আমার প্রিয় পোস্ট
- ইশতিয়াক ভাই ও আমার ব্লগ লেখা - শামস্ বিশ্বাস
- একটি অতিশয় মানবিক ফেইসবুকিয় গল্প - আবুল হাসনাত সুজন
- "ওবামা" - রোমি খান
- ইশতিয়াকের জন্মদিনে শুভেচ্ছা। - বিলাল
- শুভ জন্মদিন - সুমন আহমাদ স্বাধীন
- শুভ জন্মদিন ইশতিয়াক ভাই- আহমেদ শিপন - আ. শিপন
- আজ ২২ নভেম্বর তরুণ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ইশতিয়াক আহমেদ-এর জন্মবার্ষিকী... - অন্যমাত্রা
- দুঃখীস্টাচু - রাকিবুল হক ইবন
- ~স্বপ্নজয়~, ভাই...... নাফিস ইফতেখার ভাই, সু-শান্ত ভাই, ইশতিয়াক ভাইসহ যারা পারবেন তাহারা... একটু দেখেন..... ! - আবদুর রহমান (রোমাস)
- ওয়ান টাইম পৃথিবীর লাইফ টাইম ভালোবাসা... (উৎসর্গ: ইশতিয়াক ভাই)Ñ রণক ইকরাম - রণক ইকরাম
- প্রিয় ইশতিয়াকের বড়ো চুল , একজন মঈন উ আহমদ এবং একটি আজানা অধ্যায় - আশীফ এন্তাজ রবি
- জাতি হিসেবে আমার অনেক অকৃতজ্ঞ। দুখু মিয়া, আমাদের ক্ষমা করবেন! - তায়েফ আহমাদ
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- দেবদূতদের জন্য আহ্বান ও ছোটদের সামহয়্যার ইন... - সন্দীপন বসু মুন্না
- সা.ইন-তে দেবদূত এবং একজন ইশতিয়াক আহমেদ... - পান্থ বিহোস
- দেবদূতগণের জন্য একটু... ... - নাজনীন১
- ইশতিয়াক আহমেদ এর সাম্প্রতিক একটি পোস্টের সূত্র ধরে... - মোজাম্মেল প্রধান
- প্রিয় ইশতিয়াক ভাই এবং ব্লগারদের কাছে খোলাচিঠি অথবা আমাদের ‘দেবদূত’ কিংবা ‘পথকলি’দের জন্য একটু ভালোবাসা প্রার্থনা - শাকিল ফারুক.
বইমেলায় আমার ভাই-ব্রাদারদের কিছু বই।
- সন্দীপন বসু মুন্না
- মেলায় কেনা দ্বিতীয় বইটির কথা... - পান্থ বিহোস
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- ইশতিয়াক আহমেদ এর সাম্প্রতিক ছড়া বনাম প্রতিছড়া - মোজাম্মেল প্রধান
- ছড়ার দেশ - নুরুজ্জামান মানিক
- একটি বিনীত অনুরোধ ... - আশীফ এন্তাজ রবি
মধ্যরাতে ঘুমাতে দেয়না মাকসুদ ভাই, এখনো তার ভাগ্যে বরাদ্দ হয় চটকনা...
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:০৭
এখন প্রায় মধ্যরাত। ঘুমানোর চিন্তা-ভাবনা করছিলাম। হঠাৎ করে একটি পোষ্ট দেখে ঘুমটা এক নিমিষে চলে গেল। শিরোনাম, শিল্পী মাকসুদের রবীন্দ্রসংগীত অ্যাডাপটেশন ও ব্লগার মনজুরুল হকের চটকনা থেরাপি। লেখক, ব্যাতিক্রমী।
লেখার বিষয়বস্তু, কোনো এক সন্মানিত ব্লগার মাকসুদের কন্ঠে রবীন্দ্র সংগীত শুনে তাকে চটকনা মারতে চেয়েছেন।
ভালো। কারো যদি ইচ্ছে হয় মারবে। মারতেই পারে। প্রিয় ব্লগার ব্যাতিক্রমী, আপনার জন্য আমার দুঃখ হয় কেন আপনি এসব বোঝানোর দ্বায়িত্ব নিজের ঘাড়ে নিচ্ছেন?
ভাই, এই দেশে প্রতিক্রীয়াশীল মৌলবাদীতার ভয়ংকরতা কতটুকু?
তারচে প্রগতিশীল মৌলবাদীতা কম ভংয়কর না। মাকসুদ ভাইকে নিষিদ্ধ করার পর বুঝেছি। বহু লোক তাকে গালাগাল করেছে সে সময়। প্রগতিশীলতার আবরন গায়ে লাগানোর সে চেষ্টায় একশ্রেনীর মানুষের চরম বৈষম্যের শিকার ছিলেন মাকসুদ। আপনি জানেন কিনা জানিনা, সে সময় যারা তাকে গালাগালি করেছে অনেককেই তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন আপনি তো আমার গাওয়া রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে কথা বলতে এসেছেন, তার আগে আগে আমি এই গানে কি কি কর্ড ইউজ করেছি একটা কাগজে লিখে দেন।
তখন তারা হাওয়া।
তাদের বিষয়টা অনেকটা এরকম ছিল, শুনেছি আপনি একটা খারাপ কাজ করেছেন তাই গালি দিতে এলাম।
নচিকেতা একটা গান করলেন। একই রকম। ওপারের টিভিতে অনেক বুদ্ধিজীবী শিল্পিদের প্রশংসা সূচক কমেন্ট নিয়ে তারপর চ্যানেলে সেই গান প্রচার হতে দেখেছি।
সে সময় এপারের ভাইদের মুখে কুলুপ আটা ছিল। কারন আর যাই হোক দাদাদের রাগানো যাবেনা।
তখন হয়তো এইসব তথাকথিত রবীন্দ্র মৌলবাদীদের উপলদ্ধি এসেছিল, ওপারের দাদারা যখন করেছে তাহলে হয়তো ঠিক আছে।
একটা গল্প মনে পড়ে গেল, এক খরগোশ কাঁদছে দেখে নেকড়ে জিজ্ঞাসা করলো কিরে কাঁদছিস কেন? বল কে মেরেছে? এক্ষুনি একটা ঘুষিতে দাত ভেঙে দিয়ে আসি।
খরগোশ জবাব দিল, সিংহ।
নেকড়ে তখন ঢোক গিলে আমতা আমতা করে বলল, সিংহ মশাই যখন মেরেছে তখন হয়তো ঠিকই আছে।
মাকসুদ যে বছর নিষিদ্ধ হয় সে বছর সৌভাগ্যক্রমে তার একটা ইন্টারভিউ করার সুযোগ এসেছিল। তাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করেছিলাম। বলেছিলেন, 'এদেশ আগে রবীন্দ্রনাথকে বুঝুক তারপর তর্ক করবো। এদেশে এখনো রবীন্দ্র সংগীত মানেই হারমোনিয়াম ধরে প্যা প্যা...অথচ অবাক বিষয় শান্তিনিকেতনে হারমনিয়াম ঢুকতে পারেনা।'
মাকসুদ রবীন্দ্রসংগীতের ফিউশন করেছিলেন, যার নাম দিয়েছে বিকৃতি। অথচ রবীন্দ্রনাথ নিজেই ছিলেন বাংলা ভাষার ফিউশন আর্টিষ্ট। তিনি আইরিশ এবং স্কটিশ ঘরানার উপাদান তার নিজের গানে ব্যবাহার করেছিলেন। উদাহরন'পুরোনো সেই দিনের কথা'। গানটির মূল গানের নাম 'suld lange syne' । একটি নববর্ষের গান।
এমনকি আমাদের জাতীয় সংগীতের সুর, গগন হরকরার 'আমি কোথায় পাবো তারে' গানটি থেকে নেয়া।
অতএব?
প্রিয় ব্যাতিক্রমী, সময়ের সাথে সাথে এসব অনেক কিছু হয়ই। বর্তমানতো কোনো বিচারের ক্ষমতা রাখেনা, বিচার করে ভবিষ্যৎ। তাই একটু আকটু সহ্য করেন কেন শুধু শুধু এসব নিয়ে লিখে কষ্ট করেন?
কারন একজন মাকসুদ এদেশের তারূণ্যে যা দিয়েছে তা বুঝে ওঠার ক্ষমতা অনেক প্রগতিশীল মৌলবাদীদের নেই।
একজন মাকসুদুল হককে চিনতেই অনেক ক্ষমতাসম্পন্ন হতে হয়।
আর তাকে চটকনা মারা?
ভাই মুখ আছে বলতে সমস্যা কি?
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হুমমম...
http://www.youtube.com/watch?v=5ALO4KexBS0
এটা দেখেন .. মনজুরুল ভাইয়ের বক্তব্যের একটা পার্ট ঠিক
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কে মৌলবাদি এটা পুরাই বিতর্কিত বিষয় ..
গানটা সম্পর্কে আপনার বক্তব্য আশা করছি
লেখক বলেছেন: শুনলাম...!!!!!
মন্তব্য কী আর প্রয়োজন?
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
এই বিষয়টা নিয়ে অলরেডি একজনে পুস্ট দিছে। ইনায়ে-বিনায়ে আবার এতো কথা বলার কী দর্কার ছিল? মনজুরুল হক অবশ্যই কথা বলার, হোক চটকানা, অধিকার রাখেন।মাইনাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই রাখেন কোন সন্দেহ নাই...আপনিও মাইনাস দেবার অধিকার রাখেন...
তারপরেরও নিজের ভাবনা শেয়ার করা যায়... একটু কষ্ট করে কদিন আগের পোস্ট গুলো দেখুন বিডিআর বা বসুন্ধরা নিয়ে তো প্রথম একটা কোনো পোষ্ট ছিল...কিন্তু তারপরও কেন দুতিনদিন ধরে এতো লেখালেখি হলো?
আপনাকে প্লাস দিলাম। এ প্লাস। জিপিএ (ফিউশন) ফাইভ।
তনুজা বলেছেন:
আপনি কি পোস্টটা পুরো পড়েছেন? আপনার কাছে কি পোস্টটার উদ্দেশ্য সৎ মনে হয়েছে?আপনি মূল পোস্টটা পড়েছেন যেটা নিয়ে বিতর্ক?
মনজু ভাই কি কোন পোস্ট দিয়েছেন না অন্যদের মত একটা কমেন্ট করেছেন, সেটা হঠাৎ হাইলাইট করার কারণ কি ? তিনি কি মাকসুদবিরোধী কোন আন্দোলনকারী? তিনি কি সংগীতজগতে মাকসুদের প্রতিপক্ষ?
শ্রোতা হিসাবে আমরা সবাই কি হরহামেশা এগুলো বলিনা ?
তার একটা কমেন্ট ভাল না লাগলে সেটাকে শিরোণাম করে এরকম পোস্ট দেয়ার উদ্যোগ কি আপনার কাছে স্বাভাবিক মনে হয়েছে?
যদি আপনার কাছে পুরো ব্যাপারটাই স্বাভাবিক মনে হয় আমার কিছু বলার নেই
লেখক বলেছেন: আমি কি মনজু ভাইয়ের কোনো প্রতিপক্ষ?
আমি কি মনজু ভাই বিরোধী কোন আন্দোলনকারী?
আমি তার মন্তব্য এবং মানসিকতা নিয়ে লিখেছি। এইভাবে একজন সুবিবেচক ব্লগার কথা বলেন না ...।
শ্রোতা হিসাবে আমরা সবাই হরহামেশা বলি কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু সেটা যদি পাবলিকলী এসে পড়ে তাহলে তো সমস্যা।
এইভাবে পাবলিকলী আনাটা আপনি কি স্বাভাবিক মনে করেন?
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
রবীন্দ্রনাথকে আমি গভীর ভাবে জেনেছি। তাকে ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি, তবে অন্ধভাবে কখনোই নয়। তাকে আমার কখনোই দেবতা মানি নি। কেননা ওতে আমার বিশ্বাস নেই। তার গানের তুল্য কেবল তারই গান।
কিন্তু তিনি কোথাও বলেন নি বা লিখে রেখে যান নি যে তার গান নিয়ে গবেষণা করা যাবে না।
প্রথমতো ভাঙলেন দেবব্রত বিশ্বাস। তাকে কেউ বলতে গেলেই ফেসে গেছে। তারও অনেক পরে নচিকেতা, "ঝরো ঝরো বরিষে বারিধারা... পথবাসি... পথহারা" সবাই বাহবা দিলো ওখানে। আসলেই অসাধারণ। আমি শুনেছি, এখনো শুনছি।
কিন্তু এপার বাঙলায় মাকসুদভাই যখনই গাইলেন, "না চাহিলে যারে পাওয়া যায়..." প্রতিবাদের ঝড় উঠলো। কেননা আমরা প্রথা এবং বয়সকে ভালোবাসি। আমি নবীন হতে চাই না, আমরা বুড়ো হতে চাই।
বুড়ো হতে হতে আমরা রবীন্দ্রপ্রদ্ত্ত সুকুমার ও ললিতভাষা ভুলে গিয়ে চটুল ভাষা প্রয়োগ করি।
আমাদের গন্তব্য কোথায়?
লেখক বলেছেন: আমার কিছু বলার নেই ভাই ...
আপনিই জবাব দিয়েছেন...
তনুজা বলেছেন:
আমি স্বাভাবিক মনে করি বলেই এই প্রতিক্রিয়াতে অবাক হয়েছি।এক বিশেষ ব্যক্তির একটি খন্ডিত কমেন্ট কেন পোস্টের শিরোণাম করার মত গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে আমি সেখানেই আশ্চর্য ।
আপনাকে যদি মনজুভাই এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হত তাহলে উপরের কমেন্টটা করতাম না । আমার কমেন্ট কিভাবে দেখবেন সেটা আপনার বিবেচনা
লেখক বলেছেন: সবিকছুই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে যদি তা গুরুত্ব বহন করে...
আমি স্বাভাবিক মনে করি বলেই এই প্রতিক্রিয়াতে অবাক হয়েছি।
- আপনার এই মন্তব্য মানতে পারলাম না। যতহোক মাকসুদ এদেশ কে দিয়েছে অনেক...
এক পহেলা বৈশাখ নিয়েই দেখেন রবীন্দ্রনাথের পর কার গান বাজে?
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আমি ফিডব্যাকের মাকসুদরে ভালা পাই, তার বাউলিয়ানা নিয়াও পাংখা আছিলাম। কিন্তু তার মুখে এক নববর্ষে মঙ্গলদীপ জ্বেলে শুইনা মেজাজ খারাপ হইছিলো। এস্টারিক্সে ক্যাকোফনিক্স বইলা একটা চরিত্র আছে। সে মুখ খুললেই তারে লোকজন মুখে কাপড় গুইজা গাছে বাইন্ধা রাখে। আমার অনুভূতি তখন ছিলো সেইরকম। গানের কোনো সীমানা থাকা উচিত বইলা আমি মনে করি না, কোনো গান অন্য কেউ গাইতে পারবো না- এইটাও আমি মানি না। সত্যি বলতে কোষ্ঠ কাঠিন্য হইছে এমন মুখভঙ্গি নিয়া যেভাবে শিল্পীরা রবীন্দ্র সঙ্গীত গায় সেইটাও আমার পছন্দ না। তারপরও সব কিছুর একটা নিয়ম আছে তো!
লেখক বলেছেন: আপনি জ্ঞানী মানুষ সবই বোঝেন...
কিষান বলেছেন:
গান ভালো না লাগলে চটকনা মারতে হবে, এ আবার কেমন কথা? তাহলে তো ডেথ মেটাল ব্যান্ডগুলোকে এতোদিনে ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠায়া দেয়ার কথা। লেখক বলেছেন: হায়!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
পুরাপুরি মাথাখারাপ হওয়ার পর মানে রাচিতে যাওয়ার আগে উনি ওয়ালের উপর দাড়াইয়া মাঝরাতে গান গাইতো। এখনও কি তাই করে নাকি?
লেখক বলেছেন: কি জানি ভাই ?
তনুজা বলেছেন:
আমি একটা কথা বলি এরপর আর কিছুই বলব না ।আমি মাকসুদের ঐ প্রচেষ্টার বিরোধী নই , আমি তাকে যতটুকু জানি অপছন্দ করি না , বরং কিছু কিছু কারণে বেশ প্রশংসা করি
আপনাকে বা মনজু ভাই যতটুকু জানি ব্লগের সুবাদে ।
সেই সূত্র ধরে রিঅ্যাকশন পোস্ট যেটা আপনার আগে এসেছে সেটা আমার কাছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হয়েছে।
আপনারটা চটজলদি পোস্ট মনে হয়েছে মাকসুদের একজন শ্রোতার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া , সেজন্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছিলাম
এর বেশি কিছু বলা উচিত নয় , আপনি যদি মনে করেন ঐ পোস্ট স্বাভাবিক তাহলে তাই, যদি মনে করেন আমার বক্তব্য অপ্রাসংগিক তাহলেও তাই ।
আর মনজু ভাইকে হেয় না করার উদ্দেশ্যে যদি ঐ পোস্ট এসে থাকে তাহলে আমি অবশ্যই অপরাধী ।
লেখক বলেছেন: আমি জানিনা ঐ পোষ্টের অন্তর্গত রহস্য কী?
আমি একজন মাকসুদ ভক্ত হিসেবে এই তাৎক্ষণিক পোষ্টটি করেছি।
আর একজন মনজু ভাইয়ের প্রতিও আমার কোনো ক্ষোভ নেই। থাকার কথাও না। আমি তার নাম ধরে তার মানসিকতা নিয়ে কথা বলেছি।
আপনি যদি কোথাও মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন আমি দুঃখিত।
আপনি ভালো থাকুন।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
অভিযুক্ত পোস্টটা পড়লাম। মনজুরুল হক ভাই কিন্তু বলেন নাই কোথাও মাকসুদের গান শুইনা তারে চটকনা দিতে ইচ্ছা করছে। উনি বলছেন জনকণ্ঠে প্রয়াত ওয়াহিদুল হক ও মাকসুদের মধ্যে এটা নিয়া যে পত্রালাপ হইছিলো তাতে তারও অংশ ছিলো। উনি মাকসুদের পক্ষ নিয়াই লিখছেন। কিন্তু মাকসুদ যখন ওয়াহিদুল হকরে আক্রমণ করলেন তার নাম মকসুদ লিখার জন্য, তখন সেটা পইড়া মনজুরুল হক ভাইর ইচ্ছা হইছে তারে চটকনা দিতে। তাতে রবীন্দ্র সঙ্গীতের কোনো ভূমিকা নাই। ওয়াহিদুল হকের প্রতি শ্রদ্ধা কাজ করছে। ফেয়ার যুক্তি। তাইলে আপনার পোস্টটা কি দাড়াইলো!
লেখক বলেছেন: যদি আরেকটু কষ্ট করে, আরেকটু মনেযাগ দিয়ে পুরোটা পড়তেন...শুধু লাইনটা না এর সোর্সটাও দেখতেন...
প্রীত হতাম...
ভালো থাকেন
সুমন অহেমদ বলেছেন:
'আমি কোথায় পাবো তারে' গানটা এইমাত্র শুনলাম.......বুঝতে পারছিনা কেমন লাগছে....!!!
সত্যিই বলতে পারছিনা!!
জাতীয় সংগীতটা অনেক অনেক . . . কি বলবো!
আর ঐ পোষ্টটা কাউকে ছোটো করার জন্য মনে হয়না করা হয়েছে. . .
আমার মনে হয়নি. .
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না ...ভাই...
মনজুরুল হক বলেছেন:
ধন্যবাদ ইশতিয়াক আহমেদ। আগামী কাল-পরশু বোধহয় আপনার সাথে আমাদের বসবার কথা। একটা সূত্র থেকে তেমনই জানানো হলো আজ। তার আগে চমৎকার ইন্ট্রোডাকশন! কি বলেন? একজন সংবাদকর্মি হিসেবে আপনার জানার কথা ওয়াহিদুল হক সম্পর্কে। তিনি অনেকের মত আমারও শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন। মূল ঘটনা কি নিয়ে তা আপনার জানা দরকার মনে হওয়ায় ওই পোস্টে করা মন্তব্যটি এখানে পেষ্ট করলাম। কিছু মনে করবেন না।
"লেখক বলেছেন: আমার উদ্দেশ্য মনজু ভাই যেন কখনো কারো দ্বারা কোনোরকম হেয় প্রতিপন্ন না হোন। তাছাড়া একজন সম্মানিত ব্যক্তির সাথে এরকম শিষ্টাচার বর্জিত আচরণ মনজু ভাইকে কি মানায়? আশা করি তিনি বিষয়টি ভাববেন।"
বেশ। শুনে ভাল লাগল যে আপনি আমাকে "আইডল" ভাবেন! আপনি আর একটু চেষ্টা করলে যে "অশিষ্টাচার" এখানে তুলে ধরেছেন, তাকে আরো মহিমান্বিত করতে পারতেন, যদি জনকন্ঠের সেই কপিটা যোগাড় করতে পারতেন।
যাহোক যা করেছেন ভালই করেছেন। তবে আপনার তথ্যে কিছুটা ঘাটতি রয়ে গেছে।
১।আপনার আইডল মনজুরুল হক কিন্তু জনকন্ঠের সেই সংখ্যায় মাকসুদের পক্ষেই কাউন্টার কলাম লিখেছিল।
২। তার পর বিতর্ক থেমে যাওয়ার পর ওয়াহিদুল হক (যিনি আমাকে তার ছেলে জ্ঞান করতেন) মাকসুদের নাম লিখেছিলেন "মকসুদ" বলে(আরবিতে মকসুদ ই হবে)। কেন মাকসুদকে "মকসুদ" বলা হলো সে কারণে মাকসুদ ওয়াহিদ ভাইকে খুব বাজে ভায়ায় আক্রমণ করেছিল। আর সেটাই তার প্রতি আমার রুষ্ঠ হওয়ার কারণ। এখানে রবীন্দ্রসঙ্গীত ফ্যাক্টর ছিল না। সেই কথাটা মনে পড়ায় ওই চটকনা শব্দের আগমন।এখনো মনে করি ওয়াহিদুল হককে অপমান করার কারণ শুধু একটা আকার না দেওয়া? সেই মাকসুদকে আপনি মহান ভাবতেই পারেন, সেটা আপনার ব্যাপার। আমি ভাবি না।
৩। সানজিদা খাতুন, ওয়াহিদুল হক ক্ষেপেছিলেন, কারণ তখনো রবীন্দ্রসঙ্গীতের কপিরাইট উঠে যায়নি।
আর আপনি যেটা করলেন তার জন্য আপনাকে অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: জ্বি বড় ভাই,
চমৎকার ইন্ট্রোডাকশন।
কিন্তু বড় ভাই, বিষয়টা এমন আপনি মাকসুদকে খারাপ বলতেন। ওকে। আপনি সমালোচনা করতেন ওকে।
কিন্ত যে মন্তব্য করেছেন তা একটু নিজেই ভাবুন...যদি আমি দোষ করি মাথা পেতে নেবো...
পছন্দ অপছন্দের বিষয়ে এমন মন্তব্য কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?
আর একটা বষিয় প্লিজ লক্ষ্য করবেন আমি কোথাও কিন্তু আপনাকে ব্যাক্তিগত আক্রমন করিনি...
সেটা আমি করতে চাইওনা। আমি আপনার মন্তব্য কোড করে একটা সামগ্রীক শ্রেণীকে বলেছি...
পোষ্ট খিয়াল কইরা না পরলে যা হয় আরকি
@ ইশতিয়াক : আপনার পোষ্টের বিশ্লেষন ও ফেলনা না
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রবীন্দ্রসংগীত আর ডেথমেটালের ওপরে ক্যাচাল করার জন্য ব্লগারদের আহবান করছি
অট: ক্যাচাল সবসময়ই উপাদেয় ... খিক খিক খিক
লেখক বলেছেন: হুমমম...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আমি ডেথ মেটাল গায়কদের ফায়ারিং স্কোয়াডে দিবার পক্ষপাতি না @ আরণ্যক
লেখক বলেছেন: সহমত
সে তো একূল ওকূল সব কূল হারাইলো ..
ডেথমেটালওলা রা কইব "হেই ম্যান ইউ আর লেইম আর আতেল"
রবীন্দ্রসংগীত ওলারা কইব : "এই প্রজন্ম উচ্ছনে গেল : এটাও সংগীত আর গরুর ডাকও সংগীত "
আমি কই যামু
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
ঘটনার শুরু কেমনে হইল জানিনা। সো ঐটা নিয়া কিছু কইতেছি না। আমি যেটা কইবার আইছি সেইটা হইল 'আমি যেমন রবীন্দ্রসংগীতের ভক্ত তেমনি মেটাল কিংবা হেভিমেটালেরও ভক্ত। মুডের উপরে ডিপেন্ড করে কোন গান কখন শুনি। মাকসুদ আমার খুব প্রিয় একজন সংগীত শিল্পী। ফিডব্যাক ই ছিল আমার প্রথম প্রিয় কোন ব্যান্ড। তবে, তার রবীন্দ্রসংগীত শুনা হয়নাই। সো ঐটা নিয়াও কিছু বলতে পারতেছি না। অর্ণবের মিউজিকে কিছু রবীন্দ্রসংগীত শুনেছি। আমার বেশ ভালো লাগছে।
মানুষ পাখি বলেছেন:
@পিয়াল! ভাল বলেছেন!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আরণ্যক@ আমিও একই দলে। সবই শুনি।
অরণ্যদেব বলেছেন:
এইহানে ঘটনা কি? ইশতিয়াক ছাব দেহি কুলিন বামুন হৈয়া উঠছেন।মনজু ভাইরে নিয়া আপনের জ্বলুনি কুনহানে বুঝর্তাছি।আগে তো কুনো দিন আপনেরে মাকসুদের ভক্ত মুনায়নাই? ক্যামনে কি? উনি তো চটকনা দিতে চাইসে, আমি হৈলে হের লগে আপনেরেও এক্টা লাগাইতাম, শালা পাও চাটা দালাল কুনহানকারব্যান বুনের ডর নাই।অখন আছি ঝিনাঢ়েল।
লেখক বলেছেন: সহমত
রাহাজানি বলেছেন:
গানটা auld lange syne হবে।টাইপো হয়েছে
লেখক বলেছেন: স্যরি...
তর্পন বলেছেন:
@অরণ্যদেব, ভাল বলেছেন ।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
তর্ক করার কি আছে সেটাই বুঝতাছিনা।
লেখক বলেছেন: তর্ক না ভাই এটা... Click This Link
ক্যাপটেন হ্যাটেরাস বলেছেন:
সবাই খালি মন্জু ভাইরে লয়া লাগলো ক্যান হঠাৎ?? কার লেন্জায় পারা দিসে মন্জু ভাই?? হালার ভাদাইম্মা গো লয়া বলগিং করতে হইবো দেইখাই বিরক্তিতে খিচরাইয়া যাইতেছে মন।
দেশী পোলা বলেছেন:
আমি ডেথ মেটাল গায়কদের ফায়ারিং স্কোয়াডে দিবার পক্ষপাতি, পারলে আন্ডারগ্রাউন্ডের সবকয়টা প্যানপ্যানানির দলরে দেশ থেকে বহিস্কার করেন সবাই।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ভাই ইশতিয়াক,আপ্নে কি কুনোদিনৈ রাস্তায় দাঁড়ায়া দোস্তবন্ধুগো লগে কন্নাই কাউরে ঠাটায়া চটকানা মারনের কাম?
হেইসুম কি আপ্নের আশে পাশে যারা আছিল হেরা আপ্নের কৈছে ঐ বেডা আমার পছন্দের লুক হেরে আপ্নে চটকানা দিবেন আপ্নের সাহস্তো কম্না?
লেখক বলেছেন: শ্রোতা হিসাবে আমরা সবাই হরহামেশা বলি কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু সেটা যদি পাবলিকলী এসে পড়ে তাহলে তো সমস্যা।
এইভাবে পাবলিকলী জানানো আপনি কি স্বাভাবিক মনে করেন?
প্লিজ পড়ুন: Click This Link
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
============================================
বলেছিলেন, 'এদেশ আগে রবীন্দ্রনাথকে বুঝুক তারপর তর্ক করবো। এদেশে এখনো রবীন্দ্র সংগীত মানেই হারমোনিয়াম ধরে প্যা প্যা...অথচ অবাক বিষয় শান্তিনিকেতনে হারমনিয়াম ঢুকতে পারেনা।'
------মাকসুদ নিজে বলছেন এ কথা?
একজন ভক্ত হিসেবে বলছি মাকসুদের ভালো গানের সংখ্যা অনেক।কিছুদিন আগে টিএসসি'র কনসার্টে পুরনো সেই গানগুলো নতুন করে উপভোগ করেছি।
কিন্তু "না চাহিলে যারে পাওয়া যায়" গানটা আমার ভালো লাগে নাই।এখন এডাপটেশন কোন অপরাধ না।তখন হয়তো কপি রাইট ঝামেলা ছিলো।আমার মনে হয়েছে জেনে শুনে মাকসুদ এটা না করলেও পারতেন।যদি গানটা আমার কাছে খুব ভালো লাগতো তাহলে আমি নিজেও হয়তো একথাটা বলতাম না।কারন গান ভালো লাগাটাই এখানে জরুরী বিষয়।কপিরাইট আইন দিয়ে কিংবা শিল্পীকে হেনস্হা করে এটা আটকানো সম্ভব না।
----
আমার খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে আপনার কি আসলেই ঐ গানটা ভালো লাগছে মাকসুদের গলায়?ধরেন,এখন ফুয়াদ যদি একটা রবীন্দ্রসংগীতের সাথে চটুল এবং সুড়সুড়ি জাগানিয়া র্যাপ সাথে কিছু নারী কন্ঠের আঁ উঁ জুড়ে দিয়ে একটা ট্র্যাক বানায় আর নাম দেয় "হে ক্ষনিকের অতিথি"।ব্যাপারটা আপনি কিভাবে দেখবেন?
আমার খারাপ লাগলে আমি যদি ফুয়াদকে অশ্লীল গালি পাড়ি আপনি কি আমাকেও প্র. মৌলবাদী বলবেন?
===========================================
অনুপ্রবেশ বলেছেন:
মাইনাস দিয়ে শূরু করলাম।আপনি যে কতটুকু "সমালোচনা" করতে পারেন, তা বুঝলাম। বয়স কত হয়েছে?
রাগ ইমন বলেছেন:
কে কি করেছেন , তা নিয়ে কিছুই বলবার নেই । একটা বিশাল ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে , সেইটাই বুঝতে পারছি । ভালো লাগলো , আপনার বিশ্লেষন । আপনার আগের অনেক পোস্ট পড়েছি । বিশ্লেষনী দক্ষতা বা লেখনীর নৈপুন্য - আপনার কোনটাই কম নেই ।
ভালো লাগলো না , অগ্রজ মনজুরুল হকের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার পদ্ধতিটা । তার চেয়ে অনেক বেশি খারাপ লাগলো , মনজু ভাইকে সম্মান দেখাতে গিয়ে যারা আপনার উপর ঝাপিয়ে পড়লেন তাদের আচরন দেখে ।
লক্ষ্য করুন , আমি উচিত কি অনুচিত সেই তর্কে যাচ্ছি না । আমি আমার ভালো বা খারাপ লাগার কথা জানিয়েছি । আশা করি , কারো সম্মান হানি হয়নি তাতে ।
শেষ কথা , ব্লগার হিসেবে আপনি একেবারে নবীন নন । তাই , একটা কথা বাধ্য হয়েই বলছি , এই ভুল বুঝাবুঝিটা যে হবেই , এইটা আপনার ধারনা করতে পারার কথা । " জ্বালাও , পোড়াও , মানি না , জানি না , শুনবো না , চামড়া তুলে নেব " মুডে ঝাপাইতেই অভ্যস্ত অনেকে । আপনি যেটা আশা করছেন , সেইটা অতি ঠান্ডা মাথার বিবেচক আচরন । আপনিই বলেন , ব্লগে কয়জন এই রকম আচরন করে ?
খামখা কাউকে বাজে কথা শুনতে দেখলে খারাপ লাগে ।
আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো , যার ভুল সংশোধন করতে চাই তাকে পারলে একটু আড়ালে নিয়ে বলাটাই ভালো । অগ্রজ ও বয়োজেষ্ঠ হলে তাঁকে এই সম্মানটুকু দেওয়াটা আমি বাঙ্গালী রীতি বলেই মানি এবং মানতে চাই । বাপ মা কিংবা বড় ভাই বোন ভুল করলে সেইটা যথা সম্ভব হই চই না করে সংশোধন করাটাই আমার কাছে শ্রদ্ধাসূচক ।
এই ব্যাপারে অনেকেই একমত হবে না , আমি জানি ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














