শ্রীমঙ্গলে বনবিভাগের অভিযানে
গাছসহ বনদশ্যূদের দুইটি মোটরসাইকেল আটক
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন শ্রীমঙ্গল নূরজাহান চা বাগান এলাকা থেকে বন সংরক্ষণ বিভাগ (বন্যপ্রাণী) ৫০ ঘনফুট চোরাই কাঠসহ বনদস্যূদের ব্যবহৃত দু’টি মোটর সাইকেল আটক করেছে।
শ্রীমঙ্গলস্থ মৌলভীবাজার বনরেঞ্জ সূত্র জানায়, গত ২৩ আগষ্ট বিকাল সাড়ে ৩ টায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ছনখোলা এলাকা থেকে গাছ চুরি করে নিয়ে পাচার করার খবর পেয়ে ডলুবাড়ী পেট্রোল বাহিনীর সহযোগীতায় লাউয়াছড়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে একদল বন কর্মী (বন্যপ্রাণী) গাছ চোরদের ধাওয়া করে। এসময় বনদশ্যূরা ৫০ ঘনফুট পরিমাণ আকাশমনি গাছের খন্ডাংশ ও তাদের ব্যবহৃত দু’টি মোটর সাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। আটককৃত কাঠের বাজার মূল্য আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। লাউয়াছড়া বনরেঞ্জ (বন্যপ্রাণী) কর্মকর্তা এ.কে.এম. আজহারুল ইসলাম কাঠসহ মোটর সাইকেল আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক একটি মোটর সাইকেলের নম্বর কুমিল্লা এ-৪৯১১ এবং অন্যটি রেজিষ্টার্ড বিহীন। তিনি আরও বলেন, আটক মোটর সাইকেল ছাড়িয়ে নিতে মাধবপুর ইউনিয়ন এর একদল প্রভাবশালী লোক জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। বনদশ্যূরা দিনের বেলা মটর সাইকেল নিয়ে প্রতিদিন সংরক্ষিত বনে প্রবেশ করে গাছ মার্কিং করে আসে এবং রাতে লোক লাগিয়ে গাছকেটে নেয়। উল্লেখ্য আইপ্যাক প্রকল্পের আওতায় সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য আশিক আলীর নের্তৃত্বে ১০/১২ জনের গাছ চোরের দলসহ শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারে রয়েছে এরকম ২০/২৫ টি গ্যাং। যাদের লালসায় ইতি মধ্যে উজাড় হতে চলেছে লাউয়াছড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন শ্রীমঙ্গল নূরজাহান চা বাগান এলাকা থেকে বন সংরক্ষণ বিভাগ (বন্যপ্রাণী) ৫০ ঘনফুট চোরাই কাঠসহ বনদস্যূদের ব্যবহৃত দু’টি মোটর সাইকেল আটক করেছে।
শ্রীমঙ্গলস্থ মৌলভীবাজার বনরেঞ্জ সূত্র জানায়, গত ২৩ আগষ্ট বিকাল সাড়ে ৩ টায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ছনখোলা এলাকা থেকে গাছ চুরি করে নিয়ে পাচার করার খবর পেয়ে ডলুবাড়ী পেট্রোল বাহিনীর সহযোগীতায় লাউয়াছড়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে একদল বন কর্মী (বন্যপ্রাণী) গাছ চোরদের ধাওয়া করে। এসময় বনদশ্যূরা ৫০ ঘনফুট পরিমাণ আকাশমনি গাছের খন্ডাংশ ও তাদের ব্যবহৃত দু’টি মোটর সাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। আটককৃত কাঠের বাজার মূল্য আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। লাউয়াছড়া বনরেঞ্জ (বন্যপ্রাণী) কর্মকর্তা এ.কে.এম. আজহারুল ইসলাম কাঠসহ মোটর সাইকেল আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক একটি মোটর সাইকেলের নম্বর কুমিল্লা এ-৪৯১১ এবং অন্যটি রেজিষ্টার্ড বিহীন। তিনি আরও বলেন, আটক মোটর সাইকেল ছাড়িয়ে নিতে মাধবপুর ইউনিয়ন এর একদল প্রভাবশালী লোক জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। বনদশ্যূরা দিনের বেলা মটর সাইকেল নিয়ে প্রতিদিন সংরক্ষিত বনে প্রবেশ করে গাছ মার্কিং করে আসে এবং রাতে লোক লাগিয়ে গাছকেটে নেয়। উল্লেখ্য আইপ্যাক প্রকল্পের আওতায় সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য আশিক আলীর নের্তৃত্বে ১০/১২ জনের গাছ চোরের দলসহ শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারে রয়েছে এরকম ২০/২৫ টি গ্যাং। যাদের লালসায় ইতি মধ্যে উজাড় হতে চলেছে লাউয়াছড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





