এনটিভির মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বেশ আগে থেকেই হোমিও প্রাকটিস করতেন। সময়টা আশির দশকের গোড়ার দিকে। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বেশ ক'মাস যাবত নিয়মিত নামাজ পড়ছেন ঢাকার সদরঘাটের এক মসজিদে। তিনি খেয়াল করলেন, মসজিদের ইমাম হাফেজ সাহেব প্রতি ফরজ নামাজ শেষেই একটা দোয়া নিয়মিত করেন- "রব্বি হাবলি মিল্লাদুনকা ওয়ালিইয়া . . ."। (সূরা মারইয়ামঃ ৫)
দোয়াটার অর্থ হচ্ছে- "হে আমার রব, আমাকে তোমার পক্ষ থেকে একটি সন্তান দান কর"। দোয়াটি করেছিলেন হযরত জাকারিয়া আ. বৃদ্ধ বয়সে। তাঁর স্ত্রী ছিলেন বন্ধ্যা। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ একদিন সেই হাফেজ ইমাম সাহেবের কক্ষে তার সাথে সাক্ষাত করতে গেলেন। তিনি যেহেতু হোমিও প্রাকটিস করতেন, তাই ডাক্তারি মনোভাব নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন- জনাব, আপনি বিয়ে করেছেন কত বছর হলো, আর আপনার স্ত্রীর কোন শারীরিক সমস্যা আছে কিনা? প্রশ্ন শুনে হাফেজ সাহেব অবাক হলেন। বললেন- জনাব, আমি তো বিয়েই করিনি! মাওলানা আবুল কালাম আজাদও অবাক হলেন, আপনি বিয়ে করেননি? কিন্তু আমি তো খেয়াল করলাম আপনি প্রতি নামাজ শেষে সন্তান চেয়ে এই দোয়াটি করছেন! হাফেজ সাহেব বললেন- জনাব, আমি এটি কোরআনের একটি দোয়া বলে জানতাম তাই পড়তাম, কিন্তু দোয়ার অর্থ তো আমার জানা ছিলনা।
পৃথিবীর ইতিহাসে কুরআনই একমাত্র হতভাগা গ্রন্থ যাকে না বুঝে পড়া হয়, মুখস্ত করা হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

