আমার প্রিয় পোস্ট
- কবি ব্লগার ভাস্কর চৌধুরীর কবিতা: নৈশব্দের সেই স্বরধ্বনি - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- ভাস্কর চৌধুরী- আপনাকেই বলছি - আরিয়ানা
- আমাদের ছোট্ট জনি এবং বর্তমান অবস্থা - ফয়সল নোই
- ডিসপোজেবল মানবীদের কথা- আরেকটি ছবি, আরেকবার ভুলে যাবার পালা!!! - মানবী
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ই-সংকলন : লেখা খুঁজে দিন, লেখা প্রকাশের অনুমতি দিন - টিম সেভেনটিন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১০৮ ব্লগারের তথ্য - ফিউজিটিভ

অভিনন্দন ভাস্কর দা ( ব্লগার ভাস্কর চৌধূরী ) 
- মানব মানিক
- আপনারা পড়ছেন একজন ইমোশনাল মানুষের গল্প - মুহিব
- প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ / চিটি - চিটি (হামিদা রহমান)
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- আমার শব্দরা আমায় ডাকে - সুলতানা শিরীন সাজি
- আজ ব্লগার ভাস্কর চৌধুরী'র জন্মদিনঃ তুমি এলে এবং জয় করলে... - আমার আমি
- হে ভালবাসা, তোমার জন্য বড় অসমান এই পৃথিবী (চতুরভূজ) - চতুরভূজ
রুবীর অব্যক্ত কথা........বাঁচাতে হবে জনিকে........./ভাস্কর চৌধুরী
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫১
একটি মৃত্যুর কিছু ব্যাখা এমন হয় ! যেখানে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আরেকটি মৃত্যু অপেক্ষা করে। যে মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কিছু স্বপ্ন, কিছু প্রত্যাশা, কিছু প্রাপ্তি ভেঙ্গেচুরে এক হয়। হয়তো এর শেষ আছে, আছে সমাপ্তি, কিন্তু মৃত্যুর বিপরীতে মৃত্যু হয় এমন ব্যাখা বা উপাখ্যান কমই আছে। তারপরও উপাখ্যান রচিত হয়....... প্রত্যন্ত গ্রামে এমন অনেক ঘটনাই ঘটে....যা দেশ-বিদেশ ছাড়িয়ে শেষ সীমানায় গিয়ে পৌঁছে। আবার অনেক ঘটনাই সবার অন্তরালে থেকে যায়। কেউ জানলেও অনেকেই জানেনা। বাস্তব বোধ আর নির্মমতার চারিপার্শ্বে কিছু কথা, কিছু ঘটনা চোখে ভেসে উঠে। সবাই জানে, তাক লেগে যায়...........!
গত ৩ নভেম্বর রাতে জনিরা জলে উঠুক প্রতিশোধের আগুনে Click This Link শিরোনামে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম ব্লগে। আমার পোস্ট দেওয়ার পর থেকে অসংখ্য ফোন পেয়েছি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্লগারদের কাছ থেকে। তাদের আবেগ, সহানুভূতি, সহমর্মীতা, মর্মস্পর্শীতা সব দিয়ে আমার লেখার দ্বার ঘুরে গেছেন। তাদের ভাষ্যের প্রকাশে আমিও আমার কিছু অব্যক্ত কথা বলেছি। লেখাটি পড়ে ব্লগার শেখ রহিম একটি মৃত্যুর জন্য আরেকটি মৃত্যুর অপেক্ষা Click This Link শিরোনামে একটি কবিতা , ব্লগার মানবী আপু ডিসপোজেবল মানবীদের কথা- আরেকটি ছবি, আরেকবার ভুলে যাবার পালা!!! Click This Link শিরোনামে একটি মর্মস্পর্শী ও বেদনাদায়ক পোস্ট দেন। পরে ব্লগার লালদরজা আল্লাহর দোহাই এই বাচ্চাটাকে আমাদের বাঁচাতে হবে Click This Link
ব্লগার কৌশিক মৃত মায়ের পাশে ৮ মাসের জনি? একমাত্র খাবার চায়ে চুবানো মুড়ি? Click This Link শিরোনামে এবং ব্লগার আরিফ জেবতিক ভাই মৃত্যুঞ্জয়ী শিশুটিকে কোলে তুলে নিতেই হবে আমাদের Click This Link একটি পোস্ট দেন। এছাড়াও ব্লগার ঝুমী সার্বিকভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।
![]()
নিহত রুবীর রেখে যাওয়া তিন সন্তানের মধ্যে জনি ও ঝর্ণা
আমার লেখায় অনেকের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেছিলাম আপডেট জানাবো। তৎক্ষনিকভাবে কিছু আপডেট দিয়েছিলাম। বিশেষ করে মানবী আপুকে, ফয়সল নোই ভাই, লাল দরজা, কৌশিকসহ অনেক ব্লগারকে বারবার জানিয়েছিলাম শেষ আপডেট। আর ব্লগার শেখ রহিমকে সব সময়ই কাছে পেয়েছি।
![]()
এই সেই লাঘাটা নদী। যেখানে পড়ে রয়েছিল রুবির লাশ
এক নজরে রুবী হত্যাকান্ড........!
রুবী হত্যাকান্ডের আজ ২৯ দিন পার হলো।
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার মরিচা গ্রামের গৃহবধু রুবি বেগম হত্যাকান্ডের এক মাস অতিবাহিত হলেও আসামী দেবর কুদ্দুস মিয়ার স্ত্রী মামলার ২নং আসামী খায়রুন বেগমকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। নিহত রুবি বেগমের দেবর কুদ্দুস মিয়াকে পুলিশ দু’দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে সে সহ আরো তিনজন এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত এবং পারিবারিক দ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করেছে। সে পুলিশকে আরও গুরুত্বপুর্ন তথ্য দিয়েছে। তার দেয়া তথ্য মতে আসামী ধরতে কু্দ্দুসের শশুরবাড়ি মৌলভীরচক গ্রাম ও আরো কয়েকটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এদিকে মা হারা শিশু জনি পেটের পীড়া সহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে।
কমলগঞ্জ উপজেলার পাশ্ববর্তী রাজনগর উপজেলার মরিচা গ্রামের গৃহবধু রুবি বেগমের হত্যা ঘটনাটি ঘটে গত ৯ অক্টোবর রাতে। রুবি বেগমের বাবার বাড়ি কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার ইউনিয়নের গোপীনগর গ্রামে। ১৫/১৬ বছর পূর্বে রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের মরিচা গ্রামের প্রবাসী মাসুক মিয়ার সাথে রুবির বিয়ে হয়। গৃহবধু রুবি বেগমের কাছে জমি বিক্রী করবে বলে দেবর কুদ্দুস মিয়া ও তার স্ত্রী খায়রুন বেগম ১লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা নেন । কিন্তু পরবর্তীতে জমি রেজিষ্ট্রি করে না দেওয়াতে রুবি বেগমের সাথে তার দেবর ও দেবরের স্ত্রীর প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হত। ঘটনার আগের দিন দেবর কুদ্দুস মিয়া রুবি বেগমকে তার উঠানে ফেলে মারধোর করে বলে জানা যায়। পরের দিন গোপীনগর ও মরিচা গ্রামের মধ্যবর্তী লাঘাটা নদীর পাশ থেকে গৃহবধু রুবির লাশ ও পাশে জীবিত শিশু কন্যা জনিকে পুলিশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে রুবির বৃদ্ধা মা সিতারা বেগম বাদী হয়ে দেবর কুদ্দুস ও তার স্ত্রী খায়রুন বেগম কে আসামী করে রাজনগর থানায় মামলা করেন। ঐ দিনই মামলার ১নং আসামী কুদ্দুস মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে। কিন্তু ঘটনার ২৮ দিন অতিবাহিত হলেও কুদ্দুসের স্ত্রী আসামী খায়রুন বেগমকে পুলিশ এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি।
![]()
এদিকে রুবি হত্যা কান্ডের বিচার ও প্রকৃত আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের দাবীতে আজ ৫ নভেম্বর দুপুর ১টায় ‘কমলগঞ্জ সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ’ মানববন্দন কর্মসূচি পালন করে। এতে এলাকার শতাধিক মানুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহন করেন।
![]()
নানি ছাড়া কিছুই বোঝেনা জনি.....এভাবেই মাটিতে শুয়ে থাকে জনি
কেমন আছে জনি······
জনির অবস্থা এখন আগের মতই। ডাক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী ঠান্ডা , জ্বর ইত্যাদিতে ভূগছে। অসুখের কারণে জনির খাওয়ার মাত্রাটা কমে গেছে। শিশু জনির অসুস্থতা সম্পর্কে আলাপ কালে তার চিকিৎসক কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মা ও শিশু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডাঃ আব্দুল মুকিত জানান, ঘটনার দিন ভোর রাত থেকে লাঘাটা নদীর পাশে খোলা আকাশের নিচে মায়ের লাশের পাশে থাকায় ঠান্ডা লেগে কাশি ও সর্দি জ্বর হয়েছে । তাছাড়া এক বছর বয়সের শিশু মায়ের বুকের দুধ না খাওয়াতে বর্তমানে পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়েছে। তিনি সার্বক্ষনিক সতর্ক দৃষ্টি রেখে তার চিকিৎসা করে যাচ্ছেন। তিনি বলেছিলেন সম্ভবত নিউমোনিয়ার লক্ষন। ওর উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। ব্লগারদের সুবিধার্থে আমি ডাক্তারের নাম্বার দিয়ে দিলাম-০১৭২০-৫১১২৭৮।
![]()
দুই নাতনীর পাশে সিতারা বেগম
কেমন আছেন রুবীর মা সীতারা বেগম
রুবীর মা সিতারা বেগম। কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার ইউনিয়নের গোপীনগর গ্রামে অন্যের আশ্রয়ে জনি ও বড় নাতনি ঝর্ণাকে নিয়ে বড় কষ্টে আছেন বলে জানালেন সিতারা বেগম। তিনি একথায় বাকরুদ্ধ। ঠিকভাবে কথা বলতে পারছিলেন না। চোখ টলমল করছিলো ·····! যেন কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন। আমাদের পেয়ে মেয়ের বিচারের আকুতি এমন ছিল যে, রুবী হত্যার বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদবে না তো? আমাদের নির্বাক ভাষা শ্রোতা হয়ে শোনা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আছে দু’কলম লেখার।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা ভাষ্য
বিজয় দেবনাথ। রাজনগর থানার এস আই। রুবী হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। তার ভাষ্যে জানা যায়, ঘটনার সাথে জড়িত একজন আসামী ধরেই খালাস । কিন্তু মূল আসামী এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। যে লোকটিকে ধরা হয়েছে তিনি রুবীর দেবর। নাম কুদ্দুস মিয়া। তারই স্ত্রী খাইরুন বেগমকে এখনও ধরা হয়নি। সে নাকি পলাতক। পুলিশ আরো জানায়, মামলাটি মামলার গতিতে চলছে। আমরা আসামী ধরার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি।
এই হচ্ছে তদন্তকারী কর্মকর্তার ভাষ্য। তার ভাষ্যের বাণী শুনতে চাইলে তার নাম্বারে কল করতে পারেন। ব্লগারদের সুবিধার্থে তার নাম্বারটি দিয়ে দিলাম-০১৭৩৬-৮৭০৬৬৫।
রুবীর পরবাসী স্বামী
রুবীর পরবাসী স্বামী মাসুদ মিয়া। রুবী ও মাসুদ মিয়ার বিয়ে হয় প্রায় সাড়ে ১৩ বছর হয়েছে । তিনি দুবাইয়ে আছেন ৭-৮ বছর যাবৎ। রুবী হত্যাকান্ডের পর তিনি দেশে ফিরেননি। মাসুদ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় তিনি বিষয়টি জেনেছেন । সময় করে তিনি দেশে আসবেন। অপরদিকে রুবীর মা ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, বিষয়টি রুবীর স্বামী হয়তো জানেনা।
যতটুকু সম্ভব এই দ্বারে তথ্য দিতে পেরেছি। সম্ভবহীন কিছু তথ্য থেকে থাকলে আগামীতে দেবো।
সবশেষে বলবো যত কিছু বলি আর যত কিছুই করি না কেন ·······বাস্তবে কিছু করতে·····অন্তত জনির জন্য কিছু করতে হবে। না হয় ভূমিকাটি বাস্তবে রূপ নেবে। হয়ে যাবে একটি মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আরেকটি মৃত্যু। আমি চাই না·······আরেকটি মৃত্যু। জনি বাঁচবে। ওকে বাঁচতে হবে। জনিকে বাঁচাতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ধ্রুব বলেছেন:
আপডেট রাখবেন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
অবশ্যই আপডেট দেবো............
আপনাকেও ধন্যবাদ।
রুবেল শাহ বলেছেন:
হয়তে কিছুন ব্লগে বেশ লেখালেখি হবে...... হয়তো বা প্রত্রিকায়, কিছু সেমিনার ........... তার সবাই আরেকটা জনির খোঁজে নেমে পড়ব.....এই চিৎকার হাহাকার আড়ালেই থেকে যাবে................
লেখক বলেছেন:
বাস্তব, বাস্তবতা এখানেই..........!
আমি লিখছি, আপনি, সবাই.....কিন্তু তারপর.......?
মানবী বলেছেন:
"আসামী দেবর কদ্দুস মিয়ার স্ত্রী মামলার ২নং আসামী খায়রুন বেগমকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ"- ফজলে আবেদের মতো প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কিছু করতে পারেনা, আবার একজন হত্যাকারী কুদ্দুছ মিয়ার স্ত্রীকেও পুলিশ ধরতে পারেনা!!!! সমস্যাটা তাহলে ক্ষমতাবান বা প্রভাবশালী আসামীদের নিয়ে নয়, সমস্যা পুলিশ প্রশাসনেই মনে হচ্ছে!!!
"ঘটনার আগের দিন দেবর কুদ্দুছ মিয়া রুবি বেগমকে তার উঠানে ফেলে মারধোর করে বলে জানা যায়।"
- মেরেছে দেবর অথচ প্রথমে খবর পেলাম দেবরের স্ত্রী প্রধান হত্যাকারী!!! বাড়ির এক বধু কে হত্যা করে আরেকজনকে ফাঁসানোর চেষ্টা নাতো!
২৮ দিন অনেক সময়, একজন শিশু নিউমোনিয়ায় ভোগার জন্য খুব দীর্ঘ সময় বলা যায়। এর মাঝেও অবস্থার উন্নতি নাহলে তাকে অবশ্যই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের চিকিৎসাধীন আনা জরুরী, সম্ভব হলে ঢাকা শিশু হাসপাতেল ভর্তি করানো হলে ভালো। এবিষয়ে প্রধান প্রতিবন্ধকতাটা জানলে আমরা সেভাবে চেষ্টা করতে পারি।
২৮ দিনেও জনির বাবা যদি নিজের মাতৃহারা অসহায় সন্তানের খোঁজ না নিয়ে থাকে, তাহলে এই নপুংশক মেয়েটিকে এজীবনে দেখবে বলে মনে হয়না। আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে।
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ ভাস্করদা।
লেখক বলেছেন:
গ্রামীন জনপদে জনসাধারণের পাশে পুলিশকে পাওয়া সুঃসাধ্য। যারা শহরে থাকে তারা হয়তো বিষয়টা বুঝতে পারে না। কিন্তু গ্রামে এলে বোঝা যায়.....! পুলিশ পারেনা এমন কোন কাজ নেই। রুবীর মামলাটিতে পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকা লক্ষ করা গেছে। তদন্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের সুবিধার্থে উপরে নাম্বার দিয়েছি।
"ঘটনার আগের দিন দেবর কুদ্দুছ মিয়া রুবি বেগমকে তার উঠানে ফেলে মারধোর করে বলে জানা যায়।"
- মেরেছে দেবর অথচ প্রথমে খবর পেলাম দেবরের স্ত্রী প্রধান হত্যাকারী!!!
কুদ্দসের ভাষ্য অনুযায়ী আরো ৩ জন আসামী রয়েছে এ মামলার সাথে জড়িত। কিন্তু কুদ্দুস কারো নামই বলছে না। তাছাড়া তার স্ত্রী (কুদ্দুসের) খাইরুন বেগমও ঘটনার পর থেকে পলাতক।
জনির ব্যাপারে কি করা যায় তা বিকাল বা সন্ধায় ফাইনাল জানাতে পারবো।
ভালো থাকুন মানবী আপু। আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
আপনার প্রস্তাবটি সময়পযোগী। আমি একতম..........!
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
আসামীর শাস্তি হোক।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ এ উদাত্ত্ব আহবানের জন্য.....!
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ....
কালপুরুষ বলেছেন:
সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবী জানাই। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হউক। পুলিশ প্রশাসন জনি ও তার বোনের পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুক। তাদের জন্য সাহায্য ও সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে রাখলাম।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ কালপুরুষ দা।
আমাদের কন্ঠে এভাবেই উচ্চরিত এ প্রতিধ্বনি........!
আবু সালেহ বলেছেন:
আমরা ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক কিছু ঘটনার সাক্ষী হযে রয়ে যাবো...
কয়েকদিন চিল্লাবো...তারপর থেমে যাবে সব.....
এসবই আমাদের দৈন বিচার ব্যবস্থার ফল....
লেখক বলেছেন:
এ পাপ তোমার, আমার , সবার.....তাইতো......কিছু সময়.....তারপর্...
ধন্যবাদ আবু সালেহ ভাই।
এসবই আমাদের দৈন বিচার ব্যবস্থার ফল....
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ছবিগুলো দেখে কষ্ট হয় ।
একজন জনির জন্য কষ্ট ।
একটি অবুঝ শিশুর জন্য কষ্ট ।
জনির মায়ের এই পরিণতি এই অভাগা দেশের কতো গৃহবধূর ভাগ্যেই না জুটে !
লেখক বলেছেন:
জনির মায়ের এই পরিণতি এই অভাগা দেশের কতো গৃহবধূর ভাগ্যেই না জুটে !
আমরা অভাগা জাতি বলেই........!
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ.........!
রোবোট বলেছেন:
আমরা মানুষ না।
লেখক বলেছেন:
...................................ধন্যবাদ.......................................!
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
জনি বাঁচবে। ওকে বাঁচতে হবে। জনিকে বাঁচাতে হবে। আপডেট দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
জনি বাঁচবে............!
ধন্যবাদ চিটি আপু.........।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ। জনিকে বাঁচাবার প্রচেষ্টা যেন ফলপ্রসু হয়।
লেখক বলেছেন:
প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে........!
ধন্যবাদ...
মীতু বলেছেন:
ধন্যবাদ তোকে । কোনোভাবেই কি খোজঁ নেয়া যায় না , জনির বাবা জানে নাকি ? আমার মনে হয় এতে ঘাপলা আছে । জনির বাবার হাত আছে ।
আপডেট জানার জন্য আবার আসব ।
লেখক বলেছেন:
এ বিষয়টি নিয়ে আমিও বেশ সন্ধিহান। দেখি কি হয়......!
জনির বাবার সাথেও যোগাযোগ করতে পারছি না। যোগাযোগ করলে হয়তোবা কিছু বের করা যেত......!
ধন্যবাদ মিতু।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
জনি ওর নানীর কাছে ভালো থাকবে.......ওর বোন ও তো সেখানে আছে।এখন অন্য কিভাবে সাহায্য সম্ভব জানাও।
জনির বাবার সাথে যোগাযোগ করা দরকার।
উনি কিছু জানেন কি না খবর নেয়া দরকার।
নিজে কথা বলো সম্ভব হলে।
অনেক ধন্যবাদ আপডেটের জন্য।
লেখক বলেছেন:
সাজি'পু তুমি অফলাইনে যা বলেছে বাস্তবে সত্যি........
কিন্তু কি আর করা এটাও এক বাস্তবতা........!
জনির বাবার সাথে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।
আরও আপডেট থাকছে রাতে........শেখ রহিমের ব্লগ দেখো।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
আমরা গতকাল রাতে দেখতে গিয়েছিলাম সেই জনিকে......!
দেখে এসেছি ও কেমন আছে। কিভাবে কাটছে জনির সময়। কিভাবে দিনাতিপাত করছেন জনির পরিবারের সদস্যরা। তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছিল। কি ঘটতে যাচ্ছে।
একরাশ অভিজ্ঞতা, কষ্ট, দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে মাঝ রাতে বাড়িতে ফিরেছি।
লেখার সময় ও সুযোগ হয়নি বলে আপডেট দিতে পারেনি।
আমাদের ব্লগার শেখ রহিম সেই ঘটনার প্রাঞ্জল বর্ণনা দিচ্ছেন। আজ রাতেই লাস্ট আপডেট দিয়ে পোস্ট দিচ্ছে ।
ঝুমী বলেছেন:
সাংবাদিকরা সাধারণত খবর প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধতা থাকে। কিন্তু ভাস্কর দা, তুমি জনির জন্য যা করছো তা সত্যিই বিস্ময়কর! +
লেখক বলেছেন: সাংবাদিকদের বিবেক আলাদা কিছু না। সবারই বিবেক আছে। কিন্তুতের বিবেকের আর্তনাদ ক'জনই বা শুনতে পারে......! ক'জনই বা শুনে.......!
এ যাত্রায় আমি একা না । অনেকেই পাশে ছিল......পাশে পেয়েছি......! তোমাকেও পাশে পেয়েছি সময়ে অসময়ে.......!
ধন্যবাদ ঝুমী।
চোখ রাখ শেখ রহিমের ব্লগে........ও আপডেটসহ পোস্ট দিচ্ছে।
নিবিড় বলেছেন:
আপনি ওখানে গিয়েছেন শুনে খুব ভাল লেগেছে ।সত্যিই মানবতাটা এখনও মরে যায়নি।সুষ্ঠু বিচার দাবী করি
লেখক বলেছেন:
কারও পোস্টে বলেছিলাম.....বিবেকের আর্তনাত ক'জনই বা শুনতে পায়.....ক'জনই বা শুনে......!
হয়তো বা আমি, আমরা শুনেছি! হয়তো বা শুনতে পেয়েছি.....!
অপ্সরা বলেছেন:
রুবেল শাহ বলেছেন: হয়তে কিছুন ব্লগে বেশ লেখালেখি হবে...... হয়তো বা প্রত্রিকায়, কিছু সেমিনার ........... তার সবাই আরেকটা জনির খোঁজে নেমে পড়ব.....এই চিৎকার হাহাকার আড়ালেই থেকে যাবে................
একজন জনিকেও কি ইচ্ছা করলে আজীবনের নিরাপত্তা দেওয়া যায়না??
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ অপসরা।
নিরাপত্তার বিষয়টি পড়ে আগে বাচ্চাটিকে বাচাঁতে হবে.......!
এখন এটাই মূখ্য।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
সীতারা বেগমের পরিবারের উপর হয়রানী মূলক মামলা ব্লগারদের সুবিদার্তে সর্ম্পন তুলে দেওয়া হল
মাননীয়,
অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, মৌলভীবাজার।
দং- ছায়া বেগম, পিতা মৃত আবদুন বারী, সাফিনঃ মরিচা, থানাঃ রাজনগর, জেলাঃ মৌলভীবাজার। ..................................বাদী
বনাম
১। মহসীন মিয়া
২। আলতা মিয়া
৩। মুকুল মিয়া, সর্ব থানাঃ কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
অজ্ঞাতনামা ঃ ৩/৪ জন। ...........................................বিবাদীগন।
ধারাঃ ৩০২/৩৪ বাঃদঃবিঃ
------------------------------
------------------------------
ঘটনার তারিখ, সময় ও স্থানঃ- ৯/১০/০৮ইং রোজ বৃহস্পতিবার, দিবাগত রাত ১২ ঘটিকা হইতে ১০/১০/০৮ইং তাং সকাল অনুমান ৭.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত।
নিবেদন এই,
বিবাদীরা সন্ত্রাসী, অত্যাচারী লোক বটে। ঘটনার পুর্বদিন আমার ভাবী মৃত রোবি বেগম বিকাল ৩.০০ ঘটিকার সময় তাহার পিতার বাড়িতে বেড়াইতে যান।
এই দিন দিনগত রাত ভোর বেলা লাঘাটা নদীর পূর্বপাড়ে বাঁশ ঝাড়ের নীচে মৃত রোবি বেগমের লাশ পাওয়া যায়। আমরা খবর পাইয়া ঘটনাস্থলে গিয়া মৃতার লাশ দেখি। আমি সন্দেহ করিতেছি যে, ১/২/৩ নং বিবাদী আরও অজ্ঞাতনামা বিবাদীর সহায়তায় আমার ভাবী মৃতা রোবি বেগমকে খুন করিয়া লাশ ফেলিয়া রাখিয়াছে। ঘটনাস্থল থেকে আমার ভাবীর পিতার বাড়ী ১ কিঃমিঃ দুরে বাড়ী। আমার মৃতা ভাবীর স্বামী বিদেশ থাকেন। ১নং বিবাদীর সহিত আমার ভাবীর টাকার লেনদেন ছিল। ২ নং বিবাদী সব সময় ১ নং বিবাদীর সংগে থাকিতেন। ৩নং বিবাদী প্রায় সময় আমার ভাবীর ভাড়ীতে বিনা কারনে যাতায়াত করিত। এতে আমাদের সন্দেহ হইতেছে ১/২/৩ নং বিবাদীগন আরও অন্যান্য বিবাদীগনের সহায়তায় আমার ভাবিকে খুন করিয়া লাশ ফেলিয়া রাখিয়াছে। আমার সাক্ষী আছে। সাক্ষীগন ঘটনা প্রমান করিবেন। অসুস্থতার জন্য মামলা দায়ের করিতে বিলম্ব হইল।
অতএব প্রার্থনা যে, দয়া বিতরনে বিবাদীগনকে হাজতাবদ্ধ রাখিয়া ন্যায় বিচার করিতে মর্জি হয়।
ইতি-
তাং- ২৮/১০/০৮ ইংরেজী।
(নিহত রুবির বিবাহীত ননদ ছায়া বেগম এই অভিযোগ এনে হত্যাকান্ডের ১৮ দিন পর রুবি চাচা ও মামাত্ব ভাইয়ের উপর মামলা দায়ের করে।)
চাঙ্কু বলেছেন:
ভাস্কর ভাই , কি বলব বুজতেছি না । এই রকম চাদের মত শিশুরগুলাকে এতিম করতে কুত্তাগুলার একবারও বুক কাপল না ???? সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবী জানাই । কুত্তাগুলার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ চাঙ্কু ভাই।
আপনার এ আহবান বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ুক.....!
মানব মানিক বলেছেন:
প্রিয় ভাস্কর দা খুব খারাপ লাগলো অনেকদিন পর ব্লগে এসে। কাজের চাপে এত ব্যস্ত যে কোন কিছুর খবর রাখার সময় নেই।
শুধু সহানুভূতি ছাড়া আর কি আছে আমার বলার......।
সবার জন্য আবার ভালোবাসা রেখে গেলাম।
ভালো থাকবেন সবাই।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ মানিক দা.....!
আপনাকেও শুভেচ্ছা.....! সহানুভূতিটুকুই শ্রেয়.....!
নুশেরা বলেছেন:
আপনাকে, এই মহৎ প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পৃক্ত আপনাদের সকলকে আন্তরিক শ্রদ্ধা। শুভকামনা।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ নুশেরা আপনাকে।
শেখ রহিম বলেছেন:
জনিকে বাঁচাতে তহবীল গঠন
জনিকে বাঁচাতে তহবীল গঠন ও রুবী হত্যা মামলার সহযোগিতা করার জন্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে একটি তহবীল গঠন করা হয়েছে। যারা সাহায্য করতে ইচ্ছুক তাদেরকে নিন্ম ঠিকানায় সাহায্য পাঠানোর অনুরোধ করা যাচ্ছে।
একাউন্ট নং- s 91, এসকে দাস, সোনালী ব্যাংক, মুন্সিবাজার শাখা, উপজেলা -কমলগঞ্জ, জেলা -মৌলভীবাজার।
তাছাড়া দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার কমলগঞ্জ প্রতিনিধি সাংবাদিক এস কে দাস কে প্রধান করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট জনিকে বাচাঁতে তহবীল গঠন নামে একটি কমিটি করা হয়েছে।
৯ সদস্যের কমিটির মধ্যে রয়েছেন ।
১. এস কে দাস, সাংবাদিক, আমার দেশ-০১৭১১-১৬৪১০৫
২. ব্লগার ও সাংবাদিক ভাস্কর চৌধুরী, বাংলাভিশন ও আমাদের সময়- ০১৭১২-৫২৯৫৬৭ ।
৩. মুজিবুর রহমান রঞ্জু, সাংবাদিক, প্রথম আলো, কমলগঞ্জ-০১৭১৪-০৯৩৮৮৩
৪. আব্দুর রাজ্জাক রাজা, সাংবাদিক, যুগান্তর, কমলগঞ্জ, ০১৭১২-৭১৭৪২৯
৫. ব্লগার শেখ রহিম, সাংবাদিক, বাংলাদেশ সময়-০১৯১২-১৫৭৪৪৭।
৬. ব্লগার হামীম, ব্যবসায়ী, শ্রীমঙ্গল-০১৬৭৩-৯০৬৩৭৭।
৭. ব্লগার ড.বিবেক, ডাক্তার এন্ড ব্যবসায়ী-০১৭১১-৪৬০০৬৯।
৮. ব্লগার আমার আমি, (আহমেদ ফারুক মিল্লাদ), সাংবাদিক, যুগান্তর, শ্রীমঙ্গল-০১৭১৫-১৫৯৩৯৩।
৯. ব্লগার বিকুল চক্রবর্ত্তী, সাংবাদিক, একুশে টিভি, মৌলভীবাজার-০১৭১২-৯৪০৫৭৮।
......................................................................................................................................................................................................................................................।।।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ লীনা আপনাকে।
সাধারণ কাজ কখনো .........হয়। কাজ করেছি। কিছু করতে চেয়েছি।
হয়তো পেরেছি। আর অনুপ্রেরণা ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়। আর সেই অনুপ্রেরণা পেয়েছি ব্লগের সবার কাছ থেকে।
ভালো থাকবেন।
চাঙ্কু বলেছেন:
হিল্লু @ নয়া লেখা আসে না কেন ??
লেখক বলেছেন:
ব্যাস্ততার জন্য নতুন কিছু লিখতে পারছিনা।
ধন্যবাদ।
অপ্সরা বলেছেন:
রুবীর অব্যক্ত কথা........বাঁচাতে হবে জনিকে........./ভাস্কর চৌধুরী শিরোনামটা যেন মৃতা মায়ের মনের কথাটাই।
লেখক বলেছেন:
তাই তো! আপনি ঠিক বুঝতে পেরেছেন।
লেখক বলেছেন:
"""""যে ছবি সবাইকে কাঁদায়""""
Click This Link
![]()
চাঙ্কু বলেছেন:
নক !!!! নক !!!!
লেখক বলেছেন:
০০০!!!০০০!!!
কেমন অাছেন?
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
কেমন আছো?? তোমার ব্লগে এসে প্রায় ঘুরে যায়!!ফয়সল নোই এর আপডেট টা দেখে শান্তি লাগলো।
ভালো থেকো।
ভালো আছি।
লেখক বলেছেন:
খুব একটা ভালো নয়! খুব ব্যাস্থতায় যাচ্ছে সময়। আগামীকাল একটানা ৬ দিনের জন্য চলে যাবো ঢাকা।
খুশি হলাম আমার ব্লগে প্রায় এসে ঘুরে যাওয়ার জন্য। আচ্ছা জন্মদিন কেমন কাঠলো?
ভালো থাকুন।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
কেমন আছো?? ব্যস্ততা কমেছে তো?? ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন:
এই তো আছি যেমন তেমন! নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যস্ততা কমবে না আপু।
ভালো থাকবেন।
আরিয়ানা বলেছেন:
ভয়াবহ! আপনাকে ধন্যবাদ কিছু একটা এটলিস্ট করার চেষ্টা করছেন।
লেখক বলেছেন:
একা কিছু করা সম্ভব নয়! সবার সহযোগিতায়ই এটলিস্ট একটা কিছু করতে পেরেছি ওদের জন্য।
দিন দিন আমার কোথায় যাচ্ছি? জানেন মাঝে মাঝে এসব আমাকে খুব কষ্ট দেয়।
পুরাতন পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















