পুলিশী নির্যাতনে নিহত বিএনপিপন্হী আইনজীবী এমইউ আহমেদের লাশ দেখতে গিয়ে আইনজীবীদের রোষানলে পড়ে পুলিশের সহায়তায় পালিয়ে বেচেছেন দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা মাহবুবে আলম । গোপনে বেরিয়ে গেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল
বিতর্কিত দুই বিচারপতির বেঞ্চে শোনানিকালে হট্রগোলের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত এ আইনজীবী ১১ আগস্ট পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর নির্যাতনে আহত হয়ে আজ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন । এই আইনজীবীর মৃত্যুর পেছনে দায়ী মুলত দুই বিচারপতি, এটর্নি জেনারেল এবং নির্যাতনকারী পুলিশ । একটি মামলায় একজনের ব্যাপারে রায় দিতে গিয়ে সিনিয়র আইনজীবীদের অনুরুধ সত্বেও অপ্রাসঙ্গীকভাবে বিরোধীদলীয় নেতাকে কটাক্ষ করায় আদালতে হট্রগোল হয় । কিন্ত আওয়ামীলীগ এবং বিএনপিপন্হী আইনজীবীদের মধ্যে হট্রগোল হলেও পুলিশ শুধু বিএনপির আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা করে । এরপর এটর্নি জেনারেলের নির্দেশে এমইউ আহমেদকে গ্রেয়তার করে নির্যাতন করে । পুলিশ যে এটর্নি জেনারেলের নির্দেশে নির্যাতন করেছে তা বুঝা যায় দুই পক্ষের সমজোতার পর এটর্নি জেনেরেল আশ্বাস দেন যে আর কাউকে নির্যাতন করা হবে না । আর এই দুই বিচারপতিও অন্যায়ভাবে দুপক্ষের মধ্যে জগড়া হলেও শুধু বিএনপির আইনজীবীদের সনদ বাতিলের নির্দেশ দেন । শুধু এই বিষয়ে নয় মানিক-গোবিন্দ বেঞ্চ হেন কোন বিষয় নেই যা নিয়ে রুল জারি করেন নি । তারা শুধু বিএনপি জামায়াতের বেলায় কঠোর আদেশ দেন কিন্তু সরকার এবং নিজেদের স্বার্থে খুবই যত্নবান । যার সর্বশেষ নিদর্শন বিচারপতিদের আয়কর দেয়ার আদেশ স্হগিত করা । মন্ত্রী-বিচারপতিদের আয়করের প্রজ্ঞাপন স্থগিত
তাই বিচারবিভাগ রক্ষার স্বার্থে অভিলম্বে এই দুই আইনজীবী, এটর্নি জেনারেল এবং স্বরাষ্টমন্ত্রী ও আইন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীর অপসারন প্রয়োজন । কারন আইন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী যোগসাজস করে খুনের মামলার আসামী থেকে শুরু করে হাইকোর্টে ভাংচুরকারীকে বিচারপতি বানিয়েছেন । এখনো সময় আছে জনগণের ধাওয়া খাওয়ার আগে ঠিক হয়ে যান । কারন পুলিশ দিয়ে বেশিদিন জনগণের হাত থেকে বাঁচা যাবে না ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


