somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অ্যান্টার্কটিকায় গভীর বরফের নিচে হ্রদ!

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অ্যান্টার্কটিকায় বরফের নিচে হারিয়ে যাওয়া বিশাল হ্রদ আবিষ্কারের পরিকল্পনা অবশেষে বাস্তবে রূপ পেতে যাচ্ছে। প্রকৌশলীদের অগ্রবর্তী একটি দল প্রচণ্ড ঠান্ডা উপেক্ষা করে খাল খননের জন্য সেখানে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপন করেছে।
দুই মাইল পুরু বরফ কেটে এ হ্রদ উদ্ধারের চূড়ান্ত কাজ চলতি বছরের শেষদিকে শুরু হতে পারে। অ্যান্টার্কটিকার হিম শীতল পানিতে প্রাণীর অস্তিত্ব ও এখানকার অতীতের জলবায়ু সম্পর্কে ধারণা পেতে সুবিশাল প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। উচ্চাভিলাষী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছেন ব্রিটিশ প্রকৌশলীরা।
যুক্তরাজ্যের বৈজ্ঞানিক চ্যালেঞ্জিং প্রকল্পগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। এটি এতই জটিল যে, প্রস্তুতি শেষ করতে অ্যান্টার্কটিকার দুটি গ্রীষ্ম মৌসুম লেগে যাবে।
প্রস্তুতির প্রথম ধাপে একটি ‘ট্রাক্টর ট্রেন’ প্রায় ৭০ টন সরঞ্জাম নিয়ে ইউনিয়ন গ্ল্যাসিয়রের মধ্য দিয়ে ইলসওয়ার্থ হ্রদের ওই জায়গায় যায়। গভীর তুষার ও কঠিন বরফের মিশ্রণে তৈরি ৪০০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল) দীর্ঘ এ পথ পাড়ি দিতে ট্রাক্টরের তিন দিন সময় লাগে। পরে প্রকৌশলীরা সরঞ্জামগুলো মজুদ করে নিম্ন তাপমাত্রার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর মতো করে এগুলোকে স্থাপন করেন। বাতাসে প্রবাহিত তুষারে ট্রাক্টরের গিয়ার ঢেকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে খননকাজের স্থানে বিশেষ ধরনের চিহ্নের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে এটি ঢেকে গেলেও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
অ্যান্টার্কটিকায় ইলসওয়ার্থ লেকের মতো আরও চার শতাধিক হ্রদ রয়েছে। কিন্তু খননের জন্য এই হ্রদ বেছে নেওয়ার কারণ হলো অন্যগুলোর চেয়ে এখানে যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।
অ্যান্টার্কটিকার বৈরী পরিবেশের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে প্রকৌশলীদের অগ্রবর্তী দল ও ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের সদস্য অ্যান্ডি টেইট বলেন, ‘হাতে পাতলা দস্তানা পরে সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করাটা ছিল সত্যিই কঠিন...আসলেই খুব ঠান্ডা।’ তিনি বলেন, ‘অ্যান্টার্কটিকায় গ্রীষ্মেও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকে মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’
কর্মকর্তারা বলেন, বরফ খননের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কেবল সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। এর জন্য দরকারি প্রধান প্রধান সরঞ্জাম এখনো তৈরি ও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এগুলো সম্পন্ন হলেই খননের স্থলে পাঠানো হবে।___বিবিসি.
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×