শিক্ষা নিয়ে শিক্ষিতদের এটা কেমন ব্যাবসা......!!!!!!!!!!
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:২৬
চট্টগ্রাম বিশ্বিবিদ্যালয়ে শীঘ্রই ডাবল শিফট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে চ.বি. র অভিবাবকরা। তাদের যুক্তি, তাতে সিট সংকট নিরসন হবে এবং বিশ্বিবদ্যালয়ের আয় বাড়বে।
এই শিফট হবে বিকাল ২টা থেকে ৬টা পর্যন্ত। আর এ শিফটে ভর্তি হতে একজন ছাত্রকে দিতে হবে ৮০,০০০-৯০,০০০ টাকা।
এ শফটের একটি ক্লাস নিলে একজন শিক্ষক ক্লাস প্রতি পাবেন প্রায় ১০০০টাকা।
এখন প্রশ্ন হল,
যেখানে ৯০,০০০-১,০০,০০০ শিক্ষার্থী প্রতি বছর ভর্তি পরীক্ষা দেয়, সেখানে আরেকটি শিফট চালু করে ২,০০০ শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে আসলেই কি এ সংকট নিরসন হবে?
বিজ্ঞান বিভাগ বা চারুকলা সহ যারা বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত ব্যাবহারিক ক্লাস করে, তাদের কি হবে?
যেখানে বর্তমানে আবাসিক সংকট চরমে, সেখানে নতুন করে ২০০০ ছাত্র ভর্তি করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত?
শহর থেকে ২২কি.মি. দুরের এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে যাতায়াত ব্যবম্থা অপ্রতুল, আছে মাত্র দুটি শাটল ট্রেন। এতে কি বাড়তি চাপ পড়বে না?
বর্তমানে এখানে বেশীরভাগ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ঘরের মেধাবী সন্তান। কিন্তু ৮০,০০০-৯০,০০০টাকা দিয়ে শিক্ষা গ্রহনের সামর্থ্য কি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের আছে?
তাহলে কি এটা টাকার বিনিময়ে উচ্চবিত্তদের কাছে শিক্ষা বিক্রি নয়?
এটা কি শিক্ষার বানিজ্যকরন নয়?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বানিজ্যকরন ;
রাজামশাই বলেছেন:
- মৌলিক অধিকার বলতে একটা কথা আছে না
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
দরকারি পোস্ট, তবে বেশ কিছু মাইনাস পেতে পারেন.....
লেখক বলেছেন: তাতেও ভয় নেই, কিন্তু এটা প্রতিহত করতে হবে।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
একটা রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এমনটা পারে নাকি? এটা হবে না। অনুমতি মিলবে না।
লেখক বলেছেন: এটা নিয়ম বহিভূত, কিন্তু এখানে স্বশাসনের দোহাই দেয়া হবে।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
ব্যবহারিক ক্লাশগুলোর শিডিউল ঠিক থাকলে এই পদ্ধতিতে সমস্যা দেখি না। এতে ইউনিভার্সিটির নিজের আয় যেমন বাড়বে, তেমনি শিক্ষকদের অর্থনৈতিক সমস্যারও কিছুটা সমাধান হবে।
লেখক বলেছেন: পরে আমাদেরকেও ওদের উদাহরন টেনে বলবে টাকা বাড়াও।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
তাহলে প্রতিটা সরকারী কলেজ আর স্কুলেও এ নিয়ম চালূ করা যায়। এবং আস্তে আস্তে সরকারঅ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিলামে তুলে বেসরকারী করন করে ফেলা যায়। তখন আমি আমার জেলার সরকারী হাইন্কুলটি কিনতে আগ্রহী হব।
লেখক বলেছেন: প্রাইভেট লি: কো: করে শেয়ার মার্কেটে শেয়ার ছাড়া যায়।
অনিশ্চিত বলেছেন:
শিক্ষা নিয়ে ইউনিভার্সিটিগুলো ব্যবসার দিকে ঝুঁকছে বেশ কিছু দিন ধরেই। একসময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একচেটিয়া অধিকার ছিলো এ খাতে। এখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এই পথে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয় শব্দটি কীভাবে এসেছে, এর সঠিক অর্থ কী, বিশ্ববিদ্যালয় ধারণা কীভাবে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের থেকে পৃথক- এই সাধারণ কনসেপ্টগুলো হারিয়ে যাচ্ছে বলেই এই চর্চা বাড়ছে। রাষ্ট্র যেখানে ব্যবসায়ীদের পৃষ্ঠপোষক, সেখান অবশ্য এটাই স্বাভাবিক।
লেখক বলেছেন: দেখে দেখে শিখা আর-কি!!!!!
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এখন পর্যন্ত দেখলাম শুধু মাহমুদুল্লাহই শিক্ষা-ব্যবসার পক্ষে যুক্তি করেছেন, যাক এটা ভালো, এখন পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষা ব্যবসার বিপক্ষে মত দিলেন.........
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
ধন্যবাদ নাস্তিকের ধর্মকথা
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা, আমি ভাই জ্ঞানী মানুষ না, সহজ কথা বুঝি আমি। আপনি পয়সার ব্যবস্থা করেন, আমি এগুলার বিরোধিতা করব। আমার কাছে কোয়ালিটি প্রায়রিটি পাবে। গবেষনার জন্য যথেষ্ট ফান্ড থাকতে হবে, সাথে টিচিং কোয়ালিটি মেইনটেইন করতে হবে। এই বেসিকগুলা পেলেই আমি খুশি।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: পরে আমাদেরকেও ওদের উদাহরন টেনে বলবে টাকা বাড়াও।আমিতো বলেইছি, এখনকার সিস্টেমে ক্ষতি না করে করা যেতে পারে, @রুকন।
মাইনুল বলেছেন:
আমি ও মাহমুদ উল্লাহ এর সাথে একমত বর্তমান ব্যবস্থা অক্ষুন্ন রেখে আর কিছু যদি এক্সট্রা ইনকাম যদি করা যায় তাহলে অসুবিধা কি ? এতে সরকারের উপর চাপ কমবে এবং সরকার তা প্রাইমারী এডুকেশন বা রিসার্চে ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া এই ইনকামের মাধ্যমে সাধারন ছাত্রদের ও অনেক সমস্যা সমাধান করা যায়। যেমন, নুতন নুতন হল বানানো যায়। যেমন ধরুন ঢাকা ইউনিভার্সিটি যদি তার কিছু জমি একটি রিয়েল এস্টেটের সাথে শেয়ার করে তাহলে ইউনিভার্সিটির সব ছাত্র ও শিক্ষকদের জন্য কিন্তু আবাসিক সমস্যার সমাধান করতে পারে। তবে হ্যা অবশ্য ই , সাধারন ছাত্রদের বেতন যে রকম আছে সে রকম ই থাকতে হবে তাদের উপর কোন চাপ দেয়া যাবেনা।
মুহিব বলেছেন:
এটা কি শিক্ষার বানিজ্যকরন নয়? - হলে সমস্যা কি
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এখন পর্যন্ত মাইনাস রেটিং মাত্র ১টি হলেও শিক্ষা-ব্যবসার পক্ষে ৩ জনকে পাওয়া গেল: মাহমুদউল্লাহ, মাইনুল ও মুহিব.....
কিন্তু যুক্তি হিসাবে তেমন কিছু এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
তবে ওনারা (মাহমুদউল্লাহ ও মাইনুল) একটি কথা বারবার বলেছেন, বর্তমান অবস্থা অক্ষুন্ন রেখে শিক্ষা-ব্যবসা করা যাবে!!!!!
যুক্তি যেটি দিয়েছেন সেটি মোটামুটি এরকম- এতে যে বাড়তি আয় হবে তাতে ১। সরকারের উপর চাপ কমবে, ২। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের গবেষণা ফাণ্ড বাড়ানোর ব্যাপারে সহযোগিতা হবে, ৩। নতুন হলও নির্মাণ করা যেতে পারে....... ইত্যাদি।
ভালো......
অনিশ্চিত বলেছেন:
ভালো, তবে জ্ঞান সৃষ্টি হবে না, অর্থসৃষ্টি অবশ্য যথাযথ হবে; আজকে রিয়েল এস্টেট, কালকে মুড়ির দোকান, পরশুদিন কাগজ মানে সার্টিফিকেট বিক্রি... এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় আস্তে আস্তে কোচিং সেন্টার, টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠান, টিচিং সেন্টার ইত্যাদির কাজ করবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেদিকেই যাচ্ছে না কি?
রুদ্র আনোয়ার বলেছেন:
মৌলিক অধিকারের এহেন বানিজ্যিকি করনের চেষ্টার নিন্দা জানাই।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমি এবার কিছু বলি....
১। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে দুধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু কি এই "বিশ্ববিদ্যালয়" ধারণার সাথেই সঙ্গতিপূর্ণ??
২। দ্বিতীয় শিফটে যারা উচ্চ মূল্যে শিক্ষা ক্রয় করবেন, তারা কেন দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পরিমাণে অর্থ ব্যয় করবেন??
৩। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে এই দুধরণের শিক্ষাব্যবস্থা চালু করলে আগের অবস্থা একই রূপে বিদ্যমান থাকবে কি করে??
৪। বাড়তি যে অর্থ এখান থেকে পাওয়া যাবে, এর মূল অংশ কোন খাতে যাবে? গবেষণা খাতে? আবাসন তৈরিতে? এমনটি মনে করলে বলতে হবে কল্পরাজ্যে বাস করছেন। কেননা- সেটি মূলত ঐ শিক্ষা প্রদানেই ব্যয় হবে- যার বড় অংশই যাবে টিচিং খরচ বাবদ (সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচিং এ না, শুধু ঐ ব্যবসায়িক কোর্সে যারা টিচিং দিবেন তারা পাবেন এই বাড়তি অর্থ)। ফলে, প্রতিযোগিতা দিয়ে একের পর এক ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকরা পাল্লা দিয়ে ব্যবসায়িক শিফট চালু করার জন্য ব্যস্ত হবেন- সেই শিফটে ক্লাস নেয়ার জন্য ব্যস্ত হবেন...
৫। সরকারের উপর চাপ কমবে বৈকি। সেটা কমাতে সাধারণ শিফটের শিক্ষার্থীদের উপর ব্যয়ভার চাপিয়ে দেয়া হবে। এবং খুব সহজেই যুক্তি হিসাবে আনা হবে- একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরা এত টাকা দিতে পারে- তোমরাও দিবে না কেন?
৬। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে যে উচ্চমূল্য দিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করে- সে তার চেয়ে কম মূল্য দিয়ে শিক্ষা গ্রহণকারীর চেয়ে অধিক তর সুবিধা গ্রহণ করার দাবি করতে পারে না কি??
হুম অধিক সুবিধা সে গ্রহণ করবে....
প্রথমেই যে সুবিধা পাবে সেটা হলো- শিক্ষকদের তুলনামূলক অধিকতর আন্তরিক পরিচর্যা, কেননা এখানে শিক্ষকদের মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে এবং শিক্ষকরা ভয়ে থাকবেন- ক্লাস হারানোর মানে বাড়তি ইনকাম হারানোর, এর পরের সুবিধাটি হলো- তারা অনেক ভালো কোর্স মেটেরিয়াল পাবেন (এ দুটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাইট কোর্সের অভিজ্ঞতা থেকে বললাম), এরপরে ধীরে ধীরে প্রয়োজনে গবেষণা ফ্যাসিলিটিসের সিংহভাগ দখল করবে- যদি বিজ্ঞানের অনুষদগুলি ব্যবসায়িক শিফট চালু করে (এটি বুয়েটের বিভিন্ন প্রোগ্রামিং কোর্সের অভিজ্ঞতা থেকে বললাম).........
৭। সবচেয়ে বড় কথা, এর মাধ্যমে মূল বিষয় থেকে দৃষ্টিকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে নেয়া হচ্ছে..... মূল বিষয় মানে হলো- শিক্ষার আর্থিক দায়ভার কার? এটিকে রাষ্ট্র যখন ক্রমাগত অস্বীকার করতে চায়- তখন তারা এ ধরণের নানা প্রচারণা চালিয়ে দৃষ্টিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়।
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন:
এই সমস্ত নাস্কিক/বামরা যতদিন এইদেশে থাকবো ততদিন এই দেশ গরিবই থাকব
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন:
বারবার কইতাছেন শিক্ষার দায়িত্ব সরকারের সরকারের? সরকার টাকাটা কি হাওয়া থেইকা পাইব না আপনের বাপে আয়া দিয়া যাইবো? জীবনে কয় টাকা সরকাররে ট্যাক্স দিছেন? আপনের বাপে কয়টাকা দিছে?
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন:
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে এই রকম নাইট শিফট চালুকরা দরকার। আর তার উপর ৩০% হারে সরকারের ট্যাক্সিং করা উচিত।একটা নমুনা দেই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বানিজ্য অনুষদে এই রকম ইভিনিং এমবিএ চালু আছে। এতে প্রতি বছর ৭০০ ষ্টুডেন্ট ভর্তি করা হয়, সবার কাছ থেকে ১,৩০০০০ কইরা নেয়া হয়। তাহলে প্রতি বছর বিভাগ কত পায়? ৭০০ গুন ১,৩০০০০= প্রায় ৯১০০০০০০ অর্থাত নয় কোটি দশ লাখ টাকা।
কয়েক বছর ধইরা এই রকম টাকা কামানোর পর বানিজ্য অনুষদ কি করছে জানেন? কমার্স ফ্যাকাল্টির পাশে একটা দশ তালা বিশাল বিল্ডিং করছে, পুরোটা ঐ এমবিএর টাকা দিয়া। ঐটা এখন ঢা.বি. এর সবচেয়ে উচু বিল্ডিং। কাজটা কি খারাপ হইছে? ঢা.বি. এর সব অনুষদের মধ্যে বানিজ্য অনুষদ মানসম্পন্ন শিক্ষাদানের জন্য পরিচিত, আসল ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার কোন ব্যঘাত হয় নাই।
আপনারা এরও বিরোধীতা করবেন, কারন আপনারা সকল প্রকার উন্নয়ন, প্রগতি বিরোধী।
লেখক বলেছেন: শুধুএম্. বি.এ. আলাদা কথা, কিন্তু তাই বলে সব বিষয়?
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা, যুক্তি পাওয়া যায়নাই, এটা মনে হয় ভুল, বলতে পারেন, আপনার মনমত যুক্তি পাননাই। আপনার পয়েন্টগুলাতে আসি।১) শিক্ষা ব্যবস্থা বলতে আপনি যদি শুধু আর্থিক ব্যাপার চিন্তা করেন, তাহলে দুইধরনের, নাহলে একই। শিফট ভিন্ন, কিন্তু স্ট্রাকচার কিন্তু একই। আর আমি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারনা নিয়ে বসে থাকার বিলাসিতা করতে চাই না। সোজা হিসাব, মানসম্পন্ন ক্লাস আর গবেষনা। এই দুটোর জন্য রিসোর্স থাকতে হবে। সরকার থেকে আসলে সবচেয়ে ভাল, না থাকলে অন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।
২) ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে নরমাল শিফটে চান্স না পেলেই দ্বিতীয় সুযোগ হিসাবে উচ্চমূল্যের শিক্ষা (যা কিনা তারা এমনিতেই করবে প্রাইভেট ইউনিতে)। তবে এক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত মতামত হল, অনার্স না করে, মাস্টার্স প্রোগ্রাম করা ভাল, ঢাবির ইভনিং এমবিএর মত।
৩) থাকবেনা কেন?
৪) বাড়তি অর্থটা ক্লাশ নেয়া শিক্ষক, ডিপার্টমেন্ট, ইউনিভার্সিটি সবারই পাওয়ার কথা। উপরে ঢাবির কমার্স ফ্যাকাল্টির উদাহরন দ্রষ্টব্য। শিক্ষকদের ব্যস্ততার কথা যদি বলেন, তাহলে তারা ইতিমধ্যেই প্রাইভেট ইউনিতে ক্লাশ নিতে ব্যস্ত, যাদের সুযোগ আছে। নিজের ডিপার্টমেন্টে ক্লাস নিয়ে বাড়তি আয় হলে তারা বরং বাইরে কাজ করা কমিয়ে দিবেন।
৫) এটা আপনার ধারনা মাত্র।
৬) অধিকতর পরিচর্যার ব্যপারটা শিক্ষকের দায়িত্বে। ইচ্ছাকরলেই সবাইকে সমানভাবে কেয়ার করা যায়। আর শিক্ষকদের মূল্যায়নের ব্যপারটা তো নরমাল শিফটেও হওয়া উচিত। বরং ইভনিং শিফটের জন্য শিক্ষকরা প্রেশারে থেকে যদি নিজেদেরকে আপগ্রেডেড রাখেন, তার প্রভাব সবার উপরই পড়বে। আর গবেষনা দখল করে ফেলার কথা হাস্যকর। সবজায়গায়ই রিসো্র্স শেয়ার হয়, দখল হয়না।
৭) রাষ্ট্রের দিকে তাকায় থেকে কি লাভ আছে। সারা জীবন ধরেই তো দাবী করে যেতে পারি, ফল হবে কি? আপনার কোন প্র্যাকটিকাল আইডিয়া থাকলে শেয়ার করতে পারেন।
ময়ুরবাহন বলেছেন:
এইসব বরাবরই চলে আসছে।
মুহিব বলেছেন:
এমবিএ র ডিমান্ড আছে তাই নাইট শিফট্ কইরাও পড়ায়

















