ছবিতে নিহত হাবিবুর রহমান রক্তাক্ত অবস্থায় নিথর শুয়ে আছেন রাজপথে, তাকে আওয়ামীরা তাদের কর্মী বলে চালিয়ে দেবার কি চেষ্টাই না করেছিল। কিন্তু গোমর ফাস হয়ে যায় স্বল্প সময়েই। ছবির লোকটি জামায়াতের একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী। তার নাম মনিরুল ইসলাম নয়, তিনি হাবিবুর রহমান, বাসা রাজধানীর মিরপুর-১ এর শাহআলীবাগ এলাকায়। ছোট ব্যাবসা করতেন। তার ছেলে রুবেল ৮ম শ্রেণীতে পড়ে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী অসহায় হয়ে পড়ে। জামায়াত তাদের সহযোগীতায় এগিয়ে আসে। তার স্ত্রী এখন কল্যাণপুর ইবনে সিনা হাসপাতালের ফুয়াদ আল খতিব ইউনিটে চাকরী করেন।
আমি নিজে- জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির সাথে তাদের বাসায একাধিকবার গিয়েছি। সান্তনা দিয়েছি। তার ছেলে রুবেলের জন্য প্রাইভেট টিউটর ঠিক করে দিয়ে এসেছি।
কেউ যদি দেখা করতে চান, আহ্বান রইলো সেখানে যাবার জন্য। অন্তত কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালে গিয়ে তার স্ত্রীর সাথে কথা বলে নিশ্চিত হতে পারেন। অথবা যান শাহআলীবাগ এলাকায়, যে কোন মানুষকে জিজ্ঞেস করুন, চিনিয়ে দেবে তাদের বাসা। আছে কি কারো সৎ সাহস?
কিন্তু আওয়ামী লীগের রাজনীতি এতটাই নির্লজ্জের রাজনীতি যে আজও একটি প্রমাণিত সত্যকে দিনের আলোয় মিথ্যা বলার চেষ্টায় থাকে। আশ্চর্যের আর হতবাকের ব্যাপার হচ্ছে খোদ আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানও একই মিথ্যাচার করার চেষ্টা করেন গত অক্টোবরে। সর্বোচ্চ নেতার যখন এই অবস্থা তখন এস্কিমো তো কোন ছাড়। হায়রে রাজনীতি।
এটাই হল আওয়ামী ইতিহাস। মিথ্যাচার আর অপবাদের রাজনীতিতে তাদের ইতিহাস পরিপূর্ণ। লাশ ছিনতাই, অপবাদ, গুন্ডামি, কি নেই তাদের রাজনীতিতে। প্রচণ্ড ঘৃণা হয় এ রাজনীতির জন্য। বাংলাদেশের জন্য আওয়ামী লীগ একটি বিষফোড়ার মত। মিথ্যা, হ্ত্যা, আর মাস্তানীর আদর্শে সমৃদ্ধ আওয়ামী রাজনীতির জন্য আফসোস । আফসোস হতভাগা বাংলাদেশের জন্যও। এদের দ্বারা পেটের রাজনীতিই করা সম্ভব, দেশের মানুষের জন্য কিছু করার আদর্শ তাদের রাজনীতিতে নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

