আমার প্রিয় পোস্ট
- The top 100 sites in Bangladesh - জীবরান
- ফেলানি মানববন্ধন : কিছু রহস্য যার উত্তর খুঁজে ফিরি - াঢারে ালো
- এই আমার প্রিয় ভাই, শহীদ নোমানী ভাই ! - ভালো
- সাইবার ক্যাম্পেইন থেকে রাজপথে মাইকিং.. বাংলার তারুন্যের ঐক্যের মানববন্ধন.. .. - বেঙ্গল মাসুদ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। - কুম্ভকর্ণ
- আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংস রহস্য ( কপি পেস্ট হইলেও মাথা ঘুরানোর মতন একটা পোস্ট) - মেকগাইভার
- প্রিয় কথাশিল্পী নসীম হিজাজী : তার জীবন ও কাজের কিছুটা বর্ণনা - স্বর্ণলতা
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ , প্রক্টরসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহত ( ছবি ব্লগ ) - অবিশ্বাসী
- কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করুন অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলুনঃ - Jahangir
- জামায়াতের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ এবং আমাদের ভাবনা -১ - রুবেল হাসান
- ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও নিরাপদ থাকুক বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি - ফিউশন ফাইভ
- এডিসন বনাম ওয়েস্টিংহাউস : এসি ডিসির যুদ্ধ - উম্মু আবদুল্লাহ
- আবু বকর বলেছিলাম না ভাই আমরা তোমাকে ভুলে যাবো।



- মৌনোতা
- ১৯৭১ - আমার দেখা দিনগুলি - ১ - মোহাম্মদ লোমান
- মুসলিম কি করিয়া ধর্মনিরপেক্ষ হয়? এমনকি অন্যরা? - পাললিক মন
- যখন স্নিগ্ধ চোখে অনুসরণ করা যায়। - হলদে ডানা
- ২৮ অক্টোবর : সংঘর্ষের দুটো পক্ষ : কি তাদের বৈশিষ্ট্য ! - ভালো
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই গণপ্রজাতান্ত্রিক নয়। চাকর কেন মনিব: জনপ্রশাসন নিয়ে হাসিনার কথা ও জবাব - পাললিক মন
- পাকিস্তান নয় যুক্তরাস্ট্রই পৃথিবীর জন্য হুমকি স্বরূপ - পাললিক মন
- মাওলানা মওদুদী সম্পর্কে জানতে হলে ... (আপডেট : amarboi.org এ আরো বই পাবেন) - ভালো
- বিদেশী পত্র-পত্রিকায় শেখ মুজিব - ৩ - টাইটেনিয়াম
- বিদেশী পত্র-পত্রিকায় শেখ মুজিব - ২ - টাইটেনিয়াম
- বিদেশী পত্র-পত্রিকায় শেখ মুজিব - ১
- টাইটেনিয়াম
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- ইতিহাসের এক স্বর্ণালী বিস্ময়। - হলদে ডানা
- একজন শিবির কর্মীর কথা - হলদে ডানা
- মেধাহীন 'করপোরেট' মেরুকরণ, গড্ডালিকার নর্দমা, ডিজুস তারুণ্য - সাঈফ শেরিফ
- ছিনতাইকারীর হাত থেকে রেহায় পাওয়ার ঘটনায় আমি অভিভূত! - মাহমুদ রহমান
- ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি কারা করে? - িদদারুল আলম বাননা
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- আজ সংবাদপত্রের কালো দিবস - অধিকাংশ মিডিয়া ইচ্ছা করেই ভূলে গেছে! - আওরঙ্গজেব
- প্রিয় সুশীল সমাজ, আপনি কোথায়??? আমার অনুরোধটা শুনতে পাচ্ছেন কি? - জীবন-মৃত্যু
- সিরাতুল মোস্তাকিম কোনটা? - মাহমুদ রহমান
- জাপানী ভাষায় আপনার নাম কেমন হয় দেখুন............... - লুলুপাগলা
- ইসলাম আর নারী-১ - বোঘদাদি হেকিম
- যত খুশি যখন-তখন ফ্রি এসএমএস - রিজভী
- সামহোয়্যাইন জিন্দাবাদ.. এ-টিম জিন্দাবাদ... - ত্রিভুজ
- বাকশাল, বঙ্গবন্ধু ও আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ - বিবর্তনবাদী
- আমাদের সংগ্রামের উজ্জ্বল পুরুষ- হাজী শরীয়তউল্লাহ (শুরু পর্ব) - জয়নাব আল গাজালী
- সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাতকার (২য় পর্ব) - সাম্প্রতিক
- ছাত্রলীগ, আওয়ামীলীগ, নাস্তিক, ও আধানাস্তিকদের জন্য প্রশ্নপত্র (বাৎসরিক পরীক্ষা) - পান্জেরী
রক্তের সে স্রোতধারা হোক সুন্দরের অগ্রপথিক
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
চিরুনীর আচড় এখনও যখন মাথার সেলাই দেওয়া অংশে ভুলক্রমে উঠে যায়, কেঁপে উঠি ব্যাথায়, বাজারের ব্যাগটি তুলতে গিয়ে যখন ভাঙ্গা আঙ্গুলটি চিন চিন করে ওঠে, ঝাকুনি দিয়ে ওঠে শরীর। সেদিনের কথা স্মরণ হয়।
দিবস মেনে আমাকে ২৮শে অক্টোবর স্মরণ করতে হয়না, প্রতিদিনের ছোটছোট ব্যাথাগুলো আমাকে প্রতিদিনই ২৮শে অক্টোবরের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
মনে পড়ে সেদিনটির কথা। কিচ্ছু ছিলনা আমাদের হাতে। জীবনে এমন পরিস্থিতির মোকাবেলা করিনি কোনদিন। সাত সকালে ফ্রিজ থেকে বের করে দেয়া মায়ের হাতের গরম করা পোলাউ খেয়ে বের হয়েছি পল্টনের উদ্দেশ্যে। সব মিলে মোটে প্রায় ২৫জন ছিলাম পল্টন মসজিদ গলিতে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শ্লোগান। দেখি সবার হাতে লগি বৈঠা। কিছু বুঝে উঠতে না উঠতেই দেখি বৃষ্টির মত ইট এসে পড়ছে। কি করবো বুঝতে পারছিলামনা। অন্যদের দেখাদেখি আমিও ওদের ছোড়া ইটগুলো পাল্টা ছুড়তে লাগলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই এক ধাওয়া দিয়ে কাকরাইলের দিকে তাড়িয়ে দিলাম। কিন্তু কাকরাইলের দিকে তাকিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। শত শত মানুষের বিশাল এক মিছিল এগিয়ে আসছে, প্রত্যেকের হাতে উদ্ধত লগি বৈঠা।
জীবনে মঞ্চে বহু গান গেয়েছি। শহীদি গান, কাশ্মির কি ফিলিস্তিনের প্রতি সহমর্মীতা নিয়ে গান। কিন্তু সত্যিকারের ময়দানে দাঁড়িয়ে মনে হলো মঞ্চে গান গাওয়া আর বাস্তবে মৃত্যুকে ময়দানে মোকাবেলা করা- আকাশ পাতাল তফাৎ। এগিয়ে আসছে আকাশ কাঁপানো মিছিল, আমি আতঙ্কে ফ্রিজ হয়ে আছি। ভাবছি, আমাদের এ কয়জনের উপর দিয়ে ওরা যদি শুধু হেঁটে যায়, তাতেই চলবে, স্রেফ পিষে যাব। এক মুহুর্তে কত ভাবনা ঘুড়ে ঘুড়ে এলো মাথায়, আজকের সংঘাত হয়তো এখানেই শেষ, দিন শেষে ফিরে যাব যার যার গৃহে, কিন্তু এমন আতঙ্ক নিয়েই তো প্রতিটি দিন পার করে ফিলিস্তিন, কাশ্মিরের জনগণ। কেন যেন ভাবনাগুলো মুহুর্তের মধ্যে ঘুরে গেল মাথা থেকে।
মাথায় চিন্তা এলো- যা হয় হোক, পালাবোনা। গলির মধ্যে ঢুকে আগের জায়গায় দাঁড়ালাম সবাই । এগিয়ে আসা মিছিল আমাদের গলিমুখে থমকে দাঁড়ালো। শুরু করলো বৃষ্টির মত ইট নিক্ষেপ। আমরাও যথাসাধ্য ফিরিয়ে দিলাম। কিন্তু কতক্ষণ? একটি ইট এসে লাগলো মাথায়। পৃথিবীটা দুলে উঠলো যেন। মাথাটা হাত দিয়ে চেপে পিছু হটতে লাগলাম। আরেকটি ইট এসে পড়লো সেই চেপে ধরা হাতে। মধ্যমা আঙ্গুলটি ভেঙ্গে গেল। একটু নিরাপদে এসে দাঁড়াতেই টের পেলাম রক্তের স্রোতে ভিজে যাচ্ছে শার্ট। কে একজন একটি টিস্যু দিল। চেপে ধরে দাঁড়াতেই একজন জোড় করে মহানগরী অফিসের দিকে ধরে নিয়ে চললো। পথে দেখলাম একের পর এক রক্তাক্ত ভাইদেরকে পল্টনের দিক থেকে ধরে ধরে নিয়ে আসছে তাদের সাথীরা। সে এক বিভৎস দৃশ্য।
মাথায় সেলাই ও ব্যান্ডেজ বেধে দুপুরের পরে যখন ফিরেছি আবার, ততক্ষণে আমার পাশে থাকা মুজাহিদ ভাইয়ের শাহাদাতের খবর পেলাম। চলেই গেলেন তিনি চীরতরে। আজ বিকেলে যখন শহীদ মুজাহিদ ভাইয়ের বাবার সাথে দুই বছর পর পিরিচিত হলাম। বললাম, সেদিন আমি আর মুজাহিদ ভাই এক সাথেই ছিলাম। তিনি ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রইলেন আমার দিকে। শুধু কষ্ট ঠেলে জিজ্ঞেস করলেন- তোমার কি নাম?
দীর্ঘদিন ভাঙ্গা আঙ্গুলটি নিয়ে আমি একপ্রকার অসহায় ছিলাম। মা সতর্ক ছিলেন সর্বক্ষণ। ছোট বোনকে কড়া নির্দেশ দিলেন, যেন প্রতিদিন ঘুমানোর আগে আমার মশারী টানিয়ে দেয়। দীর্ঘদিন গোসলের পরের ভেজা কাপড় মা নিজের হাতে ধুয়ে দিয়েছেন। কম্পিউটারের কী বোর্ডে বহুদিন হাত দিতে পারিনি। আমার সে ভাঙ্গা আঙ্গুলটি আজো এক প্রকার অকর্মণ্য। জানিনা আদৌ ঠিক হবে কিনা।
কি হবে এসব স্মৃতি কথা বলে। আমি তো মাতৃক্রোড়ে ফিরে এসেছিলাম মাতৃস্নেহ জয় করে। ১৪ জন ভাইতো সেদিন চিরতরে চলে গেলেন এক অন্ধ রাজনীতির কবলে পড়ে। আমার চেয়ে অনেকগুণে আহত হয়ে আজো কাতড়াচ্ছেন শত শত ভাই।
কি দোষ করেছিলাম? ঢাকা শহরের এক বাড়িওয়ালার সন্তান হয়ে নিরাপদে, সুখেই তো কাটাতে পারতাম জীবন। কুরআন-হাদিস পড়ে জানলাম পৃথিবীতে আল্লাহর বান্দাহদের দায়িত্ব শুধু ভোগ আর জীবন পার করা নয়। বরং যে আল্লাহ আমাকে খলিফা হিসেবে পাঠিয়েছেন, তার দেয়া দায়িত্ব পালন করা। তার দেয়া জীবন ব্যবস্থাকে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালানো। সে চেষ্টা করতেই তো একটি ইসলামী ছাত্র সংগঠনে যোগ দিয়েছিলাম। সেটাই কি আমার অপরাধ? কই, যারা আমার সংগঠনের বিরোধিতা করেন, তারা তো নিজেরা আল্লাহর দ্বীনকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি নিয়ে আমার নিকট আসেননি কোনদিন। আমি তো প্রস্তুত, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যদি ইসলাম প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি ঘোষণা করে, সবার আগে আমি সেখানে যাব ইনশাআল্লাহ। কিংবা বিএনপি যদি করে, আমি বৃহৎ দল হিসেবে তাদের সাথে যোগ দেব। কিন্তু, কেউ তো আসেনা। শুধুই বিরোধিতা, শুধুই ত্রুটি অনুসন্ধান।
জানি, নবীদের ইতিহাস বলে, কোন নবীর সত্য দাওয়াতই বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। সমাজের কুলিন শ্রেণীর লোকেরাই সে দাওয়াতকে সবার আগে প্রত্যাখ্যান করেছে। এটাই ইতিহাস। রাসুল সা. এর ক্ষেত্রেও সে ঘটনাই ঘটেছে। একই উদ্দেশ্য নিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত যারই কথা বলবে, কর্মসূচি ঘোষণা করবে, তাদের বিরুদ্ধেই কায়েমী স্বার্থবাদিরা হিংস্র হয়ে উঠবে। কোথাও 'স্বাধীনতা বিরোধিতা' ইস্যু, কোথাও সন্ত্রাসবাদ, কোথাও অন্য কিছু। স্বাধীনতা বিরোধিতাই যদি আমাদের বিরুদ্ধে একমাত্র ইস্যু হয়, তবে ১৯৬৯ এ সোহরাওয়ার্দী ময়দানে মালেক ভাইকে এভাবে নির্মমভাবে জীবন দিতে হতোনা। প্রকৃতপক্ষে ইসলামের কল্যাণময় সমাজের বিপক্ষে আওয়াজ যুগে যুগে উঠেছিল, ভাবিষ্যতেও উঠবে।
তবে 'আতঙ্কের' কথা হচ্ছে, আল্লাহ প্রদত্ত জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যও প্রতিটি জনপদে একদল মানুষ থাকবে। মাথা উচু করবে। শত বিরোধিতা সত্বেও জনগণের মন জয় করে সুন্দরের পথে এগিয়ে যাবে। ২৮শে অক্টোবরে আমার কয়েকফোটা রক্ত যদি আল্লাহ কবুল করেন, আমি তাতেই তৃপ্ত। যে শত শত ভাই আহত হয়েছেন, সকলেরই একই দোয়া।
যারা চলে গেছেন, তাদের আত্মীয় স্বজনরা আমৃত্যু চোখের পানি ফেলবেন। সে চোখের পানির বদৌলতে যদি আল্লাহ এ জমিন থেকে হিংসাত্মক রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিষদাত উপড়ে ফেলেন, তবেই সে চোখের পানি স্বার্থক, সে রক্ত স্বার্থক। বাংলাদেশের রাজনীতিতে হিংসা আর রক্তধারা ঘুচে আদর্শিক প্রতিযোগিতা আসুক। আজকের দিনে এটিই প্রত্যাশা।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ২৮শে অক্টোবর, আওয়ামী লীগ, লগি বৈঠা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: রাজনীতি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনি এরচেয়ে সুন্দর গঠনতন্ত্র নিয়ে কেন হাজির হচ্ছেননা। আমি তো সে কথাই বলেছি। আসুক আরো সুন্দর কিছু নিয়ে। আমি তো দলের আনুগত্য করিনা, আমি আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। আপনার সংগঠনটির নাম ও কর্মসূচি জানান।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
অতিরিক্ত পরিশ্রমে পা ব্যথা করতেসে। আজকে মনে হয় ক্লোফেনাক খাইতে হবে। প্যারাসিটমলে হৈবনা।
লেখক বলেছেন: সভ্য সমাজ দস্যুদের জন্য নয়। হয় বন, নয় লাল দালান।
শিক কাবাব বলেছেন:
ইট মারলে আজকাল পাটকেল খায় না। ইট মারলে আজকাল ককটেল খায়। তোমাদের মত জঞ্জালরা সমাজকে কুলুষিত করে চলেছো। তো, আমার মাথা ফাটলো না ক্যান? তোমার মাথা ফাটে ক্যান? নিজেরে নিজে একবার প্রশ্ন কইরা দেখ?
লেখক বলেছেন: বন্ধু তুমি কি ইসলামী কল্যাণময় সমাজ প্রতিষ্ঠার দাওয়াত দিয়ে মানুষের মাঝে গিয়েছো? সম্ভবত যাওনি, তবে ঢিল খাবে কেন? তুমি নিজেকে নিজে একবার প্রশ্ন করে দেখতে পারো।
শঙ্খচীল বলেছেন:
যুগে যুগে শহীদ দের রক্তের বিনিময়ে এভাবে সত্যের জয় হয়েছে। ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে ও একদিন হবে।
লেখক বলেছেন: ইনশাআল্লাহ।
রাতমজুর বলেছেন:
শেষ জমানায় কিছু প্রতারক সৃষ্টি হবে। তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করবে। তারা মানুষের নিকট নিজেদের সাধুতা প্রকাশ ও মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য ভেড়ার চামড়ার পোষাক পড়বে (মানুষের কল্যাণকারী সাজবে)। তাদের রসনা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের হৃদয়ের মতো হিংস্র। (তিরমিজী)
লেখক বলেছেন: আপনি কি তাদের মুখপত্র?
সরপ বলেছেন:
সুন্দর পষ্ট। আমি একটি পষ্ট দিয়েছি। এত সুন্দর হয়নি।
লেখক বলেছেন: আপনার বিনয়।
মুক্তির অন্বেষায় বলেছেন:
নবীদের ইতিহাস বলে, কোন নবীর সত্য দাওয়াতই বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। সমাজের কুলিন শ্রেণীর লোকেরাই সে দাওয়াতকে সবার আগে প্রত্যাখ্যান করেছে। এটাই ইতিহাস। রাসুল সা. এর ক্ষেত্রেও সে ঘটনাই ঘটেছে। একই উদ্দেশ্য নিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত যারই কথা বলবে, কর্মসূচি ঘোষণা করবে, তাদের বিরুদ্ধেই কায়েমী স্বার্থবাদিরা হিংস্র হয়ে উঠবে। কোথাও 'স্বাধীনতা বিরোধিতা' ইস্যু, কোথাও সন্ত্রাসবাদ, কোথাও অন্য কিছু।
অসাধারণ পোষ্ট। আপনার আবেগময় বিশ্লেষণ আমাকে দারূণ আলোড়িত করেছে।
আল্লাহ আপনাকে উত্তম পুরুষ্কার দিন। দয়া করে এই লিংকে ভিজিট করুন।
Click This Link
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, পড়েছি সেটি।
এস্কিমো বলেছেন:
মুক্তির অন্বেষায় বলেছেন: নবীদের ইতিহাস বলে, কোন নবীর সত্য দাওয়াতই বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হয়নি।
- ২৮ তারিখে নবী আসলো কি ভাবে?
লেখক বলেছেন: পড়ের লাইনগুলো কেন পড়েননি।
"একই উদ্দেশ্য নিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত যারই কথা বলবে, কর্মসূচি ঘোষণা করবে, তাদের বিরুদ্ধেই কায়েমী স্বার্থবাদিরা হিংস্র হয়ে উঠবে"
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
হ্যাঁ এত সুন্দর গঠনতন্ত্র যে রাজাকার মুজাহিদি আগেই বলে কোন প্রশ্ন করবেন না গঠনতন্ত্র নিয়ে।
লেখক বলেছেন: আমার কথার জবাব পাচ্ছিনা, এর চেয়ে সুন্দর গঠনতন্ত্র ও কর্মসূচি নিয়ে আপনি বা আপনারা কেন হাজির হচ্ছেন না?
মুক্তির অন্বেষায় বলেছেন:
@ এস্কিমো
কথাটা আমার নয়, পোষ্টদাতার। তবু বলি, নবীদেরকে যেমন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে, নবীদের উম্মতদেরকে তেমনি।
নবীরা দেখিয়ে গেছেন কেমন করে চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় ধৈর্য ধরতে হয়, কেমন করে দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে জীবন দিতে হয়, ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।
২৮ তারিখ জীবন দিয়ে শহীদেরা ত্যাগের সেই মহিমান্বিত শিক্ষা বাস্তবায়ন করে গেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
রুহী বলেছেন:
এরা আপনার উত্তর নিয়ে আসবেনা।যুক্তিহীন বিরুধীতা করা এদের আজম্ম স্বভাব।যুক্তিতে হেরে এরা আপনার দিকে তেড়েঁ আসবে লগি-বৈঠা-অস্ত্র নিয়ে।আর বর্ষন করবে গালিগালাজের বৃষ্টি।ওরা নাচবে আপনার লাশের উপর,এতেইযে খুশী গনতন্ত্রের মানসকন্যা! যাদের নেত্রীই লগি-বৈঠা আন্দোলনের জননী -তাদের কাছ থেকে আপনি আশা করেন সততার রাজনীতি!
লেখক বলেছেন: আশা তো ছাড়তে পারিনা। আশাই আমাদের একমাত্র ভেলা। তবে এদের কপালে যদি সৎ রাজনীতির পথে ফিরে আসার সুযোগ না থাকে, তাহলে দুনিয়া থেকে এদের উৎখাত কামনা করি। এ মানসকণ্যার পিতাও জমিনকে ওলটপালট করে নিয়েছিলেন। কিন্তু হজম করতে পারেননি। ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। এদের হতে কতক্ষণ।
এস্কিমো বলেছেন:
তাইলে ওয়ার্কার্স পার্টির যে কর্মীকে হত্যা করেছে জামাতিরা - সেও তাইলে নবীদের পথ ধরে মারা গেছে। জামাতি রাজনীতি আর নবীর পথ - এই দুইটা একসাথে কি যায়। জামাত হলো ভন্ডদের দল।
এদের সর্বশেষ ভন্ডামী হলো গঠনতন্ত্র সংশোধন - এক চাপেই আল্লাহ নাম বাদ। ভন্ডামীর আরো কত নমুনা দেখবো।
লেখক বলেছেন: একটি ছবি বা ভিডিও কি দেখাতে পারবেন যেখানে জামায়াতের বা শিবিরের লোকজন বিপক্ষ দলের কাউকে মারছে? পারবেননা। পারবেন লাশ চুরি করতে। এই আপনিই একবার লাশ চুরির ধান্ধায় নেমেছিলেন। আমিই আপনার লাশ চুরি প্রতিহত করেছিলাম।
. . . . . .. . . . . .. . . . . . . . . .
"জামাতি রাজনীতি আর নবীর পথ - এই দুইটা একসাথে কি যায়। "
আপনি নবীর পথে ইসলামের কল্যাণময় সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কোন সংগঠনে কোন কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছেন আমাদেরকে জানান। আমরা অপেক্ষায়। নবীর পথে চলার জন্য আমরা আগ্রহী।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
জামাত যেমন গঠনতন্ত্র ঘুরায়, তেমনি কর্মীদের কি কথা ঘুরানোর শিক্ষা দেয় - যে দল আল্লাহর নাম মুছে ফেলেছে - কিভাবে একজন মুসলমান হয়ে তাদের দলের সাপোর্ট করেন?
লেখক বলেছেন: একজন মুসলমান হয়ে আপনি কোন সংগঠনে কোন কর্মসূচি নিয়ে কোন গঠনতন্ত্র নিয়ে কাজ করছেন? আমাদেরকে জানান। আমরা নিরীক্ষা করে দেখতে আগ্রহী। আমরা ইসলামী কল্যাণময় সমাজ বিনির্মাণের আন্দোলনে সবচেয়ে সুন্দর সংগঠনের অধীনে কাজ করতে চাই।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
"অন্যদের দেখাদেখি আমিও ওদের ছোড়া ইটগুলো পাল্টা ছুড়তে লাগলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই এক ধাওয়া দিয়ে কাকরাইলের দিকে তাড়িয়ে দিলাম।"এ ছোট ছোট বিজয়গাঁথাগুলো যেন রক্তের মাঝে প্রাণের স্পন্দন!
আল্লাহ্ আপনাদের জিহাদ কবূল করুন। শহীদদের শাহাদাত কবূল করুন। নিজেকে বড্ড অপরাধী মনে হয়, যখন শুনে যাই সে যুগের জিহাদের কাহিনী যে যুগে আমিও বর্তমান
উত্তপ্ত ময়দানে বিপ্লবী সংগীত গাওয়ার যে কি অনুভব, তা আমার মতদের অনুভব করা সম্ভব নয়। তবে সেদিন নওশাদ মাহফুজের মুখ থেকে শুনে শুনে চেষ্টা করলাম কল্পনায় তার অনুভব নিতে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দিনটি স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য। সত্যিই, প্রেরণার সংগীত গাওয়া আর প্রত্যক্ষ ময়দানে মৃত্যুকে মোকাবেলা করা আকাশ পাতাল তফাৎ, সেদিন ভালোভাবেই উপলব্ধি করেছিলাম।
লেখক বলেছেন: কিছুক্ষণ আগে মেইল পড়লাম। মেইল দাতা তবে আপনি??
ঢাকায় এলে দাওয়াত রইলো।
এখন ভালো আলহামদুলিল্লাহ।
CCE এর মানেটা বুঝলামনা। মাঝে S হলে না হয় কিছু বুঝে আসে ! !
লুকার বলেছেন:
আপনেরা ঐ গোলমালের মধ্যে ক্যান গেছিলেন?
ইসলাম কায়েম করতে?
সেই মহান দায়িত্ব আপনাগো কে দিল?
লেখক বলেছেন: প্রোগ্রামটি ছিল পূর্ব নির্ধারিত। প্রোগ্রামে যোগদান করতেই আমি সেখানে গিয়েছিলাম।
তবে আপনার অনুভুতি ও চিন্তা দেখে আমি বিস্মিত হচ্ছি। সেদিন বাংলাদেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর রক্তের নেশায় ঝাপিয়ে পড়লো, আপনি তাদের সে কর্মকান্ডের সামান্যতম নিন্দা না করে উল্টো আমাকে প্রশ্ন করছেন আমি কেন সেখানে গিয়েছিলাম? আপনি কি বলতে চান সন্ত্রাসী রাস্তায় টহল দিবে, কিন্তু ভদ্রলোক রাস্তায় কেন যাবে?
আফসোস।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
আবারো পড়লাম-"কে একজন একটি টিস্যু দিল। চেপে ধরে দাঁড়াতেই একজন জোড় করে মহানগরী অফিসের দিকে ধরে নিয়ে চললো। পথে দেখলাম একের পর এক রক্তাক্ত ভাইদেরকে পল্টনের দিক থেকে ধরে ধরে নিয়ে আসছে তাদের সাথীরা। সে এক বিভৎস দৃশ্য।
মাথায় সেলাই ও ব্যান্ডেজ বেধে দুপুরের পরে যখন ফিরেছি আবার, ততক্ষণে আমার পাশে থাকা মুজাহিদ ভাইয়ের শাহাদাতের খবর পেলাম। চলেই গেলেন তিনি চীরতরে।"
ঝাপসা দু'চোখ নিয়ে....
লেখাটি শোকেইসে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ফজল ভাই, আপনি আমাকে স্মৃতি কাতর করে দিচ্ছেন। পোস্টটি লিখতে গিয়ে অনেক কথাই স্মরণ হচ্ছিল, অনেক কষ্টে স্মৃতিগুলোকে চেপে রেখে লিখেছি এটি।
আহত অবস্থায় যখন মহানগরী অফিসে একটু প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করছি, তখন একজন ভীষণভাবে আহত পঞ্চাশোর্ধ লোককে শুইয়ে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন কয়েকজন মিলে। এমন সময় খবর এলো, একজন আহত ভাইকে ওরা ঘিরে ধরেছে। কেউ তাকে উদ্ধার করতে যেতে পারছেনা। খবরটি শোনা মাত্র চিকিৎসাধীন বয়স্ক লোকটি উঠে বসলেন, বললেন, আমাকে ছাড়ুন, আমার একজন ভাই ওদের হাতে আটকে থাকবে, আর আমি এখানে চিকিৎসা নেব, তা হতে পারেনা।
অনেক কষ্টে লোকজন তাকে বুঝিয়ে ধরে রাখলো। সেদিনের অনেক বিস্ময়কর স্মৃতিই মনে পড়ে। কি হবে সে স্মৃতি বর্ণনা করে। রক্তের বিনিময়ে হলেও বাংলাদেশে একটি সুন্দর ও সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশের দিকে অগ্রসর হলে, ইসলামের কল্যাণময় সমাজের দিকে অগ্রসর হলে তবেই সে রক্ত স্বার্থক।
আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
দ্বীপবালক বলেছেন:
কাবার প্রভূর কসম! তাঁরা সফল হয়েছেন!
লেখক বলেছেন: আমার মালিকের কসম . . ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
মৌলিকভাবে আমি সুস্থই। একটি আঙ্গুল আংশিক অকেজো এই যা। হয়তো আরো কয়েকবছর পর অনেকটাই ভালো হয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।
একর্থে ভাঙ্গা আঙ্গুল খারাপ না। প্রতিদিনের ব্যাথাগুলো আমাকে সেদিনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, আমার দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, . . .।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আল্লাহ আপনার ত্যাগকে কবুল করুন।এদেশের ইসলামী আন্দোলন যে হাওয়ার তোড়ে উড়ে যাওয়ার মত বিষয় নয় তার জ্বলন্ত প্রমাণ ২৮ অক্টোবর। ইসলামী আন্দোলন যত মজবুত হবে এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ততই বুলন্দ হবে।
নিলা বলেছেন:
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন
ইয়াহিয়া বলেছেন:
লুকার বলেছেন:আপনেরা ঐ গোলমালের মধ্যে ক্যান গেছিলেন?
ইসলাম কায়েম করতে?
সেই মহান দায়িত্ব আপনাগো কে দিল?
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
রাজাকারেরা, ইসলাম ধুয়ে আর কতদিন?
লেখক বলেছেন: আজীবন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















তার দেয়া দায়িত্ব হল আল্লাহর নাম যে দল গঠনতন্ত্র থেকে বাদ দেয়, তাদের রাজনীতি করা।
আল্লাহ হেদায়েত দেক এই ধরনের মুনাফিকদের যারা ইসলামের নামে ব্যবসা করে।