আমার প্রিয় পোস্ট

আস সালাম - আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক

ইসমাইল হানিয়ের একটি চিঠি/ (আশরাফ ভাইয়ের পো্স্টে যারা কমেন্ট করেছেন তাদেরকে উৎসর্গ করে এই পোস্ট)

০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০১

শেয়ারঃ
0 0 0

আজ আমেরিকানরা যখন তাদের গনতান্ত্রিক পরিবেশে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে, উৎসব করছে, আমরা প্যালেস্টাইনীরা তখন দখলদার কর্তৃক বন্দী। আমাদের রাস্তা, বাড়ী, পাওয়ার প্ল্যান্ট, ওয়াটার প্ল্যান্ট, বেসামরিক প্রশাসন - সবই তারা ধ্বংস করেছে।আমাদের বাড়ীতে-অফিসে পড়ছে বোমা আর আমাদের সাংসদরা হয়েছে বন্দী।

আজকের গাজা দখলের উদ্দেশ্য একটাই - এ বছরে আমাদের সম্পূর্ন নিরপেক্ষ নির্বাচনের অর্জনকে নস্যাৎ করা। গত পাচ মাস ধরে আমেরিকা আর ইসরাইলের চলে আসা অর্থনৈতিক যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে চাপানো হয়েছে এই বোমা বর্ষন। এই সামরিক অভিযান দিয়ে প্যালেস্টাইনীদের আবারো তার দেয়া "ভোট"টি নিয়ে ভাবতে বাধ্য করা হয়েছে - এই "ভোট"টিই যেন তার দুর্দশার জন্য দায়ী। অপহৃত ক্যাপ্টেনের কথা একটি কথার কথা মাত্র।

গনতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গুলোকে ধ্বংস করার সাথে সাথে আমাদের মধ্যে বিভেদও চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে এই বলে যে আমাদের মধ্যে নাকি গুরুতর বিভক্তি আর শত্রুতা রয়েছে। আমি এটিকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে চাই। প্যালেস্টাইনের নেতৃত্ব যে ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হচ্ছে ইসলামিক শুরা, বা পারস্পরিক পরামর্শ। মতভেদ থাকলেও আমাদের রয়েছে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সাধারনের প্রতি কল্যানের অংগীকার। এই মুহুর্তে গাজা দখল করে আমাদের নেতাদের কিডন্যাপ করার উদ্দেশ্য একটাই: ফাতাহ আর আমাদের মধ্যে সমঝোতার মতৈক্যতে ফাটল ধরানো। কিন্তু ইসরাইলের এই শাস্তি আমাদের ঐক্যকেই বরং শক্তিশালী করবে।

ধ্বংসস্তুপের উপর দাড়িয়ে যখন দেখি দাতা দেশগুলোর এই অবদান আমেরিকান যুদ্ধযান দিয়ে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে তখন ভাবি, "সাধারন আমেরিকানদের মনে কি রয়েছে?"

সন্দেহ নেই তারা ভাবছে অপহৃত ইসরাইলী সৈন্যটির কথা। কিন্তু ইসরাইলের জেলে আটকে আছে হাজারো প্যালেস্টাইনী, যাদের মধ্যে রয়েছে শত শত নারী আর শিশু, যারা ইসরাইলের অবৈধ দখলকে প্রতিহত করতে গিয়ে বন্দী হয়েছে। তারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলের শক্ত অবস্থানের কথা হ্য়ত ভাবছে। নিউজার্সির আয়তন বিশিষ্ট পারমানবিক শক্তির অধিকারী বিশ্বের ১৩তম শক্তিশালী সেনা বাহিনী লড়ছে এমন প্রতিপক্ষের সাথে যাদের একটি সৈন্যবাহিনী পর্যন্ত নেই। এই ক্ষেত্রে কে আন্ডার ডগ?

আমি আশা করি আমেরিকানরা ইতিহাসের বাস্তবতার নিরিখে সমস্যার মূলে গিয়ে বিচার করবে কেন একটি আপাত বৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে দশকের পর দশক ধরে কিছু উদ্বাস্তুর বিরুদ্ধে এমন একটি যুদ্ধ করতে হচ্ছে, যে যুদ্ধের দ্বারা তাদের কোন অর্জন নেই?

গত বছর গুলোতে ইসরাইলের একপক্ষীয় উদ্যোগে কোন শান্তি আসে নি। গাজা থেকে সাময়িকভাবে সৈন্য সরানো, ওয়েস্ট ব্যাংক আলাদা করা, ইত্যাদি পদক্ষেপগুলো দিয়ে কোন সমাধান হ্য় নি কারন তা মূল সমস্যাতে হাত দেয় নি। গত জানুয়ারীর নির্বাচনের পর থেকে প্যালেস্টাইনীরা কার্যত ইসরাইলের নিয়ন্ত্রনে ছিল, ছিল দুঃখ দুর্দশার আবহে। ইসরাইলের সামরিক অভিযান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতি একটি পরিহাস। প্যালেস্টাইনের সীমানায় ইসরাইলের বিভেদকরন দেয়ালটি তাই ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন পারস্পরিক বিশ্বাসের কোন লক্ষন নয়।

কিন্তু প্রতিকার সম্ভব, যদিও তা আমাদের জন্য কঠিন। প্যালেস্টাইনীদের দাবী: ঐতিহাসিকভাবে প্যালেস্টাইনের উপর তার নাগরিকদের অধিকার স্বীকার করে নেয়া, ৪৮ থেকে চলে আসা উদ্বাস্তু সমস্যার সমাধান, ৬৭ তে দখল করা জমে ফেরত দেয়া, এবং ইসরাইলী খুন, আক্রমন আর সেনা অভিযান বন্ধ করা। আমেরিকান সংবাদ মাধ্যমের ভাষ্যমতে গাজা আর পশ্চিম তীরেই যে শুধু সংকট ঘনীভূত তা নয়, বরং এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে যখন সামগ্রিকভাবে প্যালেস্টাইনীদের অধিকার স্বীক্বৃত হবে। পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে গাজা আর ওয়েস্ট ব্যাংক নিয়ে গঠিত প্যালেস্টাইন রাস্ট্রে ৪৮ এর উদ্বাস্তু ইস্যুকে আন্তজার্তিকভাবে স্বীকৃত পন্থায় সমাধান করতে হবে। এরপরেই ইসরাইলের সাথে আলোচনা অর্থবহ হতে পারে।

৫০ বছর ধরে আমেরিকানদের করের অর্থে ইসরাইলের যুদ্ধবাজ নীতির প্রতি সাধারন নাগরিকরা নিশ্চয়ই বিরক্ত। কেউ কেউ হ্য়ত এই প্রশ্নও করছেন যে আমেরিকা প্রথম থেকেই ঐতিহাসিকভাবে ন্যায়োচিত পন্থায় অগ্রসর হলে এত রক্ত আর অর্থের কোন অর্থবহ ফল বোধকরি থাকত।

আমরা আমেরিকা আর বিদেশী শক্তির কৃপা ভিক্ষা করে বাচতে চাইনা। আমরা আমেরিকানদের মতই গনতন্ত্র, আর্থিক স্বাধীনতা আর ন্যায় বিচার নিয়ে বাচতে চাই। আমরা ভেবেছিলাম এই আরব বিশ্বে আমাদের নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারার কৃতিত্ব আমেরিকানদের নাড়া দেবে। কিন্তু হোয়াইট হাউস থেকে উল্টোটাই পেয়েছি। বর্তমানে পৃথিবীর সবচাইতে বড় জেলখানাটিতে প্রায় ৩.৯ মিলিয়নের মত বন্দী রয়েছে। আমেরিকা গৎ বাধা সুরে বলে চলছে, "ইসরাইলের নিজেকে রক্ষা করার অধিকার রয়েছে।" ইসরাইল কি নিজেকে রক্ষা করেছে যখন গাজাতে গত মাসে আট সদস্যের একটি পরিবারকে মেরে ফেলা হয়েছে, যখন ৬ বছরের রায়ান সহ তিন সদস্যের একটি পরিবারকে শেষ করে দেয়া হয়েছে? আমি বিশ্বাস করতে চাই না আমেরিকানরা এসব অমানবিকতার সাথে একাত্ম হবে।

আমি পরিষ্কার বার্তা পৌছে দিতে চাই। ইসরাইল যদি প্যালেস্টাইনীদের শান্তি, সম্মান ও জাতী্য ঐক্য নিয়ে বাচতে না দেয়, তবে ইসরাইলীরাও একই অধিকার নিয়ে বাচতে পারবে না। এছাড়াও দখলদার বাহিনী থেকে নিজেদের রক্ষার অধিকার আমাদের আইনী অধিকার, যা চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন কতৃক স্বীকৃত। ইসরাইল যদি সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ৬৭ এর সেকেন্ডারী ইস্যুতে না গিয়ে ৪৮ এর মূল ইস্যুগুলোর সমাধানে আগ্রহী হ্য়, শান্তি প্রতিষ্ঠা তবেই সম্ভব। সব জাতি ধর্মের মানুষদেরকে নিয়ে এই পবিত্র ভূমিতে শান্তিপূর্ন সহাবস্থান সম্ভব। যদি আমেরিকারা এই সত্যটুকু জানত, তবে এই হ্য়ত বাস্তব হত।

লেখক: ইসমাইল হানিয়ে, প্রধানমন্ত্রী, প্যালেস্টাইন।

২০০৬ এর ১১ই জুলাইতে ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত।

Click This Link

 

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৬
কানা বাবা বলেছেন:

দুখের সঙ্গে "সংগী" না; "সন্ধি" অইবো মুনে লয়...
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার কথাই ধার্য।

৩. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৮
আবূসামীহা বলেছেন: পড়েছিলাম লিখাটা। সত্য ব্যাপারগুলো যদি দুনিয়ার মাতব্বররা উপলব্দি করতে পারত?
ধন্যবাদ বাংলা অনুবাদের জন্য।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: কষ্ট হলেও বাংলাটা করে ফেললাম। আসল মেসেজটা পৌছুতে চাই।

৪. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৩
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: সুন্দর ও সময়োপযোগী পোষ্ট। ধন্যবাদ আপনাকে।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: পড়তে যদি পেরে থাকেন তবে ধন্যবাদ।

৬. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮
দন্ডায়মান বলেছেন: for some reason i am unable to write in bangla too. read some of your posts, and found you are from buet too. it's really unfortunate and shameful that with an engineering degree you are not even doing any job, wasting your time as a housewife. as a fellow buet student it really hurts me.
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: this is not related to this post. So please refrain from making comments that are not related to post.

Thanks.

৭. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৯
দন্ডায়মান বলেছেন: i think if you were married to a secular, open minded guy you didn't have to bear this misfortune. your conservative husband and surroundings have degraded you to a subhuman. most of your life's worth is lost. there's still time, and i would suggest you to break-away asap and save your soul.
৮. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০৮
আবাবিল বলেছেন: নিগৃহীতের এই আর্তি কবে তল পাবে?
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: সে তো আমারও প্রশ্ন।

১০. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৭
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: শিরোনামৈ পরিবর্তন করলাম।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার দোয়ায় কি ভাল না থেকে পারি?

১২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৬
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ততদিন পর্যন্ত আসবে না যতদিন পর্যন্ত উপসাগরীয় আরব দেশগুলো পশ্চিমের সাম্রাজ্যবাদীদের কব্জামুক্ত হতে পারবে না।

ফিলিস্তিন ইস্যু ইসরাইল আর আমেরিকার পুঁজি। এই ইস্যু জিইয়ে রেখে প্রতি বছর গরীবের হক লুটে নিচ্ছে আমেরিকা আর তার মিত্ররা।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে গনতন্ত্র পর্য়োজন।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও

১৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২১
অভিযাত্রী বলেছেন: অনুবাদ করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করবো না। শোকেইসে রাখলাম।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:০৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯
কোবরা বলেছেন:
ইসমাইল হানিয়ের আর কত দিন গাজা দখল করে রাখবে?এই লোকটা নিজ দল হামাসের সুবিধা ছাড়া অন্য কিছু বোঝেনা।


উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে গনতন্ত্র আসলে আরবের শেখ দের কি হবে?
০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: "ইসমাইল হানিয়ের আর কত দিন গাজা দখল করে রাখবে?"

সাধারন প্যালেস্টাইনীরা তা ঠিক করবে।



"উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে গনতন্ত্র আসলে আরবের শেখ দের কি হবে?"

কি আর হবে? আর দশ জনের মত নাগরিক অধিকার নিয়ে বেচে থাকবে।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০০

লেখক বলেছেন: ৫ তো আর নেই, তবে+ গ্রহন করা হল ধন্যবাদের সাথে।

১৮. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬
আশরাফ রহমান বলেছেন: শোকেসে রাখলাম। একটা কাজের কাজ করেছেন।

সংশোধনী : ইসমাইল হানিয়া ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট নন, তিনি জননির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৬
বিবেক সত্যি বলেছেন: আমার চিন্তাভাবনা ছেলেমানুষী চিন্তাভাবনা ।

ফিলিস্তীনে হচ্ছে শহীদ নিত্য কত;
আত্মঘাতি বাধ্য আমার ভাইয়েরা,
ঈযরাইলী আগ্রাসনে ভৃত্য হত,
চায়নি হতে; জিহাদ করে তাই এরা...
২০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩
চতুরভূজ বলেছেন: দারুণ পোষ্ট + +
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চতুরভূজ।

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৫
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন: 'আমি পরিষ্কার বার্তা পৌছে দিতে চাই। ইসরাইল যদি প্যালেস্টাইনীদের শান্তি, সম্মান ও জাতী্য ঐক্য নিয়ে বাচতে না দেয়, তবে ইসরাইলীরাও একই অধিকার নিয়ে বাচতে পারবে না।

মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা কি আসলে মুসলিম না সব কল্পনার ফানুস? আমরা কি সেই সেনাপতি তারিকের উত্তরসূরী, যিনি জিব্রল্টার সাগরের তীরে নেমে সব নৌকাগুলো পুড়িয়ে ফেলে সৈন্যদের বলেছিলেন, দেখ এখন তো আমাদের ফিরে যাবার কোন পথ নেই।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: সে তো আমারও কথা। কেন অন্যদের করুনা নিতে বাধ্য হতে হবে?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমার কাজগুলো তাহলে একেবারে অর্থহীন নয়।

২৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৭:০০
শাব্বির আহমদ বলেছেন: Well eat olive and survive - ইসমাইল হানিয়া। ২০০৬ সালে সৌদি পত্রিকা আরব নিউজে দেখেছিলাম হেডলাইন টা। কে যেন অর্থনৈতিক অবরোধের হুমকি দিয়েছিল, তখন তিনি মন্তব্যটা করেছিলেন।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানানোর জন্য। তবে বাস্তব অনেক কঠিন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৫৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তোমরা মুসলিম হয়ে আমাকে ধন্য করেছ, তা মনে করো না।
বরং আল্লাহ ঈমানের পথে পরিচালিত করে তোমাদের ধন্য করেছেন। (হুজুরাত:১৭)
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ