আমার প্রিয় পোস্ট

ইরতেজা আলী এর আন্তর্জাল খেরোখাতা . http://twitter.com/irteja

জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৫

শেয়ারঃ
0 44 0

জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ও জন্মকথা

পাকিস্তানের লাহোর শহরে ১৯৪১ সালের ২৬ আগস্ট তারিখ জামায়াতে ইসলামী এর প্রতিষ্ঠা। জামায়াতে ইসলামী এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মাওলানা সৈয়দ আবুল আলা মওদুদী।

উপমহাদেশ প্রায় দুই শত বছর ব্রিটিশদের কাছে পরাধীন থাকবার পর ১৯৪৭ সালে পাক-ভারত স্বাধীনতা পায়। ১৯৪৭ এর আগে মুসলমান অধ্যুষিত এলাকার প্রায় সবাই (৯০ ভাগ বাঙালী সহ) দেশ বিভাগ এবং মুসলমানদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র পাকিস্তান সৃষ্টি পক্ষে ছিল। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী ছিল পাকিস্তান তত্ত্বের ঘোর বিরোধী। জন্মের শুরু থেকে জামায়াতে ইসলামী চলেছে উল্টো স্রোতে। মাওলানা মওদুদী এমন একজন ইসলামী দলের রাজনৈতিক প্রধান যিনি সর্বপ্রথম বলেছিলেন মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের কোন প্রয়োজন নাই। (১)

১৯৪৭ সালে পাকিস্থান জন্মের পর জামায়াতে ইসলামী

পাকিস্তান জন্মের অল্প সময় পরেই জামায়াত হয়ে গেল চরম পাকিস্তান প্রেমিক। যেন গিরগিটী রঙ বদলানোর আরো একটি উদাহরণ। মাওলানা মওদুদী তার পার্টি জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠা করার জন্য ধর্মের নামে একাধিক দাঙ্গা লাগিয়েছেন । তার নির্দেশ এবং মদদে পাকিস্তানে হাজার হাজার লোক প্রাণ হারিয়েছে।

১৯৫৩ সালে মাওলানা মওদুদী তার বই “Qadiani Problem” তে আহমেদিয়া সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা করেন। তিনি পাকিস্তানের জুলফিকার আলী ভুট্টো সরকারকে আহমেদিয়া সম্প্রদায়কে অমু্সলিম ঘোষণা করার জন্য চাপ দেন। মাওলানা মওদুদী সারা পশ্চিম পাকিস্তানে সুন্নি মুসলিম এবং আহমেদিয়া এর মাঝে রক্তাক্ত দাঙ্গা বাধিয়ে দেন। দুই হাজার আহমেদিয়া মারা যায় শুধু মাত্র পাঞ্জাব প্রদেশে। সারা দেশে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড জন্য তাকে পাকিস্তানের মিলিটারি কোর্ট মৃত্যুদন্ড দেয়। কিন্তু পরে সেটা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় এবং দুই বছর পড়ে তাকে ১৯৫৫ সালে জেল থেকে মুক্ত করা হয়। এত বড় গনহত্যার বীচ বপনকারী এবং উস্কানি দেওয়ার পড়ো এভাবে কোন শাস্তি না পেয়ে ছাড়া পেয়ে যাওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের এক নজীর বিহীন ঘটনা। (২)

১৯৭০ -র সাধারণ পরিষদ নির্বাচন

পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন ০৭ ডিসেম্বর, ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত হয়। কট্টর মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামী এর জন্য ছিল এটা একটা বিরাট পরীক্ষা। নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী এর চরম ভরাডুবি হয়। সারা পাকিস্তানে মোট ভোটের মাত্র ৪% পায়। জাতীয় পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে জামাত পাঞ্জাব প্রদেশে একটি, সিন্দ প্রদেশে দুটি, পেশাওয়ারে একটি আসন পায় সহ পায় মাত্র ৪টি আসন পায় ।

অপর দিকে নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে পায় ১৬৭টি আসন। । জামায়াতে ইসলামী সারা পাকিস্তানের মোট ভোটারের ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ৭৫% জনগণ আওয়ামী লীগে ভোট দিয়েছিল। মাত্র ৬% জনগণ জামায়াতে ইসলামী কে ভোট দিয়েছিল। (৩)

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করল। পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে জুলফিকার আলী ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টিকে দেবার পাঁয়তারা করল। বঙ্গবন্ধু সাত ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বাংলার মানুষের সামনে গর্জে উঠলেন ‘ এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ’। সারা বাংলার ৭ কোটি মানুষ মুক্তি আন্দোলন ঝাঁপিয়ে পরল।

একজন মানুষ এই বাংলাকে কি পরিমাণ ভালবাসে নিজের পরিণতি নিশ্চিত মৃত্যুদন্ড জেনেও বাংলার কোটি কোটি জনগনকে মুক্তি উল্লাসে জাগিয়ে দিলেন । মাত্র ১১ মিনিট একটা বক্তৃতা মনে হই আমাদের হাজার বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ বক্তৃতা। পাকিস্তানি হানাদাররা ২৫শে মার্চ গনহত্যা করল ঢাকা শহর আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। পরের দিন চট্রগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়া বঙ্গবন্ধু অনুপুস্থিতিতে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করল।


১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী এর ভুমিকা

মার্চ মাস থেকে শুরু হল জামায়াতে ইসলামী আসল খেলা। তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা ফজলুল কাদের চৌধুরী ( কুখ্যাত সাকা চৌধুরীর পিতা) পাকিস্তানী হানাদারদের সাহায্য করার জন্য প্রতিষ্ঠা করলেন শান্তি বাহিনী। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী এর তাতে মন ভরল না। তারা চায় মানব ইতিহাসের সব থেকে বড় গন হত্যা । জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করতে রাজাকার, আলবদর, আলশামস্ প্রভৃতি বাহিনী গড়ে তোলেন। এরা পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে কাজ করে।

বর্তমান জামাতের অনেক শীর্ষ নেতা ছিল রাজাকার। ৩০ জুন লাহোরে সাংবাদিকদের কাছে গোলাম আযম বলেন, "তাঁর দল পূর্ব পাকিস্তানে দুস্কৃতকারীদের (মুক্তিযোদ্ধা) তৎপরতা দমন করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে এবং এ কারনেই দুস্কৃতকারীদের হাতে বহু জামায়াত কর্মী নিহত হয়েছে”। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি দলিলে সন্নিবেশিত তথ্য অনুযায়ী ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সব রকমের সহযোগিতা করতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দলীয় নেতাকর্মীদের ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেন নিজামী। তাদের দালালি তথ্য প্রমাণ সেই সময়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এসেছে। এই নিজামী মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হবার পর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরকে ভারতীয় হানাদার এবং ভারতীয় এজেন্ট বলে আখ্যায়িত করেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধে সব রাজাকার সেই সময় কোন না কোন সুবিধা নিয়েছে। তাদের ছিল সবুজ চাঁন তারা। মুখে পাকসারজমিনবাদ। রাজাকার- আল বদরদের মূল কাজ ছিল বের করা এলাকার কোন কোন বাড়িতে সুন্দরী মেয়ে আছে, কার টাকা পয়সা আছে, এলাকার কোন কোন বাড়িতে হিন্দু থাকে, কোন বাড়ির ছেলে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছে, তালিকা করা আর পাকিস্তানী সেনাদের খবর দেওয়া। মুক্তিযুদ্ধে তীব্র হলে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী এই সব রাজাকারদের বাঙ্গালী নিধন জন্য দিয়েছে থ্রি নট থ্রি রাইফেল। লুঙ্গি উপর খাঁকি ইউনিফর্ম পরে তারা পাকি হানাদারদের জন্য সব ধরনের সহায়তা করত।

এরাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমাদের মা বোনকে ধরে পাকিস্থানী ভোগের জন্য ব্যাঙ্কারে নিয়ে আসত। পাকি সেনারা ফুর্তি করত, তারা বাইরে পাহারা দেয়- আর অপেক্ষায় থাকে যদি তাদের একটু ঝুটা জুটে। হাজার হোক মালে গনিমত! শত্রু সম্পত্তি নাকি ইসলামে জায়েজ আছে! লাখ লাখ বাঙ্গালী বীরাঙ্গনা তাদের দালালিতে সম্ভ্রম হারিয়েছেন। লাখ খানেক যুদ্ধশিশুকে মুক্তিযুদ্ধের পর বিদেশে পাঠানো হয়েছে। তাদের অনেকেই ফিরে এখন মাকে খোঁজে। কিন্তু কে স্বীকার করবে সেই অপমান! (৪)(৫)

স্বাধীন বাংলাদেশ

৩০ লাখ মুক্তিসেনার রক্তে ১০ লাখ বীরাঙ্গনা চোখের জলে প্রতিবেশী দেশ ভারতীয় সহায়তায় অবশেষে আমরা পেলাম বাংলাদেশ। ১০ ই জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশে ফিরে এলেন। আমাদের পূর্ব পুরুষদের চোখে তখন কত স্বপ্ন। মুক্ত বাংলাদেশ। স্বাধীন বাংলাদেশ। আমাদের নিজের একটা দেশ। ৩০ নভেম্বর ৭৩ সালে কুখ্যাত সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা আগে মাত্র একজন রাজাকারে ফাঁসি হয়।

একাত্তরের পর জামাতদের গোলাম আজম, মতিউর রহমান নিজামী সহ অনেক নেতা এর পর প্রাণ ভয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। (৪)


স্বাধীন বাংলাদেশে জামাতের জন্ম

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার পর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন। বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানে ধর্মভিত্তিক দল নিষিদ্ধ ছিল। ১৯৭৫ সালে জিয়াউর রহমান সংবিধান সংশোধন এনে ছাড়পত্র দিলেন আইডিএফকে। ইসলামীক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের ব্যানারে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীনতা বিরোধিতারা একে একে আত্মপ্রকাশ করল। গোলাম আজম, মতিউর রহমান নিজামী, আব্বাস আলী খান মিলে প্রতিষ্ঠা করল বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী।

স্বাধীনতার পর প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মুক্তিযোদ্ধা জিয়া ক্ষমতা মোহে পড়ে কত পরিবর্তন হয়ে গেলেন। যেই খালেদা জিয়া ক্যান্টনমেন্টে পাক বাহিনী হেফাজতে ছিলেন বলে তাকে ঘরে তুলতে জোর আপত্তি ছিল মেজর জিয়ার। জিয়াউর রহমান একজন মহান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তারপর তার গোঁড়ামি জন্য একজন বীরাঙ্গনাকে সংসারে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নিজের মেয়ে বলে চাপ দিয়ে জিয়ার মত বদলান। অথচ সেই মুক্তিযোদ্ধা জিয়াই জামায়াতকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করলেন।

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ স্বাধীনতা বিরোধী জামাতকে মেনে নিতে পারে নাই। গোলাম আজম নামাজ পড়তে গেলে বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের জুতাপেটা খান, মতিউর রহমান নিজামীও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুতাপেটা খান, জাহাঙ্গিরনগরে থু থু খান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্রসংঘ (পরবর্তীতে ছাত্র শিবির) কর্মী পেলে অপরাজেয় বাংলার সামনে কানে ধরে উঠবস করতে বাধ্য করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু বছর প্রকাশ্য মিছিল করতে পারে নি।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামাতের ক্রমবিকাশ

আমাদের দেশে চরম ডান জামাতে ইসলামী বা চরম বাম বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি বা তাদের সমমনা দলগুলোর মধ্যে একটা দারুণ মিল আছে। চরম বাম আর ডান দলগুলো খুবই সুশৃঙ্খল এবং সংগঠিত হয়, সেই সঙ্গে আদর্শের ব্যাপারে আপোষহীন। এরা একটা নির্দিষ্ট আদর্শে বিশ্বাস করে থাকে সে থেকে এরা এক চুলও নড়ে না। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বা জাতীয় পার্টির মতো দলগুলো নেতারা যেমন সুবিধা পাবার জন্য নিজেদের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে অবলীলা ফুলের মালা নিয়ে অন্য দলে যোগ দিতে পারে। জামাত থেকে তা সম্ভব নয়। যে ব্যক্তি একবার জামাতে ইসলামী নেতা বনে যায় সে তার বাকি জীবন জামাতের নেতা হয়েই থাকবে। এ কারণেই তাদের কর্মী, সমর্থক একেবারে অঙ্কের মতো হিসেব করা- এক চুলও এদিক ওদিক হয় না।

বাংলাদেশে প্রথম ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিসেবে জামাতে ইসলামী এর দিন দিন ক্রমবৃদ্ধি রীতিমত আশঙ্কাজনক। ১৯৮৬ সালে জামাতে ইসলামী একটি ছোট দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে। কিন্তু তারপরও জামাত ৮৬ সালে ১০টি আসন পেয়ে সবাইকে চমকে দেয়। ৯১ সালের নির্বাচনে জামাতে ইসলামী পায় ১৮টি আসন।

নব্বই দশকের মাঝা মাঝি পর্যন্ত জামাতে ইসলামী আমির গোলাম আযম ছিল পাকিস্তানের নাগরিক। তারপরো গোলাম আযম স্বাধীন বাংলাদেশের একটি রাজনৈতীক দল জামাতে ইসলামী এর কর্নধার ছিলেন। ভিন দেশী পাসপোর্ট নিয়ে অন্য আরেকটি দেশের রাজনৈতীক দলের প্রধান। জামাত বিশ্বের অনন্য নজ়ীর স্থাপন করেছেন।

জনতার আদালত এবং গোলাম আজম

খালেদা জিয়া নেতৃত্বাধীন বিএনপি ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেন। তিনি জামাতের অসত রাজনীতি, রাজনীতিবিদ ও তোষামোদকারীদের দু হাত তুলে সাহায্য করলেন। গোলাম আজম এর নাগরিকতা দিলেন ১৯৯৪ সালে। যখন সারা দেশ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে উনি পুলিস বাহিনী দিয়ে সাধারণ নাগরিকদের লাঠি চার্য করালেন। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি জনতার মঞ্চ থেকে প্রথম বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচারের কথা বললেন। খালেদা জিয়া তার সকল শক্তি দিয়ে জামাতের পাসে এসে দাঁড়ালেন। সাধারণ মানুষ যেন জনতার মঞ্চে যেতে না পারে তাই পথে পথে বাধা দিলেন। সেই সময় বাংলাদেশে এত টিভি চ্যানেল ছিল না। ছিল মাত্র বিটিভি। সেখানে উত্তম সুচিত্রা অভিনীত ‘পথে হল দেরি’ বাংলা ছবি দেখালেন । কিন্তু পথে দেরি হয় নি। লাখ লাখ মানুষ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনতার আদালতে গোলাম আজম এর ফাঁসী রায় দিয়ে ছিল।

ইসলামী ছাত্র শিবিরের কুকর্ম

জামাতের ছাত্র সংগঠন হচ্ছে ইসলামী ছাত্র শিবির। জামাত ছাত্র শিবির ইসলামের দোহাই দিয়ে আর মুখোশ পড়িয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজেদের ক্যাডারদের ঢোকাচ্ছে তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ হলো চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আর শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় । এখানে শিবিরের সন্ত্রাসের চিত্র পত্রিকা খুললেই দেখা যাবে।

তার পাশাপাশি পরিকল্পিত ভাবে এখানে জামাত শিবিরের ক্যাডারের শিক্ষকরা স্থান করে নিচ্ছে। ছাত্র শিবির অত্যাচারে ছাত্রদলও চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মিছিল করে। ছাত্র শিবির আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে আমাদের ক্যাম্পাস রগকাটার নানা রকম টেকনিক বের করছে। তাদের রগ কাটার অনেকগুলো লোমহর্ষ ঘটনা আমরা জানি । শিবির আমাদের চট্রগ্রাম চট্রগ্রাম কলেজ আর হাজি মোহাম্মদ মহসিন কলেজ দখল করে রেখেছে। সিটি কলেজ আর কমার্স কলেজ দখল করার পায়তারা চলছে ।


চার-দলীয় ঐক্য জোট গঠন

জামায়াতে ইসলামী হলো সুযোগ সন্ধানী। তারা সুযোগের ব্যবহার করবে এটা স্বাভাবিক একটি ঘটনা। জামায়াতে ইসলামী তাই ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং ইসলামী ঐক্য জোট মিলিত হয়ে চার-দলীয় ঐক্য জোট গঠন করে। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি- জামাত জ়োট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে নির্বাচিত হয়। ১৯৯৬ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মাত্র ৩টি আসনে জয়লাভ করলেও ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ১৮টি আসন লাভ করে। বাংলাদেশ সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে তাদের স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি দেশ হবার মাত্র এক দশক যেতে না যেতে দেশের শাসন ভার গ্রহণ করে।

চার দলের সরকারে জামায়াতে ইসলামী আমির মতিউর রহমান নিজামী পায় শিল্পমন্ত্রী , আলি আহসান মুজাহিদ পান সমাজকল্যান মন্ত্রী। এই দুই মন্ত্রী সরকারী গাড়িতে পতাকা উড়িয়ে চলত। বুকের রক্ত দিয়ে অর্জন করা লাল সবুজ পতাকার কি অপমান । এই পতাকা আগুনে পুড়িয়ে ফেলতেও তাদের হাত এতটুকু কাঁপবে না।

বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ সৃষ্টিতে জামাতের ভূমিকা

বাংলাদেশে ইসলামের নামে প্রকাশ্যে জঙ্গিবাদের সুরু ২০০৩ সাল থেকে। জামায়াতে ইসলামী ছাএ সংগঠন তৈরি করছে ভবিষ্যত জেহাদী। সারাদেশে এক যোগে বোমা হামলা চালিয়ে শোর ফেলে দেওয়া তথাকথিত ইসলামপন্থী দলগুলো যেমন জেএমবি নিঃসন্দেহে এ তালিকায় ওপরে। কিন্তু বেশ কজন জঙ্গী ধরা পড়ার পর 'আগে শিবির বা জামাত করতাম' জাতীয় স্বীকারোক্তি দেওয়ায় এটা মোটামুটি পরিষ্কার জামাত-শিবির তাদের ক্যাডার বাহিনী আর জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত করেছে।

সিলেটের মাজারে কারা বোমা মারছে? আমাদের দেশে কারা মাজার দেখতে পারে না ? রমনার বটমুলে কারা বোমা মারছে? কারা আমাদের বাংলা নববর্ষ পালন করার সাংষ্কতি পছন্দ করে না? উদীচী কারা দেখতে পারে না? শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে করে কারা বোমা মেরেছে? আইভি রহমান, শাহ এস এম কিবরিয়া, আহসানুল্লাহ মাস্টারদের কে হত্যা করছে? বাংলাদেশে কারা আওয়ামী লীগকে দেখতে পারে না? এর প্রতিটা উত্তর নিজের বিবেকের কাছে করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যায়।

জামায়াতে ইসলামী চার দলের ঘাড়ে চড়ে ধর্মের নামে সারা বাংলাদেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে মস্তিস্কবিহীন জলহস্তীদের উপলদ্ধি করার সময় হয়তো এখনও হয়নি।


২৮শে অক্টোবর সেই দিন

২৮ ই অক্টোবর ২০০৬ হল মুক্তাঙ্গনে জামাত আর ১৪ দলের মধ্য কি হয়েছে এটা ত আমরা সবাই জানি। অনেক আগে ১৪ দলের ডাকা সমাবেশের একই দিনে, একই সময়ে,একই পল্টন ময়দানে জামাত কেন সমাবেশ দিল? সেদিন সকালে তারা রাস্তার মোড়ে, মোড়ে অস্ত্র, বন্দুক নিয়ে কেন অবস্থান নিল? কীভাবে বন্দুক নিয়ে গুলি করা হল। শিবির নেতার সেই চিৎকার করে বলা ‘বন্ধুরা তোমরা বৃষ্টির মত গুলি বষর্ন কর, তোমরা মরলে শহিদ বাঁচলে গাজী “। জামাত সেদিন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম দখল করে সেখান থেকে নিরীহ মানুষদের গুলি করে হত্যা করেছে। সাধারণ মুসুল্লিদের নামাজ পরতে দেয় নাই। ইমামকে আজান দিতে দেয় নাই। এদের আসল কাজ হল কীভাবে ইসলামকে ছোট করা যায়। এরাই তারা যারা একাত্তুরে মসজিদে ঢুকে পবিএ কোরান শরিফ পরা অবস্থায় মুসল্লিদের গুলি করে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে।

জামায়াতে ইসলামী এর স্পর্ধা

জামাতিদের এত বড় সাহস যে তারা কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক , শাহবিয়ার কবির বা মহাম্মদ জাফর ইকবালদের মত মানুষদের মুরতাদ ঘোষণা করেন। ওদের বিরুদ্ধে কিছু বললে মুরতাদ আর তাদের সাপোর্ট করলে সাচ্চা মুসলমান।

আজ ৩৭ বছর পরেও জামায়াতে ইসলামী কখনো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা এবং গনহত্যা করার জন্য ক্ষমা চায় নি। ২৫ অক্টোবর ২০০৭ জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদ সাংবাদিকদের বলেন “বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই, এটা কল্পনা প্রসূত, বানোয়াট, উদ্ভট চিন্তা”

আসন্ন ২০০৮ সালের নির্বাচনে জামাত

বিশ্বের প্রথম ভাষাভিত্তিক ধর্মনিরপেক্ষ রাস্ট্রব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ করলেও আজ ধর্মভিত্তিক অপশক্তির কাছে হার মেনেছে এর থেকে দুঃখকর অপমান আর কি আছে?

আসন্ন নির্বাচনের জামায়াতে ইসলামী দেশের ৪০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে ১৬ জন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী। এরা হলেন জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী (পাবনা-১), সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ (ফরিদপুর-৩), মোহাম্মদ কামারুজ্জামান (শেরপুর-১), এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২), মাওলানা মোহাম্মদ সুবহান (পাবনা-৫), মীর কাসেম আলী (ঢাকা ৮), দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (পিরোজপুর-১), আবু সালেহ মোহাম্মদ আবদুল আজিজ মিয়া (গাইবান্ধা-১), মোহাম্মদ আবদুল খালেক (সাতক্ষীরা-২), এম রিয়াসত আলী বিশ্বাস (সাতক্ষীরা-৩), শাহ্ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস (খুলনা-৬), মাওলানা আবদুল হাকিম। (ঠাকুরগাঁও-২), মাওলানা হাবিবুর রহমান (চুয়াডাঙ্গা-২), ফরিদউদ্দিন চৌধুরী (সিলেট-৫), হাবীবুর রহমান (সিলেট-৬) এবং এনামুল হক মঞ্জু (কক্সবাজার-১)। এরা সবাই মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহায়তা এবং বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত। (৬)

আসুন এই মহান বিজয় মাসে আমরা আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াতে ইসলামী প্রতিহত করি। দেশের যে কয়টি আসনে তারা নির্বাচনে লড়ছে সেখানেই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করার জন্য যে যার অবস্থান থেকে কাজ করি। যেখানেই জামাত সেখানেই লড়াই।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামী একই সাথে আমার মায়ের খুনী এবং হত্যাকারী। যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা আমার কাছে স্বাধীন বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে স্বাধীন দেশটার সাথে বেঈমানী করার মতো। আমরা এই প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

জামাতের কাছে জানতে চাই ইসলামে কোথায় হত্যা, ধর্ষণ উৎসাহিত করা হয়েছে। সেরা ধর্মে জন্ম নিয়ে জামাতীরা ইসলামকে বদনাম করল। আল্লাহ সারা দুনিয়া শ্রেষ্ঠ প্রাণী করে আমাদের পাঠাল কিন্তু জামাতিরা সেই জীব মানুষ না পশু আমার জানতে ইচ্ছা করে।

ক্ষমা করে মানুষ নাকি মহানুভব হয়। ওদের অনেকের নাকি এদেশী জন্ম । ভুল ত মানুষই করে। আমি এই সব সস্তা কথা আমি মানি না। ক্ষমা মহান গুন হতে পারে, কিন্তু সবাইকে এবং সব অপরাধী ক্ষমা করা যায় না।

যে আমার সাথে বেইমানি করে তাকে আমি হয়ত দুই দিন পরে মাপ করে দিতে পারব কিন্তু যে আমার আমার দেশের সাথে বেইমানি করে করে , যে আমার মায়ের সম্ভ্রমহানি করে, যে আমার ভায়ের রক্তে তার দুই হাত রঙ্গিন করে , যে আমার বোনের শাড়ি ধরে টান দেয়, তাদের কোন মাপ নাই। এই দুনিয়ার মানুষেরা তাদের ক্ষমা করে দিলেও আল্লাহ তাদের কোন দিন যেন ক্ষমা না করেন।


তথ্যসূত্র
(১) ঊকিপেডিয়া Click This Link
(২) ঊকিপেডিয়া http://en.wikipedia.org/wiki/Jamaat-e-Islami
(৩) Click This Link
(৪)অমি রহমান পিয়াল এর ব্লগ Click This Link
(৫) http://www.genocidebangladesh.org/
(৬)দৈনিক প্রথম আলো ডিসেম্বর ০৬, ২০০৮

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৮
ইরতেজা বলেছেন: লেখাটি এখানে পোষ্ট করা হয়েছিল।

২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৪
ব্রাইট বলেছেন: যুদ্ধাপরাধী জামাতকে "না" বলুন।
সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগকে "না" বলুন।
বিশ্ব বেহায়া এরশাদকে "না" বলুন।

সন্ত্রাস দমনে সফল বিএনপিকে "হ্যা" বলুন।
অপারেশন ক্লীন হার্ট ও রেব এর স্বপ্নদ্রষ্টা "বিএনপিকে" "হ্যা" বলুন।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: সময় নিয়ে ব্লগ পড়ার জন্য ধন্যবাদ

৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৪
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন:
সবাই একসাথে প্লিজ.......
"দেখলে আমার হাসি পায়,
রাজাকারে ভোট চায়।"

অসংখ্য ধন্যবাদ রেখাটির জন্য।
প্রিয়তে রাখলাম।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ সন্দীপনদা

৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৫
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ লেখাটির জন্য
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৬
মিলটন বলেছেন: আসুন আমরা যুদ্ধাপরাধী জামাতকে "না" বলি।

প্রিয়তে রাখলাম।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৫

লেখক বলেছেন: মিলটন ভাই আপনাকেও ধন্যবাদ

৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩২
মরুবিজয় বলেছেন: যেখানেই রাজাকার সেখানেই প্রতিরোধ - যেখানে ওদের দালাল - সেখানেও . . .. যেখানে রাজাকার - মাথা বরাবর জুতা মার
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:০৬

লেখক বলেছেন: রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ চাই

৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অসাধারণ, প্রিয় পোস্টে সংযুক্ত

৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৮
নরাধম বলেছেন: ইরতেজা, আছেন কেমন? পোস্ট প্রিয়তে।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: নরাধম ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?

১০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৫
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: দরকারি পোষ্ট। জানলাম । যুদ্ধাপরাধী জামাতকে "না" বলি।
১১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করতে একেকটা দলিল।
এর দরকার আছে।
ধন্যবাদ ইরতেজা ভাই।
১২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: পরে পরব।আপাতত শোকেসে রেখে দিলাম।
১৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩০
মিছে মন্ডল বলেছেন: @ব্রাইট ছাগুকেও না বলুন।

ধন্যবাদ ্সত্য তুলে ধরার জন্য।
১৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০০
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: ইরতেজা, অসাধারন পোষ্ট। অনেক ধৈর্য্য নিয়ে এতো সুন্দর পোষ্ট দেবার জন্য ধন্যবাদ।
আছেন কেমন, অনেকদিন কথা হয় না।
১৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:১০
হাসিব বলেছেন: ক্লিন কাজ । ঠিকাছে ।
১৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৭
নরাধম বলেছেন: আমিও ভাল আছি। থ্যাংকস।
১৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৫
টুশকি বলেছেন: ইনফরমেটিভ পোস্ট
কিভাবে দলটা শুরু হল, এসবের কিছুই আগে জানতাম না।
অর্ধেকটার মতন পড়লাম, বাকিটা পরে পড়ব।
এভাবে জামাতী সহ আওয়ামীলিগ, বিএনপি এদের চোর কীর্তিও সবার সামনে তুলে ধরা উচিত। সবগুলান চোর। আমি এদের কাউরে ভোট দিবোনা।
১৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:১৩
এস্কিমো বলেছেন: অসাধারন কাজ হয়েছে, ইরতেজা। অসংখ্য ধন্যবাদ।
১৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৩০
টুশকি বলেছেন: আমিও একটা রাজনীতির পোস্ট দিব ভাবতেসি
"নতুন প্রজন্মের চোখে রাজনীতি"
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০১

লেখক বলেছেন: http://au.youtube.com/watch?v=snaUCMK2ETs

এই ভিডিওটা দেখতে পারিস। আইডিয়া পাবি

২০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৮
আবুল বাহার বলেছেন: যেখানেই রাজাকার সেখানেই প্রতিরোধ - যেখানে ওদের দালাল - সেখানেও . . .
২১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১২
সতেজ বলেছেন: ২৮শে অক্টোবরের ঘটনা না দিলেও পারতেন। পুরো পোষ্টটা পড়তে পড়তে যখন ২৮শে অক্টোবরে আসলাম তখন দেখলাম আপনি ঐদিন ঘটনার মুল নায়ক লঘি বৈঠাদারীদের পাশ কাটিয়ে জামাতের উপর সম্পুর্ন দোষটা চাপিয়েছেন। আপনার এই ধরনের একপেশে মনোভাব অন্যান্য ইস্যুগুলার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: সতেজ মাইনাস দেবার জন্য ধন্যবাদ।

২৮শে অক্টোবরের বিষয়ে এটা ত মানেন ১৪ দল জামাতের অনেক আগেই পল্টন ময়দানে সমাবেশের ঘোষনা দিয়েছে। তার পরেও জামাত একি স্থানে সকাল থেকে অশ্র হাতিয়ার নিয়ে অবস্থান নিল কেন? জামাত চেয়েছিল একটা আতং সৃষ্টি করতে। আর তাদের নেতারা যে হামলা করেছে সেই প্রমান খালি আমি কেন টিভিতেও দেখা গিয়েছে। বন্ধুরা তোমরা বৃষ্টির মত গুলি বষর্ন কর এই নির্দেশ টিভিতে দেখানো হয়েছে। ঘটনার মুল নায়ক লঘি বৈঠাদারী হল তবে জামাত আবার বিকালে জনসভাও করেছে। এত অল্প সময়ে বিপুল লোক সমাগমই কিভাবে করল।

আমি যা বলেছি সেগুলোর তথ্যসুত্র দেওয়া হয়েছে। বেশীর ভাগি উকিপেডিইয়া থেকে প্রাপ্ত। সেখানে ইংরেজী থেকে আমি খালি বাংলায় অনুবাদ করেছি। আপনি পড়ে দেখতে পারেন। অন্তত এখন বলবেন না যে ঊকিপেডিয়া, জেনোসাইট আর্কাইভ, টিভি - পত্রিকা, সংবাদ পত্র সব কিছু আওয়ামী পন্থি, বিদেশী ষড়যন্ত্র।

২২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫
বিপ্র বলেছেন:
+
এই পোস্ট স্টিকি করা উচিত...
২৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৫
সতেজ বলেছেন: আমি মাইনাস দেই নাই।

আপনি আবারও ২৮শে অক্টোবর নিয়ে একপেশে মনোভাব দেখাচ্ছেন। যতদুর মনে পড়ে ঐদিন বিএনপি আর জামাতের পুর্ব ঘোষিত সমাবেশ ছিল এবং তা আওয়ামী লীগের সমাবেশ স্হল থেকে ভিন্ন ছিল। যেকোন কিছুর পরও রাস্তায় সবার সামনে মানুষ পিটিয়ে মেরে ফেলাটাকে আপনি কখনও সমর্থনযোগ্য করতে পারবেন না। যদিও আপনাদের মত অন্ধ আওয়ামী সমর্থকরা নিজেদের দোষ ডাকার জন্য এইভাবে অন্যর দোষ চাপিয়ে গোয়েবলসীয় প্রচারনা চালিয়ে যেতে থাকবেন।

আমি মানি মুক্তিযুদ্ধে প্রচুর পরিমান জামাতি নেতার ভুমিকা ঘৃন্য ছিল। কিন্তু আপনারা যেভাবে জামাতবিরোধী প্রচারনা চালাতে গিয়ে নিজেদের দোষগুলাও তাদের উপরে চাপাইয়া দিচ্ছেন তা অবশ্যই নিন্দনীয়।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: সতেজ আপনার মন্তব্য জন্য ধন্যবাদ। প্রথমে একটু ভুল হয়েছে । মাইনাস আপনি দেন নি দিয়েছে চেতনায় ৭১।

দেখুন আমি অন্ধ আওয়ামী সমর্থক নই তবে অবশ্যই কট্টর জামাত বিরোধী। ২৮শে অক্টোবর যেহেতু জামাতের বিপক্ষ ছিল ১৪ দল তাই জামাত বিরোধী কথাবার্তা আপনার কাছে আওয়ামী লীগের অন্ধ সমর্থকের কথা মনে হচ্ছে।

আমার এই পোষ্টের পুরোটাই লিখেছি জামাত নিয়ে। মহাজোটের গুণকীর্তন করতে বা কোন দলকে সাধু সাজাতে লিখি নি। আওয়ামী লীগের ধোয়া তুলসী পাতা নয়। মহাজোট যখন জাতীয় পার্টির সাথে শরিক হয়ে ৩০০ জন প্রার্থী তালিকায় দুই যুদ্ধাপরাধীদের প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছিল সেটার ধিক্কার দিয়ে ছিলাম। কিন্তু আওয়ামী লীগ চূড়ান্ত তালিকা থেকে পরে সেই দুই স্বাধীনতা বিরোধীদের বাদ দেয় এবং তাদের নির্বাচনী মেনুফেষ্টে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে বলে বলেছে। দেশে থাকলে অন্তত এই জন্য আমি মজাজোটকে ভোট দিব।

কিন্তু আজ যদি বিএনপি জামাতকে লাথি মেরে জ়োট থেকে বের করে দেয়, সাকা- গিকাসহ স্বাধীনতা বিরোধীদের পার্টি থেকে বহিষ্কার করে তবে হয়ত আমি ভোট বিএনপিকেই দিতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য বিএনপি সেটা কখনো করবে না।

২৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১৭
রাশেদ বলেছেন: জামাতকে কেন ঘৃনা করি :-

জামাত বিরোধীতার মূল কারন ১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকা। তাদের জনগ্রহনযোগ্যতা এই বাংলায় কখনই ছিল না। সত্তর সালের নির্বাচনে তারা মাত্র চারটি আসনে জয়লাভ করে। তাদের প্রাদেশিক আমীর গোলাম আজম আওয়ামী লীগের জহিরুদ্দীনের কাছে ৮০৬৭৭ ভোটের ব্যবধানে হেরে যায়। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হবার পরে ৪ এপ্রিল গোলাম আজম জেনারেল টিক্কা খানের সাথে দেখা করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছিল। [পূর্বদেশ, ৫ এপ্রিল, ১৯৭১]

১৫ এপ্রিল গঠিত শান্তি কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে গোলাম আজম যোগ দেয় এবং এই মাসেই সকল জেলা ও মহকুমা পর্যায়ে গঠিত শান্তি কমিটিতে জামাতে ইসলামীর নেতা কর্মীর আধিক্য দেখা যায়। [দৈনিক পাকিস্তান, ১৬ এপ্রিল, ১৯৭১] শান্তি কমিটি কর্মকান্ড সম্পর্কে তো আর নতুন করে কিছু বলার নাই। ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে আয়োজন করা এক সম্মেলনে গোলাম আজম বলে - “পাকিস্তানের হাজারো দুশমন আছে, কিন্তু বাইরের চেয়ে ঘরে সেই সময়ে সৃষ্ঠি হওয়া দুশমনরা বেশি বিপদজনক। শান্তি কমিটি যদি দুনিয়াকে না জানান দিত পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ দেশকে অখন্ড রাখতে চায়, তাহলে পরিস্তিতি হয়ত অন্য দিকে মোড় নিত”। [দৈনিক পাকিস্তান, ১৬ আগস্ট, ১৯৭১]

শান্তি কমিটিকে সহায়তা করার লক্ষ্যে মে মাসে খুলনায় জামাতের এক সময়ের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ইউসুফ প্রথম গঠন করে রাজাকারের দল। ঢাকার মোহাম্মদপুরের ফিজিক্যাল কলেজের রাজাকারদের ট্রেইনিং ক্যাম্প পরিদর্শনকালে (১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১) গোলাম আজম বলে - “রাজাকার কোন দলের নয়, দেশের সম্পদ! নিহত রাজাকার রশিদ মিনহাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় এই বলে যে তার কাছ থেকে তরুণদের শেখার আছে!” [দৈনিক পাকিস্তান, ২ সেপ্টেম্বর ১৯৭১]

আল বদর বাহিনীও জামাত প্রতিষ্ঠা করে। এর নেতৃত্বে ছিল মতিউর রহমান নিজামী (সমগ্র পাকিস্তান প্রধান), আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ (প্রাদেশিক প্রধান/পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান), ঢাকা মহানগরের নায়েবে আমীর মীর কাশেম আলী (৩য় নেতা) ও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (প্রধান সংঘটক)। গোলাম আজমের তত্ত্বাবধানে এটি পরিচালিত হতো। আল বদরের ঘৃণ্য কর্মকান্ড সম্পর্কেও আমরা সবাই অবগত আছি।

মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এভাবে দেশের সাথে বেইমানি করা ছাড়াও তারা রাজনৈতিক কূটনীতিতে ব্যস্ত ছিল যাতে করে ক্ষমতা দখল করা যায়। সেই লক্ষ্যে ডানপন্থী দলগুলোর সাথে জোট বাঁধার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। সেই সময়ে জাতিসংঘের অধিবেশন থাকায় ১৭ সেপ্টেম্বর একটি মন্ত্রীসভা গঠন করা হয় যাতে মন্ত্রী ছিল আব্বাস আলী খান (শিক্ষামন্ত্রী) ও মাওলানা এ কে এম ইউসুফ (রাজস্বমন্ত্রী)। আব্বাস আলী খান পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনার জন্য একটি কমিটিও গঠন করে যাতে করে ইসলামী মূল্যবোধ আর পাকিস্তানী আদর্শে বইগুলো সাজানো যায় এবং কমিটির দেয়া সুপারিশগুলো মেনে চলার সিদ্ধান্তও নেয়। [দৈনিক ইত্তেফাক, ১০ নভেম্বর, ১৯৭১]

আওয়ামী লীগের শূন্য হওয়া জাতীয় পরিষদের আসনগুলোতে জামাত নির্বাচন করে এবং ১৫ জন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়। পাকিস্তা সরকার এই উপনির্বাচন ৬ ডিসেম্বর স্থগিত করে। এই উপ নির্বাচনে জয়ী (!) হয়ে তারা পাকিস্তানের অন্য কিছু দলের সাথে জোট বাঁধে। সেই সময় গোলাম আজম দাবী জানায় প্রধানমন্ত্রীর পদ কোন পূর্ব পাকিস্তানীকে দেবার জন্য। অবশ্য তা হয়নি। [দৈনিক পাকিস্তান, ১৬ নভেম্বর, ১৯৭১]

এভাবে যে দল বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরোধিতা করেছে পদে পদে, সেই দলের প্রতি আমার কখনো কোন মায়া আসে না। তাদেরকে পায়ে পিষে ফেলাই একমাত্র শাস্তি। জামাত তাই দলগতভাবে দায়ী, এই কথাতে কোন আপোষ নাই।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন: রাশেদকে তার জন্মদিনের ব্যস্ততার মাঝেও এত যন্ত করে সুন্দর করে গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

২৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯
ইরতেজা বলেছেন: সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন
এমআ০০৭
রাশেদ
সতেজ
চেতনায় ৭১
বিপ্র
ইমন জুবায়ের
দ্বীপবালক

---------
এমআ০০৭ এবং চেতনায় ৭১ কিছু বলে গেলেন না যে?
২৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১২
রাশেদ বলেছেন: এইটা আমার এক পুরানো পোস্ট থেকে কপি করে দিয়েছি। :)
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: লেখাটি আমার চোখে পড়ে নি। রাশু আবার পোষ্টাবি নাকি? ভাবে দেখ

২৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৮
রাশেদ বলেছেন: নাহ, তোমাদের পোস্টে দেয়া আছে। তাতেই চলবে আশা করি। প্রচুর ভালো পোস্ট আসতেছে এই বিষয়ে। দরকার হবে না। এতো করে বলার পরেও ব্লগের কারো কারো মাথায় জামাত ঘুরলে আমরা গরম লোহা কান দিয়ে ঢুকিয়েও কিছু করতে পারবো না।
২৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৬
সতেজ বলেছেন: "কিন্তু আওয়ামী লীগ চূড়ান্ত তালিকা থেকে পরে সেই দুই স্বাধীনতা বিরোধীদের বাদ দেয় এবং তাদের নির্বাচনী মেনুফেষ্টে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে বলে বলেছে। দেশে থাকলে অন্তত এই জন্য আমি মজাজোটকে ভোট দিব।"

আওয়ামী লীগ আগেও অনেক রকম কথা দিয়ে শেষে কথা রাখে নাই। আমি নিজেও অপেক্ষায় আছি যে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গিয়ে এই ব্যাপারে কোন উদ্যেগ নেয় নাকি।

"কিন্তু আজ যদি বিএনপি জামাতকে লাথি মেরে জ়োট থেকে বের করে দেয়, সাকা- গিকাসহ স্বাধীনতা বিরোধীদের পার্টি থেকে বহিষ্কার করে তবে হয়ত আমি ভোট বিএনপিকেই দিতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য বিএনপি সেটা কখনো করবে না।"

তার আগে আমার প্রশ্ন আওয়ামী লীগ কেন ৯৬-০১ এ জামায়াতের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেয় নাই?বিএনপির প্রতি আমার কোন নীতিগত সমর্থন নাই। কিন্তু আওয়ামী লীগের মত দেশের ক্ষতিকারক দলটিকে ক্ষমতার বাইরে রাখার জন্য বাংলাদেশের মানুষ বিএনপি/জামায়াতকে ভোট দেয়। জামায়াতের মত একটি দলের যদি অস্তিত্ব না থাকত তাহলে এই পুরা আওয়ামী বিরোধী গোষ্ঠীর ভোটগুলো বিএনপিতে যেত। অবশ্য ২০০১ সালের পর থেকে আমি অনেক আওয়ামী ভন্ডকে দেখছিলাম বিএনপির প্রতি কপট সমর্থন প্রদর্শন করতে । অনেক আওয়ামী বুদ্ধিজীবীর কলামে দেখছিলাম জামায়াতকে বাদ দেওয়ার জন্য বিএনপির জন্য তাদের কপট ভালোবাসার প্রকাশ। বিএনপিকে এই দিক দিয়ে বু্দ্ধিমান ধরা যায় যে তারা জামায়াতকে বাদ দিলে ভোট বাড়বে এই ধরনের ফাদে পা দেয় নাই। আর সাকা গিকার কথা যদি বলতে হয় আওয়ামী লিগেও এই ধরনের অনেক সুবিধাবাদী স্বাধীনতাবিরোধী পাওয়া যাবে।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সহমত। আওয়ামী লীগও দোষী।

৩০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১১
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আমরা ব্লগারেরা কিইবা পরিবর্তন আনতে পারবো? মাঠ পর্যায়ে জামাতিরা সাধারণ ভোটারদের জামাতে ভোট দেয়ার নামে বেহেশতের টিকেট দিচ্ছে। আমাদের এসব প্রতিবাদ আর সত্যকথন প্রকৃতপক্ষে বেহুদা বাতচিত!
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: জি ঠিক বলেছেন। সবি বেহুদা বাতচিত। আপনাকে ধন্যবাদ

৩২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট।
চমৎকার পোষ্ট
চমৎকার পোষ্ট।
৩৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আপনার এই পোস্টের কিছু লাইন আমি আমার একটা ফেসবুক ক্যাম্পেইনে ব্যাভার করছি। কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।

------------------------


নির্বাচনের ঠিক আগ মূহুর্তে একটি সুসংবাদ দিচ্ছি। আমার একটি ব্যাক্তিগত মিশন ছিলো এই নির্বাচনকে ঘিরে, মাঝখানে সামান্য যতি পড়েছিলো ঈদ নিয়ে।

ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন

কাল আমার ইউনি ক্লাসমেট,আমাদের জিনিয়াস, যে বেশ ধর্মভীরু, চট্টগ্রামের একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গতকাল রাতে নিশ্চিত করলো যে সে এই নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারদের ভোট দেবে না, দেবে সম্ভবত ‘না’ ভোট। তার আসন টা সাতকানিয়ার।

গ্রেট। আমার প্রত্যাশা ছিলো চল্লিশ শতাংশ হিসাবে দশজনে চারজনকে বুঝাতে পারা, এক্ষনে দেখি সর্বসাকুল্যে ছয়জন হয়ে গেলো, ছয়টা ভোট! আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে...
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ফেসবুক ক্যাম্পেইন এর নাম এবন্মগ লিঙ্ক দিলে ভালো হয়। আমি নিজেও একটু দেখতাম

৩৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:


ক্যাম্পেইন টা মূলত আমার লিস্টে থাকা বন্ধুদের মেসেজ করা, ওয়াল পোস্টে লেখা এবং এস এম এস এ দিয় এই পদ্ধতিটি বেশী ইন্টার এক্টিভ মনে হয় আমার কাছে।

আপনার এই অংশটি ব্যাভার করেছি , ব্রাকেটে @ইরতেজা লিখে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামী একই সাথে আমার মায়ের খুনী এবং হত্যাকারী। যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা আমার কাছে স্বাধীন বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে স্বাধীন দেশটার সাথে বেঈমানী করার মতো। আমরা এই প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

জামাতের কাছে জানতে চাই ইসলামে কোথায় হত্যা, ধর্ষণ উৎসাহিত করা হয়েছে। সেরা ধর্মে জন্ম নিয়ে জামাতীরা ইসলামকে বদনাম করল। আল্লাহ সারা দুনিয়া শ্রেষ্ঠ প্রাণী করে আমাদের পাঠাল কিন্তু জামাতিরা সেই জীব মানুষ না পশু আমার জানতে ইচ্ছা করে।

ক্ষমা করে মানুষ নাকি মহানুভব হয়। ওদের অনেকের নাকি এদেশী জন্ম । ভুল ত মানুষই করে। আমি এই সব সস্তা কথা আমি মানি না। ক্ষমা মহান গুন হতে পারে, কিন্তু সবাইকে এবং সব অপরাধী ক্ষমা করা যায় না।

যে আমার সাথে বেইমানি করে তাকে আমি হয়ত দুই দিন পরে মাপ করে দিতে পারব কিন্তু যে আমার আমার দেশের সাথে বেইমানি করে করে , যে আমার মায়ের সম্ভ্রমহানি করে, যে আমার ভায়ের রক্তে তার দুই হাত রঙ্গিন করে , যে আমার বোনের শাড়ি ধরে টান দেয়, তাদের কোন মাপ নাই। এই দুনিয়ার মানুষেরা তাদের ক্ষমা করে দিলেও আল্লাহ তাদের কোন দিন যেন ক্ষমা না করেন।
৩৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
'লেনিন' বলেছেন: এখানে চলে আসলাম। প্রথমদিন কমেন্ট করতে গিয়ে ভুলে 'পারভেজ' এর ব্লগে কমেন্ট করে ফেলেছি।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

৪১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫১
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: এই লেখাটা মিস গিয়েছিল। এখন পুরো পড়লাম। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম লেখা প্রকাশের জন্য।
৪২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯
(অ)গাণিতিক বলেছেন: প্রিয়তে।
এই পোস্টটা আমার দারুণ কাজে লাগবে। এসব কথা বলতে বলতে অনেক সময় মুখে ব্যথা হয়ে যায়। এখন থেকে সবাইকে এই লিঙ্ক ধরিয়ে দিব।
ইরতেজা ভাই অসাধারণ একটা কাজ করেছেন।

আপনাকে সব সময়ই লিখতে বলি। বার বার, হাজারবার বলি। আমার মত অর্বাচীনের অনুরোধে না হলেও এই দেশের জন্য যে আপনার লেখনী কথা বলবে সেটা জানতাম। আপনার সাদামাটা ভাষাভঙ্গিতে একটা জাদুময়তা আছে। এই তথ্যনির্ভর লেখাটাও তাই অসাধারণ সুখপাঠ্য, হ্রৃদয়গ্রাহী। আপনাকে হাজার সালাম।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে। তোকে আজকাল যে একদম দেখি না কেন?

৪৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭
আস্ত রাজাকার বলেছেন: ২৮ শে অক্টোবরের ঘটনা সম্পর্কে আপনি যে মিথ্যাচার করেছেন তা থেকেই বোঝা যায় বাকি ঘটনা গুলো কতটুকু সত্য। চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ২৮ অক্টোবরের ঘটনা সম্পর্কে এরকম একটা মিথ্যে পোস্ট মাইনাস পাওয়াই যোগ্য।

তবে এই পোস্টটি আপনার দাদাদের দেখান অনেক বাহবা পাবেন। কিছু মালপানিও পেতে পারেন।

৪৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
মকসুদ আলম বলেছেন: জামায়াতের সকল কর্মী এবং সমর্থক তাঁদের বাপের পু্টকী দিয়া বাইর হইছে।
৪৬. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: সোজা প্রিয়তে নেয়ার মতো লেখা ... অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আর কয়েকজন জামাতপ্রেমীর কমেন্ট দেখলাম ... এত কিছু জানার পরেও যারা অন্ধভাবে জামাত-শিবির কে সমর্থন করে তারা তো ওদের মতো - যারা চোখ থাকতেও দেখতে চায় না, কান থাকতেও শুনতে চায় না ... আর শুধু শিখিয়ে দেয়া কিছু কথা ছাড়া আর সবকিছু জানার পথ নিজেরাই বন্ধ করে রেখেছে।
৪৭. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩
বাষ্প বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। লেখাটির জন্য।
৪৮. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:৩০
মামুন (শ।কিল) বলেছেন: পোষ্টটার জন্য ধন্যবাদ।
তবে ১৯৯৫-৯৬ এর অসহযোগ আন্দোলনের সময় আওয়ামি লীগ-জামাত একসাথে আন্দোলন করেছিল।আপনি এটা পাশ কাটিয়ে গেছেন।
আমি যতদূর জানি, ১৯২৫ সালে মওলানা মন্জুর নোমানী ও সৈয়দ আবুল আলা মওদুদী একসাথে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠা করেন।পরে তাদের মধ্যে মতোবিরুদ দেখা দিলে 1936 সালে মওলানা মন্জুর নোমানী জামায়াত হতে বের হয়ে যান।কেন তিনি হতে বের হয়ে যান সে সম্পৃকে সম্ভবত তিনি একটি বই লিখেছিলেন।
আমি প্রায় ৬/৭ বছর আগে মাসিক মদীনায় এ সম্পর্কিত একটি লেখা পড়েছিলাম।
৫০. ১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:২৫
ঋভু অনিকেত বলেছেন: ''যুদ্ধাপরাধী জামাতকে "না" বলুন।
সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগকে "না" বলুন।
বিশ্ব বেহায়া এরশাদকে "না" বলুন।

সন্ত্রাস দমনে সফল বিএনপিকে "হ্যা" বলুন।
অপারেশন ক্লীন হার্ট ও রেব এর স্বপ্নদ্রষ্টা "বিএনপিকে" "হ্যা" বলুন।''

'ব্লাইট 'এর প্রথম তিন লাইনের সাথে একমত।
এর সাথে যোগ করতে চাই
যুদ্ধাপরাধী জামাত শিবিরকে পূনর্বাসনকারী ও প্রশ্রয়দাতা
বিএনপিকে না বলুন।
৫১. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
নতুন গগন বলেছেন: আপনার লেখায় নিরপেক্ষতার অভাব আছে। আর আপনার তথ্যসূত্র ও নিরপেক্ষ নয়।
৫২. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
মাহবুব সৈকত বলেছেন: ভাই আপনি নিম্চই জামাত শিবিরের এজেন্ট।
না হলে এত তথ্য কোথ্য় পেলেন?
জামাতের বিরুদ্ধে লিখার ছল করে জামাত শিবিরের প্রচার করছেন।
এটাও জামাত শিবিরের শিবিরের ফন্দি।
৫৩. ১২ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
েপাদ্দার বলেছেন: ভাই আপনার সকল বিষয়ের সাথে আমি একমত জামাত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে এটা ঠিক এ ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু শিবির কে জড়িয়ে যে কথা বললেন না তা কতটুকু সত্য দয়া করে জানাবেন।
৫৫. ২৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
তলানি বলেছেন: মকসুদ আলম বলেছেন: জামায়াতের সকল কর্মী এবং সমর্থক তাঁদের বাপের পু্টকী দিয়া বাইর হইছে।


কঠিন বাস্তব +
৫৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
আহছানউল্লাহ বলেছেন: অবশ্যই জামাতকে না'বলুন এবং প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই।

লেখক এতবড় একটা ইতিহাস লিখলেন একটা জায়গায় যে,আঃলীগ জামাতের সাথে এক হয়ে আন্দোলন করেছিলো তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে এই তথ্যটা গোপন রাখলেন কেন? সম্ভবত১৯৯৬সালে ।
৫৮. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
দাউদ রনি বলেছেন: এখানেও মাইনাস (-)!
যদি বাইর করন যাইতো কারা মাইনাস দিতাছে।
একটা একটা কইরা খুইজা বুড়িগঙ্গার নর্দমায় ফালায়ে দিতাম!!!
৫৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: অসাধারন পোস্ট। জামাত নিপাত যাক।
৬০. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
মু. নূরনবী বলেছেন: সজ্ঞানে মাইনাস।
কারণ, আপনি.....নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন।
আওয়ামীলীগের সাথে জামায়াতের জোট এবং গোলাম আযমের বাসায় আওয়ামীলীগ প্রেসিডেন্ট প্রার্থীল দোয়া আনতে যাওয়া এবং মন্ত্রীত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এসব কিছু তুলে আনেন নি।

৯৬-০১ সেশনে কেন তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেনি?...এখনও টালবাহনা করতেছে...

আর ২৮ অক্টোবর সমন্ধে....প্রচন্ড মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন...যা একজন বিবেকবান মানুষের নিকট কাম্য নয়।
আপনাদের মত.....অন্ধ আওয়ামী বাকশালীরাই ফালতু পোষ্টাইতে পারবেন। না জেনে কিছু বলা ভালো না। শত হলেও জলজ্যান্ত একজন মানুষকে সাপের ন্যায় পিটিয়ে মারা কোন সভ্য লোক সাপোর্ট করতে পারে না।


৬২. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৩
স্বপ্নচূড়া৪৬৬ বলেছেন: আহছানউল্লাহ বলেছেন: অবশ্যই জামাতকে না'বলুন এবং প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই।

লেখক এতবড় একটা ইতিহাস লিখলেন একটা জায়গায় যে,আঃলীগ জামাতের সাথে এক হয়ে আন্দোলন করেছিলো তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে এই তথ্যটা গোপন রাখলেন কেন? সম্ভবত১৯৯৬সালে ।
৬৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৪
০পন্ডিতমশাই বলেছেন: বঙ্গবন্দ্ধু হত্যার পর মোশতাকের মন্ত্রী সভায় কারা ছিলেন জানেন কি?জানেন কি রাষ্ট ভাষা বাংলার দাবীতে তৎকালীন ঢাকসুর কোন জি,এস স্বারকলীপি পাঠ করেছিলেন পাক প্রধান মন্ত্রীর সামনে।সাহস থাকলে উত্তর দিয়েন!!
৬৬. ০৯ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৪৪
মেক্সবিডি বলেছেন:

যে আমার বোনের শাড়ি ধরে টান দেয়, তাদের কোন মাপ নাই। এই দুনিয়ার মানুষেরা তাদের ক্ষমা করে দিলেও আল্লাহ তাদের কোন দিন যেন ক্ষমা না করেন।

আমরাও চাই আল্লাহ তাদের কোন দিন যেন ক্ষমা না করেন যদি, যদি ঐসব (৪০ জন?) জামাতিরা সত্যিই এসব করে থাকে।
৬৭. ০১ লা মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭
শাহাদত হোসেন বলেছেন: ধস্যবাদ,
আপনার পোস্ট দেখে জামায়াতের প্রতি ঘিন্না ধরে গিয়েছিল, কিন্তু আপনি কিছু কিছু মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারনে পুরো পোস্টের প্রতি আবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেল।
৬৮. ০১ লা মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮
শাহাদত হোসেন বলেছেন: ধন্যবাদ,
আপনার পোস্ট দেখে জামায়াতের প্রতি ঘিন্না ধরে গিয়েছিল, কিন্তু আপনি কিছু কিছু মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারনে পুরো পোস্টের প্রতি আবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেল।
৭০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০২
র হাসান বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট! প্লাস+++++

Free Bangladesh travel information
৭৩. ০৭ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১০:৫২
ধূসরধ্রুব বলেছেন: অনেকদিন পর অসম্ভব ভাল একটা লেখা পেলাম । প্রিয়তে
৭৫. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৫
শাহাদত হোসেন বলেছেন: সতেজ বলেছেন: ২৮শে অক্টোবরের ঘটনা না দিলেও পারতেন। পুরো পোষ্টটা পড়তে পড়তে যখন ২৮শে অক্টোবরে আসলাম তখন দেখলাম আপনি ঐদিন ঘটনার মুল নায়ক লঘি বৈঠাদারীদের পাশ কাটিয়ে জামাতের উপর সম্পুর্ন দোষটা চাপিয়েছেন। আপনার এই ধরনের একপেশে মনোভাব অন্যান্য ইস্যুগুলার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

একমত
৭৬. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৩
পারাবত বলেছেন: জামায়াতে ইসলামী আমির মতিউর রহমান নিজামী পায় শিল্পমন্ত্রী , আলি আহসান মুজাহিদ পান সমাজকল্যান মন্ত্রী। এই দুই মন্ত্রী সরকারী গাড়িতে পতাকা উড়িয়ে চলত। বুকের রক্ত দিয়ে অর্জন করা লাল সবুজ পতাকার কি অপমান । এই পতাকা আগুনে পুড়িয়ে ফেলতেও তাদের হাত এতটুকু কাঁপবে না।
বাশ খাওয়া বাংগালি আমারা
৭৭. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৪৯
ইন্তাজ ভাই বলেছেন: পোস্ট প্রিয়তে

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ছেঁড়া ছেঁড়া ভালবাসা, দুই চোখ ভরা সীমাহিন স্বপ্ন, অদ্ভুত সব স্মতি, একরাশ বেদনা, কঠিন বাস্তবতা, নিদারুণ অলসতা, আড্ডাবাজি, সত থাকার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ