আমার প্রিয় পোস্ট
- লাইভ বাংলাদেশী টিভি দেখুন। কোনো সফটওয়্যার/ব্রাউজার ছাড়াই! - রাজুরনি
- অকুপাই ওয়ালস্ট্রিট আন্দোলনের প্রেক্ষাপট: মার্কিন পুজিবাদের সাম্প্রতিক সংকট - দিনমজুর
- ধর্ম ও ইশ্বর বিশ্বাসে অপযুক্তি( Fallacy of religion and God) - বীরেনদ্র
- এই লজ্জা রাখি কোথায়? (প্রসংঙ্গঃ ইন্টার্নী ডাক্তারদের গ্রামে এক বছর ইন্টার্নী করতে হবে) - ডাঃ নিয়াজ
- উগড়ে দিলাম কিছু কবিতা - মিরাশদার১০
- জাতিসংঘে কিভাবে চাকরি পাবেন বা করবেন? মাসে ৫,০০০-১৫,০০০ ডলার বেতন! - ডিসকো বান্দর
- বাংলা সার্চের সুবিধা সম্বলিত অর্থসহ আল কুরআন, বুখারী, মুসলিম, আবু দাঊদ শরীফ সহ কিছু ইসলামীক বইয়ের ডাউনলোড লিঙ্ক - আইইউটিয়ান
- আহা! দুধের শহরে মেলামাইন - ঘোর
- কিছু পুরানো রেডিও সম্প্রচার শুনুন (অডিও ফাইল) - প্রদীপ মিত্র
- হযরত উসমানের রাঃ(*) হত্যার প্রকৃ্ত ঘটনা প্রকাশ করে আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী(আঃ)বলেন(নাহাজুল বালাগাহ থেকে খোৎবা নং-৩০ - রাফেযী
- নিশ্চুপ নিরাল নিঝুমদ্বীপে [তথ্য + ছবি ব্লগ] নিঝুমদ্বীপ বিষয়ক মেগা পোস্ট - টেকি মামুন
- রোড টু স্কলারশিপ - ১ - ফাজিল
- | অস্পৃশ্য ও ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং একজন বাবাসাহেব | পর্ব: ২/৮ | - রণদীপম বসু
- Technology in Y3K - ফাহাদ বাপ্পী
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর- শেষ পর্ব - রাগ ইমন
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ৩য় পর্ব - রাগ ইমন
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ২য় পর্ব - রাগ ইমন
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ১ম পর্ব - রাগ ইমন
- কেন আমি একজন আস্তিক নই ? কেন আমি একজন নাস্তিক নই? - ২ - পারভেজ আলম
- যে বাজারে প্রতিদিন কোটি টাকার সবজি বিক্রি হয়.. - সোহান বাশার
- একজন প্রবাসীর আত্মজৈবনিক কথন - আবু মকসুদ
- বদলে যাও, বদলে দাও! -- একটি অরুচিকর গপ্পের খসড়া - খারেজি
- কিছুদিন আগে চমৎকার একটা সফটওয়ারের সন্ধান পেয়েছি। - নুর3ডিইডি
- রাপিডশেয়ার এর প্রিমিয়াম একাউন্ট বিনা পয়সায় - ডট কম ০০৯
- তিব্বতের আকাশ লাল হৈলেই বৃষ্টির রঙ বদলায়া যাবে এমন কেন নয় কিংব চীনা বাদামের খোশার ভিতর সাম্যবাদের বিচি ভাজলেও নষ্ট হবে না, ভাবলে ক্ষতির কিছু আছে!!!!!! - ফ্যাতাড়ুর বোম্বাচাক
- প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর (আপডেটেড - ১৭ই ডিসেম্বর ২০১০)
- অরণ্যচারী
- একটি গল্প - অপরিচিত_আবির
- দিলজাহান - প্রণব আচার্য্য
- ক্রোধে অন্ধ ঝড় - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- ধন্যবাদ টেড কেনেডি, একটি ভয়াবহ ষড়যন্ত্র থেকে বাঙালীকে রক্ষা করেছিলেন আপনি - অমি রহমান পিয়াল
- গরু/ খাসীর কুইক রেসিপি- ফ্রম ব্যাচেলরস কিচেন - শ।মসীর
- স্পিকারের সাউন্ড রেকর্ড করুন - মহসিন০৮
- মুক্তিযুদ্ধে অন্তর্ঘাত পর্ব : খন্দকার মোশতাক আহমদ-১ - অমি রহমান পিয়াল
- ফায়ারফক্স স্পিড আপ - রাকিব
- ডিভোর্স - আলঝেইমার ক্রিস্টোসান
- ZCE হবেন? পিএইচপি শিখুন! - 'লেনিন'
- কিভাবে আপনার কম্পিউটারে কোন ওয়েবসাইট ব্লক করবেন? - শামীমস
- দালাল বুদ্ধিজীবি বিষয়ক একটি উদ্দেশ্যমূলক পোস্টের জবাবে - অমি রহমান পিয়াল
- কষ্টদিনের রুশ হিউমার - মার্চেন্ট অফ ড্রিম
- পূণ্যময় রজনীর পরে - লড়াকু
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- Task Manager ডিজাবল হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনবেন কিভাবে? - আলোকিত পৃথিবী
- কলিগ খালি এডাল্ট সাইট ভিজিট করে - ডট কম ০০৯
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- মেহভুপ রেহমান কানের সওয়াল, কাগুর জভাভ - আলিফ দেওয়ান
- 'চক্ষু তো এই দুইখান, আর কতো দেখাইবা...' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- রূপকথা নিয়ে কিছু কথা হতে পারে! - খারেজি
- রসমালাই বানানো খুব সোজা - বায়েজীদ
- দুরের পাখীকে - রাসেল ( ........)
- চলুন সেন্টমার্টিন্স ঘুরে আসি... (এবার যাওয়ার আগে অনেক খুঁজেও কোন তথ্য পাইনি নেটে। সেই হতাশা থেকেই লেখা।) - ক-খ-গ
- কখনও জীবন ভুলে থাকার অভিনয় - রাসেল ( ........)
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ইস্নিপস থেকে ডাউনলোডের নয়া সিস্টেম! - রাশেদ
- ই-বুক কালেকশনঃ পর্ব-৬ [শুধুমাত্র ১৮+ দের জন্য] - বিডি আইডল
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- রাজনীতি, সংঘাত ও আর কর্পোরেট ক্রাইম নিয়ে পছন্দের কিছু ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- দবিরের মনোভ্রমনিক হাইডশো - কৌশিক
- এসেছে Google Earth 5 - ঘুরে আসুন সাগর তলদেশ, মঙ্গল গ্রহ আর অতীত থেকে - নাফিস ইফতেখার
- ফ্রিল্যান্সঃ ডাটা এন্ট্রির কাজ (লিখেছেনঃ মো: জাকারিয়া চৌধুরী (আপডেটেড) - কমপিউটার জগৎ
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (২): ষত্ব বিধান! - ম্যাভেরিক
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (৩): অনুস্বার (ং) এবং উঁয়ো (ঙ)! - ম্যাভেরিক
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (১): ণত্ব বিধান! - ম্যাভেরিক
- পৌরাণিক ছাগুরাম - মুখফোড়
- বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বাংলা লেখা সুন্দর এবং সঠিকভাবে দেখার জন্য আপনার করণীয় - jewelosman
- যেউ না রাইছু ... রাইছুকে ধরি রাকিভার ঠপঠেন উপাই - আলিফ দেওয়ান
- আইডিএম নিয়ে ঝামেলা? আর না আর না - রূপক
- নায়িকাদের রাজিনৈতিক ভাবে অপহরন, ধর্ষন,ভিডিও দেখিয়ে ব্লাকমেইলিং বন্ধ করুন - মেহদী
- আরও বলে যাওয়া কথাগুলো-যা আধুনিক মুসলমানদের সকল সমস্যা দূর করবে - মেহদী
- যারা স্কেচ শিখতে চান আসুন তবে স্কেচ শিখি। (তিন) - জেমিনি
- মডেল হওয়ার কটিন টিপস - আলিফ দেওয়ান
- কবিতা নিয়া চুলকানি - রাসেল ( ........)
- বুড়া লোল-পুরুষদের জন্য গ্রুপ- সকলে অতি স্বত্বর যোগাযোগ করুন - নিধিরাম সর্দার
- নারীর লিপস্টিক চর্চা: নাসিমূল আহসানের পোস্ট এবং আমার বক্তব্য - মানুষের পৃথিবী
- উইন্ডোজ এর প্রয়োজনিয় কিছু শর্টকাট - নীলবরষা
মদিনার তিনটি ইহুদি গোত্রের বিতাড়ণ -এপোলোজেটিক এবং এটাকিং ভার্শন
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
১ : বানু কাইনুকা
বানু কাইনুকা ছিলো স্বর্ণকার গোত্র । বদর যুদ্ধের কিছুদিন পরেই তাদের বাজারে এক মুসলিম মেয়ের সাথে এক দোকান কর্মচারীর বান্দরামি থেকে ঘটনার শুরু । গহনার জন্য অপেক্ষার সময় ঐ কর্মচারী মুসলিম মেয়েটির পোশাককে পেরেক মেরে চেয়ারের সাথে আটকে দিলে, উঠতে গিয়ে তার জামা ছিঁড়ে যায় । এক মুসলিম পথচারী এটা দেখে খেপে গিয়ে ঐ কর্মচারীকে কতল করলে, তার পক্ষের লোকেরা ঐ মুসলিমকে কতল করে । এখান থেকে কতল পাল্টা কতলের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু । পরে মোহাম্মদ তার দলবল নিয়া হাজির হৈলে বানু কাইনুকা যুদ্ধে হেরে যায় । তাদের সমস্ত সম্পত্তি গণিমতের মাল হিসেবে মুসলিমরা ভাগ করে নেয় । তাদের অভাবী অবস্থা কেটে যাওয়া শুরু হয় । মোহাম্মদ নিজের জন্য মোট গণিমতের পাঁচ ভাগের একভাগ রাখে ।
এপোলোজেটিক ভার্শন : বানি কাইনুকা অনেকদিন থেকেই মুসলিমদের অপমান এবং উস্কানি দিয়ে আসছিলো । বাজারে ঘটনাটা তারই একটা উদাহরণ মাত্র । তাদের এই শাস্তি প্রাপ্য ছিলো ।
এটাকিং ভার্শন : অপমান এবং উস্কানি দেয়ার অন্যকোন বর্ণনা নাই । বাজারের ঘটনার পর মোহাম্মদের উচিৎ ছিলো পরিস্থিতি কিভাবে শান্ত করা যায় প্রথমে সেই চিন্তা করা । তা না করে অল-আউট যুদ্ধে নেমে যাওয়াটা তার লোভের পরিচায়ক ।
২ : বানু নাদের
বানু নাদের ছিলো মদীনার বাইরের দিকে বসবাসকারী গোত্র । তাদের মূল ব্যবসা ছিলো খেজুর উৎপাদন । একটা সংঘর্ষে মুসলিম এবং ইহুদি(বানু নাদের গোত্রের) উভয়পক্ষের লোকজনের দ্বারা অন্য গোত্রের দুইজনের খুন হওয়ার ঘটনায় , ক্ষতিপূরণের একটা অংশ বানু নাদেরেরও বহন করা উচিৎ এই দাবী নিয়া মোহাম্মদ তাদের কাছে গেলে ঘটনার সূত্রপাত । বানু নাদের গোত্রের লোকজন মোহাম্মদকে বাইরে রেখে ভিতরে আলোচনা করার জন্য সময় নিয়ে যায় । এমন সময় জীব্রাঈল এসে মোহাম্মদকে খবর দেয়, বানু নাদেরের লোকরা বাড়ির ছাদ থেকে পাথর ফেলে মোহাম্মদকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে । জীব্রাঈল এর বাণী পাওয়ার পর মোহাম্মদ বানু নাদেরের লোকজনের সাথে আর কোন কথা না বলে , নিজের অঞ্চলে ফিরে এসে সৈন্যবাহিনী নিয়ে তাদেরকে আক্রমণ করে । অবরোধের সময়ে বানু নাদেরের খাদ্য সরবরাহের উৎস তাদের খেজুর গাছগুলিকে জ্বালিয়ে দেয় মোহাম্মদের বাহিনী । ফলে চৌদ্দ দিনের মাথায় তারা আত্মসমর্পণ করে । তাদেরকে মদিনা থেকে বিতাড়ণ করা হয়, এবং শর্ত দিয়ে দেয়া হয়, তারা তাদের গায়ে এবং উঠের পিঠে যতটুকু বোঝাই করা যায় এর বেশি কিছু সঙ্গে নিতে পারবে না ।
এপোলোজেটিক ভার্শন : নবীরে হত্যাপ্রচেষ্টা, আর জিব্রাঈলের খবরেতো ভুল হওনের কোন সম্ভাবনা নাই । অতএব ঠিকই আছে , বানু নাদের তাদের প্রাপ্য শাস্তিই পাইছে ।
এটাকিং ভার্শন : যেকেউইতো তাইলে একটা কাল্পনিক দূতের নাম দিয়া যে কারো বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনতে পারে । স্বতঃসিদ্ধই যদি হয় , তাইলে......
৩ : বানু কুরাইজা
বানু কুরাইজার অবস্থান ছিলো খন্দকের যুদ্ধে কাটা খালের পাশে, মদীনার বাইরে । তাদের সাহায্য পাইলেই কুরাইশদের পক্ষে সম্ভব হৈত খাল পার হয়ে মদীনায় ঢুকা । কুরাইশরা তাদের প্রতিনিধি পাঠায় কুরাইজা গোত্রের লোকজনের কাছে, তাদেরকে খাল অতিক্রমে সাহায্য করার জন্য । কিন্তু কুরাইজার লোকেরা এক অদ্ভূত প্রস্তাব দিয়ে বসে । তারা বলে যদি কুরাইশদের দশজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে জিম্মি হিসাবে বানু কুরাইজার কাছে হস্তান্তর করা হয় তবেই তারা কুরাইশদের সাহায্য করবে । কুরাইশরা এটা মেনে নিতে অস্বীকার করে । ফলঃত খাল অতিক্রম না করতে পেরে তাদের ফিরে যেতে হয় ।
কিন্তু কুরাইশরা ফিরে যাবার পর মোহাম্মদ জিব্রাঈলের মারফতে আল্লার নির্দেশে বানু কুরাইজাকে আক্রমণ করে , বিশ্বাসঘাতকতার অপবাদ দিয়ে । পরে তাদের বন্দী করে , বিচারের ভার দেয়া হয়, তাদেরই গোত্র থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হওয়া একজনকে । তার রায় হয়, সকল গুপ্তকেশ গজানো পর্যন্ত বয়সের পুরুষকে হত্যা করা হোক, এবং নারী ও শিশুদের দাস/দাসী হিসাবে মুসলিমদের মধ্যে বন্টন করা হোক । মোহাম্মদ তার এই বিচারে খুশি হয়ে সম্মতি দেয় । মদিনার বাজারে গর্ত খুড়ে একদিনে প্রায় সাতশ লোককে কতল করা হয় এবং তাদের নারী ও শিশুদের দাস/দাসী হিসাবে মুসলিমদের মধ্যে বন্টন করা হয় ।
এপোলোজেটিক ভার্শন : বিশ্বাসঘাতকতা করতে চাওয়ার জন্য এই শাস্তি তাদের প্রাপ্য । আর তাছাড়া বিচারতো মোহাম্মদ নিজে করেন্নাই । তাদের গোত্রেরই একজনকে দেয়া হৈছিলো বিচারের ভার ।
এটাকিং ভার্শন : বিশ্বাসঘাতকতা করলেওতো এত বিশাল শাস্তি তাদের প্রাপ্য হৈতে পারে না । সেইখানে কেবল প্রচেষ্টার জন্য ... । আর বিচারক নাইলে নিষ্ঠুর রায় দিলোই, সেইখানে মোহাম্মদের দয়া কোথায় গেলো । আর অন্যের কাছে বিচার তুলে দেয়ার ঢংটাই বা কেনো ।
তথ্যসূত্র : ইবনে ইসহাকের সিরাত রাসুলুল্লাহ এবং তারিখ-আল-তাবারি
-----------------------------------------------------------------------------
বানু নাদেরের ঘটনা > ইবনে ইসহাকের সীরাত রাসুলুল্লাহ , (অনুবাদ এ.গুলিওম) পৃষ্টা ৪৩৭-৪৩৮
বানু কুরাইজার ঘটনা > বনে ইসহাকের সীরাত রাসুলুল্লাহ , (অনুবাদ এ.গুলিওম) পৃষ্টা ৪৬৪
রেফারেন্স দিলাম ।
বানু কাইনুকার ঘটনাডা ইবনে ইসহাকে বিস্তারিত নাই, ঐটা তাবারিতে আছে । হাতের কাছে তাবারি নাই এখন ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: কোরানের নির্দেশ । মোহাম্মদের নিজের কিছু না ![]()
লেখক বলেছেন: ওক্কে । পইড়া কমেন্টাইয়েন ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ইন্টারেস্টিং.. এই জিব্রাইল ক্যারেক্টারটাকে কেউ কোনদিন দেখার রেফারেন্স পাওয়া যায় না... ফিটের রোগী মোহম্মদই খালি দেখতো তারে.... আজিব!!!
আর আম্গো মোছলেম ভাইগন সেইটা বিনা প্রশ্নে বিশ্বাস করে...
খিকজ্!!
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
৭ম শতকের সময় হয়ত এটাই ঠিক সিলো, কিনতু এখন বড্ড অমানবিক।আমরা কেউই মানতে চাইনা যে, সময়ের সাথে মানুষের দৃষ্টিভন্গি ও পাল্টায়।কয়েকশ বছর আগেও দাস বেবসা সিলো চার্চ ঘোষিত, ডিভাইন।এখন তা কয়জন মানবো???
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
শেষেরটা পরে শিউরিয়ে উঠলাম। আমি জানি না সত্য ব্যাপারটা কী । তবে, যে ভাবে বর্ণনা দিছেন, আসলেই শেষের ব্যাপারটায় শিউরে উঠলাম। বিশেষ করে, নারী আর বাচ্চাদেরকে কৃতদাস হিসেবে নেয়া হল। আর একটু আগে তাদের বাপ ভাই মারা গেল। সাতশ লোক নিশ্চয়ই বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তি পেতে পারে না। যাক, ব্যাপারটা নিয়ে শিওর না হওয়া পর্যন্ত পাকনামি করে আন্দাজে কিছু বলতে চাইনা। তবে, শেষের বিচারটা আমাকে নাড়া দিল।
লেখক বলেছেন: হ, পইড়া দেখো । অবশ্য অতি উচ্চবেগে চললে এইগুলা হরিফাইং নাও হৈতে পারে । ![]()
খালেদ সময় বলেছেন:
দূরের পাখি, আরিফুর রহমান, মনির আর আধার নামক আধারের লোকেরা কোরআন আপনাদের ঘরে নিশ্চয় শিকেয় তোলা আছেআপনাদের মতো যু্ক্তি তর্ক একসময় দেখাতেন প্রফেসর হুমায়ুন আজাদ। কিন্তু তার মৃত্যুর পর তার জানাজা কেন হলো সেটার উত্তর কি আছে। কই তার পরিবার ও তো না করলো না।
আপনার লেখাটি যেখান থেকে সংগ্রহ করেছেন সমস্তটা ভন্ডামি। আপনার যদি আল্লাহতে বিশ্বাস থাকতো, মোহাম্মদ (সাঃ) এর প্রতি ভালোবাসা থাকতো তবে এমন নির্লজ্জ মিথ্যাচার করে একটি জাতিকে অবমূল্যায়ন করতে পারতেন না।
কোরআন আমারও পড়া হয় না সব সময়। কিন্তু যতটুক পড়েছি তাতে বুঝেছি। এখানে প্রশান্তি আছে। অনেকদিন পর ব্লগ ওপেন করে এমন সব লেখা আর মন্তব্য দেখে নিজের আইডি খুলে পাল্টা একটি মন্তব্য করতে ইচ্ছা হল।
ব্লগের পাঠকদের বিভ্রান্ত করবেন না দয়া করে। আপনি নিজে যা বিশ্বাস করেন তাতেই সীমাবদ্ধ থাকুন। আর লেখার সূত্র ইবনে ইসহাকের সিরাত রাসুলুল্লাহ এবং তারিখ-আল-তাবারি ঘেটেই এতো কিছু বিশ্বাস করেন। কই কোরআন কি বললো তার তো কোন উদাহরন দিলেন না। যদি কোরআন হাতে নিয়ে ঘাটাঘাটি করতেন তাহলে এখন আপনার লেখাটি শুধু এখানে ছেপে দিতেন না। পাল্টা কোরআন কি বলে তা দিতেন। দয়া করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার মতো পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন। এমন পোষ্ট করে মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করবেন না।
লেখক বলেছেন: লেখাটি সংগ্রহ করা ইতিহাস । সোর্স উল্লেখ করছি লেখাতেই । কোরানে শান্তি আছে কি নাই সেইটা দিয়া কি কাম ? কোরানতো ইতিহাসের সোর্স হিসাবে গ্রহণযোগ্য না ।
নুভান বলেছেন:
দুরের পাখি ভাই, তিরিশ বৎসরে ইতিহাস পাল্ডায়া যায় আর আপনে আইছেন প্রায় ১৫০০ বৎসর আগের ইতিহাস লয়া টানাটানি করতে যার কুনো বালা রেফারেন্স ও নাই। বেহুদা পুস্ট, মাইনাস।আলিপুল ছাগুডারে আইজ বেশ জোশে আছে দেখতাছি। কেমুন আছুত রে রামপাডা? তোর ডেড টেরুরিস্ট মরনের আগে তরে কি কয়া গেল? কইলিনা যে কাগু?
লেখক বলেছেন: পাল্টায়া যায় দেইখা সেই ইতিহাস কেউ লেখে না তা তো না । ১৫০০ বছর আগের ইতিহাসে অনিশ্চয়তার এলিমেন্ট সবকিছুতেই যোগ হবে । আমিতো দুইজনের থাইকা নেয়া ইতিহাস বর্ণনা করলাম মাত্র ।
অন্যরকম বলেছেন:
হঠাৎ ইহুদীপ্রেম উৎলাই উঠল কেন???
লেখক বলেছেন: খ্যাকঝ ! নিরীহ ইতিহাস বর্ণনাতে আবার পিরীত পাইলা কৈ ?
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
বানু ক্বুরায়জা'র ঘটনা আগে থেকেই জানতাম। অ্যাটাকিং বাদ দিলাম, এপোলোজেটিক ভার্সনটাও প্রচণ্ড নিষ্ঠুর। এটাকে সম্ভবত কোন স্কলার ডিফেণ্ড করতে পারেন নাই। ভুয়া কাহিনী বলে উড়িয়েও দিতে পারেন নাই। ইসলামের মূলনীতি যতই অহিংস হউক না কেন, তার প্রসার এবং রাজনীতির নৃশংসতার এটা একটা ভয়ানক উদাহরণ।
লেখক বলেছেন: এইজন্যই এটার উল্লেখেই অনেকের জ্বইলা পুইড়া যায় ।
এস বাসার বলেছেন:
ব্যাপারগুলি বিকৃত মনে হচ্ছে। সত্যটা আড়াল করা হ্য়ছে.... তাই মানতে পারলামনা।
লেখক বলেছেন: সত্যটা তাইলে আপ্নে বাইরে আনেন ।
লেখক বলেছেন: সিটিএন
নুভান বলেছেন:
আবার জিগায়, ব্যাফক মজা, টেস্ট করেন নাই?
এস. এম. রায়হান বলেছেন:
ইবনে ইসহাকের সিরাত রাসুলুল্লাহ এবং তারিখ-আল-তাবারি'র কোথায় এই কাহিনী লেখা আছে? ইসলামিক পোস্টে উল্টা-পাল্টা মন্তব্য ও মাইনাস দিয়ে পনেরশ' বছর আগের এক ইহুদী ট্রাইবের জন্য মায়াকান্না দেখার মতো। মহাভারত ও গীতার ম্যাসাকারের জন্য মায়াকান্না হয় না?Did the Prophet massacre and persecute the Jews in Madina?
http://shodalap.com/R_Prophet.htm
লেখক বলেছেন: তালগাছতো আপ্নেরে কবেই দিয়া রাখছি ।
খালেদ সময় বলেছেন:
দূঃখজনক যে কোন আজিব সূত্র থেকে কপি পেষ্ট মারা এ গল্পটিও মানুষ দেদারছে খাচ্ছে। আর তাই তাকে বাহবা দেয়ার সংখ্যাটাই বেশি। কেউ কেউ একটু বেকে এসে তাকে সমর্থন জুগিয়ে তাদের সন্দেহটা প্রকাশ করে সহমত জানাচ্ছেন।
নুভানের মতো দৃঢ়ভাবে আমি ধিক জানাই তাদের। অন্যরকম একটা চমৎকার কথা বলছেন, ইহুদী প্রেম এতো উৎলে উঠলো হঠাৎ।
এস বাসার কি এখনো বিকৃতই মনে করছেন। এগুলোতো ঢাহা মিথ্যা এবং মানুষের মগজ ধোলাইয়ের উপকরন।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
@খালেদ, কোরান আমার ঘরে নাই.. তবে কম্পুটারে আছে, রেফারেন্সের জন্য এই ব্যাপক বোরিং বইটা রাখতে হয়..
আর হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুর সময়টা কি রকম ছিলো ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করলে তো হবে না। জোট সরকার নিজেদের উদ্যোগে তাঁকে খুন করালো... তারপর তাকে জানাজা করালো... পুরোটাই একধরনে নির্লজ্জ প্রতিশোধ স্পৃহা থেকেই হয়েছে.. জঘন্য। আর হুমায়ুন আজাদের স্ত্রীকে তিনি নিজের মতের দাস বানাননি... মোছলেম হাজবেন্ড যেভাবে নারীকে যেনতেন প্রকারে নিজের অধীনস্থ করে..সেভাবে করলে তার স্ত্রী নিশ্চয়ই তার কথা শুনতো..!!
পয়েন্টটা হলো স্বাধীনতা ও অন্যকে 'মানুষ' মনে করা। তবে স্ত্রী হিসেবে সেই আস্থার প্রতিদান তাঁর স্ত্রী হুমায়ুন আজাদকে দিতে পারেন নাই।
আর কোরানের রেফারেন্স টানছেন বার বার.. অথচ.. এই কথাটা মাথায় আসলো না... যে মোহাম্মদ যদি উপরোক্ত অপকর্মগুলি করেই থাকেন নিশ্চয়ই কোরানে সেগুলির উল্লেখ তিনি করবেন না...!! আফটার অল সবাই নিজের পাপ গোপন করতে চায়!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
@দাউদ মিঞা... ইতিহাস বয়ান করলে... বিশেষত দুই দিকের বক্তব্য তুলে ধরলে যদি কারো পোন্দে জ্বলুনি শুরু হয়, সেইটা কার সমস্যা?ইতিহাস পোস্টারের নাকি যার পোন্দের চামড়া চরম পাতলা???
মোছলেম গুলারে বলো গিয়া চামড়া মোটা করতে... ইতিহাস কোনদিন বায়াজড হয় না... নির্জলা বয়ান..
ভাবুক ০৯ বলেছেন:
এ ধরণের বিষয় নিয়ে লেখা হলেই শুরু হয়ে যায় আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ। লেখক যদি মনে করেন ঘটনাগুলো সত্য, তাহলে তিনি উপযুক্ত এবং বিশ্বাসযোগ্য রেফারেন্স দিতে পারতেন। যে বই গুলোর রেফারেন্স দিলেন, সেগুলোরও পৃষ্ঠা নম্বর দিলে ভাল হত।যারা বিরুদ্ধে বলছেন, তারা মনে করেন এই ঘটনা সত্য হতেই পারে না। যদি প্রমাণিত হয় সত্য, তাহলে তাঁরা কি সিদ্ধান্ত পাল্টাবেন? নাকি এপোলোজেটিক ব্যাখ্যা দাঁড় করাবেন?
কেউ কি দায়িত্ব নিবেন, ঘটনাগুলোর সত্যতা/অসত্যতা প্রমাণ করার!
লেখক বলেছেন: ঘটনাগুলার সত্যতা অসত্যতা প্রমাণ এখন অসার । ইবন ইসহাক এবং তাবারিতে ঘটনাগুলার বর্ণনা আছে এইটা নিশ্চিত । কিন্তু এখন এইগুলা মোছলেমদের বললে তারা বলবে ইবনে ইসহাকের বা তাবারির ভুলও হৈতে পারে । এবং সেটা অবশ্যই সত্য । যদি বুখারি থেকে এইরকম একটা কিছু বাইর কৈরা দেখাই তারা বলবে বুখারিতে ভুল থাকতে পারে । যদি কোরান থেকে কিছু একটা দেখানি হয় তখন তারা বলবে কোরানের ঐটার শানেনুযুল অন্য কিছু ছিলো বা ঐটা ছিলো রুপক অর্থে । সো বুঝতেই পারতাছেন ।
তানিয়া কবির লিজা বলেছেন:
@আরিফুর রহমান: তুমি তো নাস্তিক হে...............তুমি ধর্মের কথা লইয়া উঠা পড়া কর কে?? নাকি সব সময় তোমার জায়গা বিশেষ চুলকানি দেয়..........................
তানিয়া কবির লিজা বলেছেন:
@লেখক: ভন্ডামির সীমা থাকা দরকার................তুমি একটা নাস্তিক তুমি এই ধর্ম নিয়া লাফাও কে???
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
পোস্ট পড়ে ভালো লাগছে কিন্তু রেফারেন্স দিলে আরো ভালো হতো।
খালেদ সময় বলেছেন:
@ মি. আরিফ..... কোরান আমার ঘরে নাই.. তবে কম্পুটারে আছে, রেফারেন্সের জন্য এই ব্যাপক বোরিং বইটা রাখতে হয়.. .........কোরআন কে যদি ভালো না লাগে তা প্রকাশ করে অন্যকে কেন পেইন দিবেন। আপনার প্রিয়তমা স্ত্রী বা সন্তান আপনার কাছে যেমন প্রিয় হয়তো তাদের কেউ অপছন্দ করে পুরো শহরে পোষ্টারিং করলো তাতে কি হলো .........
আপনার ভালো লাগেনা আপনি চুপ করে থাকেন একে বিকৃত করার দায়িত্ব নিচ্ছেন কেন। কোন মুসলমান কি আপনার ভারা ভাতে পানি দিয়েছে?
আপনার নামটাওতো পারলেন না চেইঞ্জ করতে? আপনার মৃত্যুর পরও কি জোর করে জানাজা দেওয়া হবে? জানিনা আপনি ইয়াহুদী কিংবা কাদিয়ানি বংশোদ্ভুত না কি ভিন্ন মতাবলম্বী হয়ে মুসলিম নাম ধারন করে আছেন।
হুমায়ুন আজাদকে যখন জানাজা দেওয়া হলো কই তার সুখের সাথীরা তো কেউ বাধা দিলেন না। তারপর যদি সরকার জোর করে জানাজার আয়োজন করে থাকে সেটাও তো দেখলাম না।
যতসব বাজে তর্ক বাদ দিয়ে কোরআন টা একবার হাতে নিন। তারপর পরে যদি না ভালো লাগে তারপর বলুন ভালো লাগেনি। এটা আপনার সেল্ফে জায়গা হয়নি কেননা যতসব অপবিত্র বইয়ের সাথে এই মূল্যবান গ্রন্থটির অবমূল্যায়ন হবে বলে।
ধিক আপনার চিন্তা চেতনাকে.......... ।
হোরাস্ বলেছেন:
এ যে দেখি ব্যপক ক্যাড়ফা.... কপিরাইট কেল্টূ দা।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: মোছলেম গুলারে বলো গিয়া চামড়া মোটা করতে... ইতিহাস কোনদিন বায়াজড হয় না... নির্জলা বয়ান.. লংকায় রাবণ জিতলে রামায়ণ না হইয়া রাবণায়ন হইতো।
যুদ্ধে না হারলে হিটলার হইত সুপার হিরো
ইতিহাস বায়াসড হয় না এই কথা ইতিহাসবিদরে গিয়া কইলেও হাসবো
লেখক বলেছেন: লংকায় রাবণ জিতলে রামায়ণ না হইয়া রাবণায়ন হইতো।
যুদ্ধে না হারলে হিটলার হইত সুপার হিরো
তা যা বলেচেন । মাগার চাইপা রাখতে রাখতেও পারে নাইক্কা , পাব্লিক খুব ঝানু জিনিস । খুটাইয়া খুটাইয়া ঠিকি বাইর কৈরালায় । বাংলাদেশের কথাই চিন্তা করেন্না । আম্লিগ বিম্পি জামাত মিল্যাতো অনেক দিকে অনেক রকমের চেষ্টা করলই, ইতিহাস কি লুকাইয়া রাখা গেলু ?
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: বানু ক্বুরায়জা'র ঘটনা আগে থেকেই জানতাম। অ্যাটাকিং বাদ দিলাম, এপোলোজেটিক ভার্সনটাও প্রচণ্ড নিষ্ঠুর। এটাকে সম্ভবত কোন স্কলার ডিফেণ্ড করতে পারেন নাই। ভুয়া কাহিনী বলে উড়িয়েও দিতে পারেন নাই। ইসলামের মূলনীতি যতই অহিংস হউক না কেন, তার প্রসার এবং রাজনীতির নৃশংসতার এটা একটা ভয়ানক উদাহরণ।
কিছুদিন আগের লেখা থেকে তুলে দিচ্ছি-
Click This Link
ছোটবেলা এমন কি এখনও মুসল্লিদের খপ্পরে পড়তে হয়; এটার একটা খুব সুন্দর নাম আছে: দাওয়াতি কার্যক্রম, যারা বেনামাজী মুসলিম ভাই-বোনদের নামাজ এবং ধর্মে উৎসাহী করে তোলার চেষ্টা করে।
যদিও বলা হয় যার যার ধর্ম তার তার গাছে তবুও এই দাওয়াতি কার্যক্রম নিয়ে কেও কখনও অভিযোগ তুলে নাই কারন কেও কেও বিরক্ত বা বিব্রত হলেও দাওয়াত একটি শান্তিপূর্ণ কর্মকান্ড। আমার মনে হয় সবাই এই কথার সাথে একমত হবেন।
যাইহোক এখন কথা হইল: আমরা কিছু সংশয়বাদী/ নাস্তিকরা মিলে যদি এরকম দাওয়াতি কার্যক্রমে রাস্তায় বের হই অবস্থা কেমন ঘটতে পারে তার একটা চিত্র মনে মনে আকার চেষ্টা করছি। আমার মাথায় আসছে না ঠিক কি কি ঘটতে পারে।
কি ঘটতে পারে বলুন তো -
দুরের পাখি বলেছেন:
বানু নাদেরের ঘটনা > ইবনে ইসহাকের সীরাত রাসুলুল্লাহ , (অনুবাদ এ.গুলিওম) পৃষ্টা ৪৩৭-৪৩৮বানু কুরাইজার ঘটনা > বনে ইসহাকের সীরাত রাসুলুল্লাহ , (অনুবাদ এ.গুলিওম) পৃষ্টা ৪৬৪
রেফারেন্স দিলাম ।
বানু কাইনুকার ঘটনাডা ইবনে ইসহাকে বিস্তারিত নাই, ঐটা তাবারিতে আছে । হাতের কাছে তাবারি নাই এখন ।
বাকিরা হুদায় গেজাইতেছে কেন এটাই বুঝতাছিনা। রাস্তার পাগল যা ইচ্ছা কইতে পারে, যা ইচ্ছা ছুইরা মারতে পারে। মানুষের কাজ তার থেকে দূরে থাকা আর পরিবারের কাজ হইছে সামলাইতে না পাড়লে গারদে দিয়া আসা ।
ওগো ক্সেহেতু পরিবার নাই বাকিরা দূরে থাকুন, সময় নষ্ট করেন কেন
লেখক বলেছেন: উপ্রে রিপারেন্স দিছি , পারলে পইড়া দেইখ্যেন ।
পল্লী বাউল বলেছেন:
ভালো লাগলো, ধন্যবাদ।
মদন ক বলেছেন:
@তানিয়া কবির লিজা বলেছেন: @আরিফুর রহমান: তুমি তো নাস্তিক হে...............তুমি ধর্মের কথা লইয়া উঠা পড়া কর কে?? নাকি সব সময় তোমার জায়গা বিশেষ চুলকানি দেয়..........................@খালেদ সময় বলেছেন: @ মি. আরিফ..... কোরান আমার ঘরে নাই.. তবে কম্পুটারে আছে, রেফারেন্সের জন্য এই ব্যাপক বোরিং বইটা রাখতে হয়.. .........
কোরআন কে যদি ভালো না লাগে তা প্রকাশ করে অন্যকে কেন পেইন দিবেন। আপনার প্রিয়তমা স্ত্রী বা সন্তান আপনার কাছে যেমন প্রিয় হয়তো তাদের কেউ অপছন্দ করে পুরো শহরে পোষ্টারিং করলো তাতে কি হলো .........
আপনার ভালো লাগেনা আপনি চুপ করে থাকেন একে বিকৃত করার দায়িত্ব নিচ্ছেন কেন। কোন মুসলমান কি আপনার ভারা ভাতে পানি দিয়েছে?
আপনার নামটাওতো পারলেন না চেইঞ্জ করতে? আপনার মৃত্যুর পরও কি জোর করে জানাজা দেওয়া হবে? জানিনা আপনি ইয়াহুদী কিংবা কাদিয়ানি বংশোদ্ভুত না কি ভিন্ন মতাবলম্বী হয়ে মুসলিম নাম ধারন করে আছেন।
হুমায়ুন আজাদকে যখন জানাজা দেওয়া হলো কই তার সুখের সাথীরা তো কেউ বাধা দিলেন না। তারপর যদি সরকার জোর করে জানাজার আয়োজন করে থাকে সেটাও তো দেখলাম না।
যতসব বাজে তর্ক বাদ দিয়ে কোরআন টা একবার হাতে নিন। তারপর পরে যদি না ভালো লাগে তারপর বলুন ভালো লাগেনি। এটা আপনার সেল্ফে জায়গা হয়নি কেননা যতসব অপবিত্র বইয়ের সাথে এই মূল্যবান গ্রন্থটির অবমূল্যায়ন হবে বলে।
ধিক আপনার চিন্তা চেতনাকে.......... ।
ধরছেন ঠিক ই আরিফুর রহমান / ঘানা দা আসলে মুছলিম বা নাস্তিক নয় । সে একজন উগ্র হিন্দু।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
@খালি পিডাইতে, আমি মনে করি, যে কোন ধরনের দাওয়াতের একটাই উদ্দেশ্য থাকেঃ ছলে, বলে, কৌশলে সেই মতবাদে সঙ্গী/সাথী জোগাড়করণ। এটা ধর্ম থেকে শুরু করে যে কোন সাম্যবাদ পর্যন্ত খাটে। এমনকি নাস্তিকতা/সংশয়বাদও একটা ধর্ম— সকল কিছু অবিশ্বাস করার ধর্ম। সেটা শান্তিপূর্ণভাবেই করেন, আর এক্সিস্টিং ধর্মগুলোকে আঘাত করেই করেন, তাতে উদ্দেশ্য বদলে যায় না। যেখানে উদ্দেশ্যটা এমন সেখানে ফলাফলও অন্যান্য ধর্মের মতোনই হবে বলে আন্দাজ করি। কেউ নাস্তিক্যবাদে আস্থা আনবে, আর কেউ আনবে না। ================
@লেখক, এখানে যেহেতু প্রচুর ঝগড়াঝাটি এবং অশ্রাব্য গালাগালি চলছে, তাতে মনে হলো মন্তব্য করা অসার। বানু ক্বুরাইজা বিষয়েদুইটা এপোলোজেটিক যুক্তি আমার বুঝে আসেঃ
১। সেসময়ের সামাজিক আইনগুলো সম্ভবত এমন অনমনীয় ও নৃশংস ছিল। ধীরে ধীরে আমরা অপরাধ ও অপরাধীদের ব্যাপারে সংবেদনশীল হইতেছি। এখন মৃত্যুদণ্ড নৈতিক কী না সেটাই যাচাই করা হচ্ছে।
২। শুরুতে একটা দৃষ্টান্তমূলক কঠোরতা দেখাতে হয়, যেটা হয়তো অনৈতিক। অনেকটা ক্ষেতের মাঝখানে পাখি মেরে রাখার মতোন।
প্রথমটার রিফিউট হলো, ইসলামের "সর্বযুগের জন্য প্রযোজ্যতা"র বাণী একটু টলে যায়। আর দ্বিতীয়টার ব্যাপারে আমি মনে করি প্রজ্ঞাহীন একজন বিচারকের দায়। মুহম্মদ (সঃ) এর নিজস্ব বিচার হইলে এমন হইতো কী না কে জানে!
লেখক বলেছেন: যা বলার তো বল্লেনই । আমি আর কি যোগ করমু । আমি অবশ্য কোন পক্ষে যুক্তি দেখানি বা রিফিউট করার জন্য এইগুলা দিই নাই । যে কারণে দিছি সেইটা পুরাপুরি সফল । কোন পক্ষ না নিয়া কেবল ঘটনাগুলা বর্ণনা করাতেই যাদের গা পুড়ে পুড়ে উঠছে তারা প্রকারান্তরে এইটা স্বীকার করে নিচ্ছে যে ঘটনাগুলা খুব খারাপ । রিফিউটেশনে কারো তেমন মনোযোগ নাই ।
বক্ররেখা বলেছেন:
অতি চমৎকার পোস্টটি ঘিরে কিছু ছাগলের লাফালাফি দেইখা ভালই লাগছে। ++++
লেখক বলেছেন: হেহেহে
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
@ছন্নছাড়ার পেন্সিল; আমার প্রশ্ন ছিল, কাল যদি আমি ও সমমনা কয়েকজন রাস্তায় দাড়িয়ে; ধরুন কাকরাইল মসজিদের আশপাশে দাড়িয়ে নাস্তিকতা বিষয়ক দাওয়াতি কার্যক্রম শুরু করি- সুস্থ শরীর নিয়ে কি বাসায় ফিরতে পারব?
লেখক বলেছেন: তুমার এই একই প্রশ্নের উত্তর কয়েকশবার বিভিন্ন জায়গায় দেয়া হৈছে । কেনু আমরা দর্মের বিরুধিতা করি, কেনু আমরা দর্ম বিশ্বাস না কৈরাও দর্মের কতা বলি, এইগুলা লয়া কিছু না । তুমি না দেইখ্যা আবালের মত একই ছিড়া ক্যাসেট আবার বাজাইলে কয়বার চুদতাম ![]()
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
@খালি পিডাইতে, স্যরি, আমি বুঝতে পারি নাই প্রথমে। আপনি বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে এই কথা ভাবলেনই বা কীভাবে? (এটা অবশ্য সকল দেশের নিজস্ব ধর্মের বেলায়ই খাটে)আপনার প্রশ্নেই উত্তর দিয়ে দিয়েছেন। যে দাওয়াতীরা শান্তিপূর্ণ প্রচার করেন, তাদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত হেনে খুব পণ্ডিত ব্যক্তিও এই জনপদে নিরাপদ নন। যাঁরা বুদ্ধিমান, তারা চুপ থাকে।
(ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে দুইপক্ষের কোনটারই দাম নাই। আশা করি বাস্তবতা বর্ণনা করার কারণে আপনি বা অন্যকেউ আমারে নাস্তিক ভাববেন না।
মনজু মজুমদার বলেছেন:
লেখক, এই রাতে এই পোষ্টের মানে কি? আপনার মানসিকতা টের পাওয়া যায়! কেন এত ঘৃনা ছড়ান?মানুষ কোন যন্ত্র নয়! মানুষের স্পিরিটুয়াল নিডটা সম্পূর্ন মানবীয়!ভাত কাপড়ের মতই জরুরী ।মানুষ নিজের প্রবৃত্তি কে জয় করতে পারে না।এগুলো থাকে রক্তের ভেতর ।ঘাপটি মেরে থাকে । আপনার নিজের ভেতরেও আছে! আপনি জানেন না অথবা আপনার হিংস্র হয়ে ওঠার মধ্য নিশ্চয় এর ইতিহাস আছে!মুসলিমদের অতি প্রিয় দিনে এই পোষ্টের মাধ্যমে যে প্রসঙ্গ তুললেন তাতে শুধু আপনার হিংস্রতা নয় আরো কি যেন একটা গা রী রী করা ব্যাপার টের পাচ্ছি!লেখক বলেছেন: আপনাদের সম্মানিত বই থাইকা কিছু ইতিহাস তুইলা দিলাম মাত্র । রিপারেন্স সহকারে । এইখানে মানসিকতার প্রশ্ন আসছে কেন ?
অনেক কমেন্ট করে , শেষে আবার পাদটিকা লিখে অনেকে । গাছেরটাও খায় , তলারটাও কুড়ায়
লেখক বলেছেন: হ , বুঝছেন । জয়তু ছামু ।
শেরজা তপন বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়ে চরম হতাশ হলাম ভাই!তের চৌদ্দশ বছর ধরে মুসলীম অসমুসলীম অনেক বড় বড় ইতিহাসবিদ বা জীবনীকার মুহম্মদের জীবনী বা তৎকালীন ইতিহাস লিখেছেন। কষ্ট করে তাদের দুয়েকটা বই পড়েন।
এত সহজেরই যদি এত ভুল ধরে ফেলেন তাহলে ক্যামনে হবে!
আরেকটু জানেন বুঝেন শিখেন।
আরবের যাযাবর বা গোত্রদের 'ঘুযু' আইন বা পদ্ধতি নিয়ে একটু পড়েন।
কুরাইজারা'(আমার ধারনা এটা ভুল গোত্র নাম) কি ধরনের বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিল এবং কেন তাদের সেই শাস্তি প্রাপ্য ছিল এই নিয়ে একটু বিস্তারিত পড়বেন আশা করি।
ভাল থাকবেন। মুহাম্মদকে নবী হিসেবে না ধরলেও শুধু মানুষ হিসেবে তার যেইসব গুনাবলী ছিল তার দুয়েকটা পেলে এই জীবনে বর্তে যেতাম-রে ভাই
লেখক বলেছেন: এক্কেবারে যে পড়া নাই তা না । তবে একটা দোষ দিতারেন, ক্রিটিক্যাল এবং প্রশংসামূলক দুইটা একি সাথে পড়ছি, তয় ইতিহাস বিজয়ীরা লেখে এই ধারণার কারনে ক্রিটিক্যালগুলারে বেশি মনোযোগ দিয়া পড়ছি । বনি কুরাইজার বিশ্বাসঘাতকতা কথা আমি যদ্দুর বর্ণনা করলাম এইটার বেশি কোথাও দেখি নাই । আপনের জানা থাকলে বলতে পারেন ।
আর মোহাম্মদের গুণাবলী হেহ ! খোদাই করা চোখ দিয়া দেখলে পাইবেন । তয় খালি একটা ক্লু দিই । মানুষ তার বন্ধুর সাথে কি ব্যবহার করে সেইটা দিয়া তার চরিত্র বোঝা যায় না, শত্রুর সাথে কি ব্যবহার করে সেইটা দিয়া বোঝা যায় ।
শেরজা তপন বলেছেন:
ধন্যবাদ। শুধু ক্যারেন আর্মস্ট্রং এর 'মুহাম্মদ' বইটা একটু পড়বেন দয়া করে।উনি শুধু প্রশংসা করেননি - সমালোচনাও করেছেন। মুহাম্মদকে নিয়ে আমার পড়া এত নিরপেক্ষ বই আমি আর পড়ি নাই।
প্লিজ
তারপর না হয় আরো অনেক কিছু বলবেন।ভাল না লাগলে কেন লাগে নাই একটু জানাইলে খুশী হব।
লেখক বলেছেন: ওক্কে ।
লেখক বলেছেন: তয় ওস্তাদ, মুসলমানরা মনমত না হৈলে বুখারিও মানতে চায় না । সেইখানে নাছারার লেখা ইতিহাস !! নাউযুবিল্লাহ । রিফারেন্স হিসাবে কোনদিনও প্রতিষ্ঠা করা যাইবো না । আর ক্যারেন আর্মস্ট্রং কন আর মার্টিন লিংস কন আর ওরারেন সামথিং কন সবাই ডেটা কালেক্ট করছে সেই তাবারি, ইসহাক আর বুখারি মুসলিম থাইকাই ।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
পড়লাম। তুইলা রাখলাম।
লেখক বলেছেন: থ্যান্কস ।
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
আপনার প্রশ্নেই উত্তর দিয়ে দিয়েছেন। যে দাওয়াতীরা শান্তিপূর্ণ প্রচার করেন, তাদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত হেনে খুব পণ্ডিত ব্যক্তিও এই জনপদে নিরাপদ নন। যাঁরা বুদ্ধিমান, তারা চুপ থাকে।
@ছন্নছাড়ার পেন্সিল; আমরাও তো শান্তিপূর্ণ প্রচারে আগ্রহী। তারা যে শান্তিপূর্ণ দাওয়াতী কার্যক্রম চালাচ্ছেন সেটা যে আমাদের ধর্মানুভিতে (নাস্তিকতা) প্রতিনিয়ত আঘাত করে চলেছে তার প্রতিকার কি?
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
@খালি পিডাইতে, আমার কথাটারে একটু রিফ্রেজ করি। যে দাওয়াতীরা শান্তিপূর্ণ প্রচার করেন, তারাও ধর্মানুভূতিতে আঘাত পাইলে আপনাকে নিরাপদ থাকতে দেবেন না। দুইটা এক্সট্রিম পাশাপাশি থাকতে পারেনা, একটা আরেকটারে শেষ কইরাই থামে। এক দেশে যেমনে দুই রাজা হয় না। দুই ধর্মের মারামারি ভারতেও আছে। সেটা কি ভালো? আর সার্বজনীন আস্তিক/নাস্তিক মারামারিও আছে। সেটাতেই বা কার কি পোয়াবারো হইতেছে? আখিরাতে লাভ ফর আস্তিক আর "খুব দিলাম কয়টা আস্তিকরে" এই মনের শান্তি ফর নাস্তিক। পুরাই বেহুদা। দুইদল নিজেদের দলে লোক টানতেছে, একদল ধর্ম দিয়া, আরেকদল বিজ্ঞান দিয়া। তাতে করে ধর্ম বা বিজ্ঞানের কোন লাভক্ষতিই হইতেছে না, তাই না?
শেষকথা হইলো এই আঘাত প্রতিঘাতের কোন প্রতিকার নাই। কারণ শেষ ফলাফলটা দুইদলের জন্যেই অবস্তুগত।
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
@ছন্নছাড়ার পেন্সিল; এবার অনেকটাই কাছাকাছি চলে আসছেন। আসল কথা হলো মানবতা, সহনশীলতা। আর এই দুইটা গুন আস্তিক থেকে নাস্তিকদেরই বেশী।
লেখক বলেছেন: এইটা অবশ্য ঠিক্না । আস্তিক মানুষ যেহেতু বাই ডিফল্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাদের মধ্যে অনেকেই আছে মানবিক এবং সহনশীল । হারের বিচারে আপনার কথা সত্য হতে পারে, সংখ্যার বিচারে বোধহয় না ।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
@ আপনি যেটা বললেন, কাছাকাছি আসছি। সেটা একটু আগে এই পোস্টে ( Click This Link ) বলেছি। আমি যে কোন প্রকারের নাশকতা আর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। সেটা ধর্মই করুক আর নাস্তিকতাই করুক। এবং সমস্যার জায়গাটা বলিঃ প্রথম প্রচারে দুইদলেরই শুভবোধ ও মঙ্গলকামনা প্রচুর থাকে। তারপরে আস্তে আস্তে কমতে থাকে। একটা পর্যায়ে হেদায়েতের উদ্দেশ্যে প্রচুর হিংসাবাণী ছড়ানো হয় (অপরদলের বিরুদ্ধে)। তাই আপনার মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, মানবতা, সহনশীলতার গুণ দুই দলেরই কম। যাকগে, আপাতত অফ যাই। আমার মতামতেও কারো কিছু যায় আসে না, সুতরাং মন খাইলে ঝেড়ে ফেইলেন।
লেখক বলেছেন: ভালোইতো চলছিলো । এনিওয়ে , আলোচনার জন্য ধন্যবাদ ।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কোন পক্ষ না নিয়া কেবল ঘটনাগুলা বর্ণনা করাতেই যাদের গা পুড়ে পুড়ে উঠছে তারা প্রকারান্তরে এইটা স্বীকার করে নিচ্ছে যে ঘটনাগুলা খুব খারাপ । রিফিউটেশনে কারো তেমন মনোযোগ নাই ।আরে, আপনি তো বুদ্ধিমান পাখি! এই ধরনের নৃশংস ইতিহাস চার্চেরও আছে। সেগুলো উত্থাপন করলে তারাও তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠে।
(অফ যামু কইলাম আর আপনি ফু দিয়া উস্কাইলেন
লেখক বলেছেন: এক্সাক্টলি !!
ফেইথফ্রিডমে একবার এক ক্যাথলিকরে ইনকুইজিশন কি খালি এইটা জিজ্ঞাস করাতে বিশাল বড় একটা লেকচার ঝাইড়া দিছিলো ।
অ্যামাটার বলেছেন:
ব্লগানির এই এক সুবিধা। উপ্রের কাহানিগুলান কতটুকু সত্য, কতখানি মিথ আর কতটুকুন জুলভার্ন/অ্যাসিমভের ফিকশন; সেইটা কিলিয়ার করে দিতে এইখানে তেমন কুনো ইতিহাসবেত্তা উপস্থিৎ নাই। ইবনে ইসহাকের সীরাতে রাসুলুল্লাহ্ও এর সপক্ষে সঠিক যুক্তিপ্রমাণ কি-না, সেইটাও ক্লিয়ারআপ করার কেউ নাই। মাঝদিয়া ফাঁকা মাঠে নাস্তিকের গোল, ব্রাভো!তয় আপনের বুদ্দি-সুদ্দি ছাগফুরের ইঞ্চিখানেক উপ্রে।
লেখক বলেছেন: ছাগাটার , এত জ্বললে একটা সীরাত রাসুলুল্লা কিন্যা ফালাউনা ।
অ্যামাটার বলেছেন:
গুড। আমি ইদানিং ব্যাক্তি আক্রমন বাদ দিছি। তয় অপেক্ষা করছিলাম একটা খোঁচার লাইগা। এখন লাইসেন্স পাইলাম। মনের সুখ পাইতেছিলাম না।বানান কৈরা পইড়া নাওঃ সি টি এন।
লেখক বলেছেন: হ , তুমারে ছিটিয়েন দিয়া রাখছি আরো আগেই । ![]()
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
অন্যরকম বলেছেন: হঠাৎ ইহুদীপ্রেম উৎলাই উঠল কেন???আইসো সবাই মিল্লা ইহুদী হই!
মাইনাস!
লেখক বলেছেন: > ![]()
হাল্ক বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ![]()
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ইহুদী প্রেমী পোস্ট নিয়া শুনেন উদাসী বয়ান (যদিও আমি ধর্ম কর্ম সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না):যেইখান থিকা লেখা গুলান নেয়া হইছে তার প্রাচীন লেখক হইলো ইবনে ইস হাক। আসল প্যাচ খান এইখানেই। যার লেখা নিয়া এতো ফালাফালি সে কেডা?
সে হইলো একখান পোলা এই বিষয়ে সন্দেহ নাই তবে সে মইরা গেছে ৮০০-৯০০ শতকের মধ্যেই। সে কাদেরিয়া অনুসারী যেইটা আবার আমরা মোটেও দেখবার পারি না। সে মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনী নিয়াও কাজ করছেন তয় আফসোসের ব্যাপার হলো তারে মুসলিম স্কলাররা খুব বেশী দাম দেয় নাই। সে বেশীর ভাগ টাইম যেই নিয়মানুসারে তথ্য সংগ্রহ করতো সেইটা মৌখিক গল্পের মিলনীকরন, যেইটা রিলায়েবিলিটি খুব বেশী না। আমরা যদি হাদিস শরীফ গুলার দিকে টাকাই তাহলে এইটা বুঝা যায় বুখারী আর মুসলিম ছাড়া আর কোনোটাই কইবার পারে তারা ১০০% সহী। আর এই ইমাম বুখারী (রঃ) এত গুলান নিয়ম অনুসরন করিছলো যে তারটাই সবচেয়ে বেছে নেয়া হয়েছে।
তৎকালীন আরবের লোকেরা গুজবে খুব বিশ্বাস করতো। এই যেমন যেইখানে নবিজীর গনীমতের মাল নেয়াটা ঠিক আছে কিন্তু তিনি যে ৫ ভাগের এক ভাগ নিছে সেইটা কিন্তু ১০০% সমর্থিত না। আবার সাতশ লোকরে কতল এইটা নিয়া আমার একটু সন্দেহ আছে। তবে নারী শিশু ভাগাভাগি করে কৃতদাস করে নেয়া হলেও ইসলামে কৃতদাস প্রথাটা একটু অন্যরকম। এটাকে দাস প্রথা বলা যায় না। এটাকে বলা যায় কর্মচারী টাইপ। তাদেরকে বাসার অন্যান্য সদস্যদের মতো আচার আচরন খাদ্য আর পোশাকের অধিকার বজার রাখা হতো।
তৎকালীন এক ফরাসী সাহাবী ছিলেন নামটা ভুলে গেছি খুব সম্ভবত সালমান নাম দিয়ে হবে হয়তো (কেউ চিন্তে পারলে কাইন্ডলি মনে করায় দেন প্লিজ) সেও প্রথমে দাস টাইপের ছিল কিন্তু পরে ইসলাম আর মুহাম্মদ (সাঃ) আর তাদের গোত্রের প্রতি আনুগত্য বন্ধু বাৎসল্য এতটাই ছিলো সে কখনোই দাস হিসেবে ছিলো না এবং নিজে খুব সম্ভবত স্বাধীন ভাবে জীবিকার জন্য কাজও করেছিলেন। যতদূর জানি আনসার নিয়ে যুদ্ধ করার সময় পরীখা খননে তার দেয়া আইডিয়া খুব কাজে লেগেছিলো এং তৎকালীন এই আইডিয়াটা মধ্যপ্রাচ্যে তিনি এনেছিলেন।
আমি খুব ভালো স্মৃতি শক্তির না, খালি ফাউল তর্ক ঠেকাতে এসব বলতে হলো। ভুল হলে শুধরে দেবেন প্লিস
!
লেখক বলেছেন: কাদেরিয়া অনুসারী মাইনে কি ??
সালমান ফারসী , উনি ফরাসী না, পারশিয়ান মানে ইরানি আছিলেন ।
পাঁচ ভাগের একভাগ নেয়ার আয়াত কোরানেই আছে ।
কর্মচারী টাইপ দাস প্রথা । খ্যাকজ ।
লেখক বলেছেন: থ্যান্কস ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
সালমান ফারসী , উনি ফরাসী না, পারশিয়ান মানে ইরানি আছিলেন ।হ এইটা ঠিক আছে! তাইলে ইরানী হওনের কথা!
আপনার কি মনে হয় ইসলামের দাস প্রথা আর তখনকার প্রচলিত দাস প্রথা এক? এই বিষয়ে কি কোনো দলিল আছে?
আর ইহা যে এক না তার অনেক উদাহরন ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে যেগুলো অবশ্য আমার দ্বারা খুজে পাওয়া সম্ভব না!
আর কাদেরিয়া অনুসারী যতদূর জানি স্বীকৃত কোনো মাযহাব না সুন্নীদের দৃস্টিতে! এইটা ডিটেলস জানতে হইলে মোল্লাগো কাছে যাইতে হইবো। ধর্ম নিয়া আমার নলেজ খুব ডীপ না!
তবে এইটা ঠিক ইবনে ইস হাক পিটানী খাইছিলো একবার তৎকালীন নগরপ্রধানের আদেশে কোনো এক আকামের কারনে , লিংক দিবার পারতাছি না কারন ৫-৬ বছর আগে সেই লিংক মইরা গেছে, মানে আমার হুজুর মইরা গেছে!
লেখক বলেছেন: অ , আইচ্চা ![]()
লেখক বলেছেন: সিটিএন রিলোডেড ![]()
নুভান বলেছেন:
উদাসী স্বপ্নঃ কাদেরীয়া প্রসঙ্গে হালকা ধরনা পাইলাম উইকি থেকেঃhttp://en.wikipedia.org/wiki/Qadariyah
অন্যরকম বলেছেন:
"আর মোহাম্মদের গুণাবলী হেহ ! খোদাই করা চোখ দিয়া দেখলে পাইবেন । তয় খালি একটা ক্লু দিই । মানুষ তার বন্ধুর সাথে কি ব্যবহার করে সেইটা দিয়া তার চরিত্র বোঝা যায় না, শত্রুর সাথে কি ব্যবহার করে সেইটা দিয়া বোঝা যায় ।"মোহাম্ম্দ (সাঃ) তার শত্রুর সাথে কি ব্যবহার করছে সেটা মক্কা বিজয়ের ইতিহাস ঘাটলেই বুঝা যায়। কষ্ট কইরা একটু ঐটা পইড়া নিয়েন। ঐ সময় ১১ কি ৭ জন যুদ্ধাপরাধি নাম ঘোষিত হইছিল যাদের দেখা মাত্রই কতলের নির্দেশ ছিল। এই তালিকায় হিন্দা, ইকরামা (খুব সম্ভবত আবু জেহেলের ছেলে), ওয়াহশী (হামযা (রাঃ) এর হত্যাকারী), আবু সুফিয়ানের নামও ছিল। কিন্তু এদের প্রত্যেককেই ক্ষমা করা হয়। (উল্লেখ্য হিন্দা আর ওয়াহশীর অপরাধ ছিল বদর যুদ্ধে রাসুলের অত্যন্ত প্রিয় চাচা ও গুরুত্বপূর্ণ সাহাবী হামযাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা ও পরে লাশ বিকৃত করা)! আবু সুফিয়ান তো নিজে গিয়েই ক্ষমা চেয়ে এবং নিরাপত্তা নিয়ে আসে। অথচ তখনও সে মুসলমান হয় নি। তারও অনেক পরে সে মুসলমান হয়। হিন্দারও একই অবস্থা। হিন্দা ইমান আনে মক্কা বিজয়েরও অনেক পরে। ওয়াহশীও পরবর্তীতে মুসলমান হয়।
হিন্দা এবং আবু সুফিয়ান রাসুলের ওফাত পরবর্তী অনেক যুদ্ধে মুসলিম শিবিরে অংশগ্রহণ করে এবং বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে। ইয়ামুকের যুদ্ধে আবু সুফিয়ানের একটি চোখ তীরবিদ্ধ হয়ে অন্ধ হয়ে যায়। হিন্দাও সেই যুদ্ধে উহুদ প্রন্তরের জোশে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
ইতিহাস যদি বর্ণনা করতেই হয় তাহলে সম্পূর্ণটাই বর্ণনা করা উচিৎ। আপনি যেই তিনটি কাহিনী বললেন সেটা পড়ে যদ্দুর মনে হল অসম্পূর্ণ। (সমপূর্ণটা পড়েছিলাম অনেক আগেই, কিন্তু এখন সামনে বই নেই বলে আর রেফারেন্স সহ উল্লেখ করলাম না! )
লেখক বলেছেন: মক্কা বিজয়তো মাত্র একটা যুদ্ধ । আরো শখানেক যুদ্ধ আছে সেইগুলার কি অবস্থা । খায়বার, বানু-মুসতালিখ এইগুলা.. ।
আর মক্কা বিজয়ের সময় যেই কজনের নামে হুলিয়া জারি করা হৈছিলো তাগো সবাইরে মাফ কইরা দেয়া হৈছে এই গাঁজাখুরি কথা না বল্লে হৈত না ? একজনকে কাবার ভিতরে, যেখানে কোনদিনই রক্তপাত করা যাবেনা সেইখানেও হত্যা করা হয় । হিন্দ আর আবু সুফিয়ান ঐ লিস্টিতে ছিলো না ।
লেখক বলেছেন: খুব সম্ভবত তিনজনরে মাফ করা হৈছিলো পরে ।
অন্যরকম বলেছেন:
সবাইরে মাফ কইরা দেওনের কথা কখন বললাম? যাদের নাম উল্লেখ করছি, তাদেরকেই ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর কাবার মধ্যে যাকে হত্যা করা হয় সেটা ইচ্ছাকৃত ছিল না। অন্তত নবীর নির্দেশে কাবার ভিতরে হত্যা করা হয় নাই। ঐটা ছিল নিছক দুর্ঘটনা।হিন্দা আর আবু সুফিয়ান ঐ লিস্টিতে ছিল। কিন্তু আবু সুফিয়ান আগের রাত্রেই ক্ষমা ও নিরাপত্তা চেয়ে নিয়ে আসে। ইকরামা তো পালাইয়াই গেছিল। কিন্তু আবিসিনিয়ার জাহাজ মিস করছে বা ইয়ৈমেনর পথে যাওয়অর সময় ধরা পড়ছে। কিন্তু তার পক্ষে ক্ষমা চায় তার স্ত্রী (যিনি মুসলমান ছিলেন।) ওয়াহশীও অনেকদিন পলাতক থাকার পর ধরা পরে এবং ক্ষমা প্রাপ্ত হয়... এগুলা সবি ওফাতের আগের ঘটনা!
লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা, "কিন্তু এদের প্রত্যেককে ক্ষমা করা হয় " এই সেন্টেন্সডা ভুল বুঝছিলাম । এখন ঠিকাছে ।
নবীর নির্দেশ ছিলো যেখানে পাও সেখানেই হত্যা করার জন্য এমনকি কাবার ভিতরে হৈলেও । ইবনে ইসহাকে আছে । পৃষ্টা ৫৫০ (the apostle had instructed his commanders when they entered Mecca only to fight those who resisted them , except a small number who were to be killed even if they were found beneath the curtains of the Ka'ba )
হিন্দের আর আবু সুফিয়ানেরটা পাইলাম না । রেফারেন্স থাকলে দিয়েন ।
অন্যরকম বলেছেন:
আমিতো বেশ কিছুদিন আগে বিভিন্ন বই টই ঘেটে এইগুলা পাইছিলাম..... বই এখন হাতের কাছে নাই! থাকলে দিতাম! লেখক বলেছেন: পরবর্তী যুগের বই ঘাঁটার মধ্যে সমস্যা আছে । পরবর্তীযুগের অনেকেই মোহাম্মদ এই কাজ কোনরকমেই করতে পারেন্না শুধু এই যুক্তি (!!) দিয়া অনেক কিছুরে এদিক সেদিক ডাইলিউট করার চেষ্টা চালাইছেন ।
এনিওয়ে, থ্যান্কস ।
লেখক বলেছেন: অ ![]()
অন্য কেউ বলেছেন:
এক রাইতে এত কিছু! ওয়্যাঁও!
লেখক বলেছেন: মহিমান্বিত রাইত ![]()
লড়াকু বলেছেন:
পোস্ট পর্যবেক্ষন
শেরজা তপন বলেছেন:
শত কোটি মুসলমানের প্রিয়ভাজন চরম শ্রদ্ধেয় একজন মানুষকে নিয়ে এইভাবে কটুক্তি করা বুদ্ধিমানের কাজ বলে আমি মনে করি না। আপনি কত বড় জ্ঞানী আমার ধারনা নেই তবে তিনি কোন এলেবেলে সাধারন মানুষ ছিলেন না। নবী রাসুল এইসব বাদ দিলেও তিনি ছিলেন কৌশলী একজন রণবিদ,
ঝানু কুটনিতিক,দুর্দান্ত শাসক ও অসামান্য ব্যাক্তিত্বের একজন মানুষ।
আসওয়াদ পাথরখানা কাবাতে কে স্থাপন করবে এই দ্বন্দে মক্কার সব গোত্রের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল-তখন সবাই মিলে কেন প্রভাবশালী প্রতিপত্তিহীন কোরাইশ গোত্রের অতি সাধারন এক যুবক মুহাম্মদকে বিচারের দায়িত্ব দিল?
তিনিতো তখনো নবী রাসুল শাসক কিছুই ছিলেননা। মক্কাতে তখন তার চেয়ে অনেক বড় বড় জ্ঞানী গুনী প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্ব থাকা সত্বেও।
তাঁর প্রথম হজ্জ যাত্রার কথা জানেন? জানলে ভাল না হলে পড়ে দেখবেন সেখানে তাঁর ঝানু কুটনীকতা দুরদর্শীতা আর অসামান্য ব্যাক্তিত্ব আর দৃঢ়তার কথা।
আমার হাতের কাছে এই মুহুর্তে রেফারেন্স বই নেই থাকলে ডিটেইল দিতে পারতাম।
আচ্ছা বলেনতো কিসের লোভে দেশ থেকে বিতাড়িত বা পলায়নরত অতি সাধারন একজন ধর্ম প্রচারককে মদীনার ইহুদী গোত্ররা আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছিল? যদিও তারা জানত যে এই ভুলের কারনে মক্কার আক্রমনে তারা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।
বানু কুরাইজার আগে দু-দুটো ইহুদী গোত্র বিশ্বাসঘাতকতা করে। যদিও আরবের তৎকালীন আইন অনুযায়ী মুহম্মদ ওদেরকে হত্যা করতে পারতেন কিন্তু তা না করে তাদেরকে মদীনা থেকে বের করে দেন। সর্বশেষ উদাহরন ছিল বানু কুরাইজার। তিনি আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন আর কেউ বিশ্বাস ঘাতকতা করলে তাদেরকে চরম মুল্য দিতে হবে।
মুহাম্মদের সাথে চরম বিশ্বাস ঘাতকতার পরে তিন মাস( মত ভেদ থাকতে পারে) অবরুদ্ধ থাকার পরে তারা যখন বিনা শর্তে আত্ম সমর্পন করে তখন তারা নিজেরাই কনফার্ম ছিল যে তাদেরকে হত্যা করা হবে। এই জন্য আত্ম সমর্পনের আগ মুহুর্তেই সব পুরুষেরা পরিবার পরিজনদের কাছ থেকে শেষ বিদায় নিয়ে নেয়।
মুহাম্মদ চাইলে তখুনি তাদেরকে হত্যা করতে পারতেন( আরবের আইন অনুযায়ি এটা তার রাইট ছিল-তখনও মুসলিম আইন প্রবর্তন হয়নি।)
কিন্তু তিনি না করে নিরপেক্ষ সন্মানিত একজন ব্যক্তিকে দিয়ে বিচার করান।
বলা হয় যে সাত'শ পুরুষ ও একজন নারীকে হত্যা করা হয়। কিন্তু আসলে সংখ্যাটা কিছূ কম হবে। মুসলমান সাহাবীদের অনুরোধে অনেককে হত্যা করা হয়নি।
মুহাম্মদের সৌভাগ্য যে তাদের সেই পরিকল্পনা(বানু কুরাইজার) সফল হয়নি। সফল হলে মুসলমানদের নিশ্চিত এর থেকে খারাপ পরিনতি হত ভাল নয় নিশ্চই!
দু-দুবার ক্ষমা করে দেবার পরে তিনি তৃতীয়বার এমন কঠিন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
সব সমালোচকের তীর বিদ্ধ হয় এখানে এসে। শান্তির ধর্ম ইসলামে কেন এই নারকীয় হত্যাকান্ড?
ভেবে দেখেন বা পড়ে জানেন এর পরে মুহাম্মদের জীবিতকালে আর কোন এমন বড় বিশ্বাসঘাতকতার নজির আছে কি নেই? সেই মুহুর্তে তিনি এই নিশ্বংস পদক্ষেপ না নিলে
হয়তোবা তাদেরকেই এইভাবে হত্যা করত পরবর্তিকালে কোন ইহুদী কিংবা অন্য কোন শত্রু গোত্র।
(পুরোটাই আমার অস্থায়ী স্মৃতি থেকে দিলাম- সামান্য ভুল ভ্রান্তি থাকতে পারে)
লেখক বলেছেন: বানু কুরাইজার এর আগে কোন বিশ্বাসঘাতকতার নজির নাই । এইবারেরটাও এটেম্পটেড, নট ডান ।
শেরজা তপন বলেছেন:
ডান হইলেতো হইয়াই গেছিল। তাইলে কি আর ইসলামের নাম নিশানা থাকতরে ভাই!আবার বলছি আমার কাছে রেফারেন্স বই নাই এই মুহুর্তে থাকলে হয়তো ডিটেল লিখতে পারতাম কখন কারা কিভাবে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিল।
লেখক বলেছেন: রিফারেন্স জোগাড় করতে পারলে বৈলেন । এনিটাইম ।
তাজা কলম বলেছেন:
ইতিহাসের সত্যকে জানতে হলে রেফারেন্স আবশ্যক। আপনার সুলিখিত লেখার সাথে রেফারেন্স থাকলে আমরা কাহিনীগুলোকে সত্য হিসেবে মেনে নিতাম।
লেখক বলেছেন: রেফারেন্সতো দিছি এক্কেবারে পৃষ্টা নাম্বার সহ (ফুটনোট দ্রষ্টব্য)। হুবহু অনুবাদ না কৈরা ঘটনাটা বর্ণনা করছি, পার্থক্য এই যা ।
সাপ্নিক বলেছেন:
ভাল লাগল।অপ্রিয় সত্য শুনতে মানুষ (ছাগল) অভ্যস্ত না।
লেখক বলেছেন: সেটাই । অপ্রিয় সত্য শুনলে সবারই চুলকানি উঠে (আমার নিজেরও)
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
আরিফুর রহমান ওরফে ঘনাদা@ "মোছলেম" কইতে দেখি আপনার কোন সমস্যা হয় না, তাহলে "হিঁদু" লেখা থাকলেই আপনের অ্যালার্জি হয় কেন?????দুরের পাখি@ বুঝলাম মুহাম্মদ (সঃ) ও তার ধর্মে আপনার অ্যালার্জি আছে। মক্কা বিজয়ে যখন উনি প্রতিশোধ নেন নাই, তখন অন্য বিজয় গুলাতে অন্য কিছু করার সঙ্গত কারন থাকতে পারে সেটা বুঝেই কি আপনার অ্যালার্জি বেড়ে গেছে?
লেখক বলেছেন: মক্কা বিজয়ে প্রতিশোধ না নেওনের সঙ্গত কারণ আছে, সবগুলারে মাইরা ফেলানির চাইতে নিজের লুটেরা বাহিনীতে ঢুকাইয়া শক্তিবৃদ্ধি ।
অন্য গুলাতে লুটপাটের সঙ্গত কারণ আছে । সম্পদ দরকার ।
লেখক বলেছেন: হুম, কোথায় ?
@ ৪৭ নং কমেন্ট...শেরজা তপন
একমত নই। সময়াভাব...নাইলে এ নিয়ে রসদ আছে আমার ভালো...
নবীর এলেমের ভান্ডার অফুরান। এ ব্যাপারে একটা হাদিস আছে। ইকরাম ভাই ভুলে গেলেন নাকি? তবে একটা কথা ঠিক, নবীজি সব ব্যাপারে আল্লাহর কাছ থেকে ডাটা পাইতেন...কিন্তু...
আথ্যরিক বলেছেন:
কিছু দিন আগে Zionist দের একটা কাগজে দেখেছিলাম এই লিখাটার English version. কি নিয়ে যে ওনারা নিজেদের পন্ডিত্য ঝাড়েন মাথায় আসেনা !সবসময় ছাগলের তিন নাম্বার ছাও-শিপ দেখতে ভালো লাগেনা।
নিজে জেনে বুঝে পড়ে কিছু লিখেন...?
সাদ ইবনে মুয়াযের নিরপেক্ষতা :
সাদ ইবনে মুয়াযের নিরপেক্ষতার প্রশ্ন উঠলেই প্রমেই আসে ব্যক্তি হিসেবে তিনি কেমন ছিলেন। মুসলিম ভাইদের জানা আছে আল-ইফকের ঘটনাটির কথা। বনী সোলায়ম গোত্রের যাকওয়ান শাখার সাফওয়ান ইবনে মুয়াত্তালের সাথে নবীপত্নী আয়েশা (রা
বনী মোস্তালাক যুদ্ধের পর মদীনার পথে কাফেলা থেকে আয়েশা একবার হারিয়ে যান। পরবর্তীতে সাফওয়ান আয়েশাকে খুঁজে পেয়ে নিয়ে আসেন এবং আয়েশার বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অভিযোগ উঠে যার সত্যতা নিয়ে একধরনের ঝুলন্ত ও বিব্রতকর অবস্থা সৃষ্টি হয়। একমাস পর আল্লাহ তায়ালা বিবি আয়েশার পবিত্রতা নিশ্চিত করে ওহী নাযিল করেন এবং সব সমস্যার সমাধান হয়। রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় মূলত বিবি আয়েশা কাফেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার পরবর্তী দিন দুপুরে সাফওয়ান ইবনে মুয়াত্তালের সাথে একত্রে ঘোড়ায় করে কাফেলায় যোগ দেবার পর থেকে। মোনাফেক সর্দার আবদুল্লাহ্ ইবনে উবাই বিন সালুল কুৎসা রটাতে থাকে সাফওয়ান ও বিবি আয়েশাকে নিয়ে। নবীজিও খুবই বেকায়দায় পড়ে যান। বোখারি হাদিসে বহু জায়গায় এমন সময়ে নবী ও নবীপত্নীর দু:সহ মানসিক অবস্থার বর্ণনা পাওয়া যায়। এমনই একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে সাদ ইবনে মুয়ায নামক ব্যক্তিটির একটু ঝলক দেখা যায়, নবীজি সেদিন মিম্বরে উঠে দাঁড়িয়ে মুসলিম গোত্রগুলোর সমর্থন চাইলেন অপবাদ রটনাকারীদের বিরুদ্ধে (বিশেষ করে সালুল)। সাদ ইবনে মুয়ায তখন প্রচন্ড উত্তেজিত হয়ে বললেন, “হে রাসূল! তার বিরুদ্ধে আমি আপনাকে সাহায্য করবো, সে যদি আওস গোত্রের হয় তবে আমি তার গর্দান নামিয়ে ফেলবো।“
আল-ইফকের ঘটনা সংক্রান্ত বিশালকায় হাদিসগুলো বোখারী সাহেব বহু জায়গায় উল্লেখ করেছেন। মেশকাতেও এর রেফারেন্স আছে। সব হাদিসেই সাদের এই উত্তেজিত অবস্থার বর্ণনা আছে। সাদের উত্তপ্ত বক্তব্যে আওস ও খাযরাজের মধ্যে প্রচন্ড বাক-বিতন্ডা শুরু হয় যা নবীজিকে মিম্বর থেকে নেমে শান্ত করতে হয়েছিল (দেখুন শায়খুল হাদিস মাওলানা মোহাম্মদ আজীজুল হক সাহেব রচিত সহিত বাংলা অনুবাদ বোখারী শরীফ...আয়েশার ব্যভিচারের অপবাদ সংক্রান্ত এই বিখ্যাত ঘটনাটি সহজেই পাবেন।)
আরো বেশ কয়েকটি হাদিস থেকে নিশ্চিত হয়েছি যে প্রকৃতই এই সাদ ইবনে সাদ ইবনে মুয়ায ছিলেন একজন প্রচন্ড রাগী, অসহিষ্ণু ব্যক্তি।
বোখারি হাদিসের কিতাবুল মাগাফির বা যুদ্ধ-বিগ্রহ পর্বে এমনই একটি হাদিস পাওয়া যায়। এই হাদিসটি সাদ নিজেই বর্ণনা করেছেন। সাদ ও উমাইয়া ইবনে খালফ এতই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন যে উমাইয়া মদীনায় আসলে সাদের বাড়িতে অতিথি হতেন আর সাদ মক্কায় গেলে উমাইয়ার অতিথি হতেন। ওমরা আদায়ের উদ্দেশ্যে একবার সাদ মক্কায় গেলে এখানে তিনি যথারীতি উমাইয়ার অতিথি হোন এবং এক দুপুরে উমাইয়াকে নিয়ে ঘুরতে বের হন। পথে আবু জাহেলের সাথে তাঁদের দেখা হলে আবু জাহেল উমাইয়ার কাছে জানতে চান সাদের পরিচয়। সাদকে চেনার পর আবু জাহেল বলেন, “আমি তোমাকে নিরাপদে মক্কায় বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ করতে দেখেছি। অথচ তোমরা ধর্মত্যাগীদের আশ্রয় দিয়েছো। তাদের সাহায্য করছো। এখন তুমি উমাইয়ার সাথে না থাকলে আমি তোমাকে অক্ষত ফেরৎ যেতে দিতাম না।“
সাদ ইবনে মুয়ায তখন আরো গলা চড়িয়ে বলেন, “আল্লাহর কসম! তুমি যদি আমাকে তাওয়াফ প্রদানে বাঁধা দাও আমিও তোমাকে এমন ব্যাপারে বাঁধা প্রদান করবো যা তোমার এর চেয়ে আরো বেশি কঠিন হবে।“
উমাইয়া তখন সাদকে শান্ত হতে পরামর্শ দেন এবং আবু জাহেলের পরিচয় দিয়ে বলেন তার সাথে নম্রভাবে কথা বলার। কিন্তু সাদ জবাবে উমাইয়াকে বলেন, “উমাইয়া, তোমার মুখের কথা মুখেই রাখো। আমি রাসূলকে বলতে শুনেছি তিনি তোমাকে (উমাইয়ার) ভবিষ্যতে হত্যা করবেন।“ (পরবর্তীতে রাসূলের ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী তাঁর হাতেই উমাইয়া মৃত্যুবরণ করেন।) তবে আসল কথা হল, এই হাদিস থেকে সাদের চরিত্র আরো স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। আবু জাহেলকে না চিনে তার সাথে উত্তপ্ত হয়ে সাদের বাক-বিতন্ডার ঘটনা বোখারি হাদিসের ইংলিশ অনুবাদগুলোতে আরো ভালোভাবে পাওয়া যায়। (সময় করে বিস্তারিত রেফারেন্স দিচ্ছি)
সাদের চরিত্রের ২ টো দিক পাওয়া যায় : নবীজির প্রতি আনুগত্য, নবীজির বিরোধীপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা। এহেন সাদকে নবীজি কেন বিশেষ একটি গোত্রের বিচারের ভার দিলেন? নবীজি কি তবে জানতেন না সাদ ইবনে মুয়ায কি রায় দেবেন?
খন্দকের যুদ্ধে সাদ যখন আহত হয়েছিলেন তখন নবীজি নিজের কাছে রেখে এই সাদের সেবা-শুশ্রূষা করেছিলেন। এ জন্য তিনি মসজিদে নববীতে একটি তাঁবু খাটিয়ে দিয়েছিলেন। সাদ ইবনে মুয়ায খন্দকের যুদ্ধে আহত হয়ে প্রচন্ড ক্রুদ্ধ ছিলেন। এ প্রসঙ্গে হাদিস মারফৎ পাওয়া যায়, খন্দকের যুদ্ধে প্রচন্ডভাবে আহত হওয়ার পর (বুকে তীঁর বিঁধে এবং তাবু থেকে পর্যন্ত রক্তক্ষরণ এত মারাত্নকভাবে হতে থাকে যে রক্তের স্রোত বাইরে বেরিয়ে আসে যা দেখে তাবুর নিকটবর্তী বনী গেফার গোত্রের লোকজন ভয় পেয়ে যায়!) । এই সাদ ইবনে মুয়াযের মৃত্যুতে ব্যথিত নবীজি বলেন, তাঁর (সাদ) মতন সাহাবীর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপে গিয়েছিল (এমনই সম্মান ছিল ওনার...)। কোন এক সাহাবী একবার একটি রুমালের প্রশংসা করায় নবীজি বলেন, বেহেশতের সাদ ইবনে মুয়াযের রূমাল হবে তার থেকে বহুগুনে মসৃণ। সাদ সম্বন্ধে এমন বক্তব্য নবীজির কাছ থেকে পাওয়ার পরও বলা যায় যে নবীজি সাদ ইবনে মুয়াযের চরিত্রের অসহিষ্ণুতা ও ইহুদি-বিদ্বেষ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন না?
সাদ ইবনে মুয়াযের পূর্বেকার আচরণ এবং নবীজির নিজের হাতে তাকে সেবা-যত্ন ও মসজিদের নববীতে তাবু স্থাপন করা থেকে বোঝা সাদের সাথে নবীজির সম্পর্ক অনেক ঘনিষ্ঠ ছিল।
সাদের বক্তব্য দেখুন যায় ছহিহ বোখারি হাদিসে :
“আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিধর্মীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের চেয়ে বেশি কিছু আমার নিকট বেশি প্রিয় নয়। এখনো যদি কোরায়েশদের বিরুদ্ধে কোন যুদ্ধ অবশিষ্ট থাকে তবে জেহাদের জন্য, হে আল্লাহ্, তুমি আমাকে জীবিত রাখো। যুদ্ধ যদি শেষ হয়ে যায় তবে আমার জখম থেকে রক্ত প্রবাহিত করতে করতে আমার মৃত্যু ঘটাও।“ (সাদের ঈমানের তেজ প্রশংসনীয়।)
সাদ খন্দকের যুদ্ধে আহত হবার পরবর্তীতে জিবরাইল (আ
আল ইফকের ঘটনাটির সময় সাদের আচরণ :
Volume 3, Book 48, Number 829:
Sad bin Mu'adh got up and said, 'O Allah's Apostle! by Allah, I will relieve you from him. If that man is from the tribe of the Aus, then we will chop his head off, and if he is from our brothers, the Khazraj, then order us, and we will fulfill your order.' On that Sad bin 'Ubada, the chief of the Khazraj and before this incident, he had been a pious man, got up, motivated by his zeal for his tribe and said, 'By Allah, you have told a lie; you cannot kill him, and you will never be able to kill him.'
Volume 5, Book 59, Number 462:
'O you Muslims! Who will relieve me from that man who has hurt me with his evil statement about my family? By Allah, I know nothing except good about my family and they have blamed a man about whom I know nothing except good and he used never to enter my home except with me.' Sad bin Mu'adh the brother of Banu 'Abd Al-Ashhal got up and said, 'O Allah's Apostle! I will relieve you from him; if he is from the tribe of Al-Aus, then I will chop his head off, and if he is from our brothers, i.e. Al-Khazraj, then order us, and we will fulfill your order.'
Volume 6, Book 60, Number 274:
Allah's Apostle, while on the pulpit, said, "O Muslims! Who will help me against a man who has hurt me by slandering my family? By Allah, I know nothing except good about my family, and people have blamed a man of whom I know nothing except good, and he never used to visit my family except with me," Sad bin Muadh Al-Ansari got up and said, "O Allah's Apostle! By Allah, I will relieve you from him. If he be from the tribe of (Bani) Al-Aus, then I will chop his head off; and if he be from our brethren, the Khazraj, then you give us your order and we will obey it.”
সূরা নূরের তাফসীরেও এই ঘটনার বিস্তারিত বয়ানে সাদের আচরণের উল্লেখ পাওয়া যায়। সাদের আচরণ এতই অসহিষ্ণু ছিল যে আওস ও খাযরাজের মাঝে প্রচন্ড বাক-বিতন্ডা শুরু হয়ে যায়...।
আবু জাহেল ও উমাইয়ার সাথে সাদের অসহিষ্ণু আচরণ :
Volume 5, Book 59, Number 286:
Abu Jahl addressed Sad saying, "I see you wandering about safely in Mecca inspite of the fact that you have given shelter to the people who have changed their religion (i.e. became Muslims) and have claimed that you will help them and support them. By Allah, if you were not in the company of Abu Safwan, you would not be able to go your family safely." Sad, raising his voice, said to him, "By Allah, if you should stop me from doing this (i.e. performing Tawaf) I would certainly prevent you from something which is more valuable for you, that is, your passage through Medina." On this, Umaiya said to him, "O Sad do not raise your voice before Abu-l-Hakam, the chief of the people of the Valley (of Mecca)." Sad said, "O Umaiya, stop that! By Allah, I have heard Allah's Apostle predicting that the Muslim will kill you."
Volume 5, Book 59, Number 286:
Narrated 'Abdullah bin Mas'ud:
From Sad bin Mu'adh: Sad bin Mu'adh was an intimate friend of Umaiya bin Khalaf and whenever Umaiya passed through Medina, he used to stay with Sad, and whenever Sad went to Mecca, he used to stay with Umaiya. When Allah's Apostle arrived at Medina, Sa'd went to perform 'Umra and stayed at Umaiya's home in Mecca. He said to Umaiya, "Tell me of a time when (the Mosque) is empty so that I may be able to perform Tawaf around the Ka'ba." So Umaiya went with him about midday. Abu Jahl met them and said, "O Abu Safwan! Who is this man accompanying you?" He said, "He is Sad." Abu Jahl addressed Sad saying, "I see you wandering about safely in Mecca inspite of the fact that you have given shelter to the people who have changed their religion (i.e. became Muslims) and have claimed that you will help them and support them. By Allah, if you were not in the company of Abu Safwan, you would not be able to go your family safely." Sad, raising his voice, said to him, "By Allah, if you should stop me from doing this (i.e. performing Tawaf) I would certainly prevent you from something which is more valuable for you, that is, your passage through Medina." On this, Umaiya said to him, "O Sad do not raise your voice before Abu-l-Hakam, the chief of the people of the Valley (of Mecca)." Sad said, "O Umaiya, stop that! By Allah, I have heard Allah's Apostle predicting that the Muslim will kill you." Umaiya asked, "In Mecca?" Sad said, "I do not know." Umaiya was greatly scared by that news.
Volume 5, Book 58, Number 148:
Narrated Abu Said Al-Khudri:
Some people (i.e. the Jews of Bani bin Quraiza) agreed to accept the verdict of Sad bin Muadh so the Prophet sent for him (i.e. Sad bin Muadh). He came riding a donkey, and when he approached the Mosque, the Prophet said, "Get up for the best amongst you." or said, "Get up for your chief." Then the Prophet said, "O Sad! These people have agreed to accept your verdict." Sad said, "I judge that their warriors should be killed and their children and women should be taken as captives." The Prophet said, "You have given a judgment similar to Allah's Judgment (or the King's judgment)."
Volume 5, Book 59, Number 447:
Narrated Abu Said Al-Khudri:
The people of (Banu) Quraiza agreed to accept the verdict of Sad bin Mu'adh. So the Prophet sent for Sad, and the latter came (riding) a donkey and when he approached the Mosque, the Prophet said to the Ansar, "Get up for your chief or for the best among you." Then the Prophet said (to Sad)." These (i.e. Banu Quraiza) have agreed to accept your verdict." Sad said, "Kill their (men) warriors and take their offspring as captives, "On that the Prophet said, "You have judged according to Allah's Judgment," or said, "according to the King's judgment."
সাদের রায়ে নবীজি মনোভাব বেশ স্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে...যেহেতু সাদ রায়টি দিয়েছেন, "according to Allah's Judgment."
তরু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: পরবর্তী যুগের বই ঘাঁটার মধ্যে সমস্যা আছে । পরবর্তীযুগের অনেকেই মোহাম্মদ এই কাজ কোনরকমেই করতে পারেন্না শুধু এই যুক্তি (!!) দিয়া অনেক কিছুরে এদিক সেদিক ডাইলিউট করার চেষ্টা চালাইছেন ।ঠিক।
তবে উল্টোটাও ঠিক।
পরবর্তীযুগের অনেকেই মোহাম্মদ এই ভালো কাজ কোনরকমেই করতে পারেন্না শুধু এই যুক্তি (!!) দিয়া অনেক কিছুরে এদিক সেদিক করার চেষ্টা চালাইছেন ।
তরু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আর মোহাম্মদের গুণাবলী হেহ ! খোদাই করা চোখ দিয়া দেখলে পাইবেন । তয় খালি একটা ক্লু দিই । মানুষ তার বন্ধুর সাথে কি ব্যবহার করে সেইটা দিয়া তার চরিত্র বোঝা যায় না, শত্রুর সাথে কি ব্যবহার করে সেইটা দিয়া বোঝা যায় ।কারো চিন্তাই যদি এরকম হয়, তার মোহাম্মদকে নিয়ে লেখা তো বায়াসড হবেই।
রেফারেন্স নিয়ে প্রশ্ন করে আর বিপদে ফেললাম না।
যাই হোক...নবীজি বুঝতে পেরেছিলেন ইহুদিদের সাথে মুসলিমদের বিবাদ শেষপর্যন্ত চরম আকার ধারণ করবে। এ কারণে তিনি বনু কানুইকা গোত্রকে মদীনা ত্যাগের জন্য, নচেৎ মুসলিম কমনওয়েলথের সদস্য হবার শর্ত দেন। ইহুদীরা অপমানজনক বক্তব্য রাখে এবং তাদের দুর্গে আশ্রয় নেয়। পরে তাদেরকে অবরোধ করা হয় এবং ১৫ দিন পরে আত্নসমর্পণের পর তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেবার কথা চিন্তা করার পরেও নবীজি তার কোমল চরিত্রের কারণে শাস্তি লঘু করেন। মোটামুটি এভাবে বনু কানুইকার বিতাড়নের একটি পজিটিভ ব্যাখ্যা দেয়া যায়।
ইকরাম ভাই বলেছেন, "জীব্রাঈল এর বাণী পাওয়ার পর মোহাম্মদ বানু নাদেরের লোকজনের সাথে আর কোন কথা না বলে, নিজের অঞ্চলে ফিরে এসে সৈন্যবাহিনী নিয়ে তাদেরকে আক্রমণ করে।"
ঐ সময়ে ইহুদীরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিল। তারা দেশে-বিদেশে দূত পাঠিয়ে বিভিন্ন গোত্রকে উত্তেজিত করে তুলছিল। বনী নাজির গোত্রের লোকেরা প্রতিশোধের নেশায় একটি লীগ গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছিল। আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে দশ হাজার সৈন্যের একটি বাহিনী মদীনার দিকে এগিয়ে আসে। বনু কুরাইযা গোত্র এই সময় চুক্তিভঙ্গ করে। নবীজি তাদেরকে চুক্তির ব্যাপারে স্বরণ করিয়ে দিতে দূত পাঠালে তারা চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ উত্তর দেয়। এভাবে ভাবলে বনু কুরাইযা ও বনু নাদির তাদের প্রাপ্য শাস্তিই পেয়েছে। তবে এখানে নবীজির কূটনৈতিক প্রজ্ঞা লক্ষণীয়। বনু কুরাইযার বিচারের ভার সাদের হাতে ছেড়ে দেবার পর তিনি যখন "গুপ্তকেশ"-গজানো সকল পুরুষের মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করেন তখন এ কী এক ধরনের প্রহসন মনে হয় না? সাদের বিচারে সন্তুষ্ট নবীজিই বলেন, "ওহে সাদ! You have given the judgment of Allah above the seven heavens.' সাদ ইবনে মুয়াযের হাতে বিচারের ভার অর্পণ করা হয়েছিল এ জন্য যাতে তিনি একটি নিরপেক্ষ ও মানবিক বিচার করেন (?)। অথচ সাদের কল্যাণে বনু কুরাইযা যে রায় পেল তার থেকে নৃশংস ও নিষ্ঠুর আর কিভাবে রায়টি দেওয়া যেত? মুসলিম স্কলাররা তৎকালীন গোত্র আইনে দোহাই পাড়েন, কিন্তু নবী যদি "তৎকালীনতায়" সীমাবদ্ধ থাকেন তবে আর দয়ার নবী, সর্বশ্রেষ্ঠ মানব- এই সব বিশেষণ কেন? অবশ্য ইসহাকের সীরাত পড়লেই জলের মতন পরিষ্কার হয়ে যায় কেন এই প্রহসন। মূলত নবীজির ইচ্ছাই ছিল বনু কুরাইযা গোত্রের সামর্থবান সকল পুরুষকে হত্যা করা। আর সাদ ইবনে মুয়ায নবীজির এই ইচ্ছার কথা জানতেন। যদিও কোরান-হাদীসে এসব বিস্তারিত উঠে আসেনি (সঙ্গত কারণেই)। তবে এরপরও যা এসেছে তাও বা কম কীসে! আল-ইফকের প্রতিটি হাদিস বিস্তারিত একমাত্র আয়েশা রা:-এর জবানিতেই পাওয়া যায় এবং সব স্থানে আয়েশা সাদের উত্তপ্ত বক্তব্যের কথা উল্লেখ করায় বোঝা যায় অন্যান্য সাহাবী অপেক্ষা তুলনামূলকভাবে কী পরিমাণ অসহিষ্ণু ব্যক্তি ছিলেন তিনি (মুসলিম স্কলাররাও এ ব্যাপারে একমত)। আর সাদ কী রায় দিতে পারেন নবীজিও তা জানতেন (আকারে-ঈঙ্গিতে ও পরোক্ষ বক্তব্যের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন সাদকে যা বিস্তারিত এসেছে সীরাতে)।
এখানেই নবীজির কূটনৈতিক প্রজ্ঞার একটি দারুণ নিদর্শন পাই আমরা! এমন ভাবে পুরো পরিস্থিত সাজানো হল, যাতে নবীজি তার নিজের পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করলেন আরেকজনকে দিয়ে যিনি পূর্বে থেকেই প্রচন্ড ইহুদি-বিদ্বেষী; ওদিকে নবীজির ঘাড় থেকেও নৃশংসতার দায় নামল! সমস্যা হল, বর্তমানে কোরান-হাদিসবিমুখ মুসলিম ভাইরা কূপমন্ডুকতা ও অজ্ঞানতার অন্ধকারে এমনই হাবুডুবু খাচ্ছেন যে, নবীজির তাৎক্ষণিক বুদ্ধি ও প্রশংসনীয় কূটচালের মর্ম অনুধাবন কিংবা বিশ্লেষণ করতে চরমভাবে ব্যর্থতো বটেই, অন্ধের মতন জাল/কপি-পেস্ট/ম্যানিপুলেটেড নামক শব্দাবলী আওড়াতে আওড়াতে পুরো কোরান-হাদিস জাল করার প্রয়াসে নেমেছেন।
"মদিনার বাজারে গর্ত খুড়ে একদিনে প্রায় সাতশ লোককে কতল করা হয় এবং তাদের নারী ও শিশুদের দাস/দাসী হিসাবে মুসলিমদের মধ্যে বন্টন করা হয়।"
মুসলিম স্কলাররা এই সংখ্যাটিকে ৭০০ থেকে ২০০/২৫০ -এ নামিয়ে এনেছেন, বনু কুরাইযা জিতলে মুসলিমদের একই পরিণতি হতো, নবীজি নন...বিচার করেছিলেন "নিরপেক্ষ", "সম্মানিত" একজন ব্যক্তি- ইত্যাদি যুক্তি যতই দিন না আসল কথা হল মানবিক বোধ বা উপলব্ধি যা যুগের সাথে সাথে ক্রমশ উন্নতির দিকে ধাবিত হয়। এ কারণেই এই ঘটনাগুলো সম্বন্ধে যখন প্রথম জানছি তখন আমরা শিউরে উঠছি, ঘটনাগুলো অস্বীকার করতে চাইছি। (তবে "উচ্চবেগে চললে" মানে ঈমান মজবুত থাকলে এসব কোন ব্যাপারই না...।)
নাহ্! বিপদ কীসের...? এই ঘটনাগুলি যে সকল ঈমানদার মুসলিম ভাই চোখ বুঁজে অস্বীকার করছেন তাদের জন্য আরো রেফারেন্স :
সহীহ বোখারী শরিফ, প্রথম সংস্করণ, ২০০৬, শায়খুল হাদিস মাওলানা আজিজুল হক
কিতাবুল মাগাফির :
হাদিস ন: ৩৬৬৫ : সাদ, উমাইয়া ও আবু জাহেল, পৃষ্ঠা : ৫৬৮
বনী নাযির ও বনু কায়নুকা গোত্রের বিতাড়ন :
হাদিস ন: ২১৭৫
আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর রা: সূত্রে নবী সা: হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সা: বনী নাযীর গোত্রের বুয়াইরা নামক স্থানে অবস্থিত বাগানের খেজুর গাছ জ্বালিয়ে দিয়েছেন এবং বৃক্ষ কেটে ফেলেছেন। এ সম্পর্কে হাসসান রা: তার রচিত কবিতায় বলেছেন, বুয়াইরা নামক স্থানে অবস্থিত বাগানটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে আর বনু লুয়াই গোত্রের সর্দাররা তা সহজেই মেনে নিল।
এ প্রসঙ্গে আরো বিস্তারিত উল্লেখ আছে ৫৮২ পৃষ্ঠায়,
হাদিস ন: ৩৭৩৫
ইবনে ওমর (রা) বলেন, মদীনার "বুয়াইরা" নামক স্থানে বনু নাযীর গোত্রের যে সব খেজুর গাছ ছিল, রাসূল তার কিছু জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন এবং কিছু অবশিষ্ট রেখেছিলেন।
বোখারি হাদিস :
Volume 5, Book 59, Number 365:
Narrated Ibn Umar:
Allah's Apostle had the date-palm trees of Bani Al-Nadir burnt and cut down at a place called Al-Buwaira. Allah then revealed: "What you cut down of the date-palm trees (of the enemy) Or you left them standing on their stems. It was by Allah's Permission." (59.5)
হাদিস ন: ৩৭৩৮
Volume 5, Book 59, Number 366:
Narrated Ibn Umar:
The Prophet burnt the date-palm trees of Bani An-Nadir. Hassan bin Thabit said the following poetic Verses about this event:-- "the terrible burning of Al-Buwaira Has been received indifferently By the nobles of Bani Luai (The masters and nobles of Quraish)." Abu Sufyan bin Al-Harith (i.e. the Prophet's cousin who was still a disbeliever then) replied to Hassan, saying in poetic verses:-- "May Allah bless that burning And set all its (i.e. Medina's) Parts on burning fire. You will see who is far from it (i.e. Al-Buwaira) And which of our lands will be Harmed by it (i.e. the burning of Al-Buwaira)."
বনু নাযিরের বিতাড়ন :
Volume 5, Book 59, Number 362:
Narrated Ibn Umar:
Bani An-Nadir and Bani Quraiza fought (against the Prophet violating their peace treaty), so the Prophet exiled Bani An-Nadir and allowed Bani Quraiza to remain at their places (in Medina) taking nothing from them till they fought against the Prophet again) . He then killed their men and distributed their women, children and property among the Muslims, but some of them came to the Prophet and he granted them safety, and they embraced Islam. He exiled all the Jews from Medina. They were the Jews of Bani Qainuqa', the tribe of 'Abdullah bin Salam and the Jews of Bani Haritha and all the other Jews of Medina.
মুসলিম :
Chapter 10: JUSTIFICATION FOR CUTTING DOWN THE TREES AND BURNING THEM
Book 019, Number 4324:
It is narrated on the authority of 'Abdullah that the Messenger of Allah (may peace be upon him) ordered the date-palms of Banu Nadir to be burnt and cut. These palms were at Buwaira. Qutaibah and Ibn Rumh in their versions of the tradition have added: So Allah, the Glorious and Exalted, revealed the verse:" Whatever trees you have cut down or left standing on their trunks, it was with the permission of Allah so that He may disgrace the evil-doers" (lix. 5).
Book 019, Number 4325:
It is narrated on the authority of Ibn Umar that the Messenger of Allah (may peace be upon him) caused the date-palms of Banu Nadir to be cut down and burnt. It is in this connection that Hassan (the poet) said:
It was easy for the nobles of Quraish to barn Buwaira whose sparks were flying in all directions.
in the same connection was revealed the Qur'anic verse:" Whatever trees you have cut down or left standing on their trunks."
Book 019, Number 4326:
'Abdullah b. Umar reported that Allah's Apostle (may peace be upon him) burnt the date-palms of Banu Nadir.
Book 019, Number 4364:
It has been narrated on the authority of Ibn Umar that the Jews of Banu Nadir and Banu Quraizi fought against the Messenger of Allah (may peace be upon him) who expelled Banu Nadir, and allowed Quraiza to stay on, and granted favour to them until they too fought against him Then he killed their men, and distributed their women, children and properties among the Muslims, except that some of them had joined the Messenger of Allah (may peace be upon him) who granted them security. They embraced Islam. The Messenger of Allah (may peace be upon him) turned out all the Jews of Medlina. Banu Qainuqa' (the tribe of 'Abdullah b. Salim) and the Jews of Banu Haritha and every other Jew who was in Medina.
আল-কোরানেও আছে এই ঘটনার উল্লেখ : দেখুন সূরা হাশরের ২-৬ আয়াতের তাফসীর।
সূরা হাশরের ৫ নং আয়াত : যে সব খেজুর গাছ তোমরা গোড়া থেকে কর্তন করেছো, অথবা যেগুলো গোড়াসহ দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছো তা তোমরা আল্লাহর হুকুম অনুসারেই করেছ; আর এটা এ জন্যই করা হয়েছে যাতে নাফরমান ফাসেক দল চরমভাবে অপমানিত হয়।
বোখারি হাদিস :
Volume 6, Book 60, Number 406:
Narrated Ibn Umar:
'Allah's Apostle burnt and cut down the palm trees of Bani An-Nadir which were at Al-Buwair (a place near Medina). There upon Allah revealed:
'What you (O Muslims) cut down of the palm trees (of the enemy) or you left them standing on their stems, it was by the leave of Allah, so that He might cover with shame the rebellious.' (59.5)
সূরা আল-হাশর নাযিল হয়েছিল বনু নাযীরের ব্যাপারে :
মুসলিম :
Book 043, Number 7185:
Sa'id b. Jubair reported: I said to Ibn 'Abbas about Sura Tauba, whereupon he said: As for Sura Tauba, it is meant to humiliate (the non-believers and the hypocrites). There is constantly revealed in it (the pronoun) minhum (of them) and minhom (of them, i. e. such is the condition of some of them) till they (the Muslims) thought that none would be left unmentioned out of them who would not be blamed (for one fault or the other). I again said: What about Sura Anfal? He said: It pertains to the Battle of Badr. I again asked him about Sura al-Hashr. He said: It was revealed in connection with (the tribe) of Banu Nadir.
বোখারি :
Volume 5, Book 59, Number 363:
Narrated Said bin Jubair:
I mentioned to Ibn 'Abbas Surat-Hashr. He said, "Call it Surat-an-Nadir."
Volume 6, Book 60, Number 404:
Narrated Said bin Jubair:
I asked Ibn Abbas about Surat Al-Tauba, and he said, "Surat Al-Tauba? It is exposure (of all the evils of the infidels and the hypocrites). And it continued revealing (that the oft-repeated expression): '...and of them ...and of them.' till they started thinking that none would be left unmentioned therein." I said, "What about) Surat Al-Anfal?" He replied, "Surat Al-Anfal was revealed in connection with the Badr Battle." I said, "(What about) Surat Al-Hashr?" He replied, "It was revealed in connection with Bani an-Nadir."
ফারুক আহসান বলেছেন:
ভ্রাত বিপ্লব, অনেক কষ্ট করতেছ । ধন্যবাদটুকুও দিতে পারতেছি না । একাউন্ট ব্লক, কমেন্ট বলক , সব বান এক্লগে মারছে আমারে মডু সাহেবানরা । রিফারেন্সের সূত্র আমি মূল পুস্টেই উল্লেখ কৈরা দিছি । ঈমাণদার ভাই বেরাদরদিগের সেইদিকে আগ্রহ থাকার কথা না । কারণটাতো পুরানো আর সবারই জানা , " মিথ্যা অপবাদের চাইতে সত্য অপবাদে মানুষ চেতে বেশি । "
কোন ব্যাপারস না...আপ্নের মেইল অনেক দেরিতে পাইছি, নেট বন্ধু-বান্ধব কেউ না থাকায় টাইম লস কইরা অহেতুক মেইল খুলি না। যাই হোক, পার্মানেন্ট বাসার ঠিকানা পাঠাইলাম, নেক্সটবার আসলে ডাইরেক্ট বাসায় আসবেন। একমাসের জন্য কাল/পরশু আবার ফেনী যাইতেছি। সংযমের মাস শেষ হইলে আবার দেখা হইবো...
মনির হাসান বলেছেন:
তুক্ষার মাস্টার'পিস পোস্ট হইছে । হা হা হা হা বিপ্লব' দেহি গাধার খাটনি খাটছে । ওরে মহা পবিত্র কাবজাবের সাতশ বাহাত্তর'টা কাব্জাবিয় হুর নিশ্চিত করা হইলো ।
ইকরাম ভাইডু ... একটা মনের কথা কইঃ হাজার অপমান, বেহুদা কথাবাত্রা, ভাড়ামী এই সব আর গায়ে লাগেনা যদি শেষ পর্যন্ত এই রকম একটা উপসংহারে পৌছান যায় ...
মানুষের নির্বুদ্ধিতা দেখারও একটা আলাদা ধরনের আনন্দ আছে।
পোস্ট পুরা কপি কইরা রাইখা দিলাম ।
ঘাতক বলেছেন:
বিপ্লব০০৭ কে +
অন্যরকম বলেছেন:
পোস্ট পর্যবেক্ষন
ইসটুপিড বলেছেন:
চিন্তামূলক/গবেষণামূলক পোস্ট ভালই লাগে, তবে ভাষার ক্ষেত্রে আরো সতর্ক হওয়া দরকার। নবীজী কে যেভাবে মোহাম্মদ বলে সম্বোধন করছেন, উনি মনে হয় আরেকটু সম্মান পান।এই ঘটনাটি নিয়ে নিজেও পড়াঅনা করছি, তাই বিস্তারিত আলোচনার যোগ্য মনে করছি নিযেকে এখোনো। তবে এতটুকু বিশ্বাস আছে, আল্লাহ কারো উপর অবিচার করেন না।
নবীজী জিব্রাইলের নির্দেশে কোন কাজ করতেন না, করতেন আল্লাহর আদেশে, এই জিনিষটুকু অন্তত ঠিক লেখা যেত।
লেখক বলেছেন: মোহাম্মদ, চেঙিস খান, আলেকজান্ডার, আকবর, হুমায়ুন এদের সবাইরে ইতিহাসের চরিত্র হিসাবেই দেখি । বয়োবৃদ্ধ বাবররেতো কেউ বাবর-দাদু কয় না ।
জীব্রাইলের মারফতে আল্লার নির্দেশ : ঠিক কৈরা দিলাম ।
" এই ঘটনাটি নিয়ে নিজেও পড়াঅনা করছি, তাই বিস্তারিত আলোচনার যোগ্য মনে করছি নিযেকে এখোনো।"
বাক্য পইড়া বুঝি নাই , এইরকম হবে কি ?
এই ঘটনাটি নিয়ে নিজেও পড়াশুনা করছি, তাই বিস্তারিত আলোচনার যোগ্য মনে করছি না নিজেকে এখোনো।
ইসটুপিড বলেছেন:
হ্যা, এই ঘটনাটি নিয়ে নিজেও পড়াশুনা করছি, তাই বিস্তারিত আলোচনার যোগ্য মনে করছি না নিজেকে এখোনো।হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে এভাবে 'খুনি' বলে প্রচার করাটা উচিত হয়নি। এবং আমার মতে, কোন ধর্মের পথপ্রদর্শককেই এভাবে হেয় করাটা উচিত না।
নাস্তিক কারা আমি জানিনা, তবে ধর্ম একান্তই মানুষের মানবিক অধিকার, কারো উপরেই নিজেরটা চাপিয়ে দেয়ার না। কোরআনেও বলা হয়েছে যার যার জন্য তার তার ধর্ম। ধর্ম বিশ্বাস না থাকলে সমস্যা নেই, কিন্তু অন্য ধর্মের মানুষের ধর্ম বিশ্বাসে আগ বাড়িয়ে আঘাত করাটা কোন ধরণের সভ্যতা?
ইসটুপিড বলেছেন:
আর কোরান ইতিহাসের সোর্স হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয় কেন? বনি ইসরায়েলিদের সব কুকর্ম, নবী হত্যা, বারবার আল্লাহর নাফরমানির বিবরণ আছে বলে?
শয়তান বলেছেন:
ঠেলা
হিটলারের সাগরেদ বলেছেন:
এই লেখাটির লেখক সহ এবং পক্ষে মন্তব্য কারী সকলকে সামু থেকে বের করে দেয়া উচিত ছিল। এই ধরনের মিথ্যা প্রচারনা ব্লগীয় আচরনের পরিপন্থি।
লেখক বলেছেন: ওহে হিটলারের পোঁদবালক, কোন জায়গাটা মিথ্যা প্রচারণা সেইটা কৈলা না ?
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
দারূন।+
হযরত মুহাম্মদ (সঃ) নিজে করেননি
দুরের পাখি@ বুঝলাম মুহাম্মদ (সঃ) ও তার ধর্মে আপনার অ্যালার্জি আছে। মক্কা বিজয়ে যখন উনি প্রতিশোধ নেন নাই, তখন অন্য বিজয় গুলাতে অন্য কিছু করার সঙ্গত কারন থাকতে পারে সেটা বুঝেই কি আপনার অ্যালার্জি বেড়ে গেছে?
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
লেখক বলেছেন: মক্কা বিজয়ে প্রতিশোধ না নেওনের সঙ্গত কারণ আছে, সবগুলারে মাইরা ফেলানির চাইতে নিজের লুটেরা বাহিনীতে ঢুকাইয়া শক্তিবৃদ্ধি ।
অন্য গুলাতে লুটপাটের সঙ্গত কারণ আছে । সম্পদ দরকার ।
বোদ্ধা সব !!!!
মেঘেরদেশ বলেছেন:
খালি কলসি বাজে বেসি।আপনার লেখায় টা বোঝা যাসছে।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
এই পোস্ট খান অনেক দিন ধইরা খুজতাছিলাম। প্রিয়তে নিলাম অবজার্ভেশনে রাখলাম। সময় নিয়া আপনের রেফারেন্স আর অন্যান্য রেফারেন্স লিংক নিয়া পড়ুম। এরকম লেখা কি আরো লেখছেন নাকি যেগুলান এমুন স্পেসিফিক?
বিসাম বলেছেন:
কুকুরের ঘেউ ঘেউয়ে পুর্ণিমা চাঁদ আধারে লোকায়না
কুটুশ মিয়া বলেছেন:
আশা করি শুধু বনি কুরায়জা দিলেই চলবো।চাইলে বাকি ২টাও দেয়া যাবে।কোন সুনির্দিস্ট বিষয়ে ওহী আসার আগ পর্যন্ত আহলে কিতাবদের রীতি অনুসারেই সিদ্ধান্ত নেয়া হত।বনি কুরাইজার ব্যাপারে যে ফয়সালা দেয়া হয়েছিল তা বনি ইসরাইলের শরিয়তের সমরনিতি অনুযায়ি ছিলো।তাওরাতের ১১,১২,১৩ আয়াতে আছে-
যখন তুমি কোন শহরের নিকট তাদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য উপস্থিত হবে,তখন ১ম তাদের সাথে সন্ধির প্রস্তাব দেবে।যদি তারা সন্ধি প্রস্তাব মেনে নেয় এবং তোমার জন্য শহরের দরজা খুলে দেয়, তবে সে শহরের সকল নাগরিক তোমার করদাতা বলে গন্য হবে এবং তারা তোমার সেবা করবে।আর যদি তারা সন্ধি অস্বীকার করে যুদ্ধ করতে চায়,তবে সে ক্ষেত্রে তুমি তাদের অবরোধ কর।আর যদি তোমার ইশ্বর সদাপ্রভু উক্ত শহর তোমার হস্তগত করে দেন,তবে শহরের সকল পুরুষকে তরবারির আঘাতে হত্যা কর।কিন্তু মহিলা,বালক,চতুস্পদ প্রানী আর অন্য যা কিছু শহরে রয়েছে সব কিছু নিজের জন্য লুন্ঠন করে নাও।(কিতাবে মোকাদ্দাস পবিত্র বাইবেল সোসাইটি,১৮৮২ খৃঃ কিতাবে ইস্তেসানা,অধ্যায় ২০,আয়াত ১০-১৪)
বনি ইসরাইলের মধ্যে প্রাচীনকাল থেকেই এ নিয়ম চালু ছিল।তাওরাত গ্রন্থে রয়েছে ইশ্বর যেমন মুসাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন,সে অনুযায়ি তিনি মাদায়েনবাসির সাথে যুদ্ধ করেন এবং তাদের সকল পুরুষকে তারা হত্যা করেন।তারা ঐ সকল নিহত ছাড়াও আওয়া,রাকেম,ছুর,হুর ও রাবে নামক মাদাইয়ানের ৫জন রাজাকে হত্যা এবং বা-উর এর পুত্র বাল'আমকেও তরবারি দ্বারা হত্যা করে।বনি ইসরাইল মাদায়েনের মহিলা ও শিশুদের বন্দি করে,তাদের জীব,জন্তু ভেড়া বকরী ও অন্যান্য মাল আসবাব সব কিছুই লুন্ঠন করে।তারা গোটা শহর ও কেল্লাসমুহ জ্বালিয়ে দেয়।(পবিত্র বাইবেল গননা পুস্তক।অধ্যায় ৩১,আয়াত ৭-১০।বাইবেল সোসাইটি-১৮৮৩খৃঃ )।
হযরত মুসা(আঃ)এর যমানায়ও এ বিধান পালন করা হত।এতে তার অনুমোদন ও সমর্থন ছিল।তাওরাত গ্রন্থেই রয়েছে-
তখন মুসা ও আল আযেক যাজক এবং দলের সব সর্দার তাদের অভর্থনা জ্ঞাপনের জন্য তাবু থেকে বাইরে গেলেন।মুসা সেনাপতীদের প্রতি আর তাদের প্রতি যারা সহস্রজনের সর্দার এবং তাদের প্রতিও যারা শতজনের সর্দার ছিলেন,যারা যুদ্ধশেষে প্রত্যাগমন করেছেন-ক্রুদ্ধ ক্ষুদ্ধ হন।তাদের তিনি বললেন তোমরা কি মহিলা সবাইকে জীবিত রেখে এসেছ।(ঐ,আয়াত ১৩-১৫)।
হযরত সা'দ ইবনে মুআয(রাঃ) এর ফয়সালায় এ নির্দেশই পালন করা হয়।আর এভাবেই মদিনা ইহুদিদের ষড়যন্ত্র,ধোকা-প্রতারনা এবং ফেতনাবাজির কবল থেকে মুক্ত হয়।হুযর(সঃ) বনি কুরায়জার সাথে যে আচরন করেছেন তা সামরিক,রাজনৈতিক,আরবের ইহুদি গোত্রসমুহের স্বভাব প্রকৃতি অনুযায়ি হয়েছে।
আরব দেশে মুহাম্মদ(সঃ) একা ছিলেন।এ দেশটি আয়তনের দিক থেকে আমেরিকার ১/৩ এর সমান ছিল।এর লোকসংখ্যা ছিল ৫০লক্ষ।তার এত বড় সেনাবাহিনি ছিল না,যারা জনসাধারনকে নির্দেশ পালন ও আনুগত্যের জন্য বাধ্য করতে পারতেন।মাত্র ৩ হাজারের একটি ছোট সেনাদল ছিল।এ সেনাদল পুর্নমাত্রায় অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত ছিল না।এ দৃস্টিকোন থেকে মুহাম্মদ(সঃ) যদি কোন প্রকার অলসতা কিংবা অমনোযগিতাকে প্রশ্রয় দিতেন,বনি কুরায়জাকে তাদের চুক্তিভংগের অপরাধে শাস্তি না দিয়েই ছেড়ে দিতে,তবে আরব উপদ্বীপে ইসলাম টিকে থাকা দুস্কর ছিল।তবে এতে কোন সন্দেহ নাই ইহুদিদের হত্যার বিষয়টা কহুবই কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল।বিভিন্ন ধর্মের ইতিহাসে এটা কোন নতুন ঘটনাও ছিল না।যে দৃষ্টিকোন থেকে মুসলমানরা তদের হত্যা করেছিলেন,তা বৈধতার পুর্ন প্রমান তাদের নিকট বিদ্যমান ছিল।তাদের এ পদক্ষেপের ফলে আরবের অন্যান্য গোত্র এবং ইহুদিরা চুক্তিভংগ ও কোন গাদ্দারি করার পুর্বে একাধিকবার চিন্তাভাবনা করতে বাধ্য হয়।কারন চুক্তিভংগের যে কি করুন পরিনতি তা তারা প্রত্যক্ষ করেছে এবনগ স্বচক্ষে দেখেছে-মুহাম্মদ)(সঃ) তার ফয়সালা কার্যে পরিনত করার শক্তি রাখেন।(দি ম্যাসেন্জার-দি লাইফ অব মুহাম্মদ-আর.ভি.সি.বডলে)
একথা মনে রাখতে হবে,তাদের(বনু কুরায়জা) অপরাধ ছিল দেশের সাথে গাদ্দারি এবং তাও এমন এক মুহুর্তে যখন মদিনা অবরোধ করে রাখা হয়েছিল।(স্যার স্টানলি লেনপুল)
এইরকম আরো আছে...আপাতত মুসলিম স্কলারদের পর্যালোচনা মোটামুটি বাদ দিলাম।এর আগে পিছে আরো অনেক কথা কিভাবে সা'দ(রাঃ)কে ফয়সালা দেবার জন্য বনি কুরাইজার চাহিদামতই মনোনিত করা হলো(তিনি বনি কুরাইযার মিত্র,বিপদে আপদে সাহায্যকারি,সহমর্মি ছিলেন ),চুক্তি ভংগ করেছে শুনে সাদ ইবনে ওবাদা(রাঃ),সাদ ইবনে মোআযের(রাঃ)নেতৃত্বে সাহাবাদেরকে পাঠানো হলে তাদের সাথে কি ধরনের ব্যবহার করেছিলো(যেমন-কিসের আল্লাহর রাসুল!আমাদের ও মুহাম্মদ(সঃ)এর মাঝে কোন চুক্তিই সম্পাদিত হয়নি ইত্যাদি),চুক্তিতে কি ছিলো(আরব ঐতিহ্য অনুসারে মৈত্রি চুক্তির মর্যাদা ছিল সহদর ভাইয়ের সম্পর্কের মত গভীর),মুল হোতা হুয়াই বিন আখতাবের মৃত্যর সময়কার উক্তি,কাব বিন আসাদের প্রস্তাব আর তা প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা, তাইলে হ্যালুসিনেশনের রোগী মোহাম্মদের মুরিদানদের রক্ষার জন্য তার বর্বর এবং পিশাচ হওয়াটা ঠিকাছে । সে যদি বর্বর রক্তপিপাসু না হইতো তাইলে আরব উপদ্বীপে তার কাল্ট টিকতে পারতো না ।
ওহে চোদনা শুয়োর, ভারতীয় শিবসেনা যদি বলে দুইপাশে মুসলিমদের মাঝখানে ভারতের হিন্দুদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে এইজন্য বাংলাদেশরে পরমাণু বোমা মাইরা উড়ায়া দিয়া অন্যদের ডর দেখায়, যাতে অন্যরা ভারত আক্রমণের সাহস না পা্য, তখন কি সেইটারে জায়েজ দেখায়া যুক্তি খাড়া করাইবা ?
আর বানু কুরাইযা চুক্তি ভঙ্গ করে নাই, করার চিন্তা করছিলো ।
নাইটফল বলেছেন:
লেখক দেখুন আপনার ধর্মে বিশ্বাস নাই ঠিক আছে। এটা আপনার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। কিন্তু কোন ধর্মকে তো আপনি এভাবে আক্রমন করতে পারেন না।
বীরেনদ্র বলেছেন:
যারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করেন তাদের কে কোরান, হযরত মোহাম্মদ(সাঃ) হাদীস মানতেই হবে। সুতরাং কোরান বা এক কথায় ধর্মে খারাপ কিছু থাকতেই পারে না। কেউ যদি ধর্মের বিরুদ্ধাচারন করে সে মানবতার শত্রু।ধর্মেই বলা আছে চোখ বুজে বিশ্বাস করতে, প্রশ্ন না করতে, যুক্তি না খুজতে ইত্যাদি।কেন বলা আছে? কারন হল থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়বে। ইতিহাস ঘাটলে অনেক কিছুই বেরিয়ে আসে যা ছিল চরম মানবতা বিরোধী।
ধর্মীয় নেতারা ধর্মের নামে অনেক কিছুই করেছেন যা ছিল চরম অধর্ম।
প্রথম অস্বীকার, প্রমান দিলে বলবে , আসল কোরানে নেই,আসল কোরানের উদাহরন দিলে বলবে অনুবাদ করার সময় ভুল হয়েছে। আরবী কোরান লাগবে।আরবী কোরান থেকে প্রমান দিলে ব্যাখ্যা খুজবে ঐতিহাসিক পটভুমির কথা বলবে , ঐ সময়ের আর্থ সামাজিক কথা বলবে ইত্যাদি। সব কিছুর পর " তুই শালা নাস্তিক, কাফের, চরিত্র খারাপ"
মুশকিল হল ইন্টারনেটের যুগে, অবাধ তথ্য প্রবাহের যুগে বিড়ালকে কোন ভাবেই আর থলেতে রাখা যাচ্ছে না। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার দিন শেষ ।circular logic, ad homenim ইত্যাদি তো আছেই। মানতে কষ্ট হচ্ছে- সুতরাং মানব না।
মোট কথা আমার ভুল হতেই পারে না।
কুটুশ মিয়া বলেছেন:
ওহে বালব্যাটা আমার কমেন্টটা আগে ভালো কইরা পইড়া দ্যাখো।তারপর রিপ্লাই মারাইতে আইসো! আর বানু কুরাইযা চুক্তি ভঙ্গ করে নাই, করার চিন্তা করছিলো ।
তোমার মতো এইরাম ব্রেইন ওয়াশড অবলা মানসিক প্রতিবন্ধি অথবা সেয়ানা জ্ঞানপাপি নির্লজ্জ মিথ্যুক অথবা এক্কেরে টিপিক্যাল ইহুদি/পৌত্তলিক/মুনাফিকের মত আবালের সাথে যে কথা কইবার আইছিলাম এইজইন্য নিজেরেই বলদ বলদ মনে হইতাছে!
আলুচুনার মেজাজ নিয়াই কথা শুরু করছিলাম কিন্তু তুমি যে শইলের সমস্ত রক্ত,বীর্য,পুজ,বিষ্ঠা সবকিছু মাথায় নিয়া সব সময় ঘুইরা বেড়াও সেইডা বুঝবার পারি নাই।যাইহোক তুমি এহন যেইডার নাম দিছো হ্যালুসিনেশন সেইডারে তোমার বাবা আবু জাহেলরা ১৪০০ বছর আগে কইত জ্বীন,ভুতের আসর!আর বর্বর,রক্তপিপাসু,মিথ্যাবাদি,পাগল,প্রতারক,যাদুকর,কবি ইত্যাদি ইত্যাদি এইগুলি শুধু শেষ নবি(সঃ) না বরং দুনিয়ার হাজার বছরের ইতিহাসে যত নবিগন(আঃ) আসছেন সবার বিরুদ্ধে এইগুলিই আবু জাহেলগো কমন অভিযোগ।
আমি যেইসব রেফারেন্স দিছি এইগুলান শুধু মুসলিম স্কলারদের বক্তব্য না।রেফারেন্স দেয়া হইছে তাওরাতের আর অমুসলিম ঐতিহাসিদের যাগো কাছ থিকা তোমরা এইসব মেকি মানবতার/ভার্চুয়াল গলাবাজির সবক পাইছ।যাগো রেফারেন্স দিছি এরা কেউই হুযুরকে(সঃ) শেষ নবি হিসেবে স্বীকার করে নাই,নব্যুয়ত জিনিসটা কি এইটা নিয়াও এদের কোন ধারনা নাই।এরা প্রত্যেকেই হুযুরকে(সঃ) স্রেফ একজন ঐতিহাসিক অথবা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব,সফল রাস্ট্রনায়ক,সমরনায়ক বা এইজাতীয় কিছুই মনে করে এর বেশি কিছু না।আমি শুধু এই জিনিসটাই তোমারে জানাইবার চাইছি যে হুযুরকে (সঃ) শেষ নবি না মাইনাও হাজার হাজার বছর থেকে চইলা আসা সমর নিতি,রাস্ট্র নীতির তরিকা টরিকারে প্যারামিটার ধইরা যারা ঘটনার পর্যালোচনা করছে তারাও বলতে বাধ্য হইছে পুরাপুরি সঠিক বিচার হইছে।কারন এইটাই মানব সমাজের হাজার হাজার বছরের ধারা।এইভাবেই সভ্যতা,সামজ,রাস্ট্র,মতাদর্শ গইড়া উঠছে,চলতেছে।কিন্তু তার মানে এইটাই শেষ কথা না এর সাথে সাথে মুসলিম স্কলারদের আরো বক্তব্য আছে।আর তাওরাতের বিষয়ে বলা যায় যেইখানে ইহুদি ঐতিহাসিকরা সম্ভাব্য সবদিকে দিয়া মুসলমানদের পিছনে লাইগা থাকে কিন্তু মদিনার এই ৩ গোত্রের ব্যাপারে তারা পুরাপুরি নিরবতা অবলম্বন করছে।কারন আহলে কিতাব হিসেবে ছিটাফুটা যেইটুক যা এখনও এদের মধ্যে অবশিস্ট আছে সেইহিসেবে এরা ভালোকরেই জানে তাদের পূর্বপুরুষরা তাদের তাওরাত মোতাবেক আসলেই দোষি ছিলো আর তাদের উপর ওহীর ফয়সালাই কায়েম হইছিল।
যাইহোক এখন কইবা এইসব তাওরাত টাওরাত মানি না ধর্ম/আস্তিক সবগুলাই বর্বর।কিন্তু দুনিয়ার শুরু থিকা নিয়া এই পর্যন্ত যা কিছু অতীতে ঘটছে,বর্তমানে ঘটতেছে,ভবিষ্যতে ঘটবে,মানব সভ্যতার অগ্র/পশ্চাত যত যাত্রা যত সব কাহিনি,ঘটনা,দুর্ঘটনা সবকিছু পর্যালোচনা করলে দেখা যায় সমস্তকিছু আস্তিকদের বা ধর্মগুলোকে কেন্দ্র করেই ঘটতেছে।এইখানে নাস্তিকদের কোন জায়গায় কি ভুমিকা আছে একটু কও দেখি।যেই সব বালের মানবতার কথা শুনায়তে আইছ এইসব মানবতার উপর ভিত্তি কইরা নাস্তিকদের এমন কোন সভ্যতা,সম্রাজ্য,সমাজ,জনগোষ্ঠি গইড়া উঠছে বা এইরাম কোন নেতা টেতার নাম টাম কও দেখি যার কোটি কোটি অনুসারি হাজার বছর ধইরা তারে অনুসরন করতেছে।পারলে এইসব ভার্চুয়াল গলাবাজি বাদ দিয়া ১ম কমেন্টটা পইড়া তারপর আসো।১ম কমেন্টের শেষ প্যারা নিয়া পরে কথা কমু।
আর বিরেনদ্র তোমার এইসব বালছাল ভাংগা রেকর্ড শুননের টাইম নাই।আলু পোড়া খাওনের জন্য কি সবসময় ডিমে তা দিয়া বইসা থাকো?
লেখক বলেছেন: ওহ, তাইলে কি দাঁড়াইলো, মুসা ছিলো বর্বর, জানোয়ার, স্বজাতিখাদক শুয়োর, মোহাম্মদ তার অনুসারী মাত্র ? বর্বর জানোয়ার মুসার মত কইরা কাজ করলে মোহাম্মদও বর্বর জানোয়ার হয় না ?
আর তোমার হাঁটুর কথা খেয়াল রাইখা আমার আরেকটু বুঝায়া বলা দরকার ছিলো, স্যরি ফ দ্যাট । চুক্তি ভঙ্গ করা, আর ভঙ্গের এটেম্পট নেয়া দুইটার জন্য একই শাস্তি হইতে পারে না । শাস্তির পৈশাচিকতা, বর্বরতা বা মুসার জানোয়ারত্ব এক পাশে সরায়া রাইখা, চুক্তি ভঙ্গের শাস্তি ঐরকম ধরলেও, বানু কুরাইযা এটেম্পট ট্যু চুক্তি ভঙ্গের দায়ে পড়ে, সরাসরি চুক্তি ভঙ্গের না । কারণ চুক্তি যদি তারা ভাঙ্গতোই তাইলেতো মোহাম্মদেরও জায়গায় জায়গায় লাগাইয়া বেড়ানি হইতো না তোমারও হুজুরের কাছে হাঁটু গাইড়া পোঁদ পাইতা দিতে দিতে যেটুক মগজ হাঁটুতে ছিলো সেইগুলাও শুকাইতো না ।
কুটুশ মিয়া বলেছেন:
এইতো আস্তে আস্তে লাইনে আসতেছো,তোমার হাটুতে কতদুর কি আছে বের করবার শুরু করছো।মুসা বর্বর ছিলো হুযুরকে(সঃ) শেষ নবি হিসেবে যে মাইনা নিছে সে মুসাকে (আঃ) বর্বর মনে করে!এই হলো তোমার ইসলাম জানোন,বুঝনের ছিরি!যদি এইরকম কেউ থাকেও আর নিজেরে মুসলিম বইলা দাবি করে ত্য় তারে ইসলাম মতে কি বলা হইব এইটা জাইনা আসো।মুসলমানদের আকিদা,বিশ্বাস ইত্যাদি জিনিসগুলা দারা কি বস্তু বুঝানো হয় এইগুলা বুইঝা তারপর তোমার হাটুতে যে উর্বর মগজ আছে সেইটা খাটানোর শুরু করো।তারপর আমিও না হয় আমার শুকনা মগজ দিয়া সেইগুলা তুমার কাছ থিকা বুঝবার চেস্টা করবোনে কি কও?ধর্মগুলা নিয়া তুমার দির্ঘদিন ধরে চলে আসা অক্লান্ত ঘভেষনা,শাদনা দারা তুমি কি কি হাছিল করলা এইটাও একটু বুঝবার চাই। চুক্তি ভাংগে নাই এটেম্পট নিছিলো কিছু বলার নাই।আগে বনু কুরায়জার ঘটনা তুমি কি জানো একটু শুনাও দেখি।যেইখানে তাগো মহিলারা পর্যন্ত মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করা শুরু করছে,সাহাবিকে(রাঃ) শহিদ করছেন এই জন্য যে শাস্তি পাইছেন সেইটাও নিজে মাথা পাইতা নিছেন ইত্যাদি ইত্যাদি ঘটনাগুলা কতদুর কি জানো একটু হাটু থিকা বের করবার শুরু করো দেখি!
কুটুশ মিয়া বলেছেন:
ভাই আপাতত খ্যামা দিবার চাইতাছি!গালিগালাইজ হাউকাউ কইরা আসলে লাভ নাই আপনেও আপনের জায়গা থিকা নড়বেন না আমিও নড়ুম না।তয় এইটুক না কইয়া পারতেছি না যদিও কইয়া থাকেন আপনেরা দুইদিকের ইতিহাস পড়ছেন কিন্তু আপনেদের আচরনে কিন্তু কখনই সেইটা প্রকাশ পায় না।হুযুর(সঃ)এর প্রতি আপনেদের প্রচন্ড বিদ্বেস যতই মুক্তমনা,সিকুলার,খোলামন কইয়া চিল্লাচিল্লি করেন না ক্যান!কিছুটা হইলেও নিরোপেক্ষ মানসিকতা নিয়া ইতহাসতগুলান আবার দেখা উচিত(ব্যক্তিগতভাবে মনে করি নিরোপেক্ষভাবে আপনে দ্যাখেন নাই )।১০৪নং কমেন্টটা হয়ত আরেকটু ভালোভাবে করা যাইত।যাইহোক যা হইছে হইছে।তারপরও যদি আপনে চালাইতে চান আমিও আপনের সাথে চালানির চেস্টা করুম তয় আপাতত আগ্রহ পাইতেছি না কারন কোন কনক্লুশনে আমি আপনি কেউ আসব না।ভাইবেননা আবার সুশিলগিরি মারাইতে আইছি!
লেখক বলেছেন: হুমম, এইরকম এপ্রোচ হইলে হয়তো অনেক আলোচনাই করা যাইতো ।
(বিশাল বড় এক কমেন্ট লেখছিলেম । সামুর বালের ঝামেলায় হারায়া গেলো । মেজাজ খারাপ লাগতাছে । আবার পরে লেখুম নে ।)
কালোমেঘ১৮ বলেছেন:
তোর কপালে ---------------খালি মাইনাস ছাড়া আর কিছু দিতে পারলুম না ভাই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















এইটা হইলো সাম্যের চমৎকার নিদর্শন..
আহা..