somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাতচাড়া (গল্প)

২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার মা'র গায়ে হাত তুলছে, চুৎমারানির ঐ হাত আমি কাইট্যালামু বইলা চাপাতি হাতে ধোলাইপাড়ের অনেকগুলা চিপা গল্লির মধ্যে মোটামুটি বড়সড় একটা গল্লি দিয়া ভাইয়ের শ্বশুর-বাড়ির দিকে দৌড়াইয়া যাওনের পথে রাস্তায় ইলিয়াসরে থামাইতে এক কাঠালার পোলা ছাড়া আর কেউই আগাইয়া আসে নাই । অথচ শার্ট প্যান্ট ইন কৈরা জুম্মন মেম্বারের বস্তিতে গান্জা কিনতে যাওনের পথের নোয়াখাইল্যা সুমন থাইকা শুরু কৈরা, কিছুই দেখে নাই এমন ভাব কৈরা ছাত্রীর বাসায় যাওনের পথের প্রতিবন্ধি সুমন এমনকি খালপাড়ের ভনভন মশার মধ্যে বৈসা চা খাওয়া শাহীন আর তার সাথে বিদেশ থাইকা ফোনে কথা কওয়া শুঁটকি লিটন পর্যন্ত ঘটনা জানত রিয়েল টাইমে । ছোটকালে কাছা মাইরা ফুটবল খেলতে নামতে গিয়া লাল পুটকি বাইর হৈয়া যাইতো বইলা জইন্যা-পুটকি খেতাব পাওয়া জনি শুধু এই ঘটনা না, জানতো না আরো অনেক ঘটনাই, আবার ছয় মাস পরে আইসা একদিনে একবিকালে দক্ষিণ ধোলাইপাড়ের অলিতেগলিতে ঘইটা যাওয়া গত ছয় মাসের সব ঘটনা শাহিনের কাছ থাইকা শুনার আগ পর্যন্ত ।

পিচের মত কালা পানিভরা দশলাখট্যাকা কাঠার খাদে ভরা ধোলাইপাড়ের পরিবেশ দেইখা নাক সিটকাইন্যা টিকাটুলি স্বামীবাগের মধ্যবিত্ত ভাড়াইট্যারা আস্তে আস্তে বাস্তবতার চোদা খাইয়া সেইসব খাদ পঁচিশ লাখ ট্যাকা কাঠা কৈরাই কিন্যা এইদিকে আসা শুরু করনের অবশ্যাম্ভাবী প্রতিফলে মোবাইল মেস্তরি জইন্যা-পুটকির ড্রাইভার বাপ পরিবার নিয়া চৈলা গেলো নরসিংদীর কাছের বরফাতে । সেইখানে নতুন সাঙ্গপাঙ্গ পাইয়া হোক আর গুলিস্তানের আন্ডারগ্রাউন্ড মার্কেটে সকাল নয়টা থাইকা রাইত সাতটা পর্যন্ত মোবাইল ঠিক কৈরা ধোলাইপাড়ে আইসা আবার বরফা যাইতে যাইতে গভীর রাইত হৈয়া যাইবো বৈলা হোক, আরো নিয়মিত ল্যাঙটা কালের দোস্তগো খবর নিতে না আসনের লাইগা প্রতিবারেই প্রথম বিশমিনিট ডলার উপ্রে থাকতে হয় জইন্যা-পুটকিরে । যদিও সেই বিশমিনিট কাইটা যাওনের পরে আবার আধাপুরান দিনের মত ভনভন মশার সাথে বইসা চা-বিড়ি খাওনের ফাঁকে পুরান ভালোবাসার মোটামুটি পুরা রুপটাই আবার অনুভব করতে পারে , তাও প্রতিবারই প্রথম বিশমিনিটে সে অত্যন্ত সিরিয়াস মুডেই সবাইরে বুঝানির চেষ্টা করে এইসব দোস্তের মত দোস্ত আর জীবনে হৈব না , এগোরে ভুইলা যাওনের কোন অর্থই নাই, কেবল ব্যস্ততার লাইগাই আইতে পারে না । নোয়াখাইল্যা সুমন, কাঠালার পোলা, মামু-শাহিন, ইলিয়াস আর কখনো কখনো প্রতিবন্ধি সুমইন্যা অথবা দুই বছরে একবারের মত শুঁটকি লিটন , প্রতিবারই অত্যন্ত আন্তরিকতা নিয়াই সে সবাইরে দাওয়াত দিয়া যায় তার বরফার বাড়িতে যাওনের লাইগা , যদিও আইজ এতদিনেও একবারের লাইগাও একজনরেও সে নিতে পারে নাই ।

গান্জা ফেন্সির ব্যাবসা ধরণের পর থাইকা নোয়াখাইল্যা সুমন আর পঁয়ত্রিশ বছরের বড় ভাইরে রাইখা মামাত বইনের চাচাত ননদরে বিয়া কৈরা নিয়া আসা ইলিয়াসের সাথে আর কলেজ পাশ করনের পর থাইকা অল্পশিক্ষিত বন্ধুগো লগে আর চলবো না বৈলা ঘোষণা দেয়া প্রতিবন্ধি সুমইন্যার লগে যদিও শাহীন আর আইজকাল তেমন একটা চলেনা , তাও জইন্যা-পুটকি আসার দিনটাতেই অন্তত অল্প সময়ের লাইগা হইলেও তারা ছয়-সাতজন একত্রে আড্ডা দেয় । হাবীব মন্ডলের মিচকা শয়তান মাইয়া হীরার লগে নোয়াখাইল্যা সুমনের গা-জ্বলা পিরীত কিংবা মিথিলার পাছা-চওড়া বান্ধবি লাকির বিয়া , অথবা দারোগার পোলা রমির লগে ঝগড়া কৈরা একলগে বিশটা সিডাক্সিন খাইয়া নার্গিসের হাসপাতালে যাওনের খবর জইন্যা-পুটকির মতই, দুরদেশে পড়তে যাওয়া শুঁটকা লিটনও ছয়সাত মাসে একবার কৈরা একলগে পায় । খালি চল্লিশোর্ধ বিবাহিত বেটার লগে পলাইয়া যাওয়া মিথিলা নার্গিসের অন্য বান্ধবী বিনা আবার একই কাম কৈরা একমাস ধৈরা নিখোঁজ থাকনের খবর বিদেশে থাইকা শুঁটকি লিটন পাইলেও পাশের গলিতে থাইকাও ওরা পায় না । হারামজাদা নিমকহারাম মিথিলার লগে ছোটকাল থাইকাই তলের খাতির রাখলেও ইদানিং পাছা-মোটা লাকির লগেও দেখা যায় একই রিকশায় চইড়া কৈ কৈ জানি যায় । কাঠালার পোলা কিংবা প্রতিবন্ধী সুমইন্যা রাস্তায় লাকির বারবার ওড়না পইড়া যাওনের ঢং দেইখাও, দুইমাসে ওর দুধ দুইগুন হৈয়া যাওয়া দেইখাও কিছু কৈতে পারেনা খালি শাহীনের ধমকের লাইগা । ছোটকালে অন্যগো লগে সমান খাতির থাকলেও বিদেশ যাওনের পর থাইকা শুঁটকি লিটনরে নিয়া কোন কানা-ঘুষা করন যায়না এই শাহীন্যার সামনে , আর পিছনে পিছনে কৈরা মজাও নাই তেমন ।

গলির ভিতরে গলি , তারও ভিতরের গলিতে এক কাঠা জাগার উপরে তিন ফেলাটের ছয়তলা বাড়ি করা ব্রিটিশ, প্রতিবন্ধি সুমইন্যার বাপ নার্গিসগো বাড়ির লগে লাগাইন্যা দোকান নিয়া বসলে নিত্য নিত্য ঝামেলা লাগার লাইগাই, উল্টাদিকের মামু টেইলারের সামনের সিঁড়ি ছাইড়া পিচকালা পানির খালের উপ্রের চা-দোকানে আড্ডা সরাইয়া নিতে হয় শাহীন-কাঠালার পোলার । হারামজাদা প্রতিবন্ধি সুমইন্যা বন্ধুবান্ধবগো এই স্যাক্রিফাইসের কোন দামতো দিলোই না উল্টা ইন্টার পাশ কৈরা দনিয়া কলেজে একাউন্টিং এ অনার্সে ভর্তি হওনের পর থাইকা, অশিক্ষিৎ পোলাপানের লগে চইলা সম্মান নষ্ট করনের কোন মানে নাইজাতীয় কথাবার্তা বইলা বেড়াইতে লাগলো এলাকার ছোটভাইগো লগে । কিন্তু ছাত্রীরে কুপ্রস্তাব দিয়া বাগানবাড়ীর পোলাপানের হাতে ধোলাই খাওনের দশা হৈলে ঠিকই শাহীনের কাছে আইসা আবার কয় ওরে বাঁচাইতে, নাইলে ওরে মাইরা ফালাইবো । উল্টাপাল্টা কথা আর আচোদা খাছলতের লাইগা শুঁটকি লিটনের দেয়া প্রতিবন্ধি নামটা এলাকায় শাহিনই জনপ্রিয় কৈরা তুললেও এখন এই খারাপ সময়ে সাহায্য না কৈরা আর পারেনা । ইসকুলে থাকনের সময়ে রাস্তায় এক মাইয়ার লগে জোর কৈরা কথা কৈতে গিয়া এলাকার পোলাপানের হাতে স্টেপ খাওনের দশা থাইকা শাহিনই প্রতিবন্ধিরে বাঁচাইয়া আনছিলো এইকথা প্রতিবন্ধি ভুইলা গেলেও , আরো ছোট থাকতে পাটেরবাগের পোলাপাইনের লগে হিটে গিয়া ধরা খাওনির দশা থাইকা একটা ক্রিকেটের ব্যাট দিয়া একাহাতে পাঁচটারে পিটাইয়া এই সুমইন্যাই শাহিনরে বাঁচাইয়া আনছিলো সেই উপকার শাহিন ভুলে নাই বৈলাই, লতায়পাতায় দোস্ত বাগানবাড়ির জনিরে বৈলা কৈয়া এইবারের মত তারে বাঁচাইয়া আনে সে ।

ষোল বছরে খাসির মত ধামড়া পোলা কেলাশ ফোরে পড়ে বইলা ইলিয়াসের লগে প্রথম প্রথম কথাই না কৈলেও, কাঠালার পোলার লতায়পাতায় মামা লাগে বৈলা আর এবিসিডি থাইকা ওরে পড়ানি শুরু করা শুঁটকি লিটনের লগে লগে সারাদিন ঘুরার কারণে শেষ পর্যন্ত তারে মাইনা নিতেই হয় , শিক্ষিৎ পরিবারের পোলা শাহিনের । বছর খানেকের মধ্য নিজে নিজে বাংলা ইংরেজি পড়তে শিখনের পর থাইকা শাহিন নিজেও ইলিয়াসরে পড়ালেখায় উৎসাহ দিতে থাকলেও, হারামজাদা এরই মধ্যে আরেক আকাম কৈরা বসে । কমলা রঙের ড্রেস পইরা সকালে ইসকুলে যাওনের পথে দেইখা দেইখা, একে ইসকুলের সামনের সুবর্ণা স্টুডিওর মালিকের মাইয়া সুবর্নার প্রেমে পইড়া যায় ইলিয়াস । চুদির পোলা , ছয় ভাইবইনরে রাইখা আরেক বিয়া কৈরা বাপে চৈলা যাওনের পর থাইকা , বার-পনর বছর পরে আইসা ঠিকমত খাওন জুটলো মাত্র, আর লগে লগে শুরু করছে পিরীতের কুয়ারা । তাও একসময় সেইটা মাইনা নিলেও, সুবর্না খানকিডার আচরণে সন্দেহ হওনের পরে ওর মায়েও একলগে গিয়া ইসকুলে দিয়া আসা নিয়া যাওয়া শুরু করলে , গাধাচোদা ইলিয়াস ধরা খাইয়া যায় মাত্র তিনদিনের মাথাতেই । তারপরে সুবর্নারে ওর বাপ-মা বরিশাল রাইখা আসলে, ছাল নাই কুত্তার হেডমওয়ালা ইলিয়াসের , বরিশাল থাইকা সুবর্ণারে নিয়া পলাইয়া আসার গান্জাখুরি পরিকল্পনায় সবার বাধার মুখেও ইলিয়াসের এমনিতে ভাঙাচোরা মুখটার আরো ভাইঙা যাওয়া দেইখা , রাজি হওনের মত পাটাওয়ালা বুকের পোলা পুরা এলাকায় শাহীন-মামু ছাড়া আর কেউ থাকেনা । যদিও বরিশালের দুর্গম চরের মত জায়গায় হাজার হাজার বিপদ মাথায় মাথায় নিয়া, সুবর্ণার মামার বাড়িতে শেষ পর্যন্ত গোপনে পৌঁছায় ইলিয়াস আর শাহীন, কিন্তু গোপনে দেখা করতে রাজি হওয়া সুবর্ণা গোপনে ইলিয়াসে লগে আইতে আর রাজী হয়না । কয়েকদিন পর সেই খানকি গোপনে ঠিকই মামাত ভাইয়ের লগে পলায়া যায় । নিজের জানের রিস্ক নিয়া সাহায্য করা ইলিয়াসরে একশবার মানা কৈরাও যখন শাহিন শেষ পর্যন্ত মামাত বইনের চাচাত ননদরে বিয়া করনের কামে ঠেকাইতে পারলোনা, তখন আর এইসব নিমকহারামের চেহারা দেখনেরও রুচি থাকেনা শাহিনের ।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট বাপের পোলা শাহিন, চাপাতি ক্ষুর নিয়া ছোটকাল থাইকা দৌড়াইলেও কোনদিন পিস্তল ধরে নাই । কিন্তু একে ইসকুলের মাঠে বড়বাড়ীর পোলাপাইনের লগে হিটে, বস্তাবাবুরে পিলারের লগে বাইন্ধা পিটাইয়া আইসা হঠাৎ কৈরাই জানের ডরে ধরলে মায়েরে কৈয়া মামার বাড়ীতে নির্বাসনে চৈলা যায় অজানা সময়ের লাইগা । পড়ালেখার কোন সিরিয়াল না থাকলেও শুঁটকির চাপাচাপিতেই গেরামের ইসকুল থাইকা মেট্টিক দিয়া গেরামের কলেজ থাইকাও ইন্টার পাশ কৈরাই পুরান ঘটনা চাপা পইড়া যাওনের পরে আবার ফিরা আসে এলাকায় । সব বাইনচোত শাহীন খারাপ খারাপ করলেও আকাম কৈরা ধরা পড়নের পর ঠিকই আসে শাহীনের কাছে ঠ্যাঙানি থাইকা বাঁচনের লাইগা , আর শাহীনও লোকে না ডাকলেও মহল্লার বড় ছোট সমস্তরকমের গ্যান্জামের মধ্যে তরুন প্রতিনিধির অনারারি দায়িত্ব পালনে ছুইটা যায় ।

কাঠালার পোলা জড়াইয়া ধরায় ভাইয়ের শ্বাশুড়ির হাতের কব্জি কাইটা আনতে না পারলেও, হাতের চাপাতিডা ঠিকই ছুইড়া মারছিলো ইলিয়াস আইজকা । সেইটা গায়ে না লাগলেও পায়ের কাছে গিয়া পড়ছে এই অজুহাতে ভাইয়ের শ্বাশুড়ি পুলিশ কেস করনের হুমকি দিলে , সব রাগ একপাশে রাইখা শাহীনই নিজে থাইকা মাফ-টাফ চাইয়া, বিচার সালিশ কৈরা ইলিয়াসের ভাইয়ের শ্বাশুড়িরে পুলিশের কাছে যাওন থাইকা থামায়, ইলিয়াসের লগে একটা কথাও না কৈয়া ।

সেইবারের গরমে শুঁটকি লিটন আসার মাসখানেক পরে একদিন সন্ধ্যায় জইন্যা পুটকি আইসা হাজির হৈলে তারে কেউ ডলা দেয়না সেদিন, এমনকি ইলিয়াসের ভাইয়ের শ্বাশুড়ির ঘটনা নিয়াও কেউ কোন কথা তুলেনা । সন্ধ্যার অন্ধকারে শাহিন আর শুঁটকি লিটন মিল্যা কাঠালার পোলারে লুচ্চামির লাইগা বকাবাদ্যি করে , আর শুঁটকির ইসকুল বয়সের রাজকন্যা আঁখির একটা বাচ্চা হৈছে এইটা নিয়া শাহিন আর কাঠালার পোলা একমত হৈলেও , আঁখির জামাই ইতালি থাকে না জাপান থাকে এইটা নিয়া অনেক্ষণ পর্যন্ত ঝগড়া করে দুইজন ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
২৩টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×