somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জনৈক মুহিনের অসমাপ্ত গল্প : সমাপ্তি

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পূর্বকথা :

এই গল্পটির একটি প্রথম পর্ব আছে । পাঠকগণের তালাশের সুবিধার্থে তার লিংক দিয়ে দেয়া হল Click This Link । উল্লেখ্য যে , গল্পের কাহিনী কারো জীবনের সাথে মিলে গেলে তা মোটেও অনভিপ্রেত কাকতালীয় কিছু নয় । এবং গল্প পাঠপূর্বক মেজাজ খারাপ হলে তার জন্য মাইনাস প্রদান বিপুলভাবে সমাদৃত হবে ।





১.

আমি হাঁটছিলাম এলোমেলো ।

সারাদিন অফিসের পর এ সময়টায় ভীষণ আলসেমি আসে । সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে পৃথিবীর বুকে , এক এক করে আলোগুলো জ্বলে ওঠে চারপাশে ।

ভালো লাগে আমার । দমবন্ধকরা জ্যাম আর মানুষের এই শহরে হেঁটে বাসায় ফিরতেই ভালো লাগে । মাঝে মাঝে রাস্তায় পাশে বসে পড়ি , চোখ মেলে দেখি মানুষের বয়ে চলা , নদীর মত ।

চাকরিটা আর ভালো লাগে না । যদি পারতাম , এক্ষুনি সব ছেড়েছুড়ে দূরে কোথাও চলে যেতাম । সাধারণ কেরানীর চাকরি , দিনভর পরিশ্রম , বসদের চোখরাঙানি অকারণে ... তবুও মুখবুঁজে কাজ করে যায় , কারণ কাজ করে যেতে হয় আমাকে। বাবা নেই , বাসায় মা আছেন ; তার জন্যই করা চাকরিটা ।

ভালো ছাত্র কখনোই ছিলাম না , আসলে ভালো ছাত্র হবার কোন তাগিদ কখনো বোধ করিনি । এক আরামদায়ক আলস্যে বাঁধা জীবন । পথচলা , উদ্দেশ্যহীনভাবে পথচলা ... গন্তব্য জানা নেই ।

এরও একটা নেশা আছে ।

মা মাঝে মাঝে বিয়ের জন্য তাগাদা দেন , বুঝেও না বোঝার ভান করেন অনেককিছু । আমি হাসি। কিছু বলি না , বলার প্রয়োজনও পড়ে না ।

তবে এটা ঠিক , মাঝে মাঝে খুব একা লাগে । খুব মনে হয় , যদি পাশে থাকত কোন মমতাময়ী , যার হাত আঁকড়ে , যার চোখের দিকে চেয়ে ; পেরিয়ে আসা যায় জীবনের সকল অধ্যায় - তেমন কেউ যদি থাকত । মনে হয় , ভীষন ভালো লাগতো , যদি দরজার ওপাশে থাকত একজোড়া অপেক্ষমান চোখ ।

সে সব সময়ে তোমার কথা আমার অনেক মনে হয় লাবণ্য । মনে হয় , এ বিপুল জনরণ্যে যদি কখনো দেখা হয়ে যায় তোমার সাথে , তুমি কি জিজ্ঞাসা করবে ভালোবাসায় - ভালো আছো , মুহিন ?

আমাকে চিনবে তো ? আমি মুহিন । সেই বখে যাওয়া ছেলেটা , যে শুধুমাত্র তোমাকে ভালোবেসেছিলো । যে কখনো তোমার ভালোবাসা প্রার্থনা করেনি , শুধু তোমাকে একমনে দেখতে চেয়েছিলো । যে তোমার পথ আগলে কখনো বসে থাকেনি , শুধুমাত্র তোমার জন্য তার পথগুলো বিছিয়ে রেখেছিলো ।

আমি তোমাকে খুঁজেছি অনেক , লাবণ্য । বিশ্বাস করো , গত আটটি বছর তোমার মুখটিকে খুঁজেছি সহস্র মুখের মুখোশে । তোমাদের বাসায় আর কেউ থাকে না , কেউ জানে না কোথায় গিয়েছ চলে । কোথায় তোমার রংয়ে ফুটছে বুনোফুল , আমি জানি না ।

তবু আমার জীবনে ভালোবাসা শুধুমাত্র তুমি । আমি খুঁজে বেড়াই অবচেতনভাবে , তোমাকে ... কখনো কোন লাল রংয়ের গাড়ি দেখলে মনে হয় , তুমি বসে রয়েছ পেছনে মাথা নিচু করে ; কখনো কোন স্কুল ফেরতা কিশোরীর চুলকে ভুল হয় তুমি ভেবে , কখনো কারো চাহনিতে মনে হয় আর একটি ফেলে আসা সন্ধ্যার কথা ।

আমার অন্ধকারাচ্ছন্ন জীবনে যেন তুমি রয়েছ একমাত্র বিভাবরী হয়ে ।

কখনো ভাবিনি সত্যিই কখনো তোমার সাথে দেখা হয়ে যাবে , আমার মুখের দিকে কখনো তাকাবে তুমি অবলীলায় , ক্যালেন্ডারের ধূলো পড়া পাতা থেকে সূর্যের মত হেসে উঠবে সশব্দে ।

সেদিন পর্যন্ত ।

আমি এলোমেলো হাঁটছিলাম রাস্তায় , অফিস থেকে বাড়ি ফেরার এ সময়টা ক্লান্ত লাগে খুব , ইচ্ছে হয়না হাঁটতে , মনে হয় পথে বসে পড়ি , একমনে দেখি নিদ্রাহীন এক পিশাচনগরের জেগেওঠা ... শ্বাপদের মত হিসহিস সহস্র আলোতে ।

হঠাৎ একটা ভীড় চোখে পড়ল , গুরুত্ব দিলাম না । হয়তো অবিসংবাদী জোঁকের তেল বা অষ্টধাতুর আংটি বিক্রি করছে কেউ ভেবে । ভীড় ভালো লাগে না আমার , মানুষ দেখতে পছন্দ করে এমন কোন দৃশ্যই আমাকে টানে না ।

হঠাৎ ভীড়ের মাঝখান থেকে কানে এল একটা পরিচিত কন্ঠ , এত পরিচিত , এতই বেশি ; যে চাইলেও আমি ভুলে যেতে পারবোনা কখনো ।

আমি তাকালাম ভীড়ের দিকে , যদিও তাকানোর আগেই আমি জানতাম , আমি তোমাকে দেখব ।

তুমি বসে ছিলে একরাশ লোকের মাঝে , পথে পড়ে থাকা সকালের বকুলের মত , তোমার কোলে তোমার মা'র মাথা , তোমার দু'চোখ বেয়ে অশ্রুধারা , কিন্তু কোন দৃষ্টি নেই ... তুমি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললে ,

" কিছু একটা করুন প্লীজ , আমার আম্মু মারা যাচ্ছে "


২.

তিন ঘন্টা পর ।

হাসপাতালের কেবিনের বাইরে বসে ছিলাম আমি আর তুমি । তুমি কান্না থামিয়েছ একটু আগে । বলছিলে , ফেলে আসা বছরগুলোর কথা । কতখানি বদলে গিয়েছ তুমি , তোমার জীবন ।

আমার সাথে তোমার দেখা হয় ডিসেম্বর মাসে । এরপরেই ঢাকা ছেড়ে নিউ ইয়র্কে চলে যাও তুমি , পড়তে । ওখানে ভর্তি হও একটা কলেজে ।

আমি তন্ময় হয়ে শুনতে লাগলাম তোমার কথা , কিভাবে বন্ধুদের সাথে মিশতে মিশতে একসময় শখের বশে হেরোইন নিলে , কিভাবে হেরোইন পরিণত হল নেশায় , কিভাবে একটা নেশা , সাদা কিছু গুড়োঁ কিভাবে গুঁড়ো করে দেয় অনেক স্বপ্নকে , শুনছিলাম । আমি এক সত্যি গল্প শুনছিলাম ।

নিউ ইয়র্কে তোমার রুমমেট ছিলো বারবারা, বারবারা ও'জামা । নাইজেরিয়ার মেয়ে , অনেকটা ওর অনুরোধেই একবার হেরোইনের স্বাদ নেবার লোভ সামলাতে পারোনি । আর সেটাই কাল হয় তোমার জীবনে ।

তুমি কাঁদছিলে , " জানো , প্রতিমাসে বাবাকে বলতাম আরো বেশি টাকা পাঠাতে ; তবু্ও প্রয়োজন ফুরাত না । বাসায় কেউ কিছুই জানত না , যখন একটা ড্রাগ গ্যাং এর চেইন হিসেবে নিউ ইয়র্ক পুলিশ আমাকে আইডেন্টিফাই করল তার আগ পর্যন্ত । "

দেশে চলে আসলে তুমি , ভর্তি হলে একটা রিহ্যাবি্টেশন সেন্টারে ... সেখানে বিছানায় তীব্র কষ্টের মাঝে শুনলে বাবার মৃত্যুর খবর ।

" প্রচন্ড কষ্ট হত , যখন নেশা উঠত ... মনে হত যেন শরীরের সকল রক্তবিন্দু বেরিয়ে আসতে চাইছে । বাবার কথা মনে পড়তে নিজেকে সামলাতে পারতাম না , দুবার আত্নহত্যা করতে চেয়েছিলাম , পারিনি "

"এরপর ? " আলতো করে জিজ্ঞেস করলাম আমি ।

" একসময় সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলাম , কিন্তু হারিয়ে গেছে আমার চেনা পৃথিবীটা । বন্ধুরা বদলে গেছে , আমি তাদের কাছে শুধু একজন মানসিক রোগী । কেউ কেউ ফোন করে সমবেদনার কথা বলে , অসহ্য লাগে শুনতে । কখনো কখনো দূরে কোথাও চলে যেতে ইচ্ছা করে , মা'র জন্য পারিনা । "

" বিয়ে করেছ ? " আমার চোখে ভয় ।

" এমন একজন নেশাসক্ত , বখে যাওয়া মেয়েকে কে বিয়ে করবে বলো ? বিয়ে আর করা হয়নি , ইচ্ছা করেনি কখনো করতে । একা থাকি , একা থাকতেই ভালো লাগে । কারো করুণা পেতে ইচ্ছে করে না একদম। "

জলে চোখ ভরে আসে আমার ।

বলে চলে লাবণ্য -" জীবনে কখনো কারো অপকার করিনি মুহিন । কখনো কারো কাছে মিথ্যা বলিনি অকারণে । তবু মাঝে মাঝে মনে হয় স্রষ্টা আমাকে কেন এই শাস্তি দিল । তখন আমার তোমার কথা মনে হত । তোমাকে হয়তো না বুঝে , বিনা কারণে রাস্তায় অপমান করেছিলাম । তুমি প্লীজ আমায় ক্ষমা করো । "

" আমি কিছু মনে রাখিনি , লাবণ্য । " অবলীলায় মিথ্যাটা বেরিয়ে এল মুখ দিয়ে । " বাদ দাও ওসব কথা । আন্টির কি হয়েছিল ? "

" আজ মার সকাল থেকেই শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না । গত কদিন ধরেই মা'র অফিসে কাজের চাপ যাচ্ছিল প্রচন্ড । কিন্তু , বাসায় বাজার করাটা জরুরী হয়ে পড়েছিলো । আমি বাসা থেকে বেরোই না খুব একটা , আজ জোর করেই আসলাম মায়ের সাথে । হঠাৎ মার বুকে ব্যাথা শুরু হল , তারপর তো জানোই । "

" ভয় পোয়ো না , ডাক্তার বলেছেন - মাইল্ড স্ট্রোক , ঠিক হয়ে যাবেন । " আমি বললাম ।

" তোমাকে কি বলে ধন্যবাদ জানাব বুঝতে পারছিনা মুহিন । কতদিন আগের চেনা , তবুও তুমি বিপদে ঠিকই এগিয়ে আসলে মুহিন । আমাকে যে ভুলে যাওনি এরজন্য অনেক অনেক থ্যাংকস্ । "

আমি উঠে দাঁড়ালাম । এধরনের পরিস্থিতিতে কি বলা উচিৎ আমার জানা ছিল না । আমি চোখের জল লুকোতে তাকিয়ে রইলাম অন্যদিকে ।

আমরা দুজনেই এরপর অনেকক্ষণ চুপ করে থাকলাম । বদ্ধ করিডোরে , অনেক জোরে বাজছিলো ঘড়ির কাঁটার শব্দ ।

হঠাৎ আমার কি হল আমি জানিনা । আমি তোমার দিকে তাকলাম , তোমার চোখে জল মুছিয়ে দিলাম আমার আঙ্গুল দিয়ে . তারপর তোমার চোখে চোখ রেখে বললাম , বললাম আমার না বলা কথাগুলি ... যেগুলো তোমাকে আমি কখনোই বলতে পারিনি -

" তোমাদের গাড়ির রং ছিলো লাল , নাম্বার ছিলো ঢাকা মেট্রো - ২৩৭৬০৬ । তোমার একটা পোষা কুকুর ছিলো , নাম ছিলো হান্টার । তোমাদের বাসার নাম ছিলো পান্থনীড় , বাসার সামনে একটা ফোয়ারা ছিলো আর ছিলো বাগান বিলাসের ঝাড় , তোমার জন্মদিন ২০ শে নভেম্বর , তোমার প্রিয় রং মেরুণ , প্রিয় ঋতু বসন্ত ।

আমি কিছুই ভুলিনি , লাবন্য । কিছুই ভুলিনি আমি । ভুলে যাবার জন্য আমার হাতে অফুরন্ত সময় ছিলো , কিন্তু কখনোই আমি ভুলিনি । তার কারণ এই নয় যে আমি ভুলতে চাইনি । তার কারণ এই , আমি ভুলতে পারিনি । একটি রাতও ঘুমুতে পারিনি তোমাকে না ভেবে । "

আমি দেখছিলাম জলে আর বিস্ময়ে ভরে যাচ্ছে তোমার চোখজোড়া , তুমি যদি নিজেকে দেখতে , জানতে , তোমাকে কতখানি সুন্দর লাগছিলো সেই সময়ে ।



৩.

তিন বছর পরে , আজ আমি এই ব্লগ লিখছি । সেই হাসপাতালের বারান্দায় বসে , যেখানে তিন বছর আগে আমরা দুজনে বসেছিলাম ।

কিছুক্ষণ আগে আমাদের একটা বাবু হয়েছে । ডাক্তার অভয় দিয়েছেন , আমি তবুও খুব ভয় পাচ্ছি । বারবার দেখে আসছি তোমাকে আর আমাদের ছোট্ট পুতুলটিকে ।

পৃথিবী গোলাকার , তার মানেই এই নয় যে সকল মুহিন খুঁজে পাবে তার গন্তব্য । কিন্তু জীবন সম্বন্ধে একটা কথা খুব জোর দিয়ে বলা যায় , তার সম্বন্ধে কোন কথাই বলা যায় না ।

আজ আমি আর ধূসর চোখে রাস্তায় বসে আলো দেখি না । আমি জানি , এখন একজোড়া চোখ আমার অপেক্ষায় বসে আছে । আমি জানি , এখন আমার সবগুলো দুঃখ ভাগ করে নেবার প্রতীক্ষায় দিন কাটে তার ... আমি জানি জীবনে আর কখনোই আমি একা হবো না , পৃথিবীর সমান ভালোবাসায় সে আমায় জড়িয়ে থাকবে , সারাজীবন ।

জনৈক মুহিন , এই পৃথিবীর এক সাধারণ মানুষ , তার সাধারণ গল্প এখানেই শেষ করছে ।










উৎসর্গ : প্রিয় বন্ধু সিফাত'কে , যার প্রেরণায় ( তাগাদায় ) এ গল্প লেখা । যার যন্ত্রণায় আমি মোটামুটি অনেক বিরক্ত কিন্তু একদিন কথা না হলেই আমি বুঝতে পারি আমি তাকে অনেক ভালোবাসি । এবং সে অনেক পচা একটা বিড়াল ।
১৬টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×