somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু স্বাধীনতা চাই, জীবনের কাছে...

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

I went to the woods because I
wanted to live deliberately
I wanted to live deep and seek
out all the marrow of life!
to put to soul in what was not life
and not when i came to die, discover
that I had not live at all...

অনেক আগে ডেড পোয়েটস সোসাইটি নামে রবিন উইলিয়ামসের একটা ফাটাফাটি সিনেমাতে এই কবিতাটা শুনেছিলাম... স্মৃতি থেকে লেখা এইটার কতটুকু ঠিক আর কতটুকু ভুল তা এখন বলতে পারবোনা... [ভুল থাকলে ক্ষমা, ওক্কি?...এটা কার লেখা তাও আমি জানিনা...]

সিনেমাটা দেখে অনেক মন খারাপ হয়েছিল...আমি আবার অল্পতেই কাঁদি...বলাই বাহুল্য এটা দেখেও চোখের কল আপনা আপনিই খুলে গিয়েছিল...আজকালের কথা অবশ্য ভিন্ন...এখনকার আমির সাথে বছর খানেক আগের আমিরও মিল নাই এতটুকু...এখনকার আমি হয় খুব আক্রমনাত্মক হয়ে যাই হঠাত করে অথবা কান্নাকাটিতে পি.এইচ.ডি. করা একটা মানুষের মত ব্যাবহার করি সময়ে অসময়ে...এমন কিন্তু না যে আমার মারাত্মক বিষন্নতায় জর্জরিত হবার মত ভয়ানক কিছু হয়েছে, কিন্তু তাও জানিনা কেন আমার 'আমি'টাকে খুজে পাইনা...আমার ইউনি জীবনের আর মাত্র চার মাস বাকি, একবার মনে হয় যা আনন্দ করার দরকার বন্ধুদের সাথে তা করে নেই, আরেকবার মনে হয়, 'ধুত! ইউন লাইফ শেষ হয়না কেন...'

কিন্তু যাই হোকনা কেন আমার চোখের তারায় যে gleam টা ছিল তার ব্যাটারী বোধহয় শেষ...ছো ছ্যাড...



এই ছবিটা আজ আমার এক ব্যাচমেট গ্রুপে মেইল করল...মনে হয় ওর তোলা...জানেন, ছবিটা দেখেও মন খারাপ হয়ে গেল...এই পিচ্চি গুলার মত যদি হুল্লোড় করে মাটি ঘাটতে পারতাম...ইশশিরে!...এখন মনে হচ্ছে এইভাবে মাটি মাখার মধ্যেই জীবনের সকল সুখ নির্হিত...:P

এই ছবিটা দেখে মনে হল কোথা থেকে জানি একবার চার পাঁচটা ছবি ডাউনলোড করেছিলাম গ্রাম্য বাচ্চাদের নদীতে ঝাপা ঝাপি নিয়ে...খুজতেই পেয়ে গেলাম...ছবিগুলা জোস...দেইখা সাতার না জানা আমারো ঝাপ দিয়া পানিতে লাফাইবার মঞ্ছায়...:P (...এম্নিতেই রাশিগত ভাবে আমি পানিপ্রিয়, আমার দুই ঘন্টা গোসল করা নিয়ে আমার মা প্রায়ই বলে যে আমি আমার শেষ গোসল দিতাছি...:p [ এই 'জন্মের গোসল' তীব্র এই শীতেও বন্ধ হয়নাই...পুরা বাংলাদেশের গীজার ছাড়া খুব কম সংখ্যক ঝরনা ব্যাবহারকারীর বোধহয় আমি একজন...:D



কাইল ফড়িক্সা আচে...পুস্ট দিয়াই আবার ফড়তে যাব...entrepreneurship ফড়িক্সা...নয়া টিচার আমাদের ডিপার্টমেন্টের রেকর্ড রেজাল্ট করা মহিলা বদমাশ!!!...[যখন স্টুডেন্ট ছিল তখন আপুরে লাইকাইসিলাম, এমনকি তার হলের রুমেও গিয়া আড্ডাফাইংও চলসে...কিন্তু টিচার হইয়াই বেটি একটু ভাব নিসে...তাই আর ভাল্লাগেনা...] টিচার হিসেবে কিরাম এখনও বুঝা যায় নাই...তয় দুইটা জিনিসে বিরক্ত হইসি...১। মহিলা অন্ট্রাপ্রিনিয়রশিপ কইতার্না...বেবাগতের মতই এন্ট্রাপ্রিনিয়রশিপ কয়...আর ২। মহিলা
পরথম কেলাসে আমাগো ৮খান সংজ্ঞা পড়াইসে... পড়ার সময় মনে হইতেসিল যে ক্লাস
এইটের সমাজ বই পর্তাছি...ধুস!...[কেউ ভাইবেন না যে আমি ভাব নিতাছি...আমি যা
ভাবি তাই কইয়া ফেলাই...একটু বেকুব কিসিমের মানুষতো তাই...:P]



খুব ঢাকার বাইরে কোথাও যেতে ইচ্ছা করতেসে...প্রিয় কিছু মানুষজন নিয়ে...হই হুল্লোড়
করে যাব...মাস্তি করব...আপ্সুস!!! মেয়েদের এত স্বাধীনতা নাই এখানে...চাইলেই কোথাও
চলে যাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না...আর আমার ইউনি বন্ধুরা বেশির ভাগই ছেলে... যদিও এদের কেউ আমাকে মেয়ে বলে মনেই করেনা [সত্যি কথা বলতে কি তাতে মাঝে মাঝে আমার মেজাজ বিলা হয়...!] তারপরও মনে না করলে তো আর আমার জেন্ডার বদলে যাবেনা, তাইনা...



মাঝে মাঝে মনে হয় আমার জার্মান বান্ধবী কিম বা অস্ট্রেলিয়ান কেইটলিনের মত যদি হুটহাট এদিক সেদিক চলে যাবার মত সমাজব্যাবস্থা আমাদের হত, কত মজাই না হত তাহলে...প্রতি উইকেন্ডে গাড়ি নিয়ে চলে যেতাম ধারে কাছের গ্রামে, পিকনিকের সাথে সাথে গ্রামের পিচ্চিদের নিয়ে ক্রিকেট খেলতাম...অনেকে বলবেন যে আর কইয়োনা...উচ্ছন্নে যাওয়ার তাইলে কিস্যু আর বাকি থাকবেনা...আসলে ব্যাপারটাকি জানেন, নিজে ভালতো জগত ভালো...যেমন ধরেন, জাবি সম্পর্কে অনেকের অনেক খারাপ ধারনা আছে কিন্তু জাবির মেয়ে আমি, আমি জানি যে নিজে ইচ্ছা করলেই মেয়েরা অনেক কিছু এড়ায় যেতে পারে...অপ্রীতিকর ঘটনাকি শুধু জাবিতেই ঘটে?...সচেতন মানুষ মাত্রেই জানেন যে না সত্যিটা এরকম না...



আমি মনে হয় গেসি এক্কেরে...কি কথা থেকে কি কথায় পৌছাইসি...কথার কোনই আগা মাথা নাই...কি সর্বনাশ!!!...



আসলে যা বলতে চেয়েছিলাম তা হল...মুক্তভাবে নিশ্বাস নেয়ার জন্য আমার স্বাধীনতা চাই... চারপাশের এত বাতাস থেকে নিজের ফুসফুসের জন্য যদি বিশুদ্ধতা আহরনই করতে না পারলাম তাহলে এই বাঁচার অর্থ কি?

পোস্ট দিয়েই পড়তে বসব...এক চ্যাপ্টার এখনও বাকি...দোয়া রাইখেন...
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৪
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×