** এটা একটা সার্বজনিন সমস্যা, এই লেখাটিকে স্টিকি করার অনুরোধ রইল।
আজ সকালে আমার এক কলিগ ইবিএল এর উত্তরা ব্রাঞ্চ সংলগ্ন এটিএম মেশিন থেকে ৪০ হাজার টাকা উত্তোলন করে ঐ ব্রাঞ্চেই তার বিও একাউন্টে জমা দেন। টেলার অফিসার ঐ টাকার ভিতর একটা ৫০০ টাকার জাল নোট পান এবং সেটা পাঞ্চ করে তাকে ফেরত দেন। অফিসারকে যখন বলা হল এই টাকা আপনাদের মেশিন থেকে তোলা তখন উনি জোরাল ভাবে বলেন তাদের মেশিনে কোন জাল টাকা দেয়া হয় না।
এখন প্রশ্ন হল এটার সমাধান কি? ব্যাংক অফিসার তো তার টাকা চেক করেন চেকার মেশিন দিয়ে। কিন্তু গ্রাহকের টাকা চেক করার জন্য তার কাছে কোন চেকার মেশিন নাই। ফলে যে প্রশ্নগুলো সামনে চলে আসল -
১. গ্রাহকের টাকা জাল কিনা তা ধরা জন্য ব্যাংক অফিসারের নিকট ব্যবস্থা আছে। কিন্তু ব্যাংকের টাকা জাল কি না তা ধরার জন্য গ্রাহকের নিকট কোন ব্যবস্থা নাই। তাহলে দোষ যারই হোক গ্রাহকই ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।
২. এটিম মেশিনে অনেক ব্যাংকই নিজে টাকা লোড করেন না। তারা ৩য় কোন পক্ষ [গ্রুপ ফোর, সেকুরেক্স বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান] দিয়ে টাকা মেশিনে লোড করান। সুতারাং এক্ষেত্রে অনিয়ম হওয়ার সম্ভাবনা আরো এক ধাপ বাড়ল।
৩. যারা জাল টাকার অবৈধ ব্যবসা করেন তারা যদি কোন দুর্নিতিগ্রস্থ কর্মকর্তার [ব্যাংক বা ৩য় পক্ষ] যোগ সাযশে এই কাজ করেন তখন গ্রাহকের কিছু করার থাকবে না।
তাহলে ব্যাংক তার স্বার্থ রক্ষার জন্য পুরোপুরি ব্যবস্থা গ্রহন করল, অথচ গ্রাহক রইল এই ব্যাপরে সম্পুর্ন অনিশ্চয়তার মধ্যে। বাংক যা করতে পারে -
১. প্রতিটি ব্রাঞ্চে অন্তত একটি করে "নোট চেকার মেশিন" রাখা যেতে পারে যা দিয়ে গ্রাহক নোট চেক করে নিশ্চিত হতে পারেন।
২. প্রতিটি এটিএম বুথে একটি করে "নোট চেকার মেশিন" রাখা যেতে পারে। প্রতিটি বুথে সার্বক্ষনিক সিসি ক্যামেরা থাকে যা দিয়ে বুঝা যাবে গ্রাহক এটিএম থেকে তোলা টাকার সাথে নিজের টাকা মেলাচ্ছেন কি না।
৩. এগুলো সম্ভব না হলে অন্য কোন গ্রহনযোগ্য ব্যবস্থা ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানগুলোকেই নিতে হবে। কারন ব্যাংকগুলো হাজার হাজার কোটি মুনাফা করে। তাই প্রতিষ্ঠানকেই গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
এই ব্যাপারে আমি সংশ্লিশ্ট সকল পক্ষের নজর আকর্শন করছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



