সেই স্কুল জীবনের সহপাঠিকা।
আফরোজ। এরকম মুখ আলগা মেয়ে আমার জীবনে খুব কমই দেখেছি। প্রায় কোন কিছুই ওর মুখে আটকাতো না। সবাই মোটামুটি তাকে সমঝেই চলত। হাবভাবে বোঝা যায় স্বামীও তাই চলে। নইলে এরকম তেল চকচকে চাঁদপানা মুখ বানানো যায় না!!
যাইহোক, ওর বর্ননাতে আর বেশী যাব না। ও সাথে মোবাইলে মাঝে মাঝে কথা-বার্তা হয়। কিন্তু সেদিন ওর এক কথায় কানে খানিকটা আটকায়। সেটা নিয়ে তার সাথে বেশী বাড়াই না। অল্প কথায় তার থেকে বিদায় নেই। কিন্তু কথা মনের ভিতর অনুরনিত হচ্ছিলই।
ও কথার এক ফাঁকে জিজ্ঞেস করে বসল,
- এই চৈতীর ক্লিপটার কোন লিংক আছে তোর কাছে?
- না, চৈতীর নাই তবে নির্ঝরের একটা লিংক আছে, সেটা নিবি?
- মানে?
আমি মানে না বলে ফোনটা কেটে দেই।
আমার আপত্তিটা এখানেই। ভোগ-উপভোগ, আর কাঁচা রগরগে সুখ যেটাই বলেন না কেন তা তো সম এবং কার্যত ভাবে প্রভা-রাজিব বা নির্ঝর-চৈতী, উভয় পক্ষই শৈল্পিকভাবে আকন্ঠ গিলেছে।
তো সব জায়গায় যেভাবে প্রভা বা চৈতীর কথা উঠে আসছে, ঠিক সেভাবে রাজিব বা নির্ঝরের কথা আসছে না।
ছেলেরা না হয় চৈতি / প্রভার কথা বলছে; মেয়েরাও কিন্তু যাদের দেখার সখ হচ্ছে তারাও বলছে না যে রাজিব / নির্ঝরের স্কান্ডালটা দেখি।
খানিকটা বেখাপ্পা লাগছে না?
গল্প-কথায়-আড্ডায় যেভাবে চৈতী বা প্রভার ক্যারিয়ার নিয়ে একটা মেকী আফসোস দেখা যাচ্ছে। রাজিব / নির্ঝরের ব্যাপারে সেরকম কাউকে উদ্ভিগ্ন হতে দেখি না।
কাউকে এরকমও বলতে শুনেছি - এই মেয়ে দু'টির দেশ ত্যাগ করা ছাড়া আর কোন গতি নাই।
ছেলে দু'টোর ব্যাপারে কেউ সেই আশংকা করছে না।
তাহলে কি এটাই ধরে নিব - রাজিব আর নির্ঝর যেভাবে আকন্ঠ গিলেছে, আর চেটেপুটে খেয়ে সব একদম হজম করে ফেলেছে।
আর প্রভা আর চৈতীর হয়েছে বদ-হজম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


