পাবলিক ইউনিভার্সটি গুলো তে প্রতি বছর ব্যাপক স্টুডেন্ট পরীক্ষা দেয়। কিন্তু সিট সীমিত থাকার কারনে অনেক ভালো ভালো স্টুডেন্ট ভর্তি হবার সুযোগ পায় না। ২০০৭ এ ঢাকা ইউনি তে বিজনেস ফ্যাকাল্টতে তে পরীক্ষা দিয়েছিলো কমপক্ষে ২৭,০০০। পাস করেছিলো ১,৯০০। চান্স পায় প্রায় ৮,০০। সুতরাং প্রতিযোগিতা কতটা ব্যাপক বুজতেই পারছেন। ৮০০ স্টুডেন্ট এর মধ্যো ছেলে মেয়ে অনুপাত প্রায় ৩:১। সুতরাং মেয়েদের সংখা প্রায় ২,০০-২,৫০ থাকে। এর মধ্যো প্রায় সবাই পড়াশোনা শেষ করে।
পড়াশোনা শেষ করার পর ২,০০-২,৫০ জনের ৬০%-৭০% চাকরি করে। তারমানে প্রায় ৫০/৬০ জন যেকোনো কারনে হোক চাকরি করে না বা মাঝ পথে ছেড়ে দেয়। একজন স্টুডেন্ট এর পেছনে যদি সরকার কমপক্ষে ২,০০,০০০ (মিনিমাম) ব্যয় করে তাহলে কমপক্ষে ১ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। এটা তো একটা ফ্যাকাল্টি, একটা ইউনি’র কথা বললাম, বাকি গুলা তে ঝরে পরার হার আরো বেশি।
অনেকে হয়তো যুক্তি দেবেন আদর্শ এবং শিক্ষিত মা বেশি প্রয়োজন। এ জন্য সরকার এতো টাকা খরচ করে আদর্শ এবং শিক্ষিত মা বানাবেন?
এর থেকে যদি কর্মসংস্থান আরো বাড়ানো যেত, তাহলে সরকারের এই হিডেন কস্ট টা কমত, যদিও ব্যাপার টা সহজ না।
আমরা আশাবাদি , ভবিষ্য তে এই হিডেন কস্ট কমবে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



