আমার প্রিয় পোস্ট

অতি সহজ ভাষায় বিবর্তনের ব্যাখ্যা (ডারউইনকে গালি দেবার আগে জানুন তার থিওরী)

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

শেয়ারঃ
0 1 0

Fact- 01
প্রতিটি প্রানি বংশ বৃদ্ধি করে গুনিতক হারে। ম্যালথাস যাকে বলেছেন জ্যামিতিক হারে। জীব বিজ্ঞানে এটিকে জনন-অপব্যয়িতা বলা হয়।

ব্যাখ্যা-
আপনার একুরিয়ামে যে গোল্ড ফিস আছে সেটা একবারে এক হাজারের বেশি ডিম পাড়ে। বলা বাহুল্য সবচেয়ে অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশেও একটা গোল্ড ফিসের এক হাজার বাচ্চা বেচে থাকতে পারবে না।
একটা মাছি একবারে ডিম পাড়ে ১২০-১৫০ টি ডিম।
একটা ঝিনুক পাড়ে একশ মিলিয়ন ডিম।
ফিশন পদ্ধতিতে একটি ব্যাক্টেরিয়া ভেঙ্গে দুইটা পরিনত হয় মাত্র বিশ মিনিটে। ছয় ঘন্টায় একটা ব্যাক্টেরিয়া থেকে ২,৬২,১৪৩ টা হয়ে যাবে। চব্বিশ ঘন্টার ভিতর এই সংখ্যা হবে 4.72 E+21 ।

fact ০১ এর সাথে একমত না হবার কোন যৌক্তিক কারন নাই। যদি একমত হন এরপর দ্বিতীয় fact এ চলে আসি।

fact-০২
বার্ষিক সামান্য হ্রাস বৃদ্ধি এবং মাঝে মাঝে বড় রকমের হেরফের ছাড়া একটি নির্দিষ্ট স্থানে জীবের মোট সংখ্যা কম বেশি একই থাকে কারন একটি সুস্থিত পরিবেশে সম্পদ( খাদ্য, প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, পরিবেশ ইত্যাদি) সীমিত থাকে।

ব্যাখ্যা-
একটি সীমানা দ্বারা রক্ষিত বনের ভিতর গাছের সংখ্যা সারা বছর একই থাকবে। একটি কৃত্রিম বনে আপনি চাইলেই ইচ্ছে মত ঘন করে গাছ লাগাতে পারবেন না। যদি চেষ্টা করেও থাকেন, সীমিত সংখ্যক গাছই টিকে থাকবে। বাকিরা বড়ই হতে পারবে না।

একইভাবে প্রানীর ক্ষেত্রেও বলা যায়, সুন্দরবনে বাঘের ঘনত্ব বাড়তে পারে না। ধরা যাক, একটা এলাকায় দুইটা বাঘ থাকে, আপনি আরো দুইটা এনে ছেড়ে দিলেন।বাঘ বেড়ে যাওয়ায়, হরিনের উপর চাপ পড়বে। বেশি সংখ্যক হরিন মারা গেলে, হরিনের সংখ্যা যাবে কমে। ফলাফল। বাঘের যখন বাচ্চা হবে কিছু সংখ্যক বাঘের বাচ্চার অনাহারে মারা পড়তে হবে। দুই বা তিন জেনারেশন বাঘের ভিতরই সংখ্যাটা আগের জায়গায় ফিরে আসবে।

এই দুইটা তথ্যে যদি আপনার আপত্তি না থাকে, তবে আমি প্রথম অনুসিদ্ধান্তে চলে আসি।

অনুসিদ্ধান্ত-১
একটি নির্দিষ্ট এলাকায় যতগুলো প্রানী বেচে থাকতে পারে তার থেকে অনেক বেশি জীব জন্মায় এবং যেহেতু বসাতুতন্ত্রের অমোঘ নিয়মে জীবের সংখ্যার বড়সড় হেরফের হয় না, সেহেতু বেচে থাকার জন্য বা টিকে থাকার জন্য প্রতিটি জীবের মধ্যে তীব্র সংগ্রাম চলে। ফলে প্রতিটি প্রজন্মের(জেনারেশনের)ভিতর মাত্র একটি ক্ষুদ্র অংশ টিকে থাকে।

ব্যাখ্যা-
একটা গোল্ড ফিসের কয়টা বাচ্চা বেচে থাকে বলে আপনার ধারনা?
টিকে থাকার এই সংগ্রামকেই ডারউইন বলেছেন জীবন সংগ্রাম। প্রতিটা জীব তার নিজের প্রজাতির সাথে বা অন্য প্রজাতির সাথে টিকে থাকার জন্য নিত্যই সংগ্রাম করে চলেছে।

fact ০৩
যৌন জননে জন্ম নেয়া যেকোন দুইটি জীব কখনোই এক নয়। জ়িব জগতে তাই একই জীবের ভিতর হাজার হাজার ভ্যারাইটি দেখা যায়।
ব্যাখ্যা-
বেচারা ডারউইন বা ওয়ালেস জিন কি জিনিস সেটা জানত না। তাই কষ্ট করে ব্যাখ্যা করেছে। এখন আমরা সবাই জানি মিয়োসিস বিভাজনের সময়েই জিনে মিউটেশন ঘটে যায়। সুতরাং কখনোই একই জীবের দুইটা সন্তান বা বংশধর পরিপূর্নভাবে এক হবে না। ব্যাক্টেরিয়া থেকে মানুষ –সব জীবের ক্ষেত্রেই এটা সত্য।
fact-০৪
fact তিনে উল্লেখিত ভ্যারাইটি গুলো অনেকটাই বংশানুসৃত হয়।
ব্যাখ্যা-
এটার ব্যাখ্যা করার আসলে প্রয়োজন নাই। বাপ-মা থেকে যে জিন পাওয়া যায় , বংশধর সেই রকমই হবে।
অনুসিদ্ধান্ত-০২
যেহেতু একই জীবের প্রজাতির অনেকগুলা ভ্যারাইটি তৈরী হয়(fact-০৩-০৪) এবং যেহেতু জীবের সমস্ত বংশধর টিকে থাকতে পারে না( অনুসিদ্ধান্ত-০১ অনুযায়ী) সেহেতু বলা যায় যে, ভিন্ন ভিন্ন ভ্যারাইটিগুলোর ভিতর যেটি যোগ্য শুধুমাত্র সেটিই টিকে থাকবে।

ব্যাখ্যা-
এটিই বিখ্যাত প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব- “ survival of the fittest”

ধরা যাক, আপনি চিকন আর লম্বা লাউয়ের একটা জাত তৈরী করতে চান। আপনি বাজার থেকে কয়েকজাতের লাউয়ের চারা কিনে নিয়ে আসলেন। আপনার বিশাল বাগানে লাগালেন শখানেক গাছ। ফল হবার পর দেখলেন আপনি যেটা চাচ্ছেন- লম্বা আর চিকন লাউ- সেইটা ধরেছে মাত্র দুইটা বা তিনটা গাছে। আপনি সেই গাছ দুই- তিনটা থেকে- যেই লাউটাকে মনে হল পারফেক্ট- শুধু সেই লাউটার বিচি জমিয়ে রাখলেন। পরের বছর একশ চারাই লাগালেন সেই লাউয়ের জমানো বিচি থেকে। এবারের লাউ ধরল। সব কয়টাই চিকন আর লম্বা। আপনি সেগুলো থেকে যেটা পারফেক্ট বা আপনার ইচ্ছার সাথে সবচে বেশি মিলল শুধু সেই লাউটা রাখলেন।
এভাবেই প্রতি বছর লাউয়ের ভিতর সবচে চিকন আর লম্বা লাউটারই শুধু চাষ করতে লাগলেন। বছর দশেকের ভিতর দেখা যাবে আপনার বাগানের লাউ সম্পূর্ন নতুন জাত। এত চিকন আর লম্বা আর কারোই লাউ নয়।

এই পদ্ধতিকে বলা হয় কৃত্রিম নির্বাচন। আপনি প্রতিটা জেনারেশনে সবচে চিকন আর লম্বা লাউ বেছে নিয়েছেন। আস্তে আস্তে আপনি মোটা বেটে লাউ থেকে কাংখিত চিকন আর লম্বা লাউয়ে চলে গিয়েছেন।

ধরা যাক ঢাকার মশার কথা। এক সময় এখানে যে মশা ছিল তা কয়েলের কারনেই মারা যেত। সহজ হিসাব করি। ধরা যাক, ঢাকায় মাত্র একশ মশা বেচে থাকার মত মানুষ আছে। জেনারেশন০১ এর মশারা অবশ্যই একশর বেশি ডিম পাড়ছে। কিন্তু মূককীট থাকতেই বা আরেকটু বড় হয়ে অনেক মশা মরে গেছে। শেষ পর্যন্ত একশ মশাই জেনারেশন ০২ এ আসতে পেরেছে। জেনারেশন ০১ যে মশা ছিল সেগুলো কয়েলের সামান্য ধুয়াতেই মারা যেত। কিন্তু জেনারশন ০২ এ শুরুতে হয়ত ১২৫ টা মশা ছিল। এর ভিতর ৫ টা প্রাকৃতিক মিউটেশনের কারনেই হয়ত একটু বেশি সহ্য ক্ষমতা নিয়ে জন্ম নিয়েছে। ১২৫ টা থেকে যখন ১০০ টা টিকে থাকছে তখন দেখা গেল অই পাচটাই টিকে গেছে। বাকি ১২০ টার ৯৫ টা বেচে গেছে। এই পাচটা ডিম পাড়ল। ৯৫ টাও পাড়ল। এইবার ০৫ টা থেকে জেনারেশন ০৩ এ ১৫ টা টিকে গেল আর সাধারন আসল ৮৫ টা। এইভাবে আস্তে আস্তে হয়ত আশি-নব্বই জেনারেশন পর দেখা যাবে, মশাগুলার সবকয়টার সহ্য ক্ষমতা বেড়ে গিয়েছে। এরা অন্য জেলার মশা থেকে আলাদা হয়ে গেছে। লম্বা সময় ধরে পরোক্ষভাবে সহ্যক্ষমতা বেশি এই রকম মশা নির্বাচন করে করে আমরা মশার নতুন একটা ভ্যারাইটি তৈরী করে ফেলতে পারছি। সময় পেলে নতুন একটা প্রজাতি বের হয়ে আসতেও পারে।

পঞ্চাশ বছরে যদি মশার এই হাল হয়, হাজার বছরে কি হতে পারে তার ধারনা করুন। যেভাবে সাধারন মশা থেকে উন্নত(!) মশায় রূপান্তর ঘটল, হাজার বছর ধরে প্রকৃতি একটু একটু করে সরল জীব থেকে জটিল জীবের উদ্ভব ঘটিয়েছে।
মোটামুটিভাবে এইটাই ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব। ( আমি যতটুকু বুঝছি আর কি। আমি ইঞ্জিনীয়ার মানুষ। জীব বিজ্ঞানে দুর্বল। এখানে কোন অসঙ্গতি থাকলে তার জন্য আমি দায়ী- ডারউইন না। )

সূত্র-
Origin of species http://www.gutenberg.org/etext/2009
প্রজাতির উৎপত্তি- ম. আখতারুজ্জামান ( অতি কুৎসিত অনুবাদ)

এ. আর. ওয়ালেস এর তিনটা অনুসিদ্ধান্তের আদলে লেখা। তিন নম্বরটা জরূরী মনে না হওয়ায় এবং জোস কমে যাওয়ায় লিখলাম না।( আমি বড় অলস মানুষ। )

 

বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
ফুলপাতা বলেছেন: ভাইরে ভাই জোস হইসে!!!
"প্রজাতির উৎপত্তি- ম. আখতারুজ্জামান ( অতি কুৎসিত অনুবাদ)"-পড়তে চাইনা। আপনি আরও অনুবাদ দিন, আনন্দিত হব।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: 392 পেইজের অনুবাদ পইড়া শেষ করছি। মাথা আউলা-ঝাউলা হইয়া গেছে। তার অনুবাদের নমুনা দেই-

পরিবৃত্তির প্রাতিসাম্বিক বৈশিষ্ট্য



বুঝেন অবস্থা। বাংলা ডিকশনারী নিয়া বসতে হইব।

২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
ফারুক আহসান বলেছেন: যত যাই কও, বান্দর থাইকা মানুষ হৈলে, অখনকার বান্দরগুলা মানুষ হয় না ক্যালা ? আমার কাছে সাঈদির ঐ পরোশ্নই জুস লাগে ।



(অট : দুরের পাখি ব্যানড)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: পুরা বইয়ে কিন্তু মানুষের উৎপত্তি নিয়া ডারউইন একটা শব্দও লিখে নাই।



( অটঃ খ্যাক খ্যাক খ্যাক। )

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: :D

৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: গুছানো লেখা হয়েছে। ব্যাখ্যাগুলাও ঠিকঠাক লাগতেছে। বিবর্তনকে সবাই বিবর্তনবাদ বলে অপ্রমাণিত একটা "বাদ" বানিয়ে রেখেছে। এটা আসলে একটা তত্ত্ব। কাঠমোল্লাদের মুখে চুনকালি মাখায়েই এই থিওরি নিজেরে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমি বুঝি না মানুষ কেন সেটার চাক্ষুষ প্রমাণ দেখার পরেও মেনে নেয় না?

মানুষ বান্দরের যোগাযোগ নিয়ে বেহুদা প্রশ্নটা শুনলে আজও হাসি লাগে!
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: বিবর্তন আমাদের পাঠ্য বইয়ে অস্পষ্ট করে লেখা, যেন পড়ে কেউ কিছু না বুঝে।

৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:০৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: খুব সহজ করে লেখসোস। কিন্তু দুনিয়াতে যেইভাবে লোকজন বাড়তাসে তাতে এই সারভাইভ্যাল অভ দ্য ফিটেস্ট থিওরিতে আমরাই কে টিকি কে টিকি না চিন্তা করতে মাঝে মাঝে ডর লাগে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: চিন্তা করিস না। রেসিজমের একটা ব্লগ লিখার চিন্তা মাথায় আছে অনেকদিন ধইরা। সেইটাতে আমি যুক্তি দিয়া প্রমান কইরা দিমু বাঙ্গালি দুনিয়ার সেরা রেস।

৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১৩
হিমালয় পুত্র বলেছেন: According to this theory only two class of people in bangladesh will remain in near future. Leaders and terrorists. Is'nt it..
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: এত ভয় পান ক্যালা?

" অতিকায় টেরোরিস্ট লোপ পাইয়াছে, কিন্তু ক্ষুদ্রকায় ভদ্র বাঙ্গালি টিকিয়া রহিয়াছে"

;)

৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪০
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: শিরোনাম যথাযোগ্য হইছে। অতি সহজ ভাষা...

নিষ্ঠুর প্রকৃতির সারভাইভাল তত্ত্বটা মানতে ইচ্ছা হয় না...তবে সচেতন কিংবা অচেতনভাবে আমরা সবাই লড়াই করে যাই, নিজের প্রজাতি আর অন্য প্রজাতির সাথে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: এই থিওরী ভালো করে বুঝাতে হলে কম সে কম ৮/১০ টা ব্লগ লাগবে। এত কষ্ট করতে মন চায় না।

এখানকার উদাহরন আর ব্যাখ্যা গুলো ছোট কইরা দিসি। মূল বইটা আসলে একটা জার্নাল পেপার। রেফারেন্সে ভর্তি।

৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০১
ফারহান দাউদ বলেছেন: উল্টাটাও সত্যি, বাস্তব উদাহরণ দিয়া প্রমাণ করা যায় বাঙ্গালি দউনিয়ার সবচেয়ে খচ্চর রেস। অবশ্য খচ্চর যদই সেরা হয় সেইদিক দিয়া ঠিক আছে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: মামা, কথাটা হইল সারভাইভেল অফ থি ফিটেস্ট- গ্রেটেস্ট না।

আমরা গ্রেট না হইতে পারি, ফিট ত হমুই। ;)

৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভালো লেখসেন --- ইন্জিনিয়ার হিসাবে অনেক ভালো হৈসে।

মানুষ উটপাখির মতো বালির নিচে মাথা ঢুকায় রাখলেই কোন কিছু মিথ্যা হয় না ।

+++

প্রসংগক্রমে:-<br />
Click This Link
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: লিঙ্কের ব্লগ পড়ছি আগেই। কমেন্ট করি নাই আলস্যবশত। যদিও ব্লগটা ছিল চমৎকার।

ব্লগে বিবর্তন নিয়া বিরাট ক্যাচাল চলে। জাকির নায়েককে দেখলাম ভুল কইতাছে ইচ্ছে কইরাই।

১০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০৫
অপরিচিত_আবির বলেছেন: ভালো ব্যাখ্যামূলক লেখা হয়েছে। অরিজিন অফ স্পিসিজ আমিও পড়া ধরসিলাম কিন্তু কেন যেন শেষ করা হয় নাই। বিবর্তনের ধারা এখনো অব্যাহত আছে, কিন্তু সারভাইভাল অফ দা ফিটেস্টের কন্টেস্টে অদূর ভবিষ্যতে মানুষ যা শুরু করসে তাতে ব্যাক্টেরিয়া আর মানুষ নিজে ছাড়া আর কেউ টিকতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে।

মানুষ কিন্তু অনেক কাল ব্যাপী Homo sapiens ই আছে। এখন ইভোলিউশন হচ্ছে না কেন কে জানে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: মানূষের বিবর্তনের এত সিম্পল ব্যাখ্যা দেয়া যাবে না।


মানুষের ভিন্ন ভিন্ন ভ্যারাইটি নিয়া কিছু ব্যাখ্যা ছিল, সেগুলো জন্ম দিছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের।

কৃত্রিম নির্বাচন পদ্ধতিতে উন্নত জাতের মানুষ তৈরীর চেষ্টা কিন্তু হইছিল।

১১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০৯
আনোয়ারুল আলম বলেছেন: ভাল লিখেছেন । এগুলোর আরও অনেক জটিল জটিল মেকানিজম আবিস্কার হয়েছে ।

তার মধ্যে অন্যতম একটা হচ্ছে ...Evolutionarily_Stable_Strategy
Click This Link

বাচ্চা উৎপাদন থেকে শুরু করে ময়ুরের দৈনন্দিন জীবনে অপ্রয়োজনীয় বিশাল লেজ ছাড়াও আরও অনেক কিছুর ব্যাখ্যা দেয়া যায় এটা দিয়ে।

sexual differentiation এর উৎপত্তি কেন হল এটা নিয়ে এখনও কোন মতৈক্য তৈরি হয়নি। The Red Queen বইটা পড়ে দেখতে পারেন যদি না আগেই পড়া থাকে। অনেকগুলো প্রচলিত তত্বের ভাল বর্ণনা আছে এখানে, যদিও লেখকের উপসংহারের সাথে একমত হতে পারিনি।

আপনার লেখার স্টাইলটা ভাল লাগল । আপনি যদি লেখেন অনেকেই আনন্দ নিয়ে পড়বে ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: ওস্তাদ! আপনি ত আমার চেয়ে কয়েক কাঠি বেশি সরেস! :)


আপনার লিঙ্কে ঠু মারতাছি। দেখি সমুদ্রের পাড়ের আরেকটা নুড়ি পাওয়া যায় কিনা, ... নয়া থিওরী মাথায় ঢুকে কিনা।

১২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২১
ফারহান দাউদ বলেছেন: হাসিনা আপার সরকার যেমনে ইনডিয়ারে সব দান করা শুরু করসে তাতে আমরা ফিটেস্ট কিনা এইটা নিয়া আজকাল আমার সন্দেহ জাগা শুরু হইসে।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১৯

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের নেতারা বড় ঘাউরা... এরা যদি কিছু দেয় তইলে বুঝতে হবে, ভারত গলায় পা দিয়া কাইড়া নিচ্ছে......

১৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
অপু২৮৩৮ বলেছেন: ভালো হয়েছে লিখাটি।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: :)

১৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০২
অপরিচিত_আবির বলেছেন: @ ফারহান ভাই : খিকজ!

@ আনোয়ারুল আলম : লিংকের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনি কি বায়োলজির ওস্তান নাকি?? এর আগেও ম্যাভেরিক ভাইয়ের একটা পোস্টে কমেন্ট করে টাশকিত করেছিলেন।
১৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২২
উদ্ভ্রান্ত পথিক বলেছেন: খুবই ভাল লেখা। আমি শেষ জীববিজ্ঞান পড়ছি অষ্টম শ্রেণীতে। তাও আপনের লেখা বুঝতে পাড়ছি !!
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

১৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: বোধগম্য হয়েছে, ব্লগে সবাই বুঝতে পারবে। অবশ্য এসব জানি।



২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: :)

১৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আমি জীববিজ্ঞানের প্রায় কিছুই জানিনা, তাই কয়েকটা প্রশ্ন

মিয়োসিস বিভাজনের সময় কি মিউটেশন মাস্ট ঘটবেই?

আপনার লাউয়ের উদাহরণের ব্যাপারে প্রশ্ন:
একসময় আপনার বাগান লম্বা আর চিকন লাউয়ে ভরে যাবে ঠিকই, এবং আপনার বাগানের লাউ অন্য বাগানের চেয়ে (যদি না আর কেউ আপনার নির্বাচন পদ্ধতি অনুসরন করে) এভারেজে লম্বা আর চিকন থাকবে ঠিক আছে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো এই লাউগুলো কি কোন ডৈব মিউটেশন ছাড়া প্রথম জেনারেশনের লম্বা আর চিকন লাউটির চেয়েও বেশী লম্বা আর চিকন হবে?


মশার বেলায়ও প্রশ্নটা হলো, কয়েলে এ্যাগেইন্সটে সহ্যক্ষমতা বাড়ার মতো কোন মিউটেশন যদি জিনে না ঘটে তাহলে তো সব মশার উচ্ছেদ হয়ে যাবার কথা ... এখন যে কয়েলে মশা মরেনা তার জন্য কি আসলেই মশককূলে সংঘটিত কোন কয়েল-সহ্যক্ষমতা-বৃদ্ধিকারী মিউটেশন দায়ী, নাকি কয়েলের নিন্মমান দায়ী?
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: মিয়োসিস বিভাজনের সময় কি মিউটেশন মাস্ট ঘটবেই?

- ইন্টারের বইয়েই ত এটা আছে।

এই লাউগুলো কি কোন ডৈব মিউটেশন ছাড়া প্রথম জেনারেশনের লম্বা আর চিকন লাউটির চেয়েও বেশী লম্বা আর চিকন হবে?

- হবেই যে এটা বলা যায় না। উদাহরনটা লাউ দিয়া দিলাম। সেইটা মুরগিও হইতে পারত। আসল কথা কোন একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে কমানো বা বাড়ানো যায়। এভাবেই বেশি দুধ দেয়া উন্নত জাতের গাভী পাওয়া যায়। প্রজননবিদরা ভালো বলতে পারবে কতটুকু করা সম্ভব আর কতটুকু সম্ভব না। ডারউইন তার বইয়ে কবুতর, ফার গাছ সহ অনেকগুলা উদাহরন দিছে। আমি জাস্ট বুঝার সুবিধার জন্য লাউ নিয়ে এইরকম একটা উদাহরন দিলাম।


মশককূলে সংঘটিত কোন কয়েল-সহ্যক্ষমতা-বৃদ্ধিকারী মিউটেশন দায়ী, নাকি কয়েলের নিন্মমান দায়ী?

কয়েলের কারনেই আদি দুর্বল মশা দূর হবে না। কারন fact-01 অনুযায়ী যতগুলা মশা বেচে থাকা সম্ভব মশার বাচ্চা(!) এরচেয়ে অনেক অনেক বেশি হারে জন্ম নেয়। সুতরাং সমস্ত মশা দূর করতে হলে বিশাল কর্মযজ্ঞের আয়োজন করতে হবে।

আমার কাছে মনে হয়েছে মিউটেশন হয়েছে মশার। সাথে সাথে কয়েলেরও মান কমেছে।


:)

১৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:০৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: লাউয়ের উদাহরণে আমার আপত্তি নাই ... যেটা বলতে চাইছি তা হইলো লাউয়ের উচ্চতা বাড়ার জন্য আলটিমেটলি দৈব মিউটেশন লাগবেই, তাইনা? নাইলে তো প্রথম প্রজন্মে সবচেয়ে লম্বা যেই লাউটা হইছিলো তার চেয়ে লম্বা লাউ আপনি পাচ্ছেননা ...
এখন, প্রাকৃতিক ফেনোমেনা বলে দৈব মিউটেশনে প্রাকৃতিকভাবে কোন বছর উচ্চতা বাড়লে কোন বছর কমবে ... কাজেই এ্যাভারেজ অপরিবর্তিত থাকবে (র‌্যান্ডম ফাংশনের মীন স্পেকট্রামের মাঝামাঝিই থাকে)


মশার ব্যাপারে আপনার ফ্যাক্ট ১ দিয়ে যেমন বংশ বাড়বে বলা যায়, তেমনি ফ্যাক্ট ২ দিয়ে বলা যায় যে কয়েল ছাড়াই মশার সংখ্যা অপরিবর্তিত বা কাছাকাছি থাকবে ... কাজেই "সুতরাং সমস্ত মশা দূর করতে হলে বিশাল কর্মযজ্ঞের আয়োজন করতে হবে।" -- এটা খাটছেনা, কাজটা ন্যাচারালিই হয়ে যাচ্ছে, তাইনা?
২০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:০৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: তবে মশায় আসলেই মিউটেশন হয়েছে নাকি কয়েলের মান কমেছে এটা পরীক্ষা করে দেখা যায় ... বছর দশ-বিশ একটানা পর্যবেক্ষণ লাগবে হয়তো ... ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন: দৈব মিউটেশন ছাড়া চিকন আর লম্বা লাউ তৈরী করা সম্ভব না।

লাউয়ের ভিতর কিছু হবে আগেরটার চেয়েও মোটা আর খাটো, কিছু হবে আগেরটার চেয়ে চিকন আর লম্বা। এভারেজে আপনার কথা মত আসলেই অপরিবর্তিত থাকার কথা। কিন্তু আপনি যেটা করবেন সেটা হল, কোন বছরের সবচেয়ে লম্বা আর চিকন্টা বেছে নিবেন। মোটা আর খাটো জাতটার বংশ বৃদ্ধি করতে দিবেন না। ফলে এভারেজটা নষ্ট হয়ে যাবে আর জাতটা চিকন আর লম্বার দিকে ঝুকে পড়বে।


দ্বিতীয় অংশে যাবার আগে একটু হেসে নেই।

হা হা হা হা

ঢাকার মশার আসল অপ্টিমাম সংখ্যা কত সেটা জানা সম্ভব না। এমন কি হতে পারে না, ঢাকায় আসলে যতগুলা মশা বেচে থাকতে পারবে( যে সংখ্যাটা পাল্টাবে না fact-02 অনুযায়ী) সে সংখ্যায় আসলে কখনোই মশারা যেতে পারে নাই। কয়েল থাকার কারনে এই অপ্টিমাম সংখ্যাটা একটু কমে গিয়েছে?

fact-02 অনুযায়ী মশার যে সংখ্যাটা কমবেশি একই থাকার কথা, কে জানে হয়ত কয়েলকে একটা নেগেটিভ ফ্যাক্টর ধরে সেই সংখ্যাই টিকে আছে...

( আসল কথা আমাদের কাছে প্রচুর ডাটা নাই। রেকর্ড থাকত যদি কি পরিমান বিষ দেয়া হচ্ছে, কি পরিমান কয়েল ব্যবহার করা হচ্ছে, কি পরিমান খোলা নর্দমা আছে, তাহলে আরো নিশ্চিতভাবে বলা যেত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব-বিজ্ঞান বিভাগ এটা নিয়ে কিছু কাজ করতে পারে বলে মনে হচ্ছে। )

২১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: মনে হচ্ছে বুঝাইতে পারি নাই ...

বলছি যখন কৃত্রিম পদ্ধতি প্রয়োগ হচ্ছেনা তখনকার কথা, মানে প্রাকৃতিক পদ্ধতির কথা ... এখানে বেসিক যে প্রশ্নটা থেকে যায় তা হলো পরিবেশগত ফিটনেসের ব্যাপারটা কি র‌্যান্ডম না কি কোন নিয়ম মেনে চলে?

তবে কৃত্রিম পদ্ধতি প্রয়োগের বেলায়ও প্রশ্ন থাকে ... যেমন ধরেন প্রথমে আপনার বাগানে ছিলো ৬০,৪০,৩০,২৫ সেমি লম্বা লাউ ... আপনি শুধু ৬০ সেমিগুলার বীজ পরের বছর লাগালেন ... র‌্যান্ডম মিউটেশন না থাকলে আপনার বাগানে এরপর থেকে সারাজীবন শুধু ৬০ সেমি লম্বা লাউ গজাতো তাইনা? র‌্যান্ডম মিউটেশন আছে বলে হয়তো পরের বছর আপনার বাগানের লাউগুলোর মধ্যে সামান্য উচ্চতার হেরফের দেখা দিতে পারে ... সম্ভাবনাটা খুবই কম যদিও, কারণ ডিএনএর উচ্চতার ধর্ম নিয়ন্ত্রন করে যে অংশ, সেখানে এমন মিউটেশন দরকার হবে যা উচ্চতা বাড়ায় ... বেছে বেছে সেখানেই মিউটেশন হতে হবে

মশার বেলায়ও একই কথা খাটে ... বেছে বেছে বিশাল ডিএনএর এমন জায়গায় মিউটেশন হতে হবে যেটা কয়েলের এ্যাগেইনস্টে মশার সহ্য ক্ষমতা বাড়ায় ... এর চেয়ে কোন এ্যান্টিবডির তৈরী হওয়াটা বেশী প্রবাবল কিনা ভাবতেছি ;) (ভালো বুঝিনা ব্যাপারগুলা যদিও)

তবে কেনো বলছি কয়েলের মানের কথা সেটা বলি ... কয়েল ঢাকায় অনেকদইন ধরে ব্যবহার করা শুরু হলেও, এ্যারোসল তো এখনও তেমন ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছেনা ... সেই এ্যারোসলও মশার গায়ে ডাইরেক্ট স্প্রে করার পরও দেখি বেটারা ভালোই উড়ে বেড়ায় ...



একটু মজা করি,

"এমন কি হতে পারে না, ঢাকায় আসলে যতগুলা মশা বেচে থাকতে পারবে( যে সংখ্যাটা পাল্টাবে না fact-02 অনুযায়ী) সে সংখ্যায় আসলে কখনোই মশারা যেতে পারে নাই।"

এই কথার জন্য ঢাকা সিটি কর্পোরেশন আপনাকে সর্বোচ্চ পদক দিবে


নিশ্চিত জানিনা, তবে মনে হয় লোকালয়ের মধ্যে ঢাকার মতো এত মশার ঘনত্বওয়ালা রাজধানী পৃথিবীতে নাই ;)
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন:
এখানে বেসিক যে প্রশ্নটা থেকে যায় তা হলো পরিবেশগত ফিটনেসের ব্যাপারটা কি র‌্যান্ডম না কি কোন নিয়ম মেনে চলে?

- আমি নিশ্চিত বলতে পারছি না। আমার ধারনা র‌্যান্ডম। প্রকৃতি কোন প্রজাতিকে সুবিধা দিবে- সেটা আগে থেকে অনুমান করা কঠিন বলেই ত মনে হয়।

লাউয়ের উদাহরন নিয়া একটা প্যাচ লাগছে মনে হচ্ছে। বইটার প্রথম চাপ্টারই কৃত্রিম নির্বাচন পদ্ধতি নিয়া। সেইটা পড়লে আপনার হয়ত সুবিধা হইতে পারে। আমি দেখি নেটে খুজে আর কিছু পাই কিনা।

২২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৯
বিলাশ বিডি বলেছেন: ভালো লাগলো!

রিচার্ড ডকিন্স এর "The Selfish Gene" পড়েছিলাম সেই কলেজ লাইফে। সম্প্রতি পড়লাম "The Blind Watchmaker". অপেক্ষা করছি "The Greatest Show on Earth" বইটার জন্য, আগামী মাসে (সেপ্টেমবর) বের হবে। এই বইটিতে নাকি বিবর্তন নিয়ে চরম সব এভিডেন্স হাজির করেছেন তিনি!

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: আমাগো লাইগ্যা একটু কষ্ট কইরা সেইটার চুম্বক অংশ অনুবাদ কইরা দিয়েন।

( আপনার স্টিভ জবসের ভাষন এর অনুবাদ পইড়া মাথা আউলাইছে। এরপর জোসের সাথে চাকুরি ছাইড়া দিয়া টিউশনী কইরা চলার ভূত মাথায় চাপছে। আমার বাপ-মায়ে আপনারে একবার কাছে পাইলেই হইছে। :P )

২৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫২
বিলাশ বিডি বলেছেন: আসলে প্রায়ই ভাবি বিবর্তন নিয়ে লিখবো, কিন্তু সব গুলে খেয়ে বসে আছি। অনেক পড়া লেখা করতে হবে, বিশেষ করে যেসব কঠিন সব প্রশ্ন আসবে মন্তব্য আকারে সেগুলোর জন্য:( তবে লেখার ইচ্ছে আছে, দেখি সময় করে লিখে ফেলা যায় কিনা:)

(স্টিভ জবস এর কথাই মনে রাইখেন সবসময়ঃ "There is no reason not to follow your heart!", নিজের মনকে না শোনার কোনো কারণই নেই!)

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: কিছু মানুষ আসবে ডিস্টার্ব করার জন্য। কিন্তু আমাদের মত কিছু মানুষ খুব আগ্রহ নিয়েই পড়বে। আমাদের কথা ভেবেই না হয় লিখবেন।

:)

২৪. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
টোনা বলেছেন: অসাধারন লিখসেন ভাই ... ভাল হইসে ....

কয়েকটা ভালো ভালো বইয়ের পিডিএফ লিঙ্ক দিয়েন তো .. পরীক্ষার পরে পড়মু .. ;)
২৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
টোনা বলেছেন: ও আচ্ছা .. লেখাটা কিন্তু প্রিয়তে নেয়া হইলো :) :)
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: planetpdf.com এ খুজে দেখতে পারো। অসাধারন কিছু বই এখানে আছে।

metamorphosis-by kafka আমি পড়ার জন্য বললাম। আমার ধারনা সেটা ভালোই লাগবে তোমার।

২৬. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯
জনৈক আরাফাত বলেছেন: পোলাপান খালি মাথার চিন্তা বাড়ায়া দেয়! :(
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: হ! :)

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

২৮. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
'লেনিন' বলেছেন: দারুণ হয়েছে প্রিয়তে নিচ্ছি।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

লেখক বলেছেন: প্রিয়তে নেবার জন্য ধন্যবাদ লেনিন ভাই।

২৯. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬
মনির হাসান বলেছেন: না পইরা প্রিয়াইলাম ... আপ্নের উপর ভরসা আছে । টাইম কইরা পড়ুম্নে ...

দরকার হইলে ক্যাচাল কর্তারি ....
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

ক্যাচাল কইরা কি ফায়দা...

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: :)

৩২. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩
পাভেল০৮১ বলেছেন: প্রিয়তে এবং ধন্যবাদ
৩৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২২
িরয়াজ উিদ্দন বলেছেন: ডারউইনের সহ সকল নাস্তিকের মাথায় পেসাব দিলাম। হা...হা..হা...!!!
৩৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২৩
িরয়াজ উিদ্দন বলেছেন: ডারউইনের সহ সকল নাস্তিকের মাথায় পেসাব দিলাম। হা...হা..হা...!!!
৩৫. ০২ রা মে, ২০১০ সকাল ১১:১৮
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: পরিবৃত্তির প্রাতিসাম্বিক বৈশিষ্ট্য কি জিনিস খাইতে মন চায়




মানুষ কিন্তু অনেক কাল ব্যাপী Homo sapiens ই আছে। এখন ইভোলিউশন হচ্ছে না কেন কে জানে।
৩৬. ০৩ রা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৯:৪৬
স্বপ্ন_বিলাস বলেছেন: বুচ্ছি,বুচ্ছি :D
আপনারে ধইন্যা

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৬৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যে জীবন দোয়েলের ফড়িংয়ের মানুষের সাথে তার কোন কালেই দেখা হয় না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই