মোবাইল বিয়ে-০১
নাম আমির ( ছদ্ম নাম) বয়স আনুমানিক ৫৫-৬০ পেশাঃ শিক্ষকতা। চার ছেলে তিন মেয়ে বড় সব ছেলেমেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বড় মেয়ের মেয়ে এবার এইচ.এস.সি পরীক্ষা দিলো। জামাই ভাল পজিশনে চাকুরী করে। মেঝ মেয়ের জামাই বিডিআর, ছোট মেয়ের জামাই ব্যবসা করে। বড় ছেলে বিয়ে করছে তার দুইটি মেয়েও আছে। মোবাইল এর ব্যবসা করে স্থানীয় বাজারে। ব্যবসার সুবিধার্থে মোবাইল ব্যবহার তাই বিভিন্ন রকম লোকের সাথে সম্পর্ক তো মোবাইলে একটি মেয়ের সাথে ঘনিষ্ট সর্ম্পক হয়ে গেল। একদিন সবার অজান্তে বিয়ে করে পাড়ি জমালো অজনার উদ্দেশ্যে । সংসার ভেঙ্গে গেলো। আগের বিবাহিত বউ অসহায় হয়ে পড়লো মেয়ে দুটোকে নিয়ে।
অপরদিকে আমির হোসেন মোবাইলে সর্ম্পক করলো যশোর এর একটি মেয়ের সাথে গভীর সম্পর্ক একদিন সেই সর্ম্পকের টানে এত গুলো ছেলে মেয়ের চিন্তা বাদ দিয়ে আমির হোসেন পাড়ি জমালো সেই প্রেমিকার দিকে। ধবধবে সাদা চুল দাড়িগুলো রঙিন কালি (কলপ) দিয়ে ২৫ বছরের বর সেজে প্রেমিকার বাড়ী অবশেষে বিয়ে করে নিয়ে আসলো নিজ ভুবনে। এলাকায় হই চৈ পড়ে গেল। সবাই নববধু কে দেখতে আসলো। কেউ মুখ টিপে হাসছে কেউ আবার বলছে কি এমন রুচি একটা অববিবাহিত মেয়ে হয়ে এমন এক বুড়ার সাথে বিয়ে বসলো। বছর যেতে না যেতেই আমির হোসেন মেয়ের বাবা হলেন পুনরায়।
কিছুদিন পর মেঝ ছেলে মোবাইল এ সর্ম্পক করলো একটি অন্য একটি জেলার মেয়ের সাথে মেয়েটি এবার এস.এস.সি পরীক্ষা দিয়েছে। তো এমন গভীর সর্ম্পক পরে পরিবারের অমতে বিয়ে করলো কিছু দিন আগে।
এই ঘটনা শেষে হতে না হতেই আমির হোসেন এর আপন ছোট ভাই সেও বিবাহিত ছেলে সন্তান থাকা অবস্থায় মোবাইলে সর্ম্পক করে বিয়ে করছে গত মাসে । এলাকায় "মোবাইল বিয়ে বাড়ি" নামে পরিচিতি লাভ করছে। আর সবাই ধিক্কার জানাচ্ছে। ঘৃনা করছে মোবাইল নামক যন্ত্রটা কে আর সবই বলছে কি জমানা আইলো বুড়া আর যোয়ান চিনে না। প্রেম আর প্রেম।
মোবাইল বিয়ে-০২
বিয়ের কিছু রীতিনীতি পরিবর্তন এসেছে। এখন তেমন ঘটা করে মেয়ে দেখা হয়না যাও হয় তা তুলনামুলক কম। তো মোবাইল বিয়ের কয়েটি ঘটনা লিখবো ধারাবাহিক ভাবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


