চট্টগ্রাম বিশ্বিবিদ্যালয়ে শীঘ্রই ডাবল শিফট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে চ.বি. র অভিবাবকরা। তাদের যুক্তি, তাতে সিট সংকট নিরসন হবে এবং বিশ্বিবদ্যালয়ের আয় বাড়বে।
এই শিফট হবে বিকাল ২টা থেকে ৬টা পর্যন্ত। আর এ শিফটে ভর্তি হতে একজন ছাত্রকে দিতে হবে ৮০,০০০-৯০,০০০ টাকা।
এ শফটের একটি ক্লাস নিলে একজন শিক্ষক ক্লাস প্রতি পাবেন প্রায় ১০০০টাকা।
এখন প্রশ্ন হল,

যেখানে ৯০,০০০-১,০০,০০০ শিক্ষার্থী প্রতি বছর ভর্তি পরীক্ষা দেয়, সেখানে আরেকটি শিফট চালু করে ২,০০০ শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে আসলেই কি এ সংকট নিরসন হবে?

বিজ্ঞান বিভাগ বা চারুকলা সহ যারা বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত ব্যাবহারিক ক্লাস করে, তাদের কি হবে?

যেখানে বর্তমানে আবাসিক সংকট চরমে, সেখানে নতুন করে ২০০০ ছাত্র ভর্তি করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত?

শহর থেকে ২২কি.মি. দুরের এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে যাতায়াত ব্যবম্থা অপ্রতুল, আছে মাত্র দুটি শাটল ট্রেন। এতে কি বাড়তি চাপ পড়বে না?

বর্তমানে এখানে বেশীরভাগ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ঘরের মেধাবী সন্তান। কিন্তু ৮০,০০০-৯০,০০০টাকা দিয়ে শিক্ষা গ্রহনের সামর্থ্য কি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের আছে?
তাহলে কি এটা টাকার বিনিময়ে উচ্চবিত্তদের কাছে শিক্ষা বিক্রি নয়?
এটা কি শিক্ষার বানিজ্যকরন নয়?