জ্বালানি ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন সূত্রে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন উদ্ভাবক কচিকে জাতিসংঘের অভিনন্দ
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৫
বিদ্যুতের শত বছরের পুরনো সূত্রকে বদলে দিয়ে পুরো বিশ্বকেই চমকে দিয়েছেন ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করা যুবক গিয়াস উদ্দিন কচি। জ্বালানি ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনের খবর পড়ে তাকে ‘অভিনন্দনবার্তা’ পাঠিয়েছে জাতিসংঘ। ব্যাপক সাড়া মিলেছে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান থেকেও। কচির উদ্ভাবিত প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকান পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি ওয়াসিলা, কেটার পিলার, জার্মানীর প্রতিষ্ঠান ডয়েস, বাংলাদেশের জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি ও রহিম আফরোজের মতো নামকরা প্রতিষ্ঠান। উল্লেখ্য, গিয়াস উদ্দিন কচির জ্বালানি ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনের খবরটি ২০ এপ্রিল দৈনিক ইত্তেফাকসহ কয়েকটি দৈনিকে প্রকাশিত হয়। এ খবরে গোটা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। উদ্ভাবিত প্রযুক্তির বিস্তারিত জানতে চেয়ে পরদিনই কচির পৃষ্ঠপোষক চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সে অভিনন্দনবার্তা পাঠায় জাতিসংঘ। এ বার্তায় কচিকে অভিনন্দন জানিয়ে তার উদ্ভাবিত প্রযুক্তির বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়। মেইলে উল্লেখ করা হয় ‘কোন্ সূত্র ও পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি জ্বালানি ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন করছেন সেই বিষয়টি বিস্তারিত জানালে কৃতার্থ হবো। আপনার উদ্ভাবিত প্রযুক্তি এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সহযোগিতাও করবো আমরা।’
জাতিসংঘ থেকে এ ধরনের মেইল পাওয়ার কথা স্বীকার করে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ লতিফ দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, ‘জাতিসংঘের পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় উদ্ভাবিত প্রযুক্তির বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলেও কৌশলগত কারণে আমরা এখন তা জানাতে চাচ্ছি না। তবে ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের পাঠানো বার্তার উত্তর দেয়া হয়েছে।’
গ্যাস, ডিজেল ও কয়লা ছাড়া গিয়াস উদ্দিন কচির বিদ্যুৎ উৎপাদনের খবরে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাটারী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রহিম আফরোজ বেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সাড়া মিলেছে দেশের আরেক নামকরা প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি (জিইসি) থেকেও। নিজ চোখে কচিকে জ্বালানি ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে দেখে জিইসি বাংলাদেশের পরিচালক (উৎপাদন) প্রকৌশলী এবিএমএ বাসেত বলেন, ‘বিদ্যুতের স্বতঃসিদ্ধ সূত্র মানতে গেলে বলতে হয় এটি অসম্ভব। কিন্তু চোখের সামনে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে দেখলাম তা অস্বীকার করি কিভাবে?’ প্রায় অভিন্ন মন্তব্য করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (বিতরণ) মোহাম্মদ আবুল কাশেম বলেন, ‘জ্বালানি ও গ্যাসের অভাবে যখন আমাদের একের পর এক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তখন গিয়াস উদ্দিন কচির এই উদ্ভাবন দিতে পারে আলোর দিশা। তবে এ উদ্ভাবনকে সার্থকভাবে ব্যবহার করতে আরো সতর্ক ও কৌশলী হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ঝিনাইদহের যুবক গিয়াস উদ্দিন কচি তার উদ্ভাবিত ১০০০ ওয়াট (এক কিলোওয়াট) বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সর্বোচ্চ ৫০ হতে ৬০ হাজার টাকা লাগবে বলে জানান। আর ১০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে এ খরচ দাঁড়াতে পারে দেড় থেকে দু’লাখ টাকায়। তবে শুরুর দিকে কেবল একবার এমন ব্যয় হলেও পরবর্তীতে আর কোন খরচ ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে অনবরত। কারণ, উৎপাদিত বিদ্যুতের ২০ শতাংশ দিয়েই পুনরায় উৎপাদিত হবে ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ। প্রচলিত সূত্রানুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনে শক্তি নিঃশেষ হলেও কচির উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সূত্র হচ্ছে ‘সমন্বিত চক্রাকার পদ্ধতিতে শক্তি কখনোই নিঃশেষ হয় না।’
অষ্টম শ্রেণী পাস করে আর্থিক টানাপোড়েনে পড়ালেখা বন্ধ করে দেয়া কচি বলেন, ‘১৮ বছরের সাধনার ফসল আমার এই উদ্ভাবন। বিদ্যুতের সূত্র-টুত্র আমি জানি না। শুধু জানি, জ্বালানি ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন করার মূল মন্ত্রটি।’ তিনি বলেন, উদ্ভাবনের চেয়ে তার পরের ঝামেলা ম্যানেজ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশ্বকে চমকে দেয়া যুবক কচি প্রযুক্তিকে বশ মানালেও তরুণ সমাজের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠা ‘মোবাইল’ নেই তার হাতে। নেই নিজস্ব কোন মেইলিং এড্রেসও। চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদে ভাড়া করা একটা বাসায় থাকলেও সে কিংবা তার পৃষ্ঠপোষকরা তাও জানাতে চান না। এ ব্যাপারে চেম্বার সহ-সভাপতি এমএ লতিফ বলেন, ‘খবর প্রকাশের দু’দিনের মধ্যে ন্যূনতম অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ করেছে আমাদের সাথে। এদের মধ্যে আমেরিকান পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানী ওয়াসিলা, ক্যাটার পিলার ও জার্মানীর প্রতিষ্ঠান ডসেসও রয়েছে।’
- ইত্তেফাক ২৩.০৪.২০০৮
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার আর্কর্র্র্াইভ + বিভাগে ।
মানুষ বলেছেন:
অভিনন্দন। ব্যাপক কৌতুহল হচ্ছে।
ইয়র্কার বলেছেন:
ভাইজান, এইসব বালছাল কপিপেস্ট না মারলে হয় না?শক্তির নিত্যতা ফর্মূলাটা অন্তত একবার পড়ে নিলে পারতেন। আমাদের দেশের সাংবাদিকের একটা বড় অংশ ভোদাই, আর কমনসেন্স জলাঞ্জলি দিয়ে তাদের গাঁজা খাওয়া গল্প কাস্টুপেস্টু করাটা আরো বড় *** এর কাজ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
খুব দ্রুত এই প্রযুক্তিটি কচির নামে পেটেন্ট করে ফেলতে হবে । নইলে ইত্তেফাকের ব্যকপেজ নিউজ ছাড়া বেচারার কপালে আর কিছু জুটবে না ।
মেন্টাল বলেছেন:
ধুররো বাল
সমাজবিজ্ঞানী বলেছেন:
কচি নোবেল পাক
নেমেসিস বলেছেন:
ধুর!!!!
মাইনুল বলেছেন:
এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে বাংলাদেশের বিদ্যুত সমস্যার সমাধানে অনেক সুবিধা হবে।
খবরটা যেন শুধু খবরের পাতাতেই থেকে না যায়। বাস্তবে রুপ নেয়ার প্রতিক্ষায় রইলাম।
আতরাফ রহমান বলেছেন:
আজ থেকে ৫/৬ বছর আগে জনৈক বিজ্ঞনী নজমুল হুদাকে নিয়ে প্রথম আলো একই রকম প্রতিবেদন বের করেছিল৷ নজমুল হুদার দাবীও ছিলো একই৷ অথচ ভর শক্তির নিত্যতা সমন্ধে যাদের ন্যুনতম জ্ঞ্যান আছে তারা সবাই জানে এভাবে শক্তি তৈরী করা যায় না৷ ২০% খরচ করে আবার পুরো শক্তি উতপাদন শুধু কল্পনায় সম্ভব৷ জাতিসংঘের লোকজন নিশ্চয়ই একচোট হেসে নিয়েছেন৷ কচি নিজেই শুধু আবাল না, জড়িত সাংবাদিক, ইত্তেফাক, চেম্বার অফ কমার্সের লোকজন, এই ব্লগার, আর কমেন্টকারীদের বেশ কয়েকজনও চরম আবাল প্রমানিত হলো৷ অবশ্য ব্লগার পলাশ সাহেবের ব্লগের নাম ইন্ডিয়া, উনি একজন ঘোর জামাইত্যা ব্লগার, উনার অন্য নিকেও জামাত নিয়েই পোস্ট মারেন, উনাদের মত জামাতি ব্লগারদের কাছে এর চেয়ে বেশী কিছু চাওয়া উচিত না৷
সীমানা পেরিয়ে বলেছেন:
শুধু তো গল্পটা বললেন। থিওরী টা কোথায় পাওয়াযাবে লিংক দেন।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
এটা জাতিসংঘের মেইল নয় মনে হয় । জাতিসংঘ ইত্তেফাকের খবর পড়ে মেইল করবে , এটা কেমন যেন শোনায় । কেউ ফাজলামো করেছে নয়তো মনে করেছে এই পদ্ধতিতে সূত্র সংগ্রহ করে নেবে ।পদার্থ বিদ্যার সূত্র মতে শক্তিকে কনভার্ট করা যায় , সৃষ্ঠি করা যাবে না । এই কনভার্টের ক্ষেত্রে যদি কচি কোন নতুন পদ্ধতির আবিষ্কার করতে পারেন , তাহলে সেটা চমকপ্রদ ব্যাপার হবে ।
পেটেন্ট না করে চেম্বার অব কমার্সের মাধ্যমে প্রচারের বিষয়টি হাস্যকর ।
পেটেন্ট করতে গেলেই সূত্র বেরিয়ে আসবে ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আমি শুধু চিন্তা করি, সেইইইই চৌদ্দশ বছর আগে যদি তরলায়িত হিলিয়াম গ্যাসের সুত্র মুহম্মদ দিয়ে যেতে পারে এই নিউটনের সুত্রটা সে দিতে পারলো না কেনো?হুমম....
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
অভিনন্দন কচিকে।খবরটা যেন শুধু খবরের পাতাতেই থেকে না যায়। বাস্তবে রুপ নেয়ার প্রতিক্ষায় রইলাম।
হনলুলু বলেছেন:
এইটা এক্টা চরম ফালতু ঘটনা। অতীতেও বহুবার অনেকেই দাবী করছে যে তারা এরকম ফমূর্লা আবিষ্কার করছে যা থার্মোডিনামিক্সের ২টা সূত্রকেই ভঙ্গ করে। গতকালও এরকম এক্টা পোস্ট আসছিল
এই ভাওতাবাজি হাজার বছর আগে থেকেই যে চলে আসতেছিল তার প্রমান নিচের লিংকে পাবেন
http://en.wikipedia.org/wiki/Perpetual_motion
রাগিব ভাই এই বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন ।
হরিসূধন বলেছেন:
আিরফুর রহমান বলেছেন: আমি শুধু চিন্তা করি, সেইইইই চৌদ্দশ বছর আগে যদি তরলায়িত হিলিয়াম গ্যাসের সুত্র মুহম্মদ দিয়ে যেতে পারে এই নিউটনের সুত্রটা সে দিতে পারলো না কেনো?
হুমম....
>>> সব কিছুর মধ্যে ইসলাম ধর্ম টেনে আনা আপনার অভ্যাসে
পরিনত হয়েছে। এই রোগের চিকিৎসার জন্য জরুরী ডাঃ দেখান।
---
হা হা হা হা হা!!!
কচি সাহেব কি গাজাও সাপ্লাই দিচ্ছেন এরকম রিপোর্টকারীদের? জাতিসংঘ বসে বসে ইত্তেফাক পড়ছে
মজা পেলাম ব্যাপক
হনলুলু বলেছেন:
রাগিব ভাই যদি এইক্ষেত্রে perpetual motion এর মূল কৌশলটা সহজে অল্প কথায় এক্টু ব্যাখ্যা করতেন ........................
http://en.wikipedia.org/wiki/Perpetual_motion
লিংক তো আপনি দিয়েি দিয়েছেন, ওখানে বিস্তারিত আছে। ২ হাজার বছর ধরে এরকম বাটপারি চলছে। বছর দুই আগেও আয়ারল্যান্ডের এক কোম্পানি একই দাবি করেছিলো। তফাত হলো, এসব ভাওতাবাজি বিদেশের পত্রিকা আর খায় না, কিন্তু দেশের পত্রিকা বেশ খায়।
পারপেচুয়াল মোশান সম্ভব না। শূন্য থেকে শক্তি সম্ভব না। দি এন্ড। কচি সাহেবকে সামনে রেখে বেশ কিছু বাটপার ব্যবসায়ী এক হয়েছে বলে বোঝা যাচ্ছে।
পলাশ রহমান বলেছেন:
গভীর অন্ধকারে হয়তো কচি হবে একচিলতে আলো, প্রতাশাও তাই।
Click This Link
বিবর্ণ বলেছেন:
আগেই নেগেটিভ চিন্তা! আমাদের মধ্যে কি পজেটিভ মেনটালিটি থাকতে নেই......!!!!
মদন বলেছেন:
রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলাতেও এমন একজন দাবী করেছিলেন আজ থেকে বছর খানিক আগে। তাকে নিয়েও কিছুদিন হুলুস্থুল হয়েছে। এর পর সব ঠান্ডা। আমার সামনে যদি কেউ এসে দাবি করে যে, সে আকাশে উড়তে পারে, তাহলে তার কথা বিশ্বাস করতে হবে??
gladiator বলেছেন:
পুরাই চাপাবাজী আর ধান্দাবাজী।
মানুষ কত খানী বোকা হলে এসব নিউজ এক কথায় বিস্বাস করে!
জাতীসংঘ ইমেইল কর্চে, হাসতে হাসতে চিয়ার থাইকা পইড়া গেলাম
নতুন বলেছেন:
@ gladiator... হাসেন কেন ভাই.... নিচে জাতীসংঘের এক অফিসারের ইমেইল এড্রস দেওয়া হইলো.... এই রকম ইমেইল ঠিকানা হইলৈই তো জাতীসংঘের মেইল..
gladiator বলেছেন:
ইত্তেফাকে কি এডিটর বইলা কোনো পদ নাই নাকি, জাতীসংঘ ইমেইল কর্চে টাইপ এরম ফাউল খবর এরা কেমনে ছাপে?
অবশ্য এর আগে গুগল টিআইএসপির এপ্রিল ফুলের জুকসও তো আসল মনে কইরা ছাপাইছিলো

















