হারবাল ঔষধ নাকি পার্র্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন তাই জনপ্রীয়তার জোয়ার দেখা দিয়েছে, ক্রিয়া থাকলে প্রতিক্রিয়া হবে এটাই স্বাভাবিক, যার ক্রিয়া নাই তার প্রতিক্রিয়াও নাই এক কথায় মূল্যহীন, আকর্ষণীয় শব্দ জুড়ে দিয়ে যদি ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষন করা যায় তো ভাল কিন্তু সমস্যা একটা জায়গায়।
হারবাল ঔষধ কি শুধুই যৌন রোগের ঔষধ,
এদেশে আরকি কোন রোগ নেই , প্রচারেই প্রসার এই থিওরি মাথায় রেখে হারবাল ঔষধ বিক্রির নামে নোংরা বিজ্ঞাপনের ছড়াছড়ি, এতো বিছরী ধরনের মেয়েলি রোগের বর্ননা পুরুষের গোপন অংগের বর্ননা যা কোন ভদ্রলোক বা ভদ্র মহিলার সহ্য করা কঠিন হয়ে দাড়ীয়েছে।
আপনি বাসে,রেলে,লঞ্চ,স্টীমার,রাস্তাঘাট যেখানেই যাবেন তো এই নোংরা বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাড়ীয়ে আছে প্রচারপত্র নিয়ে আপনি নিবেন না তো জোর করে ছুড়ে মারবে আপনার গায়ে।
মাছেলে,বাবামেয়ে,ভাইবোন,স্বামীস্ত্রী একসাথে কোথাও যেতেই পারেন এমতাবস্থায় যেদিকেই তাকাবেন শুধুই এই বিছরী বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন ।হেকিম নামের অসভ্যগুলো প্রতিটা উপজেলা হেডকোয়ার্টারে ব্যবসার ফাঁদ খুলে বসে আছে একশ্রেণীর উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের ধরতে ,
সবকিছুমিলিয়ে তার যত পূঁজি তার চাইতেও কয়েকগুন বেশী তার বিজ্ঞাপন তৈরী ও বিলি খরছ।
এদের যোগ্যতা কি ,এধরনের ডাক্তারী করতে সরকারের কোন ছাড়পত্র প্রয়োজন হয় কিনা জানিনা কিন্তু সামাজীক মূল্যবোধ ধংস করার এ অধিকার তাদের কে দিয়েছে জানতে চাই।
বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি বাসে ছয় সাত বৎসরের বাচ্চা মাকে এই বিজ্ঞাপন পড়ে জিজ্ঞেস করছে মা এগুলোকি খায় ?
ভদ্র মহিলা লজ্জায় বাচ্চাকে উত্তর দিচ্ছে না বাচ্চা বারবার জিজ্ঞেস করছে ।
বলুনতো এই কুকুর গুলোকে কি করা যায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১১ সকাল ৮:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


