somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আত্ন উন্নয়ন ও অটোসাজেশন (সংগ্রামে আপনাকে টিকে থাকতে হবে-১)

০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সংঘাত ময় পৃথিবীতে চলছে আধিপত্য বিস্তারের সংগ্রাম। এ সংগ্রামে আপনাকেও টিকে থাকতে হবে আর্দশ মানব হিসেবে । আর একজনই দরকার আত্ন উন্নয়ন। এই আত্ন উন্নয়ন আপনার দক্ষতাকে শানিত করবে কৌশলকে নিভুল করবে আপনার সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করবে।

আত্ন উন্নয়নের কয়েকটি উপায় -----

দূর করন বিব্রত কর মুহূর্ত : আপনি যদি নির্দিষ্ট সময়ে কোথাও হেটে যেতে চান ,তবে আপনি যে সময় সাধাারণত বের হন তার ১৫ মিনিট আগে বের হবেন। আর যদি বাসে বা ট্রেনে আপনার গন্তব্য হয় ১কিমিঃ বেশি তবে আপনার পরিকল্পনার ৩০মিঃ আগে বের হন। এতে করে আপনি হঠাৎ কোন ট্রাফিক জ্যামে পড়লে বা অন্য কোন অসুবিধার সন্মুখীন হলে তা আপনাকে বিব্রত কর অবস্থায় ফেলবে না।

কাজের মাঝের বাধা গুলোকে দূর করুন :
আপনি নির্দিষ্ট সময়ে আপনার নিদৃষ্ট কাজর চেয়ে ও বেশি কাজ করতে পারবেন , যদি কর্ম ক্ষেত্রে আপনার মনোযোগ বিনষ্ট কারী বাধা গুলো দূর করতে পারেন যেমন রুটিন ফোন কল ব্যাক করার সময় হিসেবে বেছে নিন আপনার অবসর সময় ।

সংযুক্ত করূন একটি মাস প্রতি বছর : আপনি আশ্চর্য হবেন না । একাজটি বেশ সহজ ও সরল। ছুটির দিন নয়। সপ্তাহের কর্মময় ৫দিনে আপনি যে সময়ে ঘুম থেকে উঠেন তার ঠিক এক ঘণ্টা আগে উঠুন এতে করে প্রতি সপ্তাহে আপনি অতিরিক্ত ৫ঘন্টা পাচ্ছেন যা বছরে আপনাকে ৩১ দিন বা ১মাস দেবে। আর এই অতিরিক্ত ৩১ দিনে সেরে ফেলুন বছরে যে কাজ গুলো আপনি সময়ের অভাবে সম্পন্ন করেন নি।

কাজের সময় ঠিক করুন : সময় বিশেষজ্ঞদের মতে বেশির ভাগ মানুষেরই সকাল বেলা কর্ম ক্ষমতা বেশি থাকে । যা দিন বাড়ার সাথে সাথে হ্রাস পায় সে জন্য আপনি চেষ্টা করুন অধিক রাত না জাগার এবং সকালে বিশেষ কাজ গুলো শেষ করার । আমরা অনেকেই দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কাজগুলো স্তুুপ করে ফেলে রাখি। কখনো আমারা ব্যাস্ত থাকি কখনো বা ক্লান্ত এ ক্ষেত্রে হতে পারেন উদ্দ্যমী । এক্ষুন্নি মনকে বলুন আমি এই কাজ গুলো শেষ করব।

লক্ষ স্থির করুন : বাস্তব বাদী ও চাঞ্চল্যকর লক্ষস্থির করুন। গবেষনায় দেখা যায় মানুষ সাদামোটা সাধারণ লক্ষস্থির করে, ফলে তা পূরণের আগ্রহ কম থাকে আপনার লক্ষকে তাই করুন নির্দিষ্ট ও বাস্তববাদী । যেমন প্রতি সপ্তাহে আমি দশ মিঃ বেশি দৌড়াবো এবং ১ মাস পর একবার ৫ কিমি দৌড়ানোর ক্ষমতা অর্জন করবো।

পরিবর্তন আনুন জীবন ধারায় : সামান্য বৈচিত্র্য আপনার জীবন প্রবাহের প্রেরণাকে সুসংহত করবে। আপনার রুটিন বাধা জীবনের একটি উপকরণ আপনি বদলে ফেলুন সংযুক্ত করুন নতুন কিছু । (যেমন ধরা বাধা কাজ নয় নিন নতুন দায়িত্ব। অথবা চিরচেনা যে পথে রোজ দৌড়ান সে পথ বদলে ফেলুন বা দৌড়ানোর পরিবর্তে সাইকেলে চড়–ন এবং দেখুন আপনি হয়ে উঠবেন উদ্যমী ।

পুরস্কৃত করুন আপনাকে : যখন আপনার হাতের কাজ গুলো আপনাকে আনন্দ দানে ব্যর্থ তখন কাজটি শেষ করে আপনি নিজেকেই এক চমৎকার পুরষ্কার দিন। যে প্রতিদ্বন্দিতায় কাজই সম্পন্ন করে বাড়ি ফিরতে দেরি হতো, সে কাজটি সম্পন্ন হলে পরিবারকে নিয়ে ঘুরে আসুন সিনেমা থিয়েটার বা মনোরম কোনো প্রাকৃতিক পরিমন্ডলে ।

গড়ে তুলুন অনন্য ভাবমূর্তি : যখন আপনি আপনাকে পছন্দ করেন নিজেকে মনে করেন আত্নবিশ্বাসী এবং সৃষ্টিশীল প্রতি পদক্ষেপে আপনার দৃঢ়তা প্রকাশ পায়, আপনার কন্ঠস্বর আপনার মনোবলকে প্রতিধ্বনিত করে। সে সব দিনের পর যদি হঠাৎ চলে আসে বিপর্যয় এজন্য প্রস্তুত থাকুন।

একবার দেখুন : আপনার টেবিলের ড্রয়ারে খাম ফেলে না দিয়ে রেখে দিন। আপনার সুন্দর কোন পারফরমেন্স এর নিদর্শন অথবা ধন্যবাদ পত্র যা আপনার বন্ধু আপনাকে দিয়েছিলো বিপদে তাকে সাহায্য করার জন্য । যখন সত্যিই দুঃসময় তখন একবার এগুলো দেখুন অনুপ্রাণিত হোন আবারও ।


অবহেলা নয় : যতই ব্যক্তিত্বময় শক্তিশালী আপনি হোন না কেন প্রত্যেকটি মানুষেরই থাকে কিছু দূর্বলতা । এগুলোকে অবহেলা না করে এদের মুখোমুখি হন আর অবসর সময়ে বাড়িয়ে তুলুন আতœবিশ্বাস ।

প্রশংসা করুন : আপনার ছোট একটি প্রশংসা যখন অন্যকে আনন্দ দেয় সে আনন্দ কিন্তু আপনার মাঝেও সঞ্চারিত হয় । তাই সদা ভুল না ধরে আশে পাশের মানুষের সর্ম্পকে যথাযথ প্রশংসা করুন ।

একটু ঝুকি নিন : সাদামাটা আপনার জীবনধারার একটু ঝুকি আপনাকে এনে দেয় চাঞ্চল্য । আপনি দেখুন কতটা ঝুঁকি নেবার ক্ষমতা আপনার আছে। হেরে গেলেন ক্ষতি কি ? থেকে যাক অভিজ্ঞতা।

চাকচিক্যময় করে তুলুন নিজেকে : আপনার নিজস্ব কোন কিছুর পরিবর্তন আপনার ভাব মূর্তিকে সমৃদ্ধ করবে। আপনার জুতা জোড়া পালিশ করুন বা পরিবর্তন করুন চুলের স্টাইল । এগুলোই আপনাকে সত্যিই এনে দিবে স্বাতন্ত্র্য ।
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকাল

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫১



আজকাল আমার মনে হয় -
আমাকে কেউ পছন্দ করে না,
কারো কাছে গেলে, সে বিরক্ত হয়।
পোশাক অগোছালো, এলোমেলো চুল,
চোখের দৃষ্টি কেমন ঘোলাটে!
বীরত্ব দেখানোর কিছু নেই।
চতুর পুরুষ স্ত্রীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে ৯টি বছরঃ একজন লিলিপুটিয়ান থেকে সত্যিকার ব্লগার হয়ে উঠার গল্প

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২৮

আজ আমার ৩য় বইয়ের জন্য চুক্তি করতে প্রকাশক আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রকাশনা সংস্থা 'উত্তরণ'-এর মাসুদ ভাইয়ের বাংলাবাজারের অফিসে ঘণ্টাখানেক ছিলাম। তাঁর সাথে কথা বলতে বলতেই আমার মনে একটি বোধোদয় আসে! আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×