আমার প্রিয় পোস্ট

রাঢ়িখাল, শ্রীনগর, বিক্রমপুর...

১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

জাভেদ অনেকদিন ধরেই ঘ্যান ঘ্যান করছিল ওর গ্রামের বাড়িতে আমাদের নিয়ে যাবার জন্য...উনি হলেন বিক্রমপুইরা পোলা, [আগে ৮০ ছিল এখন inflationএর কারনে] ১২০ টাকা তোলা...এদিকে আমরা হলাম বিরাট অলস জাতির নমুনা...আমরা কি আমাদের আরাম আয়েস ছেড়ে দুনিয়া ঘুরতে বের হই?...ঈদের সময় একবার attempt নেয়া হয়েছিল... কিন্তু আম্মু বাদ সাধায় আমি এবং প্রায় একই ধরনের কারনে অন্য সবাই ও ট্রিপ cancel করে...তাই আসলে এবার যখন ও আবার বললো না করতে পারলামনা...যদিও আমার আর তানির দুজনেরই একটু শরীর খারাপ তাও ভাবলাম যাব...[আমি অবশ্য একটু কেউ কেউ করেছি না যাবার জন্য, কারন আম্মুর সাথে ঝগড়া এবং কথা বন্ধ...তাই মুড অফ, এছাড়াও GTS-08 এ কাজ করে পায়ে ব্যাপক ব্যথা...কিন্তু জাভেদ রাতে
ফোন করে বলার পর ঠিক করলাম যাব...]...সকালে ৭টায় উঠে হাল্কা নাস্তা করে বের হলাম ৮টা ১০ এ...ঠিক করা আছে যে রাফি ওর বাসার সামনে থেকে ATCL এ উঠবে এবং আমার বাসার সামনে এসে আমাকে ফোন দিলে আমিও ঐ বাসেই উঠবো...বাস ছাড়তে দেরী হল...তাই সাইন্সল্যাবে [মানে মাত্র ০.১০% রাস্তা যেতেই আমাদের ৯টার কাছাকাছি
বাজলো...] ...কথা ছিল ৯টার মধ্যে আমরা সবাই হকি স্টেডিয়ামের সামনে থাকবো...হল ঘোড়ার আন্ডা...আমরা পৌছালাম ১০ মিনিট দেরীতে...পৌছে জানলাম তানি আর তাসু মাত্র রওনা দিয়েছেন বাসা থেকে...ঐযে কথা আছেনা মক্কার মানুষ হজ পায়না...ঐ অবস্থা আরকি...যাই হোক আরো ১৫ মিনিটের মাঝে সবাই চলে এল[ওসমান আসছিল সবার আগে ঠিক ৯টায়...উনি বাংলাদেশের মানুষ না...ব্যাপক punctual...]

সবাই মানে, আমি, রাফি, জাভেদ, তানিয়া, ওসমান, তাহসিনা আর রাব্বি তারপর ১০১ টা রাস্তা পার হয়ে আসলাম টিকিট কাউন্টারের কাছে ৩৫টাকা দিয়ে যে জায়গাটার টিকিট নেয়া হল তার নাম 'তিনদোকান'...কি আজিব নাম!...বাসের নাম আরও মজার 'আরাম'...কিন্তু ভাইরে নাম করনে যদি এট্টুশখানিক সার্থকতা থাকতো তাইলে আজকে আমার পিঠের ব্যাথাটা থাকতো না... ৪৫ মিনিটের ঝাক্কাস[মানে ঝাক্কি ফুল!] জার্নির পর পৌছালাম গন্তব্য...পুরাটা সময় অবশ্য হাহা হিহির কমতি হয়নাই...কমসে কম ৫ কি ৬ বার শ্রেকের ডংকির মত জাভেদ কে জিগাইসি...' are we there yet...?' হাহাহাহাহা...বাস থেকে নেমে ১০ মিনিট হাটার পর গ্রামের স্কুল [যেটা স্যার জগদিশচন্দ্র বসুর বাড়ি নিয়ে বানানো...]পার হয়ে যে বাড়িটার সামনে এনে জাভেদ আমাদের দাঁর করালো, সেটাকে শুধু বাড়ি না বলে জমিদার বাড়ি বললে appropriate হয়...আহা কি সৌন্দর্য...বুঝলাম জাভেদ কেন আমাদের এতকরে এখানে আনতে চাচ্ছিল...আমার গ্রামের বাড়ি এরকম হলে আমিও মানুষজনকে ডেকে ডেকে দেখাতাম...এখন অবশ্য মেরামত চলছে...ভাঙ্গা অংশ গুলা সারিয়ে চুনকাম এবং রং...যদিও মনে হয় ভাঙ্গাচোরা বাড়িটাই বেশী সুন্দর ছিল...কিন্তু কি করা...ওনাদের safely থাকতে হবে তো...

ভিতরে ঢুকতেই দেখা হল জাভেদের চাচার সাথে...সবার সাথে পরিচিত হবার পর আমাদের ভিতরে গিয়ে বসতে বললেন...ভিতরে ভাবির সাথে আরেক দফা পরিচয়পর্ব শেষ করতে না করতেই আবার চাচী...হাহাহা... সবাইকে খুব আন্তরিক আর সুইট লাগলো... ভাবি pregnant আর সামনের জানুয়ারীর ২১ তারিখে উনার শুভদিন[আমরা ঠিক করেছি বাচ্চা হবার পরে অবশ্যি আরেকবার যাব...]...এরপরে আনন্দে ত আমাদের সকলের সবকয়টা দাঁত বের হয়ে গেল যখন চাচী বললেন এবারে সবাই নাস্তা খাও...হেহেহে...যে ঝাক্কি খাইসি...তাতে পেটের নাড়ীভুড়ি সুদ্ধই হজম হয়ে গেসে আর সেই সকাল ৭টায় খাওয়া একটা রুটি?...তার কি কোন হদিস আছে?...খাওয়া দেখে তো আরো আনন্দ হল...খিচুড়ি, আলু ভর্তা, ডিমভাজি, বরবটি ভর্তা, সিম ভর্তা আর জলপাইয়ের আচার...আহা...কি সুখাদ্য!!!...খেয়ে পেটের কোনা পর্যন্ত ভরে আমরা একটু রেস্ট নিতে বসলাম[রেস্ট না নিয়ে নড়ার উপায় রাখেন নাই চাচীজান...]...
খানিকক্ষন গড়াগড়ি করে বের হলাম গ্রামটা ঘুরে দেখতে...প্রথমেই পুকুর ঘাট...পুকুরটা মোটামুটি বড়...ঘাট মোট দুইটা...দুইটাই পুরানো ধরনের... ভাঙ্গাচোরা...আর পুকুরটা দেখে মনে হয়...ভিতরে সিন্দুক...হাহাহা...
সিন্দুক ভুত...কেউ পুকুরের ধারে কাছে গেলেই ক্যাঁক করে ধরে ভিতরে ভরে ফেলবে...পুকুরের দুইটা ঘাট দেখে আর কয়েক ডজন ছবি তুলে আমরা আগে বাড়লাম...পুকুরটাকে কেন্দ্র করেই ঘোরা হল বেশ কিছুক্ষন... অনেক হাসাহাসি আর বদমায়েশির পর রওনা হলাম মাইজপাড়ার উদ্দেশ্যে...১টার কাছা কাছি বাজে তখন...রোদের তেজও অনেক...বদ গুলা আমাকে ছাতা আনতে দেয়নাই...তাই একজায়গায় এসে যখন দেখা গেল দুইটা রাস্তা দুইদিকে...দুদিক দিয়েই যাওয়া যায়, তখন আমি বেছে নিলাম বামের রাস্তাটা...যেটা ছায়াঢাকা...আমার সাথে আসলো জাভেদ, আর ওরা গেল যেটা দিয়ে তাড়াতাড়ি যাওয়া যায়...হাহাহা...কারন একটু পরেই আমি আর জাভেদ দেখলাম যে ওরা যে রাস্তা ধরে যাচ্ছে তার একটু
সামনেই পুকুর...আর পার হবার জন্য একটা এক বাঁশ এর সাঁকো... হাহাহা...আর ঐ দলে আছে দুইটা মেয়ে যারা আসলেই মেয়ে...আমার মত মেলে না...তার মানে হল একটু পরেই চ্যাঁচামেচি শুনতে পাব...পার হওয়া নিয়ে...হলও তাই...হাহাহা...তানিয়া এবং তাহসীনা বিশাল সিন ক্রিয়েট করে সবাইকে হাসায় পার হল সাঁকোটা...ওসমান আর জাভেদ পুরা ঘটনা ভিডিও করল...[করাই উচিত...that was funny!!!]...খানিকক্ষন পর আবারো বাঁশের সাঁকো...এবার আমাকেও পার হতে হল...কিন্তু আমি যেহেতু একটু মেলে টাইপ, তাই আমার তেমন কোন প্রবলেম হলনা...

যাই হোক সাঁকো পার হয়ে দুপাশে পুকুর ভরা কচুরীপানা আর তার জোস বেগুনী ফুল ফেলে কিছুদুর যাওয়ার পরে দেখি আমরা মাইজপাড়ায়... সামনেই মৈত্রী সংঘ...আর জাতীয়তাবাদী দলের কার্যালয় আর ছোট বড় মিলিয়ে অনেক দোকান...দোকানে গিয়ে কোক চাইলাম দেখি মোজো, লেমু আর ফিজ আপ ছাড়া আর কিচ্ছু নাই[স্বদেশী পন্য, কিনে হও
ধন্য!...] ...ঐসবের একটাও আমাদের ঠিক সহ্য হয়না তাই আমরা প্রাণ ম্যাংগো জুস[!] খেলাম...মানে পান করলাম...তাহসীনার আম্মাজান ফোন করে বললেন বিক্রমপুরের ঘি নাকি ভালো, কিছুটা কিনে আনতে...আমরা উনার কথা মান্য করে দুনিয়া তোলপাড় করে খুজে আনলাম ১০১টা নীলপদ্ম, থুড়ি...এক বোতল ঘি...তারপরে গ্রামের দোকানে ৪জন খেলাম দুধ আর বাকি ৩জন চা...তারপর ব্যাক টু জাভেদের বাসায়...

সেখানে হল আরেকদফা ভুরিভোজন...এবার পোলাউ, ইলিশ মাছ, মুরগীর মাংশ, পটল ভাজি, সালাদ...[আহা! চাচীজানের কি রান্না...উমম...!] খাওয়া দাওয়া শেষে বিছানায় বসে অনেক মজা করা হল...তারপরে গেলাম ছাদে...ঘুরাঘুরি করে নিচে নেমে বিদায় নিতে গেলে চাচী বললেন উহু আরও কিছু খাদ্য বাকি আছে বতস...ধীরে...দই খাওয়া হল তারপরে দে ছুট...

হেটে স্যার জগদীশচন্দ্রের গেইট পার হয়েই একটা বাস পেয়ে ঝাপাঝাপি করে তাতে উঠে গেলাম...ভুল বললাম...বলা উচিত ছিল একটা রোলার কোস্টার পেয়ে তাতে উঠে গেলাম...সেটা আমাদের নিয়ে ভোঁওওও করে একবার ডানে আর ভোঁওওও করে একবার বামে ছুড়ে ফেলতে ফেলতে যাত্রাবাড়ি এনে নামিয়ে দিল...[জাভেদ পোস্তগোলাতেই নেমে গিয়েছিল... ঐখান থেকে ওর বাসায় রিক্সা যোগে যাওয়া যায়...]সেখান থেকে আমরা আলাদা হয়ে গেলাম।রাব্বি একা আর তানিয়া, তাহসীনা একসাথে বাসার উদ্দেশ্যে রিক্সা নিয়ে রওনা দিল...ওসমানের বাসার দিকে যাত্রাবাড়ি থেকে সরাসরি বাস যায়, ও ও চলে গেল...বাকি রইলাম আমি আর রাফি...আমরা রিক্সা নিয়ে মতিঝিল হয়ে বাসে কিকরে ফিরলাম আর কতক্ষনে, সে এক বিরাট ইতিহাস...ঐটা আরেকদিনের জন্য রাখলাম...এম্নিতেই অনেক দিন লেখিনা...হাত ব্যাথা করছে...এখন যাইগা...ঠিক আছে?

 

 

  • ৬১ টি মন্তব্য
  • ৩৩১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০০
comment by: সাদা কাগজ বলেছেন: +++++++++++++++++++++দ্রাক্ষা ফল অতিশয় অম্লগুনধারী++++++++
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহা...বলেন ভাই সত্যি কথা না?

২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০০
comment by: মোঃ আব্দুল খালেক বলেছেন:
৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০১
comment by: মোঃ আব্দুল খালেক বলেছেন: ++++++++++++++++===
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...:)

৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৩
comment by: মোঃ আব্দুল খালেক বলেছেন: লুল হইতে সাবধান
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: [মাথা চুলকাই...] বুঝলাম না মিয়া ভাই...[বুদ্ধিশুদ্ধি অতিশয় কম...]

৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১২
comment by: রাজীব বলেছেন: শুধু ঘী? বিক্রমপুরের মিষ্টি কুমড়া ও ভালো হয়।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: কি করুম কন....মিষ্টি কুমড়ার কথা কেউ কয় নাইক্কা...আর আনার ওতো অসুবিধা আসিল...

৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৭
comment by: বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: ভালা হৈছে............. তুমারে পিলাচ সহ বইন্যবাদ;)
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: হেহে...লন ঠ্যাং খান...

৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
comment by: রোডায়া বলেছেন: হুম৷
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: হাম...

৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
comment by: বলাক০৪ বলেছেন: আহ কি মজা
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬

লেখক বলেছেন: হুম...আসলেই অনেক মজা হইসে...ছবিগুলা দেখলে বুঝবার পারতেন...ফেসবুকে দিছি...এইখানে দিতে অনেক ক্যাচাল তাই দেই নাইক্কা...

৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭
comment by: এম্নিতেই বলেছেন: এম্নিতেই অনেক দিন লেখিনা

// আমারে কিছু কইলি? ;)
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: নিজের নাম হুনলেই ঝাপ খায়া পড়ো...ওই মিয়া...তুমিওতো বিক্রমপুইরা...দাওয়াত দিবানা?X(

১০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০
comment by: রাহুল বলেছেন: মোঃ আব্দুল খালেক বলেছেন: লুল হইতে সাবধান

নিজের ঢোল নিজে পিটায়....
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহা...

১১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
comment by: রাহুল বলেছেন: লেখা ভালা হইছে পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।ফেসবুকের ঠিকানা কি?


নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা এই নিকের তরজমা করেন।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: ধইন্যভাদ...

ফেসবুকে আমারে খুইজা পাবেন না...আমি কুনু নেটওয়ার্কে নাইক্কা...

আমার মাথা নষ্ট এইডা কি আর বুঝাইতে হইব?...আমি দুষ্টূ এইডা নিশ্চয়ই বুইঝা ফেলাইসেন...বাকি থাকলো বালিকা...ইয়ে মানে আমি আসলে ঠিক ঐ গোত্রে পড়িনা...বয়েসটা বড়ই বেশী, কিন্তু ঐযে কথায় আছেনা...পোলাদের বেতন আর মাইয়াদের বয়েস ঝান্তে হয়না...

১২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪
comment by: খোমেনী ইহসান বলেছেন: পোলাদের বেদন পাওয়ার উপায় এই দ্যাশে আপাতত নেই। বেতন পায় পুরুষেরা। তারা বালিকাদের পটাইতে গিয়ে নিজের বেতনের সতোরো গুণ বলতে কসুর করেন না।
আর মাইয়াদের বয়স জানতে হয় না, মানা যায়। কিন্তু মহিলাদের তথা বালিকাকাল পেরিয়ে যাওয়া মাইয়াদের বয়স নিয়ে ন্যাকামি না করাই উচিত। তাদের উচিত বয়স জানান দিয়ে বালক সকলের কাছ থেকে খালা-ফুফুর সমীহটুকুন আদায় করা। না হলে বয়সের বিস্তর ব্যবধানে অসম ভুল হয়ে যায়। তাই না?
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: ঐ ব্যাটা আমারে খালা ফুফু গোত্রের মনে হইলে ডাকেন...আমি কি আন্নেরে মানা করসি?...

আর অসম ভুল হবার সিচুয়েশনডা কইথথেইক্কা পয়দা হইল এইডা বুঝলামনা...

১৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০০
comment by: খোমেনী ইহসান বলেছেন: দূর! নিরস কোথাকার..........
খালা ফুফু ডাকার জন্য কী কেউ ভার্চূয়াল দুনিয়ায় এসে নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকাকে জ্বালায়।


ব্যাটা বলায় ভালো পাই নাই।
বয়স বললেই তো হয়।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: আমারে আপনি জ্বালাইসেন?...হায় হায় কখন? টেরই তো পাইলাম না!...

শুনেন মিয়া...আমারে জ্বালানো এত্তো সোজা না...
আর বয়েস?...ভার্সিটিতে পড়ি...আন্দাজ তো করতেই পারেন...পারেন না?

১৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
comment by: যীশূ বলেছেন: কিছু ছবি দিলে দারুন হতো।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: হুম...একটা ছবি ব্লগ করছি...

১৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
comment by: অ্যালন বলেছেন:
বিক্রমপুর কতদিন যাইনা..আম্মুউউ..:((
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: আহারে অ্যালন ভাইডি আমার...আন্নের বাড়ি কি বিক্রমপুর?...কতদিন যান নাই?

১৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
comment by: অ্যালন বলেছেন:
হ..হাপ বিক্রমপুর..:((
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: হুম...আহারে...কাইন্দেন না...

১৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
comment by: অ্যালন বলেছেন:
সেই ২০০৩-এ গিয়েছিলুম..তার্পর আর যাওয়া হয়নাই..আর মনে হয় কপালে নাই.. :((
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: তাওতো একবার গেসেন, আমিতো এখনও আমার নিজের গ্রামের বাড়িতেই যাইনাই...

১৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৭
comment by: ক্যাডেট নম্বর ৯৯৯ বলেছেন: "রাঢ়িখাল, শ্রীনগর, বিক্রমপুর..." শিরোনাম দেখে মনে হয়েছিল হুমায়ুন আজাদ কিছুটা হলেও আপনার লেখায় থাকবেন। এ নিয়ে হতাশ হয়েছি। তবে ভ্রমণ কাহিনী ভালো লাগলো।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...নাহ হুমায়ুন আজাদকে টানাটানি করলাম না...আমি উনার তেমন ভক্ত না...আর সত্যি কথা বলতে আমার ইচ্ছা ছিল স্যার জগদীশ্চন্দ্র বসুর বাড়ি নিয়ে বেশী...আর আমরা বন্ধুরা যখন একসাথে হই তখন আসলে কোন কিছুই প্ল্যান করে করা যায়না...

১৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৩
comment by: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: ঘুরাঘুরি কি হইলো বুঝলাম না, খাওয়াদাওয়া আর জার্নির কাহনই দেখলাম। সাবলীল লেখা , একটানে পড়া হলো।

রাঢ়িখাল গ্রামটিতেই মনে হয় হুমায়ূন আজাদ জন্মেছিলেন। উনার কিশোর-সাহিত্যে এই গ্রামের ছায়া প্রচুর এসেছে।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: আসলে ঘুরাঘুরির বর্ণনা দিতে গেলে বিরক্ত হতেন...বাংলার সব গ্রামেরই জাতিগত একটা মিল আছে...আর আমরা জাহাঙ্গীরনগরের মানুষতো...গাছ, পুকুর, কচুরীপানা, জঙ্গল দেখতে দেখেতে খানিক্তা অভ্যস্ত...তাই খাওয়াই সই...এই বা কম কিসে...হাহা...


ছবি ব্লগ দিচ্ছি অচিরেই...ঘুরাঘুরির কিছু নমুনা অবশ্যই পাবেন...

২০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৯
comment by: অ্যালন বলেছেন:
এক্বার্না..অনেক্বারি গেছি..সর্বশেষ গেছি ২০০৩..
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: হায়রে পোড়া কপাল...আমি এখনও যাই নাই...:(

২১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
comment by: কমেন্টবাজ বলেছেন: :D
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: হাহা...আপনার নিকটাতো সেইরকম...

২২. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৫
comment by: কাল্পনিক বলেছেন: তোর খাওয়ার পরিমান তখন বুঝতে পারি নাই, কিন্তু, এত্তোবড় লেখা দেখে আন্দাজ করতে পারতেছি, তুই কি পরিমান খেয়েছিস!

ভাবী শুনলে তোরে মেরে ফেলবে, সে আমাকেই ডেট বলতে চাচ্ছিল না, আর তুই কিনা ব্লগে...!

(ভার্সিটিতে স্যাররা নাকি কামড়া-কামড়ি করতাছে, জানিস কিছু?)
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: ঐ শালা...যাই খাইনা কেন...আমি তোর থেকে বেশী খাইনাই...

আর ভাবীকে বলে দেখ...কক্ষোনই আমাকে মারবেনা...ভেবে দেখ...তোর ভাবী কিন্তু তোরে কয়নাই...আমি জিগানোর পর আমাকে বলছে...হেহে...


হুম...জেসীর সাথে কথা হইলো..কবে খুলবে সেটা কাউয়াও জানেনা...

২৩. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৯
comment by: প্র