আমার প্রিয় পোস্ট

মাওলানা ইউসুফ সম্পর্কে দৈনিক সমকালের অনলাইন জরিপের ফলাফল

২৬ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:২১

শেয়ারঃ
0 0 0

গতকাল দৈনিক সমকাল একটি অনলাইন জরিপ করেছে। জরিপে প্রশ্ন ছিল---
একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গঠিত ডা. মালেক মন্ত্রীসভার সদস্য দালাল আইনে শাস্তিপ্রাপ্ত মাওলানা ইউসুফকে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির নিযুক্ত করে দলটি দেশের বিরুদ্ধে নতুন অপরাধ করেছেন- এ অভিমত কি সঠিক মনে করেন ?

জরিপের ফলাফল নিম্নরূপ--
হ্যাঁ : ৫৭৮
না : ৬৪০
মতামত নেই : ১৬
মোট ভোটার : ১২৩৪


এ জরিপই প্রমাণ করে যে, মাওলানা ইউসুফকে জামায়াতের আমীর নিযুক্ত করা অন্যায় হয় নি। এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য যে, সমকালের অধিকাংশ পাঠকই আওয়ামীলীগ অথবা বামপন্থী। তারা নিজেরাও মনে করেন যে, মাওলানা ইউসুফের নিয়োগ যথার্থ হয়েছে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫
ইবনে সালাম বলেছেন: অচেনা কুকুরকে অশ্লীল মন্তব্যের জন্য ব্যান করা হলো।
২৬ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: জরিপে মাইনাস! তাহলে তো মাওলানা ইউসুফের পক্ষে ভোট আরো বেড়ে গেল!

৪. ২৬ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪
প্রাকৃতজন বলেছেন: বলার মতো কিছু আছে বলে তো মনে হচ্ছে না।
৫. ২৬ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন: তার মানে জামাতরে ৬৪০টা সমকাল কিনতে হইছে? নাউজুবিল্লাহ ;)
৬. ২৬ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩
মাইনুল বলেছেন: সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আসলে এই সব ইস্যু মীমাংসিত।
৭. ২৬ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন: ওরে না, অনলাইন, মানে ছাগুরামের এক স্ক্রিপ্টে ২ মিনিটের মামলা
৮. ২৬ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮
বি পজেটিভ বলেছেন: মাইনুল বলেছেন: সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আসলে এই সব ইস্যু মীমাংসিত।


-
মাইনুল মাইনুল ডাক পাড়ি,
মাইনুল কেন রাজাকারের বাড়ি;
আয়রে মাইনুল ঘরে আয়,
নিজামীরে এখন কু্ত্তায় খায়!
৯. ২৬ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:১১
পলটু বলেছেন: মাইনুল বলেছেন: সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আসলে এই সব ইস্যু মীমাংসিত।

তাইলে সবাই আপনাদের এখনও রাজাকার বলে ক্যান?

আর রাজাকার ইউসুফরে ক্যান বানান হইছে ভারপ্রাপ্ত সেইটা আপনেরা যেমন জানেন পাবলিকও তেমন জানে, তাই এইডা নিয়া বাহাস কইরা লাভ নাই

@সালাম, না ভোটের মাজেজাটা যদি বুঝতেন এই জরিপের তাইলে আর এইডা নিয়া পোস্ট দিতেন না। নিজেই নিজের বেকুব প্রমাণিত করলেন আবারও
১৩. ২৭ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:২০
হ্যারি সেলডন বলেছেন: হাহাহাাহাহ.........এদের যুক্তিগুলো শুনলে হাসতে হাসতে পাগল হয়ে যায়।
১৪. ২৭ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৫
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ভালো কথা ... মাউলানা ইউচুফ টা আসলে কে ?
১৫. ২৭ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৯
ঘনাদা বলেছেন: দালাল আইনে সাজা হয়েছিল জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমিরের

ওয়াসেক বিল্লাহ্
জামায়াতে ইসলামীর জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা আবুল কালাম মোহাম্মদ ইউসুফ দলের ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব নিয়েছেন। গতকাল বুধবার তিনি দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন এবং ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবে সাংগঠনিক কাজ করেছেন। গত রোববার জামায়াতের বর্তমান আমির মতিউর রহমান নিজামী গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তারের পরদিন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ দলের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফকে ভারপ্রাপ্ত আমির নির্বাচিত করে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দালালি করার দায়ে মুক্তিযুদ্ধের পর দালাল আইনে মাওলানা ইউসুফের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট দলিলপত্রে দেখা যায়, একাত্তর সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সমর্থনে গঠিত ডা. মালেকের মন্ত্রিসভায় বর্তমান জামায়াতে ইসলামীর দুজন সদস্য ছিলেন। এঁদের একজন এই মাওলানা ইউসুফ ছিলেন রাজস্ব মন্ত্রী। অপরজন সাবেক ভারপ্রাপ্ত আমির আব্বাস আলী খান শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। আব্বাস আলী খান বেঁচে নেই। মুক্তিযুদ্ধের পর এঁরা দুজনই গ্রেপ্তার হন। ওই মন্ত্রিসভার এক সদস্য প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর মাওলানা ইউসুফের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল। এ বিষয়ে জানতে মাওলানা ইউসুফকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি অসুস্থ, কথা বলতে পারব না।’ গত মার্চ মাসে মাওলানা ইউসুফ প্রথম আলোকে বলেছিলেন, গ্রেপ্তার ও বিচারের বিষয়ে কিছুই তাঁর মনে নেই।

মালেক মন্ত্রিসভার সদস্য ও খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের পর তিনিসহ ওই মন্ত্রিসভার সব সদস্য গ্রেপ্তার হন। আদালত তাঁকেও (ইসহাক) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। মাওলানা ইসহাক আরও জানান, তাঁর মামলার রায়ের কয়েক দিন আগে জামায়াতের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা এ কে এম ইউসুফকেও একই সাজা দেন আদালত। ১৯৭২ সালের ১৭ ডিসেম্বর পত্রপত্রিকায় সে সংবাদ ছাপা হয়। বাংলার বাণী পত্রিকায় ওই সংবাদের শিরোনাম ছিল, ‘দালাল মন্ত্রী ইউসুফের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড’।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক এ এস এম সামছুল আরেফিন প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন, জামায়াতের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত আমির আবুল কালাম মোহাম্মদ ইউসুফই ওই ব্যক্তি। তিনি এরূপ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের একটি তালিকা করেছেন। তিনি জানান, মালেক মন্ত্রিসভার সব সদস্যেরই মুক্তিযুদ্ধের পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ১২ আগস্ট মালেক মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার আগপর্যন্ত তৎকালীন জামায়াতের অন্য শীর্ষস্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি মাওলানা ইউসুফও রাজাকার বাহিনী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি একাত্তর সালের মে মাসে খুলনার খানজাহান আলী সড়কের একটি আনসার ক্যাম্পে ৯৬ জন জামায়াত কর্মী নিয়ে প্রথম রাজাকার বাহিনী গঠন করেন। জামায়াতের দলীয় মুখপত্র দৈনিক সংগ্রামসহ সে সময়ের সব সংবাদপত্রে এ খবর ছাপা হয়।

গত মঙ্গলবার জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এই অভিযোগ বেমালুম অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘এসব আওয়ামী লীগের অপপ্রচার। সময়মতো এর জবাব দেওয়া হবে।’ সে সময় কবে হবে−জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, ‘আজ এটার জবাব দেওয়ার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ না। সময় এলে জানানো হবে।’

গবেষক এ এস এম সামছুল আরেফিনের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান বইয়ে (ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত ও ১৯৯৮ সালে পুনর্মুদ্রিত) এ কে এম ইউসুফকে রাজাকার বাহিনীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে (পৃ-৪২২)। ১৯৭১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্বাস আলী খান ও মাওলানা ইউসুফসহ মালেক মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যকে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ও শিক্ষকেরা সংবর্ধনা দেন। পরদিন দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকায় তা নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ হয় তাতে দেখা যায়, ওই অনুষ্ঠানে মাওলানা ইউসুফ বলেছিলেন, ‘যুব সমাজকে পাকিস্তান সৃষ্টির মূল লক্ষ্য সম্পর্কে অবহিত করা হয়নি বলেই তারা আজ নিজেদের পাকিস্তানী ও মুসলমান পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ করে।’

একাত্তর সালের ২৫ সেপ্টেম্বরের সংগ্রাম-এর প্রথম পাতায় তেজগাঁও থানা শান্তি কমিটি মালেক মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংবর্ধনা দিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়। ওই খবরে দেখা যায়, এ কে এম ইউসুফ তাঁর বক্তব্যে বলেন, পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই ইসলামের দুশমনরা এর অস্তিত্ব ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে এবং বিভিন্ন পন্থায় তারা এই ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে। মার্চ মাসের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপকেও ইউসুফ এই ষড়যন্ত্রের পরিণাম বলে উল্লেখ করেন।

একাত্তর সালের ১৮ অক্টোবর সংগ্রাম-এ প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, মালেক মন্ত্রিসভার সদস্য (রাজস্ব মন্ত্রী ইউসুফ) হিসেবে তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর হামলার যেকোনো অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দেওয়ার জন্য সেনাবাহিনী ও রাজাকারদের পেছনে আমাদের সাহসী জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।’

২৮ নভেম্বর করাচিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে মাওলানা ইউসুফ বলেছিলেন, ‘রাজাকাররা আমাদের বীর সেনাবাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভারতীয় হামলার মোকাবিলা করছে।’ তিনি রাজাকারদের হাতে আরও আধুনিক অস্ত্র দেওয়ার দাবি জানান। পরদিন ২৯ নভেম্বর দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকায় এ সংবাদ প্রকাশ হয়।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ২২ মে ২০০৮

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯২৬৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিত্য সজীব যৌবন যার, এসো এসো সেই নও-জোয়ান,
সর্ব্বক্লৈব্য করিয়াছে দূর তোমাদেরই চির আত্ম-দান!
ওরা কাদা ছুঁড়ে বাধা দেবে ভাবে-ওদের অস্ত্র নিন্দাবাদ
মোরা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই