আমার প্রিয় পোস্ট
- কবি ব্লগার ভাস্কর চৌধুরীর কবিতা: নৈশব্দের সেই স্বরধ্বনি - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- ভাস্কর চৌধুরী- আপনাকেই বলছি - আরিয়ানা
- আমাদের ছোট্ট জনি এবং বর্তমান অবস্থা - ফয়সল নোই
- ডিসপোজেবল মানবীদের কথা- আরেকটি ছবি, আরেকবার ভুলে যাবার পালা!!! - মানবী
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ই-সংকলন : লেখা খুঁজে দিন, লেখা প্রকাশের অনুমতি দিন - টিম সেভেনটিন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১০৮ ব্লগারের তথ্য - ফিউজিটিভ

অভিনন্দন ভাস্কর দা ( ব্লগার ভাস্কর চৌধূরী ) 
- মানব মানিক
- আপনারা পড়ছেন একজন ইমোশনাল মানুষের গল্প - মুহিব
- প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ / চিটি - চিটি (হামিদা রহমান)
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- আমার শব্দরা আমায় ডাকে - সুলতানা শিরীন সাজি
- আজ ব্লগার ভাস্কর চৌধুরী'র জন্মদিনঃ তুমি এলে এবং জয় করলে... - আমার আমি
- হে ভালবাসা, তোমার জন্য বড় অসমান এই পৃথিবী (চতুরভূজ) - চতুরভূজ
ওরা সবাই বাই সাইকেল বালিকা......./ ভাস্কর চৌধুরী
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০০
চৈত্রের খাঁ খাঁ রোদ, ঝড় বৃষ্টি কিংবা তীব্র শীত তাদেরকে স্পর্শ করলেও থেমে নেই তাদের অগ্রযাত্রা। শিক্ষার আলো পেতে ওরা ১০ কিঃমিঃ পথ পাড়ি দিয়ে ছুটে আসছে স্কুলে । এমন দৃশ্য এখনো চোখে পড়ে। ওরা সবাই বাই সাইকেল বালিকা। এ নামেই সবার কাছে বড় আদরের, বড় বেশী গ্রহন যোগ্য।
সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার চা শিল্পাঞ্চল শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশীদ্রোণ গ্রামের বেগম রাছুলজান-আব্দুল বারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু কিংবা শেষ হলে এমন মনোরম দৃশ্য চোখে পড়ে। তবে এই সব কোমলমতি শিক্ষর্থীদের পিছনের কাহিনী সুখকর নয়। শুধু শিক্ষার আলো পেতে প্রতিদিন এত দূরের পথ পাড়ি দিচ্ছে তারা। ওরা কেউই ধনী ঘরের সন্তান নয়। চা শ্রমিক ,ইদন মজুর বাবা কিংবা মা এলাকার সঞ্চয় সমিতি থেকে কিস্তিতে টাকা মেয়েদের পড়াশোনার খরচ জোগাতে বাই সাইকেল কিনে দিয়েছেন। তবুর শিক্ষার আলো পৌচুক তাদের ঘরে এটাই প্রত্যাশা।
প্রতিদিন চা বাগান আর ১০ কিঃমিঃ কাঁচা রাস্তা পেরিয়ে যখন স্কুলে পৌছে এই সব সাইকেল বালিকারা কখনো কখনো স্কুলের ক্লাস শুরু হয়ে যায়। চোখ জুড়ানো চা বাগান আর ধান ক্ষেতের মাঝখান দিয়ে আঁকাবাঁকা পিচঢালা সরু পথ নিবিগ্ননে পেরোতে অনেক কষ্ট করতে হয়। আছে বখাটেদের উৎপাত, দূর্ঘনার আংশকা। তবু থেমে নেই পথচলা। পরনে স্কুলড্রেস। কাঁধে বইয়ের ব্যাগ মুখে অমলিন হাসি।
প্রথম যে ছাত্রী ২০০০ সালে বাই সাইকেলে চড়ে স্কুলে এসেছিলন তার নাম লাবনী কুর্মী । সে এখন এইচ এস সি'র ছাত্রী। তার পথ অনুসরন করে এখন স্কুলে আসে অসখ্য চাত্রী।
সুদুর লাখাইড়া চা বাগান, দনি টিকরিয়া, হোসনাবাদ, কালিগাট থেকে মেয়েরা আসে বাইসাইকেলে চড়ে। কালিঘাট পোষ্ট অফিস হয়ে কাচা রাস্তা ধরে তাদের বিরামহীন ছুটে চলা। মাঝে পিপাসা মিটাতে একটু বিরতি। তখন কথা হয় তাদের সাথে। ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রী রিনা রাণী কুর্মী, ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী পিপাসা রাজঘাট, তৃষনা কুর্মী, ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী দিপিকা তাতী, রিনা রানী জানায়, পড়াশুনার অনেক খরচ। তবু তাদের পড়াশোনা করে অনেক বড় হতে হবে। তাদের এলাকা থেকে স্কুলে আসতে গাড়ী কিংবা রিক্সা পাওয়া যায়না । পেলেও আসতে যেতে এক'শ টাকা লেগে যায়। তাই বাইসাকেল কিনে দিয়েছেন তাদের বাবা মা।
আসতে যেতে প্রথম প্রথম বখাটে ছেলেদের উৎপাতসহ ছোট খাট অনাকাংখিত ঘটনা ঘটতো। বিশেষ করে দীর্ঘ পথ কাচা রাস্তা থাকায় বর্ষা মৌসুমে পিচ্চিল পথে দূর্ঘটনা ঘটতো। এখন সবই সহে গেছে। রাস্তায় তাদেরকে মানুষ সাবাস বাই সাইকেল বালিকা বলে ডাকে। রিক্সা কিংবা বড় গাড়ী তাদেরকে সাইড দিয়ে চলার পথকে সুগম করে দেয়। এতে তাদের এই যাত্রাকে প্রেরনাময় মনে হয়। এমন কথা জানালো বাইসাইকেল বালিকা ঝুমুর রানী নাগ, তৃষ্ঞা বৈদ্য, নাজমিন আক্তার, নিপলি তাতী প্রমূখ। তাদরে যাত্রা কখনো দশ কিঃমিঃ আবার কখনো তিন কিঃমিটার। কেউ কেউ কাছাকাছি থাকে বলে তাড়াতাড়ি চলে আসে। আবার বৃষ্টির দিনে আসতে খুব কষ্ট হয়। রাস্তাটা পাকা থাকলে এমন হতো না।
তারা হেসে বলে বাইসাইকেল চালানো না জানলে কিংবা এই বাহনটি না থাকলে হয়তবা লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যেত। তারা পড়তে চায়। তবে তাদের আফসোস যদি সরকারী ভাবে কোন যানবাহন থাকতো স্কুলে আসার জন্য তাহলে এত কষ্ট করে আসতে হতো না।
এখন তাদের দেখে অন্য মেয়েরাও উৎসাহ বোধ করে সাইকেলে আসতে। স্কুলের সহপাটিরা টিফিনের ফাকে শিখে নিচ্ছে সাইকেল চালানো।
রাসুলজান উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক বিমান বর্ধন ছুটিতে ছিলেন কথা হয় সহকারী প্রধান শিক সুশান্ত দেবনাথ এর সাতে, তিনি জানান, মেয়েরা বাই সাইকেলে চড়ে স্কুলে আসে এটা একটা রীতির মত হয়ে গেছে। তবে তিনি চান না এসব কোমল মতি ছাত্রীরা অনাকাংখিত দূর্ঘটনার শিকার যাতে না হয়। স্কুলের সহকারী শিক অঞ্জন পাল, শিখা শর্মা, রিনা বিশ্বাস জানান, যদি রাস্তাটা পাকা হতো তাহলে তাদের মেয়েদের এত কষ্ট হতো না। তাছাড়া যদি সরকারী ভাবে কোন যানবাহনের ব্যবস্থা করা হতো তবে তাদের কষ্ট লাগব হতো।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট। +
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ শামীম ভাই
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ বাতিঘর।
ভুতঅদ্ভুত বলেছেন:
শুভ কামনা ছাড়া আর কিইবা করতে পারি এই অদম্য বালিকাদের জন্য।
লেখক বলেছেন:
আমাদের শুভকামনাই তাদের জীবন শুভময় আন নিরাপদ করে তুলবে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
ৃৃমম বলেছেন:
সুন্দর পোষ্ট। নিরাপদে বেড়ে ওঠার, পড়াশোনা করতে পারার, জীবিকা নির্বাহ করতে পারার অধিকার সবার হো'ক। সর্বত্র হো'ক।
লেখক বলেছেন:
সর্বত্রই তাই হো'ক।
আপনাকে ধন্যবাদ ৃৃমম ভাই।
শাওন বলেছেন:
+ খুবই দারূন ভাবে উপস্থাপন করছেন ।
লেখক বলেছেন:
ওদেরকে নিয়ে একটি ফিচার করার জন্য গিয়েছিলাম ঐখানে। তাই ভাবলাম বিষয়টা ব্লগে শিয়ার করি।
আপনাদের ভালো লেগেছে শুনে লেখার স্বার্থকতা পেলাম।
ধন্যবাদ শাওন ভাই।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ বিবেক সত্যি
প্রশান্ত মজুমদার বলেছেন:
যে নারী জাগরনের কথা বেগম রোকেয়া বলে গেছেন ...................
তার সত্যটা আজ মিলে গেল।
জীবন তাদের হোক গৌরবময় এ শুভ কামনা রইল শিক্ষার্থীদের প্রতি।
লেখক বলেছেন:
আমাদের শুভকামনা থাকলে অনেক কিছুই বাস্তবে রুপ নেবে আমাদের সমাজে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
মনের কথা বলেছেন:
ঠিকাসে.... কিন্তু খালি ওদের জন্য সুবিধা চেয়ে ওদের ছোট করে দেবেন না। +++
লেখক বলেছেন:
যা আমার আপনার বোন পারে না, তা ওরা পেরেছে। তাদের প্রয়োজন শিক্ষার আলো। তাই ওদের জন্য সুবিধা ছাড়া তো আর অসুবিধা চাইতে পারি না।
ধন্যবাদ আপনাকে..............।
মুহিব বলেছেন:
সাবাস
লেখক বলেছেন:
কেমন আছেন মুহিব ভাই......?
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আমাদের দেশে কোন চতুর, সুদুরপ্রসারী ব্যবসায়ী এখনও হল না।
লেখক বলেছেন:
হলেই কি এমন লাভ হত দেশের।
ধন্যবাদ রন্টি চৌধুরী।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
আসতে যেতে প্রথম প্রথম বখাটে ছেলেদের উৎপাতসহ ছোট খাট অনাকাংখিত ঘটনা ঘটতো। বিশেষ করে দীর্ঘ পথ কাচা রাস্তা থাকায় বর্ষা মৌসুমে পিচ্চিল পথে দূর্ঘটনা ঘটতো। এখন সবই সহে গেছে। রাস্তায় তাদেরকে মানুষ সাবাস বাই সাইকেল বালিকা বলে ডাকে।..............সত্য জিনিসটা চমৎকার লেখানি তে তুলে ধরেছেন।ভালো লাগলো
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ চিঠি।
লেখাটা আপনার ভালো লেগেছে শুনে লেখার স্বার্থকতা পেলাম।
কোলাহল বলেছেন:
পজিটিভ পোস্ট। +
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
ভালো আছি প্রণব দা। আপনি...................................?
ধন্যবাদ দাদা।
এ এক অন্য আই বলেছেন:
Opportunities make the differences , বেগম রোকেয়া তো এদেশেরই নারী। এটা যেমন সত্যি তেমনি সুযোগ পেলে সকলেই দিন বদলাবে।
ভাল পোষ্ট!
গবে'র পোষ্ট!!!!
লেখক বলেছেন:
গর্বের পোস্ট তখনই হবে যখন এদেশের রোকেয়াদের সমাজে আর কোন বাধাঁ থাকবে না। ডিঙ্গী পেরিয়ে বিশ্বের দরবারে পৌছঁতে পারবে। সেই প্রত্যাশায়...................................................
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ....।
""শ্রাবণী"" বলেছেন:
চমৎকার। ওরা অসাধারণ। খুব, খুব এবং খুব ভালো লাগলো।
দেখি, সিলেটে গেলে আমি অবশ্যই স্কুলটায় যাব। পোস্ট করার জন্য ধন্যবাদ। পোস্টটা না পেলে এমন চমৎকার একটা বিষয় অজানা থাকতো।
লেখক বলেছেন:
সিলেটে আসলে অবশ্যই দেখে যাবেন সাইকেল বালিকাদের।
পোষ্টটি আপনার ভালো লেগেছে শুনে আমারও ভালো লাগল।
আপনাকে ধন্যবাদ ""শ্রাবণী"" ।
আসম বলেছেন:
ধন্যবাদ, পড়েই মনটা ভালো হয়ে গেলো।
লেখক বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন:
অনেক দিন পর তোমাকে আমার আঙ্গিনায় দেখতে পেলাম। ভেবেছিলাম হারিয়ে গেছো। বুঝতে পারলাম.............।
আমাদের আর কি খবর! এই তো.........।
তুমি কেমন আছো আপু ???
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
অনেক উৎসাহব্যঞ্জক, শিক্ষনীয় পোস্ট ....
এই সব কোমলমতি "বেগম রোকেয়া" -দের পথ সুগম করতে সরকারের হস্তক্ষেপ আসলেই কাম্য ...
লেখক বলেছেন:
আমার আঙ্গিনায় আপনাকে দেখে এবং আপনার মন্তব্য দেখে আমার মত ক্ষুদ্র লেখকের এ লেখাটি স্বার্থকতা পেয়েছে।
অসংখ্য ধন্যবাদ আইরিন সুলতানা আপনাকে।
মদন বলেছেন:
চমৎকার +
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ মদন ভাই। অনেক দিন পর আপনাকে আমার আঙ্গিনায় পেলাম।
কেমন আছেন ?
রাগিনী বলেছেন:
মন ছুঁয়ে যায় এমন পোস্ট............
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি রাগিনী বোন।
ধন্যবাদ
কেএসআমীন বলেছেন:
দারুন একটা ছবি ও পোস্ট। একটা ছবি দিয়ে পুরো বাংলাদেশকে বোঝার উপায় নেই.... হা হা হাধন্যবাদ
লেখক বলেছেন:
বড় ভাই,
কি খবর ? ছবি তো ৩ টা দিলাম।
ধন্যবাদ কেএসআমীন ভাই।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
আপনার চমৎকার পোষ্টটা পড়ে অনেক ভালো লাগছে। এখন তো ভালো খবরের দূর্দিন চলছে তাই বেশী ভালো লাগছে। এমন একটি অজানাকে জানিয়েছেন বলে আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।তারপর ভাস্কর'দা আছেন কেমন?
অনেকদিন আমিও ব্লগে আসিনি তাই দেখা হয় নি।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন:
অজানা কিছু জানাতে পেরেছি বলে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।
এই তো আছি একরকম।
আপনি কেমন আছেন?
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
কল্পনাও করিনি বাংলাদেশের কঞ্জারভেটিভ লোকাল মেন্টালিটির মধ্যেও এধরনের সাইকেল-বালিকাদের দেখা পাবো!! আপনাকে কী বলে ধন্যবাদ দেব…… আপনার এ পোষ্ট না দিলে কখনো জানা হতনা হয়তো… এদেরকে নিয়ে যে ফিচার লিখেছেন ওটার লিংক দেয়া যাবে?
লেখক বলেছেন:
একটা সময় ছিল যখন এ দেশে নারী বৈষম্য বলে কথা উঠতো। আজও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেই .........! বৈষম্যের পালাবদল হয়তো শেষের পথে আর তাই সেই সাইকেল বালিকাদের দ্বিচক্রযান এ ভাবেই চলছে। ক্ষুদ্র এ লেখাতে বর্ণনার ঘনঘটা তেমন একটা দিতে পারিনি। আমাদের দেশ আজ রোকেয়াদের জয়গান গাইছে। সেটা মফস্বলে না গেলে হয়তো কেউ বুঝতে পারবে না।
লিংকটা পড়ে জানাবো......................!
ধন্যবাদ মিস ফারজানা মাহবুবা।
ত্রিভুজ বলেছেন:
চমৎকার লেখা ভাস্কর দা... তবে আমার মনে হয় ভাঙ্গাচুরা রাস্তা দিয়ে আসতে আসতেই তাদের ভেতর প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার শক্তি সঞ্চয় হবে।+
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ত্রিভুজ ভাই। অনেকদিন পর আমার আঙ্গিনায়। কেমন আছেন.........?
ওদের নিয়ে সঞ্চায়ক একটি কথা বলেছেন..........!
ইমন০০৭ বলেছেন:
শিক্ষনীয় পোস্ট ............................................................
আজ সাইকেল বালিকাদের ছবিটা দেখলাম যুগান্তরে।
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি.....
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিপা।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ সারওয়ার ভাই।
কেমন আছেন?
অবকাশ বলেছেন:
বঙ্গাব্দ ১৪১৫'র শুভেচ্ছা লন
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও শুভেচ্ছা।
নবজন্ম বলেছেন:
শুভ নবর্বষ----১৪১৫বঙ্গাব্দ।
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও শুভ নবর্বষের শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ বাদশা ভাই
পলাশমিঞা বলেছেন:
ভাস্করদা শুভ নববর্ষ
লেখক বলেছেন:
পলাশ দা আপনাকেও শুভেচ্ছা
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
ভাস্করদা শুভ নববর্ষ।আশা করছি ভালো আছেন।
সবসময় ভালো থাকুন সে কামনাই করি।
আপনার জীবনের বিগত বছরের দুঃখ, গ্লানি ভুলে নতুন বছর সাফল্যে ভরে উঠুক সে প্রত্যাশায়.......ইমন।
লেখক বলেছেন:
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ইমন ভাই।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: নতুন বছর সাফল্যে ভরে উঠুক আপনার
ঝুমী বলেছেন:
অসাধারণ লিখেছেন ভাস্কর দা। +
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ঝুমি।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
সুন্দর লেখনী।
বাস্তবতা কে কাছ থেকে দেখে তা সিদ্ধ হস্তে পূর্ণতার সাথে উপস্থাপন বুঝি একেই বলে !
বেড়ে উঠুক সাইকেল বালিকারা অপার সম্ভাবনায়...।
শুভেচ্ছা নিন ভাস্কর দা।
লেখক বলেছেন:
আপনার রেখে যাওয়া শুভেচ্ছা কুঁড়িয়ে নিলাম। আপনাকেও দিলাম অনাহত শুভেচ্ছা।
আপনার সুন্দর মন্তব্যে মুগ্ধ আমি।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন:
তর মন ছুঁয়ে যেতে পেরেছি বলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।
ধন্যবাদ মীতু।
লেখক বলেছেন:
লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনায় আমার এ দ্বার ভ্রমণ করার জন্য।
লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পুরাতন এ লেখাটি দেখে যাওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
























