আমার প্রিয় পোস্ট

কাগু ক্যান স্টার্ট অ্যা ফায়ার ইউজিং জাস্ট টু আইস কিউবস

গ্র্যান্ড থেফট রেভ্যুলুশন -১৯৪৭

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৪

শেয়ারঃ
0 0 0

গান্ধীর গান্ধামির কারণে মদখোর লম্পট জিন্না আর সোহরাওয়ার্দি কাবার দিক না চিন্যাই ইছলামের বিশাল বড় কান্ডারি হৈয়া বড় বড় লেতা বনে গেলো । তিল তিল কৈরা হাভাইত্যা প্রান্তিক চাষা-ভূ্যা-কলু-কামলার ভিতরে যা কিছুটা আশা জোগাড় করছিলো তার পুরাটুক দুষ্ট কামুকের কথায় পা মেলে দেয়া কুমারীর মত, মুসলিম লীগের পাঁয়ে সইপা দিয়া আন্ডারগ্রাউন্ডে গেলো কম্যুনিস্টরা । ক্ষোভে দুঃখে বা পরাজয়ের যন্ত্রণায় আদিম সামুরাই যোদ্ধার মত গুম হৈলেন নেতাজি । তার পরিশ্রমের ঘিটুক বিনা পরিশ্রমে তুইলা নিলো নাজিমদ্দি খান বাহাদুর সুরাবর্দি জিন্নাহ ফিন্নাহ আর তার চেলারা । বড় অসময়ে নিজের ভুল বুইঝা অপাংক্তেয় হৈলেন হক সাহেব । আর সবকিছু ছাপায়া বড় বড় রাম-ঠাপ খাইলো হঠাৎ কৈরা খুব হিন্দু আর খুব মুসলমান হৈয়া উঠা পাল পাল কেষ্টা আর আবুলের বাপ ।

মোটা দাগে সাতচল্লিশের ভারত-ভাগের ইতিহাস এই ।

যদিও ভারত কোনদিনও একটা জাতিসত্তা ছিলো না, কোনদিনও হয়ও নাই, তবু সেই অলীক ভারত ভাগের দুঃখ পরাণে পুইষা মনোকষ্টে মারা গেলো কত রায়বাহাদুর বাল বাহাদুর । তার জ্ঞাতিগুষ্টিরা এখনো এখনকার ভারতে বৈসা সেই স্বপ্নে কি সেই দুঃখে কেজানে এখনো খেতা ভিজায়া ফালায় প্রতি রাইতে । জোড়াতালি দিয়া বড় একটা আখাম্বা আলখেল্লা বানানির সেই স্বপ্নদোষে সিকিম গেলো মহিশুর গেলো নেপাল যায় যায় ।

সেইসব পরের কথা ।

ভাত-কাপড়-কাম সমস্ত কিছুতে অতৃপ্ত দিনমান অভাবের মস্ত কুঁজ পিঠে নিয়া বাঙ্গালি হরিসূধন কি গফুর সব শালারাই শেষে ফাল দিলো । হরিসূধণ ফাল দিলো সারারাইত ম্লেচ্ছ রমণীর গতর জুইড়া জোরপূর্বক দাপাদাপি কৈরা সক্কালে গঙ্গাজলে পবিত্র হৈয়া আসা শ্রীযুক্ত শশান্ক বন্দোপাধ্যায় কি আশুতোষ হোগাপাধ্যায়ের হিন্দস্তানের গালগপ্পে । গফুর করিম রহিমও ফাল দিলো, ব্রিটিশ স্কচ আর শাদা মেমসায়েবের কটন আন্ডারওয়ারের গন্ধ শুঁইকা শুইকা লেখা সৈয়দ আমির আলীর স্পিরিট অফ ইছলামের স্পিরিটে ।

শুরু হয়তো তারো আগে থাইকা ।

বীজ হয়তো বোনা হৈছে আরো আগের যুগ যুগ ধৈরা । ব্রিটিশ সায়েবগো পা-ধোন-গা-হোগা চাইটা জমিদারি হাতায়া নিয়া আর আংরেজি পইড়া বাঙালি হিন্দু বাবুরা যখন ম্লেচ্ছ আর শুদ্রগো ভাতখাওয়া-কাপড়পড়া-হাগামুতা-বৌলাগানি সমস্তকিছুরে নাক সিঁটকাইয়া কোলকেতায় বইসা বইসা জার্মান-তুর্কি-অটোমানের গল্পে মশগুল, তখন চাটার পথে প্রথম পা বাড়ানো মোছলেম কান্ডারি ছার ছৈয়দ আহমদ আর আমির আলি আর লেট নওয়ার আবদুল লতিফদের মনে হৈলো মোছলেমদেরও শিক্ষার দরকার । কোন বাইন্যার পুতের মনে হৈলো না বাঙালির শিক্ষার দরকার ।

বীজ বোনার শুরু হৈছে তখন থাইকাই । হিন্দু জমিদারের অত্যাচার, অনাচার জুলুম এইসবের রসে আঠালো ফিরিস্তি দিয়া গফুর করিম রহিমরে যারা ফাল দেয়াইছে, তারা সেইসব রসের লোভে লোল পড়া জোতদার পাতি-জোতদার আর উঠতি বাঙালি মোছলমান জোতদাররাই । খোদার কসম এক শালাও একটা বর্ণও নিজের বিশ্বাস থাইকা কয় নাই ।

কইছে সব লোভ থাইকা ।

যেই কম্যুনিস্টরা বুঝছিলো জোতদার জমিদারের কোন ধর্ম-বর্ণ নাই । অত্যাচারের গায়ে কোন ধর্মীয় মহিমা নাই । গফুরের জমি বালোতোষ হোগাপাধ্যায় কাইড়া নেয়া আর চুতিয়ার রহমান কাইড়া নেয়ার মধ্যে গফুরের কফালের কি দুঃখের কোন হেরফের নাই, সেই কম্যুনিস্টরা ভয়কাতুরে বাঙালির জাইগা উঠা দেখা এতই অপরিচিত একটা অবস্থায় পড়ছে যে, কে কোনখান দিয়া তাগো রেভ্যুলুশন কাইড়া নিলো সেই খেয়াল করার আগেই বিপ্লবের ঘি ডইলা দিছে সোহরাওয়ার্দি আর জিন্নার গায়ে । আসলে হয়তো আমার নিতান্ত উড়নচন্ডি উপলব্ধিতে মনে হওয়া, কম্যুনিস্টরা সবসময় প্যাসিমিস্টিক হয়, তাদের কথা কেউ বিশ্বাস করতাছে এই সিচুয়েশনের সাথে পরিচিত না হওয়াতে, হঠাৎ পাব্লিকের এত সমর্থনে তার নিজেরাই বুইঝা উঠতে পারে নাই তাগো কি করা উচিৎ, এই থিওরিই ঠিক । আজীবন ঝাঁটার বাড়ি খাওয়ার পরে হঠাৎ নাম ধাম যশ সব একসাথে আসা শুরু করলে যেইটা হয় ।

সতীত্ব একবারই বেচা যায় ।

মাওলানা ভাষানী কৃষকের দুঃখে কাইন্দা এসেম্বলিতে বন্যা বানায়া দিয়াও কিছুই পারেন নাই, এই কারণে ।

শেষ মুহুর্তের তাড়াহুড়ায় ক্যাবিনেট মিশন প্রস্তাব আসছিলো । তিনটা দেশ করার কথা ভারত পাকিস্তান বাংলা । একি ভাষা একই কুসংস্কার একই হাভাইত্যামি শেয়ার করা বাংলার দুই ভাগ হওয়া নিয়া এখনো যাগো বুক খচখচ করে অথবা সেইসব দিনের নষ্টামির সাথে বাপেরও যোগাযযোগ না থাকা যেইসব নতুন বাংলাদরদীর মনে হয়, সব প্রস্তাবের মাঝে এইটা ছিলো বেস্ট, তারা আসলে কাস্মীরের যন্ত্রণা না বুঝা কিছু অগা পাব্লিক । যেই নষ্টের বীজ নেহেরু জিন্না সোহরাওয়ার্দি, তাগো আগের বঙ্কিম ছৈয়দ আহমদ আমিরালীরা ঢুকায়া দিছিলো অলরেডি, তার নষ্ট ফলে বাংলায় যে পরিমাণ রক্তের বন্যা হৈতো ক্যাবিনেট মিশন প্রস্তাব কার্যকর হৈলে, তার হাজার ভাগের একভাগ রক্তের দামে এখন আমরা আর কিছু না হোক ফাকিস্তানের চাইতে ভালো আছি ।

প্রথম আর মধ্যচল্লিশের সেইসব দাঙা , হাজার হাজার ভুখা বাঙালির যেই ক্ষতি কৈরা গেছে তার হাজারগুন ঢাইলা গেছে অবিশ্বাস, আর জ্বালায় গেছে লোভের আগুন, কাইড়া নেয়ার অর্গাজমে কাতর তখনকার শিবসেনা আর আলবদরগো মধ্যে যেইটা গোটা দুইন্যা গিললেও নিভবে না । শেষ চল্লিশ আর প্রথম পন্চাশের রিফুজিরা জানে বা জানতো , তারা হয়তো সাবধান করতে পারতো এইসব নতুন দুঃখীদের, যদিনা আন্দামানে বাঘের পেটে আর রাজস্তান হায়দ্রাবাদের মরুভুমিতে পানির অভাবে মারা না যাইতো ।

ক্যাবিনেট মিশন প্রস্তাবের গ গুরুপের বাংলা আর আসামে, কাশ্মীরের মত উচ্চবর্ণীয় জমিদার হিন্দু বাবুরা চাইতো গ গুরুপ ভারতে যোগ দিক । আর নতুন রক্তমাখা লুটের সম্পদ পাওয়া বা হঠাৎ মোছলমান হৈয়া উঠা বাঙালি সোহরাওয়ার্দি জিন্নার চ্যালারা চাইতো গ গুরুপ ফাকিস্তানের সাথে যোগ দিক । মাঝখান দিয়া বাটে পড়তো সেই হরিসূধন আর গফুররাই । তাগোটা এরাও লুটতো ওরাও লুটতো । বাংলার মাটি সবসময় ধর্ষিত হৈতো ভারত ফাকিস্তান দুইদলের সৈন্যের বুটেই ।

বাংলা ভাগ নিয়া আমার তাই ক্ষোভ নাই । যা ঘটছে তা কেবল রুপকথার (সবাই মিল্যা মিশা থাকতাম কোন নাক সিটকানি অবিশ্বাস লুকানো ক্রোধ থাকতো না) চাইতে খারাপ । অন্য সবকিছুর তুলনায় ভালোই হৈছে ।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২১
দুরের পাখি বলেছেন: টেস্ট কমেন্ট ।
২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: উপমহাদেশের সর্বকালের সর্বজ্ঞানী দূরের পাখির জন্ম হয়নাই তখনও , হায়রে হতভাগা উপমহাদেশ !!
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: ধান্দাবাতির কোলে মাথা রাইখা দেখো, দুঃখ হয়তো কিছুটা কমবে ।

৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: লিমনরে জিগাইসিলাম , তোমার এই ফ্রেন্ডটা নিজেরে ছাড়া পৃথিবীর আর কাউকে বিন্দুমাত্র সম্মান করতে শিখে নাই কেন ? যাই হোক , নিজেরে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম জ্ঞানী ভাবে যে সেই গর্ধভের সাথে কথা বলার ইচ্ছা নাই
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: আমিও তাই বলি । খামোকা গর্দভের সাথে সময় নষ্ট কেনু, ছাগুর সাথে গোয়া লাগালাগি করগে, বহুৎ ফায়দা হবে । পরকালে সব জুটবে । ইহকালে ছাগীদুগ্ধ ।

৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৪
অলস ছেলে বলেছেন: আহারে আফসুস। সার সৈয়দ কানতে শুরু কর্ছে এই পুষ্ট পৈড়া। এই লেখা পৈড়া আইজকে হৃদয়ঙ্গম কর্লাম, দুইন্যার সব খ্রাপ সব খ্রাপ। খালি আমি থাকলে সৈখানে বাগান বানাই ফেলতাম।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: ওস্তাদের কি অখনো ছৈয়দ ছাবের লগে মোলাকাত হয় নাকি ? হাজার হোক পবিত্র আড়বের বীর্য । এইজাতীয় মোজেজা টাইপের গুন থাকতেই পারে ।

৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৯
দিগন্ত বলেছেন: বাংলা ভাগ নিয়া আমার তাই ক্ষোভ নাই । যা ঘটছে তা কেবল রুপকথার (সবাই মিল্যা মিশা থাকতাম কোন নাক সিটকানি অবিশ্বাস লুকানো ক্রোধ থাকতো না) চাইতে খারাপ । অন্য সবকিছুর তুলনায় ভালোই হৈছে ।

একমত।
৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০১
অলস ছেলে বলেছেন: হুমম এইরম মোজেজা আমার কামবিং ভাইগ্না পাখির চাইতে ভালো আর কে বুঝবে। নিজের কাজকর্ম আর অভ্যাস অইন্য সবার উপ্রে কিয়াস করা তো ঠিক না গাইজিন ভাইগ্না। তয় যত বড় অকৃতজ্ঞ হৈলেও এট্টা কথা তো মনে রাখা দরকার ছিলো, টু নেশন থিউরীর ধাক্কা না খাইলে আপনে জুতাটা খুইলে কাছারী বাড়ির সামনে হাটতেন, ফুল লোডেড হৈয়া ব্লগ লেখা কৈ থাকতো।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন: ওস্তাদের এমুন চিড়বিড়ানি জ্বলুনি দেখতে ভালুই লাগে ।

তয় সাবধানে থাইকেন । প্যান্ট ফাডি লেন্জা বারাই যাইতে ফারে । দ্বিজাতিত্বের কফিনে সবচে বড় পেরেকটা কিন্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ।

ভারতে দ্বিজাতি অতি অবশ্যই আছিলো । সেই দ্বিজাত হিন্দু মুসলমান না । তারা হৈলো যারা খালি মারা খায়া যায় আর যারা খালি দিয়া যায় ।

৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০২
নাজিম উদদীন বলেছেন: দুই বাংলা এক থাকলে খারাপ হইত না, কিন্তু আপনি যেটা বললেন বিষ আগেই ঢালা হয়ে গেছে, সে হিসেবে ভাল কিছু হত কি না সেটাও খুব জোর দিয়ে বলা যায় না।

লেখার স্টাইলটা একটু অন্যরকম লাগল।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১২
নাজনীন১ বলেছেন: আহারে! ভাষার মাসে এরকম ভাষাসন্ত্রাস হওন ঠিক না। গুনাহ্‌ হইবো।

আপনার কথার সাথে কেমন যেন একমত হয়ে গেলাম। তবে আমি একজনকে চিনতাম যে কিনা বিলাতীরা এ অঞ্চল ছেড়ে যাওয়াতে নাখোশ হয়েছেন। তার কাছে বাংলা-উর্দু-হিন্দী সবই অচল। ইংরেজীই হওয়া উচিত ছিল রাষ্ট্রভাষা। এরকম কারো কথা দেখি আপনার লেখায় নাই। বৃটিশ রাজাকার কাউরে চেনেন না?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৫

লেখক বলেছেন: বৃটিশ রাজাকাররা শেষের নাটকে বেইল পায় নাই । তাই চুরি হওয়া রেভ্যুলশনে হাপিত্যেষ করা ছাড়া তাগো আর কোন ভূমিকা ছিলো না ।

১০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১
নাজনীন১ বলেছেন: একমত হলাম মূল কাহিনীতে, ব্যক্তিচর্চায় না।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: কোষচর্চা বাদ দিলে জীববিদ্যার যতটুকু থাকে, ব্যক্তিচর্চা বাদ দিলে সমাজবিদ্যার ঠিক ততটুকুই থাকে ।

১১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১
মনির হাসান বলেছেন: বুড়া আঙ্গুল উচায়া ...
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: থ্যান্কু ।

১২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮
পারভেজ আলম বলেছেন: আমিও বুড়া আঙ্গুল উচায়া।

এতদিনে ইতিহাস লেখা হইলো শুরু। দোস্ত তুমি আগায়া যাও।

তয় বাঙলা ভাগ লইয়া আমার আপত্তি আছে। ঐযে কৈছ বীজের কথা, ঐ কারণেই আছে।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৭

লেখক বলেছেন: আপত্তির দিকগুলা নিয়া কিছু পোস্ট কর । বড়সড় কৈরা ।

১৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৭
শয়তান বলেছেন: সতীত্ব একবারই বেচা যায় ।
১৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৮
সবুজ সাথী বলেছেন: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: উপমহাদেশের সর্বকালের সর্বজ্ঞানী দূরের পাখির জন্ম হয়নাই তখনও , হায়রে হতভাগা উপমহাদেশ !!
১৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১০
সুবিদ্ বলেছেন: নাহ!! সোহরাওয়ার্দিকে গালাগালির কারনটা বুঝলাম না.......

যুক্ত বাংলা না হওয়ার কারন নেহেরু.......
১৬. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৫
শত রুপা বলেছেন:
টেস্ট কেমন পাইলেন দয়য়রের বন্ধু?
১৭. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৬
শত রুপা বলেছেন:
টেস্ট কেমন পাইলেন দূরের বন্ধু?
১৮. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৫
খারেজি বলেছেন:
পাখি কি অহনও জীবিত?


লেখার লগে খুব একমত, কম্যুনিস্টদের নাবালেগ আচরণটা বরং কমাইযাই বলা হৈছে।


কিন্তু, এইটাই অবাক লাগলো পাখি, বাংলাভাগে হিন্দু সাম্প্রদায়িকদের ভূমিকা, কংগ্রেসে তাদের প্রমিন্যান্ট হয়া ওঠাটা, একদমই আসলো না। আজাদ এর বৈ এ বা সুনীতিকুমারের বাংলা কেন ভাগ হলো, কাদের স্বার্থে নামের বইটাতে, পশ্চিমবঙ্গের আরও একটা বই দেখছিলাম, নাম ভুইলা গেসি, নারীলেখক, বাট বইটা দারুণ ছিল, এই বিষয়টা দেখছিলাম বেশ গূরুত্ব দিয়াই আলোচনা হৈছে। এমনকি, মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেমন অটল পাকিস্তান, বাংলারাষ্ট্রও না, হিন্দু সাম্প্রদায়িকরা তেমনি অটল ভারত, স্বাধীন বাংলা না।


এই দিকটা মনে হয় বাদ পড়ছে পাখি।
১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: হুম, এই দিকটা কম বলা হৈছে । এক্কেবারে বাদ পড়ছে বলবো না । তবে আমার মনে হয় হিন্দু সাম্প্রদায়িকদের চাইতে এইখানে বেশি ক্রিয়াশীল ছিলো হিন্দুদের নাক-উঁচু ভাব, অহংকার, এবং দলিত ও মুসলিমদের শাসন করার অধিকারকে গ্রান্টেড মনে করার মনোবৃত্তি ।

সম্ভবত লেখাটা লেখার সময় জিন্নার উপর বেশি চেইত্যা ছিলাম, এইকারণে ঐদিকটা অতটা ফোকাস করা হয় নাই ।

১৯. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪৫
খারেজি বলেছেন:

হা হা হা

জিন্নার উপ্রে চেইতা ছিলেন! তাইলে ঠিকাছে।

আমার কিন্তু বেশি রাগ, যাদের আবুল হাশিম কৈতেন ঢাকার "অভিজাত মুসলিম লীগার", তাদের উপ্রে। এরাই কিন্তু বাঙালি মুসলমান মধ্যবিত্তর পাকিস্তানরে কয়েদে আটক করে। প্রধান ছিল ঢাকার নবাব পরিবার।

ঢাকার তরুণ মুসলিম লীগাররা (যেমন তাজউদ্দীন) তাদের বঞ্চনার প্রতিশোধ নিতে মুসলিম লীগে যায়, বাট দ্রুত, ভাষা আন্দালনের আগে পড়েই তাদের মোহমুক্তি হয়। ওই পতন হৈল অভিজাত মুসলিম লীগারদের, এরা আর দাড়্ইতে পারে নাই। বাট, এইটারে কেমন যেন ঐতিহাসিক নিয়তির মতও লাগে।


এই রকম ঘটনার জের আম্র মনে হয় এখনও সামলাইতে পারি নাই। আমার বাপ বলতো, ইশকুলগুলা সব ফাকা হৈয়া গেল, একটা মাস্টার নাই!
২০. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০২
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: দূরের পাখি কি ফারুক ওয়াসিফ ভাইয়ের নিক নাকি?
২১. ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:২৮
মনির হাসান বলেছেন: ডাকি নাই ... তোমার ক্ষ্যাতে কাউয়া তাড়াইছি ... সার দিছি ... মুরগীরে খাওন দিছি ... ছাগলগুলা টসটসা হয়া আছিল ... খোদার কসম কিচ্ছু করিনাই ... :|
২২. ১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:১৪
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: পাখি, বহুদিন পরে আসলাম। তুমি এখনো জীবিত দেখে ভালো লাগলো। তোমার কোনো খবর নাই কেনো? মেইল কোরো....টা টা......
২৩. ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাংলা ভাগ নিয়া আমার একখান প্রশান্তি আছে। ভারত পাকি বৃটিশগো এই দেশ খাইটে না দিয়া, নিজেরাই লুটপাট কইরা খাই, এর চেয়ে মজা আর নাই। না খাইয়া মরনের চাইটে খাইয়া মরন ভালা মনে হয়!

ফারুক ওয়াসিফ সিন্ড্রোম : লক্ষণসমূহ

১ > সকালে ঘুম থেকে উঠে পেট ক্লিয়ার না হওয়া : ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত ।
২ > রাস্তায় হাঁটতে গেলে ভুল করে ড্রেনের পানিতে পা দিয়ে দেওয়া : সিআইএ মোসাদের ষড়যন্ত্র ।
৩ > বউএর জাঙ্গিয়া ময়লা : স্থানীয় জাঙ্গিয়া শিল্পের বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী কর্পোরেট বেনিয়াদের আক্রমণ ।

আপনের প্রোফাইল পড়লাম, মনে হইলো সূক্ষ্মভাবে ভদ্রোচিত ভাষায় কিছু সন্দেহবাজ সুবিধাবাদী জঙ্গী এবং কাটমোল্লাদেরকে জবাব এর চেয়ে সুন্দর ভাবে দেয়া যায় না

 

মোট সময় লেগেছে ২.৭৭০৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
গালাগালি পাঠানোর ঠিকানা
iqramrtn@yahoo.com


ফারুক ওয়াসিফ সিন্ড্রোম : লক্ষণসমূহ

১ > সকালে ঘুম থেকে উঠে পেট ক্লিয়ার না হওয়া : ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ