আমার প্রিয় পোস্ট
- কিছু ইসলামী সফটওয়্যার ও প্রয়োজনীয় সাইট...... - অগ্রপথিক...
- সেক্যুলার বাংলাদেশে ইসলাম বিদ্বেষ - ইবনে সালাম
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- যুদ্ধাপরাধ বিচারের লাইভ কমেডি পড়ুন, বাআল এর নিয়োগ দেওয়া কমেডিয়ান প্রসিকিউটরদের বাহবা দিন - প্রলেতারিয়েত
- যেভাবে নগ্ন হলেন দৈনিক আমাদের সময়ের সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান - ১ - ফিউশন ফাইভ
- যে কারণে আমি শেষ পর্যন্ত খৃষ্টান হই নি - নিরপেক্ষ চিন্তা
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করার জন্য ৪৩ জন গণপরিষদ সদস্যকে আলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। সংসদে আইন মন্ত্রী - Hanif
- ইরানের মহিলা ফুটবল : নাচতে নেমে ঘোমটা দেয়া - রেনেসা
- "স্যাররে কইয়া দিসি কাইলকা থিকা কলেজে লুঙ্গি পিন্ধা আমু। গদাম দিলে কইলাম হাইকোর্টে রিটামু" - এবং আব্দুল্লাহ
- বাহাত্তরের সংবিধানে যিনি স্বাক্ষর করেননি তাকেই সেই সংবিধান পুনঃপ্রবর্তনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ! - ইবনে সালাম
- কুৎসিত চেহেরা ঢাকতেই মহিলার বোরকা পড়ে..... বলেছেন মাননীয় ডেপুটি স্পীকার শওকত আলী

- রংধনুর সাত রঙ
- @ ইসলামী সংস্কৃতির দলিল-প্রমাণ: ৬-১০ - ফজলে এলাহি
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- সিইসি,এইচটি ইমাম ও কামরুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হোক - ইবনে সালাম
- কোরআন শরিফ এর সুন্দর সাইট - ফেরদাউস আল আমিন
- সেই রাজপুত্রটা, বিশ্ব ফুটবলের রাজ্যে যে এনেছিল বাঁধভাঙা আবেগ - তায়েফ আহমাদ
- ফতোয়া, ইসলামপন্থীদের নিরবতা এবং আমার মাথার উপর গোল গোল ধোঁয়ার রিং! - ফারজানা মাহবুবা
- আইন অনুযায়ী আমার দেশ বন্ধ হয়েছে ? - আশরাফ রহমান
- গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী জাহাজবহরে হামলার বিশ্বব্যাপী নিন্দা এবং রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা ইসরাইল - নূরুল্লাহ তারীফ
- হরতাল : ২০ বছরে আ’লীগের তিন শতাধিক, বিএনপি জামায়াতের ৫৯ - সুধাসদন
- ৭১ এ আলীগের ২৫ জন সংসদ সদস্য স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলেন। - বিশ্ব শান্তি
- শেখ মুজিবকে বঙ্গশত্রু উপাধি দিয়েছিলেন মতিয়া চৌধুরী - সুধাসদন
- শেখ মুজিবকে কি করে 'জাতির পিতা' কিংবা 'বঙ্গবন্ধু' আখ্যা দেয়া যায়? - অন্তীম
- আওয়ামী লীগ ও রক্ষী বাহিনীর নির্যাতন : কেউ ভোলে কেউ ভোলে না (পর্ব-১) - সুধাসদন
- আল মাহমুদের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে বালেগ হয়ে আসা জরুরি! - ফিউশন ফাইভ
- জিয়ার পরিবর্তে আমাকে সেনাপ্রধান বানিয়ে বঙ্গবন্ধু ভুল করেছিলেন: কে এম সফিউল্লাহ - সুধাসদন
- মুজিব শাসনে রেডক্রসের দুর্নীতির শ্বেতপত্র ও মোশতাক সরকারকে স্বীকৃতি - সুধাসদন
- লগী বৈঠার সেই দিন গুলো এবং শান্তির কন্যা - ইরফান আহেমদ
- খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে মার্কিন ও ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাত্ : সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ইন্দিরার প্রতিশ্রুতি - সুধাসদন
- শান্তিবাহিনী ও বর্মী বিদ্রোহীদের সমর্থন দিয়েছিল ভারত - সুধাসদন
- ’৭২-এর সংবিধান দিয়ে আজকের বাংলাদেশ চালানো সম্ভব নয় : আ স ম রব - সুধাসদন
- "মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মে যোগদানের আহবান" ও আমার কিছু প্রশ্ন। - নাহিদ মাহমুদ
- মুখোশধারী ইসলামবিরোধী অন-লাইন যোদ্ধারা - ২ - দ্বীপবালক
- মেজর জলিল, আপনি ঠিক বলেছিলেন- ‘অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা’'। - ফারজানা মাহবুবা
- আপনি কি আজও সেই লগি বৈঠার ভয়ে আছেন? - অমিত হাসান
- দিন বদলের শিক্ষানীতি ও বাস্তবতা - ইবনে সালাম
- আজকে মওলানা ভাসানী বেচে থাকলে ধমক দিয়ে উঠতেন 'খামোশ' বলে - চাষী
- সারা পৃথিবীতে রমযান এর কিছু ছবি - থেসাস
- অমুসলিম নাগরিকদেরকে "নিকাব" পড়ানোর প্রতিবাদ জানানো দরকার - ইন্সট্যান্ট জাতিসঙ্ঘ
- তালপট্টি ও সমুদ্র সীমা : গণচীন মিয়ানমারের পক্ষে : বাংলাদেশের অবস্খান কোথায়? - ইবনে সালাম
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- ৩০ রোযার দোয়া - ইবনে সালাম
- পদ্মা-যমুনা হারিয়ে ২০টি জেলা মরুভূমি হবার আশংকা : গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রে অর্ধশত বাঁধ নির্মাণ করছে ভারত - ইবনে সালাম
- টিপাইমুখ না গিয়েই ভারতের পক্ষে দালালি - সুধাসদন
- বঙ্গবন্ধু নিহত হলে ইত্তফোক লিখেছিল জনগণ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলিয়া একটিঃ - মো. লুৎফর রহমান
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিক্রী হবে ভারতের বাজারে! বাহবা দিতেই হয় টেকি বোদ্ধাদের - রাজনীতি
- সিকিম সিনড্রোম? - েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- দেশটার পশ্চাৎদেশে বেশ কটি বাঁশ দিয়ে মা মরা, বাপ হারা ছিন্নমূল বিলুপ্তপ্রায় বাম - পাললিক মন
- শেখ হাসিনা ১ টাকায় গণভবন পেয়েও রাখতে না পারার প্রতিহিংসা থেকেই এ সিদ্ধান্ত : অধ্যাপক মোজাফফর - রাজনীতিক
- ছাত্রলীগ, যুবলীগ, তরুণলীগের কিছু পুরুষের সম্মিলিত ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী !!?? - শুভ৭৭
- ভারত বাংলাদেশের বন্ধু যেমন ইজরাইল ফিলিস্তিনের!!! - কাঙ্গাল মুরশিদ
- ভারতের প্রতি অনুগত হাসিনার আওয়ামীলীগ!!!!!!!!!!!!!! - কিরিটি রায়
- আওয়ামী লীগের পুরনো খেলা নতুন করে শুরু --- সিরাজুর রহমান - অারমান
- বাংলাদেশে আওয়ামীজোটের বিস্ময়কর বিজয় ও চারদলীয় জোটের অবিশ্বাস্য পরাজয় প্রসংগে : আব্দুদ্দাইয়ান মুহাম্মদ ইউনুছ - যুকরুফা ০৭
- জামায়েত নেতাদের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খারিজ! - পান্জেরী
- কুরআনের অত্যাশ্চর্য প্রভাব ও প্রাথমিক কুরআনিক প্রজন্ম - ২ - আবূসামীহা
- ১৯৫৮ সালে আয়ুব ক্ষমতা গ্রহনের পরে শেখ মুজিবুর রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করে!! উইকিপেডিয়ার যোচ্চুরী!! - এহহামিদা
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানীদের আস্থাভাজন এমএনএ ছিলেন সাজেদা চৌধুরীও
২৪ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৪৮
সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেও পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর কাছে একজন আস্থাভাজন কিংবা পাকিস্তানের আস্থা অর্জনকারী নেত্রী ছিলেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচিতদের মধ্য থেকে ৮৮ জনকে পাকিস্তানের সামরিক সরকার আস্থাভাজন এমএনএ (মেম্বর অব ন্যাশনাল এসেম্বলী) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ৭ আগস্ট ১৯৭১ তারিখে পাকিস্তানের তথ্য অধিদফতর থেকে প্রকাশিত ঐ তালিকায় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নামও ছিল। জেনারেল রোয়েদাদ খান ঐদিন ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই তালিকা প্রকাশ করেন যাতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে যাওয়া অন্তত ৭/৮ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর আস্থাভাজন কিংবা বিশেষভাবে আস্থা অর্জনকারী সেই সাজেদা চৌধুরী এখন যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে নানা কটাক্ষপূর্ণ বক্তব্য রাখছেন।
গত ২১ মে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে বলেন, এই দুঃসময়ে বিএনপির হরতাল ডাকা ঠিক হয়নি। হরতালে দ্রব্যমূল্য আরো বাড়বে। এ হরতাল জনতার হরতাল নয়। পাকিস্তানীদের কথা শুনে এই হরতাল ডাকা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে পাকিস্তানীদের ইশারায় ২৭ জুন হরতাল ডাকা হয়েছে। অথচ সাজেদা চৌধুরীই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেও পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর কাছে কতটা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন ছিলেন দলীল পত্রেই তার প্রমাণ রয়েছে।
১৯৭১ সালের ৭ আগস্ট ইসলামাবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলনে পূর্ব পাকিস্তান থেকে নির্বাচিত ৮৮ জন আওয়ামী লীগ নেতাকে এমএনএ নিশ্চিত করা হয় যারা পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর আস্থা অর্জন করেছিলেন। অথচ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসনে বিজয়ী হয়েছিল আওয়ামী লীগ। পরে সংরক্ষিত মহিলা আসনে আরো কয়েকজন নির্বাচিত হন যাদের মধ্যে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীও একজন ছিলেন। আস্থাভাজনদের তালিকা প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা থেকে ৭/৮ জন সিনিয়র সাংবাদিক ইসলামাবাদ যান ৫ আগস্ট। ৭ আগস্টের ঐ সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা থেকে যাওয়া পাকিস্তান অবজার্ভারের সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, মর্নিং নিউজের সম্পাদক জনাব বদরুদ্দীন, দৈনিক আজাদের শাহাদাত হোসেন, দৈনিক ইত্তেফাকের ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আখতার ফারুক, দৈনিক আজাদীর প্রফেসর খালেদ ও আব্দুল মালেক। পাকিস্তান সরকারের পক্ষে জেনারেল রোয়েদাদ খান সাংবাদিক সম্মেলনে এমএনএদের তালিকা প্রকাশ করেন। পরে পাকিস্তানের তথ্য অধিদফতর থেকে তালিকাটি সব সংবাদপত্র ও সংবাদ মাধ্যমের অফিসে সরবরাহ করা হয়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করা হয়নি। এ নিয়েই অসহযোগ আন্দোলন, ৭ই মার্চের ভাষণ তারপর প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সাথে শেখ মুজিবের সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর ২৫ মার্চের কালো রাতে নিরস্ত্র মানুষের ওপর পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমণের পর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধকে পাকিস্তানীরা দেশদ্রোহী কর্মকান্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। ফলে নির্বাচিত হওয়ার পরও আওয়ামী লীগের এমএনএ রা সবাই পাকিস্তানীদের কাছে এমএনএ হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন না। যারা তলে তলে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের আস্থা অর্জন করেছিলেন তাদেরকেই এমএনএ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। বাকীদেরকে বিদ্রোহীই বলা হয়। জেনারেল রোয়াদাদ খান ৮৮ জনের তালিকা প্রাকশ করে বলেছিলেন, বিশ্বস্ত প্রমাণ হলে পরবর্তীতে আরো তালিকা প্রকাশ করা হবে। ৮৮ জনের তালিকায় মিসেস সাজেদা চৌধুরীর নাম রয়েছে ৮৪ নম্বরে। চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং চাঁদপুর মহকুমার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমএনএ হিসেবে তার নাম প্রকাশ করা হয়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে পাকিস্তানীদের কাছে বিশ্বস্ত এমএনএদের এই তালিকায় অনেক বড় বড় নেতার নাম রয়েছে যারা মুক্তিযুদ্ধের বড় বড় সংগঠকই নন পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের বড় বড় পোস্টে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্বস্ত এই তালিকায় রয়েছেন মরহুম মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ, সালাহউদ্দিন ইউসুফ, আব্দুল মালেক উকিল, সৈয়দ কামাল বখত, আসাদুজ্জামান খান (৩য় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা), একে ফাইজুল হক, শওকত আলী খান, টাঙ্গাইলের আজমত আলী সিকদার, হাতেম আলী, কফিল উদ্দিন চৌধুরী (বি চৌধুরীর পিতা), সিলেটের ওবায়দুর রাজা চৌধুরী, নোয়াখালীর ওবায়দুল্লাহ মজুমদার প্রমুখ।
আওয়ামী লীগ নাস্তিক কমিউনিস্টসহ দেশী-বিদেশী প্রভুদের নির্দেশনায় তথাকথিত যুদ্ধাপরাধের বা মানবতার বিরুদ্ধে বিচারের জিগির তুলছে। অথচ নিজ ঘরেই কত কত যুদ্ধাপরাধী রয়েছে তা আগে খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন অনেকেই। উপরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আর ভিতরে পাকিস্তানীদের বিশ্বস্ত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন যারা তাদেরকে কোন অপরাধী বলা হবে আর তাদের বিচার হবে কিনা সে প্রশ্নেরও জবাব হয়তো দাবি করবে মানুষ ক্ষমতাসীনদের কাছে। নিরপেক্ষ তথ্যানুসন্ধান করতে গেলে দেখা যাবে ক্ষমতাসীনদের নিজ দলেই রয়েছে সর্বাধিক ব্যক্তি যারা পাকিস্তানীদের সহযোগিতা করেছেন।
৭১ এ আলীগের ২৫ জন সংসদ সদস্য স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলেন
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০১০ রাত ১:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: লেখার মধ্যেই সোর্স আছে। ভাল করে পড়েন।
শাহ জাহান মাহমুদ বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেছেন:
এটি কি সত্যি? অবিশ্বাস্য। লেখকের উচিত রেসপন্স করা। শুধু রেফারেস্ দিলে হবে না, ডকুমেন্ট চাই।
লেখক বলেছেন: অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে কেন? কয়েকদিন আগে আমাদের সময় একটা তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল-৭১ এ আলীগের ২৫ জন সংসদ সদস্য স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলেন । এ তথ্য যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে সাজেদা চৌধুরী পাকিস্তানের অনুগত হলে অবাক হবার কি আছে? আপনি ১৯৭১ সালের ৮ আগস্টের পত্রপত্রিকা দেখতে পারেন।
শাহ জাহান মাহমুদ বলেছেন:
হা...হা...হা... বলেছেন: সোর্স কি? এখন সোর্স পাইছস হারামজাদা ।
রুদ্রমরু বলেছেন:
হো হো হা হা হা। মজা পাইলাম। জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:তাইলে প্রমানিত হইলো জামাত নির্দোষ! শান্তি পাইলাম, আমিন... সুম্মামীন।
হো হো হা হা হা হো হো হো......
সুধাসদন বলেছেন:
পাকিদের সাথে আওয়ামী লীগের আদর্শের যে মিল আছে তা ছাত্রলীগের অপকর্ম দেখেও বুঝা যায়। পাকিরা ধর্ষণ করেছে, ছাত্রলীগও তাই করছে, তারা জ্বালাও পোড়াও করেছে সর্বস্তরের লীগ তাই করছে।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
রে ছাগল, বুঝিলাম সাজেদা চৌধুরী পাকিদের বিশ্বস্ত আছিল। কিন্তু সাজেদা যে যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত আছিল তার কি প্রমান?
আর সাজেদা বিশ্বস্ত আছিল বলে আওয়ামী লীগ যুদ্ধপরাধের বিচারের কথা বলবে না?
১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে পাকিস্তানীদের কাছে বিশ্বস্ত এমএনএদের এই তালিকায় অনেক বড় বড় নেতার নাম রয়েছে যারা মুক্তিযুদ্ধের বড় বড় সংগঠকই নন পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের বড় বড় পোস্টে দায়িত্ব পালন করেছেন।
যারা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তাদের নামও যদি ওই তালিকায় থাকে তাহলে ওই তালিকার গ্রহনযোগ্যতা কতটুকু বুঝোস??
কফিলউদ্দীন চৌধুরী ৭০ বছর বয়সে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার জন্য- তাকেও যে তালিকায় রাখছে সেই তালিকা নিয়া যুক্তি দিতে আইছো?
রাম ছাগলেরও অধম।
কঠিনলজিক বলেছেন:
খাইছে!!! একদম ডিজিটাল বেইজ্জতী কারবার ।@হায় ঈশ্বর! @ কানু @টেকনোলোজী না আইলে খেলা জমবো না ।
সেলিব্রেটী কমেন্টার @ বিদ্রোহী রণক্লান্ত এর পথ চায়া বইসা রইলাম ।
কঠিনলজিক বলেছেন:
ছিঃ এরকম পোস্ট দিতে নাই, কিছু সত্য গোপন করতে হয়। না মানে অন্য কিছু না জামাতের লাভ হয়ে যাইতে পারে তাই আরকি !!!!
@ জীবনানন্দদাশের ছায়া, @দুরন্ত ।
জিয়াউল হক বলেছেন:
আহারে, হাম্বালীগরে দিলেন তো দিগম্বর করে!
নষ্ট ছেলে বলেছেন:
পোকা বলেছেন: সুধাসদন ভুলে যাবেন না ৭১ সালে কিন্তু খালেদা জিয়াও ধর্ষণ হয়েছে। একটু খেয়াল কৈরা । খালেদা জিয়া যদি ৭১ এ সত্যিই ধর্ষিত হয়ে থাকেন তাহলে তো তিনি স্বাধীনতার একটা অংশ।
শাহ জাহান মাহমুদ বলেছেন:
দুরন্ত স্বপ্নচারী বেশী খেইপা গেছে । সে যে হাম্বালীগ বুঝা যায় । তার মাথায় দেন ভাই । না যাইতে চাইলে উষ্ঠা মাইরা বাহির করা দরকার ।
শাহ জাহান মাহমুদ বলেছেন:
পোকা বলেছেন: ভালো কথা লেখার সুত্র কই? বাপেরটা চোখে দেখন না । ভারতের দালাল ।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
---------
সাজেদারে নাম মুখে নিলে শরীর নাপাক থাকে তিন দিন......!!! পাকিরা মুজিবরে নিয়া গেল নিরাপত্তা হেফাযতে সরবারাহ করা হইলো এরিনমোর তামাক, পাইপ, ভুনা খাসির মা;শ ও তান্দুরী রুটি.......। মুজিবের পরিবারের সব নারী সদস্যরে পাঠান সেনারা নিরাপত্তা দিয়ে খোদ ঢাকা শহরেই রেখেছে.......। অবাক কান্ড সাধারন বা;গালী ৯ হইতে ৯০ বছর বয়েসের নারীরা নির্যাতিত হইলেও মুজিব পরিবারের কোন নারী'র গায়ে ফুলের আচরও দেয়নি পাকিস্হানীরা.........!!! কারনডা কী........???
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
বাংলাদেশ কবে যে আলীগের মত ঐতিহাসিক পাকি পা চাটাগো হাত থেকে রক্ষা পাইবো??!! দলের নাম থেকে শুরু করে কাজের মধ্যে যাদের রাজাকারী চিহ্ন, তার উপর মুক্তিযুদ্ধ আর মা-বইনের ইজ্জত বেইচা খাওয়ার রাজনীতি করে! ৭১ এর মার্চে তারা এমনই দেশ স্বাধীনের পক্ষে কথা কইছে যে, আঞ্চলিক নেতারাও সেটা ভাল করে জানে না বিধায় অনেকেই পাকিদের পক্ষে কাজ করছে! শুধু সাজেদা কেন, খুজলে আরো অনেককেই পাওয়া যাবে! এরা যখন আগের আমলে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও পাটমন্ত্রীর পদে যুদ্ধাপরাধীদের বসাইছিলো তখনও দলীয় মিডিয়া চোপা বন্ধ করে আছিলো!"হা...হা...হা..." মিয়ার হাগু বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা! আন্ধা হইলে এরকমই হয়!
তাজ উদ্দীন সুমন বলেছেন:
বুঝলাম না এতে অবাক হত্তয়ার কি আছে? মুজিব হত্যাকারী যদি এই দলের উপদেষ্টা থাকেত পারে, আর রাজাকারের পরিবারে মেয়ে বিয়ে দিতে পারে, নিজেকে জাতীয় বেঈমান রূপে প্রমান করতে পারে, তারা আর কত ভাল হবে।
জোবায়ের বলেছেন:
রাজাকার
জেনারেশন৭৫ বলেছেন:
ঐ ভাদারা শোন । জামাতের বা বি এন পি র গুলো যুদ্ধাপরাধি প্রমানের জন্য সংগ্রামের রেফারেন্স খোজো। এখন তোমাদের অজুত হয় কেন? না সব কিছুই নিজের মতন চাও!!
জেনারেশন৭৫ বলেছেন:
আওয়ামি যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা:
নোয়াখালী থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের ‘এমএনএ’ (জাতীয় পরিষদ) মো. ওবায়দুল্লাহ মজুমদার ও চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ (প্রাদেশিক পরিষদ) অধ্যাপক শামসুল হক দু’জনই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর তৈরি এমএ মালেকের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।
তালিকাভুক্ত অপর আওয়ামী লীগ নেতারা হচ্ছেন- চট্টগ্রামের প্রাদেশিক আসন ২৪ থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, পটুয়াখালী থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ মুজিবুর রহমান তালুকদার, যশোর থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ মো. মঈনুদ্দীন মিয়াজী, খুলনার ‘এমপিএ’ হাবিবুর রহমান খান, বগুড়া থেকে নির্বাচিত গণপরিষদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে নির্বাচিত ‘এমএনএ’ জহির উদ্দিন, লে. কর্নেল একেএম মাহবুবুল ইসলাম (পাবনা), সৈয়দ হোসেইন মনসুর (পাবনা), মো. আবদুল গাফফার (খুলনা), মো. সাঈদ (খুলনা), মোশাররফ হোসেন শাহজাহান, একে ফায়জুল হক (বরিশাল), এবিএম নুরুল ইসলাম (ফরিদপুর), আমজাদ হোসেন খান (ফরিদপুর), মো. নুরুল ইসলাম (ঢাকা), আখতারুজ্জামান (ময়মনসিংহ), সৈয়দ বদরুজ্জামান ওরফে এসবি জামান (ময়মনসিংহ), ডা. আবুল হাসেম (সিলেট)।
উল্লিখিত ২০ নেতার প্রত্যেকে জাতীয় পরিষদ অথবা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। দৈনিক পাকিস্তান ও আজাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এসব নেতার স্বাধীনতাবিরোধী বিবৃতি প্রকাশ হয়। তালিকাভুক্ত এসব আওয়ামী লীগ নেতারা মুক্তিযুদ্ধের সময় কেবল বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে ইয়াহিয়া সরকারের পক্ষই নেননি, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করেন বলেও তাতে উল্লেখ আছে। যে কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়েই সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কিছু গণপরিষদ সদস্যের সদস্য পদ বাতিল করা হয়। অনেকের নাগরিকত্বও বাতিল করা হয়েছিল। উল্লেখিতদের অনেকেই ইতোমধ্যে মারা গেছেন।
’৭১ সালের ৩ জুলাই সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানকে খণ্ডবিখণ্ড করার জন্য জনগণ আমাকে ভোট দেয় নাই।’ ৬ জুলাই মুজিবুর রহমান তালুকদার পৃথক বিবৃতিতে ‘পাকিস্তানকে খণ্ড-বিখণ্ড করার জন্য আওয়ামী লীগের মতলব সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা ছিল না’ বলে মন্তব্য করেন। হাবিবুর রহমান খান বলেন, ‘পাকিস্তান এক ও অবিচ্ছেদ্য। পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে পারে এমন কোনো শক্তি পৃথিবীতে নেই।’ মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের যেসব নেতা জেলা ও শহর শাখার শান্তি কমিটিতে ছিলেন তাদেরও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।
সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম। একাত্তর সালে তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি রাজাকার কমান্ডার ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়। তখন ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন, টাঙ্গাইলের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপিএ খোদাবক্স মুক্তার, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মহকুমা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মো. ফিরোজুর রহমান, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবদুস শুকুর মিয়া, ফরিদপুর আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল জলিল মিয়া মোক্তার, অ্যাডভোকেট কাজী খলিলুর রহমান, অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন মিয়া, চট্টগ্রাম সদর মহকুমা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আবুল বাশার, নেত্রকোণার আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল ইসলাম খান, নেত্রকোণা শহর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, মহকুমা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি চাঁদবক্স পাটওয়ারী মোক্তার, নেত্রকোণার বায়লাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সেক্রেটারি ডা. গিয়াসউদ্দিন আহমদ, নেত্রকোণা শহর আওয়ামী লীগ সদস্য সোহরাব হোসেন, নেত্রকোণা মহকুমা আওয়ামী লীগ সদস্য এমদাদুল হক, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, চাঁদপুর মহকুমা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী মোক্তার, চাঁদপুর রেডক্রস সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, চাঁদপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের কার্যকরি সদস্য খুরশিদ আলম চৌধুরী, মহকুমা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ বজলুর রহমান শেখ, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সদস্য ও তরপারচান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান মৃধা, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজ শেখ পাটওয়ারী, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সদস্য ও ঠিকাদার মোফাজ্জল হোসেন, ফরিদগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক ডা. নুরুল ইসলাম, রাজশাহীর সোহরাওয়ার্দী আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমান, যশোর আওয়ামী লীগ নেতা মীর তৈয়ব, মোহাম্মদ আবদুল হাকিম বিক্রমপুরী।
নেত্রকোনা শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। তিনি মুসলমানদের চিরশত্র“ ভারতের সমর্থনপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী দুষ্কৃতকারীদের উৎখাতকল্পে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
সুত্র: আমাদের সময়।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
@ শাহ জাহান মাহমুদঃ
আমি যে যুক্তি দিয়েছি আগে সেটা খন্ডন করো। আবালের মত ফাল পাইড়ো না ছাগুপো। যুক্তি দিয়া কথা কইয়ো না হইলে পুন্দানি খাইবা।
@ লেখক এবং অন্যান্য ছাগবৎসগণঃ
বুঝলাম আওয়ামী লীগে যুদ্ধাপরাধী আছে। তাই বলে কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে না? যুদ্ধাপরাধের বিচারের কথা বলা যাবে না?
যুদ্ধাপরাধের বিচারের কথা কইলে এত জ্বলে ক্যান?
নিশ্চিত থাকো তোমাদের গুরুগুলারে ধইরা পুন্দানি হইবে। মলম নিয়া রেডি থাকো।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
পাগলে কিনা কয়, ছাগলে কিনা খায়!
বিপরীত স্রোত বলেছেন:
সব ছাগুল দেখি সংগ্রামের কাঁঠাল পাতা খাইয়া মে মে ডাক পারে
ক্তিযুদ্ধের পুরাটা সময় সাজেদা চৌধুরী আগরতলায় স্থাপিত সেবিকা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি একজন নির্বাচিত সাংসদ হিসেবে আগরতলায় মহিলা শরণার্থী শিবিরের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। এ ব্যাপারে এ এস এম সামছুল আরেফিনের লেখা মুক্তিযুদ্ধে ব্যক্তির অবস্থান নামে বইটিতে দুইটি সারণীতে তার উল্লেখ আছে।
পৃ। ২৭ : সারণী ১৫ (মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতীয় পরিষদ)
বেগম সাজেদা চৌধুরী পেশা ভিত্তিক ক্রমিক নং ১৬৫, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, নার্সিং প্রশিক্ষণ শিবির আগরতলা
পৃ। ৭৬ সারণী ৫২ (বাংলাদেশ হাসপাতাল, আগরতলা)
১০ মে ১৯৭১ আগরতলা সোনামুড়া বনবিভাগের বিশ্রামাগারে ক্যাপ্টেন আখতার আহমেদের তত্বাবধানে প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ হাসপাতাল স্থাপন করা হয়। ২৭ জুলাই এটি আগরতলার দারোগা বাগিচায় স্থানান্তর করা হয়। আগস্ট মাসে সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই হাসপাতালটিকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ঠ হন বাংলাদেশ সরকার। ২৬ আগস্ট ১৯৭১ সালে হাবুল ব্যানার্জীর বাগানে এটি নতুন করে সাজানো হয়। বাংলাদেশ হাসপাতাল এর পরিকল্পনা, পরিচালনা ও তত্বাবধানে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য দপ্তর ও ভারতীয় রেডক্রস এবং বেগম সাজেদা চৌধুরী ও বেগম রাফিয়া আক্তার ডলির প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে পরিচালিত নার্সিং শিবিরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৬ জন সেবিকা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। এখানে যুদ্ধকালীন সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য ডাক্তার সিতারা বেগমের সঙ্গে সাঈদা কামাল ও সুলতানা কামাল চিকিৎসা সহকারী হিসেবে বীর প্রতীক উপাধী পান।
পৃ। ১৩৩ সারণী ৭৫ (১৯৭০ সালের নির্বাচিত সংসদ সদস্য)
১৬৫ (পেশাভিত্তিক ক্রমিক)। সাজেদা চৌধুরী (নাম) চট্টগ্রাম-পার্বত্য চট্টগ্রাম-নোয়াখালী-চাঁদপুর (নির্বাচনী এলাকা) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পদবী) আগরতলা মহিলা শরণার্থী শিবির (দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থল)
বিপরীত স্রোত বলেছেন:
সব ছাগুল দেখি সংগ্রামের কাঁঠাল পাতা খাইয়া মে মে ডাক পারে
মুক্তিযুদ্ধের পুরাটা সময় সাজেদা চৌধুরী আগরতলায় স্থাপিত সেবিকা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি একজন নির্বাচিত সাংসদ হিসেবে আগরতলায় মহিলা শরণার্থী শিবিরের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। এ ব্যাপারে এ এস এম সামছুল আরেফিনের লেখা মুক্তিযুদ্ধে ব্যক্তির অবস্থান নামে বইটিতে দুইটি সারণীতে তার উল্লেখ আছে।
পৃ। ২৭ : সারণী ১৫ (মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতীয় পরিষদ)
বেগম সাজেদা চৌধুরী পেশা ভিত্তিক ক্রমিক নং ১৬৫, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, নার্সিং প্রশিক্ষণ শিবির আগরতলা
পৃ। ৭৬ সারণী ৫২ (বাংলাদেশ হাসপাতাল, আগরতলা)
১০ মে ১৯৭১ আগরতলা সোনামুড়া বনবিভাগের বিশ্রামাগারে ক্যাপ্টেন আখতার আহমেদের তত্বাবধানে প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ হাসপাতাল স্থাপন করা হয়। ২৭ জুলাই এটি আগরতলার দারোগা বাগিচায় স্থানান্তর করা হয়। আগস্ট মাসে সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই হাসপাতালটিকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ঠ হন বাংলাদেশ সরকার। ২৬ আগস্ট ১৯৭১ সালে হাবুল ব্যানার্জীর বাগানে এটি নতুন করে সাজানো হয়। বাংলাদেশ হাসপাতাল এর পরিকল্পনা, পরিচালনা ও তত্বাবধানে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য দপ্তর ও ভারতীয় রেডক্রস এবং বেগম সাজেদা চৌধুরী ও বেগম রাফিয়া আক্তার ডলির প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে পরিচালিত নার্সিং শিবিরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৬ জন সেবিকা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। এখানে যুদ্ধকালীন সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য ডাক্তার সিতারা বেগমের সঙ্গে সাঈদা কামাল ও সুলতানা কামাল চিকিৎসা সহকারী হিসেবে বীর প্রতীক উপাধী পান।
পৃ। ১৩৩ সারণী ৭৫ (১৯৭০ সালের নির্বাচিত সংসদ সদস্য)
১৬৫ (পেশাভিত্তিক ক্রমিক)। সাজেদা চৌধুরী (নাম) চট্টগ্রাম-পার্বত্য চট্টগ্রাম-নোয়াখালী-চাঁদপুর (নির্বাচনী এলাকা) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পদবী) আগরতলা মহিলা শরণার্থী শিবির (দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থল)
রুহু্ননবী বলেছেন:
ভাইজান উপরের কমেন্ট এর জবাব দেন....
পথভ্রষ্ট বলেছেন:
প্লাসের লহুতে ইবনে ছাগুর হোগা ভাইসা গেছে। আহা! সামু কি হইল।চিহ্নিত ছাগুদের পোস্ট আসলেও টপাটপ প্লাস পড়ে।ছাগাক্লান্ত, জামাত শিবিরের ধোন্চুষ্তেচুষ্তে জিভ শেষ কইরা দিলি। ওরে পাকি ঔরসজাত তুই মানুষ হ।
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন:
রাজাকারের বাচ্চা ২৯ নং মন্তব্যের জবাব দে...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















সোর্স ছাড়া এমন পোষ্ট করলে লাত্থি মাইরা হাগা বন্ধ করে দেয়া উচিৎ।