আমার প্রিয় পোস্ট

আস সালাম - আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক

বোরখা, পশ্চিম আর আমি

২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬

শেয়ারঃ
0 12 0

[লেখাটি ইভন রিডলীর একটি লেখার অনুবাদ। মূল লেখাটি থেকে অনুবাদ অনেকটাই সংক্ষেপিত।]


পশ্চিমে রাজনীতিবিদ কিংবা সাংবাদিক, উভয় পক্ষই ইসলামকে নারী নির্যাতনের প্রতীক হিসেবে গন্য করতে ভালবাসেন। অথচ তারা কি জানেন মুসলিম নারীরা তাদের ১৪০০ বছর আগের কাঠামোতে কতটা মর্যাদা সম্পন্ন এবং সুরক্ষিত?

প্রথাগত কিছু বিষয়, যেমন বাল্য বিবাহ, কন্যা শিশু খাৎনা, অনার কিলিং কিংবা জোরপূর্বক বিয়ে নিয়ে লিখতে লিখতে তারা ভেবে বসে আছেন এসব ইসলামী বিশ্বাসের সাথে সম্পৃক্ত। সৌদি আরবকে সবার আগে টেনে আনা হয় নারী নির্যাতনের প্রতীক দেশ হিসেবে যেখানে নারীদের ড্রাইভিং পর্যন্ত নিষিদ্ধ। কিন্তু এসবের সাথে তো ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই, যদিও বার বার ইসলামকেই তারা দোষারোপ করে থাকেন এই কুপ্রথার জন্য।

আমাকে বলা হয়েছিল ইসলামে কি করে স্ত্রী প্রহারের মত একটি বিষয়কে অনুমোদন দেয় তা নিয়ে লেখার জন্য। কিন্তু এ ধারনা তো মোটেও সত্য নয়। আমি জানি, ইসলামের সমালোচকরা এটাকে কোরান হাদীস টেনে বিভিন্ন ভাবে প্রমান করার চেষ্টা করবেন। কিন্তু এসব রেফারেন্স তো বিচ্ছিন্ন ভাবে টেনে আনা। বউ পেটানোর এই কঠোর আয়াত তো বরং বউ পেটানোকে নিন্দা করে!

এখন কিছু বাস্তবের কিছু ইন্টারেস্টিং পরিসংখ্যান দেখা যাক। ন্যাশনাল ডমেস্টিক ভায়োলেন্স হটলাইনের তথ্য অনুযায়ী, ১২ মাসে আনুমানিক ৪ মিলিয়ন নারী তাদের সংগী কতৃক নির্যাতিত হয়। আনুমনিক, তিন জন নারী স্বামী কিংবা বয়ফ্রেন্ড দ্বারা প্রতিদিন নিহত হয় - ৯/১১ এর পরে থেকে হিসেব করলে যা দাড়ায় ৫৫০০ জন!!!

নারীর প্রতি সহিংসতা বিশ্ব জুড়ে একটি সমস্যা। সহিংস পুরুষ কোন নির্দিষ্ট ধর্ম কিংবা কালচার থেকে আসে না। বাস্তবতা হল, বিশ্বে প্রতি তিনজন নারীর একজন প্রহৃত হচ্ছে, র্ধ্ষনের মুখোমুখি হচ্ছে, কিংবা অন্যভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। নারীর প্রতি সহিংসতার ছড়াছড়ি রয়েছে সমস্ত ধর্ম, বিত্ত, শ্রেনী, বর্ন, সংস্কৃতিতে।

ইসলাম পৃথিবীতে আসার পূর্বে নারীদের নীচু চোখে দেখা হত। সত্যি বলতে কি আজকের যুগেও পশ্চিমে নারীদেরকে পুরুষরা নীচু চোখে দেখে থাকে। ঝাড়ুদার থেকে শুরু করে উপর তলার নারীরা পর্যন্ত বেতন ভাতা এবং প্রমোশনের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়ে রয়েছে আজো।

পশ্চিমা নারীরা এখনও পন্য বলেই বিবেচিত হয়ে থাকে, যেখানে বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন কৌশলে যৌন দাসত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। আগেই বলা হয়েছে এটা এমন এক সমাজ যেখানে ধর্ষন, যৌন নির্যাতন, নারীর প্রতি সহিংসতা খুব বেশী সাধারন, যেখানে নারী পুরুষের সমতা শুধু কল্পনা বিলাস মাত্র, যেখানে নারীর ক্ষমতায়ন ও প্রভাব নির্ধারিত হয় তার শারীরীক সৌন্দর্যের দ্বারা।

বোরখায় আচ্ছাদিত নারীদের প্রতি এক সময় আমার স্বভাবতই ছিল মমতা বশত একটি দৃষ্টি, যে দৃষ্টিতে থাকত নির্যাতনের প্রতীক এসব নারীদের প্রতি সহানুভূতি। কিন্তু আজকে আমার সে দৃষ্টিতে ফুটে উঠে অতিদক্ষ, মেধাবী, আর আত্মবিশ্বাসী নারীর প্রতিচ্ছবি, যার কাছে পাশ্চাত্য নারীবাদ গুরুত্বহীন হয়েছে, হয়েছে মলিন। আমার দৃষ্টির পরিবর্তন হয়েছে সেদিন থেকে যেদিন আমি নিজে বোরখা পরিহিত অবস্থায় ধরা পড়লাম তালিবানদের দ্বারা - যে সময়টি ছিল ২০০১ এর সেপ্টেম্বর।

সেবার আমার দশ দিনের বন্দী জীবনে আমি বিপক্ষের সাথে একটি সমঝোতায় পৌছি। তা হল - আমাকে যদি মুক্তি দেয়া হয়, তবে আমি কোরান পড়ব এবং ইসলাম নিয়ে চিন্তা করব। আমি আমার দেয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছিলাম। আমি অধ্যয়ন করি তবে সাংবাদিকতার জন্য আমাকে ইসলাম নিয়ে আরো অনেক অনেক বেশী পড়াশোনা করতে হয়।

আমার বন্দী জীবন কি আমার জন্য বেশী বিভীষিকাময় ছিল, নাকি আমার বিপক্ষের জন্য বেশী বিভীষিকাময় ছিল? - তার জবাব আমার জানা নেই। সে সময়টায় আমি তাদের দিকে থুতু দিয়েছিলাম, অভিশাপ দিতাম, তাদের দেয়া খাবার ফিরিয়ে দিতাম।

ফিরে আসার পরে কোরান অধ্যয়নকে আমি ভেবেছিলাম, খুব সহজ একটি একাডেমিক অনুশীলন। তখন আমি অবাক হয়ে খেয়াল করি ব্যক্তিত্ব, শিক্ষা আর সম্মানে নারীকে পরিষ্কার ভাবে সমমর্যাদায় ভূষিত করা হয়েছে। সন্তান জন্ম ও প্রতিপালনকে অত্যন্ত মর্যাদাকর হিসেবে গন্য করা হয়েছে। মুসলিম নারীরা গর্বের সাথেই বলতে পারেন তারা গৃহিনী এবং গৃহ পরিচালিকা। আল্লাহর রাসুল (সা) খুব স্পষ্ট ভাবে বলেছেন ঘরের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ন মানুষ হলেন "মা"। স্বর্গ রয়েছে মায়ের সাথে। শুধুমাত্র মাতৃত্বের দ্বারা কতজন নারী এরকম সম্মানিতা হতে পারে?
তাই যেসব নারীরা ঘরে অবস্থান করে সন্তান লালন করে থাকেন, তারা আমার চোখে সেসব নারীদের মতই সম্মানিত, যারা বাইরে গিয়ে কাজ করেন এবং প্রফেশনকে বেছে নেন।

এরপরে আমি তাকাই উত্তরাধিকার, ট্যাক্স, সম্পদ আর ডিভোর্স আইনের দিকে। এখান থেকেই সম্ভবত হলিউড আইনজীবীরা তাদের প্রেরনা পেয়েছেন। মুসলিম নারীরা পেশা বেছে নেবার ব্যপারে স্বাধীন এবং তাদের উপার্জন তাদের নিজস্ব। অন্যদিকে তাদের স্বামীরা গৃহের বিল সহ যাবতীয় খরচের দায়িত্বপ্রাপ্ত। ৭০ দশকে নারীবাদীরা যে অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছে, ১৪০০ বছর আগে ইসলামই সেটা নারীদের প্রদান করে গেছে।

আগেই বলেছি ইসলাম নারীকে স্ত্রী এবং মা হিসেবে মহিমান্বিত করে। ঘরে থাকতে চাইলে সে ঘরে থাকতে পারে। সন্তানের শিক্ষক এবং গৃহ পরিচালিকা হিসেবে সে মর্যাদার অধিকারী। সাথে সাথে, কোরান এটাও শেখায় যে নারী বাইরে কাজ করতে চাইলে সে সেটাও করতে পারে। সুতরাং পেশা বেছে নেবার ক্ষেত্রে সে সম্পূর্ন স্বাধীন।

পশ্চিমে সবচাইতে বেশী যে ব্যপারটিতে মুসলিম নারীদের ফোকাস করা হয় তা হল নারীর পোশাক। মুসলিম নারীদের অবশ্যই মার্জিত পোশাক পরিধান করতে হয়। সবাই যে ব্যপারটা নিয়ে সমালোচনা করতে ভালবাসেন, তা হল হেড স্কার্ফ। দেখুন, আজকে স্কার্ফ আমার পেশাগত জীবনের অংশ। এটা বলে দেয় আমি একজন মুসলিম এবং আমি ভদ্র ব্যবহার প্রত্যাশা করি। আপনারা কি কেউ চিন্তা করতে পারেন ওয়াল স্ট্রীট এক্সিকিউটিভদের কাউকে কিংবা কোন ওয়াশিংটন ব্যংকারকে যদি টি-শার্ট এবং জিনস পড়তে বলা হয়? সে তো জবাব দেবে "আমার বিসনেস স্যুট বলে দেয় আমি এখন অফিসিয়াল দায়িত্বে এবং আমাকে গুরুত্ব দিয়ে চলতে হবে।"

তারপরেও ব্রিটিনে আমাদের প্রাক্তন ফরেন সেক্রেটারী জ্যাক স্ট্র নেকাবকে বর্ননা করেছেন আলাপচারিতার ক্ষেত্রে এক বিরাট বাধা হিসেবে - মাত্র চোখ শুধু খোলা!! কখন তারা মেয়েদের ওয়ার্ডরোব নিয়ে যে কথা বন্ধ করবে কে জানে!!! আমাদের মন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন এবং জন রেইডও নেকাব নিয়ে এরকম কটু মন্তব্য করেছেন। এরা এসেছেন স্কটিশ বর্ডার থেকে যেখানে পুরুষেরা স্কার্ট পড়ে বেড়ায়!!! আরো প্রচুর সাংসদ রয়েছেন যারা নেকাবকে সাধারন আলাপচারিতার বাধা হিসেবে গন্য করেছেন। কি আশ্চর্য কথা!! তাহলে সেল ফোন, ই-মেইল, টেক্সট মেসেজ, ফ্যাক্স মেশিনের কি হবে? কেউ সেল অফ করে রাখেনা এটা বলে যে মুখ দেখতে পাই না।

আমার জানামতে যারা নেকাব পড়েন তাদের অধিকাংশই সাদা। পশ্চিমে যারা ইসলাম গ্রহন করেছেন তাদের নেকাবের মূল কারন সেসব পুরুষদের পাশ কাটিয়ে যাওয়া যারা মেয়েদের দুপুরের খাবারে আমন্ত্রন জানান এবং আপত্তিকর আচরন করেন। লন্ডনে কয়েকজন আমাকে বলেছেন তারা এন্টি ওয়ার ক্যাম্পেইনে নেকাব পড়েছেন সিগেরেটের গন্ধের জন্য।

বলতে বাধ্য হচ্ছি এইসব বর্নবাদীদের সর্বশেষ হাতিয়ার হচ্ছে ইসলামোফোবিয়া। এই কাপুরুষোচিত আক্রমন মুসলিম নারীদের পাশাপাশি সেক্যুলার নারীদের কাছেও অগ্রহনযোগ্য। আমি আগে ছিলাম নারীবাদী, আর এখন ইসলামী নারীবাদী, এখনও নারী অধিকারের পক্ষে রয়েছি।পার্থ্ক্য এই যে মুসলিম নারীবাদীরা অনেক বেশী গোড়া। আমি হাসি চেপে রাখি যখন দেখি বিকিনি পরিহিতা মিস আফগানিস্তানকে সামনে টেনে আনা হয় মুক্তির মূর্ত প্রতীক হিসেবে।

আমি অনেকবারই আফগানিস্তানে ফিরে গেছি এবং আমি বলতে পারি সেখানকার ধ্বংস স্তুপ থেকে কোন ক্যারিয়ার নারী বের হয় নি। বরং সেখানকার নারীরা আমাকে বলেছে বোরখা নিয়ে পশ্চিমের অযথা উদ্বেগ বাদ দিতে। "আমাকে ক্যারিয়ার নারী বানানোর চেষ্টা বাদ দাও। বরং আমার স্বামীকে কাজ দাও। দেখাও আমি কি করে নির্ভয়ে আমার সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারি। আমাকে নিরাপত্তা দাও। আমার টেবিলে পাউরুটি দাও।" - এই ছিল একজনের বক্তব্য।

তরুন মুসলিম মেয়েরা হিজাব এবং নেকাবকে তাদের ধর্ম বিশ্বাসের অংশ মনে করে। কেউ কেউ বলেছে এর মাধ্যমে তারা পৃথিবীকে দেখাতে চায় তারা ড্রিংক, ড্রাগ সহ পশ্চিমা লাইফ স্টাইলকে পরিত্যাগ করেছে। ইসলামে সুপিরিয়রিটি অর্জিত হয় গুনের মাধ্যমে - সৌন্দর্য, সম্পদ, ক্ষমতা, অবস্থান কিংবা লিংগ দিয়ে নয়।

এখন বলুন, কোনটা বেশী কাম্য? আপনাকে কেউ স্কার্টের দৈর্ঘ দিয়ে বিচার করবে, - নাকি ব্যক্তিত্ব, মানসিকতা আর বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিচার করবে?

চকচকে ম্যাগাজিন গুলো আমাদের বলে যতক্ষন না আমরা লম্বা, স্লিম, সুন্দর না হব, ততক্ষন পর্যন্ত আমরা মূল্যহীন। টিনএজ ম্যাগাজিনের কিশোরী পাঠিকারা তাই সারাক্ষনই বয়ফ্রেন্ডের খোজে ব্যস্ত। অন্যদিকে ইসলাম আমাকে বলে আমার এডুকেশনের অধিকার রয়েছে পুরোমাত্রায়, তা বিবাহিতই হই, আর অবিবাহিতই। ইসলামে কোথাও নেই নারীকে ওয়াশিং, ক্লিনিং আর কুকিং এর কাজ করতে হবে। নারীর ক্ষমতায়ন প্রশ্নে প্যাট রবার্টসনের ১৯৯২ এ দেয়া বক্তব্য পড়ে বলুন, কে বেশী সভ্য আর কে কম সভ্য। তিনি বলেছিলেন, "নারীবাদ নারীকে ডিভোর্সে উৎসাহিত করে, সন্তানদের হত্যা করতে উৎসাহিত করে, ডাইনীবাদ শেখায়, পুজিবাদ ধ্বংস করে এবং লেসবিয়ান বানায়।"

এদের মত পুরুষেরা যে অন্ধত্বের নেকাব পড়ে আছে তা প্রথমে ছেড়া দরকার যাতে মানুষ সত্যিকার ইসলামের সন্ধান পায়।

[মূল লেখা থেকে কিছুটা সংক্ষেপিত।

Click This Link
]

 

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০২
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: ফেসিবাদি পোষ্ঠে মাইনাশহ
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৩

লেখক বলেছেন: ইভন রিডলী এর দুঃখে হয়ত মারাই যাবে!!!!!!!!!

২. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১২
বিডি আইডল বলেছেন: ইসলামে যে ভাবে পর্দা করার কথা বলা হয়েছে, না জানার কারনে আমরা কিন্তু সেটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করি (মানা এবং না মানা উভয় ক্ষেত্রেই)
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: একমত। বাড়াবাড়ি শুভ ফল বয়ে আনে না।

৩. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১৬
~টক্স~ বলেছেন: ভাল লাগল লেখাটা আপু ।
দারুন অনুবাদ করেছেন।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্যে।

৪. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯
ভাইরাস! বলেছেন: আলিফ দেওয়ান বলেছেন: ফেসিবাদি পোষ্ঠে মাইনাশহ
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: সমস্যা নেই। সবকিছু সবার ভাল লাগে না।

৫. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৫
নিরক্ষর বলেছেন: ধন্যবাদ অনুবাদের জন্য।
০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৬. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
বেতাল বলেছেন: যেহেতু আপনি আপনার ব্লগে অন্যের লেখাটি দিয়েছেন, মনে করে নিচ্ছি, আপনি মূল লেখকের সাথে পুরোপুরি সহমত।

এখানে, কোরআনের রেফারেন্সসহ আমি দেখিয়ে দিতে পারি যে ইসলামে ভয়াবহভাবে নারীদের অবমাননা করা হয়। কিন্তু, ইচ্ছা করছে না। কারণ, আমি জানি একজন ঘুমের ভান করে থাকা মানুষের চেয়ে, একজন ঘুমন্ত মানুষকে ঘুম থেকে জাগানো অনেক বেশি সহজ ।

পোস্টে মাইনাস।

প্রথমত, এটা আপনার পোস্ট নয়।
দ্বিতীয়, লেখাতে শুধুমাত্র উনি বলেছেন, তিনি বলেছেন টাইপের কথা বার্তা বেশি। মানে,
এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াই,
আয়াত/সূরার দেখা নাই!

এই ধরণের হাইপোথ্যাটিক্যাল মার্কা কথাবার্তা টেলিভিশিনের টকশোগুলোতে ভালো মানায়। বাস্তবে নয়।
০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩১

লেখক বলেছেন: "মনে করে নিচ্ছি, আপনি মূল লেখকের সাথে পুরোপুরি সহমত।"

এটা মনে না করলেই ভাল। অনুবাদ করা মানে ১০০ ভাগ সহমত পোষন নাও হতে পারে। তবে এ লেখাটির সাথে আমি মোটামুটি একমত।


ইভন রিডলীর এই লেখাটি ব্যপাক পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। আপনার ভাল লাগেনি - এটা ব্যতিক্রমী রেসপন্স।

আর ইসলাম নারী অবমাননা করেছে কি করেনি, সেটার বিচার কিছুটা আপেক্ষিক। অনেক সময়ই দেখা গেছে যে বিষয় গুলো ইসলাম বিরোধীরা বিভিন্ন সময় নারী অবমাননাকর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, সেই একই বিষয় অনেক নারী কাংখিত বলে মনে করেন। তাই এইসব নিয়ে বিতর্ক আসলেই অর্থহীন।

৭. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৭
দুরের পাখি বলেছেন: সেই পুরান তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম । ইছলামে সবই আছে কিন্তু বাস্তবে কুতাও নাই । আছে ১৪০০ বছর আগের পৌরাণিক কাহিনীতে । একটা তত্ব এত দেশে এত বারবার ফেইল করার পরও সেইটা আঁকড়ে ধরে রাখাটা একটা সিরিয়াস সাইকোলজিকাল সমস্যা ।

তয় পশ্চিমা সমাজ নারীকে পণ্য বানাইয়া রাখছে সেটা সইত্য । মাগার তার প্রতিকারে ইছলাম আরো জঘণ্য । সমাধান অন্য কুতাও । ইছলাম অলরেডি ফেইলড ।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৯:১০

লেখক বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

৮. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯
জেমসবন্ড বলেছেন: ইসলাম কখনোই মেয়েদের অধিকার বন্চিত করেনি । বরং অধিকার দিয়েছে ।

সুন্দর অনুবাদ করেছনে । এ রকম আরও লেখা চাই ।

+ দিলাম ।
০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে।

৯. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৬
হমপগ্র বলেছেন: ইসলাম ইসলাম করে সব গেল!

কবে বুঝবেন, ধর্মের চেয়ে মানুষ বড়!
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: বুঝতে যে পারি সেটা তো আপনি বুঝতে না চাইলে বোঝাতে পারব না। মানুষের জন্য যেহেতু ধর্ম, এবং এই জন্য যেহেতু বৈষম্যও তৈরী হয়, তাই এ আলোচনা প্রাসংগিক।

১০. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫০
েছাটন বলেছেন: দারুন কাজ! চমৎকার অনুবাদের জন্য প্লাস। আর খুবই ভাল লাগল লেখাটা।

@আলিফ দেওয়ান, একবার নিজের দিকে তাকান, ফ্যাসিবাদী বা প্রতিক্রিয়াশীল কারা একবার ভেবে দেখুন। কতদিন আর নিজের সাথে মিথ্যা কথা বলবেন?
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: এ ব্রিটিশ মহিলা সাংবাদিক তালেবানদের হাতে অনেক দিন বন্দী থাকার পর ধর্ম পরিবর্তন করেন বলে প্রথম আলোতে খবর আসে। পুরো ব্যাপারটাই গোলমেলে।

@ বিডি আইডল, কোরআনে এমন কিছু নির্দেশ আছে যেটা অনেক মুসলিম দাবিদার লোকের সামনে বললে আপনাকে মৌলবাদী গাল দিয়ে মুখে থুতু ছুড়ে দিবে।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: গোলমেলের ব্যপারটি বুঝতে পারলাম না। ইভন রিডলী তার অবস্থান খুব খোলামেলা ভাবেই প্রকাশ করেছেন। তার সাইটেই তার মোটামুটি বিবরন রয়েছে।

আর মৌলবাদী বলা বা এ জাতীয় আচরন তো দৃষ্টিভংগীর ব্যপার। আধুনিক বিশ্ব এমন কোন উদাহরন আমাদের চোখের সামনে রাখেনি যে কোরানের নির্দেশ সর্ব সম্মত ভাবে অগ্রহনযোগ্য হবে।

আপনাকে ধন্যবাদ।

১৩. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯
জেমসবন্ড বলেছেন: ভাল অনুবাদ করেছেন । এরকম আরও অনুবাদ চাই ।

ধন্যবাদ ।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
মামু বলেছেন: যারা পর্দার বিরুদ্বে কতা কয় তাগে ক্ষতি ডা কোতায়?
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।

১৫. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫
জেমসবন্ড বলেছেন: দুইবার মন্তব্য করলাম । কই যায় বুঝলাম না ?
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: ব্লগ মডারেটেড।

স্যরি। অনেক বাজে অভিজ্ঞতার পরে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

১৬. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
পাশা বলেছেন: অনুবাদ করার জন্য ধন্যবাদ।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১৭. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
দ্বীপবালক বলেছেন: ধন্যবাদ, লিখাটি নজরে আনার জন্য।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৮. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১০
পারভেজ বলেছেন: ইভন রিডলীর একটা পরিচিতি থাকা দরকার ছিলো। মুল লিংকে যেতে আলসেমী লাগে :)
অনুবাদটা ভালো হয়েছে। বিষয়বস্তু চমৎকার, আশাবাদী হবার মতো।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: পরিচিতি দিতে যে আমার আলসেমি লাগে!!!

আমি এর আগে ইভন রিডলীকে নিয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম। সেজন্যে এবার আর তার ব্যপারে কিছু বললাম না।

আর অনুবাদ ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল।

১৯. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
রাজর্ষী বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাবনার খাদ্য অবশ্যই।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২০. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৪
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: পশ্চিমারা অনাব্রিত থাকাটা গনতান্ত্রিক অধিকার হিসাবে দেখেন কিন্তু আব্রিত থাকার আধিকার মানতে নারাজ।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ঠিক।

২১. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৮
বিডি আইডল বলেছেন: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @ বিডি আইডল, কোরআনে এমন কিছু নির্দেশ আছে যেটা অনেক মুসলিম দাবিদার লোকের সামনে বললে আপনাকে মৌলবাদী গাল দিয়ে মুখে থুতু ছুড়ে দিবে।

ওই যে বললাম বাড়াবাড়ি। আমাদের মুসলিমদের মূল সমস্যা হলো আমরা নিজেরা পড়াশোনা করার চেয়ে অন্যের কথাবর্তায় উপসংহার টানতে পারদর্শী। নিজেদের অবস্হান পরিস্কার করতেই সেটা অনেক বেশী দরকার।
২২. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩০
হলদে ডানা বলেছেন: কেমন আছেন, পড়লাম, খুব ভাল লাগলো। নিজ ঘরে থেকে নিজের সৌন্দর্য সবসময় ধরা পড়েনা। ইভান রিডলির চোখে আমার দ্বীনের সহজাত সৌন্দর্য যেন নতুন করে দেখলাম। ধন্যবাদ।


কামাল উদ্দীন ফারুকীর একলাইনের মন্তব্যটি বেশ প্রাজ্ঞ। তাকে ধন্যবাদ।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ভাল লাগল জেনে ভাল লাগল। বিদেশ থাকলে অনেক কিছু বোঝা যায়। এটা অনেকটা গেয়ো যোগী ভিখ পায় না অবস্থা।

২৩. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১২
নরাধম বলেছেন: আপনার বেশিরভাগ লেখার সাথে একমত না হলেও এই লেখার সাথে একমত। ন্যাংটা হওয়াটাকে যারা নারী-মুক্তি মনে করে তাদের মাথায় সমস্যা আছে। এ বিষয়ে প্রফেসর জেফরী ল্যাং-এর ভাল একটা লেখা আছে।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। জেফরী ল্যাং এর কিছু লেখা পড়েছি। এটা অবশ্য পড়া হয় নি।

২৪. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:১৮
কণা বলেছেন: ভাল লাগলো পোস্টটি... +
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

২৫. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২৭
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: বেতাল বলেছেন: যেহেতু আপনি আপনার ব্লগে অন্যের লেখাটি দিয়েছেন, মনে করে নিচ্ছি, আপনি মূল লেখকের সাথে পুরোপুরি সহমত।

এখানে, কোরআনের রেফারেন্সসহ আমি দেখিয়ে দিতে পারি যে ইসলামে ভয়াবহভাবে নারীদের অবমাননা করা হয়। কিন্তু, ইচ্ছা করছে না।

এ বিষয়ে একটা পোস্ট দেন দয়া করে; এটা জরুরী
০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: কাকে বললেন বুঝলাম না। আমি আবার ততটা জ্ঞানী নই। দেখা যাক, সামনে পারি কিনা।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। প্রশংসাটা অবশ্য রিডলীর পাওনা।

২৮. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৫
আবূসামীহা বলেছেন: রিডলীকে এবং আপনাকে +।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: সমস্যা নেই।

৩০. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: চমৎকার একটি লেখা। যারা এখনও পড়েননি তারা দয়া করে পড়ুন।

সুন্দর একটি লেখা অনুবাদ করার জন্য আপুকে ধন্যবাদ।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রইল।

৩১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭
সরপ বলেছেন: শকেচে রেখে পেলাস দিয়ে গেলাম। সুন্দর পষ্ট হবে।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: thanks.

৩২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯
মাহবুবা আখতার বলেছেন: ভালো লাগল।
ভালো আছেন আপু?
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: happy to see you. So many days later !!!!!!!!!!!!!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: স্যরি আপু। তখন বাংলা কাজ করেনি। এতদিন পরে দেখা পেয়ে কি যে ভাল লাগছে। পোস্ট ভাল লেগেছে জেনে আরো ভাল লাগল।

৩৩. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩
দন্ডিত বলেছেন: ফাউল.....এভাবে ঢোল যখন পেটান তখন কনফিডেন্স ঘাটতি চোখে পড়ে।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: হয়ত বা আপনার কথাই ঠিক। তবে নিজের ব্লগকে ডায়েরীর মত মনে হয়। তাই লিখে যেতে খুব ইচ্ছে করে।

৩৪. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২
কাজরী... বলেছেন: ভাবছিলাম আপনি কোরআনে স্ত্রী প্রহার করার ব্যপারে কিছু বলবেন।

পোষ্টের শুরু শেষ এর সাথে কানেকশন বুজলাম না। :(
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: এ ব্যপারে ফারজানা মাহবুবার একটি লেখা আছে।

শুরু শেষ কানেকশন এর মিল না থাকাটা সংক্ষেপিত অনুবাদের জন্যও হতে পারে।

৩৫. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
নকশির মেলা বলেছেন: অনেক সুন্দর একটা article.....ধন্যবাদ আপনাকে আপু...

একটা লাইন মনে পড়ে গেল..

"আমি আমার মাথা ঢেকেছি কিন্তু ব্রেন তো ঢাকি নি"...
৩৬. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩১
নকশির মেলা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপু পোস্ট টির জন্য...একটি ডায়লগ মনে পড়ে গেল..

"আমি তো আমার মাথা ঢেকেছি ব্রেন তো ঢাকি নি.."
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: Thanks to you too. Thanks for support.

৩৯. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৯
১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন: কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: পশ্চিমারা অনাব্রিত থাকাটা গনতান্ত্রিক অধিকার হিসাবে দেখেন কিন্তু আব্রিত থাকার আধিকার মানতে নারাজ।

সহমত

পোষ্টে প্লাস।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: OK. I understand. Thanks.

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: thanks.............

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:০১

লেখক বলেছেন: Eid mubarak. Have a nice Eid.

৪৪. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯
ত্রিভুজ বলেছেন: লেখাটা শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু...
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৫. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩
মুনিয়া বলেছেন: থ্যাংকস আপ্পি!
খুব ভাল লাগল লেখাটা পড়ে...
৪৭. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪২
বিবেক সত্যি বলেছেন: ঈদ মুবারাক ... :-) আর বিজয় দিবসের শুভেচ্ছাহহহ....
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: ঈদ আর বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

৪৮. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৯
কোলাহল বলেছেন: ভাল লেখা। লেখাটা আগে কোথাও পড়েছি কিনা !!
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: Thanks for comments.

I never see any other translation. This is my translation.

৪৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
ফজলে এলাহি বলেছেন: অসাধারণ লেখা। নিয়মিত লিখুন প্লিজ অথবা অনুবাদ করুন। +++
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চেষ্টা থাকবে।

৫০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪২
জাম্পিং শ্রাইম্প বলেছেন: অনেক পরে পড়েছি। এত বড় লেখা কমই পড়ি। আপনার নিকটা পেলে পড়ার আগ্রহটা বেড়ে যায়। অসাধারণ কাজ করেছেন। + দিলাম।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৫১. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৭
জলপাই দেশি বলেছেন: ধন্যবাদ রাইডলির লেখার জন্য। কিছু মানুষ বুঝেও না বোঝার ভান করে। কিছু লোক যুক্তির চেয়ে কুযুক্তির অন্বেষণে থাকে। তাদের কথায় কান না দেয়াই উত্তম। যাদের জ্ঞানচক্ষু আবৃত করে রাখা তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে আছে সত্যকে গ্রহণ করবে না বলে। তারা তাদের জিদের কাছে বন্দি হয়ে আছে। তাদের সে ভাবেই থ্কতে দিন।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: এ বিষয়ে আমিও একমত। মানুষ নিজে থেকে বুঝতে না চাইলে কেউ তাকে বোঝাতে পারে না।

৫২. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১৭
মামুন (শ।কিল) বলেছেন: যে ইভন রিডলীক তালেবানরা গ্রেফতারের পর পশ্চিমাবিশ্বে তোলপাড় শুরু হয়েছিল, সেই ইভন রিডলীর লেখা ?
++++++++++++++++
১৫ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: হ্যারে ভাই। সেই রিডলী। দেখুন তো, আমি অনুবাদ করলাম কত দুর্বল ভাবে। তাও তার লেখার সৌন্দর্য ঠিকই ফুটে উঠল। তিনি আসলেই জিনিয়াস।

৫৩. ১৫ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১০
নীল-দর্পণ বলেছেন: দারুন লাগল:):) ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা অনুবাদ করার জন্য
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।

৫৪. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৬
সাইলেন্সার বলেছেন: ঝরঝরে সুন্দর অনুবাদের মধ্য দিয়ে একজন পশ্চিমা নারীর চোখে ইসলাম ও নারী সম্পর্কে মূল্যায়ন পড়ে আবেগ আপ্লুত।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: পশ্চিমা মুসলিম কনভার্টদের বেশীর ভাগই নারী - সেরকমটিই শুনেছি।

৫৫. ১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৫
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: পশ্চিমা নারীরা এখনও পণ্য বিভিন্ন কৌশলে যৌন দাসত্ব আবদ্ধ

৫৬. ১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৩১
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: নারীদের তার দেহকে পর্দা ঢাকতে বলেছে মেধাকে নয়
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: হ্যা, ইসলাম অনুযায়ী।

আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

৫৭. ১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৩৩
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: বেতাল বলেছেন: যেহেতু আপনি আপনার ব্লগে অন্যের লেখাটি দিয়েছেন, মনে করে নিচ্ছি, আপনি মূল লেখকের সাথে পুরোপুরি সহমত।

এখানে, কোরআনের রেফারেন্সসহ আমি দেখিয়ে দিতে পারি যে ইসলামে ভয়াবহভাবে নারীদের অবমাননা করা হয়। কিন্তু, ইচ্ছা করছে না।

এ বিষয়ে একটা পোস্ট দেন দয়া করে; এটা জরুরী


অল্প বিদ্যা ভয়ংকর
৫৮. ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:৩৯
সিকদার বলেছেন: সুন্দর এবং দ্বায়িত্ববান পোষ্ট।+++++++++++++++
২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: পড়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন - এ দুটোই আমার জন্য বড় পাওয়া। শুভ কামনা। ভাল থাকুন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯৬৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তোমরা মুসলিম হয়ে আমাকে ধন্য করেছ, তা মনে করো না।
বরং আল্লাহ ঈমানের পথে পরিচালিত করে তোমাদের ধন্য করেছেন। (হুজুরাত:১৭)
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ