স্কুল, কলেজে থাকতে ভাবতাম শুধু নোংরা, স্বার্থপর, প্রতিহিংসাপরায়ণ আর নিচু মানসিকতার লোকেরাই অতি সহজে অর্থবিত্ত, প্রভাব প্রতিপত্তির লোভ আর ক্ষমতার মসনদে উঠার সহজ সিড়ি হিসেবে যাত্রী বেশে রাজনীতির লোকাল বাসে চড়ে।
লোকাল বাসে যেমন, একদিকে ভদ্র লোকেরা নিজেদের গা বাচিয়ে পথ চলে চুপচাপ, অকর্মন্য লোকেরা হিজিবিজি লোকাল নয়তো গ্লোবাল কোন ইস্যু নিয়ে তোলে বিতর্কের ঝড়, আবার কেউকেউ রীতিমত ঘুমের রাজ্যে করে আরোহন, অন্যদিকে টাউট বাটপাররা খোজে পকেট মারার ফন্দি। আর এতগুলো লোকের নিরাপদে গন্তব্যে পৌছানোর দায়িত্য যার উপর সবচেয়ে বেশি; অধিকাংশ যাত্রীর বিচ্ছিন্ন নির্লিপ্ততায় (বেশিরভাগ সময়ই)অতি কম শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত সেই বাসের চালক বেটা নিজের ইচ্ছে খুশিমত কিংবা কখনও তারচেয়েও অপদার্থ হেলপারের প্ররোচণায়, কখনও হেলেদুলে কখনও বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে যায় বাস। আবার সামান্য পথ আগে যাবার তাড়ায় মাঝে মাঝে নিরিহ পথযাত্রী চাপা দিতেও করেনা এতটুকু কার্পণ্য।
যাত্রীদের প্রয়োজন কিংবা সময়ের তাড়া নতুবা জীবনের ঝুকি নিয়ে ভাবার তাদের কোন অবকাশই নেই!
সময়ের পরিক্রমায় ইউনিতে উঠে বুঝলাম আমাদের রাজনীতিবিদরা আসলে লোকাল বাসের যাত্রী নয় মানসিকতায় ওরাই আসল ড্রাইভার! ওদের সহযোগীরা বেশীরভাগই হয়ত ছিচকে চোর, পকেটমার , মলমপার্টির সহযোগী, কিংবা নামিদামী কোনও সন্ত্রাসী।
আর এদের পরিচালক হল দেশী বিদেশী মাফিয়ারূপী কূটনৈতিক কিংবা কোন দাতব্য সংস্থার পরিচালক।
আমার ধারণা আজকের দিনে অধিকাংশ শিক্ষিত তরুন এমনটাই ভাবে! আচ্ছা ! এই সব অপদার্থ ড্রাইভারদের হাত থেকে নিস্তার পেতে পরিপক্ক মননশীলতার প্রকৃত নিঃস্বার্থ কারো খোজ কি আমরা আদৌ পাবোনা? নাকি এই বাসটা থেকেই নেমে পড়ার পড়ামর্শ দেবে আমায়। আর বাসটা ছাড়তে যে একদমই ইচ্ছা করেনা আমার। কারণ বাসটাতো আমার প্রিয় জন্মভূমি, মাতৃভূমি বাংলাদেশ।
বি: দ্র: ইডা একান্তই আমার অদভূত মছতিষকের উদভট ব্যকতিগতো ছিনতাভাবোনা। ব্লগিং করুমনা করুমনা কইরাও শেষ ফরযনতো কেন যানি একটা আকাউন্ট খুইলাই ফালাইলাম। তয় ইট্টু ভয়ে ভয়ে আছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



