I went to the woods because I
wanted to live deliberately
I wanted to live deep and seek
out all the marrow of life!
to put to soul in what was not life
and not when i came to die, discover
that I had not live at all...
অনেক আগে ডেড পোয়েটস সোসাইটি নামে রবিন উইলিয়ামসের একটা ফাটাফাটি সিনেমাতে এই কবিতাটা শুনেছিলাম... স্মৃতি থেকে লেখা এইটার কতটুকু ঠিক আর কতটুকু ভুল তা এখন বলতে পারবোনা... [ভুল থাকলে ক্ষমা, ওক্কি?...এটা কার লেখা তাও আমি জানিনা...]
সিনেমাটা দেখে অনেক মন খারাপ হয়েছিল...আমি আবার অল্পতেই কাঁদি...বলাই বাহুল্য এটা দেখেও চোখের কল আপনা আপনিই খুলে গিয়েছিল...আজকালের কথা অবশ্য ভিন্ন...এখনকার আমির সাথে বছর খানেক আগের আমিরও মিল নাই এতটুকু...এখনকার আমি হয় খুব আক্রমনাত্মক হয়ে যাই হঠাত করে অথবা কান্নাকাটিতে পি.এইচ.ডি. করা একটা মানুষের মত ব্যাবহার করি সময়ে অসময়ে...এমন কিন্তু না যে আমার মারাত্মক বিষন্নতায় জর্জরিত হবার মত ভয়ানক কিছু হয়েছে, কিন্তু তাও জানিনা কেন আমার 'আমি'টাকে খুজে পাইনা...আমার ইউনি জীবনের আর মাত্র চার মাস বাকি, একবার মনে হয় যা আনন্দ করার দরকার বন্ধুদের সাথে তা করে নেই, আরেকবার মনে হয়, 'ধুত! ইউন লাইফ শেষ হয়না কেন...'
কিন্তু যাই হোকনা কেন আমার চোখের তারায় যে gleam টা ছিল তার ব্যাটারী বোধহয় শেষ...ছো ছ্যাড...
এই ছবিটা আজ আমার এক ব্যাচমেট গ্রুপে মেইল করল...মনে হয় ওর তোলা...জানেন, ছবিটা দেখেও মন খারাপ হয়ে গেল...এই পিচ্চি গুলার মত যদি হুল্লোড় করে মাটি ঘাটতে পারতাম...ইশশিরে!...এখন মনে হচ্ছে এইভাবে মাটি মাখার মধ্যেই জীবনের সকল সুখ নির্হিত...
এই ছবিটা দেখে মনে হল কোথা থেকে জানি একবার চার পাঁচটা ছবি ডাউনলোড করেছিলাম গ্রাম্য বাচ্চাদের নদীতে ঝাপা ঝাপি নিয়ে...খুজতেই পেয়ে গেলাম...ছবিগুলা জোস...দেইখা সাতার না জানা আমারো ঝাপ দিয়া পানিতে লাফাইবার মঞ্ছায়...
কাইল ফড়িক্সা আচে...পুস্ট দিয়াই আবার ফড়তে যাব...entrepreneurship ফড়িক্সা...নয়া টিচার আমাদের ডিপার্টমেন্টের রেকর্ড রেজাল্ট করা মহিলা বদমাশ!!!...[যখন স্টুডেন্ট ছিল তখন আপুরে লাইকাইসিলাম, এমনকি তার হলের রুমেও গিয়া আড্ডাফাইংও চলসে...কিন্তু টিচার হইয়াই বেটি একটু ভাব নিসে...তাই আর ভাল্লাগেনা...] টিচার হিসেবে কিরাম এখনও বুঝা যায় নাই...তয় দুইটা জিনিসে বিরক্ত হইসি...১। মহিলা অন্ট্রাপ্রিনিয়রশিপ কইতার্না...বেবাগতের মতই এন্ট্রাপ্রিনিয়রশিপ কয়...আর ২। মহিলা
পরথম কেলাসে আমাগো ৮খান সংজ্ঞা পড়াইসে... পড়ার সময় মনে হইতেসিল যে ক্লাস
এইটের সমাজ বই পর্তাছি...ধুস!...[কেউ ভাইবেন না যে আমি ভাব নিতাছি...আমি যা
ভাবি তাই কইয়া ফেলাই...একটু বেকুব কিসিমের মানুষতো তাই...
খুব ঢাকার বাইরে কোথাও যেতে ইচ্ছা করতেসে...প্রিয় কিছু মানুষজন নিয়ে...হই হুল্লোড়
করে যাব...মাস্তি করব...আপ্সুস!!! মেয়েদের এত স্বাধীনতা নাই এখানে...চাইলেই কোথাও
চলে যাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না...আর আমার ইউনি বন্ধুরা বেশির ভাগই ছেলে... যদিও এদের কেউ আমাকে মেয়ে বলে মনেই করেনা [সত্যি কথা বলতে কি তাতে মাঝে মাঝে আমার মেজাজ বিলা হয়...!] তারপরও মনে না করলে তো আর আমার জেন্ডার বদলে যাবেনা, তাইনা...
মাঝে মাঝে মনে হয় আমার জার্মান বান্ধবী কিম বা অস্ট্রেলিয়ান কেইটলিনের মত যদি হুটহাট এদিক সেদিক চলে যাবার মত সমাজব্যাবস্থা আমাদের হত, কত মজাই না হত তাহলে...প্রতি উইকেন্ডে গাড়ি নিয়ে চলে যেতাম ধারে কাছের গ্রামে, পিকনিকের সাথে সাথে গ্রামের পিচ্চিদের নিয়ে ক্রিকেট খেলতাম...অনেকে বলবেন যে আর কইয়োনা...উচ্ছন্নে যাওয়ার তাইলে কিস্যু আর বাকি থাকবেনা...আসলে ব্যাপারটাকি জানেন, নিজে ভালতো জগত ভালো...যেমন ধরেন, জাবি সম্পর্কে অনেকের অনেক খারাপ ধারনা আছে কিন্তু জাবির মেয়ে আমি, আমি জানি যে নিজে ইচ্ছা করলেই মেয়েরা অনেক কিছু এড়ায় যেতে পারে...অপ্রীতিকর ঘটনাকি শুধু জাবিতেই ঘটে?...সচেতন মানুষ মাত্রেই জানেন যে না সত্যিটা এরকম না...
আমি মনে হয় গেসি এক্কেরে...কি কথা থেকে কি কথায় পৌছাইসি...কথার কোনই আগা মাথা নাই...কি সর্বনাশ!!!...
আসলে যা বলতে চেয়েছিলাম তা হল...মুক্তভাবে নিশ্বাস নেয়ার জন্য আমার স্বাধীনতা চাই... চারপাশের এত বাতাস থেকে নিজের ফুসফুসের জন্য যদি বিশুদ্ধতা আহরনই করতে না পারলাম তাহলে এই বাঁচার অর্থ কি?
পোস্ট দিয়েই পড়তে বসব...এক চ্যাপ্টার এখনও বাকি...দোয়া রাইখেন...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

