আমার প্রিয় পোস্ট

কাগু ক্যান স্টার্ট অ্যা ফায়ার ইউজিং জাস্ট টু আইস কিউবস

ইসলামের আধুনিকীকরণ

২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

শেয়ারঃ
0 0 0

ফেইথফ্রিডমে যাইনা প্রায় দুইবছর । কারণ, দিনকে দিন আলি সিনার বিরোধ মূলত ইসলামি জিহাদ বা ইসলামের আক্রমণাত্নক দিকের (আলির ভাষায়) বদলে বরং মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষে পরিণত হৈছে । যদিও ফেইথফ্রিডমের ব্যানারে সুন্দর কৈরা লেখা আছে , আমরা ইসলামের বিরোধীতা করি মুসলমানদের নয়, কিন্তু আলি সিনার বিভিন্ন লেখা এবং ফোরাম কমেন্ট থাইকা দেখা যায়, কাজে সেইটা নাই । কাজে দেখা যাইতাছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুসলমানদের বিরুদ্ধে জেনারালাইজড ঘৃণা বিদ্বেষই বেশি । আরেকটা কারণ , ফেইথফ্রিডমের মিশন ক্লিয়ারলি ডিফাইন কৈরা দেয়া আছে ইসলামের বিরুদ্ধে , ফেইথের বিরুদ্ধে না । ওভারঅল ফেইথ বিরোধী হিসাবে তাই একটু অস্বস্তি ।

অনেকদিন পরে কাইল্কা বিভিন্ন লিংকে ঘুরতে ঘুরতে ফেইথফ্রিডমে ঢুকলাম । একটা রচনার পুরাটা পড়ি নাই কিন্তু প্রথম প্যারার একটা লাইনে , ঠিক একটা লাইনে বা বরং একটা শব্দে চোখ আটকাইলো । লাইনটা এইরকম

While Christians and Jews have managed throughout their history to reconcile religion with freedom, Muslims have not.

"খ্রিস্টান এবং ইহুদিরা যেমন ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় জুইড়া , স্বাধীনতার সাথে ধর্মের যোগসাজস তৈরী কৈরা নিছে, মুসলিমরা সেইটা পারে নাই । "

এইখানে স্বাধীনতা বা মুক্তচিন্তার সাথে ধর্মের বিরোধ মিটানি কথাটা গুরুত্বপূর্ণ । যুগের সাথে বিভিন্ন ধর্মের মত ইসলামেও মোডিফিকেশন, নিউট্রালাইযেশন এইসব হৈছে । ইসলামের সাথে বিজ্ঞানের বিরোধ মিটানি হৈছে, সেইটা অন্ধের মত হোক আর পিঠ দিয়া পাহাড় ঠেইলাই হোক , তাও এই চেষ্টা যে হৈছে সেইটা কম না । অন্তত বিজ্ঞানের ফাইন্ডিং গুলারে ভুলা বৈলা তারা বইসা থাকে নাই । বরং তারা দেখানির চেষ্টা করতাছে বিজ্ঞানের ফাইন্ডিং গুলা ঠিকই আছে, এবং সেইগুলারে একটু ঘুরাইয়া প্যাঁচাইয়া, কোরান হাদিসরে একটু রুপকায়িত কৈরা দুইটার অর্থ একই হয় ।

কিন্তু খ্রিস্টান ইহুদিরা যেইখানে তাগো ধর্মগ্রন্থরে , মুক্তচিন্তা বা ব্যক্তিস্বাধীনতার সাথে সমন্বয়পূর্ন করার জন্য, বাইবেল বা তালমুদের টোটাল বিধিনিষেধগুলারেই রুপক বা ইতিহাস অর্থে নিয়া নিছে, সেইখানেই ইসলামের সাথে ওদের পার্থক্যটা । ওরা টোটালি ধৈরা নিছে ঐগুলা জাস্ট ইতিহাসের বর্ণনা , এর বেশি কিছু না । কিন্তু ইসলামে সেইটা হয় নাই । ইসলামে এখনো কোরানের বা অনেক ক্ষেত্রে হাদিসের বিধিনিষেধগুলারে সঠিক এবং অবশ্যপালনীয় এইটারে, ধ্রুব হিসাবে ধরা আছে মোটামুটি সর্বজনস্বীকৃতভাবে । যেইটা মডারেশন হৈছে সেইটা হৈল, যে যতটুকু পারতাছে ততটুকা মানতাছে । মানা উচিৎ এইটা নিয়া কারো দ্বিমত নাই ।

এই জায়গাটাই সম্ভবত , ফ্যানাটিক তৈরীর বীজ বা অন্য ধর্মগুলার তুলনায় ইসলামের একটু কড়া রুক্ষ্ণভাবের কারণ ।

মনে হৈল, মডারেট মুসলমানদের আগ্রহের বিষয় হৈতে পারে এই পয়েন্টটা ।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:

পাগলাগারদেও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেয় আজকাল?
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: হ, নাইলে তুমি পড়লা ক্যাম্নে ।

২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: CTN /:)

৩. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪২
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: আয়া পর্ছে? পোস্ট মোনায় পৈড়াও দেখেনাই :)
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: হ, এল্লাইগাই সিটিএন দিয়া দিলাম ।

৪. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪২
অপ বাক বলেছেন: ধর্মের সংস্কার মনে হয় না এইসব রুপকের জায়গায় গিয়ে সম্ভব।

মুসলিম ধর্ম জঙ্গী তৈরীর কারখানা কথাটা হয়তো বলা সহজ বর্তমানের প্রেক্ষিতে, ধর্মীয় পরিচয় এক থাকলেও ধর্মের কারণে জিহাদ এবং স্বদেশীয়ানা ও জাতীয়তাবোধের কারণে সংগঠিত আত্মঘাতী হামলাগুলোকে আলাদা ভাবে দেখলে হয়তো বুঝা যেতো সত্যিই ইসলাম কোনো জাতীয়তাবোধ আচ্ছন্ন মানুষকে জঙ্গী হিসেবে তৈরি করে কি না।

ইসলাম আধুনিক কিংবা অনাধুনিক বিতর্ক উস্কে না দিয়ে ফ্যানাটিক মুসলিম আর জাতীয়তাবাদী মুসলিম জনগোষ্ঠীকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে পারা এবং সেটা প্রতিষ্ঠিত করতে পারাটা একটা অর্জন হতে পারে।
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: প্যালেস্টিনিয়ান বা ইরাকি আত্নঘাতি আর সিরিয়া জর্ডান আলজেরিয়ান আত্নঘাতিরে এক কৈরা দেখার ভুল আসলেই অনেক ।

তবে একট পরিসংখ্যানিক জিনিস গুরুত্বপূর্ণ । জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে আত্নঘাতী প্রবণতা বা নির্বিচার হত্যাপ্রবণতার উদাহরণ মুসলিম ওয়ার্ল্ডের বাইরে তামিলরা ছাড়া আর খুব বেশি নাই ।

৫. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
শয়তান বলেছেন: কিন্তু মডারেট মুসলমানরা তো স্বীকার যাবে না যে তারাও ছাড় দিতেছে ।
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: হ, এইখানে তাবলিগে শিখানি হয়, অমুসলিমদের সুদের ট্যাকায় আমরা ইসকলারশিপ নিতাছি সেইটা উচিৎ না, কিন্তু নিয়ত ঘুরাইয়া পড়ালেখার বদলে ধর্ম প্রচার করতে আইছি, এই নিয়ত করলে নাকি, সব ট্যাকাই জায়জ ।

৬. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: আজকেই এক্টা পোস্ট আসছে, যেটায় মডারেট মুসলিমদের বা অন্য ভাবে বলতে গেলে জাতীয়তাবাদী মুসলিম হওয়া সম্ভব না অসম্ভব এরকম বিষয় নিয়া। এই যদি হয় কিছু লোকের ভাব ধারা তাহলে আপনি কিভাবে আলাদা করবেন? এইখানে দেখেন Click This Link @অপবাক
৭. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
রিপন জি আর বলেছেন: কোরানের সাথে বিজ্ঞানের কোন সংঘর্ষ নেই বরং আপনা বাইবেলেই আছে। যদি আপনি পড়ালেখা করেন তাহলে ড. মরিস বুকাইলির বাইবেল কোরআন ও বিজ্ঞান বইটি পড়তে পারেন। আর যদি মুর্খের মত মন্তব্য করতে চান তাহলে অন্য কথা।
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: আমার বাইবেল ???

ভাইজান কি পুস্টটা পড়ছিলেন ? নাকি তার আগেই ঈমান জাগ দিয়া উঠছে ?

২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: মডারেটরা ইন্টারেস্টিং মনে করলেই হয় আরকি ।

৯. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০২
অপ বাক বলেছেন: ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মঘাতী হামলা চালানো আর নিজের জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে আত্মঘাতী হওয়ার ভেতরে মৌলিক পার্থক্য আমি খুঁজে পাই না। প্রতিশোধপরায়নতা এবং নিরীহ মানুষের হত্যা আমলে আনলে দুটোই সমান মাপের অপরাধ বিবেচিত হবে।

রাজনৈতিক এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশ্বাস থাকলে হয়তো জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ আত্মঘাতী মানুষটা এমন আচরণ থেকে নিজেকে বিরত রাখতো, কিন্তু খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য উন্মাদ মানুষ কি নিজেকে বিরত রাখতে পারবে?

প্রেক্ষাপট হিসেবে বাংলাদেশকে নিলে এখানে যে মহিলা র‌্যাবের উপরে বোমা হামলা করে নিজের শিশুসন্তানকে আহত করলো, তার মানসিকতা এবং মানসিক অবসাদ কিংবা বিকারকে আমার ভয়ংকর মনে হয়।

কিন্তু ইরাকের যে মহিলা তার কিশোর ভাই আত্মঘাতী হামলা করতে পারলো না বলে নিজেই আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো তাকে মানসিক বিকারগ্রস্ত মনে হয় না। এই অবস্থানজনিত পার্থক্য কি সবারই?

২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: এই পার্থক্য আমারো । কিন্তু আগের মন্তব্যের জবাবে যেইটা উল্লেখ করছিলাম, পরিসংখ্যান থাইকা দেখলে, সামথিং ইজ রং এর একটু আভাস পাওয়া যায় ।

১০. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৩
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: রিপন সাহেব এই পোস্টে কৈলাম আপ্নের ইস্লাম্রে ছোটো করা হয় নাই। ভালা কৈরা বুইঝা, আরেক্বার পৈড়া দেহেন।
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: পড়ার আগেই ঈমান জাগ দিয়া উঠছে ।

১১. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৮
সোজা কথা বলেছেন: মহান কাবজাব কি তাই মনে করেন?
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: হিহিহি । কাবজাব যেইটা ইচ্ছা প্রকাশ রাখেন আর যেইটা ইচ্ছা গোপন করেন ।

১২. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১০
সোজা কথা বলেছেন: মহান কাবজাবের অনুসারীদের দৃষ্টিতে আপনি কুরতাদ। আপনার ব্যাঞ্চাই।
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: নবীরেই কুরতাদ !! সারছে কারবার ।

১৩. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১৩
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: ভালো এক্টা পয়েন্ট ধর্ছেন অপ বাক ভাই।

ইরাকের যে মহিলাটা আত্মঘাতী হচ্ছে সে তো আর খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের জীবন দিচ্ছে না। সে তার জীবন দিচ্ছে হয়তো তার পরবর্তী প্রজন্মকে এক্টা বিজাতীয় (অন্য সবার দৃষ্টিতেও) আগ্রাসন থেকে মুক্তি দেবার জন্য।
এখানে ইস্লাম বা ধর্মীয় মনোভাবটা কতখানি রোল প্লে করে সেটা আমি অন্ততঃ বুঝতে পারি না।

অপর পক্ষে ঢাকায় রিসেন্ট যে ঘটনাটা ঘটেছে সেখানে ইস্লামী খেলাফত জাতীয় মনোভাবটাই প্রধান রোল প্লে করেছে বলেই আমার মনে হয়। এখানে কিছু মানসিক বিকারগ্রস্তর দৃষ্টিতে বিজাতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্তির জন্যই এটা করছে বলে নিজেরা আত্মতৃপ্তিতে মগ্ন হয়ে আছে।
১৪. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: এই রিপন ভাইসাবের মাতায় চিরিক দিয়া রক্ত উইঠা যাওনটা আপনার পোস্টের বক্তব্যের স্বপক্ষে একটা বড় প্রমান।

মোস্লেমরা যখন দুনিয়ার বাকি জ্ঞান ভিত্তিক বিষয়গুলা স্বীকার ও আত্মস্থ কৈরা নিয়া ইন্টিগ্রেট করতে আগ্রহী হবে, মানে তাদেরকে দেয়া সবকে ঐসব বিষয়গুলা একীভূত করা হবে, তখন আপসেই দুই জেন্রেশন পরে ইসলাম/মোস্লেমদের আর কেউ ঘেন্না করবে না।

এরা নিজেদের 'আম্রাই ঠিক, কারন আল্লায় বলছে' যেদিন মেরামত করবে, সেইদিন তারা আবার সামনের দিকে চলতে শুরু করবে...

সেই দিন দেখনের লাইগা আমি বাঁইচা থাকলেই হয়... কারন মনে হৈতেসে... 'ইট উইল গেট ওর্স বিফোর ইট গেটস বেটার'
১৫. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১৬
মেটালিফেরাস বলেছেন: মেটালিফেরাসীয় ব্যাখ্যা এরকম: ধর্ম বরাবরই সবার উপরে! সাম্রাজ্যবাদীরা, ধার্মিকরা,ফ্যাসিস্টরা,জাতীয়তাবাদীরা এমনকি এদের সম্মিলন গ্রুপও নিজেদের স্বার্থের কারণে ধর্মকে ব্যবহার করে। ধর্মের পয়দাই হয়েছে স্বার্থ হাসিলের মোক্ষম উপাদান হিসাবে।
১৬. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১৬
অপ বাক বলেছেন: কাকভুষন্ডী ঐ পোষ্ট পড়লাম,

ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটা অনেকের কাছে ধর্মহীনতার নামান্তর। সমস্যা এখানেই, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের দাবিতে যখন বলা হচ্ছে সকল ধর্মমতের মানুষের সমান অধিকার। সে অধিকার আদতে পরমত এবং পরধর্মসহিষ্ণুতার বক্তব্যই। তবে নীতিনির্ধারণী প্রশ্নে রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মকে আমলে আনবে না। বরং সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করবার চেষ্টা করবে - এই বক্তব্য কোনো উন্মাদই অস্বীকার করতে চাইবে।

প্রশ্ন হলো ধর্মীয় বিশ্বাস এবং অবিশ্বাস, কোনোটাই, ব্যক্তির নিজস্ব বিশ্বাসগুলো, তার নাগরিক অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় অধিকার প্রাপ্তিতে কোনো বৈষম্য তৈরী করবে না, এই সহজসরল নীতিটিকে আমি যদি ধর্মনিরপেক্ষতা চিহ্নিত করি, তবে এটা কোনো বিবেচনায় ধর্মহীনতা হয়ে যায়?

১৭. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই 'বিজাতীয় আগ্রাসন' শুধুই একটা মুখোশ মাত্র...

এমনকি টিপাইমূখ নিয়ে এদের কাউ কাউ-এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য ক'দিন পড়েই বার হয়ে আসবে। @কাক
১৮. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:২৫
শয়তান বলেছেন: ফ্যানাটিক বেশী তৈরি হৈসে কোন ধর্মে সার্বিক ইতিহাস অনুসারে ?
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: বিবর্তনের একটা না একটা পর্যায়ে সবগুলাতেই তৈরী হৈছে । ইসলামের এখন সেই পর্যায় । আর আগের তুলনায় পৃথিবীর জনসংখ্যা এখন অনেকগুন । তাই সংখ্যার হিসাবে বেশকম হৈলেও , পার্সেন্টেজ হিসাবে হয়ত সবগুলাতেই সমান হৈব ।

১৯. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:২৫
অপ বাক বলেছেন: তামিল গেরিলাদের আত্মঘাতী হওয়া এবং মুসলিমদের আত্মঘাতী হয়ে উঠবার প্রেরণার নেপথ্যে আদতে মনে হয় ভক্তিবাদ আছে কোনো না কোনো পর্যায়ে।

প্রভাকরণের প্রভাবে শত শত কিশোর বুকে বোমা বেঁধে তামিলের স্বাধীন ভুখন্ড অর্জনে জীবন দিয়েছে। তাদের কাছে প্রভাকরণ সূর্যদেবতা।

ইসলামেও ধর্মগুরুর অবস্থান অনেক উপরে, শুধুমাত্র ইমামের নির্দেশে একজন বিধর্মীকে কোনো রকম সহায়তা দিতে নারাজ, বাংলাদেশে এমন দৃষ্টান্ত দেখে হতাশ হওয়ার কিছু নেই, যারা ধর্মপালন এবং বিধিনিষেধ পালনের ক্ষেত্রে ধর্মগুরুর বক্তব্যকেই চুড়ান্ত মনে করে নিজের মানবিকতার বোধকে ধামা চাপা দিয়ে রাখে, তাদের কেউ কেউ আত্মঘাতী বোমা হামলা করতে পারে।

এটা উপরিতলার বক্তব্য। এটার শেকড় এত সহজে হয়তো উদঘাটিত হবে না। অনুমাণনির্ভর আলোচনা হতে পারে বড়জোর।

এটা আমার অনুমাণ-

ইরাক কিংবা প্যালেস্টাইনের মানুষ যখন সেখানের দখলদারদের বিরুদ্ধে এতটা মরিয়া হয়ে লড়াই করছে তারা নিজেদের নিরপাত্তাহীনতার বোধ থেকেই করছে সেটা। তাদের জীবনের মূল্য এতটাই কম যে তারা পরবর্তী দিন কিংবা পরবর্তী দিনগুলো অক্ষত এবং নিরাপদে কাটাতে পারবে এমন নিশ্চয়তা নেই। তামিলদের স্বাধীন ভুখন্ডের দাবিতে এমনটাই প্রভাকরণের বক্তব্য ছিলো সেখানে সংখ্যাগুরু সিংহলীরা ভুসম্পত্তি লুণ্ঠন করছে, সিংহলীদের আগ্রাসনে নিরীহ তামিলদের নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা নেই, সুতরাং এভাবে পরে পরে মার না খেয়ে পাল্টা মার হিসেবে সহিংস প্রতিরোধ করাটাই উপযুক্ত পুরুষের কাজ, এটার ভেতরে গোত্রপ্রীতিও আছে।

২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার অনুমানের সাথে খুব বেশি দ্বিমত নাই । কিন্তু সাথে আরেকটা প্যারামিটার হিসাবে আমারো একটা অনুমান আছে । কেবলমাত্র জীবন নিয়া নিরাপত্তাহীনতা বা ফ্রাসটেশন এককভাবে আত্নঘাতী প্রবণতায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে সেইটা ঠিকাছে । কিন্তু নির্বিচার সাধারণ মানুষ হত্যার জন্য , কেবল নিপীড়নকারী জনগোষ্ঠির উপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ছাড়াও ধর্মগ্রন্থীয় বিধর্মী-ঘৃণার একটা এলিমেন্ট ও আছে । কারণ একটা জনগোষ্ঠীর সাধারণ মানুষ সাধারণত ঢালাওভাবে নিপীড়ন করেনা । সবসময়েই, ঐ গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী সামরিক -রাজনৈতিক কমান্ডই করে । যেইখানে সাধারণ জনগোষ্ঠীর বাধা দেওয়ার সামর্থ্য খুব কমই থাকে ।

বাংলাদেশের মুক্তিযু্দ্ধের উদাহরণ দিয়া বলতে গেলে, পাকি হানাদার সেনাবাহিনীকে যেখানেই পাও হত্যা করাটা নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঠিকাছে, কিন্তু সেইটা যদি হৈত, যেখানেই পাকিস্তানি দেখো হত্যা কর তখন সেইটা শুধুমাত্র অন্যায়ের প্রতিবাদের চাইতেও বেশি কিছু । জাতিঘৃণা বা ঐজাতীয় ।

আরেকটা প্যারামিটার হয়ত মৃত্যুর পরের সাফল্য নিয়া শতভাগ বিশ্বাস ।

২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: মানে মৃত্যুর পরের জীবন এবং পুরষ্কার নিয়া ।

২০. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:২৮
অরণ্যদেব বলেছেন: @শয়তান। ইসলামে, কারণ ইসলাম অন্যান্য পুরোনো ধর্ম থেকে বেছে বেছে ফ্যানাটিক উপাদান তুলে এনে শান্তি আর আধুনিকতার প্লেটে পরিবেশন করেছে।
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আমার কিন্তু মনে হয় বৈশ্বিক জনসংখ্যাও একটা প্যারামিটার ।

২১. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
মজনু পাটোয়ারী বলেছেন: বিশ্বায়নের যুগে সবকিছুকেই অভিন্নমানে আসতে হবে। আসল কথা হচ্ছে বাজার ক্রেতার কাছ থেকে কী চায়।
২২. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
শয়তান বলেছেন: কোন পরিসংখ্যান আছে@ অরণ্যদেব ??
২৩. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
সবাক বলেছেন:
ধুর মিয়া.... মুসলমানদের যে বাইন্ডিং, মডারেট হইতে গেলেতো ঈমান থাকে না। দেখেন না কেমন জাগদিয়া ওঠে!!!
২৪. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪১
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: ভূপর্যটকের এক্টা লেখা বরং আমার কাছে যৌক্তিক ভিত্তিতে গ্রহনযোগ্য বলে মনে হয়েছে। পড়ে দেক্তে পারেন Click This Link
২৫. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
অরণ্যদেব বলেছেন: @শয়তান। আছে, কিন্তু দিতারুম্না, কারণ ব্যান খাইলে আমারে বাঁচানির কেওনাই!:( এ্যাম্নে জঙ্গলের মানুষ, তার উপ্রে নাসারা বিধর্মী নিক ! ওরে আমার আল্লা ;)
২৬. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
এস. এম. রায়হান বলেছেন: বুশের ডিভাইড-এন্ড-কঙ্কার পলিসি। মডারেট মুসলিম, আদা-মডারেট মুসলিম, সেমি-মডারেট মুসলিম, জঙ্গি মুসলিম, ইত্যাদি বলে কিছু নাই। কোরআন অনুযায়ী যিনি এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার প্রতি আত্মসমর্পণ করে তাকে মুসলিম বলা হয়। সাধারণ অর্থে এই মহাবিশ্বের একক ও অদৃশ্য সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসীকে মুসলিম বলা হয়।
সৃষ্টিকর্তাকে 'মডারেট' বা 'সেমি' হিসেবে বিশ্বাস করা যায় না!

>>কিন্তু খ্রিস্টান ইহুদিরা যেইখানে তাগো ধর্মগ্রন্থরে, মুক্তচিন্তা বা ব্যক্তিস্বাধীনতার সাথে সমন্বয়পূর্ন করার জন্য, বাইবেল বা তালমুদের টোটাল বিধিনিষেধগুলারেই রুপক বা ইতিহাস অর্থে নিয়া নিছে।

দু-চার টা উদাহরণ? সেগুলো কোরানে আছে কি-না?

>>ইসলামের সাথে বিজ্ঞানের বিরোধ মিটানি হৈছে, সেইটা অন্ধের মত হোক আর পিঠ দিয়া পাহাড় ঠেইলাই হোক, তাও এই চেষ্টা যে হৈছে সেইটা কম না।

'বিরোধ মিটানি হৈছে' মানে? কোরানের সাথে বিজ্ঞানের কবে বিরোধ ছিল? কোরান থেকে সরাসরি আয়াত কোট করে দু-চার টা উদাহরণ?
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: ওস্তাদ আমারে মাফ করন যায় না ?? মাতায় চুল এম্নেই কমতাছে । ঐদিন আপনের লগে কতা কৈতে গিয়া আরো কতডি ছিড়্যা ফালাইছি ।


যাগো মাতায় অনেক চুল , তারা কেউ এই ভাইজানের লগে কতা কন ।

২৭. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫০
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
রায়হান সাহেব.............পোস্ট টা যৌক্তিক হৈতে পারে,তয় তালগাছ্টা কৈলাম আপ্নেরেই দিয়া দিসি।

বেচারা লেখক আবার তালের শাঁস ভালা পায়, ক্ষমা ঘিন্না কৈরা হেরে কয়েক্টা শাঁস দিয়েন, তৈলেই চল্বো :)
২৮. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫১
শয়তান বলেছেন: আমার কেন যেন মনে হয় এখনকার বেশীরভাগ ফ্যানাটিকরাই কোননাকোনভাবে ড্রাগ এ্যাডিক্ট !!!! নয়তো সম্ভব কিভাবে ???

আর সবার কি মতবাদ এ নিয়ে ?

২৯. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: এইটাতে কোন সন্দো নাই শয়তান, এদেরকে মেথডিক্যালি ব্রেনওয়শ প্রোগ্রামের ভেতর দিয়ে যেতে হয়!

ভালো মতো খুঁজলে প্রপার ম্যানুয়ালও পাওয়া যাবে।
৩০. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
শয়তান বলেছেন: তালের শাঁসে কি কোন ড্রাগস আছে@ কাউয়া ? তৈলে বদলাইতে হৈবো গাছ ।
৩১. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০০
অরণ্যদেব বলেছেন: @শয়তান। আপ্নে দিন্দিন নাদান হৈয়া যাইতেসেন :(বেশীরভাগ ফ্যানাটিকরাই কোননাকোনভাবে ড্রাগ এ্যাডিক্ট !!!! এইডা আবার মুহে হওনের কি আচে? ধর্ম মানেই কি একরকম ড্রাগ নয় ? ক্যাম্তে কি ?
৩৩. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩
এস. এম. রায়হান বলেছেন: ইসলাম জন্মগতভাবেই মডারেট ও আধুনিক একটি জীবন পদ্ধতি। যে ধর্মগ্রন্থে নেই কোন ইর‌্যাশনাল ও বর্বর অনার কিলিং প্রথা, নেই কোন নারী শিশু হত্যার অনুপ্রেরণা (বিশেষ অনার কিলিং), নেই কোন ইর‌্যাশনাল ও বর্বর সতীদাহ প্রথা (বিশেষ অনার কিলিং), নেই কোন ইর‌্যাশনাল ও বর্বর ডাইনীদাহ প্রথা, নেই কোন ক্রীতদাস প্রথা, নেই কোন যৌতুক প্রথা, নেই কোন নরবলি প্রথা, নেই কোন বর্ণবাদ প্রথা, নেই কোন জাতিভেদ প্রথা, নেই কোন অস্পৃশ্য প্রথা, নেই কোন বিশ্বাসের জন্য জোর-জবরদস্তি, নেই কোন অ্যাপোস্টেট হত্যা, নেই কোন ব্ল্যাসফেমার হত্যা, নেই কোন বিধর্মী হত্যা, নেই কোন পাথর মেরে হত্যা, নেই কোন আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, নেই কোন পর্ণগ্র্যাফিক বর্ণনা, নেই কোন ইনসেস্ট, নেই কোন অরিজিনাল সিন, নেই কোন প্রিভিয়াস সিন, নেই কোন প্রিস্টহুড, নেই কোন সন্ন্যাসবাদ, নেই কোন কুসংস্কার, নেই কোন, নেই কোন, নেই কোন .... এর পরও এরকম একটি ধর্মকে আধুনিক হিসেবে মেনে নিতে যারা লজ্জা পায় তাদের মুখে রুমাল চেপে রাখা উচিত।
২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: |-)

৩৪. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩
শয়তান বলেছেন: কয়েকদিন আগে ইয়াবাখোর দুইটা হিজভুত দর্শন ই এই কমেন্টের কারন@ অরণ্যদেব । ব্যপারটা লৈয়া শংকিত হৈসি । এদের পেছনের লোকগুলা কতো ক্লেভার চিন্তা কর্সেন ???
৩৫. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৯
অরণ্যদেব বলেছেন: আপহোল্ড পজিশন হৈলে আপ্নেও ক্লেভার হৈতেন। হেরা অহন রাইজিং আপহোল্ড। তা এই আম যুগেও। দেহেন্না এই ব্লগে দিনমজুরের স্টিকি পুষ্টে কেমুন জামাতীরা ঝাপাইয়া পর্সে! দিনমজুর কমিউনিস্ট অহন তাগো বাই;)
৩৬. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১০
মজনু পাটোয়ারী বলেছেন: ধর্ম নিয়ে এতো কথার কি দরকার। ধর্ম ধর্মের মতো থাক। বিজ্ঞান বিজ্ঞানের মতো থাক। বাজারে দুটোরই ক্রতা আছে।
৩৭. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১১
অরণ্যদেব বলেছেন: ......আবার যহন দিনমজুর সমাজতন্ত্র নিয়া পুস্টাইব তহন্তারে ুন মারতে চাইব দলধৈরা....
৩৮. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১২
সত্যান্বেষী বলেছেন: পারলে অহনো অরা তলোয়ার লইয়া যুদ্ধ করত কারণ এইডা হইল সুন্নত, নবীজী করছে। কিন্তু একে-৪৭ এর কাছে তলোয়ার যুৎ করতে না পারার কারনে তলোয়ারের নাম লয় না।


আমারে এক পরম ধার্মিক কইছিল বাংলাদেশে গাড়িঘোড়া না থাইকা উট থাকলে বালা অইত। নবীজীর মতো উটের পিঠে চড়ন যাইত। আফসোস!

মুসলমানেরা আজো ভাবতে পারে না সেই দেড় হাজার আগের সময়টা আর নাই।
৩৯. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৬
মেটালিফেরাস বলেছেন: আর সত্তর থেকে একশ' বছরের মধ্যে পৃথিবী থেকে আসমানী ধর্মগুলো বিলিন হয়ে যাবে। থাকবে শুধু কালচারাল ফেনোমেনার কিছু কৃত্যানুষ্ঠান।
৪০. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
শয়তান বলেছেন: অইটা দেইখা পেট চাইপা হাসতে হাসতে শেষ@ অরণ্যদেব :)
৪১. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
অরণ্যদেব বলেছেন: খালি কি তাই? ওই পুস্ট অহন হার্ড্জামাতী, ষফ্ট্জামাতী ,প্র-জামাতী,ভেক্জামাতী সক্কলে পিরিওতে ;) @শয়তান।
৪২. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৯
কেল্টূ দা বলেছেন: খেক খেক খেক ! ! ! দেওতা এমনে কইলেন
আবাল গুলা কাইলকাই তওবা পইড়া সুকেস শফ করব

নাও কর্তারে, হালাগো কুন নীতিমিতি নাই
ভাও বুইজ্জা ভোল পালটায়

কাডাল পাতার দুই পিটে দুই রঙ
২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: কাডাল পাতার দুই পিটে দুই রঙ


খিক খিক খিক ।

৪৩. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৩
মহাপৈতাল বলেছেন:
"কাডাল পাতার দুই পিটে দুই রঙ " আহা আম্গো কেল্টু দা দেহি বুজগং হয়া গেলু রে..;)
৪৪. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৬
নাজনীন খলিল বলেছেন:
এই সব গুরুগম্ভীর আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে কবিতাও আসুকনা দু'একটা।
২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: হবে আপা, মুডাসলে ।

৪৫. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৮
তনুজা বলেছেন: কথা সত্য -------সমর্থন নাজনীন আপুকে

পক্ষীর পেটে বিদ্যা গজগজ করে -----পুথির পাতা খসখস করে ----------সে কি এখন আর গান গাহে না?
সে কি এখন শিক্ষিত হয়েছে

;)
২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: পক্ষী কবিতা লেখপে , যখন পক্ষীর ঘোড়ারোগ মাথাচাড়া দিয়া উঠবে তখন ।

৪৬. ২১ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
সবাক বলেছেন:
এস.এম হয়রান হইলো একটা মাথা ভাঙ্গা আ-বাল।

"সাধারণ অর্থে এই মহাবিশ্বের একক ও অদৃশ্য সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসীকে মুসলিম বলা হয়। "---------- এই কথা ওইটারে কইছে কে?

এক ও অদৃশ্য সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস আনলে সে ঈমানের প্রথম ধাপটা টপকালো। এরকম আরো ৬টা ধাপ টপকানোর পর সে মুমিন হইবো। মুমিন হওনের পর ইসলামের যাবতীয় হুকুম আহকাম মেনে চলনের পর সে মুসলিম হইবো।

গধাটা যে মাইনাস সেমি মডারেটও নয়, এটাতো জান্তাম না।

@ হয়রান ভাই..//////// আমারে ব্যান কইরা রাখসেন ক্যান?
২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: তালগাছ নজ্রানা নাদিলে, হয়রান ভাই কতা কন্না ।

২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: ঘুইরা আসলাম ।

৪৮. ২১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫
খাঁচা বলেছেন: ভাইয়া একটু skype আওয়াজ দিয়েন।
৪৯. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: "আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: পাগলাগারদেও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেয় আজকাল?

লেখক বলেছেন: হ, নাইলে তুমি পড়লা ক্যাম্নে ।"



হাহাপগে
আমার দেখা সেরা পুটডাউনগুলোর মধ্যে একটা
২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: আমড়া কাঠের প্রোডাক্ট । খালি .. আগায়া দেয় ।

৫০. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
খারেজি বলেছেন:



পয়েন্টা খুব ইন্টারেস্টিং পক্ষী। দারুণ ইন্টারেস্টিঙ।
তবে আমার ধারণ ওখানে ফ্রিডম ঠিক বিজ্ঞানের সাথে আপোষের অর্থ বলা হয় নাই, বলা হয়েছে মানুষের আচরণের স্বাধীনতার অর্থে।

(অবশ্য মানুষের আচরণের স্বাধীনতার একটা অংশই হল বিজ্ঞানের স্বাধীনতা... কিন্তু পশ্চিমেও সেটা একদিনে আসে নাই)

পাখিভাই, ধরো তুমি ১৩-১৯ শতক পর্যন্ত ইউরোপে পুঁজিবাদের বিকাশ, ধীর গতিতে বিজ্ঞানের অগ্রগতি, আরবার্ন লাইফের বিকাশ, সবচে' বড় এবং নিষ্ঠুর জমিদার চার্চের বিরুদ্ধে মানুষের রক্তাক্ত সংগ্রাম, বাণিজ্যের বিকাশ, শেষমেশ সামন্ততন্ত্র, রাজা ও চার্চের পরাজয় -- এইসব মিলিয়েই ফ্রিডমের কথা। চার্চ কার্যত ব্যক্তিগত জীবনে অপসারিত হয়েছে। ফলে মানুষের যে যে ফ্রিডম উৎপাদনের বিকাশের পথে অবশ্যপ্রয়োজীয় ছিল, হয় সে সেগুলোকে মানতে বাধ্য হয়েছে, নয়তো চুপেচাপে থেকেছে।

চার্চ পশ্চিমে আর এমন কোন প্রধন শত্রু না যে তার বিরুদ্ধ লড়তে হয়। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের এই নির্যাতক চেহারার ইতিহাস কিন্তু ইসলামে পাওয়াই যাবে না, ফলে জনগণের ক্রোধের কেন্দ্রেও সে পড়ে নাই কখনো। কিন্তু তাই বলে কি ইসলামে থিওলজি অনড় রয়েছে?

আমার কাছে কিছু মজার কাজ আছে, একটা হলো ইসলম অ্যান্ড ক্যাপিটালিজম, লেখক ম্যাক্সিম রডিসন। এতে পাখিভাই তুমি দারুণ সব বিষয় পাইবা, উনি ফ্রেঞ্চ কম্যুনিস্ট পার্টির মেম্বার ছিলেন। সমাজবিজ্ঞানী (অ্যানথ্রো না, আল্লা বাচাইছে)। এই বইয়ে উনি দলিল ঘাইটা ঘাইটা দেখাইছেন ব্যবসায়, উৎপাদন এবং সামাজিক চাহিদার সাথে সঙঘর্ষে কতভাবে ইসলামের থিওলজি, অর্থনীতির ব্যাখা পাল্টাইছে। খোদ হানাফি মাজহাব (আল্লা আবু হানিফার গৌরব বৃদ্ধি করুন) এর জন্ম লিবারেল বাণিজ্য প্রবণ নাগরিক মুসলমানদের জন্য। ফলে আব্বাসীয় আমল থেকে হানাফিরাই প্রবলতম হয়ে ওঠে।

একই ইঙ্গিত পাইলাম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত হানিফার জীবনীতেও। এই বইটা পাইলে তুমি ফ্যালাসি নিয়া তিনটা নতুন পুস্ট দিতে পারতা!!!

তবে মোঙ্গল আক্রমণের পর পতনের ধাক্কায় (য়ুরোপে যে রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর অন্ধকার যুগ বা মধ্যযুগ শুরু হল) মুসলমানদের মাজেও বাণিজ্য-উৎপাদন হ্রাস পায়, বিশাল সব নগর রাতরাতি নাই হয়ে যায়। ফলাফল হল সামগ্রিক একটা ধাক্কা।

আর আজ মুসলমানদের ধর্মের সঙ্কট কি? আমার কাছে এককথায় লাগে এই সমাজে প্রযুক্তি আছৈ, বিজ্ঞান নাই।
২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: " তবে আমার ধারণ ওখানে ফ্রিডম ঠিক বিজ্ঞানের সাথে আপোষের অর্থ বলা হয় নাই, বলা হয়েছে মানুষের আচরণের স্বাধীনতার অর্থে। "

ওস্তাদ আমিও কিন্তু তাই বলছি । বলতে চাইছি যে, ইহুদি খ্রিস্টানরাও তাদের ধর্মরে মোডিফাই করছে । মুসলিমরাও করছে । কিন্তু ইহুদি খ্রিস্টানরা মোডিফাই কৈরা কমপেটিবল করছে মানুষের আচরণের স্বাধীনতার সাথে, কিন্তু মুসলিমরা মোডিফাই কৈরা কমপেটিবল করছে বা করতে চাইছে বিজ্ঞানের সাথে, বা নতুন পরিস্থিতির স্বাপেক্ষে মাসলা মাসায়েলের সাথে ; আচরণের স্বাধীনতার সাথে না ।

"এই সমাজে প্রযুক্তি আছৈ, বিজ্ঞান নাই।"

এইটা আসলে মুসলমানদের একলার সমস্যা না । পশ্চাৎপদ সব জাতিরই সমস্যা । ভিএস নাইপল এর একটা ভ্রমণকাহিনীতে প্রথম এই কথাটা দেখি । সমস্যাটা হৈল, এখনকার দুনিয়াতে সর্বাধুনিক আবিষ্কার উপভোগ করার জন্য প্রচুর জ্ঞানী-গুনি পালতে হয় না । কিছু খনিজ সম্পদ অথবা তাও না থাকলে এক্কেবারে র কায়িক শ্রম বেইচাও উনসত্তর ইন্চি প্লাজমা টিভিটা ঘরে নিয়া আসা যায় , যেইটা বানাইতে হাজার হাজার বিজ্ঞানী ইন্জনিয়ারের খাটতে হৈছে । যেইটার উপ্রে লাখ লাখ রিসার্চ পেপার লেখা হৈছে । আগের রাজতান্ত্রিক সমাজে , চমৎকার জিনিস ব্যবহার করা হৈতাছে, এইটা অটোমেটিকালি মিন করত যে , তাদের জ্ঞান বিজ্ঞানও চমৎকার । এখন পণ্যের অবাধ চলাচলে সেইটা আর নাই ।

৫১. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৫
খারেজি বলেছেন: এই দেশের এত মানুষের বস্ত্র তৈরির জন্য, জুতা তৈরির জন্য, ওষুধ তৈরির জন্য, যন্ত্র তৈরির জন্য, উদ্যানের জন্য... যত যত পেশাদার লোক দর্কার, তার কোন ব্যবস্থা নাই।
ব্যবস্থা নাই কারন চাহিদা নাই।

চাহিদা নাই কারণ আমাদের এমন এক শাসকগোষ্ঠী যাগো সব কিছ আম্রিকা আর য়ুরোপে।
দেশটা তারা খালি ব্যবহার করে সম্পদ বাড়ানোর, রস চিপা বাড় করার আখমাড়াই কল হিসাবে।

এমনকি কলকারখানায় উৎপাদন এখানে লাভজনক না ততটা, যতটা আমদানী রফতানি কিংবা গার্মেন্টসে দাসশ্রম লুট। সুতা কারখানা এখানে লস খায়, কিন্তু পামতেলের আমদানি বা চিংড়ি রফতানিতে বড়লোক হওয়া যায়।

ফলে এইখানে অজ্ঞানতা যত থাকে, তত তাদের সুবিধা। বিজ্ঞানের বদলে তাই প্রযুক্তির( প্রাইভেটে কম্পুসায়েন্স!) দাপট, ইতিহাস/অর্থনীতি শিক্ষার বদলে বিবিএ।

তাইতো উচ্চিত্ত জীবনে ইয়াবা, মোবাইল আর হিজবুত তাহরির।
তাইতো নিন্মবিত্ত জীবনে ক্রোধ আর ছাত্রশিবির।

যারা এর বাইরে (সংখ্যায় তারা অনেক বেশি) তারা কেবল মানুষের মহত্ব প্রকাশের জন্যই, সাধারণ যুক্তিশীলতার জয় প্রকাশের জন্যই মনে হয় বাইচা আছে (একটু কাঁচা আবেগের কারণে যুক্তির ভুল ধরলে কষ্ট পাইতাম)।

এইখানে তাই ফ্রিডম নাই, কারন ধর্ম পারমিট করে না বইলা না। কারণ সমাজ পারমিট করে না। ধর্ম অতি নমনীয় বস্তু। সমাজ পারমিট করবে যেদিন, কিভাবে ধর্মের সীমা অতিক্রম করা যায়, সেই শিক্ষা তো মুতাজিলারা বহু আগেই দিয়া গেছে।


বেশি জাগা নিলাম কি, পাখি? আপনার গুনমুগ্ধ বইলাই সাহস কইরা কইলাম।
২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: ওস্তাদ আপনার এই কথা কিন্তু ধনকুবের মিডলিস্টের দেশগুলার ক্ষেত্রে খাটে না ।




"বেশি জাগা নিলাম কি, পাখি? আপনার গুনমুগ্ধ বইলাই সাহস কইরা কইলাম। "

লইজ্জা না দিলে হয় না ।

৫২. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৮
সোজা কথা বলেছেন: @খারেজি, কমেন্টটা আলাদা পোষ্টে দেন। বিজ্ঞানের বদলে প্রযুক্তি, ইতিহাস আর অর্থনীতির বদলে বিবিএ, শিল্পের বদলে শ্লামডগের যুগের বিষয়ে কথাগুলো চরম সত্যি
৫৩. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
তনুজা বলেছেন: @ খারেজি আলাদা পোস্ট দেন , আর আমাদের বোঝার মত করে দিয়েন
৫৪. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:০৫
খারেজি বলেছেন:

পাখিভাই, কথা ঠিকই।
তাই আমি কইতেছিলাম যে বিষয়টা মুসলমানদের সমস্যা না, অনুন্নত সমাজরে সমস্যা।
মানে এইটার ধর্মীয় সমাধান নাই, রাজনৈতিক সমাধান আছে।


একটা ছোট্ট হিন্টস দেই: হজরত উমর এর আমলে হাটে বাজারে জোরে জোরে আয়াত পড়া বা ধর্মালোচনা করা যাইত না... কারণ তাতে (অ্যাপারেন্টলি) ধর্মের মর্যাদা নষ্ট হয়, কেননা লোকে অ্যাটেনশন দিতে পারে না।

আসল কারণ কিন্তু খুব সেক্যুলার: বাণিজ্যের ক্ষতি কে চায়?

২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: রাজনৈতিকভাবে সমাধান হৈলেও , সেইটা ধর্মের ফোঁসফোঁসকে সীমিত করার মধ্যে দিয়াই হবে । অন্তত গলা চাইপা ধরার প্রবণতার অংশটুকু । অবশ্য অর্থনৈতিকভাবে হলে , পরে অন্যভাবেও হবে এই আশাবাদটুকুতে আশাবাদী হৈতে আমিও ইচ্ছুক ।

৫৫. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:০৬
খারেজি বলেছেন:

সোজাকথা, ধন্যবাদ।
মাসখানেকের মধ্যে মনে হয় চান্স নাই।
নানি মিতেন দা ইওও !!
৫৬. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:১১
খারেজি বলেছেন:
পাখি ভাই, ধনকুবের হওয়াটা বিষয় না,
বিষয় হৈল সম্পদ তৈরি পথ।
কারখানায় উতপাদন সমাজের বহু এলাকায় যে নড়াচড়া আনে, ভাবনায় স্বাধীনতা আনে, অন্দর মহলেও সাড়া পড়ে ... সেটা আমার খু্ব প্রিয় একটা অনুস্ধনের বিষয।

গোটা দেশের মানুষের জন্য যদি উতপাদনের প্রয়োজন পড়ত, ধরেন সবলেকের জন্য কত ডাক্তার লাগত, কত বোটানিষ্ট লাগত, নারীরা কোন হারে স্বাধীন হৈতো, চিন্তার জগতে কোন খেলা শুরু হৈত, বইয়রে বিক্রি কত বাড়ত... ভাবতেও গা কাৎটা দেয়।

এখন তো সব শাহাবাগ আজিস সুপার মার্কেট আর চারুকলা আর টিএসসি।
২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: এক দোস্তের সাথে এইটা নিয়া একবার তর্ক লাগছিলো । আমিও এই কথাই কৈতে চাইতাছিলাম, আভ্যন্তরীন বাজার আরো বিশগুন হওয়ার পসিবলিটি এখনো আছে । শুরু থাইকাই অর্থনৈতিক সংস্কার মানে রপ্তানি বাড়ানির ধান্ধা করা বৈলা বৈসা থাকার মানে হয় না ।

৫৭. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:১১
খারেজি বলেছেন: আরে তনুজাও আলাদা পুস্ট চাইছে। তারেও সালাম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২০২৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
গালাগালি পাঠানোর ঠিকানা
iqramrtn@yahoo.com


ফারুক ওয়াসিফ সিন্ড্রোম : লক্ষণসমূহ

১ > সকালে ঘুম থেকে উঠে পেট ক্লিয়ার না হওয়া : ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ