সীমান্তে মানুষ মরে,অত্যাচারের স্বীকার হয় আর তারা তাদের নিজ্বস বক্তব্যকে রাষ্ট্র-এর বক্তব্য হিসেবে চালিয়ে দিলেন। অবশ্য দিতে পারেন। তারা এখন সরকারে। আমরাই তো বসিয়েছি।
নিজের আত্নীয় যদি মরতো,অত্যাচারের স্বীকার হতো তখন হয়তো বলতেন, দেশ গভীর ভাবে চিন্তিত। কিন্তু মরে তো কলিমুদ্দীন,সকামুদ্দীন ইত্যাদিরা। এরা তো কুকুরের ন্যায়, এরা মরলে কার কি আসে যায়! এটা নিয়ে এতো চিল্লাচিল্লির কি আছে ?
অথচ আপনারা সেই কলিমুদ্দীন,সকামুদ্দীন-দের টাকায় তো ঠিকই আরামে বসবাস করছেন। পুলিশ প্রোটেকশন,দামী বেশভূষা,অনেক টাকার খাবার, বিদেশে আমোদ-ফূর্তি করছেন, নিজের এবং নিজেদের আত্নীয়দের ব্যাংক-ব্যালেন্স বৃদ্ধি করাছেন।
কিন্তু না, দুনিয়া এতো সহজ না। মানুষ ঠিকই দেখে, ঠিকই বুঝে। শুধু আপনারা টিনের চশমা পড়ে আছেন বলেই জনগনের অবস্থা বুঝছেন না।
যদি বুঝতেন, তবে ঠিকই শিউরে উঠতেন !
একি দেখছি !
হ্যা, ঠিকই দেখছেন।
আপনাদের মৃত্যু হয়তো স্বাভাবিকভাবেই হবে। কিন্তু তখন জনগন দুঃখিত হওয়া দূরে থাক , নূন্যতম চিন্তিতও হবে না। বরং স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



