার প্রেডিকশন যে ভুল ছিল তাতো স্পষ্ট। এটিতো তারাও স্বীকার করেন। তবে শংকা যে একটি ছিল, তাও স্বীকার করতে হবে। বঙ্গবন্ধূর একটি বড় কৃতিত্ব ছিল ভারতীয় সৈন্যদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানো।
তো স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের অবস্থান ফারাক্কা বাধ সহ বিভিন্ন পয়েন্টে কিন্তু কোনভাবেই বন্ধুসুলভ নয়।
আপনার পরবর্তী প্রশ্নগুলোর উত্তর একটু পরে দেই। লিখতে লিখতে হাপিয়ে উঠেছি।
আপনি জামাত নেতাদের ৭১ নিয়ে বক্তব্যতে কোন সমস্যা পান নি।
কিন্তু সেই বক্তব্যতে যদি পাকিস্তান সেনা বাহিনী অভিযান চালানোর প্রতি পূর্ন সমর্থন ব্যক্ত করা হয় যেখানে সেনাবাহিনীর নির্যাতন দিবালোকের মত সত্য, তাহলেও কি তা গ্রহন যোগ্য?
"কুদরত আলী" বলেছেন:
কুদরত আলী" বলেছেন: ভাইজান চাদার টাকা কই থেকে দেন সেটা বলেন?
কুদরত আলী" বলেছেন: আপনি ছাত্র মানুষ আপনি কোথা থেকে টাকা দেন?
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৭
লেখক বলেছেন: আমি না খেয়ে থাকিনা। বাসেও ভাড়া না দিয়ে চড়িনা। মোবাইলে ফ্লেক্সি আপনা আপনি আসেনা।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নটি বেশি কাচা হয়ে গেলনা কুদরত ভাই? ঢাবির কোন ছাত্রটি মাসে তিন হাজারের কম খরচ করে? আমার বন্ধুরা তো কেউ কেউ ৮/৯ হাজার টাকাও খরচ করে। কোত্থেকে পায় তারা? কারো বাড়ি থেকে আসে, কেউ টিউশনি করে- এই তো। দেখতেই পাচ্ছেন আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যাবহার করছি। পরিবারের অবস্থা ততটা খারাপ নয়। ১৫০ টাকা খুব বেশী হয়ে গেল?
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ধইরা নিলাম আপনি শিবির করেন, এখন যদি দিলে সাহস থাকে আপনে সত পথে আছেন, তাইলে বাড়ীর ঠিকানা কন সাহস থাকলে ঢাকার মধ্যে থাকলে কয়েক ঘন্টা ওয়টে করেন দেখেন জন গন তুমাগো মত কুকুরগো কত পেয়ার করে!জামাত-শিবিরের একটা সিঙ্গেল লোক যদি রাস্তার মোড়ে খাড়াইয়া যদি কইবার পারে সে শিবির করে আমি দিলে হাত দিয়া কইবার পারি ওর রাম নাম সত্য পাঠ ঐখানেই হইয়া যাইবো! কারন জন গন ওগের কুকুরের মতোই ঘৃণা করে তো তারা যতোই মওদুদী শয়তানের বই পড়ুক না কেন? শয়তানেরও কি ছাপাখানা নাই? আর দেখছো তুমাগো জানের জান সন্ত্রাসী জঙ্গী দেশ পাকিস্তানের উপর কেমুন গজব নাযেল হইছে!
লেখক বলেছেন: এগুলো শুনলে আগে রাগ করতাম। এখন কষ্ট পাই কিন্তু রাগ করিনা। অসম্ভব নয় যে সঠিক বিষয়টি আপনার সামনে স্পষ্ট হলে আপনিও আমাদের সাথে থাকবেন। আমাদের ভাইকে মারধোর করেছে, হত্যার সাথে জড়িত ছিল, তাদেরও ব্রেইন কিন্তু ওয়াশড হয়ে গেছে কারো কারো। আপনার বিষয়ে আমরা আশাহত নই। আব্দুল কাদের মোল্লা ছাত্র ইউনিয়নের ত্যাগি কর্মী ছিলেন, নাস্তার টাকা দিয়ে কার্লমার্কসের বই কিনেছেন।
সাবধানে থাকবেন।
আর হ্যা, আমি জনবিচ্ছিন্ন কোন দ্বীপে থাকিনা। তো আগে আপনার পাশের ঘরের শিবির সাফ করুন, তারপর আমার গৃহে দাওয়াত রইলো, ইতিমধ্যে কদিন ব্লগিং করার সুযোগ দিবেননা?
"কুদরত আলী" বলেছেন:
ও আপনি পারিবারিক টাকা দিয়া রাজনীতি করেন। হো হো হো আর কি কমু বাপের হোটেল থাইকা এসব মজারি কথা কওন খুবই সোজা
নতুন বলেছেন:
@ হলদে ডানা>>""আগেই বলেছি, সে সময় নিজামী-মুজাহিদ সাহেবদের বক্তব্যগুলো আমি পড়িনি। তবে এ জাতীয় বইপত্র টুকটাক যেগুলো পড়েছি তা থেকে আমার যেটা মনে হয়েছে সেটি বলছি।""
আপনি যদি নিজেকে বাংলাদেশি বলে করেন তবে... যদি ১৯৭১ এর সময়ের নিজামী-মুজাহিদ এর বক্তব্য( যা তাদের সমথ`ত পত্রিকায় প্রকাশিত ) পড়ে দখুন..এবং আশা করি আপনার নেতাদের সম্পকে` ধারানা পাল্টাবে...
***********
""দেশ যেন বিভক্ত না হয় এ জন্য বঙ্গবন্ধুর হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার জন্য অধ্যাপক গোলাম আযমের দৌড়ঝাপ কম ছিলনা।""
একটু রেফারেন্স দেবেন কি???
**********
পাকিস্তানের জেনোসাইডকে তারা সমর্থন করতে পারেননি কিন্তু সেনাবাহিণীর ওপর তাদের কোন কমাণ্ডও ছিলনা। আবার বিরোধিতাও করতে পারছিলেননা।
#### ধন্যবাদ আপনার শ্বিকার করার জন্য যে পাকিস্তানিরা জেনোসাইড করে ছিলো... কিন্তু আপনার নেতা রা কিন্তু তা স্বীকার করে না...
আর একটা কথা হলো... যখন রাজাকার বাহিনির কেই মুক্তিবাহিনির হাতে মারা যাবার পর ....আপনার নেতা তা তাকে দেশের জন্য শহীদ বলে এবং তাদের কাজের জন্য প্রশংসা করে +তাদের পরিবারকে সরকারাী বা দলিয় সাহাস্য দেয় তা কি সমথ`ন নয়???
****************
""তো স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের অবস্থান ফারাক্কা বাধ সহ বিভিন্ন পয়েন্টে কিন্তু কোনভাবেই বন্ধুসুলভ নয়। ""
৭১ এর ভারত বাংলাদেশের মানুষের দুক্ষের দিকে তাকিয়ে ..সাহাজ্য করে নাই... সে তা তার রাজনিতিক সুবিধার কথা চিন্তা করেই করেছে... এই বিষয় টেনে এনে আনা বোকামি আমাদের এই আলোচনায়...
নতুন বলেছেন:
@ উদাসী স্বপ্ন ... জামাতী রা আমাদের জিহাদী যজবা এখনো দেখেনাই....আসলে এখনই সময়... যদি বাঙ্গালী রা এদের বিরুদ্ধে দাড়ায়..তাহলে আগামি ১০০ বছরেও কেও জামান শিবিরেরে নাম মুখে আনবে না...
লেখক বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন আপনার পরিচিত মনে হচ্ছে। আপনাদের জিহাদী যজবাটা কেমন? আমি তো আমার রাজনৈতিক পরিচয় স্পষ্ট করে বললাম। সাহস করে আপনি কোন দল করেন বলুননা। আমার নামে তো বহুত অপবাদ, প্রশ্ন। আপনাকে অত সমস্যায় পড়তে হবেনা আশা করি। কিছু সমর্থকও জুটে যেতে পারে। জাতির সামনে একটু বলুন স্পষ্ট করে।
@ উদাসী স্বপ্ন
you have written your name in the above way.....
but, i think, your name
should be-
must be translated as
বিবর্ণ স্বপ্ন
As your name in the address bar shows
Faded Dream.
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আর রাজাকারজঅহরডানা, আল্লাহর আইনে আপনের মতো আমারও বিশ্বাস নাই, তাই দেখেননা কিছউ হইলেই সবাইকে আমন্ত্রন জানাই ব্রিটিশদের আইনে কেস করতে! আসলেই মন থিকা কেউ চায় না আল্লাহর আইন প্রতিস্ঠিত হউক। তবে জামাত চায় মনে হয় জঙ্গী আইন পয়দআ হউক যেখানে হুদুদ বা ব্লাসফেমী আইনের মত কিছু মনোহর আইন তৈরী হইবেক!
লেখক বলেছেন: ব্রিটিশ আইন বিষয়ে একটা ব্যাখ্যা দেয়া দরকার।
আপনি যদি ফিরে যান রাসুল সা. এর যুগে। দেখবেন মদীনার ১৩টি বছরে তিনি মক্কার চারিদিকে তাওয়াফ করেছেন, নামাজ পড়েছেন, কুরআন পড়েছেন, মুর্তিপুজার বিরোধিতা তো শুরু থেকেই করেছেন, অথচ ক্বাবার মধ্যে ৩৬০ টি মুর্তি। তার গায়ে টাচও করেননি। প্রচলিত আইন অনুযায়ী চারটি মাসকে পবিত্র ধরা হতো তা তিনি মেনে চলেছেন। যখন তার হাতে জনরায়ের ভিত্তিতে রাষ্ট্র ক্ষমতা আসলো, মক্কা বিজয় হলো, তখনই তিনি ক্বাবার মুর্তিগুলোর সর্বনাশ ঘটিয়েছেন। কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করেছেন।
একটি দেশে রাষ্ট্রিয়ভাবে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত সেখানে প্রচলিত আইনের বিরোধিতা সত্বেও মেনে চলার সুন্নাত আল্লাহর রসুলের স.।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
সালাম,অদ্ভুত সুন্দর! ব্যক্তিগত জীবনের এক অনুপম কাব্য। আল্লাহ আপনার, আমার, সকলের জীবনকে সুন্দর করুন, আমিন।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মাগার উনিতো তখন কুরায়েশ সরদারগো কাছে নালিশ করেন নাই! এইখানটা কি আপনের মীরজাফরী চিন্তায় ঢুকে নাই?আচ্ছা ৭১' এ আপনের বাপ-মা কৈ আছিলো? তারা কি কিছু দেখে নাই নিকি? নাকি তারা বিহারী আছিলো? আপনের দাদা জানও কি কিছু দেখে নাই নিকি? নাকি রাজাকারগো স হযোগিতার অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা সবাইরে গনহারে বাশ দিছইলো? এইটা একটু খোলাসা করেন যাতে আমরা বুঝবার পারি আপনের রাজাকার হওনের মোটিভ কি?
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
অসাধারন!!! +
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
হলদে ডানা আপনি এতো মাথা ঠান্ডা রাখেন কেম্নে? আমি তো অনেক চেস্টা করি পারি না। গালাগালি বের হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: হা হা হা!!
অনেক্ষণ পর একটু প্রাণ খুলে হাসলাম। কাল দুপুর থেকে চলছে। আপনার উদার সার্টিফিকেট সামনে তিব্বত কদুর তেলের মত মাথা ঠাণ্ডা রাখতে আরো সাহায্য করবে।
আমি কিন্তু কুষ্টিয়ায় ছিলাম। থানাপাড়ায়।
লেখক বলেছেন: আরেকটি কথা, মাথা গরম করা কিংবা উত্তেজনা সৃষ্টি করা কিন্তু শয়তানের কাজ। একটা উত্তেজনাকর পরিবেশ বজায় রাখতে পারলে মানুষ আর ঠাণ্ডা মাথায় ভাবতে পারেনা। শয়তান চায় সবসময় মানব মস্তিষ্ক উত্তপ্ত থাকুক যেন সে এই বিশ্বজগত সম্পর্কে গভীর চিন্তা গবেষণা করে নিজের জীবনের সঠিক পথনির্দেশনা চিনে নিতে না পারে। কুরআন বুঝতে হলে যে ঠাণ্ডা মাথা দরকার তা যেন সে না পায়।
মুসলিম যারা সৃষ্টির প্রারম্ভ থেকে শুরু শয়তানের এ চক্রান্ত সম্পর্কে ওয়াকিফহাল তার শয়তানের এমন পাতা ফাদে পা দিয়ে মস্তিষ্ক গরম করতে পারেনা।
শয়তান এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য দুইটি কর্মসুচী ব্যাবহার করে। এক, কলহ, ঝগড়া, এগুলোতে উসকানি দেয়। দুই,অশ্লীলতা দ্বারা মস্তিষ্ক ভরপুর রেখে মস্তিষ্ক উষ্ণ রাখতে চায়।
আমরা চাই মানুষের মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা করে তাকে তার জীবনের আসল গন্তব্য সম্পর্কে চিন্তা ঢুকিয়ে দিতে। এতএব নিজেরা উত্তেজিত হলে চলবে কেন?
লেখক বলেছেন: পাগলা ঘাতক হাবিবুল বাশার সুমনকে জিজ্ঞেস করলেই তো আপনার ঠিকানা পেয়ে যায়। নাকি বলেন?
নতুন বলেছেন:
: -) উদা খেপলা কেন??
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
সুমনের বাসা আমার বাসা থেকে ৫ মিনিট
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
আপনার ইমেইল টা চেক করেন
লেখক বলেছেন: বেকারদের পরিচয় দিয়েছেন। এখন তো ধরবো ভাই কানাডায় নিয়ে যেতে হবে।
শমশের আলম শোভন বলেছেন:
কেন রে ভাই, শিবির করেন আবার কানাডায় যাইতে চাইবেন ক্যান? পাকিস্তান যান নাইলে ইরাক যান, নাসার দেশ কানাডা কিল্লিগা? হায়রে সুবিধাবাদিঃঅমি রহমান পিয়াল বলেছেন: জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :
শেষ জমানায় কিছু প্রতারক সৃষ্টি হবে। তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করবে। তারা মানুষের নিকট নিজেদের সাধুতা প্রকাশ ও মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য ভেড়ার চামড়ার পোষাক পড়বে (মানুষের কল্যাণকারী সাজবে)। তাদের রসনা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের হৃদয়ের মতো হিংস্র। (তিরমিজী)
লেখক বলেছেন: শোভন ভাই, আপনার কথাটা একটু ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে। দেখুন, এ মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা যেমন আল্লাহ, তেমনি এ পৃথিবীও আল্লাহ তায়ালারই। সুতরাং, আমি আল্লাহর বান্দা আল্লাহর জমীনে অবাধে বিচরণ করবো, তার রিজিকের অন্বেসন করবো, এতে বাধা কোথায়? নাসারা তথা খ্রিস্টানরা আপাতত ঐ দেশ শাসন করছে, কিন্তু তারা তো ঐ দেশের মালিক হয়ে যায়নি।
আবারও যদি ইতিহাসের পৃষ্ঠা উল্টান, স্মরণ করুন, আল্লাহর রসুল স.-এর সাহাবা সংখ্যা লক্ষাধিক। তাদের ক'জনের কবর আরবে পাওয়া যায়। রসুলের মিশন তারা বুঝতে পেরেছেন- এ জীবন ব্যাবস্থা সমগ্র পৃথিবীর মানুষের জন্য। সুতরাং একে সব মানুষের কাছে পৌছে দেয়া মুসলমানদের দায়িত্ব। তাই ব্যাবসা বাণিজ্যের জন্য নেমে পড়েছেন পথে। পাল উড়িয়েছেন সমুদ্র বক্ষে। যেখানেই রিজিকের ব্যাবস্থা দেখেছেন, নেমে পড়েছেন, আবাস গড়েছেন। আর সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতাবাদী জীবন ব্যাবস্থা ইসলামের প্রচার করেছেন। এজন্য আফ্রিকার দুর্গম অঞ্চলেও দেখা মেলে সাহাবাদের কবর।
অবশ্য তাই বলে কালই কানাডা যাচ্ছি তা নয়। দেখি বুড়া শাহরিয়ার কি বলেন!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
রাজনৈতিক বিরোধিতা আর অপরাধ এক জিনিস নয়রাজাকার যোগান দেয়া, আলবদর গঠন এইগুলা কি স্রেফ রাজনৈতিক বিরোধিতা। গণহত্যায় সক্রিয় অংশগ্রহণ আর বুদ্ধিজীবি হত্যা- রাজনৈতিক বিরোধিতা?
হলদে ডানা বলেছেন:
আরণ্যক যাযাবরের মন্তব্য দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল, তাই মুছে দেয়া হল। রুচিবোধ আরেকটু উন্নত করা উচিত।
নতুন বলেছেন:
ফারহানা এইটা কি বললা... এই জিনিশ যদি শিবিরের পুলাপাইন বুঝতে পারতো তা হইলে তো এতো দিণেই বুঝতো... :-)এরা এমন ই ব্রইন ওয়াসড যে... এই দেশে যখন গো:আ, মুজাহিদের ফাসি হবে... তার পর্েই শিবিরের দল.. বলবে... যে এরা শহীদ হইছে...
হলদে ডানা কে প্রশ্ন:-০ = ** যদি গো:আ এবং মুজাহিদের এদেশের আইনে বিচার হয় এবং তাদের স্বাশ্হি হয়... তখন কি আপনি স্বীকার করবেন যে.. আপনি ভুল পথে চালিতো হইতে ছিলেন???
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
উহু, উনি ২৮ অক্টোবর ফিল্ডে ছিলেন। ইবনে সিনার এম্বুলেন্স ভরা অস্ত্র দিয়া ফাইটে আছিলেন। উনার নেতারা ৭১ সালে আওয়ামী লিগের লগে ফাইট দিছেন, উনারা এখন দেন। তাগো মতে মুক্তিযুদ্ধের কথা কইলেই আওয়ামী লিগ। আর মুক্তিযুদ্ধ ভারতের ষড়যন্ত্র। তাই ভারতের দালালদের বিরুদ্ধে লড়াই জিহাদের অংশ। আর তাতে মরলে শহীদ বাচলে গাজী
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :শেষ জমানায় কিছু প্রতারক সৃষ্টি হবে। তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করবে। তারা মানুষের নিকট নিজেদের সাধুতা প্রকাশ ও মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য ভেড়ার চামড়ার পোষাক পড়বে (মানুষের কল্যাণকারী সাজবে)। তাদের রসনা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের হৃদয়ের মতো হিংস্র। (তিরমিজী)
লেখক বলেছেন: তাও যে হাদিস পড়ছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাতে হয়। তবে একটু খেয়াল রাখবেন রসুল স. এর সেই হাদিসের কথা-
কোন মুসলিম যদি অপর কোন মুসলিম কে কাফের বলে তাহলে তাদের মধ্যে এক্জন তা ই।
ফতোয়া আমাদের দিচ্ছেন ভালো কথা- তবে ঘটনা ক্রমে আমরা যদি তা না হই তবে তা আপনার উপর পতিত হবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। গালি দিন কিন্তু ফতোয়া দিয়ে নিজের কপাল পোড়ার রাস্তা খুলে দেয়া ঠিক হবেনা।
আহরিমান বলেছেন:
আমার মূর্তিগুলানও মোহাম্মদী জোশে ভাইংগা দিবেন নাকি ক্ষমতা পাইলে?? আমি পূজা করুম কারে তখন।
লেখক বলেছেন: আপনি একটি বিপদজনক প্রশ্ন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ভুল ধারনার অবকাশ রয়েছে।
ইসলাম গোড়া থেকেই বিশ্বজগতের প্রতিপালক ব্যাতিত অন্য কারো সামনে মাথা নত করাকে নিষিদ্ধ করে। আর তা যদি হয় সহস্ত নির্মিত প্রতিমা তাহলে তার সামনে মাথা নত করাকে বিবেচনা করে মানবতার জন্য অপমান। সবই ঠিক আছে। কিন্তু এটি হচ্ছে ইসলামী রাষ্ট্রের পাবলিক প্লেসের জন্য। ইসলামী রাষ্ট্রে বাহ্যিকভাবে কোথাও কোন মুর্তি থাকবেনা। কিন্ত বিধর্মীদের ধর্মীয় কাজের জন্য ব্যাবহৃত মুর্তির সর্বোত্তম হেফাজতের নিশ্চয়তা ইসলাম দেয়। তাদের উপাসনালয়ে কিংবা গৃহে প্রতিমা থাকায় কোন সমস্যা নেই। এ ঘটনা তো ইতিহাসে জ্বলজ্বল যে শাসক বিধর্মীদের মুর্তির নাক ভাঙ্গার অপরাধীকে খুঁজে না পেয়ে ক্ষতিপূরণ হিসেবে নিজের নাক পেতে দিয়েছিলেন।
ইসলামই ভিন্নধর্মকে সর্বাধিক নিরাপত্তার সাথে পালনের সুযোগ দেয়। আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন।
শীমুলতা বলেছেন:
ভাল্লাগছে
হলদে ডানা বলেছেন:
দেখছি অনেক সুধিজন এসেছেন এবং পড়েছেন। ধন্যবাদ সকলকে। কাজের ফাকে ফাকে সব প্রশ্নের জবাবই দেব ইনশাআল্লাহ। পালিয়ে যাবনা। পিসিটা বেশ স্লো পাচ্ছি। পোস্টটির স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পাওয়ায় আসতেও দেরী করছে। কিছূ কিছূ কমেন্ট যে কাউকেই আহত করে। তারপরও প্রমাণ হিসেবে রেখে দি্চ্ছি। সাধারণ পাঠকরা দেখুক কি ধরণের প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে শিবির কাজ করছে। প্রথমত টিটকারী-উপহাস করা হয়, এরপর বিভিন্ন প্রশ্ন করে হেনস্থা করার চেষ্টা চলে, এরপর শুরু হয় গালাগালি। অতপর পৃথিবী থেকে নিশ্চিণ্হ করে দেবার প্রচেষ্টা। তারপরও আমরা টিকে আছি, টিকে থাকবো। এটি তো সাধারণ কোন রাজনৈতিক সংগঠন নয়। এটি কোরআনের কাফেলা। যতদিন এ সংগঠন কুরআনকে আকড়ে ধরে রাখবে, ততদিন এ সংগঠনকে আল্লাহ নিজে হেফাজত করবেন- যেমনটি অতিতেও করেছেন। আমরা তারই উপর সর্বাধিক নির্ভর করি।
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন:
আলহামদুলিল্লাহ। আমিও সদস্য প্রার্থী। দোয়া করবেন।
লেখক বলেছেন: আপনিই বোধহয় এই ব্লগে প্রথম ঘোষণা দিয়ে নিজের ইসলামী রাজনৈতিক পরিচয় দিয়েছেন। আপনার এ সাহসিকতা আল্লাহ কবুল করুন। ধন্যবাদ।
হলদে ডানা বলেছেন:
উপরে একটু খেয়াল করুন, জবাব কিন্তু দিচ্ছি একটি একটি করে। আর কোন কোন প্রশ্নের ক্ষেত্রে মনে করছি আলাদা পোস্ট দেব, যেমন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের 'আধিপত্য বিস্তার', রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ইত্যাদি। ততক্ষণ আমাদের সাথেই থাকুন!
নিপুপাওয়ারফুল বলেছেন:
হুমমম... রাগ ইমনের বিশাল বিশাল কমেন্টগুলো প্রমান করে, পোষ্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো @ রাগ ইমনের লাষ্ট কমেন্ট ফর নিপু
*হাসির ইমোটিকনটা আমার ব্যবহার করা ঠিক হয়নি, তবে ওটা উল্লাসের চিহ্ণ ছিলোনা কথাটা হাসিমুখে বলেছি শুধু !
*আস্তমেয়ে ইসলাম-নৈতিকতা এসব নিয়ে নিজস্ব অকাট্য যুক্তির সব মৌলিক পোষ্ট দেয়ার কারনে আইযু বাহিনীর আক্রমনের শিকার হয়েছেন আর আপনি ত্রিভূজের সাথে অহেতুক এক ব্যক্তিগত ঝগরাকে ব্লগ-রাজনীতিতে ব্যবহার করে নিন্দিত হয়ছেন । আকাশ-পাতাল পার্থক্য !
*ব্লগটাতো পাবলিক প্লেস বলেই জানতাম । আপনার কথার জবাব অন্য কেউ দিতে পারবেনা এমনটা ভাবার কি কোন কারন ছিলো !
*কবিতা আর ত্রিভূজ প্রসঙ্গ একারনে এসেছে যে আপনি নিজের খুব গুনকীর্তন শুরু করেছিলেন ।শিবিরের আদর্শ ছাড়াও আপনি যে কতটা মহান-কতটা .... তাই একটু মনে করিয়ে দিলাম !
আর একটু ওপরে আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: বাব্বা, আমি কি দোষ করলাম, পোস্ট তো করলো রাগ ইমন... (বাকিটুকু লিখলাম না) , দেখলেন তো নোংরারা আপনার কেমন রেফারেন্স দিলো!
*অনেকে আপনাকে দিদি বলে ডাকে, তাই একটু কৌতুহল "ইসলামী" ছাত্রশিবির বিষয়ক পোষ্টে আপনার কমেন্টের কারন কি, আপনার মগজের দৌড় দেখানো নাকি আপনার কয়টা হাত আছে তা দেখানো !
*আপনি আমার প্রানের চেয়ে প্রিয় সংগঠনকে অপমান করার চেষ্টা করেছেন আর আমি আপনারই লেখা কবিতার রেফারেন্স দিতে পারবোনা । বাহ কি সেলুকাস-এতেই আপনি অপমানিত বোধ করলেন ? যদি মিথ্যা কোন অভিযোগ করতাম তাহলে নাজানি আরো কি বলতেন !!!
হলদে ডানা বলেছেন:
একজন শিবির কর্মীর কিছু নিজস্ব আলাপচারিতা এতমানুষের দৃষ্টি কাড়বে শুরুতে ভাবিনি। দেখতে দেখতে পোস্টটি বেশ বড় আকৃতি ধারণ করেছে। অনেক প্রশ্নেরই জবাব দিয়েছি। সকলকে সন্তুষ্ট করতে পেরেছি এমনটি ভাবার কোন সুযোগ নেই। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে পর্যালোচনা করেন এমন অধিকাংশ ব্লগার এ পোস্ট থেকে আমার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে মোটামোটি একটি স্বচ্ছ ধারণা পেয়েছেন বলেই আমি আশা করি। কিছু কিছু প্রশ্নের জবাব দেয়া জরুরী নয় বলেই মনে করেছি। কিছু প্রশ্নের প্রেক্ষিতে পৃথক পোস্ট দেয়ার চিন্তা করেছি। একটি কথা আবার বলি, মওদূদিবাদ, জামায়াততন্ত্র, শিবিরতন্ত্র ইত্যাদি প্রতিষ্ঠার কোন লক্ষ আমাদের নেই। আমরা বাংলাদেশে ইসলামের সমাজ দেখতে চাই। পৃথিবীর মানুষের জন্য ইসলামী সমাজের চেয়ে উত্তম কোন সমাজ হতে পারেনা- তিনি যে ধর্মেরই হোন। এ ইসলামী সমাজ যদি আওয়ামী লিগের হাত ধরে আসে- সবার আগে আমরা সাহায্যকারী হিসেবে এগিয়ে আসব ইনশাআল্লাহ। ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা হচ্ছে আমাদের দলীয় লক্ষ্য।
আর ব্যাক্তিগতভাবে আমরা চাই আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি। যে যাই করুন, কিয়ামতের দিন আমার হিসাব আমাকেই দিতে হবে। আল্লাহতায়ালার নির্দেশ পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের জন্যই এ সংগঠনে নাম লিখিয়েছি। যদি দেখি এ সংগঠনে এসে আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ হচ্ছে- তবে এ সংগঠন ত্যাগ করতেও এক মুহূর্ত দেরী করবোনা। এ সংগঠনই যে জগতের সব ভাল হাসিল করে বসে আছে এমন দাবী কখোনোই করিনা। এর অনেক ত্রুটি আর অপূর্ণতা রয়ছে। যদি দেখি এ সংগঠনের চেয়ে উত্তম কোন সংগঠন রয়েছে- তাহলে সেখানে শামিল হতে দেরী করবোনা।
আমার বিরোধিতা করুন, কিন্তু আমার জন্য দোয়া করতে তো কোন আপত্তি নেই। হ্যা, নতুন বছরে সকলের নিকট এই দোয়াই চাচ্ছি যেন বিশ্বজগতের একচ্ছত্র অধিপতি, মানবজাতির শ্রেষ্ঠ কল্যাণকামী, কঠিন শাস্তিদাতা, চুড়ান্ত পুরস্কারের মালিক, সর্বজ্ঞানী, দয়াময় রব্বুল আলামীনের সন্তুষ্টিই এ ক্ষুদ্র জীবনের লক্ষ্য হয়।
নতুন বলেছেন:
""যদি দেখি এ সংগঠনে এসে আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ হচ্ছে- তবে এ সংগঠন ত্যাগ করতেও এক মুহূর্ত দেরী করবোনা। এ সংগঠনই যে জগতের সব ভাল হাসিল করে বসে আছে এমন দাবী কখোনোই করিনা।""--- যেই সংগঠনের নেতারা ১৯৭১ এর হাজারো মানুষের হত্যার মদদ দ্বাতা... তাতে আপনি যখন কোন দোষ খুজে পাননি...
তাহলে আর কি বলার আছে বলুন...
সুধু দোয়া করি ........... আল্লাহ আপনাদের মানুষ করুন ..শিবির হোতে মানুষ..
এস্কিমো বলেছেন:
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ। আমিও সদস্য প্রার্থী। দোয়া করবেন। ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১০
লেখক বলেছেন: আপনিই বোধহয় এই ব্লগে প্রথম ঘোষণা দিয়ে নিজের ইসলামী রাজনৈতিক পরিচয় দিয়েছেন। আপনার এ সাহসিকতা আল্লাহ কবুল করুন। ধন্যবাদ।
- না জনাব, উনি পুরানা মাল। বিজলীর খড়ি নামে ব্যান খাইয়া এখন কাইস্তের মতো কাইত হইছে। চিন্তা নাই, আপনেও হলুদ রঙ হারাইয়া কালা চোরা হবেন।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আমি লোকদের প্রায়ই বলি, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের কারণে সত্যের বিজয় খুব দ্রুত ত্বরান্বিত হবে, যদিও সত্যপন্থীরা এগুলোকে আগে ভয় পেত। এভোয়েড করত নৈতিকতা পরিপন্থী বিষয়ের সয়লাব থাকার কারণে।লেখকের সাথে 'আমরা বাংলাদেশে ইসলামের সমাজ দেখতে চাই। পৃথিবীর মানুষের জন্য ইসলামী সমাজের চেয়ে উত্তম কোন সমাজ হতে পারেনা- তিনি যে ধর্মেরই হোন।'........ এই বক্তব্যে ভিন্নমত আছে।
আমরা বাংলাদেশে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র (ওয়েলফেয়ার স্টেট) দেখতে চায়। আর এর জন্য আমি মনে করি, ইসলামের কোন বিকল্প নাই। কল্যাণমুলক রাষ্ট্র গড়তে আদর্শ হিসাবে ইসলাম অব্যর্থ------ সন্দেহ নেই।
শান্ত বলেছেন:
যুক্তি ও তথ্য প্রমাণ যেখানে অনুপস্থিত, সেখানে গালাগালি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অন্যতম হাতিয়ার। বাআল-বাম আর দাদাদের এটা অন্যতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট। হলদে ডানা, সুন্দর সাবলীল সত্য কথনের ধণ্যবাদ। মন্দ লোকের গালাগালিতে দমে যাবেন না। সত্যই চির সুন্দর।
কোলাহল বলেছেন:
পোষ্টটা আগে দেখলেও অন্যান্ন অনেকের মত ফালতু প্যাচাল ভেবে ঢুকিনি। আজ ঢুকে দেখি সে এক বিশাল ঝড় বয়ে গেছে। অভিজ্ঞ, সমৃদ্ধ প্রোফাইল ধারী ব্লগাররা আসর জমিয়েছেন। মনে হচ্ছিলো যেন জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জনাকীর্ন সাংবাদিক সম্মেলন। বক্তৃতা দিচ্ছেন বিশিষ্ট শিবির নেতা।লেখক বলেছেন: জাতে উঠিয়ে দিলেন দেখছি। একেবারে নেতা বানিয়ে ফেলেছেন।
তবে সম্মানিত নেতৃবৃন্দ জবাব দিলে আরো সুন্দরভাবে দিতে পারতেন।
নেতা যখন বানিয়েছেনই, আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে ঝটপট করে ফেলুন!
বাতিঘর বলেছেন:
অনেকে বলেন এসব নিক ত্রিভুজের। তবে আমি ত্রিভুজের কয়েকটি পোষ্ট দেখেছি। ভাব, ভাষা, বিন্যাস কোনটাই মেলেনা। আরো অনেক শক্তিশালী, অভিজ্ঞ।পুরো পোষ্টটা পড়ে দেখলাম। অনেক প্রশ্নের উত্তর হলদে ডানা দিতে পারেনি। তবে মজার বিষয় হচ্ছে সে খুব দক্ষতার সাথে সেগুলো হ্যান্ডেল করেছে।
সাধারন ব্লগাররা যুক্তিতর্কের পাল্লা যেদিকে ভারী থাকে সেদিকে কনভিন্সড হয়। এজন্য যারা ভাল জানেন তাদেরকে এসব বিতর্কে আগায়ে আসা উচিত। আমাদেরকে যারা কনভিন্সড করতে পারবে আমরা তাদরে সাথেই আছি।
বাতিঘর বলেছেন:
মনে হচ্ছিলো যেন জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জনাকীর্ন সাংবাদিক সম্মেলন। বক্তৃতা দিচ্ছেন বিশিষ্ট শিবির নেতা।খুশী মনে কইেলন না েবজার মনে ? ...মানে আপনি কোন পক্ষের !!! @ কোলাহল
কোলাহল বলেছেন:
পক্ষ নিয়ে টানাটানি করছেন কেন ? আপনার কথা সন্দেহজনক।শুনতেই যখন চেয়েছেন বলি। দেশ এবং জনগন হচ্ছে আমার আত্বীয়্ আমি সেই পক্ষের। আপনি ?
বাতিঘর বলেছেন:
তত্বাবধায়ক ব্লগার। হি..হি..হি..
আবাবিল বলেছেন:
গাল-গল্পতো ভালোই জমেছে।
হাশেম পোদ্দার বলেছেন:
+
িদদারুল আলম বাননা বলেছেন:
যে যাই বলুন,আজ পর্যন্ত জামাত-শিবিরের দোষ প্রমানিত হয়নাই।
হাপিবয় বলেছেন:
Congratulation......... for this post. Every bloger should know about shibir.Whenever they understand the activities of shibir they wont attact against shibir.
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আসলে শিবিরকে পরিচিত করানোর কোন ইচ্ছা আমার ছিলনা। শিবিরকে জড়িয়ে যে চরম মিথ্যাচার আর ঘৃণা সয়লাব বইছিল, সাধারণ ব্লগাররা তা দেখে যেন ভুল ধারণা করে না বসে সে জন্যই এ লেখা। চেষ্টা করবো সামনে সরাসরি শিবির নিয়ে কোন পোস্ট না লেখার জন্য। আমরা চাই বাংলাদেশের সবুজ ভূখণ্ডে একটি সুন্দর সমাজ, যার জন্য ইসলামই একমাত্র প্রমাণিত ব্যাবস্থা। যে সংগঠনই বাংলাদেশে ইসলামের শাশ্বত জীবন ব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এগিয়ে আসবে. আমরা তাদেরকেই আমাদের বন্ধু মনে করবো।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
শিবিরের আলোকে জলে উঠুক আমাদের এ ব্লগ। মিথ্যার বেসাতি গুলো যাক জলে। বাংলাদেশ জামাতে ইসলামি দেশ রক্ষার আন্দোলন শুর হয়েছে সেই ১৯৭১ থেকে, সংগ্রাম চলবে
লেখক বলেছেন: একটু সংশোধন আছে। বলুন ইসলামের আলোকে। এ পৃথিবীতে মানুষের দুনিয়া ও আখিরাতের কামিয়াব নিহিত রয়েছে ইসলামের পূর্ণ অনুশীলনের মধ্যে।
রাশেদ বলেছেন:
২১ টা প্লাস দিলো কোন রামছাগল গুলায়। গুয়া হাঝামের দল!
লেখক বলেছেন: এই আপনাদের চরিত্র। নিজের ব্লগে ভিন্নমত সহ্য করতে পারেননা, অন্যের ব্লগে এসে গালাগালি করে যান। চলুক।
আপনাদের এই চরিত্র যারা দেখছে তারাই আমার সংগঠন না করলেও আপনারদের প্রতি ঘৃণা দেখাতে প্লাস দিয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: আপনার কথার জবাবে দেখুন কারা যেন আরো দুটো প্লাস দিয়ে গেছে।
আহমদ বলেছেন:
THANKS FOR YOUR ACTUAL HISTORY. WE ALSO SELIBRETE YOU.
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
প্রমান চান আপনি গনহত্যার। বাড়িতে গিয়ে একাত্তর দেখা মা, বাবা, দাদা, দাদি নানা নানি দের জিজ্ঞাসা করুন। আমি জিজ্ঞাসা করেছি, তারা অনেকেই প্রত্যক্ষ সাক্ষি জামাতের যুদ্ধাপরাধের। আওয়ামী লীগ তথা শেখ মুজিবের ভুলের জন্যে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয় নি একাত্তরের পরে। ফলে এটা সম্ভব নয় যে সব যুদ্ধাপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। তবে গোলাম আজম, নিজামী, মুজাহিদ প্রমুখকে ফাসিতে ঝুলানো খুবই সম্ভব।
সমস্যা হচ্ছে সরকার ভয় পাচ্ছে শিবিরের আত্মঘাতি স্কোয়াডকে।
লেখক বলেছেন: ভেবেছিলাম কি না কি প্রশ্ন করেন। এখন তো দেখি তেমন কোন প্রশ্ন নয়, শুধু ব্যাক্তিগত কিছু অনুভুতি।
যা হোক, প্রমান এ মুহূর্তে আমার খুব একটা দরকার নেই। শুধু বলতে চাই প্রমাণ যদি সত্যিই থাকতো তবে স্বাধীনতার পরপরই বিচার হতো, অর্ধশতাব্দি পরে তোড় জোড় হতো না।
মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে মামলা হলো বড়-পুকুরিয়ায় কয়লার দুর্নীতিতে সম্ভাব্য অভিযুক্ত হিসেবে। কোন দূর দূরান্তের অভিযোগে মাওলানা নিজামীকে অভিযুক্ত করাটা প্রমাণ করে সরকার তাকে ফাসানোর জন্য হেন কোন চেষ্টা নেই যা করছেনা।
সেই নিজামী সাহেব ৭১-এ মানুষ খুন করে এত বছর দিব্যি হাওয়া খেয়েছেন- পাগলেও বিশ্বাস করবে? আর কি প্রমাণ চাইবো আপনার কাছে?
এত বছর কি জামায়াত ক্ষমতায় ছিল যে তাদের বিচার করা সম্ভব হয়নি? আজ যারা চিৎকার করে গলা ফাটাচেছ তারাই তো ছিল। তারপরও বিচার না করাটা তাদের ভুল ছিলনা, ছিল তাদের অক্ষমতা। প্রমাণ না থাকার অক্ষমতা।
চোখ থাকলে নির্দোষিতার অনেক প্রমাণই পাওয়া যায়। কিন্তু চোখে আঙ্গুল দিয়ে কতবার দেখালে আপনারা দেখবেন তা -ই আজ আমার শ্রান্ত প্রশ্ন।
লেখক বলেছেন: তাইলে আমারটা আপনি দিয়া দিয়েন।
লেখক বলেছেন: করি মানে, নইলে চলি কি করে? আমরা তো কমিশন খাইতে পারিনা। টেন্ডারবাজিও করতে পারিনা। চাদার টাকা দিয়াই তো চলতে হয়।
তবে বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে চাদা নেইনা। যারা স্বেচ্ছায় দেয় তাদের নিকট থেকেই নেই।
বহু আওয়ামী ভাইয়েরাও কিন্তু দেয়। তবে তা অনেকটা ব্যাক্তিগত সম্পর্কের কারণে। নাম বলবোনা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এক সহকারী . . . সম্পাদক, যার মূল সম্পাদক এখন বিদেশে আছেন, সেদিন মাসে মাসে টাকা দিতে রাজি হলেন, তবে শর্ত দিলেন কাউকে বলা যাবেনা।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
এতো লম্বা পোস্টথ্রেড পড়ার রুচি হচ্ছে না। একটা কথা জিগাই:
ব্লগে আপনের এই 'অবদা' তো একলাফে আপনেরে রুকন বানায়া দেয়া উচিত। হয়া গেছেন তো?
লেখক বলেছেন: দুখের কথা কি বলবো ভাই, সদস্য হইতে পারিনাই। চলতি মাসের ১২ তারিখে এক ওয়াক্ত নামাজ ক্বাজা হয়ে গেল। সারা রাত মাথা ব্যাথা ছিল, নামাজটা আর পড়তে পারিনাই। মনে হয় আরো ছয় মাস পিছাইয়া গেলাম।
দোয়া করবেন, দোয়া করতে তো আর পয়সা লাগেনা।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
হলদে ডানা, শিশু অবস্থায় বাংলাদেশের উপর অনেক আন্তর্জাতিক চাপ ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে । ব্লগার মিরাজ ভাই, এ বিষয়ে সিরিজ পোষ্ট দিচ্ছেন । এখন দেশটি আর শিশু নেই । বিচার অবশ্যি জরুরী এবং করতে হবে ।
আপনি যতই ছল প্রতিযুক্তি দেবেন ততই জামাত ঘৃণাকারীরা আরো ঘৃণাপ্রবণ হয়ে উঠবে ।
সত্য ও ন্যায়ের পথে আসুন । যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীর সাথে একাত্বতা ঘোষণা করুন ।
লেখক বলেছেন: ইসলাম পন্থীদের ব্যাপারে বিশ্ব মোড়লেরা কখোনোই শুভাকাঙ্খি ছিলনা, যেখানে তাদের স্বার্থ জড়িত সেটি ভিন্ন কথা। তাদের চেষ্টাই ছিল কিভাবে কোন ইসলামপন্থীকে আটকানো যায়। প্রমাণ ছাড়া অপরাধে কিভাবে আফগানিস্তান ধ্বংস হলো তাতো দেখতেই পারছেন।
জ্বি, সত্য ও ন্যায়ের পথেই থাকতে চাই আজীবন।
লেখক বলেছেন: চান্দাবাজির অভিযোগে, চান্দাবাজির অপরাধে না।
লেখক বলেছেন: জো হুকুম জাহাপানা, আপনার উপদেশ এই মাথায় তুলিয়া রাখিলাম।
সবুজমিয়া বলেছেন:
@হলদে ডানা ভাই.....আইজু গং আইজকা সাধারন পাব্লিকের কাছে গাইল খাইয়া
নেংটা হৈয়া গেছে...এখন আপ্নের এইহানে আইসা আবোলতাবোল কৈয়া তার ভাবমুর্তি উদ্ধারে নামছে......
আইজকা তার কুনু কমেন্টের জবাব দিয়েন না....সে আগে পাব্লিকের গাইল হজম করুক আইজকা.....
লেখক বলেছেন: না, আমি, মানে, কিছু হজমি ট্যাবলেট দিচ্ছিলাম আর কি।
তা কেন ভাই গাইল খাচ্ছে কেন? হাতে নাতে ধরা পড়েছে নাকি?
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
জ্বী না, বিশ্ব মোড়লেরা বিশ্ব রাজনীতির খেলায় কখন যে কি করেন বুঝা ভার । যুক্তরাষ্ট্র ৭১ এ পাকিস্তান ঘেষা ছিল -- সেই পাকিস্তান যাদের জেনোসাইডের অন্যতম রেশোনাইল ছিল , ইসলাম অটুট রাখা ।
যাইহোক , মূল প্রশ্নটি এড়িয়ে গেলেন কেন? জবাব জানা নেই ? প
লেখক বলেছেন: মূল প্রশ্নটা যেন কি ছিল? আমি তো পুরোটা পড়েই জবাব দিলাম।
যুদ্ধাপরাধ শান্তি অপরাধ, সব অপরাধের বিচার চাই। তবে বিচারের নামে হয়রানী দেখতে চাইনা।
কিছু কি বাদ গেল?
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
হুম ধন্যবাদ । কিন্তু বিচার করতে গেলে জামাতের বর্তমান অনেক নেতা খসে পরবেন । একজন শিবির কর্মী হিসেবে আপনার এই চাওয়া কি যথেষ্ঠ স্ববিরোধী নয় ?
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
@সিহাব
হলুদ ডানার "সব অপরাধের বিচার চাই। তবে বিচারের নামে হয়রানী দেখতে চাইনা। " - এই কথাটা চোখে পরেনি? মাজেযাটা কি বুঝিয়ে বলতে হবে?
হলদে ডানা বলেছেন:
আপনার মাথায় তো অনেক বুদ্ধি@ মডারেটর!বিচার অবশ্যই চাই। হয়রানী বলতে- নির্বাচনের আগে শুধু আইনি দৌড় দৌড়ানোর জন্যই কোন মামলা হবে, এটি যেন না হয়। অপরাধের মেরিট বুঝতে হবে। অর্ধশত্ক পরের মামলার মেরিট অবশ্যই দূর্বল।
সিহাব, অপরাধীর জন্য আমার চোখে একফোটা অশ্রু নেই। কিন্তু আপনি দেখছি আমার চেয়ে অধিক চিন্তিত।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
আপনার ধৈর্য্য ভাষা ইত্যাদির প্রশংসা করতে হয়। আপনি অনেক দূরে যাবেন। কিন্তু আপনার নিজস্ব কোনো ফ্যাকাল্টি নাই। একাত্তরে নিজামী মুজাহিদ কী করছিল আপনার জানা নাই বা জানা থাকলেও বিশ্বাস করেননা, এই এক কারণেই আপনার সঙ্গে কথা চালানো উচিত নয়। তবে কিনা ব্লগে আপনাদের উৎপাতে আবার ইচ্ছে হলো জানতে যে দেখি একজন শিবির কর্মীর ভাবনা কী। এজন্য এই পোস্ট পড়া।
পোস্টটা পড়ে অশেষ জ্ঞানলাভ হইলো। সওয়াবো হইলো মনে হয়।
লেখক বলেছেন: মহামান্য শিক্ষক এসছেন আমার ব্লগে, স্বাগতম।
১. আপনার আশির্বাদ শিরোধার্য। অনেক দূর যাবার ইচ্ছা আছে, তবে অনেক বড় নেতা হবার ইচেছ নেই। মাঠ কর্মী থেকেই কাজ করতে চাই।
২. আমার নিজস্ব ফ্যাকাল্টি নেই- চিন্তায় ফেলে দিলেন। তবে আপনি আমার পুরো লেখা পড়েছেন কিনা. . । আপনি মনে করেন যে আমার সাথে নেতাদের চিন্তার গড়মিল আছে? তাহলে ভুল বুঝছেন সম্ভবত। জামায়াতে অপরাধীর জায়গা নেই তা বুঝাতে একটা উদাহরণ দেই।
ত্রাণের টিনের অপরাধে জড়িত থাকার জন্য একজন জনপ্রিয় সাবেক এমপিকে বহিষ্কার করা হয়েছে জানেন নিশ্চয়ই। আপনার জন্য ইশারাই যথেষ্ট হবার কথা।
৩. আমাদের উৎপাত?? কি করবেন, একটু সহ্য করুন। আমরা যে হাজার গুনে বেশি সহ্য করছি।
৪. আপনি তো প্রায়ই আমার পোস্ট পড়ে সওয়াবের ভাগিদার হন। অসুবিধা কোথায়, মহা-শক্তিমান প্রভুর সামনে সেদিন যখন একটি সওয়াবের জন্য হাহাকার পড়ে যাবে, এই সওয়াব সেদিন মহামূল্যবান হিসেবে কাজ করলে অসুবিধা কোথায়?
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
আপনি কি শিবির কর্মী? যদি না হোন তাহলে বিগত মন্তব্য আপনার জন্য ছিল না । প্লিজ কিপ সেইফ ডিসটেন্স । @ মডারেটর
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন:
আপনি কি শিবির করেন? তাহলে এইরকম প্যাও প্যাও করেন কেন? গলা উচু করে কথা বলুন। ব্লগটা কারো বাপের সম্পত্তি না। আর দেশটাও কারো দাদার জমিদারি না। ১৩১ জন শহীদের রক্তস্নাত কাফেলা বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির কারো রক্তচক্ষুকে কেয়ার করে না, জেনে রাখুন সবাই। শিবির তার যোগ্যতা দিয়ে প্রাপ্য আদায় করে নেয়।
লেখক বলেছেন: হুমম. . ।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
অর্ধশত্ক পরের মামলার মেরিট অবশ্যই দূর্বল।
-------------
হাস্যকর কথা । একটা না দুটা না লক্ষ লক্ষ মানুষকে নৃশংসভাবে মারা হল । সময়ে অনেক কিছু, ক্ষয়ে যায় । পূন্য যায় না, পাপ ও যায় না । দেশের মানুষের সাথে গাদ্দারীর পাপ কখনো না ।
কিন্তু বিচার করতে গেলে জামাতের বর্তমান অনেক নেতা খসে পরবেন । একজন শিবির কর্মী হিসেবে আপনার এই চাওয়া কি যথেষ্ঠ স্ববিরোধী নয় ?
বিশ্লেষনী উত্তর আশা করেছিলাম ।
লেখক বলেছেন: এক কথায় উত্তর পেয়েছিলেন বলেই মনে করেছিলাম। বিচারে যদি কোন জামায়াত নেতা দোষী সাব্যস্ত হয়, তো তিনি অপরাধী। অপরাধীকে না জামায়াত সাপোর্ট করে, না আমি নিজে। আশা করি উত্তর পেয়েছেন।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@কাস্তের মত চাদঁ। আর দেশটাও কারো দাদার জমিদারি না।
দেশের কথা বলতে আপনার লজ্জা করলো না? না কি জামাতিদের লজ্জা নেই ?
গোলাম আযমের দেশপ্রেম দেখুনঃ ১) স্বাধীনতা যুদ্ধের পর, ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে রিয়াদে মুসলিম যুব সংস্থা আয়োজিত আন্তর্জাতিক ইসলামী যুব সম্মেলনের প্রথম অধবেশনে যোগ দেন গোলাম আযম । সম্মেলনে তিনি 'পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার' জন্য ঝাপিয়ে পড়তে সারা মুসলিম জাহান কে আহবান জানান । ২) ১৯৭২ এই গোলাম আযম লন্ডনে গঠন করেন 'পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি' । ৩) ১৯৭৩ সালের মার্চে লিবিয়ার বেনগাজীতে অনুষ্ঠিত ইসলামী পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সম্মেলনে কোন রকম আমন্ত্রন ছাড়া উপস্থিত হন এবং সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয়ার জন্য মুসলিম দেশগুলোর প্রতিনিধিদের প্রতি আহবান জানান । ৪) ১৯৭৩ সালের জুলাইতে গোলাম আযম লিবিয়াতে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে 'গোলামীর জিঞ্জির' বলে উল্লেখ করেন ।
ব্লগ কবি দেবদারুর অনুকরনে বলতে বলতে চাইঃ
দেশের কথা বলতে গেলে তোদের মুখে একদলা থুথু(গো আ এবং তার অনুসারীদের জন্য উক্ত) ।
একটু তো লজ্জা করুন ।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
এক কথায় উত্তর পেয়েছিলেন বলেই মনে করেছিলাম। বিচারে যদি কোন জামায়াত নেতা দোষী সাব্যস্ত হয়, তো তিনি অপরাধী। অপরাধীকে না জামায়াত সাপোর্ট করে, না আমি নিজে। আশা করি উত্তর পেয়েছেন।
দারুন বলেছেন ।
যেহেতু জামাতের বড় মাথাদের উপর দেশদ্রোহীতার ও মানুষ্যহত্যার মত অপরাধের allegation আছে এবং যেহেতু এটি একটি রাষ্ট্রিয় ইস্যু মামলা হওয়া তাই এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত জামাত শিবিরের ব্লগভিত্তিক প্রচার বন্ধ রাখা নৈতিকভাবে অথবা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে জরুরী ।
যেখানে ময়লা আছে বলে সন্দেহ হয়, সেখানে পা না রাখা উচিত , যতক্ষন না নিশ্চিত হচ্ছেন আসলেই ময়লা নেই ।
ভালো বলেছেন:
ছাত্রশিবির তার ওপর আরোপিত সমস্স্ত মিথ্যা কলঙ্ক ধুয়ে মুছে দিয়েছে পবিত্র আলোর হিরোন্ময় ঝলকে । অপূর্ব -লেখনী ! ! !আমাদের ব্রেনওয়াশ যেভাবে করা হয়
হলদে ডানা, এই পোস্টে আপনার মতামত চাই
আরিফুর রহমান বলেছেন:
যাক এই লেখাটা এতোদিন চোখে পড়েনি। আজ পড়লাম। শুনেছি আদালতে অপরাধী স্বীকারোক্তি দিলে সাজার মেয়াদ কমানো হয়।
নাহ্ শিবিরপুত্র/রাজাকারপুত্ররা এতো আশান্বিত হইও না এইটুকু পড়ে।
তোমাদের কপালে জুতার বাড়ি আর মুখে একদলা থুতু অবশ্যই!!
লেখক বলেছেন: আপনার কপালের এ হতোদ্দশা কার কিসের বাড়ি খেয়ে, তাতো বললেননা!
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
আমার অনেক লীগ, দল, এবং বাম বন্ধূ রয়েছে। এক ছাত্রলীগের বন্ধুর বক্তব্য হচ্ছে- "দোস্ত, অনেক শিবির পিটাইছি, সামনেও পিটাব, তবে নিশ্চিত থাক, তোমার গায়ে হাত তুলবো না, কাউকে তুলতেও দেবনা।" হ্যা এটাই আমাদের নৈতিক অস্ত্র। আপনার এই নৈতিক অস্ত্রটি ভালো লেগেছে।
আর খান বলেছেন:
হলদে ডানা, লেখালেখি ছাড়বেননা প্লিজ। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে আপনার লেখা পড়ি। সেদিন আপনার লেখার এই লিংকটি জাহিদ ভাইকে দিয়েছি। দীর্ঘক্ষণ আলাপও হয়েছে এ নিয়ে। অনেক দোয়া ও শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আসলে ব্যাস্ততা তো আছেই। তা ছাড়া লেখাপড়ার চাপ বেড়েই চলছে। দাওয়াতী কাজ ভার্চুয়ালী যেমন করছি, বাস্তব ময়দানেও করতে সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। তথাপি আপনার উৎসাহ নিশ্চয়ই আমাকে আরো পোস্ট দানে সক্রিয় করবে। ধন্যবাদ আপনাকে।
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
অনেকদিন পর এই ব্লগটা চোখে পড়ল।হলদে ডানা,
আপনি অনেকগুলি প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন,আমি মনোযোগ দিয়ে সবগুলো পড়েছি।তার মাঝে দুটো উল্লেখ করছি।
একজন প্রকৃত মুসলমান সাহসী হয়।সুতরাং প্লীজ পিছলাবেন না।
সিহাব চৌধুরীর করা মন্তব্যটা :
দেশের কথা বলতে আপনার লজ্জা করলো না? না কি জামাতিদের লজ্জা নেই ?
গোলাম আযমের দেশপ্রেম দেখুনঃ
১) স্বাধীনতা যুদ্ধের পর, ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে রিয়াদে মুসলিম যুব সংস্থা আয়োজিত আন্তর্জাতিক ইসলামী যুব সম্মেলনের প্রথম অধবেশনে যোগ দেন গোলাম আযম । সম্মেলনে তিনি 'পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার' জন্য ঝাপিয়ে পড়তে সারা মুসলিম জাহান কে আহবান জানান ।
২) ১৯৭২ এই গোলাম আযম লন্ডনে গঠন করেন 'পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি' ।
৩) ১৯৭৩ সালের মার্চে লিবিয়ার বেনগাজীতে অনুষ্ঠিত ইসলামী পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সম্মেলনে কোন রকম আমন্ত্রন ছাড়া উপস্থিত হন এবং সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয়ার জন্য মুসলিম দেশগুলোর প্রতিনিধিদের প্রতি আহবান জানান ।
৪) ১৯৭৩ সালের জুলাইতে গোলাম আযম লিবিয়াতে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে 'গোলামীর জিঞ্জির' বলে উল্লেখ করেন ।
ব্লগ কবি দেবদারুর অনুকরনে বলতে বলতে চাইঃ
দেশের কথা বলতে গেলে তোদের মুখে একদলা থুথু(গো আ এবং তার অনুসারীদের জন্য উক্ত) ।
একটু তো লজ্জা করুন ।
এবং ফারহান দাউদ ভাইএর মন্তব্যটা
কিছু স্পেসেফিক প্রশ্ন করলেই এরর দেখায়।
কথা ঠিক,তোমারে প্রশ্ন কইরাও লাভ নাই,হুদা প্যাচাইবা,তাও ২-১টা কথা জিগাই,বিশেষ কইরা,মেহরাবের কিছু প্রশ্নের উত্তর তুমি এড়ায়া গেসো। উত্তর না পাইলেই খালি বলো এই বিষয়ে আমার তেমন পড়াশোনা নেই,হেনতেন। আরে গাধা,সব কি পড়াশোনা দিয়া হয়? জেনোসাইড হইসে স্বীকার করো তো? তাইলে ১টা মাত্র উত্তর দাও,তোমার নেতা নিজামী আর গোলাম আযম পরিষ্কারভাবে,১৯৭১ সালের জুন-জুলাই মাসেও পত্রিকা আর সমাবেশে বিবৃতি দিসে যে পাকবাহিনী আল্লাহর রাস্তায় আছে(নাউজুবিল্লাহ),আর মুক্তিযোদ্ধারা ভারতের দালাল,ওদের নির্মূল করতে সবাই সাহায্য করুন(জিঘাংসা তাড়িত বক্তব্য,তোমার ভাষাতেই)। তখন কিন্তু দেশে গণহত্যা হইসে অনেক জায়গায়,প্রমাণ হিসাবে অনেক ছবিও আছে,আর তোমাদের নেতারা যে এইগুলা বলছে সেটা জামাতের পত্রিকা দৈনিক সংগ্রামেই আছে,অন্য কোথাও না যে পলিটিক্যাল গলাবাজি বলবা। তো,এখন বলো তো,এইযে পাকবাহিনী গণহত্যা করছে এটা দেখে এবং জেনেও যে তাদেরকে প্রকাশ্য সমর্থন দেয়া,এইরকম নেতার পিছনে দাঁড়ানো কি ঠিক? কোন আদালতে যাওয়া লাগে এইটা যে অপরাধ সেটা প্রমাণ করতে? অনেক তো বিবেকের কথা বললা,নিজের বিবেকরে একবার প্রশ্নটা করো তো।
লেখক বলেছেন: দেখুন আমি ইতপূর্বে এই পোস্টের বিভিন্ন মন্তব্যের জবাবে যা বলেছি, সামগ্রীকভাবে তাতেই মূল জবাব পেয়ে যাবার কথা। ৭১ এ জামায়াতের মূল চিন্তা কি ছিল, তাদের ভূমিকা কি ছিল, বর্তমানে কি অবস্থা, কোন দৃষ্টিতে তাদের ভূমিকা মূল্যায়ন করা উচিত, এ বিষয়ে এই পোস্ট সহ বিভিন্ন পোস্টে আমার জ্ঞানের আলোকে বিস্তারিত বলেছি। এরপরও যাদের প্রশ্ন থাকে তাদের উদ্দেশ্য নিরেট বিতর্ক করা সন্দেহ নেই। আর বিতর্কের জন্য বিতর্ক করার কোন মানে হয়না। তাই আপনার এ প্রশ্নগুলোর নতুন করে কোন জবাব আমি দিতে ইচ্ছুক নই। ধন্যবাদ।
১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন:
কেমন আছেন? পড়াশুনার খবর কি?
লেখক বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি।
পড়ালেখা? নতুন সেমিস্টার শুরু হলো, কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে নতুন ব্যস্ততা। এই নিয়ে যাচ্ছে দিন চলে।
ইদানিং কোন কোন ব্লগারের সাথে পরিচিত হচ্ছি। আপনার মেইল এড্রেসটি দিবেন কি?
মুসান্না গালিব বলেছেন:
ফাহমিদুল স্যার বলছেন," আপনার ধৈর্য্য ভাষা ইত্যাদির প্রশংসা করতে হয়। আপনি অনেক দূরে যাবেন।"স্যার যথার্থই বলেছেন।
লালসালু বলেছেন:
আপনি একজন ভালো লেখক হতে পারবেন। লেখা চালিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: জনাব লাল সালু, উৎসাহ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনি এত পূরাতন লেখা খুঁজে পেলেন কিভাবে?
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন:
সম্পূর্ণ বিশ্বাস আর যুক্তি নিয়েই বলছি- শিবির হচ্ছে ধর্মকে ব্যবহার করে মগজধোলাই এর সবচেয়ে নোংরা কারখানা। যার এক চরম বাস্তব উদাহরণ হচ্ছেন আ্পনি। সবকিছু জানেন সবকিছু বোঝেন, তবুও নিজেকে কিভাবে ঠুলি পরিয়ে রাখেন, আর অন্যদেরও বিভ্রান্ত করেন। ইসলাম ধর্মকে যদি আদর্শ মেনেই থাকেন, এই আত্মপ্রতারণার পরিণাম কি হবে, একবার ভাবুন ? যদিও বলে কিছু হবেনা, তবুও এতটা মিথ্যা ভালমানুষী লেখাটা ভালো লাগলো না।
লেখক বলেছেন: জনাব অন্ধ আগন্তুক, বলে কিছু হবেনা তবুও বললেন এজন্য ধন্যবাদ। সকলের ভাল লাগতে হবে এমন কোন শর্ত নেই। এটি কোন ভ্রমণ কাহিনী নয়, এটি একটি রাজনীতি সংশ্লিষ্ট মত নির্ভর লেখা। ফলে সকলের ভাল লাগাটাই হবে অস্বাভাবিক। সে ধারাবাহিকতায় ভাল না লাগার দলে আপনার অবস্থান, অসুবিধে কি?
আপনি বলেছেন"ইসলাম ধর্মকে যদি আদর্শ মেনেই থাকেন. . . " হ্যা, আবারো দাবী করছি, ইসলামই আমার আদর্শ। পড়ার জন্য, মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
তরু বলেছেন:
৭১ এর ব্যাপারটা স্বীকার করা উচিত আপনাদের।
তরু বলেছেন:
@আরিফুল হোসেন তুহিন: সহমত।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
পোস্টটি ৫৭ জনের ভাল লেগেছে, ৪৮ জনের ভাল লাগেনিশিবিরের ব্যাপরে সহানুভূতিশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্লগ জনতা!
এখানে কি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিকেরা ব্লগায়!
লেখক বলেছেন: ভাবনার বিষয়!
লেখক বলেছেন: তদন্ত করা হোক।
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন:
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: পোস্টটি ৫৭ জনের ভাল লেগেছে, ৫১ জনের ভাল লাগেনি। শিবিরের ব্যাপরে সহানুভূতিশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্লগ জনতা! এখানে কি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিকেরা ব্লগায়!
ভাই, এসব যে মগবাজারের আইপি থেকে আসেনি, সে ব্যাপারে আপনি কি নিশ্চত?
এই প্লাস দেয়া ৫৭ জনরা কমেন্টাইল না কেন?
(যতদূর মনে পড়ে, একবার এক মগবাজারীর ৬০ টা নিক একযোগে বাতিল হইছিল।)
লেখক বলেছেন: আশা করি আপনি মাইনাস দিতে ভুল করেননি।
লেখক বলেছেন: সাহসের বিষয়টি ঠিক বুঝলামনা। আমার অবস্থান এবং অনেকের ভুল ধারণা পরিস্কার করেছি মাত্র এই পোস্টের মাধ্যমে। আর এই ব্লগে আমার আশে পাশে বলতে আমার সমমনা যদি বুঝিয়ে থাকেন তবে সঠিক পরিসংখ্যান আমার জানা নেই। ব্লগের খুব কম লোকের সাথেই আমার সরাসরি পরিচয় আছে।
মুরুববী বলেছেন:
'প্রায় প্রতিদিন কুরআন পাঠ করতে হয়। কম হলে কৈফিয়ত দিতে হয়। 'ভাল লাগলোনা কথাটা, কৈফিয়ত দেয়া উচিত আল্লাহ এর কাছে ওনলি। মাইনাচ
লেখক বলেছেন: আসলে কথাটি হয়তো আমি ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারিনি। কৈফিয়ত বলতে সামষ্টিকভাবে আমরা যে পারস্পরিক খোঁজ খবরের ভিত্তিতে জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করছি তা বুঝিয়েছি। দেখুন মানুষ জ্ঞান অর্জন করে জানার জন্য, নিজের জন্য। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিভিন্ন ইনস্টিটিউটে নিজের ইচ্ছায় নিজের খরচে ভর্তি হয়। তারপরও সেখানে কিন্তু পড়ালেখা, পরীক্ষা, জাববাদিহীতা ইত্যাদি থাকে। এর মানে এই নয় যে তাকে জোড় করে পড়ানো হচ্ছে। আমরাও ঠিক এভাবে একটি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কুরআন হাদিস চর্চা করছি, এ বিষয়টি বুঝানোর জন্যই আমি 'কৈফিয়ত কথাটি ব্যবহার করেছি।
মতামত দেয়া ও মাইনাস দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন:
ইসলামের নামে আপনারা ৭১ সালে এতো গুলো নিরপরাধ নারী,শিশু,মানুষদের মারছেন কেনো?পাকিস্তানের গোলামী করে এখনও ক্ষমা না চেয়ে এদেশে থাকছেন কিভাবে?
আ শী ষ বলেছেন:
আমার মন্তব্য আপনার ভালো লাগবেনা ধরে নিয়েই শুরু করছি।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন পড়ি তখন দেখেছি শিবিরের আসল রূপ, চরিত্র। আপনাকে কী বলবো? আপনি নিজেই জানেন, শুধু মানেন না। কীভাবে পারেন আপনারা এসব। শারিরীক নয় শুধু, তারচেয়েও বেশি যন্ত্রণা দেয় মানসিক ভাবে।
এখনিতো বলবেন প্রমাণ দেন। আরে ভাই, প্রমাণ আমি নিজে। আমার উপর অত্যাচার হয়েছে। শাহ আমানত হলে থাকতাম আমি। তারও আগে থাকতাম কটেজে।একটা একটা করে নাম বলতে পারব, সেই সাথে প্রত্যেকের অনেকগুলো ঘটনা। কতজন শিবির নেতা, পাতি নেতা, চামচা'র ঘটনা বললে আপনি বিশ্বাস করবেন জানি না। অবশ্য আপনার বিশ্বাস অবিশ্বাস নিয়ে আমার কিছু যায় আসে না। আমি দেখেছি ঐ কুত্তাগুলো কি নৃসংস হতে পারে। কী ভাই, কুত্তা বলাতে রাগ করলেন?? রাগ করলে আমি কী করবো? আমার কিছু করার নাই। আমার মুখ দিয়ে শিবির নেতা সম্বন্ধে এর চেয়ে ভালো কথা বের হয় না। আর কখনো বের হবে না।
এখনি বলবেন, "সবাই এক না"। তাই আপনার জন্য আমার প্রশ্ন, আপনি কতজনের কথা জানতে চান? কতজন কুত্তার কথা জানতে চান?? আমার কাছে প্রমাণ নাই। প্রমাণের কোন দরকার নাই। আমার সাথে যা করা হয়েছে তা দেখে আমার তথাকথিত শিবির বন্ধুগুলোও কিন্তু কিছু বলেনি।
আপনার পোস্টে মাইনাস।
লেখক বলেছেন: আপনার উপর অত্যাচার হয়েছে কি হয়নি আমি জানিনা। যদি হয়ে থাকে অবশ্যই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। আপনার উচিত ছিল তাদেরকে আইনের হাতে সোপর্দ করা। সে সময় না পারলেও এখন করতে পারেন। যে কোন অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে আমার ও আমাদের অবস্থান। তবে আমি নিজে একাধিকবার চবিতে গিয়েছি, আমার রক্তের আত্মীয় সেখানে পড়েছেন, সে সব অভিজ্ঞতা আপনার বর্ণনাকে স্বীকৃতি দেয়না।
তবে সারাদেশের জনগণ ছাত্রশিবিরের এমন চরিত্রের কতটুকু স্বীকৃতি দেয় তা দেখার বিষয়। কেননা প্রত্যেকেই পত্রপত্রিকায় যা-ই পড়ুক, নিজ পাড়ায় মহল্লায় শিবিরকে চেনে এবং সেখান থেকেই ধারণা নেয়।
যা হোক মতামত প্রকাশের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। মাইনাস দেবার জন্যও ধন্যবাদ।
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
জামাত জাতীয় সংসদে কত সালে ১৫০টির বেশী সিট পেয়ে সংসদের যাবে বলে আপনি মনে করেন....
লেখক বলেছেন: অন্তত আগামী ৫০ বছরে সম্ভাবনা নেই বলেই আমি মনে করি।
টিপূ সুলতান বলেছেন:
প্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ, অতঃপর আপনার দীর্ঘ পোস্ট পড়ে বেশ ভাল লাগল, সে জন্য আবারও মোবারক বাদ। উপরে পেলাচ..মাইনাচ বলে দিচ্ছেসব, তথাপি আপনি বুঝে নিবেন নিশ্চয়ই। কেননা চিন্তাশীল মানুষের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। ভাল থাকবেন।
মোসাজস বলেছেন:
যাদের নিয়ে আপনারা ইসলামিক কল্যান রাষ্টের স্বপ্ন দেখেন তাদের মধ্য ইসলামিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট খুব একটা খুজে পাওয়া যায় না। নেই কোন বিশষ পরেজগারিতা, নেই কোন স্মার্টনেস। রয়েছে আপনাদের নেতাদের শুধুই কিছু দাম্ভিকতা । দলটা অনেক পুরাতন তবে এখনও তারা গনমানুষের দলে পরিনত হতে পারে নাই। জন্ম থেকে যেখানে রয়েছে সেখানেই আছে শুধুমাত্র কিছু নেতা এলিট শ্রণিতে পরিনত হওয়া ছাড়া।
শিবিরের কর্মী হতে হলে আটটি কাজ করতে হয়। যেমন, প্রতিদিন কুরআন ও হাদিস বুঝে অধ্যয়ন করা, নিয়মিত ইসলামী সাহিত্য পাঠ করা, ইসলামের নৈতিক বিধানগুলো মেনে চলা, দাওয়াতি কাজ করা, রিপোর্ট রাখা, প্রোগ্রামসমূহে উপস্থিত হওয়া, অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করা এবং বায়তুলমালে এয়ানত দেয়া।
-----
বাংলাদেশের সব দল যদি এভাবে কর্মী তৈরী করতো...
সুপ্ত সবুজ বলেছেন:
আল্লাহ আপনার সহায় হোন। আপনাদের মত ছেলেরা আছে বলেই আল্লাহ পৃথিবীকে টিকিয়ে রেখেছেন।
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন:
আশিজন শুয়োরের বাচ্চা প্লাস দিছিলো
বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন:
৭৭ জন কুত্তারবাচ্ছা মাইনাস দিল
মুসাফির... বলেছেন:
পড়লাম...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















১।রাজাকার ইস্যুতে আপনার মত কি?
২। আপনাদের বড় বড় নেতারা যে রাজাকার ছিলেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় হাজারও অপকর্ম করেছেন, সেটি একটি বাস্তব সত্য কথা। এমন লোককে নেতা মানা কি ইসলাম সম্মত?
৩।ইসলামের কথা বললেন, তাহলে আপনার রাজাকার নেতারা যে অপকর্ম করেছেন, তার বিচার কি ইসলাম অনুযায়ী করা উচিত ছিল না?
৪। দেশপ্রেম ঈমানের অংগ বা এই জাতীয় কথা বার্তা ইসলামেই আছে, তাহলে এই দেশের বিরুদ্ধে যারা ছিল, যারা এই দেশকে অপমান করেছে, ক্ষতি করেছে, তাদের বিচার কেন করছেন না।
সোজা সাপ্টা পয়েন্ট আকারে জবাব দিন।