আমার প্রিয় পোস্ট
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- শুভ জন্মদিন ইরতেজা - লিটল হামা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- প্রিয় নাজমুল এবং সাঁঝবাতির রুপকথা, কিছু অনুচ্চারিত প্রশ্নের উত্তর! - ক-খ-গ
- Yahoo! Messenger এ বাংলায় Chat করুন... - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- নবীনদের জন্য - নাদান
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- যারা স্কেচ শিখতে চান আসুন তবে স্কেচ শিখি। (তিন) - জেমিনি
- রেসিপি পোস্টঃ সবজি খিচুড়ি + গরুর গোশত ভূনা (সাথে সালাদ ফাউ)
- প্রলয় হাসান
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- চলচ্চিত্রঃ ব্রিক লেন - মোস্তাফিজ রিপন
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- উপন্যাস থেকে চলচ্চিত্র: সারাহ গ্যাভ্রনের সঙ্গে আলাপ-সালাপ (উত্সর্গ: ইরতেজা) - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- যারা কথা বলার সময় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশায় - তাদের কেন যেন বাটপার ধরনের মানুষ মনে হয়! - এস্কিমো
- স্বাধীনতার ৩৬ বছর পর আজও বাংলার ঘরে ঘরে হাজার হাজার আজাদের মা, রুমির মা, জুয়েলের মায়েরা নিভৃতে চোখের পানি ফেলে। - সুমি
- অবশেষে বিরিয়ানি রেসিপি - হাসিব
- শহীদ জননী জাহানারা ইমাম - মাহবুব সুমন
কিচেনের কিছু প্রয়োজনীয় টিপস
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৩০
১। চা বানানোর সময় অনেকে চুলায় ঠাণ্ডা পানিতে চা দিয়ে তারপর পানি গরম করে। কিন্তু প্রথমে পানি গরম করে তারপর তাতে চা পাতা বা টিব্যাগ দিন। এতে চা অনেক বেশি সুস্বাদু হবে।
২। আগুন গরম কফি খেতে খেতে শেষের দিকের চুমুকগুলো কেমন ঠান্ডা ঠান্ডা হয়ে যায়। টিপস হল আগে একটু গরম পানি দিয়ে কাপটি গরম করে নিন। অবশ্য ফরাসী কেউ বাসায় আসলে ভুলেও এমনটি করবেন না। ফরাসীরা কোন এক অদ্ভুত কারণে গরম কফিও ঠাণ্ডা করে খায়।
৩। এই টিপসটা আমি মাওয়া ফেরী ঘাটের একজন ফেরিওয়ালার কাছ থেকে পেয়েছি। অনেক সময় আমরা যখন ডিম সিদ্ধ করি তখন দেখা যায় ডিম কেমন ফেটে ফেটে গেছে। তখন খোসা ভেঙ্গে সাদা সাদা এ্যালবুমেন পানিতে বেড়িয়ে আসে। এরূপ পরিস্থিতি এড়াতে অর্থাৎ সিদ্ধ ডিমকে সুন্দর গোলাকার, নিখুঁত করার গোপন রহস্য তাহলে কি? পানিতে এক চিমটি লবণ দিয়ে দেখুন ডিম আর ফাটবে না।
৪। হাত পুড়ে গেলে ঠাণ্ডা পানিতে হাত ২০-২৫ মিনিট চুবিয়ে রাখুন বা ঠাণ্ডা পানির কলের নিচে হাত রাখুন। যে কোন মলম বা বরফের চেয়ে পানি বেশি কার্জ়করী। [আর ঘরে মলম না থাকলে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। অব্যর্থ ঔষধ।]
৫। হাত কেটে গেলে প্রথমে কলের ঠাণ্ডা পানিতে হাত ধুয়ে পরিষ্কার করে কিচেন টাওয়েলে পানি মুছুন তারপরে বান্ড এইড লাগান।
৬। আলু বেশি দিন রেখে দিলে নরম হয়ে যায়। সবুজ সবুজ গাছের জন্ম নেয়।। এখন উপায়? আলুর প্যাকেটে একটা আপেল রেখে দিন। আর হবে না।
৭। রান্নার সময় খাবার পুঁড়িয়ে ফেলেছেন। প্যান ঘষামাজা করে শক্তি অপচয় করতে চান না তো? প্যানটি সাবান মেশানো গরম পানিতে সিঙ্কে চুবিয়ে রাখুন ঘন্টা খানেক। প্যান পরিষ্কার সহজ হয়ে যাবে।
৮। পিয়াঁজ কাঁটতে চোখ তো জ্বালাতন করবেই । পিয়াঁজটি ছোলা ছাঁড়িয়ে গরম পানিতে ধুঁয়ে নিন কিংবা আমার মত চুইংগাম প্রেমী হলে মুখে চুইংগাম পুড়ে চিবুতে থাকলে পিঁয়াজ কাঁটলে চোখ জ্বলে না।
৯। পিঁয়াজ বা টমেটো কাঁটার পর আধা পিঁয়াজ অব্যবহৃত রয়ে গেলে তা এয়ারটাইট গ্লাডরাপ করে ফ্রিজে রাখুন। অনেক দিন থাকবে।
১০। পাস্তা, স্পাগিটি বা নডলস সিদ্ধ করার সময় অবশ্যই পানিতে এক বা দুই চিমটি লবণ দিবেন। আপনার জটিল পাস্তা মহা জটিল হবে।লবনের সাথে পানিতে দুই চামচ তেল দিন; দেখবেন পাস্তা, স্প্যাগাটি, নুডলস একটির সাথে আরএকটি লেগে যাচ্ছে না (ফুটন্ত অবস্থায় কিংবা পানি ঝরানোর পর আর আঠা আঠা হবে না)! ঠান্ডা পানিতে পাস্তা/নুডলস/ স্প্যাগাটি দেবেন না; পানি সম্পূর্ণভাবে গরম হলে তবেই ওগুলো দেবেন। লবন ও তেল পাস্তা দেবার আগে দেবেন, পরে নয়।
১১। বর্ষাকালে লবণ অনেক সময় পানি হয়ে যায়। তখন লবণে একটা বা দু’টো চালের দানা দিন আর হবে না।
১২। রান্নায় খুব বেশি লবণ হয়ে গেছে? আমি আছি ভাবনা কিসের! একটা আস্ত আলু খোসা ছাঁড়িয়ে দিয়ে দিন। অল্প কিছুক্ষণ পরে দেখবেন অতিরিক্ত লবণ আলুটি শুষে নিবে।
১৩। মোমবাতি ফ্রিজে রাখুন। মোমবাতি ভালো থাকবে এবং ক্ষয়ও হবে কম।
১৪। সব্জি, সেল্যারি, ধনিয়াপাতা বেশী দিন ধরে সতেজ রাখতে চান? টিস্যু পেপার কলের পানিতে ভিজিয়ে তারপর সব্জির নিচের অংশে জরিয়ে রাখুন। তারপড় ফ্রীজের ভেজিটেবল বক্সে রাখুন। ব্যস।
যাচাই করে দেখবেন। আপনার কিছু টিপসও আমাদের সাথে ভাগ করতে ভুলবেন না যেন। সবাইকে ধন্যবাদ।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ত্রিভুজ বলেছেন:
স্টার প্লাস~
ইরতেজা বলেছেন:
প্লাস না ভাই। নিজের কিছু টিপস দিয়া যান ভাইয়েরা।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আমি কিছু জংলি টিপস দিতে পারি... কখনো রবিনসন ক্রুশোর মত পরিস্থিতিতে পড়লে কাজে লাগবে...১) কোন জঙ্গলে হারিয়ে যাওয়ার পর বিশুদ্ধ পানির অভাব হলে বাঁশ ঝাড় খুঁজে বের করুন.. তারপর কঁচি বাঁশ গোড়া থেকে কেটে গ্লাসের মত করে কাটুন.. প্রতিটি গ্লাস পূর্ন থাকবে বিশুদ্ধ টাটকা মিষ্টি পানিতে...
২) সাপের ভয় আছে এমন কোথাও থাকতে হচ্ছে কিন্তু সাথে কার্বলিক এসিড নেই... সমস্যা নেই, দুই/তিনটি শুকনা মরিচ পুড়িয়ে চারপাশে রেখে দিন.. সাপের বাপও আসবে না..
৩) মরিচ না পেলে তাবু/শোয়ার স্থানের চারপাশে ১ফুট বাই ১ফুট খাড়া করে মাটি কেটে দিন... সাপ কখনে ওটা ডিঙ্গাতে পারবে না
৪) খুব দ্রুত ওজন কমাতে শসা খান... এবং প্রচুর দৌড়ান... যতটা সম্ভব.. রাতারাতি ওজন কমে যাবে...
আরো বেশ কিছু টিপস আছে..পরে কখনো একটা পোস্ট দেব... আর্মিদের কাছ থেকে শেখা সব...
লেখক বলেছেন: ত্রিভুজ সাহেবের মন্তব্যে বিপ্লব। ধন্যবাদ
বিপ্র বলেছেন:
এখন যেখানে আছি সেখানে রান্নাঘরে যাবার উপায় নেই...অনেক জনের রান্না বাবুর্চি একসাথে করে...রান্নাঘর নাই...টিপসও নাই...ইরতি ভাই, কেমন কাটলো তোমার নববর্ষ...
লেখক বলেছেন: তাই ত বলি বাহিরের পাচকের খাবার খেয়ে খেয়ে তোর স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে গেছে। তোর ঘরের খাবার গ্রহন করা অতিব জরুরি। আতি সত্বর নুভান সহ আমার বাসায় গিয়ে ভাল মন্দ খেয়ে স্বাস্থ্য পুনরদ্ধার করার হুকুম জারি করা হল।
বিপ্র বলেছেন:
অফটপিকঃ ইরতি ভাই, তুমি ঐদিন কল করে আমারে 'তুই' না ডেকে 'তুমি ' ডাকছো...আমি কিন্তু মাইন্ড খাইছি...
লেখক বলেছেন: তুমি ডেকেছি কখন? অতি খুশিতে আমার মাঝে মাঝে তুই তুমিতে ঝামেলা পাকিয়ে যায়। দাড়া আবার ফোন করে তুই তুই ... করছি। মিতু আপুর সাথে কথা হয়েছে। তোর কথা অনেক বলল।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
জটিল সব টিপস!
লেখক বলেছেন: অনেকগুলো ত আপনি শিখিয়েছেন
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
ইরতেজা...সেবা প্রকাশনীর একটি বই ছিল...গৃহস্থালীর টুকিটাকি...অসাধারন বই। আমার কাছে ছিল। দেশে ফেলে এসছি। ওই বইটা যোগার করে আরও টিপস দিতে পারেন। অথবা কোথাও আপলোড করে দিতে পারেন। অনেকের অনেক উপকার হবে।
লেখক বলেছেন: গৃহস্থালীর টুকিটাকি বইটি কোথায় পাব রন্টি ভাই।
লেখক বলেছেন: দাও রেখে দাও শাহরিয়ার। ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
অন্ধকার বলেছেন:
কাজের পোস্ট! ধন্যবাদ।
পুতুল বলেছেন:
তোর শুভ ভাবীর খুব পছন্দ হয়েছে। পেয়াজ এতদিন আমার কাঁটতে হত। এখন পেয়াজের সাথে চুইনগাম কিনলেই হবে।
লেখক বলেছেন: তাই নাকি রে পুতুল। বেচারি। হে হ...
ইরতেজা বলেছেন:
এখানে উল্লেখ্য প্রথম টিপসটি মিসেস মাহবুব সুমন হইতে প্রাপ্ত।
বড় ভাই বলেছেন:
পেয়াজ কাটার সময় নাক নয় মুখ দিয়ে নিশ্বাস নিন, চোখে পানি আসবে না...
লেখক বলেছেন: দারুন
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
লাইব্রেরিতে পাবেন, আর কোথায়। তানাহলে সেবার শোরূমে পাবেন।
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
ধুর ইরতেজা যে আর দেশে নাই তা ভুলে যাই বারবার...
দস্যু বনহুর বলেছেন:
আপাততঃ মুখস্ত করতেছি...
প্রিয়তমা বলেছেন:
টিপসগুলো দারুন কাজের । ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
প্রিয়তে হান্দাইলাম।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
আমগো জন্যতো অতিব দর্কারি
আকাশচুরি বলেছেন:
জটিল পোস্ট হইসে!!
সিংক এর ট্যাপটা ফুল স্পীডে ছেড়ে দিয়ে বাচ্চা কোলে নিয়ে কাছে দাড়ান....
কাজ না হলে----???
কি আর কর্বেন???
লাগান মাইর (!!!!!)...মেলা ভাইটামিন আছে।।।
ময়ুরবাহন বলেছেন:
নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই।
মামু বলেছেন:
আমি কিচু টিপস জানি...
হাত কাইক্যা গেলে কাটা জায়গায় একটু লবন লাগাইয়া দিলে জ্বালা পোড়া বন্ধ হইয়া যাইব।
ভাতের সাথে কাচা মরিচ খাওনের সময় বেশী ঝাল লাগলে একটু গরম পানি খাইলে আর ঝাল লাগব না..
হাত পুইরা গেলে কম্বলের মধ্যে হাত পেচাইয়া রাকলে পুড়া জায়গায় ফোসকা পড়ব না..
আরো আচে আপতত এই গুলা ট্রাই মাইরা দেকেন ফল পাইবেন, বিফলে মূল্য ফেরত...
মামু বলেছেন:
পেয়াজ নিয়া সবারই মাতা ব্যতা দেকতেচি। এইসার সবচে ভাল সমাধান হইল:পেয়াজ পানির নিচে রাইক্যা কাটলে চোকে কুনু পানি আইব না...
লেখক বলেছেন: ![]()
েজবীন বলেছেন:
১. কড়াইতে তেল দেওয়ার আগে যদি খালি কড়াই ভালো করে গরম করে নিলে পোড়ার দাগ ধরে না সহজে২.হাতে মাছের আঁশটে গন্ধ দূর করতে সর্ষে তেল মেখে নিলে গন্ধ থাকে না
৩.কিসমিসের গায়ে ছাতা ধরা কমাতে কিসমিসকে ময়দার মধ্যে নাড়াচাড়া করে নিয়ে পরে ধুয়ে নিলেই ব্যবহার করা যাবে
৪.রসুনের খোসা ছাড়ানোর আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখলে সহজে খোসা ছাড়ানো যায়, নখেও ব্যথা লাগে না
Click This Link
কোলাহল বলেছেন:
কিচেন স্পেশালিস্ট !!
নুভান বলেছেন:
ইরতি ভাইয়া খুব্বি ধন্যবাদ টিপসের জন্য, বিদেশে এসে এখন ঠেলা খাচ্ছি আর কি...
দূরন্ত বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ টিপসের জন্য। প্রিয় পোস্টে রাখলাম.....
নুভান বলেছেন:
অভিজ্ঞতা হইতে পাওয়া টিপ্সঃ১. রাইস কুকারে ভাতঃপানির অনুপাত = ১ : ১.৫
২. খুব সহজে খিচুরী না সব্জি খিচুরী রান্না করতে পারেন, কিন্তু সব্জি খিচুরীর বেলায় চাল,ডাল সব্জি ও পানির আনুপাত = ১:২.৫ থেকে ৩।
৩. এমেচারগণ রান্নার সময় হলুদ আর লবন কম দিয়ে রান্না করবেন, কারন এগুলো কম হলেও খাওয়া জ়ায়, কিন্তু বেশী হলে মুখে দেয়া জ়ায়না।
নুভান বলেছেন:
২ নম্বর টিপস টা হল "রাইস কুকারে খুব সহজে খিচুরী না সব্জি খিচুরী রান্না করতে পারেন, কিন্তু সব্জি খিচুরীর বেলায় চাল,ডাল সব্জি ও পানির আনুপাত = ১:২.৫ থেকে ৩। ১০ মিনিট পর পর কুকারের ঢাকনা খুলে একটু নেড়েচেড়ে নেবেন, নয়ত নিচে পোড়া ধরে জ়াবে।
সূরভীত বলেছেন:
১। রান্নাঘরে পিপড়া: হলুদ ছিটিয়ে রাখুন চুলার চারপাশে; পিপড়ার আনাগনা কমে যাবে। ২। তেলাপোকার উপদ্রব: চাইনিজ একটা ঔষধ পাওয়া যায় (নাম মনে নেই, you can get it from any chinese grocery shop), সবুজ রং এর বাক্স। তেলাপকা উধাও হবে কিচেন থেকে।
৩। সংসারে অশান্তি (reason: in laws): সোজা সাপটা কথা বলতে শিখুন। সারাদিনের পরিশ্রমের পরে ইনিয়ে বিনিয়ে complain শুনতে কোনো husband এরই ভালো লাগার কথা না। কোনো সমস্যা থাকলে, Straight/ forward কথা বলে মিটমাট করুন।
অিনেকত বলেছেন:
চিনির পটে লবঙ্গ রাখলে পিপড়া আসে না ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















আমার বৌয়ের জন্য দরকারী পোষ্ট +++++++