আমার প্রিয় পোস্ট

ইরতেজা আলী এর আন্তর্জাল খেরোখাতা www.irtejaali.com/

শৈশবে একুশে ফেব্রুয়ারি

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

( ব্লগটি আমার ছেলেবেলার তিনটি ভিন্ন ভিন্ন একুশে ফেব্রুয়ারিতে লিখা ডাইরির পাতা থেকে সংগ্রহ করা । তিনটে লিখা এক সাথে দিয়ে দিলাম। অনেক দিন পর লিখাগুলো পরে আমার খুব ভালো লাগল। আশা করি আপনাদেরও পড়তেও খুব একটা খারাপ লাগবে না। )


চট্রগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের মোহন লাল স্যার ক্লাসে এসে বললেন যারা যারা একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে সামনে আয়জিত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় আগ্রহি তারা যেন আজকেই নাম জমা দেয়।জামাল, উপল আর শাওনের সাথে সাহস করে আমিও নাম জমা দিয়ে দিলাম। মা র কাছে গেলাম...


মা, আমাকে একটা কবিতা শিখিয়ে দেবে?

কবিতা তোর বাবা ভাল জানে। তোর বাবাকে বল। তোকে কবিতা বাছাই করে দিবে

কিন্তু বাবা যে লিখালেখি করছে?

তাতে কি ? তুই গিয়ে বল , দেখবি তোর বাবা কত খুশি হবে।


আমি উপর তালায় বাবার বিশাল রুমে গেলাম । রুম ভরতি বই, দেয়ালের উচূ তাকে তাকে ভরা বাংলা ইংরেজি ভাষার না না বই। রবিন্দ্রনাথ,নজরূল, বঙ্কিম চন্দ্র, মাইকেল, সুকান্ত থেকে সুরু করে হোমার,নেহেরুর লেখা বই সবই আছে। চারিদিকে অনেক কাগজ পরে আছে। রুম ভরতি পত্রিকা ম্যাগাজিন। বাবা মোটা চশমা পরে জানালার পাশের একটা বড় টেবিলে বসে কলম নিয়ে জানি কিসব লিখছে।


বাবা আসব?

আয়

বাবা আমাকে একটা কবিতা আবৃত্তি শিখিয়ে দেবে?

অবস্যই, কিন্ত হতাৎ কবিতা আবৃত্তি করতে চাচ্ছিস কেন?

বাবা আমি ২১ শে ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারের সামনে কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছি।

খুবি ভাল । তোরা অনেক বড় হয়ে গেলি দেখতে দেখতে। তা ১৯৫২ সালেম ২১ শে ফেব্রুয়ারী কি হয়েছে তা তুই জানিস?

কিছুটা শিহ্মকদের কাছ থেকে শুনেছি । ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ২১ তারিখে বাংলা ভাষার জন্য মিছিলে গুলি করে পাকিস্তানিরা।তবে খুব একটা বিস্তারিত জানি না।

ঠিক আছে , একুশে ফেব্রুয়ারী তে কবিতা পড়ার আগে আমাদের জানতে হবে ১৯৫২ সালের এই দিনে কি হয়েছে। কেন আমরা সকালে উঠে খালি পায়ে তোদের হাত ধরে শহীদ মিনারে যাই। নাই না?

বাবা তুমি কি আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারির গল্প বলবে?

অবশ্যই বলব। তোদের বলব না ত কাদের বলব? তুই চট করে তোর দিদিকে দেকে আন । আর মাকে খুব সুন্দর করে এক কাপ চা দিতে বল।


সে রাতে বাবা মা আমাদের একুশের কথা বলেন। বাবা যখন সিকান্দর আবু জাফরের “মাগো, ওরা বলে সবার কথা কেড়ে নেবে।তোমার কোলে শুয়ে গল্প শুনতে দেবে না। বলো, মা, তাই কি হয় ?” শুনাল আমার দিদি তখন খুব মন খারাপ করল। একটি ছোট্ট কবিতা কারো চোঁখে জল এনে দিতে পারে, এটাও আমি প্রথম জানলাম।


একুশের কবিতা পরতে যাব । নিজের কাছেই অন্য রকম লাগছে।আমি এত লোকের সামনে কোন দিন মঞ্চে উঠি নাই। মঞ্চে থেকে যখন আমার ইরতেজা নাম তা বলা হল বুকের ভিতর কেমন জানি একটু ভয় ভয় করল। কিন্তু শহীদ মিনারের সামনে দাড়ালে আর ওর দিকে বড় লাল রঙের সূর্যটার দিকে তাকালে সাথে সাথে অন্য রকম একটা সাহসের জন্ম নেয়। আসলে শহীদ মিনারটাত আমাদের সাহসের আর অনুপ্রেরনার প্রতিক। পুরস্কার দিতে এসেছেন মহিউদ্দিন চাচা। উনাকে প্রায় দেখি আমাদের বাসায় বাবার সাথে গল্প করতে। লাল ফিতা মাথায় বাধা সাদা কামিজ পরা একটা মেয়ে খুব ভাল কবিতা আবৃত্তি করে প্রথম হল। আমি পেলাম বাকি সবার মত সান্তনা পুরস্কার । পুরস্কার নেবার সময় মহিউদ্দিন চাচা আমাকে বুকে জরিয়ে ধরল আর সবাইকে বলল, এ কার ছেলে তোমরা জান ত? এ হচ্ছে আমার ছেলে। মঞ্চে আমি মাথা নেরে মুচকি হেসে তাতে সম্মতি দিতাম।


২১ শে ফেব্রুয়ারি দিন সকালে সাদা পাঞ্জাবি পরে বাবার সাথে সকাল সকাল শহীদ মিনারে গেলাম। খুব ছোটবেলায় ৮ই ফাল্গুন কি ভাল করে বুঝতাম না।আমার কাছে আগে মত হত এমন একটা দিন বিদ্যালয়ে বন্ধ থাকে, বাসা ভরতি অনেক অনেক লোকজন আসে, সাংবাদিক, আর্মির লোকজন, সিটি কলেজ থেকে মামারা আসে , বুয়া বিরক্তি প্রকাশ করে চট্রগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলা “তয়ারা এক দিনত আর খত খত চা খাউন পরিব, এডে চা খাইবাড় লাই আয়ো নাকত”, লাভ লেইনের রাস্তায় টেনিস বলে ক্রিকেট খেলা, পাশের বাসার আপুদের শাড়ি পরা দেখে আবাক হওয়া, রাতে টিভিতে বিশেষ বিশেষ নাটক দেখা। আমার আগে খুব বিরক্ত লাগত সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে।আমার সব স্কুল ছুটিতে আমি দেরি করে ঘুমতে পারতাম। কিন্তু ২১ সে ফেব্রুয়ারী সেই সকাল ছয়টায় ঘুম থেকে উঠতে হত। নাস্তা খেয়ে দাঁত মেজে বাগান থেকে ফুল তুলে বাবার হাত ধরে শহীদ মিনারে যেতে হত। কিন্তু গত দুইদিন আগে রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার, শাফিকুর রাহমান, অহি উল্লাহ, আব্দুল আউয়ালদের আত্মত্যাগের কথা শুনে আমি এবার নিজের থেকেই উঠলাম। নিজের আলমারি থেকে সাদা পায়জামা পরতাম, মাথা সিতি করে আচরিয়ে বাবা কে বলাম “ চল বাবা, প্রভাত ফেরীতে যাই”।

আমাদের বাসা থেকে শহীদ মিনার খুব একটা দুরেও না। লাভ লেইন থেকে বের হয়ে ডিসি হিলের পাসের রাস্তা ধরে টিএনটি টাওয়ার পেরুলেই শহীদ মিনার। আহা কি সুন্দর দেখতে ।যত দেখি ততই আবাক হই। সামান্য একটা ইটের তৈরি ভাস্কর কিন্তু সামনে আসলেই মনের ভিতর কেমন জানি লাগে। সারা দুনিয়ায় আর কোন জাতি কি আছে যে গর্ব করে বলতে পারে আমাদের মত। কত রক্ত, বেদনা, আনুপ্রেরনা, আবেগ জরিয়ে আছে ৮ই ফাল্গুনে। আমার মায়ের ভাষা আমাদের রক্তের প্রতিটা শিরায় শিরায় মিশে আছে। মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা।



আজকে ৮ ই ফাল্গুন। একটু আগে আজান দিল। বাবা মা ফজরের নামাজ পরল।এখনও চারিদিকে অন্ধকার । সকাল হবার আগে আকাশ তা কেমন জানি লাল লাল হয়ে যায়। কি সুন্দর ঠান্ডা বাতাশ বহে। নানু বলছে সকাল বেলার বাতাশ নাকি বেহেস্তের বাতাশ। তাই সবার উচিত সকালে উঠে বেহেস্তের বাতাশ গায়ে লাগান। আমি ঘুম থেকে উঠে তারাতারি নাস্তা খেয়ে সাদা পায়জামা পরে তৈরি হয়ে এক দৌড়ে বাগানে গেলাম। আমাদের বাসার সামনের বাগানে কত কত গাছ। সকাল বেলা গাছগুলাও কত সবুজ সবুজ লাগে। আমাদের গোলাপ গাছে দেলোয়ার মামা পানি দিচ্ছে। আমারে দেখে খুশি হয়ে দেলোয়ার মামা কালকের রাতের কলিগুলো কি সুন্দর লাল লাল গোলাপ হয়ে ফুটেছে তা দেখাল। আমি বললাম আমি কিন্তু আজ বাগানের সবগুল ফুল ছিড়ব তুমি কিন্তু কিছু বলতে পারবা না।

ফুল ছিড়তে গিয়ে হাতে কাঁটা ফুটলে আফা বকা দিবে। আমি ছিড়ে দেই।

না ফুটবে না। আমি একাই ছিড়ব।

আমি ফুল তুলতে তুলতে দেখি দিদি ঘুম থেকে উঠে আসল। আমাকে দেখে ভেংচি কাটল। দিদি জিব্বা বের করে ভেংচি কাটলে ওর ফকলা দাঁত দেখা যায়। ফকলা বুড়ি।

আমরা শহীদ মিনারে যাচ্ছি। আমার এক হাতে লাল লাল গোলাপ ফুল আরেক হাতে বাবার হাত শক্ত করে ধরা। আমার পায়ে জুতা থাকলেও বাবা খালি পায়ে হেটে হেটে শহীদ মিনারে যাচ্ছে...
তোর হাটতে কষ্ট হচ্ছে নাকি।

না একদম না।

কিছু খাবি?

একটু আগে না বাসা থেকে খেয়ে আসলাম।

হু তাও থিক, বাসায় আসার সময় রিক্সায় আসব

ঠিক আছে।

আজ তোকে একটা চকবারও কিনে দিব।

মা আইস ক্রিম খেতে মানা করছে

একদিন খেলে কিছু হবে না।

আসলেই, কি মজা

তোর কি ঠান্ডা লাগছে?

না বাবা

আমার চাদরটা গায়ে দিবি?

না আমি ত সোয়েটার পরে আছি

বাসা থেকে মাফলার তা নিয়ে আসা উচিত ছিল। কানটা ধেকে রাখতে পারতি

বললাম ত ঠান্ডা লাগছে না

তুই এক কাজ কর আমার ঘাড়ে উঠ। তাহলে অনেক দূর পযর্ন্ত দেখতে পাবি

বাবা এত বড় ছেলেরা বাবার ঘাড়ে উঠে না

কি এমন বড় হলি?।মাত্র ক্লাস ফোরে পরিস

অনেক বড় বাবা।

তুই যখন অনেক বড় হবি যখন আমি অনেক বুড়ো হয়ে যাব হাটতে পারব না

কেন বুড়ো হলে লোকজন হাটতে পারে না নাকি?

ধর আমি পারলাম না। হুইল চেয়ারে সারা দিন বসে থাকি। তখন তুই আমার হুইল চেয়াল ঠেলে ঠেলে একুশে ফেব্রুয়ারীর প্রভাত ফেরীতে নিয়ে যাবি

যাব বাবা জাব

সত্যি

বাবা তুমি এত দূর খালি পায়ে হেটে হেটে যাচ্ছ। তোমার পা বেথ্যা করে না?

না করে না। আমি তোকে একটা কৌশল শিখিয়ে দেই

কি কৌশল?
কৌশলটা হল তুই যখন হাটবি তখন তুই ওদের মত সুর করে করে বলবি

“আমার ভায়ের রক্তের রাঙ্গানো
একুশে ফেব্রুয়ারি- আমি কি ভুলিতে পারি?
ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু
গড়া এ ফেরব্রুয়ারি,
আমি কি ভুলিতে পারি?
আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙ্গানো ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি?”

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ  বিভাগে ।

 

  • ৩৩ টি মন্তব্য
  • ৩২২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
comment by: রাগিব বলেছেন: +
২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
comment by: ইরতেজা বলেছেন: রাগিব ভাই সেই কখন থেকে উকিপেডীয়া খুলে আছি। প্রথম পাতায় ২১শে ফেব্রুয়ারী নিয়ে লেখাটা কি এখন পাব?
৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫১
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভাল্লাগছে।

অফটপিকঃ বৃষ্টির জলে হাত ভেজাইএর পরের পর্ব কি আসবে?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: রাশেদ ভাই কেমন আছেন? বাসায় অনেক দিন ইণ্টারনেট কানেকশন ছিল না। আশা করি লিখে ফেলব

৪. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
comment by: সাইফুর বলেছেন: প্লাস ছাড়া উপায় নাই
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: ধণ্যবাদ আপনাকে

৫. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০০
comment by: লোকালটক বলেছেন: ইরতেজা আপনার বাবা কি সাহিত্যিক?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: আমার বাবা তিনটে বই লিখলেও তার বড় পরিচয় তিনি বাংলাদেশ অবজারভার পত্রিকার চট্রগ্রাম শাখার বুরো চিফ।

লোকালটক আমার ব্লগে আপনাকে প্রথমবার পেলাম। আপনাকে ব্লগ পড়ার জন্য ধণ্যবাদ

৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০১
comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: ভাল্লাগছে।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: আরণ্যক যাযাবর আপনাকে একুশের শুভেচ্ছা।

৭. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৩
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: চমৎকার লেখা ইরতেজা। প্রিয় পোস্টে গেল...

আপনার ব্লগে প্রায়ই যাওয়া হয়... আপডেট পাই না কেন? বৃস্টি জলের পরের পর্ব কবে আসবে?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: হায় হায় আমাগো ত্রিভুজ নাকি? তোমাকে এখানে দেখে ভালো লাগছে। তুমি আমার ব্লগে প্রায় আস আমি তা দেখেছি। আপডেট করছি।

ত্রিভুজ তোমাকে একুশের শুভেচ্ছা।

৮. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৫
comment by: সাইফুর বলেছেন: মোহন লাল স্যারের বর্তমান খবর কি কেউ জানেন?
কেমন আছেন উনি?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: আমি জানি না সাইফুর। আমি আরো ভেবেছিলাম তোমার কাছে জানতে চাব। আমি সেই যে ৯৫তে স্যারকে দেখেছিলাম এরপর আর কোণ খবর পাই নি।

৯. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১০
comment by: লোকালটক বলেছেন: মর্তুজা সাহেবের পোলা নাকি?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: জি লোকালটক। আমার বাবার সাথে আপনার পরিচয় আছে জেনে ভালো লাগল। আপনি বাবাকে কিভাবে চিনেন?

১০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৪
comment by: মুকুল বলেছেন: ইরতেজা ভাই। অনেক অনেক দিন পর আপনাকে পেলাম। :)

*****
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: :):)

১১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: আছি ভালোই। তাড়াতাড়ি পরের পর্ব নামান। আমি আপনার ব্লগস্পটেও ঘুরে আসছিলাম ঐখানে দিছেন কিনা জানার জন্য! মাগার কুনো খবর নাই। :)
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে রাশেদ ভাই। চেষ্টা করিব আপ্রান। আপনাকে একুশের শুভেচ্ছা।

১২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৭
comment by: লোকালটক বলেছেন: উনি আমারে খুব স্নেহ করতেন। লাভলেনের বাসায়ও বহু আগে একবার গেছিলাম। বিদেশ আসার পর থিকা বহুদিন আর যোগাযোগ নাই।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: লোকালটক ভাই, আপনি আমার বাবাকে চিনেন। ২০ লাভ লেইনের বাসায় এসেছেন শুনে খুবি মুগ্ধ হলাম। আপনি কি চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন বা চট্রগ্রামে সাংবাদিকতা করতেন? এখন কোথায় আছেন। আপনার কথা আমি বাবাকে বলব। আপনার ব্লগ সময় করে পড়ব আশা করি। আপনার সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লাগল।

১৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৭
comment by: লোকালটক বলেছেন: আমার এই ব্লগে পড়ার কিছু নাই। রাজাকার তাড়াতে শুধু এই নিকটা তৈরি করছি। ব্লগের মতো উন্মুক্ত জায়গায় পরিচয় দেয়া ঠিক হবে না। পরে কখনো দেব।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: শুকরিয়া দাদা

১৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৩
comment by: েজবীন বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগলো .... তবে শেষের অংশটা বেশি ভালো লেগেছে ...

আপনাকে একুশের শুভেচ্ছা।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: জেবীন আপনার নামের শুরুতে ০ টা দেখি এখনো আছে। আপনাকেও শুভেচ্ছা।

১৫. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৭
comment by: বিপ্র বলেছেন: ইরতি ভাই,

তোমার সাথে অনেক কথা আছে। মেসেঞ্জারে আসলে বাজ দিও...অনেক কথা আছে...
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: বিপ্র মেসেঞ্জার আনন্সল করা। তোর নাম্বার আছে । আমি তোকে রাতে ফোন দিব।

১৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক অনেকদিন পরে দেখলাম,ভাবসিলাম গ্রহান্তরে গেলেন কিনা:) ভাল লেখা দিয়ে প্রত্যাবর্তন,স্বাগতম,এইবার ঝটপট বকেয়া লেখাটা শেষ কইরা ফালান তো ভাই:)
১৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৬
comment by: নাবিক বলেছেন: “আমার ভায়ের রক্তের রাঙ্গানো
একুশে ফেব্রুয়ারি- আমি কি ভুলিতে পারি?
ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু
গড়া এ ফেরব্রুয়ারি,
আমি কি ভুলিতে পারি?
আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙ্গানো ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি?”


হৃদয়স্পর্শী লেখা। অনেক প্লাস।
১৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
comment by: কোলাহল বলেছেন: মিরাজ ভাইয়ের স্টিকি পোস্ট দেখতে গেলাম। সেখানে লিংক পেয়ে আসলাম বৃস্টির জলে হাত ভেজাতে। তারপর এখানে। দুটো লেখা পড়ে বিরক্ত লাগছে। দুখও লাগছে খানিকটা কারন--


এখন থেকে আমাকে আরো কিছু সময় বরাদ্দ রাখতে হবে ব্লগ পড়ার জন্য।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: কোলাহল ভাই হা হা...আপনি খুব সুন্দর করে কথা বলেন। আপনাকে দেখে ভালো লাগছে

১৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
comment by: মিরাজ বলেছেন: একুশের শুভেচ্ছা ইরতেজা । চমৎকার লেখা ।

প্রথম লেখাটি স্মৃতিজাগানিয়া । স্কুলে বরাবর কবিতা আবৃত্তিতে ভাল ছিলাম । মাঝে মাঝে পুরস্কারও পেতাম । স্কুল জীবনের শেষ কবিতা আবৃত্তির প্রতিযোগীতা ছিল ২১ শে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে । ১৯৯০ সালের কথা, তখন আমি এস এস সি পরীক্ষার্থী ।

সেবার আমি সান্তনা পুরস্কার পেলাম আর প্রথম পুরস্কার পেল আমার ছোটভাই । ও তখন কেবল ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ছে ।

আমি আর আমাদের দুজনকেই আবৃত্তি শেখানো আমার বাবা অবশ্য ছোটভাইয়ের সাফল্যেই বেশী খুশি হয়েছিলাম ।

 



 


ছেঁড়া ছেঁড়া ভালবাসা, দুই চোখ ভরা সীমাহিন স্বপ্ন, অদ্ভুত সব স্মতি, একরাশ বেদনা, কঠিন বাস্তবতা, নিদারুণ অলসতা, আড্ডাবাজি, সত থাকার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৬২৬৬