somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নববর্ষ

০১ লা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১.

মেঘের মত কুয়াশা দেখছিলো যুথি ।

তার ঠোঁটগুলো ছিলো বেতফলের মত সজল , ফেটে গিয়েছিলো পরিচর্যার অভাবে , কালো রক্ত জমে ছিলো ঠোঁটের কোণায় ... প্রচন্ড শীত , কিন্তু শীতে নয় ; যুথি কাঁপছিলো জ্বরে , প্রচন্ড জ্বরে ।

মাহবুব বস্তা থেকে আর একটা পুরোন সংবাদপত্র মেলে ধরে , একটু আগুনের আশায় জ্বলজ্বল করে ওঠে যুথির কালো চোখজোড়া ।

কায়দা করে ম্যাচ ধরায় মাহবুব , পার্কে এক লোককে এভাবে ধরাতে দেখেছিলো সে , অনেক অনুশীলনে রপ্ত হয়েছে কায়দাটা ; হাত পেয়ালার মত গোল বানিয়ে একসময় সে ধরিয়ে ফেলে দেয়াশলাইয়ের কাঠিটা ।

ছোট্ট হাতজোড়া আগুনের দিকে বাড়িয়ে দেয় যুথি , আঙ্গুলগুলো এখন্ও অল্প অল্প কাঁপছে তার । জ্বরটা ভীষন বেড়েছে ।

বোনের কপালে হাত দিয়ে জ্বর মাপে মাহবুব । ভ্রু কুঁচকে যায় তার । আড়চোখে বস্তার দিকে তাকায় সে ,

" কিসু খাবি ? "

এপাশ ওপাশ মাথা নাড়ে যুথি , মুখ তেতো হয়ে আছে ; ক্ষুধা আছে , কিন্তু খেতে ইচ্ছে করছে না ।

আর একটা দমকা বাতাসে লাল চুলগুলো এলোমেলো হয়ে যায় যুথির । কেঁপে ওঠে ছোট্ট শরীরটা । একমাত্র চাদরটা আরো কাছে টেনে নেয় যুথি , মাহবুব প্রথমে অভ্যাসবসে আপত্তি জানায় , পরে নিজেই বোনের মাথা ঢেকে দেয় চাদর দিয়ে ।

" ভাই , আইজ কি ঈদ ? "

চারপাশের আলোকোজ্জ্বল দালানগুলোর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ে মাহবুব , ' দূর বেডি , একমাস আগেই তো কুরবানির গোস্ত খাইলি , ভুল্যা গেছস ? "

" তালে , আইজ কি ? এত আলো ক্যান ? "

" আইজ বচ্ছরের শ্যাষ দিন । হের লাইগা হগ্গলে বাত্তি দিয়া বাড়ি সাজাইসে । " সবজান্তার মত হাসে মাহবুব ।

মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে লাল-নীল আলোকমালা দেখে যুথি । তার ইচ্ছে হয় , অনেক দিন পরে । যখন তাদের অনেক টাকা হবে , অনেক টাকা , যখন তাদের একটা বড় সাদা বাড়ি থাকবে , লাল রংয়ের একটা গাড়ি থাকবে আর পকেটে অনেকগুলো একশো টাকার নোট থাকবে ... সেই সময়ে সেও তার বাড়ি এভাবে আলো দিয়ে সাজাবে ; সবাই বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকবে ।

প্রায় মাঝরাত হয়ে এসেছে , হঠাৎ কোথাও হুল্লোড়ের শব্দ শোনা যায় ... কালো আকাশের বুক চিরে আঁকাবাঁকা আলোর একটা রেখা উঠে যায় ... মাঝ আকাশে দু'জনের বিস্মিত চোখের সামনে সহস্র নক্ষত্র হয়ে বিস্ফোরিত হয় , আর একটা , আর একটা , লাল , সাদা , সবুজ ...... আকাশ জ্বলতে থাকে দুজনের চোখের তারায় ।

মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকে যুথি , মুখে কথা আসে না তার , ঠোঁট শুকিয়ে গেছে । একসময় ফিসফিস করে ভাইকে বলে ,

" ভাই , আমারে এমুন পটকা কিন্যা দিবা ? "

মাথা নাড়ে মাহবুব । তখনো তার চোখ আলোকিত আকাশের দিকে ।

একসময় আতশবাজি থেমে যায় , সবগুলো আলো কেড়ে নেয় কেউ আকাশ থেকে । চাদরের প্রান্ত মুখে একসময় ঘুমিয়ে পড়ে যুথি , একদৃষ্টিতে বোনের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে মাহবুব , জ্বর মাপে ... ছোট্ট মুখে চিন্তার রেখা খেলা করে তার ।

২.

মাসুদ খুব টেনেছে আজ রাতে ।

মদ সে কখনোই খায় না , কিন্তু আজ বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে খেতেই হল । প্রথমে বিস্বাদ লেগেছিলো , এরপর একসময় মাথাটা হালকা হয়ে যায় .... রাত দুটোর সময় যখন বেসিনে বমি করতে থাকে , ততক্ষণে সে বদ্ধ মাতাল ।

আসিফের কন্ঠ কানে বাজছে এখনও " মদ খা , অসুবিধা নেই । যতক্ষণ পর্যন্ত না মদ তোকে খাচ্ছে "

কিন্তু আজ রাতে মদ তাকে খেয়েছে , ভালোমতোই খেয়েছে । মাথাটা এখনও ঘুরতে জুন মাসের মৌচাকের মত , অবশ লাগছে হাতগুলো ।

আজ অনেক বছর পরে তারা পাঁচ বন্ধু একসাথে হলো , তিনজনই বাইরে ছিলো এতোদিন । দেশে ফিরে একসাথে থার্টি ফাস্ট , এরচেয়ে ভালো হতে পারতোনা কিছুই ।

ইমন বলছিলো দূরে কোথাও থার্র্টিফাস্টট্ সেলিব্রেট করতে , এক পুরোন ঢাকা আর ভালোলাগে না । তখনই আইডিয়া ইমরুল দিলো , ওর চেনা একটা রেস্টহাইস আছে সাভারে .... সেখানেই ওরা এখন ।

দশ পেগ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিলো , তাসের সাথে মৃদু পিঙ্ক ফ্লয়েড , ভালোই লাগছিলো সবকিছু । কিন্তু রাত বাড়তে লাগলো , আর বাচাল হতে থাকলো সবাই । একসময় নিজেই লক্ষ্য করলো মাসু; , সে ক্রমাগত কথা বলছে ।

অবশ্য খারাপ লাগছেনা তার , বরং বেশ ভালো লাগছে সবকিছু ছেড়ে এভাবে বন্ধুদের সাথে রাত কাটাতে ।

মাথার মাঝে অবশ্য নীলার জন্য একটা সূক্ষ্ণ অপরাধবোধ কাজ করছে .... বেচারি খুব আশা করেছিলো এবার থার্টিফাস্টটা তারা একসাথে কক্সবাজারে সেলিব্রেট করবে ... ঘাম ছুটে গেছে রাজি করাতে । এক শর্তে , মাসুদ মদ খাবে না ।

" নিয়মের জন্ম হয় নিয়ম ভাঙার জন্য " - বিড়বিড় করলো মাসুদ । মোবাইলটা বের করে দেখে নিলো নীলার মেসেজটা একবার । একটু হাসল ।

বমি করার পর শরীরটা বেশ ফুরফুরে লাগছে এখন । শরীর সমস্ত অগ্রহনীয় পদার্থ বের করে দিয়েছে - মনে হল তার । এখন আবার তাসে মন দেয়া যাবে । মুখ মুছে আবার গ্লাসে কিছুটা জ্বলন্ত তরল ঢালল সে ।

হঠাৎ বিরক্তিকর মুঠোফোনটা বেজে উঠল ... কিছুটা বিরক্তি দেখা গেল বন্ধুদের খেলায় ব্যাঘাত ঘটায় । ঘড়ি দেখে মাসুদ , রাত তিনটা ... । এখন ? ... নীলার তো এখন ফোন করার কথা না ।

" হ্যালো " কন্ঠ যতাসম্ভব স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে মাসুদ ।

" মদ খেয়েছ ? "

" আরে নাহ্ । " গলা খাঁকাড়ি দেয় মাসুদ । যদিও জানে খুব বেশিক্ষণ চাপা দিওত পারবেনা .. " খাইনি তো "

" এই তুমি একটু বাসায় আসবে । আমার শরীরটা ভালো না । "

" কেন ? কি হয়েছে ? "

" জ্বর এসছে হঠাৎ করেই । ভাবছিলাম সেরে যাবে , কিন্তু টেমপারেচার বেড়েই চলেছে .. কি যে করি ... "

" তোমাকে বলেছিলাম স্টিমবাথ না নিতে .... তবুও ....." রাগ দেখায় একটু মাসুদ । " আচ্ছা , আমি আসছি .... একটু দেরি হবে ... কিন্তু আসছি .... "

বন্ধুদের কাছে থেকে বিদায় নেয় মাসুদ ।

" সিরিয়াস কিছু নাকি দোস্ত? " মেহেদী জিজ্ঞেস করে ।

"আরে না , সমস্যা নেই কোন " মাসুদ হাসে । " আসি দোস্ত , কাল রাতে আমার বাসায় খাবি কিন্তু সবাই । "

" ঠিক আছে দোস্ত , চিন্তা করিসনা । চলে আসব সময়মত "

কুয়াশার দিকে ফিরে মাসুদ । চাবিটা কোথায় গেল ?

৩.

ঘুমের মাঝে কে যেন ডাকে মাহবুবকে ।

আস্তে আস্তে চোখ খুলে মাহবুব । শীতের এমন রাতে উঠতে ইচ্ছে করে না তার । তারপর মনে হয় যুথির জ্বরের কথা । এবার পুরোপুরি তাকায় মাহবুব ।

ঘুমের ঘোরে তাকে ডাকছে যুথি ..... " বাই , ও বাই ... " । অল্প অল্প নড়ছে ঠোঁট জোড়া ।

মাথায় হাত দিয়ে চমকে ওঠে মাহবুব । জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে , প্রচন্ড জ্বর । একমূহুর্তের জন্য মাথা কাজ করে না মাহবুবের । কি করবে ঠিক করতে পারে না সে ।

এখন তো মনে হয় ওষুধের কোন দোকান খোলা পাওয়া যাবে না । ভোর হতে বেশি দেরি নেই , কিন্তু এরমধ্যেই যদি একটা কিছু হয়ে যায় বোনের ?
ভাবতেও ভয় লাগে মাহবুবের ।

পকেট থেকে সযত্ন সঞ্চিত একশো টাকার নোটটা বের করে মাহবুব ।তার মাথায় আসে , কিছু কিছু ওষুধের দোকান সারারাত খোলা থাকে । মাহবুব মনে করার চেষ্টা করে সেগুলো কোথায় । অনেক দূরে যেতে হবে । মনস্থির করে ফেলে মাহবুব ।

চাদরের নিচ থেকে সাবধানে বেরিয়ে আসে মাহবুব , আলতো করে - যাতে শীত না ঢুকতে পারে । তারপর বোনের গায়ে পরিয়ে দেয় পুরনো চাদরটা । আবার জ্বর মাপে ।

বোনের কানের কাছে মাথা এগিয়ে দেয় মাহবুব " আমি ওষুধ আনতে যাইতাসি । তুই থাক । কোনহানে যাইস না । "

লক্ষী মেয়ের মত মাথা নাড়ে যুথি ।

লম্বা লম্বা পা ফেলে হাঁটতে থাকে মাহবুব । অনেক দূর যেতে হবে । অনেক দূর ।

৪.

মাথাটা ভোঁ ভোঁ করছে । এতরাতে ড্রাইভ করে অভ্যাস নেই মাসুদের ।

তবে ভালো লাগছে , ভালো লাগচে এজন্য যে পুরো রাস্তায় তেমন কোন ট্রাফিক নেই । রাতের ঢাকা চেনাই যায় না । কুয়াশায় ঢাকা চারপাশ । মেঘের মত , স্রোতের মত বয়ে চলেছে ।

কুয়াশার জন্যই অপরপ্রান্ত থেকে আসা গাড়িটা দেখতে দেরি হল মাসুদের । যখন দেখতে পেল তখনও হয়তো সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব ছিলো , কিন্তু অ্যালকোহলের প্রভাবে রিফ্লেক্স ঠিকমতো কাজ করলোনা মাসুদের ।

তীব্র একটা লেফট টার্ণ নিল মাসুদ , টায়ার খামচে ধরল মাটি সশব্দে , গাড়ি কিছু সময়ের জন্য উঠে পড়ল ফুটপাথে ।

সামান্য একটা টোকা লাগল গাড়ির গায়ে । বিপরীতমুখি গাড়িটা একটা জিপ , একগাদা ছেলেমেয়ে হুল্লোড় আর গালাগালি করতে করতে চলে গেল , ভ্রক্ষেপই নেই অন্যকারো দিকে - থার্টি ফাস্ট ।

গাড়ি থামিয়ে ক্ষতি পরীক্ষা করতে লাগলো মাসুদ , নতুন গাড়ি - মাত্র দুমাস হল কিনেছে । হঠাৎ চোখ আটকে গেল টায়ারে লেগে থাকা একটা দাগের ওপর , দাগটা শুরু হয়েছে ফুট দশেক আগে ফুটপাথে পড়ে থাকা একটা সবুজ চাদর থেকে । সরু একটা রক্তের ধারা নামছে রাস্তার বুকে ।

চাদর থেকে বেরিয়ে আছে একটা হাত ।

অস্ফুট একটা শব্দ করল মাসুদ , দুটো হাত আপনাআপনি উঠে এল মুখ পর্যন্ত । চোখ দুটো বিস্ফোরিত ।

" হায় আল্লাহ ! এ আমি কি করলাম !!! "

একমূহুর্তে মাথা এলোমেলো হয়ে যায় মাসুদের ... রাস্তার এদিকে ওদিকে তাকায় সে কোথাও কেউ নেই । তারপর ধীরে ধীরে মাথা পরিষ্কার হতে থাকে মাসুদের , দ্রত গাড়িতে উঠে স্টার্ট দেয় গাড়ি ।

নতুন , শক্তিশালী ইন্জিন ... কোন ঝামেলা ছাড়াই একরাশ ধোঁয়া উড়িয়ে যাত্রা করে সামনে .... পেছনে একগুচ্ছ কালো পাপ রেখে ।


৫.

অনেক কষ্টে চোখ মেলে যুথি । কি অসহ্য যন্ত্রণা তার দেহে ।

তার সামনে মাহবুব বসে । মাহবুবের পাশে একটা ওষুধের প্যাকেট , একটা আধখাওয়া আপেল , ডাস্টবিন থেকে কুড়িয়ে এনেছে বোনের জন্য ।

ভাইকে কখনো কাঁদতে দেখেনি যুথি , অনেক কষ্টে , ক্ষুধায় - কখনো না , তার ভাই বিশাল বীরপুরুষ ; কখনো কাঁদে না । হার না মানা এক কিশোর যার বুকে অনেক দুঃসাহসিক স্বপ্ন থাকে ।

অথচ তার ভাই কাঁদছে , অঝোড় ধারায় কাঁদছে । কান্নার জন্য কিছু বলতে পারছে না , শুধু তার হাত ধরে কাঁদছে ।

যুথির বুকে অনেক ব্যথা হচ্ছে , সে কিছু বলতে যায় ভাইকে , পারে না । দূরে দালানের মাথার উপর দিয়ে সূর্যরশ্মি মাথা তুলছে , কাল রাতের আতশবাজির মত । আলতো একটা হাসি আসে যুথির ঠোঁটে ।

নতুন বছরের নতুন সূর্য় ।

শুভ নববর্ষ , ২০১১
১১টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×