মানবজাতির জন্য অত্যন্ত বড় গর্বের একটি বিষয় হল যে তারা চাদে পৌছতে পেরেছে।
তা নিয়ে পাঠ্যপুস্তকে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা, আরোহীরা কত তারিখে চাদে অবতরণ করেন.. কে প্রথম অবতরণ করেন.............।
হায়! আফসোস! তারা তো রকেটের সাহায্যে চাদ পর্যন্ত পৌছতে পেরেছে মাত্র। আর আমাদের নবী তো কোন রকেট ছাড়া মহাকাশ, চন্দ্র, সূর্য, কোটি কোটি গ্রহ নক্ষত্র, ৭ আকাশ, সিদরাতুল মুনতাহা পেরিয়ে আল্লাহর আরশে গিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করে এসেছেন।
এক নাস্তিক সাংবাদিক আমার পড়াশোনার প্রতি ইংগিত করে আমাকে বললেন, তুমি তো চাদে যেতে পারবে না, হায় জালেম! আমি চাদে যেতে চাই না, আমি সেই দিনের অপেক্ষায় যেদিন আমাকে আরশে গিয়ে আল্লাহর মুখোমুখী হতে হবে।
দুনিয়ার জীবনে যদি আল্লাহর হুকুম না মেনে থাকি তাহলে তখন আল্লাহর সামনে কেমন করে নিজের চেহারা দেখাবো, এখন তো অনেক অজুহাত দেখাই, নামাজ পড়ার সময় নাই, মনের পর্দা বড় পর্দা ইত্যাদি। আল্লাহর আরশের সামনে গিয়ে সব অজুহাত উধাও হয়ে যাবে।
"এ হল সেইদিন যাতে কেউ কোন কথা বলতে পারবে না, আর কাউকে কোন অজুহাত পেশ করার ও অনুমতি দেয়া হবে না। "
সুরা মুরসালাত, আয়াত ৩৫-৩৬।
আজ আমি তাদের মুখ বন্ধ করে দেব এবং তাদের হাত আমার সাথে কথা বলবে এবং তাদের পা দুনিয়াতে তাদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে। সুরা ইয়াসীন আয়াত ৬৫।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

